Offer Buzz

Call Directions Website Contact the business

Offer Buzz Smart Deals, Hot Offers & Big Savings – Only at OfferBuzz!

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। বয়স ৮০। ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে, ফ্লোরিডার একটি ছোট চার্চে দাঁড়িয...
10/23/2026

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। বয়স ৮০। ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে, ফ্লোরিডার একটি ছোট চার্চে দাঁড়িয়ে তিনি শোনালেন তাঁর মেয়ের গল্প। তাঁর মেয়ে চেলসি, যখন মাত্র ১৫ বছরের কিশোরী, তখন নাকি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো পবিত্র কোরআন পড়ে শেষ করেছিলেন। তারপর বাবার হাতে একটি পৃষ্ঠা তুলে দিয়ে বলেছিলেন, "বাবা, এটা পড়ো।"

ঘটনাটি গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার। ২০ অক্টোবর ২০২৬। ফ্লোরিডার ব্রাওয়ার্ড কাউন্টির Koinonia Worship Center-এ "Multiple Faiths, One Florida" শীর্ষক আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে বক্তব্য রাখছিলেন বিল ক্লিনটন।

তিনি বলছিলেন, ধর্মের নামে মানুষকে হেয় করার এই সংস্কৃতিতে তিনি ক্লান্ত।

"আমি ক্লান্ত, মানুষকে কেবল মুসলিম হওয়ার কারণে হেয় করা হচ্ছে দেখে" — তাঁর সেই কথাটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে।

এই প্রসঙ্গেই তিনি টেনে আনেন চেলসির কথা। তাঁর একমাত্র মেয়ে চেলসি ক্লিনটন। যিনি তখন হাইস্কুলের ছাত্রী। কোনো পরীক্ষার জন্য নয়, কোনো চাপে নয়, নিছক জানার আগ্রহ থেকে তিনি হাতে তুলে নিয়েছিলেন কোরআন। প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত পড়েছিলেন।

ক্লিনটন মঞ্চে বলেন, মেয়ে পড়া শেষ করে তাঁকে একটি আয়াত পড়তে বলেছিল। সেই আয়াতটি ছিল সুরা আল-হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াত। যেখানে বলা হয়েছে, মানবজাতিকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তারা একে অপরকে জানতে পারে, চিনতে পারে। ঘৃণা করার জন্য নয়।

এই গল্পটাই সেদিন তিনি আবার শোনালেন। মেয়েই তাঁকে এই আয়াতের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

চেলসি ক্লিনটনের জন্ম ১৯৮০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। ১৫ বছর বয়স মানে ১৯৯৫ সাল। হোয়াইট হাউসে থাকার সময়টা। বাবা প্রেসিডেন্ট, মা ফার্স্ট লেডি। সেই ব্যস্ত জীবনের মাঝেও মেয়ের বইয়ের টেবিলে ছিল কোরআন। এটা ধর্মান্তর নয়, এটা ছিল অন্য ধর্মকে জানার এক কিশোরীর নির্মল কৌতূহল।

বিল ক্লিনটন সেদিন আরও একটি কথা বলেছিলেন, "প্রতিটি ধর্মেই খারাপ মানুষ আছে, কারণ আমরা সবাই তো ত্রুটিপূর্ণ মানুষ।" ভালো-মন্দের এই সহজ সত্যটাই তিনি শিখেছিলেন তাঁর ১৫ বছর বয়সী মেয়ের কাছ থেকে।

আজ চেলসি নিজেও একজন মা, লেখক এবং জনস্বাস্থ্য গবেষক। কিন্তু বাবার স্মৃতিতে তিনি এখনো সেই ১৫ বছরের কিশোরী, যে বাবাকে ডেকে বলছে — বাবা, এটা পড়ো।

এই গল্প কোনো রাজনীতির নয়। এটা এক বাবা ও মেয়ের গল্প। জানার আগ্রহ কীভাবে ঘৃণার দেয়াল ভাঙতে পারে, তার গল্প। একটি বই কীভাবে দুটি প্রজন্মকে আরও কাছাকাছি আনতে পারে, তার গল্প।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি Al Jazeera, The Economic Times এবং The Siasat Daily সহ প্রথম সারির আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে তথ্য যাচাই করে লেখা। এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য বা ধর্মীয় প্রচারণা নয়, বরং একটি আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারিবারিক মূল্যবোধের মানবিক গল্প হিসেবে উপস্থাপিত।

এক টাকার মাস্টার—লুৎফর রহমান, সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর ❤️নাম তাঁর লুৎফর রহমান। তবে এলাকায় তাঁকে সবাই চেনে ‘১ টাকার ম...
10/05/2026

এক টাকার মাস্টার—লুৎফর রহমান, সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর ❤️
নাম তাঁর লুৎফর রহমান। তবে এলাকায় তাঁকে সবাই চেনে ‘১ টাকার মাস্টার’ নামে।

১৯৭২ সালে এসএসসি পাস করেন লুৎফর রহমান। কিন্তু ১৯৭৪ সালে ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙনে তাঁর পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে ফেলে। থেমে যায় তাঁর নিজের পড়াশোনার পথ।

কিন্তু নিজের স্বপ্ন থেমে গেলেও তিনি চাননি চরাঞ্চলের অন্য কোনো শিশুর পড়াশোনা থেমে যাক। সেই সংকল্প থেকেই নদীপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ানো শুরু করেন তিনি।

শুরুতে একেবারেই বিনা পারিশ্রমিকে পড়াতেন। পরে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অনুরোধে সম্মানী হিসেবে নেওয়া শুরু করেন মাত্র ১ টাকা।

সময়ের সঙ্গে চাল-ডাল-তেলসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে বহুগুণ। কিন্তু লুৎফর মাস্টারের পড়ানোর ফি আজও সেই ১ টাকা! ❤️

বয়স প্রায় ৮০ বছর। তবুও একটি পুরোনো সাইকেল নিয়ে প্রতিদিন তিনি ছুটে বেড়ান গ্রামের পর গ্রাম। রোদ, বৃষ্টি কিংবা ঝড়—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারে না। কখনো খোলা আকাশের নিচে, কখনো চরের বালুর ওপর বসেই ৩০-৪০ জন শিশুকে একসঙ্গে শিক্ষার আলো দিয়ে চলেছেন তিনি।

এই ১ টাকার মাস্টারের কাছে হাতেখড়ি নেওয়া চরের শত শত শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যাংকারসহ নানা পেশায় প্রতিষ্ঠিত। এমনকি তাঁর নিজের এলাকার একটি মাদরাসার প্রিন্সিপালও তাঁর ছাত্র।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার আয়োজনেও তাঁর ত্যাগ ও অবদানের কথা বিশেষভাবে উঠে আসে। তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও শিক্ষার প্রতি অসামান্য ভালোবাসার গল্প সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

লুৎফর রহমানের একটি কথা সবচেয়ে বেশি মনে দাগ কাটে—

“একটা শিক্ষিত বাচ্চা কখনো গরিব হতে পারে না।” ❤️

কথাটা হয়তো খুব ছোট, কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে আছে একজন শিক্ষকের সারাজীবনের দর্শন।

অর্থের বিনিময়ে নয়, মানুষের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্নে যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন—তাঁকে সত্যিই স্যালুট।

লুৎফর মাস্টার, আপনি শুধু একজন শিক্ষক নন—আপনি সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর। 🌻

আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা, শান্তি ও দীর্ঘায়ু দান করুন। 🤲
#একটাকারমাস্টার #লুৎফররহমান #শিক্ষক #মানুষগড়ারকারিগর #বিশ্বশিক্ষকদিবস
❤️

হারিয়ে যাওয়া এক প্রিয় মুখ: মাহবুবা ইসলাম সুমীএকসময় বিটিভির পর্দা ও ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে যাঁর মায়াবী চোখ আর সাবলীল উপস্...
10/04/2026

হারিয়ে যাওয়া এক প্রিয় মুখ: মাহবুবা ইসলাম সুমী

একসময় বিটিভির পর্দা ও ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে যাঁর মায়াবী চোখ আর সাবলীল উপস্থিতি দর্শকদের বিমোহিত করত, তিনি আর কেউ নন—গুণী অভিনেত্রী ও নির্মাতা মাহবুবা ইসলাম সুমী।

নব্বই ও ২০০০-এর দশকে শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে তিনি দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নেন। পরবর্তীতে পরিচালক হিসেবেও দেখিয়েছেন অসামান্য রুচি ও নিবেদন—বিশেষ করে রবীন্দ্রসাহিত্যের অনন্য দৃশ্যায়ন ও ‘তুমি রবে নীরবে’ টেলিছবির মাধ্যমে।

বর্তমানে লাইমলাইট থেকে দূরে থাকলেও গুণী এই শিল্পীর প্রতি দর্শকের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা একটুও কমেনি। ভালো কাজের প্রতি তাঁর এই সততা আজকেও অনুপ্রেরণা দেয়। নাট্যাঙ্গনের এই প্রিয় নক্ষত্রের জন্য রইল অকৃত্রিম শুভকামনা ও ভালোবাসা! ❤️

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘আসমানী’—কবিতার পাতায় আঁকা এক বাস্তব জীবনের গল্পপল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর সৃষ্টি ‘আসমানী’ কবিতার ব...
10/04/2026

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘আসমানী’—কবিতার পাতায় আঁকা এক বাস্তব জীবনের গল্প

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর সৃষ্টি ‘আসমানী’ কবিতার বাস্তব চরিত্র আসমানী বেগম। ২০০২ সালে নিজের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আসমানী বেগমের এই ছবিটি যেন হুবহু জীবন্ত করে তুলেছে কবির সেই বিখ্যাত কবিতার প্রতিটি পঙ্‌ক্তিকে।

জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মে রূপাই, সাজু, হাজেরা বিবি, গণি মিয়া ও আসমানীর মতো বহু কালজয়ী চরিত্র উঠে এসেছে। এসব চরিত্র নিছক কল্পনা নয়—কবি বাস্তব জীবনের মানুষ ও সমাজের নানা দৃশ্য দেখেই তাঁদের সৃষ্টি করেছিলেন।

আসমানীকে নিয়ে কবি লিখেছিলেন—

“আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।”

কবিতার প্রতিটি লাইনে ফুটে উঠেছিল দারিদ্র্য, অনাহার ও অসহায়তার নির্মম বাস্তবতা। আর ২০০২ সালে তোলা এই ছবিটিও যেন সেই বাস্তবতারই এক নীরব দলিল।

ছবিটি তুলেছিলেন আলোকচিত্রী সরকার মন্টু। তখন পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আর পৃথিবীতে নেই; কিন্তু তাঁর কবিতার বাস্তব চরিত্র আসমানী বেগম তখনও বেঁচে ছিলেন—বয়ে বেড়াচ্ছিলেন কবির সাহিত্যকর্মে অমর হয়ে যাওয়া সেই পরিচয়।

দীর্ঘদিন হৃদরোগ ও কিডনি জটিলতায় ভুগে অবশেষে ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন আসমানী বেগম। তাঁর জীবন যেন প্রমাণ করে—কবিতার পাতায় লেখা দারিদ্র্য ও বৈষম্যের গল্প শুধু সাহিত্য নয়, একসময় তা ছিল হাজারো মানুষের নির্মম বাস্তবতা।

কবিরা তাঁদের সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরেন, মানুষকে সচেতন করেন এবং পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখান। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনও তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সেই কাজই করে গেছেন।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—আসমানীদের জীবনে আমরা কতটা পরিবর্তন আনতে পেরেছি?

আসমানী বেগম আজ নেই। জসীমউদ্দীনও নেই। কিন্তু তাঁরা দুজনেই বেঁচে আছেন আমাদের স্মৃতিতে, ইতিহাসে এবং পল্লীকবির অমর সাহিত্যকর্মে।

‘আসমানী’ শুধু একটি কবিতার নাম নয়—এটি বাংলার এক সময়ের দারিদ্র্য, অসহায়তা ও সামাজিক বাস্তবতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

© গিরিধর দে / বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#পল্লীকবি #আসমানী #জসীমউদ্দীন #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র

শাহজালাল বিমানবন্দরে দীর্ঘ ভোগান্তি, ক্ষোভ প্রকাশ ডা. ওরাকাতুল জান্নাতেরজনপ্রিয় ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও দন্ত চিকিৎসক ...
10/03/2026

শাহজালাল বিমানবন্দরে দীর্ঘ ভোগান্তি, ক্ষোভ প্রকাশ ডা. ওরাকাতুল জান্নাতের

জনপ্রিয় ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও দন্ত চিকিৎসক ডা. ওরাকাতুল জান্নাত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় ভোগান্তির শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিমানবন্দরে কয়েক ঘণ্টার বিড়ম্বনার মুখোমুখি হয়ে তিনি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ফেসবুক লাইভে ডা. ওরাকাতুল জান্নাত বলেন, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর যাত্রীদের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ধরনের ভোগান্তি যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সকাল ৯টার কিছু আগে তাদের ফ্লাইট অবতরণ করে। এরপর ট্রলির জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ট্রলি পাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে লাগেজের জন্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে।

বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ক্লেইম এলাকায় পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও অন্যান্য যাত্রীদের দুর্ভোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, দীর্ঘ সারিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যাত্রীদের ধৈর্যেরও পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।

ডা. ওরাকাতুল জান্নাত আরও বলেন, প্রবাস থেকে আসা যাত্রীদের অনেকেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দেশে ফেরেন। তাদের বিমানবন্দরে এসে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে বিষয়টি আরও কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে।

এ সময় তিনি জমজমের পানি নিয়েও অভিযোগ করেন। তার দাবি, জমজমের পানি না আসা বা সেটি বিমানে লোড করা হয়েছে কি না—এ বিষয়ে যাত্রীদের যথাযথ কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও যাত্রীরা বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এসব সমস্যার বিষয়ে যাত্রীদের অভিযোগ শোনার বা দ্রুত সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। তার ভাষায়, দীর্ঘদিন ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে নানা ধরনের ভোগান্তির অভিজ্ঞতা হলেও এবারের পরিস্থিতি তার কাছে আগের চেয়েও বেশি কঠিন মনে হয়েছে।

আক্ষেপ প্রকাশ করে ডা. ওরাকাতুল জান্নাত বলেন, “এত ভোগান্তি, এগুলো আসলে কাকে বলবেন? আমাদের কিসমত! আমরা এমন এক দেশে জন্মাইছি। বলে না যে পাপের কারণে আমরা জন্মাইছি! কোনো এক পাপ হইছিল এইজন্য এই দেশে আমরা জন্মাইছি এবং এই সাফারিংগুলা আমাদের জন্য জীবনভরের সাফারিং! এই সাফারিংগুলা কোনোদিন শেষ হবে না।”

বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান, দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে এখন বসে আছেন এমন একজন মাস্টারমাইন্ড, যিনি দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান—মোহাম্মদ আশর...
08/16/2026

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে এখন বসে আছেন এমন একজন মাস্টারমাইন্ড, যিনি দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান—মোহাম্মদ আশরাফুল। যাকে বলা হয় বাংলাদেশের ‘ধ্রুবতারা’। নিজের দিনে যিনি ছিলেন প্রতিপক্ষের জন্য এক গোলকধাঁধা, যার ব্যাটিংয়ে ছিল শৈল্পিক ছোঁয়া, আর যার ব্যাটে চড়েই বাংলাদেশ একসময় জায়ান্ট দলগুলোকে হারাতে শিখেছিল।

ব্যাট হাতে যে অপূর্ণ কাজগুলো রয়ে গেছে, এখন সেগুলোই যেন মস্তিষ্ক আর অভিজ্ঞতা দিয়ে পূরণ করছেন আশরাফুল।

তার আগমনের পর শুধু বাংলাদেশের ব্যাটিংয়েই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না, পুরো দলটাকেই যেন বদলে যাওয়া মনে হচ্ছে। খেলোয়াড়দের মাঝে তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘চ্যাম্পিয়নস ভাইব’। লড়াই করার মানসিকতা বেড়েছে, ব্যাটিং-বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও এসেছে আলাদা আত্মবিশ্বাস।

আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, মোহাম্মদ আশরাফুলের দীর্ঘদিনের ক্রিকেট অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ দলের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় বিষয়, আমাদের খেলোয়াড়রাও তার অভিজ্ঞতাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করতে পেরেছে।

হয়তো বাংলাদেশি বলেই তাকে নিয়ে তেমন আলোচনা নেই। কিন্তু একদিন না একদিন তার এই অবদানের কৃতিত্ব দিতেই হবে।

আশরাফুল আসার পর বাংলাদেশের ফলাফল:
🔹 টেস্ট: ৫ ম্যাচে ৪ জয়
🔹 ওয়ানডে: ১২ ম্যাচে ৭ জয়
🔹 টি-টোয়েন্টি: ৯ ম্যাচে ৫ জয়

আশরাফুলকে কোচ হিসেবে পাওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের যেন অন্যরকম আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে। কেউ না কেউ দাঁড়িয়ে যাচ্ছে লম্বা ইনিংস খেলার জন্য। কেউ বিপর্যয় সামলাচ্ছে, কেউ কঠিন পরিস্থিতিতে টিকে থাকার জন্য বুক চিতিয়ে লড়ছে। সবচেয়ে বড় উন্নতিটা চোখে পড়ছে টেলএন্ডারদের পারফরম্যান্সে। দলের প্রয়োজনে তারাও এখন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

আশরাফুল আসার পর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স:
🔹 টেস্ট: ১০ ইনিংসে ৯ সেঞ্চুরি ও ১৬ হাফ সেঞ্চুরি
🔹 ওয়ানডে: ১২ ইনিংসে ২ সেঞ্চুরি ও ১৬ হাফ সেঞ্চুরি
🔹 টি-টোয়েন্টি: ৯ ইনিংসে ৯টি হাফ সেঞ্চুরি

মোহাম্মদ আশরাফুল যদি কোনো বিদেশি কোচ হতেন, তাহলে হয়তো এতদিনে নিউজফিড তার প্রশংসায় ভরে যেত। একের পর এক গরম গরম ভিডিও, রিলস আর বিশ্লেষণ তৈরি হতো। বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের অনেকেই তাকে নিয়ে গলাবাজি করতেন, আর সেই সুরে হয়তো আমরাও তাল মেলাতাম।

আমরা অনেক সময় নিজেদের মানুষদের মূল্যায়ন করতে কৃপণতা করি, অথচ দূরের মানুষদের প্রতি অকারণে বেশি মুগ্ধ হই।

বাংলাদেশ যখন ব্যর্থ হয়, কোনো ম্যাচ বা সিরিজ খারাপ যায়—তখন আশরাফুলের দায় থাকলে আমরা খুব সহজেই সেই দায় তার কাঁধে তুলে দিতে প্রস্তুত থাকি। কিন্তু দল ভালো করলে, সাফল্য এলে তার কৃতিত্ব দিতে আমরা অনেকটাই নীরব।

সময় এসেছে এই মানসিকতা বদলানোর।

মোহাম্মদ আশরাফুল শুধু বাংলাদেশের সাবেক তারকা ব্যাটসম্যান নন; তিনি এখন নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের পথ দেখাচ্ছেন। তার অবদান হয়তো আজ খুব বেশি আলোচনায় নেই, কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই পরিবর্তনের গল্প লেখা হলে সেখানে আশরাফুলের নামটা থাকতেই হবে।

কারণ, কিংবদন্তিরা শুধু ব্যাট হাতে ইতিহাস তৈরি করেন না—একসময় তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়েও ইতিহাস গড়েন।

ঈদের তারিখ ঘোষণা করেছে তুরস্ক ও তিউনিসিয়া। দেশ দুটির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৭এ মে ঈদ উদযাপিত হবে।
05/17/2026

ঈদের তারিখ ঘোষণা করেছে তুরস্ক ও তিউনিসিয়া। দেশ দুটির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৭এ মে ঈদ উদযাপিত হবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা
05/14/2026

ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা

পদ্মা ব্যারাজ: দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের নতুন আশার নাম
05/13/2026

পদ্মা ব্যারাজ: দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের নতুন আশার নাম

05/13/2026

Address

4290 Albany Post Road
Hyde Park, NY
12538

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Offer Buzz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Offer Buzz:

Shortcuts

Share