CFP Tonmoy Roy

CFP Tonmoy Roy This Page is intented for the people who are interested to know more about the Financial Planning. What is Financial Planning? What is its Importance?

09/05/2026

“हमारे साथ एक नहीं, बाइस मुख्यमंत्री हैं — यही हमारी ताकत है।”

RIP
05/05/2026

RIP

আমি দীর্ঘদিনের বাম সমর্থক♥️। গত 10 বছর ধরে CPIM কে ভোট দিয়েছি কিন্তু ফলাফল বারবার শূন্য। শূন্য একলাফে 148 সিট পেতে পারে...
23/04/2026

আমি দীর্ঘদিনের বাম সমর্থক♥️। গত 10 বছর ধরে CPIM কে ভোট দিয়েছি কিন্তু ফলাফল বারবার শূন্য। শূন্য একলাফে 148 সিট পেতে পারে না আমার এটা বুঝতে দেরি হয়েছে। ভোট নষ্ট হয়েছে। ভোট বিভক্ত হয়ে বার বার তৃনমূল জিতে গেছে। কোথাও হয়তো মনে হয় তৃনমূলের পরিকল্পনায় সিপিএম মানুষকে বিভক্ত করে tmcকে জেতাচ্ছে । তাই এবার ঠিক করেছি ভোট নষ্ট করবোনা আমার স্ত্রী এবং আমার পরিবারের মোট 17 টি ভোট আমি BJP কে দেবো। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপিকে ভোট দিলে অবশ্যই পরিবর্তন হবে ‌আর ভোট বিভক্ত হলে কখনো পরিবর্তন হবে না। বিজেপি এলে তবেই সিপিএম বিরোধী দল হয়ে ফিরবে। লাল সেলাম কমরেড ভাইরা এবার আদর্শ পাশে রেখে পরিবর্তন করুন নয়তো আপনার সন্তান শাস্তি পাবে♥️♥️♥️

21/04/2026
21/04/2026

*(যারা ভোট দিতে যাবেন, তাদের জন্য)*

১। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাবেন না। সাইলেন্ট বা অফ করেও না। একান্ত নিতেই যদি হয়, সেটা কেন্দ্রীয় সি আর পি এফ এর কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখবেন। কোন অবস্থাতেই যেন মোবাইল নিয়ে বুথে ধরা না পড়েন। এবার এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন খুবই কড়া।

২। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে "আপকা ঘর কিধর হ্যায়" বলে খেজুর জমাতে যাবেন না। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আপনার, ওদের-ও। ওদের নিজেদের কাজ করতে দিন।

৩। ভোটার আই কার্ড বা এপিক থাকলে সেটাই নিয়ে যান। আপনার পাসপোর্ট দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্মান পাবেন না। যে পুজোর যে ফুল, সেটাই ব্যবহার করা ভাল। হাতের কাছে না থাকলে যে কটা লিস্টে আছে, সেগুলোই নিয়ে যান। এর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে ভিতরে ফার্স্ট পোলিং-এর সঙ্গে তর্ক জুড়বেন না। গতবার এই হয়েছিল, সেই হয়েছিল বলে। এবারের নিয়ম এবারে।

৪। নিজের অংশ নম্বর আর লিস্টের আনমার্কড কপি (যেটা বাইরে ঝুলানো থাকে) তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। তাহলে আপনারই সুবিধে।

৫। পার্টির দেওয়া কাগজের প্রচার অংশটা বাড়ি থেকেই ছিঁড়ে নেবেন। ভোটকেন্দ্রে ছিড়বেন না। নোংরা করবেন না। আর সেটা নিয়ে বুথে তো ঢুকবেনই না। কেউ কমপ্লেন করলে আপনি ফাঁসবেন।

৬। আপনার ভোট করাতেই সবাই রাত জেগে বসে আছেন। তাই ভিতরে গিয়ে তাড়াহুড়ো করবেন না। বয়ষ্ক মানুষদের, গর্ভবতী মহিলাদের আগে ছেড়ে দিন।

৭। ভোট দিয়ে ভিভিপ্যাটের কাগজ দেখে তবেই বাইরে বেরোন। বেরিয়ে আবার "যাই কাগজ দেখি" বলে ভিতরে ঢুকবেন না। একবার ভিতর থেকে বেরুলে আর ঢোকা যায় না সিসি টিভি কিন্তু চালু আছে।

৮। প্রার্থীর মুখটা বোতাম না। বোতাম পাশে আছে। নীল রঙের। তাতে চাপ দিন। একবার। আবার বলছি একবার দিলেও যা হবে, দশবার দিলেও তাই হবে। দয়া করে প্রার্থীর মুখে চাপ দিয়ে "মেশিন কাজ করছে না" বলে অশান্তি করবেন না।

যে আঙুল দিয়ে হয়ত ফর্ম ১৭ এর খাতায় টিপ ছাপ দিয়েছেন, তা দিয়ে ব্যালট ইউনিট ধরে নোংরা করবেন না।

৯। লাইনে দাঁড়িয়ে কারও সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলোচনা করবেন না। আপনার প্রজ্ঞা বাইরে গিয়ে দেখান।

১০। প্রিসাইডিং অফিসার চেনা হলেও তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসার দরকার নেই। আপনি তাঁর সুবিধার চেয়ে অসুবিধার কারণ হবেন।

১১। আপনি নিজেও যে বহুবার ভোট করিয়েছেন কিংবা এজেন্ট থেকেছেন, তা নিয়ে ভোটকক্ষে গিয়ে ফলাও করে না বল্লেও চলবে। ভিতরে ঢুকে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। এজেন্টদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেবেন না। "এই তো আজ দুকেজি মাংস কিনে ফিরলাম" শুনতে কেউ আগ্রহী না।

১২। সবচেয়ে বড় কথা ভোটকর্মীদের কথা শুনুন। নিয়ম বছর বছর বদলায়। আপনি আপডেটেড না। ওরা ক্লাস করে এসেছেন। ওরা যা বলছেন সেটাই মেনে চলুন। অক্ষরে অক্ষরে।

১৩। অমোচনীয় কালির যে ব্রাশটা দেওয়া হয় সেটা ক্যামেল কোম্পানির মাপা তুলি না। কালি নিজের ইচ্ছে মত ওঠে আর থেবড়ে যায়। সেকেন্ড পোলিং আপনার শত্রু না, আর কালিও বেশি হয়নি যে "ইচ্ছে করে হাতে বেশি বেশি কালি" লাগাবে। এই নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক করবেন না।

১৪। ভোট কেমন হচ্ছে? বা কত পার্সেন্ট ভোট পড়ল? সেটা সেক্টর আর প্রিসাইডিং অফিসারের মাথাব্যথা। এ নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন করে তাদের উত্যক্ত করবেন না।

নিজের ভোট নিজে দিন। শান্তিতে ভোট দিন। ভাল থাকবেন

১-মিস কলে গ্যাস সিলিন্ডার।২-অনলাইন বিল পেমেন্ট।3-ইউপিআই পেমেন্ট।4-ডিজি লকার।নতুন সংসদ ভবন। ফ্রি টিকা।সার্জিকাল স্ট্রাইক।...
20/04/2026

১-মিস কলে গ্যাস সিলিন্ডার।
২-অনলাইন বিল পেমেন্ট।
3-ইউপিআই পেমেন্ট।
4-ডিজি লকার।
নতুন সংসদ ভবন।
ফ্রি টিকা।
সার্জিকাল স্ট্রাইক।
-অপারেশন সিন্দুর।
ট্রিপল তালাক বিল।
আধার লিংক।
-ফাস্ট ট্যাগ।
চিনাব ব্রিজ
গঙ্গা এক্সপ্রেস-ওয়ে।
-কাশী করিডোর।
বিশ্বনাথ করিডোর।
কেদারনাথ পুনর্নির্মাণ।
শ্রী রাম মন্দির নির্মাণ
২৪ টি রেলওয়ে ট্র্যাকের দ্বৈতকরণ।
২৫টি রেলওয়ে স্টেশনের বিস্তৃতি।
টিকেট বুকিং এ ২৬-দিন কম।
১৮ এইমস নির্মাণ
এস আই আর
মহাত্মা গান্ধী সেতু পুনর্নির্মাণ।
ভূপেন হাজারিকা সেতু।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন।
মেক ইন ইন্ডিয়া।
কৃষকের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা।
রেশন ডিজিটালাইজেশন
বিনামূল্যে ৩৯ রেশন।
জিএসটি প্রয়োগ করছি।
জিএসটি তে ভারী ছাড়।
ঘরে ঘরে ট্যাপের পানি।
২২ ঘন্টা বিদ্যুৎ।
আয়কর এ অভূতপূর্ব ছাড়।
৫৫৩ নতুন রেলওয়ে স্টেশন।
১৫০০ নতুন ওভার ব্রিজ।
ই ডি'র রেকর্ড ভাঙা দুর্নীতিবাজ অভিযান।
ফাস্ট ট্যাগ এর সারা বছর জুড়ে ছাড় ।
E V M এ VVPAT প্রয়োগ করছি।
নোটে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ছবি।
নলদা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্নির্মাণ।
তেজাস দেশীয় উৎপাদন।
সেলফোন নির্মাণে স্বনির্ভরতা।
390 নতুন বিশ্ববিদ্যালয়
৭ নতুন আইআইটি
৭ নতুন আইআইএম
১৬ নতুন আইআইআইটি
৩০০ নতুন মেডিকেল কলেজ।
পাম্বান ব্রিজ নির্মাণ।
ঋষিকেশ - কর্ণপ্রয়াগ রেলওয়ে প্রকল্প।
৭০-উত্তরখণ্ড চারধাম রাস্তা নির্মাণ।
ব্রাহ্মোস উৎপাদন কারখানা।
অ্যাসল্ট রাইফেল নির্মাণ আমেথি।
বন্দে ভারতের আধুনিক ট্রেন।
ওয়াকফ বোর্ডের সম্পদের উপর আইন।
রাস্তা নির্মাণে চীনকে পেছনে ফেলে দিল ভারত
৮০,০০০ নতুন পেট্রোল পাম্প।
সৌর সাইটের নির্মাণ।
রেলের বাজেট সাধারণ বাজেটে একীভূত
অবৈধ নির্মাণে বুলডোজার।
সীমান্তে ফ্যানসিন।
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর উন্মুক্ত ছাড়।
টল পয়েন্ট শেষ করে ফাস্ট ট্যাগ সুবিধা।
চন্দ্রযান।
মঙ্গল মিশন।
মাল্টি স্যাটেলাইট স্থায়িত্ব।
বিহারে বন্যা কবলিত এলাকা হ্রাস।
স্মার্ট সিটি এক্সটেনশন।
সুতরাং বিজেপি ও মোদী জির সাথে দৃঢ় থাকুন, এবং বিরোধীদের ষড়যন্ত্র জানুন।

এক দেশ এক নির্বাচন।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন।
এটাও প্রযোজ্য হতে হবে...

বিজেপি কে ভোট দিলেন তাই কাশ্মীরে পাথরঘাত ৯০% কমে গেল, রাম মন্দির হল, কাশী বিশ্বনাথ করিডোর হল, ৩৭০ বাদ, জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ ঘরে ঢুকে পাকিস্তানকে হত্যা করল...!

বিজেপিকে কেন ভোট দেবেন? আমি সংকল্পপত্রের পয়েন্ট ধরে ধরে তেমন কিছু লিখিনি এইবার।প্রতিটা দলের সংকল্পপত্রে অনেক ভালো ভালো ...
20/04/2026

বিজেপিকে কেন ভোট দেবেন?

আমি সংকল্পপত্রের পয়েন্ট ধরে ধরে তেমন কিছু লিখিনি এইবার।

প্রতিটা দলের সংকল্পপত্রে অনেক ভালো ভালো লেখা থাকে, মানুষের গা সওয়া হয়ে গিয়েছে সেইসব দেখে।

বিজেপির প্রতিশ্রুতি দেখে নেবেন, যুব - মহিলাদের ভাতা, চাকরি, পে কমিশন, ইন্ডাস্ট্রি আনা ইত্যাদি ইত্যাদি

তার বাইরেও কি কারণে ভোট দেবেন জানেন?

ঔদ্ধত্য কমাতে।

একটা রাজ্য সরকার কতটা উদ্ধত হলে

ভোটের আগে কোনো রিক্রুটমেন্ট বের করে না?

কতটা উদ্ধত হলে তারা স্রেফ ভাতা দিয়েই ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা দেখে?

কতটা উদ্ধত হলে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের পরেও মুখ্যমন্ত্রী জোর গলায় বলেন, দুর্নীতি হয়নি!

কতটা উদ্ধত হলে মুখ্যমন্ত্রী থ্রেট দেন মঞ্চ থেকেই?

কতটা উদ্ধত হলে ধোঁয়া ধোঁয়া শিল্প, কচুরিপানা শিল্প এগুলো প্রকাশ্যে বলার সাহস রাখে?

কতটা উদ্ধত হলে
আগে ছবি এক কোটি ৮০ লাখে বিক্রি করে তোলা উঠতো
একটা বাংলা বাক্য ঠিকঠাক বলতে না পারা মহিলার বই গ্রন্থাগারে রাখা বাধ্যতামূলক করে?

এই নির্লজ্জতা কেন এসেছে জানেন?

আপনাদের জন্যে

এইটা পশ্চিমবঙ্গ। বড্ড স্থবির।

এরা ভাবছে বামফ্রন্ট ৩৪ বছর ছিল, এরাও তাই থাকবে, যা ইচ্ছা করে যাবে,

ছোট বড় সব নেতার পাঁচ তলা বাড়ি উঠবে, প্রত্যেকে পার্থের এক এক জন অর্পিতা থাকবে , কেউ কিস্যু করতে পারবে না

এই পাওয়ার ডায়নামিকস ভাঙ্গুন।

এদের মনে ভয় ঢোকান, দুর্নীতি করলে চলে যেতে হবে

চাকরি না দিলে, শিল্প না আনলে চলে যেতে হবে

অরাজকতা চালালে চলে যেতে হবে

এদের মনে ভয় ঢোকান। সেইজন্যেই বিজেপিকে ভোট দেবেন।

বাকিটা আপনার ইচ্ছা।আপনি আগামী পাঁচ বছরে পাঁচটা স্কুল সার্ভিস দেখবেন, নাকি পার্থ অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হতে দেখবেন,

আপনার ব্যাপার।

Collected:

25/05/2025

আজ দুপুরে হঠাৎ মোবাইলে একটা SMS এলো। তাকিয়ে দেখি.. "সরকারের তরফ থেকে আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে" খুশিতে আমার মন ভরে গেল। ঘর থেকে বের হলাম আর চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে বলছি.... "সবাই শোনো, দিন বদলে গেছে, আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা এসে গেছে"।

ঘর থেকে বউ বেরিয়ে বললো, "অত খুশির কি আছে, আমার এ্যাকাউন্টেও ৭৫ লাখ টাকা দিয়েছে। এই যে মেসেজ দেখ।"

একটু অবাক হলাম, ভাবলাম আশেপাশে সবাইকে গিয়ে বলি। বাড়ির পাশের লোক আমায় বলছে, "বেশি উত্তেজিত হয়ো না, আমাদের এ্যাকাউন্টেও ৭৫ লাখ জমা হয়েছে।" আমার খুশি সব উড়ে গেল।

ভাবলাম যাই, বাজার থেকে কিছু মিষ্টি নিয়ে আসি। বাজারে গিয়ে দেখলাম, দোকান বন্ধ। পাশের একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, "ও ভাই এই মিষ্টির দোকান বন্ধ কেন?" সে বললো, "মিষ্টি দোকানদারের আর দোকানদারি করার কি দরকার। তার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা এসে গেছে।"

তাই ভাবলাম একটু নিউ মার্কেটে যাই, সেখান থেকে কিছু নিয়ে আসি। সেকি! কোনো দোকান পাট খোলা নেই। ওনাদের এ্যাকাউন্টেও নাকি ৭৫ লাখ এসে গেছে.....।

প্রচন্ড খিদে পেয়েছে ভাবলাম এখানে তো দোকান পাট বন্ধ। সামনের দিকে যাই, ভালো কোন হোটেলে তৃপ্তি করে খাওয়া যাবে। সামনে যতই যাই সবই দেখি ফাঁকা। হোটেলের বাইরে দাড়িয়ে থাকা স্বাগত জানানোর সেই লোকও নেই, যে কাস্টমার দেখলেই সালাম ঠুকে ওয়েলকাম করেন, শপিং মলের সিকিউরিটিও নেই। সবার এ্যাকাউন্টেই ৭৫ লাখ এসে গেছে।

মার্কেটে কেউ নেই।

সবজি ওয়ালা, চা ওয়ালা, সরবত ওয়ালা ফাস্টফুড ওয়ালা কেউ নেই। সব কিছুই বন্ধ। সকলের ঠিকানা এখন ব্যাঙ্কে ৭৫ লাখ টাকা তোলার জন্যে। কেননা এখন আর কারো কাজ করার দরকার নেই, সবার কাছেই ৭৫ লাখ টাকা আছে।

আমার এক বন্ধু ফোন করে বললো, "আমি জব ছেড়ে দিয়েছি, আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা আছে"

আমার এক বড় ভাই ফোন করে বললো,
"আমার আর্ট স্কুল অফ করে দিয়েছি"
"আমার আশেপাশের ছোট বোন আর স্কুলে যাচ্ছে না"
"আমার এক বন্ধু টিউশন পড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে"
"নিশা নামের মেয়েটিও আর কলেজে যায় না"
"সমীর আর জব খু্ঁজে না"
'শ্রমিকরা আর কারখানায় যায় না, কলকারখানা সব বন্ধ"।
সবার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা জমা আছে। সবাই এখন বড়লোক।

সবাই সুর তুলছে, গান করছে, নৃত্য করছে.....

বিকেলে হাটতে হাটতে মাঠের দিকে গেলাম, কৃষকরা সবাই কাজ ছেড়ে বাড়িতে। কেউ নেই জমিতে। এখন তাদের রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করার আর দরকার নেই। তারা সবাই বড়লোক হয়ে গেছে। সবার এ্যাকাউন্টেই ৭৫ লাখ টাকা।

৭ দিন পর দেখা গেল খিদের জ্বালায় লোক কাঁদছে। কেননা, জমি থেকে কেউ ফসল তুলছে না, সমস্ত দোকানপাট বন্ধ, হোটেল, মেডিক্যাল সব বন্ধ। অসুস্থ হয়ে মানুষ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেননা, খাবার নেই, ডাক্তার নেই। পশুরাও না খেতে পেয়ে মরছে। জমিতে সবুজ ঘাস নেই, সোনালী ফসল নেই। শিশুরা খিদের জ্বালায় কাঁদছে, গোয়ালা দুধ দিচ্ছে না বলে।

মানুষ এখন ছুটছে মুঠো মুঠো টাকা নিয়ে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে পকেটে টাকা নিয়ে। কাঁদছে মানুষ লক্ষ টাকা হাতে নিয়ে আর বলছে, "এই ভাই নাও ১০ হাজার টাকা, আমাকে ২০০ গ্রাম দুধ দাও। দুদিন বাচ্চাটা না খেয়ে আছে।

১০ দিন বাদে মানুষ না খেতে পেয়ে মরছে। কিছু কিছু লোক টাকার ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে রাস্তায়। এই নাও ভাই ৫ লাখ টাকা, "আমাকে ৫ কেজি চাল দাও। ১০ দিন থেকে না খেয়ে আছি।"

সব বাজার হাট বন্ধ হয়ে গেছে। শাক সবজি খাবার দাবার কারো কাছেই নেই। সবদিকে শুধু মৃত্যুর ছবি দেখা যাচ্ছে।
আমিও আমার ৭৫ লাখ টাকা নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছি, নাও ভাই নাও ৭৫ লাখ নিয়ে নাও, তবুও কিছু খাবার দাও"।

কে কার টাকা নেবে, খাবার কারো কাছেই নেই। মানুষ মানুষের দিকে তেড়ে আসছে হিংস্র সিংহের মত। মনে হচ্ছে, মানুষ মানুষকে খাবে।

অচেনা একলোক তাড়া করেছে আমাকে, চিবিয়ে খাবে বলে।
ছুটছি আমি। আমি ক্ষুধার্ত মানুষ, কতটা আর ছুটব?
পড়ে গেলাম হোঁচট খেয়ে. ..মা গো করে চিৎকার করে উঠলাম.....

বউ তখন ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠে "কি হলো তোমার ? সকাল হয়ে গেছে, ঘুম থেকে উঠো, চোখে মুখে জল দিয়ে আসো। এই তুমি বাচাঁও বাঁচাও বলে চেঁচাচ্ছিলে কেন? কোন খারাপ স্বপ্ন দেখছিলে নাকি ?"

আমি বললাম, "না, খারাপ নয়, ভালো দিনের স্বপ্ন। "
গরিব আমরা, কিন্তু ঘরে "দুমুঠো খাবার তো আছে"
"তৃষ্ণার জল তো আছে"
"শিশুরা খেলছে"
"পশুরা মাঠে ঘাস খাচ্ছে"
"দোকানে ভিড় আছে"
"যানবাহন চলছে তো চলছে"
"মানুষের সমাগম চলছে"
"বাগানে ফুল ফুটছে"
প্রকৃতি হাসছে.....

অনেকে ভাবে, সৃষ্টিকর্তা কেন ধনী গরীব সৃষ্টি করছে?
সবাইকে তো চাইলে ধন সম্পদ দিতে পারতো। সবাইকে সুখ শান্তি দিতে পারতো। বাস্তবতা হল ধনী গরীব বৈষম্য আছে বলে এখনও পৃথিবী টিকে আছে এবং টিকে থাকবে।

সংগৃহীত। ।

Mostly this is the condition for all uneducated investors today
14/11/2024

Mostly this is the condition for all uneducated investors today

Address

Kolkata

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm

Telephone

00919836800754

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CFP Tonmoy Roy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CFP Tonmoy Roy:

Share