06/08/2026
শ্রদ্ধাঞ্জলি ও স্মরণে: আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ও রাজনৈতিক বাতিঘর ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রওশন আলী 🌺✨
ইসলামী সাম্যবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, আইনজ্ঞ ও বহু গ্রন্থপ্রণেতা মরহুম ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রওশন আলী ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতি ও জ্ঞানচর্চার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
১৯৭৩ সালের ১২ মার্চ দ্য ডেইলি মর্নিং নিউজ-এ প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত নিবন্ধ “The National Party and the Proposed Manifesto: a few Suggestions”-এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭৮ সালের ২১ জুলাই গঠিত হয় ‘ইসলামী সাম্যবাদী দল’। তিনি এই দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে আমৃত্যু দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করে গেছেন।
দেশের রাজনীতিতে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা ও নির্বাচনসমূহ:
রাজনীতিতে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি সক্রিয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সর্বমোট ৪ বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন:
🔹 ১৯৮১ সাল: প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
🔹 ১৯৮৬ সাল: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ।
🔹 ১৯৯৬ সাল: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ।
🔹 ২০০১ সাল: পার্লামেন্টারী পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
একজন চিন্তাবিদ ও লেখক হিসেবে তাঁর অবদান:
রাজনীতির পাশাপাশি সাহিত্য ও গবেষণায় তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও পাণ্ডুলিপির মধ্যে রয়েছে— ‘সোভিয়েত রাশিয়ার ইসলাম ও মুসলমান’, ‘বাঙালীর ডাক’, ‘তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া’, ‘প্রাচীন বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি-ধর্ম’, ‘দেশ পরিচয়’, ‘মানবাধিকারে বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (দঃ)’, ‘ফারুকী আমলে আইনের শাসন’ এবং ‘ইসলাম, তাওহিদি ও মুসলিম’।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সদালাপী, বিনয়ী, মিষ্টিভাষী, ন্যায়নিষ্ঠ ও উদারমনা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সাপ্তাহিক ‘বাংলা বিজ্ঞাপন’ ও ‘চলনবিল বার্তা’-এর প্রধান উপদেষ্টা এবং উল্লাপাড়া হাবিবুদ্দিন আহমদ পাবলিক লাইব্রেরির উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি আমৃত্যু সেবা দিয়ে গেছেন।
আমরা মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করি। 🤲
শ্রদ্ধাবনত—
মোঃ আসাদুজ্জামান জুয়েল
• সভাপতি, ঢাকা বিভাগ — হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশ
• মহাসচিব — সার্ক হিউম্যান কেয়ার ফাউন্ডেশন
• মহাসচিব — ইসলামী সাম্যবাদী দল
• সিনিয়র সহ-সভাপতি — বাংলাদেশ মফস্বল প্রেস ক্লাব