Freelancer Jewel

Freelancer Jewel cedit offers

আপনার কাছে যদি যদি ইউটিউব চ্যানেল থাকে সেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন :নিয়মাবলী :এক : ৫০ টা প্লাস সাবস্ক্রাইবার লাগব...
09/01/2024

আপনার কাছে যদি যদি ইউটিউব চ্যানেল থাকে সেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন :
নিয়মাবলী :
এক : ৫০ টা প্লাস সাবস্ক্রাইবার লাগবে I
দুই: দুইটি ভিডিও আপলোড থাকতে হবে I
তিন: চ্যানেলটির বয়স একমাস হতে হবে I

totaly freeইউটিউব থেকে আয়সাবস্ক্রাইব করুন 20 tar + lagbe2 টা ভিডিও আপলোড1 মাস agr hoty hbe....
09/01/2024

totaly free
ইউটিউব থেকে আয়
সাবস্ক্রাইব করুন 20 tar + lagbe
2 টা ভিডিও আপলোড
1 মাস agr hoty hbe....

16/08/2023

Refer Cara income Forsage somovob
Forsage.io powerful .
Kaj Korle inbox

যদি আপনার ১৫ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল থাকে এবং আপনি Tik Tok, YouTube এবং Facebook ব্যবহার করে সন্তুষ্ট হন, তাহলে আপনি ন...
03/06/2023

যদি আপনার ১৫ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল থাকে এবং আপনি Tik Tok, YouTube এবং Facebook ব্যবহার করে সন্তুষ্ট হন, তাহলে আপনি নিজেকে ধোঁকা দিচ্ছেন ভাই, এই মোবাইল হাতে তুলে নিন এবং ঘরে বসে আয় করুন।*
*আপনার পরিশ্রমের কারণে অন্য কেউ সফল হচ্ছে, আপনি নিজে কেন সফল হচ্ছেন না??????
*আমাদের টিমে যোগ দিন এবং জীবনকে সহজ করে তুলুন*
‼️‼️‼️
আলহামদুলিল্লাহ 7 দিনে 60 ডলার ইনকাম করলাম। যা বাংলা টাকায় 6900 টাকা।যারা কাজ করতে আগ্রহী আছেন তারাই শুধু ইনবক্স করেন। যারা কাজ করতে আগ্রহী তারাই ইনবক্স করেন। সব কিছু মাদের টেলেগ্রাম গ্রুপে শিকিয়ে দেওয়া হবে।
60$
যারা কাজ করতে আগ্রহী আছেন তারা শুধু ইনবক্স করেন।

02/01/2021
মহিলা বহুমুখী শিক্ষা কেন্দ্র, রানীগঞ্জ শাখার বানিয়াপাড়া মহিলা সমিতির সদস্যা সানু বালার স্বামী শ্রী কান্তরায় গত ২৭/১০/...
28/10/2020

মহিলা বহুমুখী শিক্ষা কেন্দ্র, রানীগঞ্জ শাখার বানিয়া
পাড়া মহিলা সমিতির সদস্যা সানু বালার স্বামী শ্রী কান্ত
রায় গত ২৭/১০/২০২০ ইং তারিখে অকাল প্রয়াত
হয়। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী সৎকার্য সম্পাদানের
জন্য ৫০০০ // (পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়।

এনজিও কর্মীদের জন্য চাই স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার: মাঠকর্মীরাই হলেন ‘আনসাং হিরো’রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহি পরিচালক, কোস্ট...
01/10/2020

এনজিও কর্মীদের জন্য চাই স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার: মাঠকর্মীরাই হলেন ‘আনসাং হিরো’

রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহি পরিচালক, কোস্ট ট্রাস্ট ।

বেশ কয়েক বছর আগে একটি বাসের আঘাতে আমরা আমাদের একজন সহকর্মীকে হারিয়েছিলাম। আমরা তখন মামলা দায়ের করলে, বাস মালিক কিছু অর্থের বিনিময়ে আপোস-রফা করতে চেয়েছিলেন, এরপর আর এই বিষয়ে তেমন কোনও অগ্রগতি নেই। ২০১৭ সালে নতুন করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আগমন শুরু হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের বন্ধু সংগঠনের একজন নারী সহকর্মী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। পরশু সন্ধ্যায় মাইক্রোবাসের চাপায় প্রাণ হারালেন আমাদের আরও একজন সহকর্মী। মাইক্রোবাসটির নাম্বার আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি, যদি পুলিশ সংগ্রহ করতেও পারে, এক্ষেত্রে কী হতে পারে আমরা সেটা সহজেই কল্পনা করতে পারি। হয়ত সেই মালিকপক্ষ কিছু টাকা পয়সা দিয়ে আপোস করার প্রস্তাব দিবেন!

আমাদের সড়কপথে এই অরাজকতার অবসান হবে কবে? এই বিষয়ে আমাদের উদ্যোগ, প্রতিক্রিয়া নেই, এত নিষ্ক্রিয়তা আমাদের!

প্রতিদিন হাজারো এনজিও কর্মী সাইকেল ও মোটর সাইকেলে করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় শিক্ষা, অর্থ, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন তাঁরা। তাঁরা এমন সব এলাকায়, এমন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করেন, যেখানে বা যাদের সাথে এই কাজগুলো করতে অনেক কম মানুষকেই দেখা যায়।

দুর্ঘটনাক্রমে এমন এনজিওকর্মী মারা গেলে তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে খুব একটা বেশি কিছু করা যায় না, সীমিত সাধ্যের কারণে। কিন্তু আমাদের সরকার এই এনজিও কর্মীদের জন্য কিছু করবে না? সমাজের জন্য তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, সরকারের বীমা প্রতিষ্ঠানের আওতায় তাঁদের জন্য বীমার ব্যবস্থা করা উচিৎ, এনজিওগুলো সেই বীমার প্রিমিয়ামের অংশবিশেষের দায়িত্ব নিতে পারে। সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি এনজিওকর্মীরাও কি সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে না?

বলাবাহুল্য যে, এনজিও কর্মীদের নিরাপত্তা, সুরক্ষার বিষয়ে দাতাসংস্থা / অংশীদারদের আগ্রহ-উদ্যোগও অপ্রতুল, কিন্তু যদি দাতা সংস্থাগুলোর কেউ মারা যায় সেক্ষেত্রে তাদের ক্ষতিপূরণ হয় অনেক অনেক বেশি। সরকারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, এপেক্স সংগঠনসমূহ, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ – অবদান আশা করেন, আমরা আমাদের মতো করে অবদান রাখার/চাদা দেওয়ার চেষ্টা করি। তাই আমাদের দু:সময়েও আমরা তাদেরকে পাশে চাই। আমাদের কর্মীরা, বা আমরা দুর্ঘটনার স্বীকার হলে, আমরা অসুস্থ হয়ে গেলে, আমরা মারা গেলে আমাদের পরিবারের ভবিষ্যত কী? সরকারের কি এটা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই?

আজকের ঝলক এনজিও কথন :এনজিও কর্মীরা ভালো কাজ করেন এটি এক বাক্যে স্বীকার করবেন সবাই । কিন্তু এই এনজিও কর্মীরা প্রতিনিয়ত প...
29/09/2020

আজকের ঝলক এনজিও কথন :

এনজিও কর্মীরা ভালো কাজ করেন এটি এক বাক্যে স্বীকার করবেন সবাই । কিন্তু এই এনজিও কর্মীরা প্রতিনিয়ত প্রতিহিংসা ও অবহেলা শিকার । বলতে গেলে কোন এনজিও কর্মী পরিচয় দিয়ে বিয়ে করতেও বেগ পেতে হয় । অথচ এই পেশাটি অত্যান্ত সৎ ও মানবিক । সেবার বিচার করলে এখানের কর্মীরা নিবেদিত তাই এখন দরকার হলো এই কর্মীদের শ্রম ও সেবার স্বীকৃতি প্রদান করা ।

কিছুটা হিসেব করে দেখতে দেখতে পাওয়া যায় যে যেসকল মানুষ এনজিও করার উদ্যোগ গ্রহন করেছেন হয়তো তাদের ভাগ্যের বেশ উন্নতি হয়েছে । অনেক এনজিও মালিক/নির্বাহী প্রধান বা শেয়ার হোল্ডারগণ বেশ বহাল তবিয়াতে আরামে দিন কাটাচ্ছেন কিন্তু এখানের কর্মীদের তেমন কোন উন্নতি হয়নি । অনেক কর্মী চাকুরী শেষে জীবনজীবিকায়নে হিমশিম খাচ্ছেন । অথচ রাস্ট্রের আর্থিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকা ব্যপক । অনেক এনজিও আছেন যেখানে মানবাধিকারের কথা বলা হলেও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত । দুর্ভাগের বিষয় হলো এনজিও কর্মীদের পক্ষে কথা বলার জন্য তাদের কোন দল/প্লাটফর্ম নেই । সরকারী ভাবেও এনজিও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে খুব একটা ভাবা হয়নি কখনো ।

রেজাউল করিম চৌধুরী লিখেছিলেন; প্রতিদিন হাজারো এনজিও কর্মী সাইকেল ও মোটর সাইকেলে করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় শিক্ষা, অর্থ, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন তাঁরা। তাঁরা এমন সব এলাকায়, এমন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করেন, যেখানে বা যাদের সাথে এই কাজগুলো করতে অনেক কম মানুষকেই দেখা যায়।

দুর্ঘটনাক্রমে এমন এনজিওকর্মী মারা গেলে তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে খুব একটা বেশি কিছু করা যায় না, সীমিত সাধ্যের কারণে। কিন্তু আমাদের সরকার এই এনজিও কর্মীদের জন্য কিছু করবে না? সমাজের জন্য তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, সরকারের বীমা প্রতিষ্ঠানের আওতায় তাঁদের জন্য বীমার ব্যবস্থা করা উচিৎ, এনজিওগুলো সেই বীমার প্রিমিয়ামের অংশবিশেষের দায়িত্ব নিতে পারে। সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি এনজিওকর্মীরাও কি সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে না?

বলাবাহুল্য যে, এনজিও কর্মীদের নিরাপত্তা, সুরক্ষার বিষয়ে দাতাসংস্থা / অংশীদারদের আগ্রহ-উদ্যোগও অপ্রতুল, কিন্তু যদি দাতা সংস্থাগুলোর কেউ মারা যায় সেক্ষেত্রে তাদের ক্ষতিপূরণ হয় অনেক অনেক বেশি। সরকারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, এপেক্স সংগঠনসমূহ, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ – অবদান আশা করেন, আমরা আমাদের মতো করে অবদান রাখার/চাদা দেওয়ার চেষ্টা করি। তাই আমাদের দু:সময়েও আমরা তাদেরকে পাশে চাই। আমাদের কর্মীরা, বা আমরা দুর্ঘটনার স্বীকার হলে, আমরা অসুস্থ হয়ে গেলে, আমরা মারা গেলে আমাদের পরিবারের ভবিষ্যত কী? সরকারের কি এটা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই?

তাই সময় এখনই এনজিও কর্মীদের বীমার আওতায় আনুন । তাদের পিএফ, গ্রাউচ্যুটির নিশ্চয়তা রাস্ট্রকে দিতে হবে । রাস্ট্র চিন্তা করবে কিভাবে সেটা এনজিদের কাছ থেকে নিশ্চিত করবে । এনজিও কর্মীদের জন্য চাই স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার । সময় এসেছে এসব নিয়ে চিন্তা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, এনজিও কর্মীরা নিবেদিত তাদের মূল্যায়ন খুবই জরুরী ।

লেখক : জহিরুল ইসলাম

Address

Vober Bajar
Tajnagar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freelancer Jewel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Freelancer Jewel:

Share