10/09/2022
প্রফিট এক্সিস একটি শেয়ার ব্রোকার কোম্পানি। এখানে আপনি আপনার সমস্ত ফিনান্সিয়াল দরকার পূরণ করতে পারেন। যেমন Demat, মিউচুয়াল ফান্ড, ইন্সুরেন্স এবং লোন। এবং একটা শেয়ার ব্রোকার কোম্পানি হিসাবে সে তাদের মেম্বারদের শেয়ার কেনা-বেচায় ও সাহায্য করে থাকে। কতটা সাহায্য করে তা একটু পরে বলছি। আর কেউ যদি সম্পূর্ণ নিজে শেয়ার কেনা বেচা করে দিনে গড় ৫-৭ হাজার টাকা রোজগার করতে চায় তাদের ট্রেনিং প্রদান করে। বাঙালিরা সর্বদা শেয়ার বাজার কে এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। তাই কোনো ভালো ব্রোকার ফার্ম ওয়েস্ট বেঙ্গলে এর আগে তৈরী হয়নি। প্রফিট এক্সিস ২০১৯ এ স্থাপিত হয় শুভ্রকান্তি নাগ এর দ্বারা। কারণ ডিজিটাল ইন্ডিয়া আসার পর শেয়ার বাজারের লেনদেন হয় ব্যাঙ্ক এর থেকেও সুরক্ষিত। কারণ শেয়ার কেনা বেচার জন্য প্রয়োজন একটা Demat একাউন্টের। ব্যাংকে যেমন সেভিংস একাউন্ট বা কারেন্ট একাউন্টে টাকার লেনদেন হয় শুধু মাত্র আপনার অনুমতিতে। তেমনই আপনার Demat একাউন্টেও শেয়ার এর লেনদেন শুধু মাত্র আপনার অনুমতিতেই সম্ভব। কারণ প্রত্যকের Demat একাউন্ট তৈরী হয় তার KYC দ্বারা।
কিন্তু শেয়ার বাজারে তো ঝুঁকি ও রয়েছে। নিজের কষ্টর্জিত টাকার সাথে কি ঝুঁকি নেয়া ঠিক? তাহলে আসুন একটু জেনে নেওয়া যাক বর্তমান দেশের অবস্থা। আজ দেশের ব্যাংকের FD রিটার্ন ৫-৬% যেটা ১০ বছর আগে ২০১২ সালে ছিল ৯-৯.২৫%। যা দিন-দিন কমেই যাচ্ছে। কারণ দেশ যত উন্নত হবে ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট তত কমবে। যেমন বিশ্বের প্রতিটা উন্নত দেশের ইন্টারেস্ট রেট ০-১%। কারণ সেইসব দেশের সবাই শেয়ার বাজার সম্মন্ধে অভিজ্ঞ এবং সেখানেই বিনিয়োগ করে। বর্তমানে দেশের মূল্যবৃদ্ধির হার ৮%। মানে ধরুন আপনি আজ নিজের ছেলের ভবিষ্যত পড়াশোনার জন্য ১ লক্ষ্য টাকা ব্যাংকের FD তে বিনিয়োগ করলেন। ব্যাংকে আপনার টাকা বছরে ৬% সুদ এ ৬০০০ টাকা করে বাড়তে থাকবে। কিন্তু দেশের মূল্যবৃদ্ধির হার এর দরুন আজ যে পড়াশোনা ১ লক্ষ্য টাকার খরচ এ সম্ভব ছিল তাও প্রতি বছর ৮০০০ টাকা করে বাড়তে থাকবে। মানে প্রতি বছর আপনার টাকার দাম ৮০০০-৬০০০= ২০০০ বা ২% করে কমতে থাকবে। আরো একটা চলতি উদাহরণ দেখি, আপনি হয়তো সরকারি চাকরি করেন। প্রতি বছরে আপনার বেতন বৃদ্ধি ৩% কিন্তু মূল্যবৃদ্ধি ৮%। আজ চলে যাচ্ছে কিন্তু ভবিষ্যাৎটা ভেবে দেখুন। আপনার ভবিষ্যাৎ কি আদেও আর্থিক ভাবে সুরক্ষিত হচ্ছে?
তাহলে উপায়? উপায় হলো আমাদের জানতে হবে মূল্যবৃদ্ধিতে কি সবার ক্ষতি হচ্ছে? এই যে আপনার যাতায়াত এর অটো বা বাস টা মূল্যবৃদ্ধির জন্য যেখানে তার খরচ হয়তো প্রতি যাত্রী ১-২ টাকা করে বেড়েছে, তার গাড়ি এবং সংসার খরচ ধরে। কিন্তু সে তার ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে ৫-১০ টাকা। তাহলে যারা এই মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দিতে পারছে তাদের উন্নতি হয়েই যাচ্ছে। তাহলে এদের থেকে আমরা কি শিখতে পারি? আপনার সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস এর দাম প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। আপনি আজ যে Colgate বা Sunrise মসলাটা ব্যবহার করছেন সেটা ITC Company এর। যার শেয়ারের দাম গত এক বছরে এ বেড়েছে ৫৪.৯৩%। যে গাড়িটা ব্যবহার করছেন সেটা হয়তো Tata Motors বা Maruti Suzuki company এর যেগুলা যথাক্রমে ৫৩.৯৩% এবং ২৮.২৪% রিটার্ন দিয়েছে গত এক বছরে। Fortune তেল এবং মসলাপাতি Adani Enterprises এর যা বেড়েছে বছরে ১১৮.৫৮%। তাহলে আমরা কি পারিনা আমাদের কষ্টর্জিত টাকাগুলোকে সঠিক ভাবে বৃদ্ধি করাতে?
এতদিন শেয়ার বাজারে বেশিরভাগ লোক এসেছে স্বল্প সময়ে বেশি রোজগারের আসায়। যা শেয়ার বাজারে চাওয়াটা খুবই ভুল সঠিক পড়াশোনা এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ছাড়া। কিছু মানুষ শেয়ার বাজারকে জুয়ো মনে করে ভুল করেছে। আর নিজেদের ভুল ঢাকার জন্য ওপরকে শেয়ার বাজার সম্মন্ধে ভুল বুঝিয়ে এসেছে।শেয়ার বাজার থেকে সত্যিই প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে যা সঠিক পড়াশোনা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। প্রফিট এক্সিসের ২৩+ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ফান্ড ম্যানেজার এবং তার টীম গত দু বছরে ৫০০০০+ Demat একাউন্ট ম্যানেজ করেছেন এবং প্রতিটা একাউন্টে খুবই ভালো বাৎসরিক রিটার্ন দিতে পেরেছেন। যা ছিল ব্যাঙ্ক রিটার্নের কয়েকগুন্।
এবার প্রশ্ন হলো আপনি প্রফিট এক্সিসে জুড়তে কিভাবে পারেন? প্রথমত আপনি প্রফিট এক্সিস এর মাধ্যমে Demat একাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করলে প্রফিট এক্সিস আপনাকে গাইড করবে বাৎসরিক খুবই ভালো রিটার্ন পেতে। যেই বিনিয়োগের টাকা আপনি চাইলে যখন ইচ্ছা শেয়ার বিক্রি করে ফেরত নিয়ে নিতে পারেন ঘরে বসে কারণ পুরোটাই আপনার দেখরেখের মধ্যে চলবে। আপনি প্রতিনিয়ত আপনার কেনা শেয়ার এবং তাতে আপনার লাভ লোকসান দেখতে পারবেন। আর যদি আপনি NSE রেজিস্টার্ড প্রফিট এক্সিসের Franchise, AP(Authorised Person) হতে চান তাহলে ২৩৬০/-(Incl. GST) বা BDR(Business Development Representative) হতে ১১৮০/-(Incl. GST) শুধুমাত্র Cheque Pay করে হতে পারেন। এবং আপনি আপনার সমস্ত বিবরণ NSE এর ওয়েবসাইটে(https://www.nseindia.com) দেখতে পারবেন। AP বা BDR হয়ে আপনি নিজের সাথে-সাথে অন্য কারোর Demat একাউন্ট ও খুলিয়ে দিতে পারবেন এবং আরো কাউকে AP বা BDR দিতে পারেন প্রফিট এক্সিসের মাধ্যমে। একটা শেয়ার ব্রোকিং Franchise হিসাবে আপনি প্রচুর রোজগার করতে পারেন যা আপনার ভাবনার বাইরে। এবং এটা আপনি আপনার বর্তমান কাজের পাশাপাশি ও করতে পারেন।
যেটা বেচে গেলো সেটা হলো আমি কে? দেশের বেশিরভাগ লোক এই বিষয়ে অনভিজ্ঞ। তাহলে আমি কিভাবে জানলাম? প্রফিট এক্সিস এর কথা আমি প্রথম জানতে পারি ২০২১ এর মার্চে কিন্তু টাকা পয়সা ইনভেস্টের পুরোনো দিনের কথা ভেবে এগোতে মন চায় না। আর এতকিছু বোঝানোর মতো কেউ ছিলও না। শেয়ার বাজার সম্মন্ধে আমার একটু কৌতূহল তৈরী হয়েছিল লকডাউনে Youtube দেখে-দেখে। কিন্তু পুরোপুরি কেউ শেখাচ্ছিলো না। যারা শেখাচ্ছিলো তারাও শুধু ৫-১০ টা ভিডিও বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলো। হাত ধরে শেখানো বা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার কেউ ছিল না আমার কাছে। এরই মধ্যে যে আমাকে প্রথম প্রফিট এক্সিসের কথা বলেছিল সে প্রফিট এক্সিস কতটা লাভ করছে, কতটা সাধারণ মানুষ কে নিয়ে ভাবছে বলতো। আমি প্রথম-প্রথম তাকে পাত্তা না দিলেও শেয়ার বাজার নিয়ে যে কৌতহল আর শেখার ইচ্ছা ছিল আমার মধ্যে তার জন্য প্রফিট এক্সিসের কল্যাণী অফিসে ২০২১ এর ডিসেম্বর মাস এ শেয়ার ট্রেনিং ব্যাচ-২ তে ভর্তি হই । মোট খরচ ছিল ৪৭২০০ টাকা ৬ মাসের কোর্স এর জন্য। আমি দুটো ইনস্টলমেন্টে পে করি। প্রথম মাসে ২৩৬০০/-(Incl. GST) এবং তিন মাস পর এপ্রিল মাসে ২৪৭৮০/-(Incl. GST)। শেয়ার এর সাথে সাথে মিউচুয়াল ফান্ড, ব্যাঙ্কিং এবং ইন্সুরেন্স ও আমাদের পড়ানো হয় এই ৬ মাসে। এই ৬ মাসে বেশ কিছু আমন্ত্রণে MD স্যার শুভ্রকান্তি নাগ এর বাড়ি যাওয়া হয়। এখানে এসে দেখতে পাই শেয়ার বাজারে কতটা লাভ কেউ করতে পারে। একটা ছোট উদাহরণ দিচ্ছি, স্যার শুরু করেছিলেন একটা ৫০ লক্ষ্য টাকার একাউন্ট নিয়ে যা আজ ১৫৬ কোটিতে পৌঁছেছে। এমন আরো কিছু একাউন্ট স্যার পরিচালনা করেন সিকিউরিটি মানি এবং কোম্পানি ক্যাপিটাল দিয়ে। বেশ কিছু শেয়ারে বড় লাভ ও দেখতে পাই যেমন ৭৫০%,৪৫০% জাস্ট কয়েক মাসে। আমি যেহুতু দ্বিতীয় ব্যাচে ছিলাম আমার আগেও একটা ব্যাচ ছিল। লকডাউন এ তাদের ক্লাস হওয়ার জন্য তাদের ক্লাসের বেশিরভাগটাই অনলাইনে হয়েছিল। তারা আমাদের ট্রেনিং হেড দিলীপ স্যার এর কাছে ট্রেডিং বা প্রাকটিক্যাল শেয়ার কেনাবেচা করছিলো। মাত্র ৬ মাসের ট্রেনিং এর পর শত ভুল করা সত্ত্বেও তাদের সর্বনিম্ন লাভ দেখা গেলো ২% প্রথম মাসে। যা ১০০০০০ টাকায় ছিল ২০০০ টাকা। তাহলে ভাবুন যারা বছরের পর বছর এর সঙ্গে যুক্ত আছেন এর উপর পড়াশোনা করার পর তারা কি করতে পারেন। আসলে আমরা কোনোদিন বেশি পাইনি তাই বেশির কথা শুনলে ভয় লাগে। আর আমরা পিছিয়ে যাই। যুগ বদলানোর সাথে সাথে আসে নতুন নতুন সুযোগ। কিন্তু আমরা ভারতীয়রা সর্বদা ভয় পাই নতুন কিছু গ্রহণ করতে। যেমন প্রথম মোবাইল তৈরী হয় ১৯৮৪ সালে। ভারতে তা আসে ১৯৯৫ সালে। কম্পিউটার আবিষ্কার হয় ১৮৮২ সালে আমরা তা পাই ১৯৬০ সালে। এমন কি ভারতে কম্পিউটারের প্রচুর বিরোধিতাও করা হয়।
এতো সব জানার পরেও হয়তো আপনি এগোবেন না। কারণ আপনি জানেন না এতে ঝুঁকি কি। যেমন ছোটবেলা থেকে আমাদের শেখানো হয়েছে প্রতিটা জিনিস এ ভালো খারাপ দুইদিকই থাকে। আর যেহুতু এখানে আপনি খারাপ দিকটা খুঁজে পাচ্ছেন না আপনি সংকোচ করবেন, দেরি করবেন। যেমন একটা মেয়ে একটা ভালো ছেলেকে সবার শেষে পছন্দ করে, আপনি সব বুঝেও তখনি জুড়বেন যখন আপনার চারিদিক এটা ছেয়ে যাবে। সরকার এবং ভগবান সুযোগ দেন কিন্তু আমরা সাহস করে এগোই না। কিন্তু তাও অসফলতার জন্য তাদের দোষারোপ করি। আপনি আজ নিজের পূর্বপুরুষদের দোষারোপ করেন তারা যদি কম দামে জমি কিনে রেখে যেত তার আজ প্রচুর দাম হতো। কিন্তু আপনি কি আজ কম দামে ভালো শেয়ার কিনে রাখছেন নিজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য? গুজরাট, মহারাষ্ট্রে গেলেই দেখতে পারবেন তারা সমস্তটাই শেয়ারে বিনিয়োগ করে। পলিটিকাল কথা বলা ঠিক নয় এখানে কিন্তু আমাদের রাজ্য ও তাদের মতো হতে পারতো। দেশ এগোচ্ছে, দেশের বাণিজ্য এগোচ্ছে কিন্তু বাঙালি পিছিয়ে থাকছে। জোর করে কিছু হয় না যদি সত্যি মনে হয় একটু সাহস করে এগোনো যায় ভালো ভবিষ্যাৎ এর জন্য তাহলে সঙ্গে আসুন। আর যদি মনে এখনো দোটানা থাকে ভুলে যান যা পড়লেন।
Our Network Partners-
LIC HFL, AVIVA, HDFC BANK, HDFC HOME LOANS, BAJAJ FINSERV, BANK OF BARODA, PNB HOUSING, TATA CAPITAL, EDELWEISS, PNB METLIFE, BAJAJ ALLIANZ, KOTAK MAHINDRA BANK, IDFC FIRST BANK, IDBI BANK, ADITYA BIRLA CAPITAL, MAX LIFE INSURANCE,ICICI HOME FINANCE, YES BANK, AXIS BANK, STATE BANK OF INDIA.
-Koustav Majumder.
Contact-9739323212