The Iron Lady Creation

The Iron Lady Creation This page is used to promote products that are useful in our day to day life as well as other specialised targeted health supplements.

We also sell cold grinded, organic spices which are required for cooking purposes. FMCG products are also available.

29/05/2026

মেয়েরা পঞ্চাশ বছর হয়ে গেলে আর বেশি সংসার সংসার করবেন না। আপনি মোটামুটি দায়িত্ব পালন করে ফেলেছেন, এখন ভুলেও হিসেব মেলাতে যাবেন না, এখন সব হিসেবনিকেশ থেকে বেরিয়ে আসুন......
ছেড়ে দিন। ছেড়ে দেওয়াটা শিখুন। আশা না করাটা শিখুন। দোষারোপ করা বন্ধ করে নিজের ভুলের দিকে তাকান। শোধরানোর সুযোগ নেই তাই ভুলে যান। জীবনের যেদিন চলে গেছে সেইদিন আর ফিরে পাবেন না। পস্তানোটা গিলে ফেলুন জাস্ট । কিছু স্বার্থপর হোন কারণ এখন আপনার শরীর জানান দিচ্ছে বয়স হচ্ছে......
দিনরাত ঘরকন্না করবেন না। কোমর ব্যথা তৈরি হবে, বাড়তে থাকবে, যাবতীয় ক্যালসিয়াম,ভিটামিন ডি এই ব্যথা সারাতে অক্ষম।
ঘর একটু অগোছালো থাকলে কিছু হবে না। তাকাবেন না। মোটামুটি পরিষ্কার থাকলেই হবে। আপনি বরং সময় পেলে আকাশ দেখুন , জানলা বন্ধ না করে বৃষ্টি উপভোগ করুন। নদীর ধারে বাড়ি হলে কয়েকদিন পর পর নদী দেখতে যান ।
দিন দিন একা হচ্ছেন, আরোও হবেন তাই একাকীত্বটা প্র্যাকটিস করুন। নিজেই টুকটাক বেড়াতে বের হোন। নিজের মনের যত্ন নিজেই নিন। শরীরের যত্ন নিন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান। মনে রাখবেন যত বেশি সম্পর্ক তত বেশি কষ্ট। তাই যতটুকু পারা যায় অন্যকে সাহায্য করুন , ভালোবাসুন কিন্তু একদম ডুবে যাবেন না কষ্ট পাবেন...
পৃথিবীতে থাকতে আসেননি, অতিথি হয়ে এসেছেন, কিছুদিন পর চলে যাবেন সবসময় এই চিন্তা মাথায় রাখুন। জীবনের মধুর প্রাপ্তিগুলোকে মাঝে মাঝে মনে করুন।
হিংসে, লোভ, প্রতিযোগিতা এই তিনটি জিনিস জীবন থেকে বাদ দিন, নিয়ম করে প্রচুর জল খান, সুন্দর পোশাক পরুন, সাজগোজ করুন, গান শুনুন, মন যা চায় করুন....
সব পাওয়ার দেশে বিরাজ করুন। ভালো থাকবেন সবসময়। 🥰

#সংগৃহীত

To my all beautiful friends❤️

05/05/2026
Nil digonte oi surer agun laglo......Tomra aj ker ei surjo er rong ta keu dekhecho ?? Please comment 🙏
07/04/2026

Nil digonte oi surer agun laglo......
Tomra aj ker ei surjo er rong ta keu dekhecho ?? Please comment 🙏

কি সাহস রে বাবা মহিলার।বয়সটা যে পঞ্চাশ ছুঁতে চলেছে সে দিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ ই নেই।কি একটিভ স‍্যোশাল মিডিয়ায় !! ফেসবুক,ইনস্...
06/04/2026

কি সাহস রে বাবা মহিলার।
বয়সটা যে পঞ্চাশ ছুঁতে চলেছে সে দিকে কোনো
ভ্রুক্ষেপ ই নেই।
কি একটিভ স‍্যোশাল মিডিয়ায় !! ফেসবুক,ইনস্টাগ্রাম কিছুতে--ই বাদ নেই। সারা দিনে তার লাইক,কমেন্ট,আর শেয়ারের ছড়াছড়ি। আবার রীলসেও কখনো নায়িকা-, --তো কখনো গায়িকা !
বাপরে বা---প পারেও বটে। নিজেকে একেবারে টিনেজারে এনে নামিয়েছে। এই তো সেদিন দেখলাম
হৈ হৈ করতে করতে, পার্টিতে বন্ধুদের সাথে ডান্স করছে।
উঁঃ লজ্জার মাথা খেয়েছে এক্কেবারে।
* * *
হ‍্যাঁ হ‍্যাঁ বলুন। যত্ত খুশি বলুন। এ সব শুনে শুনে গা সওয়া হয়ে গেছে, বুঝলেন। কি হয়েছে পঞ্চাশের কাছে বয়েস হয়েছে তো। ঘরের কোণে একটা সুতির ছাপা পরে বসে থাকব নাকি। শুনুন,সারা জীবন শুধু এটা করতে নেই,ওটা করতে নেই ,এখানে যাওয়া হবে না,ওখানে যাওয়া হবে না এই ই শুনে এসেছি।

যখন ষোলোয় ছিলাম ছেলে বন্ধু তো দূরের কথা
কোনো মেয়ে বন্ধুর বাড়িতে গেলেও মা কে সঙ্গে নিয়ে যেতে হতো।আর পিকনিক, ঘোরাফেরা,সিনেমা !
এ সব তো অলীক কল্পনা ছিল মশাই---
অলীক কল্পনা।

তারপর যখন কুড়ি হল---বেশ রাঙা টুকটুকে বৌ সেজে শ্বশুরবাড়িতে এলাম। বাপ রে বা---প !!!
সেখানেও আবার এমন নজরদারি,
কি বলি !! ---
কোনটা খাইনা, কেন খাইনা? হাতে কেন বড় বড় নখ রেখেছি?
সকলের সামনে নাইটি পড়তে আমার লজ্জা করে কিনা,---মেয়ে মানুষ হয়ে এত হৈ হৈ কিসের,
ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি। আর বাইরে গেলে !
শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, জা -ননদ হাজারটা কৈফিয়ত।

তারপর পঁচিশে---, যখন মা হলাম, ছেলেকে খাওয়াতে অসুবিধা হবে বলে নাইটি ছেড়ে সুতির ছাপা পড়া ধরলাম। কোমরে আঁচল গুঁজে এমন দশভুজা হয়ে গেলাম যে----কোথায় সিনেমা,কোথায় বেড়ানো,
আর কোথায় যে আনন্দ সব ভুলে গেলাম।
না না এটার জন‍্য আক্ষেপ করছিনা। এটা তো আমার কর্তব্য।

দেখতে দেখতে আরো বছ--র কেটে গেল ছেলের পড়াশোনা আর সামাজিক প্রতিষ্ঠা নিয়ে।

এখন যে যার মত ---
বন্ধু বান্ধব, হৈ হুল্লোড়,পার্টি, ভ্রমণ এসব নিয়ে ব‍্যস্ত।

তাই আমিও একটা প্রোফাইল খুললাম খুঁজে নিলাম নিজের একটা জগৎ।
জানেন? আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডের ফলোয়ার এর সংখ্যা এখন দশ হাজারের কাছাকাছি
আর আমার পোষ্টগুলো যখন শেয়ার হয়,
তখন মনটা আনন্দে উথলে ওঠে।
এই নিয়েই তো আমার একার সময়টা কাটিয়ে দিই রোজ।

খারাপ মন ভোলাতে খুব বেশি সময় লাগেনা আমার।
জানেন,আমি এখন নিজের পছন্দের মাছ কিনি বাজার থেকে। আর যে খাবারটা খেতে ইচ্ছে সেটাই বানাই।
যেখানে যেতে ইচ্ছে করে সেখানে যাই।
আর তো কটা মাত্র দিন পড়ে আছে তাই না। নিজেকে কি করে ঠকাই বলুন তো?
মর্নিং ওয়াক ইচ্ছে হলে করিনা হলে করি না,পছন্দের সিনেমা দেখতে যাই পার্লারে যাই। শরীর চর্চা থেকে মনের চর্চা স---ব সব করি এখন।
এই তো আমার যুবতী হওয়ার বয়স।
তাই যে যাই বলুক
চলুন, মনের বয়স বাড়তে না দিয়ে এই পঞ্চাশেই আবার না হয় যুবতী হয়ে যাই।
ছবিটা ইচ্ছে করেই দিলাম যাতে স্ক্রোল করে চলে যাবার আগে একটু থামেন।

সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত

ক্যানসার ধরা পড়েছিল ধর্মনগরের রমেশ নমঃশূদ্রের (নাম পরিবর্তিত)।শিলচরের 'কাছাড় ক্যানসার হাসপাতাল' এ চিকিৎসা চলছিল তাঁর। ...
19/03/2026

ক্যানসার ধরা পড়েছিল ধর্মনগরের রমেশ নমঃশূদ্রের (নাম পরিবর্তিত)।
শিলচরের 'কাছাড় ক্যানসার হাসপাতাল' এ চিকিৎসা চলছিল তাঁর। ধর্মনগর থেকে বারবার শিলচর আসা-যাওয়া, থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন।
২০০৮ সালে শেষ ডোজটি নেওয়া হয়ে গেলে ডাক্তার যখন পরবর্তী তারিখটা লিখতে যাবেন, রমেশ কাঁদতে থাকেন। হাতজোড় করে বলেন, আর তারিখ দেবেন না। চেখে জল তাঁর স্ত্রীরও।

ডাক্তার জানতে চান, সমস্যাটা কী?
৪৫ বছর বয়সি দিনমজুর রমেশ বলেন,'এ বারই আসতে চাইছিলাম না। কী করে আসব। কাজকর্ম বন্ধ কত দিন!’
সব বিক্রি করে চিকিৎসা করাচ্ছেন রমেশ। এখন বাকি শুধু বসতবাড়িটা। খদ্দের মেলেনি। তাই এলাকারই এক জনের কাছে ৭ বছরের ছেলেকে বন্ধক রেখে ৫ হাজার টাকা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন এ বার! ফিরে গিয়ে বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে মুক্ত করবেন।

কথাটা শুনে স্থির থাকতে পারেননি ডাক্তার। ডেকে পাঠান হাসপাতালের মুখ্য প্রশাসনিক অফিসার কল্যাণ চক্রবর্তীকে। ৫ হাজার টাকা রমেশকে দিতে বলেন। সঙ্গে জানান, তার পুরো চিকিৎসা বিনা খরচে হবে। কিন্তু সমস্যা হল, কাজের মরসুমে টাকা পেলেই কি ছেলেকে ছেড়ে দেবে! কিছু দিন তো খাটাবেই।
ডাক্তারবাবু ফোন করেন ধর্মনগরের তখনকার বিধায়ক অমিতাভ দত্তকে। তাঁর মধ্যস্থতায় ছেলেকে মুক্ত করান রমেশ।

ডাক্তারবাবু সেদিন উপলব্ধি করেন, শুধু ওষুধ লিখে দিলেই হয় না। কিনে খাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে কি না, তাও ডাক্তারকে জানতে হবে। না থাকলে ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে।
রমেশের ঘটনা সোসাইটি পরিচালিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে।
শুরুতে রোগীর তথ্যপঞ্জি লিপিবদ্ধ করা হয়। সঙ্গে নিজের বা পরিচিত জনের ফোন নম্বর। নির্ধারিত দিনে না-এলেই হাসপাতাল থেকে ফোন যায়, কেন এলেন না? কী সমস্যা? দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে রোগীকে নিয়ে আসার দায়িত্ব নেয় হাসপাতাল।

শিলচরের মানুষ সোসাইটি বানিয়ে চাঁদা তুলে গড়ে তোলেন 'কাছাড় ক্যানসার হসপিটাল সোসাইটি'।

এখন তার ডিরেক্টর সেই ডাক্তারবাবুই।
ডা. রবি কান্নান। ২০০৬ সালে চেন্নাই থেকে এসেছিলেন শিলচরে।
সঠিক হিসেব জানা না গেলেও অনেকই বলছেন, ৭ হাজারেরও বেশি ক্যানসার রোগীর জটিল অস্ত্রোপচার করেছেন কান্নান। একটি টাকাও নেননি রোগীর কাছ থেকে।
এখনও তিনি সোসাইটি থেকে যে বেতন নেন, তা রাজ্য সরকারের এক জন এমবিবিএস ডাক্তারের থেকে বেশি নয়।

৩ বছর আগে পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার।
ডা. কান্নান অবশ্য মনে করেন যে তাঁকে পদ্মশ্রী এনে দিয়েছেন ওই রমেশই।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

এক মহিলা শপিংমলে গেছেন কেনাকাটা করতে। তিনি বিল দেবার জন্য ভ্যানিটি ব্যাগ খুলতেই ম্যানেজারের নজরে পড়ে ব্যাগের ভিতরে টিভি...
09/03/2026

এক মহিলা শপিংমলে গেছেন কেনাকাটা করতে। তিনি বিল দেবার জন্য ভ্যানিটি ব্যাগ খুলতেই ম্যানেজারের নজরে পড়ে ব্যাগের ভিতরে টিভির রিমোট! ম্যানেজার কৌতূহলবশত জানতে চান, "ম্যাডাম, ব্যাগে কি সবসময় রিমোট নিয়ে ঘোরাফেরা করেন?"

মহিলা জবাব দেন, "নাহ! মাঝে মাঝে। আজ আমার হাজবেন্ড বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখবে বলে আমার সাথে শপিংয়ে এলো না। তাই ওকে টাইট দেওয়ার জন্য এই কাজ করেছি।"

শিক্ষা ১ : স্ত্রীকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিলে স্বামীর কপালে বিপদ আছে।

ম্যানেজার মৃদু হেসে ক্রেডিট কার্ড ফেরত দিয়ে বলেন, "পেমেন্ট হচ্ছে না, আপনার স্বামী কার্ড ব্লক করে দিয়েছেন।"

শিক্ষা ২ : স্ত্রীর উচিত স্বামীর শখকে সম্মান করা।

মহিলা মুচকি হেসে কার্ডটি Swipe করে ক্যাশিয়ারকে বলেন, "এমনটা হতে পারে তা আমি আগেই সন্দেহ করেছিলাম!"

শিক্ষা ৩ : নারী জাতির ক্ষমতার দৌড় সম্পর্কে পুরুষের জ্ঞান পরিপূর্ণ নয়।

Swipe মেশিন জানাল, আপনার (অর্থাৎ মহিলার স্বামীর) মোবাইল নম্বরে পাঠানো ছয় সংখ্যার পিনটি এখানে প্রবেশ করুন।

শিক্ষা ৪ : কারো অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ম্যানেজারকে অবাক করে দিয়ে মহিলা ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে স্বামীর মোবাইল ফোন বের করতে করতে বলেন, "ও কার সাথে কথা বলে, কোথায় ম্যাসেজ পাঠায় তা চেক করার জন্য মাঝে মাঝে ওর ফোনটা বাজেয়াপ্ত করি!"

শিক্ষা ৫ : স্মার্ট মহিলাদের সাথে টক্কর দিতে গেলে পুরুষ জাতিকে আরো বেশি ইন্টেলিজেন্ট হতে হবে।

কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফিরে মহিলা দেখলেন দরজায় তালা মারা। স্টিকারে লেখা, গাড়ি নিয়ে বন্ধুর বাড়িতে খেলা দেখতে গেলাম। ফিরতে রাত হবে, বাইরে অপেক্ষা করো।

শিক্ষা ৬ : আপনার প্রতিপক্ষকে কখনো ছোট করে দেখবেন না।

মহিলা মুচকি হেসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। রাতে স্বামী বাড়ি ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে লক করা আর স্টিকারে লেখা:
গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়ো। কলিং বেল বাজিও না, তাতে লাভ হবে না, বেলের তার কাটা। আর খবরদার দরজায় ধাক্কাধাক্কি করবে না, ভুলে যেও না এটা ভদ্রলোকের পাড়া।

শিক্ষা ৭ : নারীশক্তি হতে সাবধান!

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

27/02/2026

কলকাতায় সিনিয়র সিটিজেনদের উপর কয়েকটি হামলার ঘটনার উপর নির্ভর করে আজকে আমার এই লেখা।

শহরের এক পুরোনো পাড়ায় থাকতেন শশাঙ্কবাবু। বয়স পঁচাত্তর ছুঁইছুঁই। স্ত্রী নেই, ছেলে-মেয়ে দু’জনেই দূরের শহরে চাকরি করে। সকালবেলা জানলার ধারে বসে খবরের কাগজ পড়া, দুপুরে নিজের হাতে ভাত ডাল রান্না—এই ছিল তাঁর জীবন। বাইরে থেকে দেখলে শান্ত, কিন্তু ভিতরে ভিতরে এক গভীর একাকীত্ব।

একদিন দরজায় এসে দাঁড়াল এক যুবতী। বলল, “আয়া খুঁজছেন ? আমি খুব গরিব কিন্তু বিশ্বাসী।” কথার ভদ্রতা আর মুখের হাসিতে শশাঙ্কবাবুর মনে হলো—এই মানুষটাকে ভরসা করা যায়।

কয়েকদিনের মধ্যেই ঘরের খবর বাইরে পৌঁছে গেল। কখন তিনি ঘুমোন, কোথায় টাকা রাখেন—সব।

এক রাতে আচমকা শশাঙ্কবাবু অসুস্থ হয়ে পড়লেন। সাহায্যের বদলে সেই আয়া আলমারি খালি করে পালাল।

সকালে প্রতিবেশীরা এসে তাকে বাঁচাল। প্রাণটা রইল, কিন্তু চোখের বিশ্বাসটা ভেঙে চুরমার।

সেদিন থেকে পাড়ার সবাই একত্রিত হল তারা সিদ্ধান্ত নিল- “উনি এতদিন একা ছিলেন, আমরা খেয়াল করিনি”—এই কথাটা যেন সবার বুকে কাঁটার মতো বিঁধে রইল। ঠিক হলো, আর নয়। আর কোনো সিনিয়র একা থাকবেন না।

পাড়ায় শুরু হলো নতুন নিয়ম। একা থাকা মানুষদের তালিকা বানানো হলো। প্রতিদিন কেউ না কেউ ফোন করবে, সপ্তাহে একদিন একসঙ্গে বসে চা খাওয়া হবে। পরিচারিকা বা আয়া ঢুকলে পরিচয়পত্র যাচাই বাধ্যতামূলক। দরজায় লাগানো হলো ছোট্ট বোর্ড—“এখানে একা মানুষ থাকে না, পাড়া থাকে।”

কিছু মাস পর আবার কিছু সন্দেহজনক লোক পাড়ায় ঢোকার চেষ্টা করেছিল। এবার তারা বুঝে গেল—এখানে সুযোগ নেই। নজরদারি আছে, মানুষ আছে, ভালোবাসা আছে।

শশাঙ্কবাবু আবার জানলার ধারে বসেন। খবরের কাগজের পাতায় চোখ বুলিয়ে বলেন,
সমাজ সবাই মিলে গড়তে হয়, শুধুমাত্র প্রশাসনের উপর ভরসা করে থাকলে চলে না, যা করার নিজেদেরই করতে হয়।

এই গল্পটা শুধুই গল্প নয়।
এটা একটা ডাক—চোখ খুলে দেখার, পাশের মানুষটার খোঁজ নেওয়ার।
কারণ আমাদের একটু সচেতনতা, একটু সময়—কারও জীবনের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হতে পারে।

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন জানাতে পারেন আপনার জীবনের অভিজ্ঞতাও।

অস্মিতা ঘোষ ♥️.

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!! পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখল...
23/02/2026

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!
বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!!

পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখলেন । কিন্ত বিদ্যার এমন গরম দেখেছেন না শুনেছেন কখনও? সবটা শুনলে মাথা ঝিমঝিম করবে, হাত পা’ও অবশ হয়ে যেতে পারে বৈকি।এক জীবনে এত পড়াশোনা কোন রক্ত মাংসের মানুষ করতে পারে, না পড়লে বিশ্বাস হবে না।তাও আবার সেই ভদ্রলোক যদি ভারতীয় হন !!

মারাঠি এই ভদ্রলোকের নাম ‘শ্রীকান্ত্ জিচকার’।

পড়াশোনার কেরিয়ারটা একবার হাল্কা করে চোখ বুলিয়ে নিন শুধু , তাহলেই মালুম পড়বে ভদ্রলোক কি কাণ্ডটাই না করেছেন।

১.জীবন শুরু MBBS, M.D দিয়ে।

২.এরপর L.L.B করলেন।সাথে করলেন ইন্টারন্যাশানাল ল-এর ওপর স্নাতকোত্তর।

৩.এরপর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট এর ওপর ডিপ্লোমা,সাথে M.B.A ।

4. এরপর জার্নালিজম নিয়ে স্নাতক।

এতদূর পড়ার পর আপনার যখন মনে হচ্ছে লোকটা পাগল নাকি,তখন আপনাকে বলতেই হচ্ছে এ তো সবে কলির সন্ধ্যে । এখনো গোটা রাত বাকি।

এই ভদ্রলোকের শুধু স্নাতকোত্তর ডিগ্রীই আছে দশটা বিষয়ের ওপর! স্নাতকোত্তরের বিষয়ের তালিকাটা একবার দেখুন খালি-

১.পাবলিক আ্যডমিনিস্ট্রেশন

২.সোশিওলজি

৩.ইকোনমিক্স

৪.সংস্কৃত(ডি.লিট)

৫.হিস্ট্রী

৬.ইংলিশ

৭.ফিলোসফি

৮.পলিটিক্যাল সায়েন্স

৯.এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রী, কালচার,এন্ড আর্কেওলজি

১০.সাইকোলজি

ওপরের যতগুলো বিষয় দেখছেন সব ক’টিতেই প্রথম শ্রেণীর সঙ্গে স্নাতকোত্তর, এবং ২৮টি স্বর্ণপদক বিজয়ী।সব মিলিয়ে ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতি গ্রীষ্মে ও প্রতি শীতেই উনি কোনো না কোন স্নাতকোত্তরের বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে গেছেন।

মাথা ঝিমঝিম করছে তো!তা মাথার আর দোষ কি বলুন!তবে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার আগে একবারটি শুধু শুনে যান।এতসব পড়তে পড়তে ওনার যখন একঘেয়েমি লাগছিল,ঠিক করলেন এবার একটু স্বাদ বদলানো যাক! তো স্বাদ বদলাতে আমি আপনি বেড়াতে যাই,আর উনি “আই.পি.এস(IPS)” পরীক্ষায় বসলেন আর পাশ করলেন।সেটা ১৯৭৮ সাল।কিন্তু পোষালো না চাকরীটা।চাকরীটা ছেড়ে দিয়ে বসলেন “আই.এ.এস(IAS)” পরীক্ষায়।১৯৮০ তে “আই.এ.এস(IAS)” হলেন।

নটে গাছটা তাহলে মুড়োলো শেষ অবধি।আজ্ঞে না মুড়োয় নি এখনো।চারমাসের মধ্যে “আই.এ.এস(IAS)” এর চাকরীটাও ছেড়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের বিধান সভা ভোটে লড়বেন বলে।১৯৮০ তে উনি যখন বিধায়ক নির্বাচিত হলেন তখন ওনার বয়স সবে ২৫।উনি হলেন ভারতের সবচেয়ে কমবয়সী বিধায়ক।সবই হল যখন তখন মন্ত্রী হওয়াটাই বা আর বাকী থাকে কেন!সেটাও হলেন এবং একটা দুটো দপ্তরের নয়,একেবারে ১৪ টা দপ্তরের।১৯৯২ সাল নাগাদ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ওনার এই ‘সামান্য’ কয়েকটি গুণ ছাড়াও তিনি

অসাধারণ চিত্রশিল্পী,

পেশাদার ফটোগ্রাফার,

মঞ্চাভিনেতা,

সখের বেতার চালক

ও জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ ও ইউনেস্কোতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহে ৫২০০০ বই রয়েছে ওনার। ‘লিমকা বুক অফ রেকর্ডস’ ওনাকে “ভারতবর্ষের সবথেকে শিক্ষিত ব্যক্তি”র শিরোপা দিয়েছে।১৯৮৩ তে উনি ‘বিশ্বের অসামান্য দশজন তরুণ’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৪ এ পথ দুর্ঘটনায় ওনার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৪৯

কার্টেসী: শংকর চক্রবর্তী.....❤️🥰 (সংগৃহীত)

06/02/2026

Address

Berhampore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Iron Lady Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Iron Lady Creation:

Share