CryptoGyan

CryptoGyan This is a page all about Cryptocurrencies. Learn about block chains, white paper, coin or token then How to invest in Crypto?

08/05/2022

আপনি কি ক্রিপ্টো জানতে চান?
আপনি কি ক্রিপ্টোতে ইনভেস্ট করে ভালো ইনকাম চান? বা
ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ শিখতে চান?
Just Whatsapp 8972126165

বিনিয়োগের আগে সচেতনতা জরুরি! জানুন ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে কাজ করে, কখন আবার করে না!আজকাল ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurre...
08/05/2022

বিনিয়োগের আগে সচেতনতা জরুরি! জানুন ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে কাজ করে, কখন আবার করে না!

আজকাল ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) নিয়ে জোর চর্চা চলছে। প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন (Bitcoin) এক দশকেরও বেশি আগে চালু হয়েছিল। তবুও নানা কারণে অপেক্ষাকৃত কম লোকই ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ব্লকচেইনে (Blockchain) পারদর্শী, যে প্রযুক্তিতে তারা তৈরি। ২০২১ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে আমেরিকানদের মাত্র ১৬ শতাংশ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করেছেন। মোট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ৩১ শতাংশ হল ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী, তাদের মধ্যে আবার ৪৩ শতাংশ পুরুষ। যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং সম্পর্কিত প্রযুক্তি ভূ-রাজনৈতিক, বৃহত্তর অর্থনীতির সঙ্গে মিশে রয়েছে এবং পরিবেশকে প্রভাবিত করে, তাই প্রত্যেকেরই এটা জানা উচিত যে ক্রিপ্টোকারেন্সি কী, কীভাবে কাজ করে। এছাড়াও জানা যেতে পারে এতে বিনিয়োগ করা লাভজনক না কি ঝুঁকিপূর্ণ, আর কতটাই বা সুরক্ষিত।

'ব্লকচেন' না কি 'দ্য ব্লকচেন'?

এটি ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। 'ব্লকচেন প্রযুক্তি' (Blockchain Technology) ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন (Cryptocurrency Transactions) রেকর্ড করে এমন কম্পিউটার কোডকে (Computer Code) উল্লেখ করার জন্য গ্রহণযোগ্য। তাই এটিকে শুধু ব্লকচেন বলতে হবে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্লকচেনের মধ্যে সম্পর্ক কী?

ব্লকচেনগুলি ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনগুলি এনক্রিপ্টেড (Encrypted), ডিজিটালি রেকর্ড করে, যা সারা বিশ্বের সার্ভারগুলিতে থাকে। কিছু ব্লকচেন ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোগ্রাম চুক্তি তৈরি করতে দেয়। এছাড়াও উল্লেখ্য যে বিভিন্ন ব্লকচেনে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরি করা হয়। বিটকয়েন, বিটকয়েন ব্লকচেনের উপর নির্মিত, ইথার (Ether) ইথেরিয়াম ব্লকচেনে (Ethereum Blockchain) নির্মিত। এমন কিছু ক্রিপ্টোকারেন্সি বা টোকেনও রয়েছে, যেগুলি মূলত অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির উপরে তৈরি করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে মৌলিক স্তরে, সমস্ত ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি ব্লকচেনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বোঝার সহজ উপায় আছে?

সোজা কথায় ক্রিপ্টোকারেন্সি হল ডিজিটাল অর্থ (Digital Money)। ব্লকচেন হল একটি ডেটাবেস। যা উল্লিখিত ডিজিটাল অর্থের লেনদেন রেকর্ড করে। এই ডিজিটাল অর্থ কোনও সরকার বা প্রতিষ্ঠান

ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে তৈরি হয়?

বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির বিভিন্ন ডিজিটাল আর্কিটেকচার (কোড) থাকে তাই তারা কীভাবে কাজ করে, তা সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়। একটি উদাহরণ হিসাবে, বিটকয়েন মাইনিং (Mined) করা হয়।

মাইনিং কীভাবে কাজ করে?

একটি বিশেষ কম্পিউটার প্রসেসর বিদ্যুতে চলে এবং আশ্চর্যজনক পরিমাণে শব্দ এবং তাপ উৎপন্ন করে। ডিজিটাল বিশ্বে সেই প্রসেসরটি একটি গাণিতিক ধাঁধা সমাধানের জন্য লড়াই করে। যে কম্পিউটারটি প্রথমে ধাঁধার সমাধান করে সে নতুন বিটকয়েন জিতে নেয়। এই নকশাটি ২০০৯ সালে বিটকয়েন চালু করা ওপেন সোর্স কোডের অংশ।

মাইনিংয়ের আরেকটি উদ্দেশ্য রয়েছে: ধাঁধা সমাধানের সময় সাম্প্রতিকতম বিটকয়েন লেনদেনগুলি- মুদ্রা পাঠানো এবং গ্রহণ- ব্লকচেনে রেকর্ড করা হয়। এই সিস্টেম এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে অংশগ্রহণকারীরা সম্পদ (এই ক্ষেত্রে অর্থ এবং বিদ্যুৎ) ব্যয় করতে উৎসাহিত হয়। এটা কে কোন বিটকয়েনের মালিক, তার রেকর্ড বজায় রাখতে সহায়তা করে। যাদের কম্পিউটিং ক্ষমতা বেশি তাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। কারণ আরও কম্পিউটার বিটকয়েন জিততে লড়াই করে। বিটকয়েন জয়ের পরিমাণ পূর্বনির্ধারিত ব্যবধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্রাস পায়। এর অর্থ হল যে যারা খুব তাড়াতাড়ি খনিতে (Mine) প্রবেশ করেছে তারা কম সম্পদ ব্যয়ের বিনিময়ে আরও বেশি বিটকয়েন তৈরি করছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বিকেন্দ্রীকরণ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

ব্লকচেনের ডিজাইনের একটি অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য হল যে অনেক কম্পিউটারে লেনদেনের রেকর্ড রাখা হয়, যা একসঙ্গে একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক গঠন করে। এই কম্পিউটারগুলি বা নোডগুলি তাদের রেকর্ডের যথার্থতা নিশ্চিত করতে ক্রমাগত একে অপরের ডেটা পরীক্ষা করে। নেটওয়ার্কজুড়ে এই রেকর্ডগুলির প্রতিলিপি একটি ভুল বা জাল লেনদেনকে লগ করা থেকে বাধা দেয়। এর মানে হল যে কেউ এবং কোনও প্রতিষ্ঠান এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। কিন্তু সরকার এবং বড় কর্পোরেশনের মতো সংস্থারা এখনও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অ্যাকসেস সীমিত করতে পারে। চিন ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিংকে (Cryptocurrency Trading) বেআইনি ঘোষণা করেছিল। কারণ তারা মনে করেছিল যে এটি আর্থিক ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল এবং অপরাধকে সহজতর করছে। অতি সম্প্রতি, রাশিয়ায় জারি করা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কিছু ক্রিপ্টোকারেন্সির ক্রয় প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে দিয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বিনান্স।

তাহলে ব্লকচেন কতটা নিরাপদ?

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাফরা এটিকে হ্যাক করা বেশ কঠিন বলে মনে করে। বিটকয়েন ব্লকচেন আজ অবধি হ্যাক করা হয়নি। তবে দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্লকচেন এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথেরিয়াম সফটওয়্যার দুর্বলতার কারণে ২০১৬ সালে একটি বড় সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছিল। যদিও ইথেরিয়াম (Ethereum) ব্লকচেন হ্যাক করা হয়নি, প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছিল। অনেক ক্রিপ্টোকারেন্সি-সম্পর্কিত পরিষেবা এবং প্রযুক্তি হ্যাক করা হয়েছে বা তাদের ডিজাইনারদের অংশগ্রহণকারীদের প্রতারণা এবং চুরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ (Cryptocurrency Exchanges) হল যেখানে লোকেরা প্রচলিত মুদ্রার জন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন করতে পারে। এখানেও একাধিকবার চুরি হয়েছে। ডিজিটাল ব্যাঙ্ক ডাকাতরা অ্যাকাউন্টগুলি সাফ করে দিয়েছিল। ২০১৮ সালে একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জের সিইও একটি গুরুত্বপূর্ণ পাসকোড রিলে না করেই মারা গিয়েছিলেন, তিনি কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে গ্রাহকদের লক করে রেখেছিলেন। তবে উপভোক্তাদের কাছে পুনরুদ্ধারের সামান্যই বিকল্প আছে, তা সে স্ক্যাম বা নিরাপত্তা লঙ্ঘন হোক বা ডিজিটাল ওয়ালেটের পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া হোক। প্রি-প্রোগ্রামড, বিকেন্দ্রীভূত সিস্টেমে কোনও পাসওয়ার্ড রিসেট করার সুবিধা বা বিমা নেই।

অবশ্য বিনিয়োগগুলি কয়েকটি সুরক্ষা দ্বারা ঘেরা। মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা চুরির মতো সরাসরি অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা করা যায়। কিন্তু যদি একটি নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি টোকেনের মূল্য কমে যায় এবং পুনরুদ্ধার না হয়, তাহলে সেই অর্থ হারিয়ে যায়- বিটকয়েনের মূল্য অত্যন্ত পরিবর্তনশীল।

ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলি অপরাধীদের পছন্দের অর্থ প্রদান করে থাকে। অবৈধ ওষুধ বা অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্যগুলি প্রায়শই ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য বিনিময় করা হয়, যা নগদ অর্থের চেয়ে আরও সহজে ট্রান্সফার করা হতে পারে এবং প্রসিকিউটরদের জন্য সনাক্ত করা কঠিন হতে পারে।

ক্রিপ্টোকারেন্সির মূল্য কোথা থেকে আসে?

এই প্রশ্নটি ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য খুব জটিল। প্রথাগত মুদ্রার বিপরীতে কোনও সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক (Central Bank) বা ওই জাতীয় কোনও সংস্থা ক্রিপ্টোকারেন্সি অনুমোদন করে না। তাদের মূল্য ঠিক হয় মানুষের বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে। যেমন বাজার দ্বারা কোনও পণ্যের মূল্য নির্ধারিত হয়। এর সমর্থকরা আশা করে যে বেশি সংখ্যক মানুষ ডিজিটাল মুদ্রার মালিক হতে চায় যা সরকারি নজরদারি থেকে তুলনামূলকভাবে মুক্ত। বিনিয়োগকারীরা মনে করে যে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে সম্পদ বিনিয়োগ করলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার মূল্য বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও প্রথাগত মুদ্রার (Traditional Currencies) বিপরীতে, কিছু ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ এবং বিনিময়ের একটি সম্ভাব্য একক হিসাবে কাজ করে। কেউ কেউ এই আশায় কিনে নেয় যে তারা শেষ পর্যন্ত লাভের জন্য এটি বিক্রি করতে পারে।

সিট বেল্ট বেঁধে নিন। উড়ান এর জন্য প্রস্তুত হয়ে যান। শুরু হতে চলেছে ব্লক চেন ও ক্রিপ্টোর যুগ। গুগল শুরু করতে চলেছে ব্লক চ...
08/05/2022

সিট বেল্ট বেঁধে নিন। উড়ান এর জন্য প্রস্তুত হয়ে যান। শুরু হতে চলেছে ব্লক চেন ও ক্রিপ্টোর যুগ। গুগল শুরু করতে চলেছে ব্লক চেন বেসড সার্ভিসেস। নিচের পুরো রিপোর্ট পড়ুন।

Leading tech firm, Google, has revealed that it is setting up a team to build services for blockchain developers.

CryptoGyan Newsদেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন যে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ডিজিটাল কারেন্সির ট্রায়াল ...
10/04/2022

CryptoGyan News

দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন যে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ডিজিটাল কারেন্সির ট্রায়াল রান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
https://zeenews.india

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সির পথে হাঁটতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

ক্রিপ্টোজ্ঞানদ্বিতীয় ভাগক্রিপ্টোকারেন্সি কি?এটি এক ধরনের কারেন্সি বা অর্থ যার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব যেমন কাগজের নোট বা ধা...
10/04/2022

ক্রিপ্টোজ্ঞান
দ্বিতীয় ভাগ

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?
এটি এক ধরনের কারেন্সি বা অর্থ যার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব যেমন কাগজের নোট বা ধাতব কোন মুদ্রা হিসেবে কোন অস্তিত্ব নেই। এর একমাত্র অস্তিত্ব ডিজিটালি অনলাইনে রয়েছে তাই একে ডিজিটাল কারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা বা ডিজিটাল কয়েন বলা হয়ে থাকে। এই মুদ্রার কোন সেন্ট্রাল কন্ট্রোলিং অথরিটি যেমন কোন দেশের সরকার বা ব্যাংক হয়না। এটি সম্পূর্ণরূপে পাবলিক বা জন সাধারণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এই অর্থব্যবস্থাকে ডিসেন্ত্রালাইজড অর্থব্যবস্থা বলা হয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি হল সম্পূর্ণরূপে আগামী যুগের অর্থব্যবস্থা যেটা সবেমাত্র অংকুর হিসেবে বর্তমানে শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আপনি এক কাপ চা খেতে যান আপনি দোকানদারকে কোন অর্থ দেবেন না আপনি তাকে অনলাইনে কিছু ডিজিটাল মুদ্রা বা বোঝার সুবিধার জন্য বলা যেতে পারে কিছু ডিজিটাল পয়েন্ট তার ওয়ালেটে ট্রান্সফার করবেন। এখনই অবশ্য আমরা গুগোল পে, ফোন পে, পেটিএম এসবের মাধ্যমে পেমেন্ট করছি কিন্তু এগুলোর মাধ্যমে যে অর্থ ট্রান্সফার হচ্ছে তা সরকার বা ব্যাংকের অধীনে এবং এই সমস্ত ট্রানজেকশনের জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি কাটা হয়। এই ফিগুলো যদি যোগ করা হয় তাহলে দেখা যাবে ব্যাংক বা সরকার ট্রানজেকশন ফি বাবদ কোটি কোটি টাকা আমাদের থেকে নিচ্ছে। এই ট্রানজেকশন ফি হল ব্যাংক বা সরকারের ইনকাম করার একটা বড় মাধ্যম তাই প্রতিদিনই ফোন পে গুগল পের মত পেমেন্ট ভেন্ডার অ্যাপস তৈরি হচ্ছে। কোন সরকার ব্যাংক বা এই সমস্ত অ্যাপস ট্রানজেকশন ফিজ কেন নেয় তার কারণ হলো এরা একটা লেজার বা হিসেব খাতা মেনটেন করে, কোন ব্যক্তি কাকে কত টাকা দিল কার কাছ থেকে কত নিলো, সত্যিই অর্থ দিল কি দিল না এই সমস্ত কিছু। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি কোন দেশ বা ব্যাংকের অধীন নয়। এখানে হিসাবের খাতা বা লেজার বুক জনসাধারণ নিজেরাই মেইনটেইন করে একটি বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে যাকে ব্লক চেইন সিস্টেম বলে এই সিস্টেম অত্যন্ত গভীর সিকিউরিটি যুক্ত যা হ্যাক করা সম্ভব নয়। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যদিও আপনার অর্থ হ্যাক হতে পারে কিন্তু ক্রিপ্টোগ্রাফিক ব্লকচেইন সিস্টেমে তা কখনোই সম্ভব নয়।....

চলবে...

আগে জানুন..পড়ুন,... বুঝুন
09/04/2022

আগে জানুন..পড়ুন,... বুঝুন

জ্ঞানই দিতে পারে সাফল্য
09/04/2022

জ্ঞানই দিতে পারে সাফল্য

আমাদের পেজ এ নজর রাখুন।
09/04/2022

আমাদের পেজ এ নজর রাখুন।

2016 সালে সরকার ক্রিপ্টোকারেন্সিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে কিন্তু এখন 2022 এ সেই সরকার ক্রিপ্টোকে গ্রহণ করতে চলেছে। ইতিমধ্য...
09/04/2022

2016 সালে সরকার ক্রিপ্টোকারেন্সিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে কিন্তু এখন 2022 এ সেই সরকার ক্রিপ্টোকে গ্রহণ করতে চলেছে। ইতিমধ্যে সমস্ত ক্রিপ্টো transaction এ 30% tax বসানো হয়েছে। এত উচ্চ পরিমান ট্যাক্সের কারণ ক্রিপ্টোতে অতি উচ্চ মার্জিনে ইনকাম হয় যদি সঠিকভাবে ইনভেস্ট করা যায়। যাই হোক নিচের প্রতিবেদনে সরকার ক্রিপ্টোকে কেন ব্যান থেকে গ্রহণ করতে বাধ্য হল তার ইতিকথা।

Here we examine the regulatory journey of cryptocurrency in India— from ban to regulation so far.

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া সমস্ত ব্যাঙ্ক কে বলেছে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে আটকানো অসম্ভব। পড়ুন পুরো প্রতিবেদন। রিপাবলিক নিউজ এর...
09/04/2022

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া সমস্ত ব্যাঙ্ক কে বলেছে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে আটকানো অসম্ভব। পড়ুন পুরো প্রতিবেদন। রিপাবলিক নিউজ এর খবর।

HDFC Bank Limited and SBI Card had begun sending cautionary emails to their customers against dealing in cryptocurrencies or have services curtailed.

আপনাকে এটা জানতেই হবে। আজ নয়ত কাল। যেমন জানতে হয়েছে গুগল পে, ফোন পে তেমনই। জানতে হবে নাহলে পিছিয়ে পড়তে হবে।
09/04/2022

আপনাকে এটা জানতেই হবে। আজ নয়ত কাল। যেমন জানতে হয়েছে গুগল পে, ফোন পে তেমনই। জানতে হবে নাহলে পিছিয়ে পড়তে হবে।

ক্রিপ্টোজ্ঞানপ্রথম ভাগআজ থেকে 12 বছর আগে যখন প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে বিট কয়েন লঞ্চ করে তখন অধিকাংশ মানুষ এটা কি বু...
09/04/2022

ক্রিপ্টোজ্ঞান
প্রথম ভাগ

আজ থেকে 12 বছর আগে যখন প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে বিট কয়েন লঞ্চ করে তখন অধিকাংশ মানুষ এটা কি বুঝতে পারে নি। তখন বার্গার কিনলে একটি বিট কয়েন ফ্রি তে দেওয়া হত। অনেকে আবার এই কয়েন নিয়ে হাসি তামাশা করত। কিন্তু এখন 12 বছর পর যখন একটি বিট কয়েনের দাম 35 লক্ষ টাকা হয়ে গেছে তখন বড় বড় লোকদের চোয়াল মাটিতে ঝুলে গেছে। বিভিন্ন দেশের সরকার নড়ে চড়ে বসেছে। কোন দেশ পুরো মান্যতা দিয়ে দিয়েছে কেউ আবার নিজের বিট কয়েন এর মত ক্রিপ্টো তৈরি করতে চাইছে। এক কথায় ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কেউ বাতিল করে দিতে পারছে না। এই কারেন্সি একদম নিচুতলার কিছু মানুষকে রাতারাতি বিলিওনেয়ার করে দিয়েছে। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও মুদ্রা ব্যবস্থার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
আজ থেকে কিছু বছর পিছিয়ে যান যখন কম্পিউটার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করছিল তখন সবাই বিরোধিতা শুরু করেছিল বিভিন্ন কারণে কেউ বলছিল মানুষের চাকরি চলে যাবে, কেউ বলছিল মানুষ অকর্ম হয়ে যাবে ইত্যাদি কিন্তু কেউ কি কম্পিউটারের আগমন আটকাতে পেরেছে? না। পারেনি। একইভাবে যে যতই বিরোধীতা করুক ক্রিপ্টোকে আটকানো অসম্ভব। যখন ATM কার্ড আসে সবাই বলছিল এটা কি করে টাকা দেবে? কিন্তু এটাই নিয়ম। কোন টেকনোলজি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকেনা। প্রথমে ছিল বিনিময় প্রথা পরে এল ধাতব মুদ্রা তারপর কাগজের নোট, প্লাস্টিকের কার্ড এরপর এখন আসছে ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি। একে ঠেকানো অসম্ভব। সময় থাকতে নিজেকে আপডেট করুন নাহলে পিছিয়ে পড়বেন।
চলবে....

পরবর্তী ভাগে:
১) ক্রিপ্টের প্রকারভেদ
২) ব্লকচেন কি?

পরবর্তী আপডেট পেতে পেজটি লাইক করে রাখুন।

Address

Kolaghat

Telephone

+918972126165

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CryptoGyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share