26/11/2025
নেটফ্লিক্স আজ নামটা শুনলেই মনে হয় গ্লোবাল দুনিয়াকে বদলে দেওয়া এক বিনোদন সাম্রাজ্য। কিন্তু এর পেছনে যে সংগ্রাম, ব্যর্থতা আর অবিশ্বাস্য লড়াই ছিল সেটা কি আমরা জানি? ১৯৯৭ সালে রিড হ্যাস্টিংস একদিন ভিডিও রেন্টাল দোকানে গিয়ে শুধুমাত্র লেট ফি না দেওয়ার কারণে অপমানিত হন। এই একটি ছোট ভুলই তার মাথায় জন্ম দিল “মানুষকে কি লেট ফি নিয়ে এই কষ্ট পোহাতে হবে?”
এই রাগ, হতাশা আর বেদনা থেকেই জন্ম নিল একটি আইডিয়া আর তা হলো ডাকযোগে মানুষকে ডিভিডি পাঠাবে এমন একটি সার্ভিস। যখন তারা আইডিয়াটা নিয়ে কাজ শুরু করল তখন—
✔ ইন্টারনেট ধীর
✔ মানুষ ডিভিডি কী তাও জানে না
✔ বিনিয়োগকারীরা বলেছে—“এটা কখনোই কাজ করবে না!”
তাছাড়া এক সময় নেটফ্লিক্স এতটাই বিপদে পড়ে যে তারা নিজেদের কোম্পানি ব্লকবাস্টারের কাছে মাত্র ৫০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করতে গিয়েছিল। কিন্তু ব্লকবাস্টার হেসে বলেছিল “এদের ভবিষ্যৎ নেই।” তখন রিড হ্যাস্টিংস ঠিক করলেন “তোমরা যখন বিশ্বাস করোনি, ঠিক তখনই আমি প্রমাণ করব।” তারা থামেনি। এক্সপেরিমেন্ট করেছে। বারবার ভুল করেছে। কিন্তু হাল ছাড়েনি।
২০০৭ সালে তারা ঘোষণা করল “ডিভিডি নয়, এখন অনলাইনে সিনেমা দেখো!” এটাই ছিল ইতিহাস বদলে দেওয়া মুহূর্ত।
স্ট্রিমিং নামের এক নতুন দুনিয়া তৈরি হলো, যেখানে ভোক্তাই রাজা। তারপর নিজেদের কনটেন্ট তৈরি, বিগ ডেটা ব্যবহার, অ্যালগরিদম সব মিলিয়ে নেটফ্লিক্স হয়ে উঠল এক নতুন বিপ্লব।