07/08/2022
اِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوۡرِ عِنۡدَ اللّٰهِ اثۡنَا عَشَرَ شَهۡرًا فِىۡ كِتٰبِ اللّٰهِ يَوۡمَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ مِنۡهَاۤ اَرۡبَعَةٌ حُرُمٌ ؕ
সুরা তাওবাহ ,আয়াত নং ৩৬ আল্লাহ বলেন ।নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত।
আরবী ১৪৪৪ হিজরী , আরবী বছরের প্রথম মাস মোহররম , আজ মোহররম মাসের ৯ তারিখ । আল্লাহ ,আসমান জমীন সৃষ্টি থেকে নিয়ে মাস বারটাই গননা করেন তন্মধ্য চারটিকে সম্মানিত করেছেন ।হাদিস দ্বারা আমরা জানতে পারি যে চারটি মাসকে সম্মানিত করেছেন তা হল তিনটা ধারাবাহিক ভাবে জিলকদ্ব ,জিলহজ্ব ও মোহাররম আরেকটি হল রজব ।এই চারটির মধ্যে ও মোহারমের সম্মান বেশী (রমজান ব্যতিত রমজানের মাসের ফজিলত সবচেয়ে বেশী)যে মাসটি আমরা অতিক্রম করতেছি ।কোন জিনিসের কদর তত বেশী হয় যত বেশী তার উপকারিতা ( ফজিলত ) জানা যায় । যেমন কোন সম্মানিত ব্যক্তির পাশে গেলে যেমন বাবা, উস্তাদ ,শ্বশুড় ও দায়িত্বশীল অথবা তারা নিজের সামনে এলে যেমনিভাবে আমরা নড়াচড়া করে বসি নিজেকে বিনয়ী হিসাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি ।তেমনি মোহররম মাসের মর্যাদা যেনে নিজেকে বিভিন্ন মন্দ কাজ থেকে বিরত রেখে নড়েচড়ে বসার দরকার ।এ মাসের উত্তম আমল হল দুটি রোজা রাখা এ রোজাকে আশুরার রোজা বলে ।৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ কেননা রাসুল (সঃ) বলেছেন রমজানের পরে সবচেয়ে উত্তম রোজা হল আশুরার রোজা ।আশুরার রোজার ফজিলত হল গত এক বছরের ও আগামী এক বছরের ছগীরা গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দিবেন ।এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) বিজয় দিয়েছিলেন আর ফেরআউনকে ধংশ করেছিলেন এই কারনে ১০ মোহাররমে ইয়াহুদীরা ও রোজা রাখে ।রাসুল (সঃ) মদীনা যাওয়ার পর দেখলেন মুসা (আঃ)কে সম্মান জানিয়ে এই দিনে ইয়াহুদীরা রোজা রাখে রাসুল বললেন ইয়াহুদীরা মুসা (আঃ) যতটুকু ভালবাসে তার চেয়ে আমরা বেশী ভাল বাসি তাই আমরা ও এই দিনে রোজা রাখিব তবে আমরা রাখবো দুইটা যাতে ইয়াহুদীদের সাথে সামান্জ্যয্য না থাকে ।আল্লাহ আমাদেরকে এই মাসের সম্মান জেনে তার যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার তৌফিক দান করুন । আশুরার দিনে মুসলমানদের আরেকটি হ্দয় বিদারক গঠনা ঘটেছিল যেটি হল -কারবালা , রাসুল (সঃ) দৌহিত্র আলী( রাঃ) ও ফাতিমা( রাঃ) আনহার ছেলে হযরত হুসাইন (রাঃ) কারবালা প্রান্তে শহীদ হয়েছিলেন ।হে আল্লাহ হযরত হুসাইন (রাঃ) শহীদি মর্যাদা কে আর বুলন্দ করিও ।