KorEase - কর ইজ

KorEase - কর ইজ Tax made easy in Bangladesh

 পুঁজিবাজার এবং ব্যাংকিং খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্ম হলো **Paid-up Capital** (পরিশোধিত মূলধন)। বাংলাদেশ ব্যাংক...
26/05/2026



পুঁজিবাজার এবং ব্যাংকিং খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্ম হলো **Paid-up Capital** (পরিশোধিত মূলধন)। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালার মূল ভিত্তিই দাঁড়িয়ে আছে এই পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণের ওপর।

নিচে এটি কী, কীভাবে নির্ণয় করা হয় এবং নীতিমালার আলোকে এর ব্যাখ্যা সহজভাবে দেওয়া হলো:

---

# # ১. Paid-up Capital (পরিশোধিত মূলধন) কী?

একটি কোম্পানি বা ব্যাংক শেয়ার বাজারে তার শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রকৃতপক্ষে মোট যে পরিমাণ নগদ অর্থ সংগ্রহ করে, তাকে **Paid-up Capital** বা পরিশোধিত মূলধন বলা হয়।

সহজ কথায়, এটি হলো কোম্পানির মালিকদের (শেয়ারহোল্ডারদের) নিজেদের পকেট থেকে ব্যবসায় খাটানো প্রকৃত মূলধন। কোম্পানি যতদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সচল থাকে, ততদিন এই টাকা শেয়ারহোল্ডারদের ফেরত দেওয়া হয় না; এটি কোম্পানির স্থায়ী তহবিলের অংশ।

---

# # ২. Paid-up Capital কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

পরিশোধিত মূলধন নির্ণয় করার সূত্রটি খুবই সহজ:

Paid-up Capital = Total Number of Issued Shares x Face Value Per Share

* **Issued Shares (ইস্যুকৃত শেয়ার):** কোম্পানি এ পর্যন্ত বাজারে মোট যতগুলো শেয়ার বিক্রি বা বণ্টন করেছে (এর মধ্যে আইপিও-র শেয়ার এবং পরবর্তীতে দেওয়া বোনাস শেয়ারও অন্তর্ভুক্ত)।

* **Face Value (অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালু):** প্রতিটি শেয়ারের গায়ে প্রাথমিকভাবে যে মূল্য লেখা থাকে। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে বর্তমানে প্রতিটি শেয়ারের ফেস ভ্যালু সাধারণত **১০ টাকা**।

# # # একটি ছোট উদাহরণ:

ধরা যাক, "ABC ব্যাংক" বাজারে মোট ১৫০ কোটি শেয়ার ইস্যু করেছে। প্রতিটি শেয়ারের ফেস ভ্যালু ১০ টাকা।
তাহলে ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন হবে:

Paid-up Capital = ১৫০ কোটি শেয়ার x১০ টাকা= ১,৫০০ কোটি টাকা

> **বিশেষ দ্রষ্টব্য:** কোম্পানি যদি ১০ টাকার শেয়ার বাজারে ১৫ টাকা (৫ টাকা প্রিমিয়ামে) বিক্রি করে, তাও পরিশোধিত মূলধন হিসাব করার সময় ফেস ভ্যালু (১০ টাকা) দিয়েই গুণ করা হবে। অতিরিক্ত ৫ টাকা 'শেয়ার প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট'-এ যাবে, তা পেইড-আপ ক্যাপিটালের অংশ হবে না।

---

# # ৩. বাংলাদেশ ব্যাংক এর নতুন নীতিমালার আলোকে Paid-up Capital-এর ব্যাখ্যা ও প্রভাব:

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত এই সার্কুলারে মূলত **২,০০০ কোটি টাকার** একটি "বেঞ্চমার্ক" বা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকে পরিশোধিত মূলধনের গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

# # # ক) মূলধনের ভিত্তির ওপর ক্যাশ ডিভিডেন্ডের নিষেধাজ্ঞা

সার্কুলার অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার এক টাকাও কম (যেমন উপরের উদাহরণের ABC ব্যাংকের ১,৫০০ কোটি টাকা), তারা শেয়ারহোল্ডারদের কোনো **নগদ লভ্যাংশ (Cash Dividend)** দিতে পারবে না।

# # # খ) ব্যাংকগুলো কীভাবে এই মূলধন ২,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করবে?

যেসব ব্যাংকের মূলধন বর্তমানে ২,০০০ কোটি টাকার কম, তারা এই নীতিমালার কারণে এখন বাধ্য হয়ে **স্টক লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ার (Stock Dividend)** ঘোষণা করবে।

ধরা যাক, ABC ব্যাংকের মূলধন ১,৫০০ কোটি টাকা। তারা যদি এবার শেয়ারহোল্ডারদের ১০% বোনাস শেয়ার দেয়, তবে বাজারে নতুন আরও ১৫ কোটি শেয়ার আসবে।

* নতুন শেয়ারের ফেস ভ্যালু মোট: ১৫ কোটি x ১০ টাকা = ১৫০ কোটি টাকা
* এই লভ্যাংশ দেওয়ার পর ব্যাংকের নতুন পরিশোধিত মূলধন বেড়ে দাঁড়াবে: ১,৫০০ + ১৫০ = ১,৬৫০ কোটি টাকা।

এভাবে প্রতি বছর বোনাস শেয়ার ইস্যু করার মাধ্যমে (অথবা রাইট শেয়ার ছেড়ে) ব্যাংকগুলো তাদের পরিশোধিত মূলধন দ্রুত ২,০০০ কোটি টাকার কোটা পার করার চেষ্টা করবে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশে প্রায় সব ব্যাংক (ব্যাক।ব্যাংক বাদে) paid up capital ২০০০ কোটি টাকার কম। ফলে, শেয়ারহোল্ডারগন সাময়িকভাবে ক্যাশ ডিভিডেন্ড থেকে বঞ্চিত হলেও paid up capital ২০০০ কোটি টাকা cap পার করা মাত্রই ব্যাংকগুলো আবার ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিতে সক্ষম হবে।

# # # গ) কেন এই ২,০০০ কোটি টাকার শর্ত?

ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের (Depositors) টাকা নিয়ে ব্যবসা করে। কোনো কারণে ব্যাংক বড় কোনো লোকসানে পড়লে বা ঋণ খেলাপি হলে, এই **Paid-up Capital**-ই ব্যাংকের জন্য সুরক্ষাকবচ (Buffer) হিসেবে কাজ করে। যে ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন যত বড়, সেই ব্যাংকের আর্থিক ধাক্কা সামলানোর ক্ষমতা তত বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক এই সার্কুলারের মাধ্যমে দুর্বল ও ছোট মূলধনের ব্যাংকগুলোকে তাদের মূলধন কাঠামো শক্তিশালী করতে বাধ্য করছে।

#বিনিয়োগ #শেয়ার_বাজার_আপডেট

     বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক নতুন নীতিমালার ফলে শেয়ার হোন্ডারদের উপর কি প্রভাব পড়বে:বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালার ক...
24/05/2026


বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক নতুন নীতিমালার ফলে শেয়ার হোন্ডারদের উপর কি প্রভাব পড়বে:

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালার কারণে সাধারণ শেয়ারহোল্ডার এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী—উভয়ের ওপরই স্বল্পমেয়াদে এবং দীর্ঘমেয়াদে বেশ কিছু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। পুঁজিবাজারে (Stock Market) তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর শেয়ারের ক্ষেত্রে এই প্রভাবগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

১. নেতিবাচক বা প্রতিকূল প্রভাব (স্বল্পমেয়াদী)
নগদ লভ্যাংশ বা ক্যাশ ফ্লো হ্রাস: যেসব বিনিয়োগকারী প্রতি বছর ব্যাংক শেয়ারের লভ্যাংশ (Dividend Income) থেকে নিয়মিত নগদ আয়ের ওপর নির্ভর করেন, তারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অনেক ভালো ব্যাংক ভালো মুনাফা করা সত্ত্বেও আগের মতো বেশি হারে নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

শেয়ারের বাজারে সাময়িক দরপতন: পুঁজিবাজারে সাধারণত যে কোম্পানি যত বেশি "ক্যাশ ডিভিডেন্ড" দেয়, তার শেয়ারের চাহিদা তত বাড়ে। যেহেতু নগদ লভ্যাংশের ওপর ৫০% এর সিলিং (Cap) দেওয়া হয়েছে এবং কম মূলধনী ব্যাংকের ক্যাশ দেওয়াই নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাময়িক হতাশা তৈরি হতে পারে। এর ফলে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দাম কিছুটা কমতে পারে।

আকর্ষণ কমে যাওয়া: অন্যান্য খাতের (যেমন- ফার্মাসিউটিক্যালস বা পাওয়ার সেক্টর) কোম্পানি যেখানে ভালো ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিতে পারছে, সেখানে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের প্রতি স্বল্পমেয়াদী ট্রেডার বা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে।

২. ইতিবাচক বা অনুকূল প্রভাব (দীর্ঘমেয়াদী)
শেয়ারের বুক ভ্যালু (Book Value) ও সম্পদ বৃদ্ধি: ব্যাংক যখন নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে বোনাস শেয়ার (Stock Dividend) দেবে বা মুনাফার টাকা রিটেইনড আর্নিংস (Retained Earnings) হিসেবে রেখে দেবে, তখন ব্যাংকের নিট সম্পদের মূল্য বা NAV (Net Asset Value) বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি শেয়ারের অন্তর্নিহিত মূল্য (Intrinsic Value) বাড়িয়ে দেয়।

EPS বা শেয়ার প্রতি আয় ডাইলুশন (Dilution): বোনাস শেয়ার দেওয়ার কারণে বাজারে ব্যাংকের মোট শেয়ারের সংখ্যা বেড়ে যাবে। ফলে আগামী বছরগুলোতে যদি ব্যাংকের মুনাফা আনুপাতিক হারে না বাড়ে, তবে EPS (Earnings Per Share) কিছুটা কমে যেতে পারে (যেটিকে শেয়ার ডাইলুশন বলে)।

বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী আস্থা: এই নীতিমালার মূল লক্ষ্যই হলো ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া হওয়া বা আর্থিক ঝুঁকিতে পড়া থেকে রক্ষা করা। একটি ব্যাংক আর্থিকভাবে যত শক্তিশালী ও নিরাপদ হবে, দীর্ঘমেয়াদে সেই ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের বিনিয়োগ তত সুরক্ষিত থাকবে। ব্যাংকের মূলধন শক্তিশালী হলে ভবিষ্যতে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বেশি মুনাফা করার সক্ষমতা বাড়বে।

 #শেয়ার_বাজার_আপডেটবাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ২৩ মে ২০২৬ তারিখে জারিকৃত এই সার্কুলারটি (এসপিসিডি সার্কুলার নং-০৬) মূলত Sched...
23/05/2026

#শেয়ার_বাজার_আপডেট

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ২৩ মে ২০২৬ তারিখে জারিকৃত এই সার্কুলারটি (এসপিসিডি সার্কুলার নং-০৬) মূলত Scheduled Bank বা তফসিলি ব্যাংকসমূহের শেয়ারের বিপরীতে লভ্যাংশ (Dividend) ঘোষণার সংশোধিত বা নতুন নীতিমালা সংক্রান্ত। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকি মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিচে সার্কুলারটির মূল বিষয়বস্তুর সহজ বিশ্লেষণ এবং একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ দেওয়া হলো:

সার্কুলারটির মূল বিষয়বস্তুর বিশ্লেষণ
এই নির্দেশনায় লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রধানত ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে:

ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital): কোনো ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন যদি ২,০০০ (দুই হাজার) কোটি টাকার কম হয়, তবে সেই ব্যাংক তার শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো প্রকার নগদ লভ্যাংশ (Cash Dividend) প্রদান করতে পারবে না। অর্থাৎ, নগদ টাকা লভ্যাংশ হিসেবে দিতে হলে অবশ্যই মূলধন ২,০০০ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে হবে।

নগদ লভ্যাংশের সর্বোচ্চ সীমা (Maximum Cash Dividend Cap): যেসব ব্যাংক সব শর্ত পূরণ করে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে, তারাও তাদের ঘোষিত মোট লভ্যাংশের (Total Dividend) সর্বোচ্চ ৫০% পর্যন্ত নগদ (Cash) হিসেবে দিতে পারবে। বাকি অংশ স্টক লভ্যাংশ (Bonus Share) বা অন্য উপায়ে দিতে হবে। এটিকে Dividend Payout Ratio-এর ওপর একটি কঠোর নিয়ন্ত্রণ বলা যায়।

কার্যকারিতা: এই নির্দেশনাটি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত বছর (অর্থাৎ ২০26 হিসাব বছর) এবং তার পরবর্তী বছরগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

আইনি ভিত্তি: ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক এই আদেশ জারি করেছে।

একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ (Hypothetical Example)
ধরা যাক, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য দুটি আলাদা ব্যাংক—"ক" ব্যাংক এবং "খ" ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সার্কুলারটি তাদের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা নিচে ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো:

পরিস্থিতি ১: "ক" ব্যাংক (যার পরিশোধিত মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার কম)
পরিশোধিত মূলধন: ১,৮০০ কোটি টাকা।

ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা: বছর শেষে ভালো মুনাফা করেছে এবং তারা ৩০% লভ্যাংশ দিতে চায়।

সার্কুলারের প্রভাব: যেহেতু তাদের মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার নিচে, তাই তারা ০% (কোনো প্রকার) নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না। তাদের পুরো ৩০% লভ্যাংশই স্টক লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ার (Bonus Share) হিসেবে দিতে হবে।

পরিস্থিতি ২: "খ" ব্যাংক (যার পরিশোধিত মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার বেশি)
পরিশোধিত মূলধন: ২,৫০০ কোটি টাকা।

ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা: এই ব্যাংকটিও খুব ভালো মুনাফা করেছে এবং পরিচালনা পর্ষদ মোট ৪০% লভ্যাংশ (Dividend) ঘোষণা করতে চায়।

সার্কুলারের প্রভাব (৫০% ক্যাশ ক্যাপ): যেহেতু মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার বেশি, তারা নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে। তবে শর্তানুযায়ী, ঘোষিত মোট ৪০% লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০% তারা ক্যাশ দিতে পারবে।

সর্বোচ্চ নগদ লভ্যাংশ (Cash): ৪০%×৫০%=২০%

বাকি লভ্যাংশ (Stock/Bonus): ২০%

সারসংক্ষেপ: "খ" ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০% ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং বাকি ২০% স্টক ডিভিডেন্ড আকারে দিতে পারবে। চাইলে তারা ক্যাশ আরও কমাতে পারে (যেমন: ১০% ক্যাশ ও ৩০% স্টক), কিন্তু কোনোভাবেই ক্যাশের পরিমাণ মোট লভ্যাংশের ৫০% (এই উদাহরণে ২০%-এর বেশি) অতিক্রম করতে পারবে না।

এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য
বাংলাদেশ ব্যাংক চাচ্ছে ব্যাংকগুলো মুনাফার পুরো টাকা নগদ আকারে শেয়ারহোল্ডারদের হাতে তুলে না দিয়ে বড় একটা অংশ ব্যাংকের ভেতরেই রেখে দিক (Retained Earnings বা মূলধন আকারে)। এতে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি বা ক্যাপিটাল বেইজ শক্তিশালী হবে, যা ভবিষ্যতের যেকোনো তারল্য বা খেলাপি ঋণের ঝুঁকি সামলাতে ঢাল হিসেবে কাজ করবে।

২০২৬-২৭ কর বর্ষের স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার কর হার।
11/05/2026

২০২৬-২৭ কর বর্ষের স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার কর হার।

07/05/2026

মোট আয় এবং কর‍যোগ্য আয় এর পাথক্য কি?
ধরি,

চাকরি থেকে মোট আয় = X

তাহলে,

অব্যাহতি =
X এর ১/৩
অথবা ৪,০০,০০০
— যেটা কম

করযোগ্য চাকরিজনিত আয় = মোট চাকরিজনিত আয় – অব্যাহতিপ্রাপ্ত অংশ

উদাহরণ :
মোট চাকরিজনিত আয় = ৯,০০,০০০ টাকা

১/৩ = ৩,০০,০০০ টাকা

এখানে:

১/৩ = ৩ লাখ

সর্বোচ্চ সীমা = ৪ লাখ

দুইটার মধ্যে কম = ৩ লাখ

তাহলে,

অব্যাহতি = ৩ লাখ

করযোগ্য আয় = ৯ লাখ – ৩ লাখ
= ৬ লাখ টাকা

03/05/2026

সর্বনিন্ম কি পরিমান বিনিয়োগ করলে সর্বচ্চো রিবেট পাওয়া যায়:

মনে করেন, আপনার করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা।

তাহলে করযোগ্য আয়ের ৩% = ৩০,০০০ টাকা।
এই ৩০,০০০ টাকা পুরো রিবেট সুবিধা পেতে হলে এমন পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে, যার ১৫% = ৩০,০০০ টাকা।

তাহলে হিসাব হবে:

0.15x=30000

অর্থাৎ,
বিনিয়োগ = ২,০০,০০০ টাকা।

মানে এই উদাহরণে কমপক্ষে ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে আপনি সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেট সুবিধাটা পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারবেন।

#রিবেট #কর #বিনিয়োগ

03/05/2026

মনে করেন, একজন ব্যক্তির করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা। তিনি অনুমোদিত খাতে ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন।

তাহলে হিসাব হবে:

করযোগ্য আয়ের ৩% = ৩০,০০০ টাকা

বিনিয়োগের ১৫% = ৪৫,০০০ টাকা

সর্বোচ্চ সীমা = ১০ লাখ টাকা

এখানে তিনটির মধ্যে সবচেয়ে কম হলো ৩০,০০০ টাকা। তাই তিনি সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট সুবিধা পাবেন।

আসলে, ইনভেস্টমেন্ট ট্যাক্স রিবেট হলো এমন একটি কর সুবিধা, যেখানে নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগ করলে সরকার আয়করে ছাড় দেয়। তবে ছাড়ের পরিমাণ নির্ধারণ হয়— করযোগ্য আয়ের ৩%, বিনিয়োগের ১৫% অথবা ১০ লাখ টাকার মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম, তার ভিত্তিতে।

30/04/2026

২০২৩–২০২৪ কর বছরের জন্য আপনার ফাইল National Board of Revenue (NBR) এর audit তালিকায় আছে কিনা দেখতে নিচের লিংকে যান।

লিংকে গিয়ে শুধু আপনার TIN নম্বর দিন, তাহলেই রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

🔗

18/04/2026

Upcoming tax year 2026-2027 এ কর হিসাব হবে যেভাবে তার একটি উদাহরণ :

ধরুন, Rahim নামে একজন salaried person আছে। তার yearly **total taxable income** ৳৮,০০,০০০।

প্রথমে সে হিসাব করলো—সরকার তাকে ৳৩,৭৫,০০০ পর্যন্ত tax-free দিয়েছে।
তাহলে তার **taxable income** হলো:
৳৮,০০,০০০ – ৳৩,৭৫,০০০ = ৳৪,২৫,০০০

এখন এই taxable income টা slab অনুযায়ী ভাগ হবে—

প্রথম ৳৩,০০,০০০ → 10% = ৳৩০,০০০
বাকি ৳১,২৫,০০০ → 15% = ৳১৮,৭৫০

Rahim এর তার total tax দিতে হবে ৳৪৮,৭৫০।

18/04/2026

* FY 2026–27 নতুন Tax Slab (Bangladesh)

Tax-free income: **৳৩,৭৫,০০০**
এরপর থেকে ধাপে ধাপে কর:
পরের ৳৩ লাখ → ১০%
পরের ৳৪ লাখ → ১৫%
পরের ৳৫ লাখ → ২০%
পরের ৳২০ লাখ → ২৫%
বাকি অংশ → ৩০%

- গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন:
• ৫% tax slab বাদ
• Tax-free limit বাড়ানো হয়েছে
• Structure আরও সহজ করা হয়েছে

- Short take: Low income benefit পাবে, middle income একটু pressure feel করতে পারে

Address

East Basabo
Rajarbag
1213

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KorEase - কর ইজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share