Share bazzar news

Share bazzar news update news

12/12/2017

বাংলাদেশি সফটওয়্যারে আগ্রহ তিন দেশের
মো. মিন্টু হোসেন
১১ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:০৮




ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী দীননাথ দুঙ্গায়েল (ডান থেকে), মালদ্বীপের সশস্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপমন্ত্রী তারিক আলী লুথুফি ও কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা ডাইডোন কালোম্বো ।বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যারে আগ্রহ দেখিয়েছে ভুটান, মালদ্বীপ ও কঙ্গো। বাংলাদেশি সফটওয়্যার নির্মাতারা খুব ভালো কাজ করছেন বলে প্রশংসা করেছেন ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী দীননাথ দুঙ্গায়েল, মালদ্বীপের সশস্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপমন্ত্রী তারিক আলী লুথুফি ও কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা ডাইডোন কালোম্বো। বাংলাদেশি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাঁদের দেশে কাজের সুযোগ দেওয়ার আগ্রহের কথা বলেছেন। সম্প্রতি রাজধানীর দোহাটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে এসে তাঁদের আগ্রহের কথা জানান তাঁরা।

দীননাথ দুঙ্গায়েল, তারিক আলী লুথুফি ও কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা ডাইডোন কালোম্বো বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭ উপলক্ষে ঢাকায় আসেন। ৭ ডিসেম্বর মিনিস্টরিয়েল কনফারেন্সে অংশ নেন তাঁরা। ওই অনুষ্ঠানে নিজ দেশের তথ্যপ্রযুক্তির অবস্থা তুলে ধরার পাশাপাশি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন তাঁরা। ওই সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখার আগ্রহের কথা জানান ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী দীননাথ দুঙ্গায়েল। দুঙ্গায়েল বলেন, ইতিমধ্যে ভুটানের ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) নিয়ে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশের দোহাটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

৮ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে দোহাটেকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন ভুটান, মালদ্বীপ ও কঙ্গোর এ তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। দোহাটেকের অফিস পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে সন্তুষ্টির পাশাপাশি সফটওয়্যার নিয়ে আগ্রহ দেখান তাঁরা। সে দেশে বাংলাদেশি সফটওয়্যার ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করে দেখছেন বলে জানান তাঁরা।

ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী দীননাথ দুঙ্গায়েলের সঙ্গে প্রথম আলোর কথা হয় দোহাটেকের কার্যালয়ে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তিন বছর ধরে বাংলাদেশের উন্নতি লক্ষ করছি। দ্রুত এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে। এ দেশের জনগণের বেশির ভাগই তরুণ। তাদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে সম্ভাবনা বেশি। ভুটানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। কারণ এখানে আছে দূরদর্শীসম্পন্ন নেতৃত্ব ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। ধীরে ধীরে এখানে অবকাঠামো গড়ে উঠছে। ভুটান বাংলাদেশকে অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরও উন্নত ও স্মার্ট হবে।’ দীননাথ দুঙ্গায়েল বলেন, ভুটানে বাংলাদেশের কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে। এখনো সবুজ প্রযুক্তি (গ্রিনটেক), কৃষিপ্রযুক্তিসহ (এগ্রোটেক) নানা ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে।

02/12/2016

দেশের প্রথম 'বাস
র্যাপিড ট্রানজিট'
নির্মাণে চুক্তি
ঢাকা মহানগরী ও গাজীপুরের মধ্যে
যাতায়াত দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ করতে
নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম বাস
র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি)।
প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এ রুট
নির্মাণের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার
নগরীর একটি হোটেলে
চীনের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে চুক্তি করেছে সড়ক পরিবহন ও
মহাসড়ক বিভাগ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল
হক, সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল।
চীনের গেজহুবা গ্রুপ ৮৫৫ কোটি
৩৭ লাখ টাকায় ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার
দৈর্ঘ্যের এ প্রকল্পের জন্য ১৬
কিলোমিটার বিআরটি লেইন, ৩২
কিলোমিটার ফুটপাত ও ধীরগতির যানবাহন
চলাচলের জন্য আলাদা লেইন নির্মাণ
করে দেবে।
আগামী ৩০ মাসের মধ্যে এ নির্মাণ
কাজ শেষে উভয় দিক থেকে ঘণ্টায়
২৫ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে
বলে আশা করছে সরকার।

19/11/2016

রাস্তা কেটে
রাস্তা তৈরির
অত্যাধুনিক যন্ত্র
এনেছে সাঈদ
খোকন
প্রকাশঃ নভেম্বরে ১৯,
২০১৬
বিডিমর্নিং ডেস্ক-
রাস্তাঘাট নির্মাণে
আধুনিকায়নের অংশ
হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশন চালু
করেছে ‘কোল্ড
রিসাইক্লিং অ্যাসফল্ট
প্ল্যান্ট’ ও ‘কোল্ড মিলিং
মেশিন’।
শনিবার রাজধানীর
পলাশী এলাকায় এ
যন্ত্রের সাহায্যে সড়ক
উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের মেয়র সাঈদ
খোকন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাঈদ
খোকন বলেন, এ যন্ত্রের
সাহায্যে রাস্তাঘাটের
উন্নয়নকাজের খরচ ৪০
থেকে ৪৫ ভাগ কমে
যাযন্বেত্র। এটি সড়ক
নির্মাণের একটি
অত্যাধুনিক পদ্ধতি।
“যে রাস্তাটি বানাতে ১
কোটি টাকা লাগতো,
সেটি সর্বোচ্চ ৬০ লাখ
টাকায় আমরা বানাতে
পারব। এখানে আমাদের
একটা হিউজ কস্ট সেভ
হচ্ছে।”
বছরের পর বছর ধরে সড়কের
উন্নয়নকাজ করার ফলে
সড়কের উচ্চতা আস্তে
আস্তে বেড়ে যায়। পাশে
যে বাড়িঘর থাকে বৃষ্টির
পানি সেসব বাড়িতে ঢুকে
পড়ে।
এ পদ্ধতিতে রাস্তা কেটে
নতুন করে দেওয়া হবে বলে
সড়কের উচ্চতা বাড়বে না
বলে জানান মেয়র।
‘কোল্ড রি-সাইক্লিং
অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট’ থেকে
কোনো কার্বন নিঃসরণ
হবে না। এটি থেকে
কোনো ধুলোবালি ও
ধোঁয়া নির্গত হবে না
বলেও দাবি করেন মেয়র।
“এটি কার্বন ইমিশন প্রায়
৯০ ভাগ রিডিউস করে।
একারণে এটা
পরিবেশবান্ধব।”
বাংলাদেশে সড়ক
নির্মাণে এ ধরনের যন্ত্র
এটিই প্রথম জানিয়ে সাঈদ
খোকন বলেন, অন্য সিটি
করপোরেশন বা সড়ক
নির্মাণে যুক্ত সরকারি
সংস্থা তাদের এ প্ল্যান্ট
ব্যবহার কররতে চাইলে
সহযোগিতা করবেন তারা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশন জানায়,
ক্যাটারপিলার ব্র্যান্ডের
কোল্ড মিলিং মেশিনটি
ইতালিতে তৈরি। এটি
প্রায় ১৩ ইঞ্চি গভীর এবং
প্রায় ৭ ফুট অ্যাসফল্টের
আস্তরণ কাটতে পারে।
প্রতি ঘণ্টায় কাটতে পারে
৭ হাজার ৫০০ ফুট রাস্তা।
স্বয়ংক্রিয় কোল্ড রি-
সাইক্লিং অ্যাসফল্ট
প্ল্যান্ট তৈরি করেছে
দক্ষিণ কোরিয়ার
ডিএমআই কোম্পানি। এটি
ঘণ্টায় ১২০ টন অ্যাসফল্ট
তৈরি করতে সক্ষম বলে
জানান সিটি
করপোরেশনের
কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, এ যন্ত্রের
সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত বা
উঁচু হয়ে যাওয়া সড়ক কাটা
হবে। কেটে নেয়া সড়কের
এ উপাদানগুলো রি-
সাইক্লিং প্ল্যান্টে
নিয়ে সেগুলো পুনরায়
ব্যবহার উপযোগী করা
হবে। এর ফলে সড়ক থেকে
তুলে নেওয়া উপকরণগুলোর
৪০ শতাংশ ব্যবহার করা
যাবে।
এ পদ্ধতিতে ১
কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ১২
ফুট প্রশস্ত একটি সড়কের
পুরাতন কার্পেটিং তুলে
নতুনভাবে কার্পেটিংয়ে
সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা সময়
লাগবে বলে জানান
কর্মকর্তারা।

19/11/2016

তাঁরা থাকেন টিনের
পাঁচতলাতে
আসাদুজ্জামান | ১৮ নভেম্বর
২০১৬, ২২:৪৭
মধ্যরাতে যখন মালবাহী ট্রাক
রাস্তা দিয়ে যায়, তখন পাঁচতলা
টিনের বাড়ি দুলতে থাকে।
জোরে বাতাস বইলে মনে হয়,
ভেঙেই পড়বে। তারপরও তিনি ওই
বাড়ি ছাড়তে পারেননি। বাড়ি
বেশি দুলতে থাকলে নেমে
রাস্তায় চলে যান।
এই বর্ণনা রাবেয়া বেগমের
(ছদ্মনাম)। রাজধানীর
চকবাজারের কামালবাগে
অবস্থিত টিনের পাঁচতলা বাড়ির
একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকেন
রাবেয়া। ওই এলাকায় রাবেয়ার
মতো কয়েক শ লোকের বাস এ
ধরনের ৪০ থেকে ৫০টি টিনের
বাড়িতে।
রাবেয়া বলেন, সব সময় ভয়ে ভয়ে
থাকেন। জানেন যেকোনো
সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তারপরও থাকেন। কারণ
আয়রোজগার কম। ছোট্ট একটি
কক্ষের ভাড়া দেন চার হাজার
টাকা। রাবেয়া জানালেন,
বাড়িটি ইট-পাথরের তৈরি নয়।
টিনের তৈরি, টিনের চাল,
টিনের ছাদ। দেয়ালও টিনের।
তাঁর মতো আরও অন্তত দেড় শ
লোক ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর
ওই বাড়িতে থাকছেন। কারণ,
ভাড়া তুলনামূলক কম।
টিনের এই বাড়িগুলো
যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড়
ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে
আশঙ্কা স্থানীয় ওয়ার্ড
কাউন্সিলর মো. হাসানের।
প্রথম আলোকে তিনি বলেন,
কামালবাগ এলাকায় টিনের
অনেক বাড়ি আছে। ঝুঁকি নিয়ে
বহু মানুষ সেখানে থাকছে। চার-
পাঁচতলা টিনের এসব বাড়ি
পুরোপুরি অবৈধ।
সরেজমিনে চকবাজারের
কামালবাগ এলাকা থেকে
মুসলিমবাগ পর্যন্ত প্রায় এক
কিলোমিটার এলাকাজুড়ে
টিনের তৈরি এ ধরনের বাড়ি
দেখা যায়। তিনতলা থেকে
পাঁচতলা পর্যন্ত এসব বাড়ি করা
হয়েছে। লোহার রড খুঁটি
হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
বাঁশও ব্যবহার করা হয়েছে খুঁটি
হিসেবে। টিন দিয়ে তৈরি করা
হয়েছে ছাদ।
টিনের চারতলা বাড়িতে বাস
করেন আবদুর রহিম (ছদ্মনাম)।
তিনি বললেন, টিন দিয়ে ছাদ
বানানো হয়েছে। টিনের ওপর
ঢালাই দেওয়া হয়েছে। দেখে
বোঝার উপায় নেই, ঢালাইয়ের
নিচে টিন। লোহার সিঁড়ি
ব্যবহার করে পাঁচতলায় ওঠা–
নামা করতে হয়। ওই বাড়িতে
বসবাসকারী নাবিলা আক্তার
(ছদ্মনাম) বললেন, ছোট্ট একটা
রুম। ভাড়া দেন চার হাজার
টাকা। তাঁর মতো আরও ৩৫টি
পরিবার ওই ভবনে বসবাস করছে।
এক হিসেবে দেখা যায়, টিনের
তৈরি এসব বাড়ি থেকে প্রতি
মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকা
আয় করছেন এসব বাড়ির মালিক।
টিনের তৈরি একটি বাড়ির
মালিক আবদুর রহমান বললেন,
অনেক আগে থেকে এসব টিনের
ঘরে লোকজন বসবাস করছে।
কোনো দুর্ঘটনা হয়নি।
তবে চকবাজার থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীমুর
রশীদ তালুকদার প্রথম আলোকে
বলেন, কামালবাগ ও মুসলিমবাগে
টিনের তৈরি অনেক বাড়ি আছে,
তা তিনি জানেন। বাড়ি ধসে
যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে
পারে। এলাকার
জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বিষয়টি
নিয়ে আলোচনা করে শিগগিরই
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

19/11/2016

কম্পিউটার প্রতিদিন
কর্মীদের গুগল কেন
বিনা পয়সায় খাওয়ায়?
১৯ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০৬
কর্মপরিবেশের বিচারে গুগল
বিশ্বের সেরা কর্মস্থলের
স্বীকৃতি পেয়েছে একাধিকবার।
এর পেছনে অনেক কারণ আছে।
মনোরম পরিবেশ, ছিমছাম, যা
খুশি তা–ই করো, চাইলে ঘুমাও
ইত্যাদি ইত্যাদি। সবচেয়ে
বিখ্যাত কারণটা বোধ হয়
কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যের
খাবার—যা ইচ্ছা, যত ইচ্ছা খাও।
প্রত্যেক কর্মীর ২০০ ফুটের মধ্যে
পর্যাপ্ত খাবারের সরবরাহ
নিশ্চিত করা হয় বলে প্রচলিত
আছে। প্রশ্ন হলো, কর্মীদের জন্য
২৪ ঘণ্টা বিনা মূল্যে খাবারের
ব্যবস্থা থাকে কেন?
ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে গত বুধবার গুগলের
মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট
ইনকরপোরেটেডের নির্বাহী
চেয়ারম্যান এরিক স্মিট কারণটি
জানিয়েছেন। ধারণাটি প্রথম
অ্যালফাবেটের প্রেসিডেন্ট
সের্গেই ব্রিনের মাথায় আসে।
একসঙ্গে খাবার সাধারণত
পরিবারের সঙ্গে ঘরে বসে
খাওয়া হয়। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত
খাবার রাখার পেছনে ঠিক একই
কারণ। সের্গেই চেয়েছিলেন,
কর্মীরা যেন কর্মস্থলে
সহকর্মীদের নিয়ে এক
পরিবারের মতো কাজ করেন, তাই
এই ব্যবস্থা। এরিকের মতে, এই
একটি পরিবর্তন কর্মপরিবেশ
আমূল বদলে দিয়েছে।
তাই বলে নিজের ঘর মনে করলে
চলবে না— মজা করে বলেন
এরিক। কাজের জায়গায় তুমি যা
ইচ্ছা করো, চাইলে ঘুমাতেও
পারো, কেউ বাধা দেবে না।
তবে বসবাসের অন্য একটা
জায়গা থাকতে হবে।
কর্মক্ষেত্রে গুগলের ড্রেস কোড
বা পোশাকবিধি কী? এরিক
বলেন, প্রচলিত ধারণা যা-ই হোক,
আমাদের কিন্তু ড্রেস কোড
আছে। আর তা হলো, কিছু একটা
অন্তত পরতে হবে!

সর্বোচ্চ ৫২টাকায়খতিয়ান!ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রথেকে অনলাইনে দেওয়াহচ্ছে জমির পর্চা ওখতিয়ান। ছবি : এটুআইইউনিয়ন পরিষদ থেকেজম...
18/11/2016

সর্বোচ্চ ৫২
টাকায়
খতিয়ান!
ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র
থেকে অনলাইনে দেওয়া
হচ্ছে জমির পর্চা ও
খতিয়ান। ছবি : এটুআই
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে
জমির পর্চা হাতে
হাসিমুখে বেরিয়ে এলেন
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ
উপজেলার ঝাঔল
ইউনিয়নের রাবেয়া বেগম।
খুশির কারণ কী?
জিজ্ঞেস করতে
জানালেন, এই জমির পর্চা
সংগ্রহ করার জন্য তাঁর
স্বামী অটো চালানো
বাদ দিয়ে ২৫
কিলোমিটার দূরের জেলা
প্রশাসনে গিয়ে কয়েক
দিন নিয়মিত ধরনা দিয়েও
ব্যর্থ হয়েছেন। এরপর তিনি
স্থানীয় স্কুলশিক্ষকের
কাছে জানতে পারেন
পর্চা নাকি এখন তাঁদের
ইউনিয়ন পরিষদেই পাওয়া
যাচ্ছে। খবরটি অবিশ্বাস্য
ঠেকলেও পরখ করতে
এসেছিলেন সপ্তাহখানেক
আগে। এসে জানতে
পারেন, খবরটি সত্য।
সেদিনই আবেদন
করেছিলেন। সপ্তাহ না
ঘুরতেই সরবরাহ করা
হয়েছে সেটি। কাঙ্ক্ষিত
সেই পর্চা হাতে পেয়েই
রাবেয়া বেগম এত খুশি।
রাবেয়া খাতুনের মতো গত
কয়েক মাসে দেশের
তিনটি জেলার ইউনিয়ন
ডিজিটাল সেন্টার থেকে
৫৭ হাজার পর্চা পেয়েছে
আবেদনকারীরা। এ সবই
সম্ভব হয়েছে সরকারের
ডিজিটাল-ল্যান্ড রেকর্ড
সার্ভিস (ডিএলআরএস)
চালুর ফলে।
পর্চা কী?
সরকারিভাবে জরিপ করা
জমিজমার বিবরণসংবলিত
সরকারি দলিলই 'খতিয়ান'।
এই খতিয়ানে থাকে
মৌজার দাগ অনুসারে
ভূমির মালিকের নাম,
বাবার নাম, ঠিকানা,
মালিকানার বিবরণ, জমির
বিবরণ, মৌজা নম্বর,
মৌজার ক্রমিক নম্বর
(জেএল নম্বর), সীমানা,
জমি শ্রেণি দখলকারীর
নাম, অংশ প্রভৃতির হিসাব।
আর এই খতিয়ানের
অনুলিপিকেই বলে 'পর্চা'।
পর্চার প্রয়োজনীয়তা
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল এই
পর্চা। জমি কেনার সময়
ক্রেতাকে অবশ্যই
জরিপের মাধ্যমে প্রণীত
খতিয়ান ও নকশা যাচাই
করতে হয়। এর সাহায্যে
জমির মৌজা, খতিয়ান ও
দাগ নম্বর, দাগে জমির
পরিমাণ জানা সম্ভব। শুধু
জমি কেনাবেচাই নয়, জমি
রক্ষণাবেক্ষণ এবং দখলে
রাখার ক্ষেত্রেও পর্চার
বেশ গুরুত্ব রয়েছে। পর্চায়
কোনো রকম সমস্যা
থাকলে
মালিকানাসংক্রান্ত,
জমি কেনাবেচা কাজে
বাধা তৈরি হয়। তাই
পর্চায় কোনো সমস্যা
থাকলে দ্রুত সমাধান করা
প্রয়োজন। মালিকানা
নির্ধারণে এর গুরুত্ব
সবচেয়ে বেশি।
ডিজিটাল-পর্চা
আগে জমির পর্চা তুলতে
সবাইকে জেলা সদরের
রেকর্ড রুম (জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে
অবস্থিত জমিসংক্রান্ত
তথ্য ভাণ্ডার) থেকে
আবেদন করতে হতো। হাতে
লেখা পর্চা তুলতে সময়
লেগে যেত ২০ থেকে ২৫
দিন পর্যন্ত। অল্প দিনে
পর্চা বের করে দেওয়ার
নামে ছিল দালাল বা
মধ্যস্বত্বভোগীদের
দৌরাত্ম্যও। তারা
সাধারণ মানুষের কাছ
থেকে টাকা হাতিয়ে
নিত। এসব ভোগান্তি
থেকে রেহাই দিতে ২০১১
সালে যশোরের তৎকালীন
জেলা প্রশাসক
মোস্তাফিজুর রহমান
অনলাইনে আবেদনের
মাধ্যমে জমির পর্চা
সরবরাহ করার উদ্যোগ
নেন। পরে একই বছরের
নভেম্বর মাসে দেশের
বাকি ৬৩টি জেলায়
কাউন্টার, সার্ভার রুম
সেটআপের মাধ্যমে
অনলাইনে জমির পর্চা
দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া
হয়। তবে সে ক্ষেত্রেও
আবেদনকারীকে জেলা
সদরে যেতে হতো।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের একসেস টু
ইনফরমেশন (এটুআই)
প্রোগ্রামের আইটি
ব্যবস্থাপক ফরহাদ জাহিদ
শেখ জানান, ২০১২ সালে
ইউনিয়ন পরিষদের
ডিজিটাল সেন্টার থেকে
একইভাবে জমির পর্চা
দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
সারা দেশ থেকে
গ্রাহকদের মতামতের
ভিত্তিতে ২০১৩ সালে
'পাইলট প্রকল্প' হিসেবে
সিরাজগঞ্জের ৩০টি
ইউনিয়ন ডিজিটাল
সেন্টার (ইউডিসি) থেকে
ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড
সার্ভিস (ডিএলআরএস)
সিস্টেম চালু করা হয়।
আশানুরূপ সাড়া পাওয়ায়
পরে রংপুর ও কুড়িগ্রামের
সব ইউডিসিতে এই সিস্টেম
চালু করা হয়েছে। গত
কয়েক মাসে এসব ইউআইসি
থেকে প্রায় ৫৭ হাজার ই-
পর্চা সরবরাহ করা হয়েছে।
অনলাইন প্রক্রিয়া
বর্তমানে সাধারণত
তিনভাবে জমির খতিয়ান
তোলা যায়। এগুলো হলো-
জেলা ই-সেবাকেন্দ্র,
ইউনিয়ন ডিজিটাল
সেন্টার এবং জেলা ওয়েব
পোর্টাল। প্রথমত, জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ের
জেলা ই-সেবাকেন্দ্রের
মাধ্যমে ওয়ানস্টপ
সার্ভিসে জমির খতিয়ান
তোলা যায়। দ্বিতীয়ত,
দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন
পরিষদে অবস্থিত ইউডিসি
থেকেও খতিয়ান তোলার
জন্য আবেদন করা যায়। এ
ক্ষেত্রে ইউডিসি
উদ্যোক্তারা সরকার
নির্ধারিত কোর্ট ফি
ছাড়াও জেলা প্রশাসন
থেকে নির্ধারিত হারে
সেবা চার্জ (প্রসেসিং
ফি) গ্রহণ করেন। আর
জেলা তথ্য বাতায়নে
সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েব
পোর্টালের মাধ্যমে
কারো সহযোগিতা ছাড়াই
ঘরে বসে নির্ধারিত ফরমে
আবেদন করা যায়। এ জন্য
প্রথমে
www.bangladesh.gov.bd
ঠিকানায় নির্দিষ্ট
জেলার ওয়েবসাইটে
প্রবেশ করে 'নকলের জন্য
আবেদন'-এ ক্লিক করে ফরম
পূরণ করতে হবে।
খতিয়ানের জন্য নিজে
অনলাইনে আবেদন করলে
প্রয়োজন হবে জেলা
প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত
ফি (৩১ থেকে ৫২ টাকা)।
আর ডিজিটাল সেন্টারের
মাধ্যমে ফরম পূরণ করে
আবেদন করলে কোর্ট ফি
ছাড়া ডেলিভারি চার্জ
দেওয়া লাগবে। অনলাইনে
আবেদন করা জমির
খতিয়ান ডাকযোগেও
পাওয়া সম্ভব। এ জন্য
অনলাইনে নির্ধারিত
ফরমে প্রয়োজনীয়
তথ্যগুলো যেমন নাম,
জাতীয় আইডি, বর্তমান
ঠিকানা, মোবাইল,
টেলিফোন নম্বর, নকলের
ধরন যেমন জরুরি নাকি
সাধারণ, উপজেলা,
মৌজা, জেএল নম্বর,
খতিয়ান নম্বর, খতিয়ানটি
জেলা সেবাকেন্দ্র থেকে
নাকি ডাকযোগে, কোর্ট
ফি জেলাসেবাকেন্দ্রে
নাকি ডাকযোগে প্রেরণ
করবেন সেটি উল্লেখ
করতে হয়। এসব তথ্য পূরণ
করে নিচের দিকে 'দাখিল
করুন' বাটনে ক্লিক করতে
হয়। এরপর আবেদনকারীর
মোবাইলে এসএমএস আসবে,
যা ডিজিটাল রসিদ
হিসেবে বিবেচিত হবে।
এরপর রসিদের নম্বর
অনুযায়ী কোর্ট ফি
ডাকযোগে জেলা ই-
সেবাকেন্দ্রে জমা দিতে
হয়। এ ক্ষেত্রে খামের
ওপর জেলা ই-সেবাকেন্দ্র,
জেলা প্রশাসকের
কার্যালয় ও তার নিচে
সংশ্লিষ্ট জেলার নাম
উল্লেখ করতে হয়।
আশার কথা হচ্ছে,
বর্তমানে সিরাজগঞ্জ,
রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলায়
অনলাইনের মাধ্যমে কোর্ট
ফি প্রদানের ব্যবস্থা করা
হয়েছে। ফলে
আবেদনকারীদের
আলাদাভাবে কোর্ট ফি
কেনার প্রয়োজন হয় না।
আবেদনকারী আবেদনের
সর্বশেষ অবস্থা এসএমএস
কিংবা অনলাইনের
মাধ্যমে জানতে পারবেন।
এ ছাড়া নিজ ইউনিয়নে
ডিজিটাল সেন্টারে
গিয়ে জেলা প্রশাসক
কর্তৃক নির্ধারিত কোর্ট
ফি ও ডেলিভারি চার্জ
প্রদানের মাধ্যমে আবেদন
করা সম্ভব।
আবেদনের পর
খতিয়ানের (পর্চা/নকল)
আবেদনের পর জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ের
সংশ্লিষ্ট রেকর্ড রুমের
কর্মকর্তারা কয়েক ধাপে
কাজ সম্পন্ন করেন।
আবেদন পাওয়ার পর অফিস
সহকারী (প্রাথমিক
বাছাইকারী) আবেদন
যাচাই-বাছাই করেন এবং
মৌজা বা
উপজেলাভিত্তিক শর্টিং
করেন। শর্টিং করার পর
সহকারী মৌজার বই
সংগ্রহ করেন। অতঃপর
মৌজার বই থেকে
আবেদন করা খতিয়ানের
মূল তথ্য এন্ট্রি করা হয়।
এরপর যাচাইকারীরা
যাচাই-বাছাই করে
তুলনাকারীর কাছে
পাঠান। তুলনাকারী
রেকর্ডটি তুলনা করে
চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য
সহকারী কমিশনারের
(রেকর্ড রুম) কাছে পাঠান।
সহকারী কমিশনারের
চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই
আবেদনকারীকে
নির্ধারিত খতিয়ান
দেওয়া হয়। প্রথম দিকে
সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষর
দেওয়া না হলেও এখন ই-
পর্চাতে ডিজিটাল
স্বাক্ষর দেওয়া হয়। ফলে
এটির নির্ভরযোগ্যতা
তৈরি হয়েছে।
কমছে দুর্নীতি
ইউনিয়ন ডিজিটাল
সেন্টার (ইউডিসি) থেকে
অনলাইনে জমির পর্চা ও
খতিয়ান গ্রহণ চালু করায়
এই সেবা প্রদানে
মধ্যস্বত্বভোগী দালাল
শ্রেণির দৌরাত্ম্য ও
প্রশাসনের এক শ্রেণির
কর্মকর্তা-কর্মচারীর
দুর্নীতি কমেছে। আগে
খতিয়ান বা পর্চা গ্রহণ
করতে গেলে কয়েক দিন
জেলা রেকর্ড রুমে ধরনা
দিতে হতো। ছিল টাকা-
পয়সার অবৈধ লেনদেন।
এখন আর সেই সুযোগ নেই।
সরকার নিকটস্থ ইউডিসি
বা ডাকযোগে খতিয়ান,
পর্চার জন্য আবেদন
গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করায়
মধ্যস্বত্বভোগীরা এখন আর
সেই সুযোগ পাচ্ছে না।
ফলে নির্ধারিত ফির
বিনিময়ে ঘরে বসেই
নিজের খতিয়ান, পর্চা
গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে।
ফলে সাধারণ জনগণের
কাছে সরকারের এই সেবা
বেশ সাড়া ফেলেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ভূমি মন্ত্রণালয়, জেলা
প্রশাসন ও সরকারের
এক্সেস টু ইনফরমেশন
(এটুআই) প্রোগ্রামের
যৌথ উদ্যোগে ৬৪ জেলার
রেকর্ডরুমের সব রেকর্ড
এসএ, সিএস, বিআরএস ও
খতিয়ান কপি
ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে।
আনুমানিক ২০১৭ সালের
মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন হবে।
সহযোগিতায় রয়েছে
এটুআই। এতে প্রায় সাড়ে
চার কোটি খতিয়ান
রেকর্ড ডিজিটালাইজ
হবে। আর এই প্রকল্পের ব্যয়
ধরা হয়েছে আনুমানিক ৯২
কোটি টাকা। ভূমি
মন্ত্রণালয় থেকে এ
প্রকল্পের জন্য অর্থও
বরাদ্দ করা হয়েছে।
কারিগরি সহায়তা করছে
এটুআই। ইতিমধ্যে দেশের
সবকটি জেলা প্রশাসনে
প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ
দেওয়া হয়েছে।
২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত
আনুমানিক ১৮ লাখ
ডিজিটাল পর্চা প্রদান
করা হয়েছে। এসব রেকর্ড
স্বয়ংক্রিয়ভাবে
অনলাইনে সংরক্ষিত
হওয়ায় হারানো বা
নষ্টেরও ভয় নেই।

The National Web Portal of Bangladesh (বাংলাদেশ) is the single window of all information and services for citizens and other stakeholders. Here the citizens can find all initiatives, achievements, investments, trade and business, policies, announcements, publications, statistics and others facts

18/11/2016

কেরানীগঞ্জে
দুদকের ফাঁদে
ভূমি অফিসের
সার্ভোয়ার
কেরানীগঞ্জ উপজেলা
ভূমি অফিসের দক্ষিন
কেরানীগঞ্জ রাজস্ব
সার্কেলের সার্ভেয়ার
মোশারফ হোসেনকে আটক
করেছে দুর্নীতি দমন
কমিশন (দুদক)। তাকে আটক
করতে ফাঁদ পাতে দুদক
কর্মকর্তারা। এসময় তার
কাছ থেকে ঘুষের টাকাও
উদ্ধার করা হয়। গতকাল
বৃহস্পতিবার বিকেলে
নামজারী করতে আসা এক
নারীর কাছ থেকে ৫
হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার
সময় তাকে হাতেনাতে
আটক করা হয়।
জানা যায়, এক নারী
নামজারী করার জন্য
মোশারফ হোসেনের
কাছে গেলে তিনি মোটা
অংকের টাকা ঘুষ দাবি
করেন। পরে ৫ হাজার
টাকা রফা হয়। ভুক্তভোগী
ঐ নারী এ বিষয়ে দুদকে
একটি অভিযোগ দায়ের
করেন। পরে বৃহস্পতিবার
বিকেলে ঐ নারীকে
দিয়ে ফাঁদ পাতে দুদক। সে
অনুযায়ী কেরানীগঞ্জ
উপজেলা পরিষদের
ক্যান্টিনে ঘুষের টাকা
নিয়ে হাজির হন ওই নারী।
তখন ক্যান্টিনের
আশপাশে অবস্থান নেন
দুদক টিমের সদস্যরা। পরে
টাকা নেয়ার সময় আটক
করা হয় মোশারফ
হোসেনকে।
অভিযানে উপস্থিত
ছিলেন দুদক ঢাকা
বিভাগীয় কার্যালয়ের
পরিচালক নাসিম
আনোয়ার, সহকারি
পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
দুদকের এক কর্মকর্তা
জানান, মোশারফ
হোসেনকে দুদক
কার্যালয়ে নিয়ে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এরপর মামলা দায়ের করে
পুলিশের কাছে হস্তান্তর
করা হবে।
এব্যাপারে সহকারী
কমিশনার (ভূমি) দক্ষিণ
কেরানীগঞ্জ সার্কেল
অঞ্জন কুমার সরকার
ঘটনার সত্যতা স্বীকার
করেন।

02/11/2016

জাতীয় যুব দিবস ২০১৬ কবিতা
রচনাঃ ডাঃ শফিকুল আলম।
১-১১-২০১৬ ইং
(নিজের লেখা কবিতটা আবৃতি করলাম)
@@@@@@@@@@@@@@@@@
দিন বদলের আহবান
যুব কর্ম সংস্থান।
যতই হোক ক্লেশ
যুবরাই গড়বে দেশ।
যুবই সম্পদ
যুবই ভবিষ্যত।
যুবরাই লড়বে
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে।
যুবদের দরকার সঠিক শিক্ষা
সাথে চাই ধর্মীয় দীক্ষা।
ধর্ম নেই যেখানে
শান্তি নেই সেখানে।
শিক্ষিত যুবদের দরকার
থাকবে না দেশে হাহাকার।
দেশ যদি গড়তে চাও
যুবদেরই সাথে নাও।

02/11/2016

পেয়ারা গাছে অসময়ে
ফলধারণের পদ্ধতি
কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ: পেয়ারা
অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ
ফল। বাংলাদেশের সর্বত্রই কম বেশি এ
ফল জন্মে থাকে। প্রাথমিকভাবে
পেয়ারার বাণিজ্যিক চাষাবাদ পিরোজপুর,
চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসব জেলায় কিছু
কিছু এলাকায় চাষ হয়। বর্তমানে পেয়ারার
কতগুলো উন্নতজাত ও নতুন নতুন
প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে
পেয়ারা চাষে কৃষক উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
এখন সারা দেশেই এ ফলের বাণিজ্যিক
চাষাবাদ হচ্ছে।
বহুবিধ গুণাগুণের সমন্বয়ের জন্য
পেয়ারাকে নিরক্ষীয় এলাকার আপেল
বলা হয়। মুচমুচ করে টাটকা পেয়ারা
খাওয়ার মজাই অন্যরকম। তাছাড়া
প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে জ্যাম,
জেলি, জুস এসব তৈরি করেও পেয়ারা
খাওয়া যায়। আমাদের দেশে বেশ
কয়েকটি উন্নত জাতের পেয়ারা
যেমন কাজী পেয়ারা, বারি পেয়ারা-২,
বারি পেয়ারা-৩ (লাল শাঁস বিশিষ্ট), বাউ
পেয়ারা-১ থেকে বাউ পেয়ারা-৯
পর্যন্ত, ইপসা পেয়ারা পাওয়া যায়।
স্থানীয় জাতের মধ্যে স্বরূপকাঠি,
কাঞ্চননগর ও মুকুন্দপুরী অতি জনপ্রিয়
জাত। সাম্প্রতিক সময়ে থাই পেয়ারা
চাষে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা
যাচ্ছে।
পেয়ারা গাছের বৈশিষ্ট্য
পেয়ারা খেতে খুবই সুস্বাদু, মুচমুচে
ও সুমিষ্ট। পেয়ারাকে ভিটামিন সি এর ব্যাংক
বলা যায়। পেয়ারা গাছ মাঝারি আকারের শাখা
প্রশাখা বিশিষ্ট আকৃতির হয়ে থাকে।
শীতের সময় পাতা ঝরে পড়ে।
বসন্তের শেষের দিকে পেয়ারা
গাছে নতুন পাতা ও ডগা আসে। সাধারণত
বর্ষা ও শীত ঋতুতে গাছে পেয়ারা
হয়। তবে শীত অপেক্ষা বর্ষাকালে
ফলন একটু বেশি হয়।
বর্ষাকালে জলীয়ভাব বেশি থাকায়
ফলের মিষ্টতা ও অন্যান্য গুণাগুণ
শীতকালের ফলের থেকে
অনেকাংশেই কম থাকে। তাছাড়া
জলীয়ভাব বেশি থাকায় পাকা ফল তাড়াতাড়ি
নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে দাম থাকে
কম। পরীক্ষা করে দেখা গেছে,
সব জাতের পেয়ারার গুণাগুণ
শীতকালে বেড়ে যায়, রোগ ও
পোকার আক্রমণও কম থাকে।
ফলের আকৃতি এবং রঙ সবদিক থেকেই
সুন্দর হওয়ায় এ সময়ে পেয়ারার দামও
থাকে বেশি। এসব দিক বিবেচনায়
রেখেই বর্ষাকাল বাদে কিভাবে
অন্যান্য ঋতুতে অত্যাধিক হারে উৎপাদন
বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে গবেষণা শুরু
হয়। অত্যন্ত আশার কথা যে, গবেষকরা
আজ এ ব্যাপারে সার্থক হয়েছেন।
পেয়ারা গাছে অসময়ে ফলধারণ এখন
খুব সহজেই সম্ভব হয়।
পেয়ারা গাছে অসময়ে ফলধারণের
পদ্ধতিগুলো
বর্তমানে পেয়ারা গাছে বছরব্যাপী
ফল উৎপাদনের জন্য কৃষি বিজ্ঞানীরা
বেশ কয়েকটি পদ্ধতি আবিষ্কার
করেছেন। সেগুলো হলো শিকড়
উন্মুক্তকরণ পদ্ধতি, হরমোন জাতীয়
পদার্থ প্রয়োগ পদ্ধতি ও শাখা-প্রশাখা
বাঁকানো পদ্ধতি।
ক. শিকড় উন্মুক্তকরণ পদ্ধতি
পেয়ারা গাছের গোড়ার মাটি তুলে বা
আলগা করে দিতে হবে। মাটি তুলে
গাছের শিকড়গুলো বের করে নাড়াচাড়া
দিতে হবে। গাছের গোড়া থেকে
০১ থেকে ১.৫ মিটার (পেয়ারা গাছের
ক্যানপি) পর্যন্ত মাটি কোদাল, শাবল বা
নিড়ানি দ্বারা খুব ভালোভাবে সাবধানতার
সাথে মাটি উন্মুক্ত করে দিতে হবে।
মাটি তুলে দেয়ার সময় খেয়াল রাখতে
হবে, গাছের শিকড়গুলো কেটে না
যায়।
বিশেষ করে গাছের আসল মূল (টেপ
রুট) কাটা ও উৎপাটন করা যাবে না। গাছ
নাড়ানো যাবে না। সাধারণত যে
কোনো বয়সের পেয়ারা গাছে এ
প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়। গোড়ার মাটি
উন্মুক্ত করার কমপক্ষে ১০ থেকে
১৫ দিন পর পরিচর্যা করতে হবে।
পরিচর্যাকালে পরিমাণমতো সার ও সেচ
ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ
পদ্ধতিতে গাছের পাতা লাল হয়ে ঝড়ে
যেতে পারে। আমাদের দেশে
এপ্রিল-মে মাসে পেয়ারা গাছে শিকড়
উন্মুক্ত করতে হয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহার
করলে পেয়ারা গাছে ডিসেম্বর-জানুয়ারি
মাসে ফলধারণ করে।
খ. হরমোন জাতীয় পদার্থ
প্রয়োগ পদ্ধতি
সাধারণত ২ থেকে ৫ বছর বিশিষ্ট
পেয়ারা গাছে হরমোন প্রয়োগ
করতে হয়। এপ্রিল-মে মাসে
হরমোন প্রয়োগ করার উৎকৃষ্ট সময়।
এ সময়ে হরমোন জাতীয় পদার্থ
হিসেবে ২,৪-ডি; ন্যাপথালিন এসিটিক এসিড
(এনএএ), ১০% ইউরিয়ার দ্রবণ এসব
রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। স্প্রে
মেশিন বা ফুটপাম্প দিয়ে খুব ভালো
করে পেয়ারা গাছের পাতা ভিজিয়ে
দিতে হবে। কয়েক দিনের মধ্যেই
গাছের পাতা লালচে হয়ে ঝড়ে
যেতে পারে। পরবর্তীতে গাছে
সঠিক পরিচর্যা নিলে নতুন পাতা জন্মাবে
এবং অসময়ে ফলধারণ হবে।
গ. শাখা-প্রশাখা বাঁকানো পদ্ধতি
শাখা-প্রশাখা বাঁকানো পদ্ধতি সম্পূর্ণ নতুন
প্রযুক্তি। পেঁয়ারার ডাল বাঁকালেই প্রায়
দশগুণ বেশি ফলন হয়। তাছাড়া একই
প্রযুক্তিতে বছরের বার মাসই ফল
ধরানো সম্ভব হয়। ফলের মৌসুমে
গাছের ফুল ছিঁড়ে দিয়ে এ প্রক্রিয়াকে
আরও প্রভাবিত করা যায়, যার ফলে সারা
বছরই ফলের মৌসুমের তুলনায়
কমপক্ষে আট থেকে দশগুণ ফল
ধরবে গাছে। এ লক্ষ্যে ২০০৬
সালের সেপ্টেম্বর থেকে
গবেষণার মাধ্যমে ‘গাছের ডাল
বাঁকানো’ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে।
বছরে দুইবার অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে এবং
হেমন্তকালে শাখা-প্রশাখার নিয়ন্ত্রিত
বিন্যাসের মাধ্যমে সারা বছর পেয়ারার
ফুল ও ফলধারণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
গাছের বয়স দেড় থেকে দুইবছর
হলেই এ পদ্ধতি শুরু করা যাবে এবং পাঁচ
থেকে ছয় বছর পর্যন্ত এ পদ্ধতিতে
ফলন বাড়ানো সম্ভব। ডাল বাঁকানোর ১০
থেকে ১৫ দিন আগে গাছের
গোড়ায় সার ও পানি দিতে হয়।
ডাল বাঁকানোর সময় প্রতিটি শাখার
অগ্রভাগের প্রায় এক থেকে
দেড়ফুট অঞ্চলের পাতা ও ফুল-ফল
রেখে বাকি অংশ ছেটে দিতে হয়।
এরপর ডালগুলোকে সুতা দিয়ে
বেঁধে তা বাঁকিয়ে মাটির কাছাকাছি করে
সাথে অথবা খুঁটির মাধ্যমে মাটিতে
বেঁধে দিতে হয় । গ্রীষ্মকালে
মাত্র ১০ থেকে ১২ দিন পরেই নতুন
ডাল গজানো শুরু হয়। নতুন ডাল ১ সেমি.
লম্বা হলে বাঁধন খুলে দেয়া হয়। আর
হেমন্তকালে নতুন ডাল গজাতে ২০
থেকে ২৫ দিন সময় লাগে। ডাল
বাঁকানোর ৪৫ থেকে ৬০ দিন পরে
ফুল ধরা শুরু হয়। এভাবে গজানো প্রায়
প্রতি পাতার কোলেই ফুল আসে। এ
পদ্ধতিতে সারা বছরই ফলন পাওয়া যায়।
বিশেষ ব্যবস্থাপনাগুলো
পেয়ারা গাছের আকার আকৃতি, কাঠামো
ও গুণগত মানের ফলধারণের জন্য
গাছে বিশেষ কতগুলো ব্যবস্থাপনা করা
যায়। এ ব্যবস্থাপনাগুলোর মধ্যে অঙ্গ
ছাঁটাই, ডাল নুয়ে দেয়া, ফুল ছিঁড়ে দেয়া,
ফল পাতলাকরণ, ফল ঢেকে দেয়া এসব
পদ্ধতি।
অঙ্গ ছাঁটাই : গাছের মরা, শুকনা, চিকন,
লিকলিকে, রোগাক্রান্ত ও
প্রয়োজনহীন ডালপালা ছাঁটাই করাকে
অঙ্গ ছাঁটাই বলা হয়। রোপণকৃত চারা বা
কলমের আকার, আকৃতি ও কাঠামো
সুন্দর করার উদ্দেশ্যে মাটি থেকে
১.০ থেকে ১.৫ মিটার ওপরে বিভিন্ন
দিকে ছড়ানো ৪ থেকে ৫টি ডাল
রেখে গোড়ার দিকের সব ডাল ছাঁটাই
করে দিতে হবে। বয়স্ক গাছের ফল
সংগ্রহের পর সেপ্টেম্বর-
অক্টোবর মাসে অঙ্গ ছাঁটাই করা হয়।
এতে গাছে নতুর ডালপালা গজায়, প্রচুর
ফুল হয় এবং গুণমানের উৎকৃষ্ট ফলধারণ
করে।
ডাল নুয়ে দেয়া : পেয়ারা গাছের খাঁড়া
ডালে সাধারণত ফুল ও ফল খুবই কম
ধরে। তাই খাঁড়া ডালগুলোকে যদি ওজন
বা টানার সাহায্যে নুয়ে দিলে প্রচুর
পরিমাণ নতুন শাখা গজায়। নতুন ডালপালায়
গুণগতমানের ফলধারণ ও ফলন বৃদ্ধি পায়।
ফুল ও ফল পাতলাকরণ : কাজী পেয়ারা
ও বারি পেয়ারা-২ এর গাছে প্রতি বছর
প্রচুরসংখ্যক ফুল ও ফল আসে। ফল
আকারে বড় হওয়ার গাছের পক্ষে সব
ফল ধারণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
ফলের ভারে ডালপালা ভেঙে যায় এবং
ফল আকারে ছোট ও নি¤œমানের
হয়। এ অবস্থায়, গাছকে দীর্ঘদিন
ফলবান রাখতে ও মানসম্পন্ন ফল
পেতে হলে প্রথমেই কিছু ফুল এবং
পরে ফল ছোট থাকা অবস্থায়
(মার্বেল অবস্থা) ৫০ থেকে ৬০%
ফল পাতলা করে দেয়া দরকার।
কলমের গাছের ক্ষেত্রে
কোনো অবস্থাতেই প্রথম বছর ফল
নেয়া উচিত হবে না। তাই ফুল আসার
সাথে সাথে ছিঁড়ে ফেলে দেয়া
প্রয়োজন। দ্বিতীয় বছর অল্প পরিমাণ
ফল নেয়া ভালো। এভাবে গাছের বয়স
ও অবস্থা বুঝে ফল রাখতে হবে।
পরিকল্পিত উপায়ে ফুল বা ফল পাতলা
করে প্রায় সারা বছর কাজী পেয়ারা ও
বারি পেয়ারা-২ জাতের গাছে ফল পাওয়া
যাবে।
ফ্রুট ব্যাগিং বা ফল ঢেকে দেয়া :
পেয়ারা ছোট অবস্থাতেই ব্যাগিং
করলে রোগ, পোকামাকড়, পাখি, বাদুড়,
কাঠবিড়ালি এসব থেকে সহজেই রক্ষা
করা যায়। ব্যাগিং করা ফল অপেক্ষাকৃত বড়
আকারের এবং আকর্ষণীয় রঙের হয়।
ব্যাগিং বাদামি কাগজ বা ছোট ছিদ্রযুক্ত
পলিথিন দিয়ে করা যেতে পারে। ব্যাগিং
করলে সূর্যের আলট্রাভায়োলেট
রশ্মি থেকে প্রতিহত হয় বিধায় কোষ
বিভাজন বেশি হয় এবং ফল আকারে বড়
হয়। ব্যাগিং করার আগে অবশ্যই প্রতি
লিটার পানির সঙ্গে ০.৫ মিলি হারে টিল্ট
২৫০ ইসি মিশিয়ে সব ফল ভালোভাবে
ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে পেয়ারার উৎপাদন
মাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার টন। বাংলাদেশের
আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটি এসব পেয়ারা
চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তাছাড়া
অসময়ে ফলধারণের মতো অতি
গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলো গবেষকরা
উদ্ভাবন করেছেন। বিশেষ
ব্যবস্থাপনাসমূহের মাধ্যমে সহজেই
পেয়ারা চাষে আর্থিক লাভবান করা
সম্ভব। তাই পরিকল্পিত উপায়ে
প্রযুক্তিভিত্তিক পেয়ারা চাষের প্রতি
কৃষক ভাইদের উদ্বুদ্ধ ও বাস্তবায়ন করার
জন্য গবেষক, বিজ্ঞানী,
সম্প্রসারণবিদ, কৃষিকর্মী সর্বোপরি
সরকারের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা
দরকার।

02/11/2016

দুই বছরের মধ্যে রপ্তানি হবে
দেশীয় মোটরসাইকেল
02 Nov, 2016
আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে
তৈরি মোটরসাইকেল রপ্তানি হবে বিভিন্ন
দেশে। এরই মধ্যে দেশীয় নকশায়
ভালুকায় নিজস্ব কারখানাতে
মোটরসাইকেল তৈরি করছে রানার গ্রুপ।
প্রতিষ্ঠানটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত
মোটরবাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউএম-এর
সঙ্গে চুক্তি করেছে। উন্নত
প্রযুক্তি নিয়ে নিজস্ব অটোমোবাইল
ব্র্যান্ডকে বিশ্বমানে উন্নীত করে
দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি
রপ্তানির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলে জানিয়েছেন রানার
গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান।
তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে
দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, তৈরি
পোশাকের পরই দেশে
অটোমোবাইল শিল্পের সম্ভাবনা
সবচেয়ে বেশি। কারণ এটি ব্যাকওয়ার্ড
লিংকেজভিত্তিক শিল্প। ছোট ছোট
অনেক শিল্পই এর সঙ্গে জড়িত।
সরকার গুরুত্ব দিলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির
পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দেশীয়
মোটরসাইকেল রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি
হবে।
রানার গ্রুপ তাদের মোটরসাইকেল তৈরির
ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ শতাংশ পার্টস
দেশেই তৈরি করছে জানিয়ে
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আরও বলেন,
দেশীয় অটোমোবাইল শিল্পের
ভিত্তি শক্তিশালী করতে আমরা এগিয়ে
যাচ্ছি। এছাড়া এরই মধ্যে রানার
মোটরসাইকেলে যেসব যন্ত্রাংশ
ব্যবহৃত হচ্ছে তার বেশির ভাগই
স্থানীয়ভাবে তৈরি। ভালুকায় আমাদের
নিজস্ব কারখানা রয়েছে। সেখানে
এখন মোটরসাইকেলের অনেক
ধরনের যন্ত্র তৈরি হচ্ছে। ওই কারখানায়
আমাদের মোটরসাইকেলের নিজস্ব
নকশা তৈরিতে কাজ করছেন
বিশেষজ্ঞরা। নিজস্ব প্রযুক্তির উন্নত
মানের মোটরসাইকেল তৈরিতে
গবেষণা খাতেও আমরা প্রচুর বিনিয়োগ
করেছি। আশা করছি, ২০১৮ সালের
মধ্যে পুরো দেশে উৎপাদিত
মোটরসাইকেল বাজারজাত ও রপ্তানি
করতে পারব আমরা। হাফিজুর রহমান খান
জানান, এরই মধ্যে অত্যাধুনিক নকশা ও
উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তির মিশেলে
নিজস্ব ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক মানে
উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছেন
তারা। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বখ্যাত মার্কিন
মোটরবাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউএম-এর
সঙ্গে চুক্তিও করেছে রানার গ্রুপ।
গত সেপ্টেম্বরে করা ওই চুক্তি
অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ইউএম-রানার
ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল তৈরি হবে
রানার গ্রুপের কারখানায়। এ প্রসঙ্গে
রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান আরও জানান,
ভারত, চীনের চেয়ে আমাদের
দেশে মোটরসাইকেলের দাম
অনেক বেশি। এর কারণ হচ্ছে
এখানে মোটরসাইকেল তৈরি হয় না,
আমদানি হয়। দেশে তৈরি হলেই দাম
কমে আসবে। কারণ সেখানে শুল্ক
থাকবে না। এ জন্য আমরা কম দামে
ভোক্তার কাছে মোটরসাইকেল
পৌঁছে দিতে দেশেই উৎপাদনের
উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আর যদি দাম
কমাতে পারি তখন আমার পণ্য বেশি বিক্রি
হবে। পণ্য বেশি বিক্রি হলে শিল্পের
উৎপাদনও বেড়ে বাড়বে।
মোটরসাইকেল সংযোজন শিল্প
সম্পর্কে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান
বলেন, যারা আমদানিকারক তারা দুটি
আইটেম করেই বলতে চাইছেন এটা
দেশেই তৈরি করছেন। এটা বন্ধ করার
জন্য দ্রুত নীতিমালা দরকার। শিল্প
মন্ত্রণালয় অবশ্য দেশে
মোটরসাইকেল উৎপাদনের জন্য
একটি নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন
করেছে। আমরা সরকারের এ ধরনের
উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। এখন ওই
কমিটি দেশে অটোমোবাইল
ম্যানুফ্যাকচারের ব্যাপারে নীতিমালায়
কতটা গুরুত্ব দেবে তার ওপর নির্ভর
করছে দেশীয় অটোমোবাইল
শিল্পের ভবিষ্যৎ। কমিটির প্রতি আমার
পরামর্শ থাকবে, যারা যন্ত্রাংশ আমদানি
(সিকেডি) করে মোটরসাইকেল
সংযোজন করছে তাদের বাধ্য করতে
হবে যাতে পার্টসগুলো তারা দেশেই
তৈরি করে। এটাকে গুরুত্ব দিলে
আমাদের ভোক্তারা কম দামে
মোটরসাইকেল কিনতে পারবে।
দেশে অটোমোবাইল শিল্পের
ভিত্তি গড়ে উঠবে। তখন রপ্তানি
সম্প্রসারণে নজর দেওয়া যাব

01/11/2016

প্রকাশের..
ঢাকা, ০১ অক্টোবর ২০১৬:
পৃথিবীতে প্রতিদিন ১০০ কোটিরও
বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন।
সরকারি চাকুরিজীবি থেকে শুরু করে
পাড়ার বেকার যুবক সবাই এখন
ফেসবুকের সাথে সম্পর্কৃত। তাই
ফেসবুকেই নিজের মনের কথা, প্রিয়
মুহুর্থগুলো তুলে ধরে প্রত্যেকই।
এখানে বাদ পড়েনা বিনিয়োগকারীরা।
তাই বিনিয়োগকারীদের কথাগুলো
সকলের কাছে পৌছে দিতে আমাদের
নতুন আয়োজন ‘ফেসবুকের পাতা
থেকে বিনিয়োগকারী কথা’, যা
শেয়ারনিউজ২৪ ডটকমের ফিচার কলামে
নিয়মিত প্রকাশ হবে।
নতুন এই যাত্রায় আমাদের প্রথম সঙ্গী
হলেন-ফেসবুক ব্যবহারকারী সাব্বির
আলম, সম্প্রতি তিনি ‘নো’ ডিভিডেন্ড
প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর
উদ্যোক্তা পরিচালকদের সাথে কি
করনীয় তা ফেসবুকে তার নিজস্ব
আইডিতে তুলে ধরেছে।
সাব্বির আলমের লিখনিটি কোন
সংশোধন, সংযোজন ব্যাতিত
বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে
ধরা হলো-
কোম্পানিগুলোর ইচ্ছে হলেই নো
ডিভিডেন্ড, যা ইচ্ছে তাই, চরম
স্বেচ্ছাচারিতা ~উপায় কি নেই!?
নো ডিভিডেন্ড দিয়ে জেট ক্যাটাগরি
হলে, কোম্পানিগুলো এমডি,
চেয়ারম্যান সহ সকল ডাইরেক্টরগণের
১।ছবি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা
হোক।
২।কোন ধরনের নতুন লোণ, এমনকি
কোন নতুন প্রজেক্ট করার কোন
ধরনের ছাড়পত্র না দেয়া। পত্রিকায়
কিছুদিন আগে দেখলাম পুঁজিবাজারে
তালিকাভুক্ত একটি গ্রুপের দুইটির মধ্যে
,দুইটি কোম্পানিই জেট , এরাই নাকি এবার
দেশে বড় পাওয়ার প্লেন্ট করবে!
৩।এদের যাবতীয় ব্যাংক হিসাব,
সম্পদের হিসাব নির্ণয়ের জন্য তদন্ত
কমিটি করা।
৪।এই কোম্পানিগুলোর যাবতীয়
তদারকির জন্য কমিশনের নিকট হতে
অডিটর/তদারক নিয়োগ দেয়া। ক্যাটাগরি
পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত কোন
ধরনের সুযোগ সুবিধা যাতে কোম্পানি
থেকে ডিরেক্টরগণ নিতে না পারে,
সেটির তদারকির দায়িত্বও উনাদের উপর
বর্তাবে। প্রয়োজনে যে সকল
কোম্পানী নো ডিভিডেন্ট ঘোষনা
করবে ঐ সকল কোম্পানীর
চেয়ারম্যান এমডি ও পরিচালকদের সব
ধরনের সুযোগ সুবিদা বন্ধ করার আইন
পাশ করা।
৫।জেট ক্যাটাগরি বা ডিভিডেন্ড দিতে না
পারার কারন, এবং এর থেকে বের হয়ে
আসার উপায় কিংবা পরবর্তীতে তারা কি কি
পদক্ষেপ নিবে, যাতে ভাল করতে
পারে, তা তাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ
করা।
৬।কোম্পানিকে পেনাল্টি নয়,
উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গকে শাস্তি প্রদান
করা, যেমন রঙ্গের একটা উদাহরণ
দেই~ আরএন স্পিনিং এর ডিরেক্টররা
রাইট নিয়ে কেলেঙ্কারি করেছেন।
তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে , ওই
কোম্পানি ৫ বছর ধরে ডিভিডেন্ড
দিতে পারছে না। এইটি কি তামাশা নয়!?এই
কোম্পানির বর্তমানে ৭০% মালিকানা
পাবলিক। ডিভিডেন্ড না দিলে ক্ষতিটা
কাদের? ওই কোম্পানি ডিরেক্টররা সব
ধরনের সুযোগ সুবিধা কিন্তু ঠিকই
পাচ্ছে~ কিন্তু ৭০% শেয়ার মালিক যারা~
সাধারন পাবলিক তার কিন্তু বছর শেষে
ডিভিডেন্ডটাও পাচ্ছে না। আরএন স্পিনিং
এর ডিরেক্টররা অট্টহাসি দিচ্ছে~ আর
বলছে মর শ্যালা তোরা সাধারণ পাবলিক
মর।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Share bazzar news posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share