Somaj Kollan Foundation সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Satkhira
  • Somaj Kollan Foundation সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন

Somaj Kollan Foundation সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন Help us through Personal
Bkash&Nagad 01710261190

30/12/2025
চন্দ্রগ্রহণ
07/09/2025

চন্দ্রগ্রহণ

07/04/2025

সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি খুলনা বিভাগের তৃতীয় বৃহত্তম জেলা। সাতক্ষীরার উত্তরে যশোর জেলা, পূর্বে খুলনা জেলা, দক্ষিণে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

ভৌগোলিক অবস্থান:
* আয়তন: ৩৮১৭.২৯ বর্গ কিলোমিটার
* জনসংখ্যা: প্রায় ২০ লক্ষ (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী)
* অক্ষাংশ: ২২°৩৪' থেকে ২২°৫৭' উত্তর অক্ষাংশ
* দ্রাঘিমাংশ: ৮৯°০০' থেকে ৮৯°১৭' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

উপজেলাসমূহ:
সাতক্ষীরা জেলা সাতটি উপজেলা, ৮টি থানা, ৩ টি পৌরসভা, ৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৯৫টি মৌজা এবং ১৪৩৬টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। উপজেলাগুলো হলো:
* সাতক্ষীরা সদর উপজেলা
* আশাশুনি উপজেলা
* কলারোয়া উপজেলা
* কালিগঞ্জ উপজেলা
* তালা উপজেলা
* দেবহাটা উপজেলা
* শ্যামনগর উপজেলা

ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
সাতক্ষীরা জেলার ইতিহাস বেশ প্রাচীন। প্রাচীনকালে এটি চন্দ্রদ্বীপের অংশ ছিল। মুঘল আমলে এটি যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬১ সালে সাতক্ষীরা মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য:
সাতক্ষীরা জেলার প্রধান আকর্ষণ হলো সুন্দরবন। এই জেলার দক্ষিণে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশ অবস্থিত। এছাড়া, এখানে বিভিন্ন নদী, বিল ও জলাশয় রয়েছে।

অর্থনীতি:
সাতক্ষীরার অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। এখানে ধান, পাট, ডাল, শাকসবজি এবং ফলমূলের চাষ হয়। এছাড়া, চিংড়ি চাষ ও মৎস্য আহরণ এখানকার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা:
সাতক্ষীরা সড়কপথে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে যুক্ত। তবে, এখানে কোনো রেল যোগাযোগ বা বিমানবন্দর নেই।

দর্শনীয় স্থান:
* সুন্দরবন
* যশোরেশ্বরী কালী মন্দির
* নবরত্ন মন্দির
* রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র
* তেঁতুলিয়া শাহী মসজিদ
*শ্যামনগর জমিদার বাড়ি
*মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি

অন্যান্য তথ্য:
* সাতক্ষীরার মানুষ ‘সাতক্ষীরার ভাষা’ নামে একটি বিশেষ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।
* সাতক্ষীরার মিষ্টি ও আম সারাদেশে বিখ্যাত।
* সাতক্ষীরা জেলায় অনেক নদ-নদী, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর-দীঘি ও জলাশয় রয়েছে।

01/11/2024

#ভয়ানক_একটি_গবেষনা
'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।
এই 'ইউনিভার্স ২৫' এর চিন্তাটি আসে মার্কিন বিজ্ঞানী জন ক্যালহোনের কাছ থেকে। তিনি একটি 'আদর্শ দুনিয়া' নির্মাণ করেন যেখানে ইঁদুরেরা থাকবে এবং বংশবৃদ্ধি করবে। আরও ভালোভাবে বলতে, ক্যালহোন ইদুরের স্বর্গ নামের একটা বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে অঢেল খাবার, পানি ও থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জায়গা ছিলো। শুরুতে সেখানে তিনি চার জোড়া ইঁদুর রাখেন, যেগুলা উপযুক্ত পরিবেশে অল্প সময়ের মধ্যে বংশবৃদ্ধি শুরু করে এবং সেটাও বেশ দ্রুত গতিতে।
অবাক করা ব্যাপার হল, ইঁদুরদের সেই স্বর্গে রাখার মাত্র ৩১৫ দিন পরেই বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। যখন ইঁদুরের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছালো তখন সেখানে দুটি জাত তৈরি হয় ভালো ও 'বিকৃত' ইঁদুরের। এর পর থেকে দূর্বল ইঁদুর গুলো আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেক পুরুষ ইঁদুর 'মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে'।
ইঁদুরের স্বর্গে থাকার ফল নারীদের ভেতরে পড়েছিল অন্যভাবে। নারীরা নিজেদের আত্মরক্ষা থেকে সরে আসে এবং তাদের সন্তানদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। নারী ইদুরদের মাঝে এই আক্রমনাত্মক মনোভাব ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিশু জন্মহার ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং বিপরীতে শিশু মৃত্যুহার বেড়ে যায়।
পুরুষদের মাঝে একটি নতুন জাতের ইঁদুরের উৎপত্তি হয় যারা কিনা 'সুন্দরী ইঁদুর'। তারা নারীদের সাথে বংশবৃদ্ধি ও জায়গার জন্য 'লড়াই' কর‍তে অস্বীকৃতি জানায়। তারা স্রেফ খাদ্য ও ঘুম নিয়ে চিন্তিত হয়। একসময় যেয়ে সুন্দরী পুরুষ ও আক্রমণাত্মক নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
ক্যালহোনের মতে, মৃত্যুর দুটি ধাপ ছিলো। 'প্রথম মৃত্যু' ও 'দ্বিতীয় মৃত্যু'। শেষটি হচ্ছে জীবনের অর্থহীন হয়ে পড়া! অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির ইচ্ছার অভাব তৈরি, সন্তান জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনের প্রতি অনিহা এবং সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে এগিয়ে না যাওয়া। সময়ের সাথে সাথে শিশু ইঁদুরদের মাঝে মৃত্যুর হার ১০০% ছুয়ে যায় এবং বংশবৃদ্ধি শূণ্যতে গিয়ে ঠেকে।
ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ইঁদুর গুলোর মাঝে সমকামী তৈরি হয়, এবং তারা নিজেরাই নিজেদের খেতে শুরু করে (Homosexuality, Cannibalism)। এই বিকৃত মস্তিষ্কদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে, যদিও সেখানে খাবারের কোনো অভাব ছিলো না, ছিল না বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীদের অভাব।
এই গবেষণা শুরুর দুই বছর পর শেষ ইঁদুরটি জন্ম নেয়৷ ১৯৭৩ সালের মধ্যে 'ইউনিভার্স ২৫' প্রজেক্টের শেষ ইঁদুরটি মারা যায়।
জন ক্যালহোন এই পরীক্ষাটি আরো পঁচিশবার করেন, এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই একই ফলাফল আসে৷ ক্যালহোনের এই বৈজ্ঞানিক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সমাজ ও সভ্যতার অবক্ষয় টের পাওয়া যায় এবং শহুরে জীবন সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
আমরা আজকের দুনিয়ায় এই একই জিনিসটা দেখছি...।
❝একদিকে দূর্বল, মেয়েলী পুরুষের ছড়াছড়ি– যাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত দক্ষতা কিংবা আত্মরক্ষার সামর্থ্য নেই; আর অন্যদিকে আক্রমনাত্মক পুরুষালী নারী– যারা অতিরিক্ত বদ মেজাজি এবং প্রাকৃতিক মাতৃত্ব-নারীত্ব থেকে দূরে।❞ ❝একদিকে বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি, ফ্রি-সেক্স মুভমেন্ট, ভোগবাদের তীব্র উত্থান; অন্যদিকে বিয়ে-পরিবারগঠন, জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনে অনাগ্রহী মানুষের বৃদ্ধি।❞
অর্থাৎ, পৃথিবীব্যাপী Antinatalism, LGBTQ Movement, Free S*x Movement, Feminism, Liberalism, Gender Fluidity Concept ইত্যাদি ওয়েস্টার্ন আইডিওলজি বা পশ্চিমা দর্শনের উত্থান যে বর্তমান ভগ্নপ্রায় বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক— সেটা বুঝতে আর সুস্থ মস্তিস্কের কারো বেগ পাওয়ার কথা নয়।
~•~
Reference : Universe 25: The Mouse "Utopia" Experiment That Turned Into An Apocalypse,

Address

Satkhira

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somaj Kollan Foundation সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Somaj Kollan Foundation সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন:

Share