Ms Md Shamsul Alam Shahi Trading

Ms Md Shamsul Alam Shahi Trading Banking

06/09/2023

ব্যাংক ঋণের জামানত সম্পর্কে ধারণা|Concept of Security of Bank Advances

ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তাস্বরূপ ঋণগ্রহীতা ব্যাংককে যে গ্যারান্টি প্রদান করে অথবা ব্যাংকের নিকট যে সম্পত্তি জামানত রাখে তাকে ব্যাংক ঋণের জামানত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ঋণগ্রহীতাকে ঋণ মঞ্জুরের পূর্বে ব্যাংক নিশ্চিত হতে চায় ঋণের টাকা সেময়মতো ফেরত পাওয়া যাবে কি না। কেননা অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণ গ্রহণের পর ঋণের অর্থ ঠিকমতো পরিশোধ করে না। ঋণগ্রহীতা যদি কোনো কারণে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে অপারগ হয় তাহলে উক্ত জামানত বিক্রি করে অথবা গ্যারান্টি প্রদানকারী তৃতীয় পক্ষের নিকট হতে ঋণের টাকা আদায় করতে পারে।

Oxford Dictionary of Business- এ উল্লেখ আছে,
জামানত হলো ঋণগ্রহীতা প্রদত্ত এমন কোনো সম্পত্তি, ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তর করে ঋণদাতা তার প্রদত্ত ঋণের টাকা ফেরত পেতে পারে।

উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, ঋণ প্রদান করার সময় ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার নিকট হতে ঋণের টাকা পরিশোধের নিশ্চয়তা স্বরূপ যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত গ্যারান্টি বা তৃতীয় পক্ষ প্রদত্ত গ্যারান্টি জামানত হিসেবে গ্রহণ করে তাকে ব্যাংক ঋণের জামানত বলে।

ঋণের জামানতের প্রকারভেদ|Types of Security Against Bank Loan

যথাযথভাবে ঋণ প্রদানের মাধ্যমেই মূলত ব্যাংক তার সফলতা অর্জন করে। কিন্তু এই ঋণ প্রদান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এই ঝুঁকি নিরসনের লক্ষে ব্যাংক ঋণ প্রদানের পূর্বে ঋণের টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা স্বরূপ বিভিন্ন ধরনের জামানত গ্রহণ করে। জামানত নিম্নোক্ত প্রকারের হতে পারে।

ক. ব্যক্তিক জামানত (Personal Security): গ্রহীতার পক্ষে তৃতীয় কোনো পক্ষ ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করলে তাকে ব্যক্তিক জামানত বলে। গ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক ব্যক্তিগত জামানতদাতার নিকট হতে ঋণের টাকা আদায় করতে পারবে। ব্যাংকের সাথে ঋণগ্রহীতার পরিচয় না থাকলে অথবা আর্থিক লেনদেন না থাকলে অথবা জামানত হিসাবে দেওয়ার মতো কোনো সম্পদ গ্রহীতার না থাকলে ব্যাংক ব্যক্তিগত জামানত বিবেচনা করতে পারে। গ্রহীতা মেয়াদ শেষে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে অপারগ হলে ব্যাংক জামানতকারীর নিকট উক্ত অর্থ আদায়ের পারে। জামানতকারী পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে ব্যাংক উহা আদায়ের জন্য আদালতের আশ্রয় নিতে পারে।

খ. অব্যক্তিক জামানত (Non-personal security): সম্পত্তি সংক্রান্ত সকল প্রকার জামানত হলো অব্যক্তিক বা বস্তুগত জামানত। ভূমি, দালানকোঠা, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র মূল্যবান দ্রব্যসামগ্রী, পণ্যদ্রব্য, বিক্রয়যোগ্য সিকিউরিটি, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র প্রভৃতি হলো অব্যক্তিক জামানতের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ, অব্যক্তিক জামানত আবার নিম্নোক্ত প্রকারের হতে পারে।

১. পূর্বস্বত্ব (Lien): ঋণ পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত যদি জামানতি সম্পত্তির স্বত্ত্ব ও দখল কথদাতার দখলে থাকে তাহলে তাকে পূর্বস্বত্ব বলে। পূর্বস্বত্ব হলো মূলত সম্পত্তির মালিকানার দলিল সম্পর্কিত পূর্বস্বত্ব আবার দুধরনের হতে পারে। যথা:

i. সাধারণ পূর্ব স্বত্ব (General lien): এক্ষেত্রে দাতা (ব্যাংক) তার ঋণের অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত জামানতি সম্পত্তি আটকে রাখতে পারে কিন্তু বিক্রয় করতে পারে না। সেভিংস সার্টিফিকেট বন্ধক রেখে ঋণ প্রদান করা হলে তা সাধারণ পূর্বস্বত্বের আওতায় পড়ে।

ii. বিশেষ বা নির্দিষ্ট পূর্বস্বত্ব (Special or perticular lien): যখন বিশেষ কোনো ঋণের জন্য জামানত হিসেবে বিশেষ কোনো সম্পত্তির দলিল প্রদত হয় এবং ঋণের টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক উক্ত দলিল কেবলমাত্র আটক রাখাই নয়, প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে অথবা চুক্তির শর্তপূরণ সাপেক্ষে দলিলে উল্লিখিত সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে তখন এ ধরনের জামানতকে বিশেষ বা নির্দিষ্ট পূর্বস্বত্ব বলে।

২. পণ্য দ্ৰব্য কথক (Pledge): ঋণহীতা তার গৃহীত ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো পণ্যদ্রব্য জামানত হিসেবে ব্যাংকের নিকট রাখলে তাকে পণ্যন্তব্য কথক বলে। এক্ষেত্রে পণ্যের মালিকানা স্বপ্নগ্রহীতার নিকট থাকলেও দখল স্বত্ব থাকে ঋণদাতার। এক্ষেত্রে গ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক স্বপ্নগ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে এবং কখকি পণ্য অতিরিক্ত জামানত হিসেবে আটকে রাখতে পারে।

উপরন্তু আইন অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করে ব্যাংক কথকি পণ্য বিক্রি করে তার প্রদত্ত ঋণের টাকা আদায় করতে পারে। জামানতের এই ব্যবস্থায় জামানতকৃত সম্পত্তি উক্ত সম্পত্তির নিরাপত্তার দায়িত্ব ব্যাংকের উপর অর্পণ করা হয়।

৩. স্থাবর সম্পদ বন্ধক (Mortgage): স্থাবর সম্পদ বলতে দীর্ঘমেয়াদি স্থানান্তর অযোগ্য সম্পদ যেমন— ভূমি, ভবন প্রভৃতিকে বোঝায়। ঋণগ্রহীতা স্থাবর সম্পত্তি জামানত দিয়ে ঋণ গ্রহণ করলে তাকে স্থাবর সম্পত্তি জামানতের বিপরীতে ঋণ বলা হয়। স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে সাধারণত ঋণগ্রহীতা ঋণদাতাকে স্থাবর সম্পত্তির ওপর অধিকার (interest) এবং অনেক সময় মালিকানা স্বত্ব (title) প্রদান করে। স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিককে (ঋণগ্রহীতা) বন্ধকদাতা (mortgagor) বলা হয়। যার (ঋণদাতা) নিকটে স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দেওয়া হয় তাকে বন্ধক গ্রহীতা (Mortgagee) বলা হয়। স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে স্থাবর সম্পত্তির ওপর বন্ধকদাতা ও বন্ধক গ্রহীতার স্বার্থ, অধিকার এবং দায়িত্ব ১৮৮২ সালের সম্পত্তি স্থানান্তর আইন (Transfer of Property Act-1882) অনুযায়ী নির্ধারিত হয় । সাধারণভাবে লিখিত দলিলের মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক দেওয়া হয়। এরূপ দলিলকে বন্ধক দলিল (Mortgage deed) বলা হয়। অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা ঋণের নিশ্চয়তা স্বরূপ স্থাবর সম্পত্তির অধিকার বা মালিকানা স্বত্ব অথবা উভয়ই ঋণদাতাকে প্রদান করলে এরূপ নিশ্চয়তাকে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বলা হয়। স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক নিম্নোক্ত ধরনের হতে পারে—

i. সাধারণ বন্ধক (Simple mortgage): সাধারণ বন্ধক ঋণগ্রহীতাকে ব্যক্তিগতভাবে ঋণ পরিশোধে দায়বদ্ধ করে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিকানা ও দখল উভয়ই ঋণগ্রহীতার নিকটে থাকে শুধুমাত্র বন্ধকি দলিল প্রস্তুতের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা এ ধরনের বন্ধক প্রদান করে। ঋণগ্রহীতা ঋণের শর্ত পালনে ব্যর্থ হলে আদালতের মধ্যস্ততায় ঋণদাতা এ সম্পত্তি বিক্রয়পূর্বক ঋণের টাকা আদায় করতে পারে।

ii. বিক্রয় শর্তযুক্ত বন্ধক (Mortgage by conditional sale): বিক্রয় শর্তযুক্ত বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকে না। বন্ধককৃত সম্পত্তির দখল ও মালিকানা ঋণগ্রহীতার নিকটেই থাকে। ঋণগ্রহীতা বন্ধকিপত্রে উল্লিখিত শর্ত পালনে ব্যর্থ হলে বন্ধকি সম্পত্তি চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে ঋণদাতার নিকট বিক্রয় করে। এ ধরনের চুক্তির মাধ্যমে বিক্রয়কে প্রকৃত বিক্রয় বলা যায় না। ঋণদাতা আদালতের মধ্যস্ততায় স্থাবর সম্পত্তির দখল (Foreclosure) গ্রহণ করতে পারে। তবে ঋণগ্রহীতা ঋণের অর্থ ফেরত দিলে ঋণদাতা দখলকৃত সম্পত্তি ঋণগ্রহীতাকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে।

iii. খাই-খালাসি বন্ধক (Usufructuary mortgage): এ ধরনের বন্ধককে ঋণগ্রহীতা লিখিতভাবে (Expressly) অথবা আচরণের দ্বারা (by indication) স্থাবর সম্পত্তির দখল ঋণদাতার নিকট অর্পণ করে। ঋণের অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগ-দখলের অধিকার এবং তা হতে অর্জিত আয় (ভাড়া, মুনাফা) প্রাপ্তির অধিকার ঋণদাতা পায়। ঋণদাতার ঋণের অর্থ পরিশোধিত হয়ে গেলে বন্ধকি সম্পত্তি ঋণগ্রহীতাকে ফিরিয়ে দিতে হয়। তবে ঋণগ্রহীতা ৬০ বছরের মধ্যে ঋণের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে সম্পত্তির মালিকানা নিরঙ্কুশভাবে (Absolutely) ঋণদাতার নিকট চলে যায়।

iv. ইংলিশ বন্ধক (English mortagage): ইংলিশ বন্ধকে ঋণগ্রহীতা স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা এবং দখল ঋণদাতার নিকট নিরঙ্কুশভাবে হস্তান্তর করে। তবে এ ধরনের বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ ফেরত দেওয়ার সাথে সাথে সম্পত্তির মালিকানা ও দখল ঋণগ্রহীতার নিকট হস্তান্তরিত হয়। এ ধরনের বন্ধকও ঋণগ্রহীতাকে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ করে।

v. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানার দলিলপত্র বন্ধক (Mortgage by deposite of title deeds): এটি ব্যাংকের দৃষ্টিকোণ থেকে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয়। ঋণগ্রহীতা ঋণের নিরাপত্তার জন্য শুধু স্থাবর সম্পত্তির মালিকানার দলিল ব্যাংকের নিকট জমাদান করে। এ ধরনের বন্ধকে নিবন্ধনের প্রয়োজন পড়ে না।

vi. ব্যতিক্রমী বন্ধক (Anomalous mortagage): এ ধরনের বন্ধক স্থানীয়ভাবে প্রচলিত নিয়ম, প্রথা এবং চুক্তি সম্পাদনের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে এদেরকে নিম্নোক্ত দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়

ক. আইন বন্ধক (Legal mortgage): আইন বন্ধক অনুযায়ী স্থায়ী সম্পদ বন্ধক দেওয়ার সময় একটি আইনানুগ চুক্তি (Legal contract) সম্পাদন করা হয়। অনুরূপ চুক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির ওপর স্বার্থ বা অধিকার (interest or estate) ঋণদাতাকে প্রদান করা হয়। তবে এই মর্মে শর্তযুক্ত থাকে যে, ঋণের অর্থ পরিশোধ করলে উক্ত স্বার্থ বা অধিকার ঋণগ্রহীতার নিকট ফিরে আসবে। আইনি বন্ধকের ক্ষেত্রে সম্পদের ওপর আইনগত অধিকার হস্তান্তর আবশ্যক।

খ. সমতা বন্ধক (Equitable mortgage): সমতা বন্ধক করা হয় স্থাবর সম্পত্তির মালিকানার দলিল ঋণদাতাকে প্রদান তাছাড়াও ঋণগ্রহীতা ঋণদাতার সাথে এমন ধরনের একটি চুক্তি সম্পাদন করে যাতে ঐ সম্পত্তির ওপর ঋণদাতার কিছু স্বার্থ (যেমন- ভাড়া আদায়, ভোগ, ব্যবহার) সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা প্রয়োজন, সমতা বন্ধকে সবসময় চুক্তি সম্পাদন আবশ্যক নয়। এক্ষেত্রে ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার সমঝোতার (Agreement) মাধ্যমে এ ধরনের বন্ধক দেওয়া যায়। তবে সকল ক্ষেত্রেই দলিলপত্রের সাথে সম্পত্তির অধিকার ঋণদাতাকে দিতে হয়। ঋণের অর্থ পরিশোধ হলে ঋণদাতার এ ধরনের অধিকারের সমাপ্তি ঘটে। তবে ঋণদাতা যথাসময়ে ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সম্পত্তির ওপর পূর্ণ অধিকার ঋণদাতা পায় এবং তা বিক্রয় করার অধিকারও পায়। আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়াবলির মীমাংসা করা হয়।

আসুন একটা অঙ্ক করি একসাথে। ধরুন আপনার বেতন ১ লাখ টাকা। আপনার পরিবারে স্বামী স্ত্রী ২ জন ই আয় করেন এবং আপনারা ঠিক করলেন, ...
28/05/2023

আসুন একটা অঙ্ক করি একসাথে।

ধরুন আপনার বেতন ১ লাখ টাকা। আপনার পরিবারে স্বামী স্ত্রী ২ জন ই আয় করেন এবং আপনারা ঠিক করলেন, এক জন এর ১ লাখ টাকা বেতন এর ৩০% সঞ্চয় হবে।

প্রতি মাস এ সঞ্চয় তাহলে ৩০ হাজার টাকা বা বছরে সঞ্চয় 360,000 BDT

এই সঞ্চয় তো আপনি বালিশ এর নিচে রাখবেন না - ধরলাম আপনি নিরাপদ কোথাও ফেলে রাখলেন।

ধরুন সঞ্চয়পত্র বা ফিক্সড ডিপোজিট টাইপ কিছু তে রাখছেন যেটায় এভারেজ ইন্টারেস্ট ৫%

মাস এ ১ লাখ টাকা বেতন সাধারণত স্নাতকোত্তর রা পায় না - ধরলাম আপনি স্নাতকোত্তর করেছিলেন ২৫ বছর বয়সে এবং ৩০ বছর এ যেয়ে আপনি ১ লাখ পাওয়া শুরু করেছেন বেতন।

১০ বছর পরে যখন আপনার বয়স ৪০ - তখন ঐ বিনিয়োগ বেড়ে হবেঃ ৪৭ লাখ টাকার মত।

১৮ বছর পরে যেয়ে যখন আপনার বয়স ৪৮ বছর - তখন আপনার এই বিনিয়োগ হিসাবে ১ কোটির মত টাকা জমবে।

উপরের হিসাবে আপনার কোটিপতি হতে সময় লাগছে প্রায় ১৮ বছরের মত - এবং অনেক গুলা জিনিস আমরা এড়িয়ে যাচ্ছি (যেমন দেশের অর্থনীতি, সুদের হার ৫% থাকা, আপনার ৩০% সঞ্চয় করতে পারা, বড় কোন দূর্ঘটনায় টাকা চলে না যাওয়া ইত্যাদি)

৪৮ বছর বয়স এ যেয়ে কোটিপতি হওয়া খারাপ ডিল না - ভাল ডিল - কিন্তু এখানে একটা সমস্যা আছে।

উপরের সেম হিসাব টা এবার আমরা ইনফ্লেশন ধরে করি।

মার্চ ২০২৩ এ বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট বলছে আমাদের ইনফ্লেশন 9.33%

উপরের এই ইনফ্লেশন নাম্বার টা সহ যদি আমরা আবার একই অঙ্কটা করি - তাহলে এবার ৪৮ বছর বয়সে আপনার ঐ সঞ্চয় টা হবে ২০ লাখ টাকার একটু বেশি।

১ কোটি থেকে কমে কিভাবে এটা ২০ লাখ হয়ে গেল?

এটাই ইনফ্লেশন এর পাওয়ার এবং টাকার মান কমে যাওয়ার ভূমিকা একটা অর্থনীতিতে।

কাগজে কলমে আপনার কাছে ৪৮ বছর বয়সে ঐ হিসাবে ১ কোটি টাকাই থাকবে - কিন্তু টাকার ভ্যালু কমে যাওয়ার কারণে আগে ২০ লাখ টাকায় যা পাওয়া যেত তা কিনতে তখন ১ কোটি টাকা লাগবে!

তার মানে হল কাগজে কলমে আপনি কোটিপতি হবেন - কিন্তু আপনার জীবনযাত্রার মান আসলে তেমন বাড়বে না।

উপরের এই ইকুয়েশন টা সব পূর্ণবয়স্ক মানুষ দের পড়ানো উচিত, বোঝানো উচিত -

কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, পিথাগোরাস এর উপপাদ্য আপনার মুখস্ত হয়েছে নাকি এটা ২০ বার পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষা করবে - কিন্তু মৌলিক অর্থনীতি, যা আপনার সারাজীবন কাজে লাগবে তা আপনি পারেন নাকি বা শিখছেন নাকি - তার খোঁজ কোনদিনও নেবে না।

করযোগ্য আয় থাকুক আর না-ই থাকুক, ন্যূনতম ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কর দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। ন্...
23/05/2023

করযোগ্য আয় থাকুক আর না-ই থাকুক, ন্যূনতম ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কর দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। ন্যূনতম এ কর না দিলে মিলবে না সরকারি-বেসরকারি ৩৮ সেবা।

আগামী ১ জুন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে। সেখানে এই প্রস্তাব দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। কারণ, আয়কর অধ্যাদেশের সঙ্গে বিষয়টি সাংঘর্ষিক হবে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সুত্রঃ প্রথম আলো

19/04/2023

গত ৩১ ডিসেম্বর,২০২২ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডাচ-বাংলা ব্যাংক...

19/04/2023

কেস স্টাডি ১ঃ মতি মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। স্ত্রী এবং দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর ছোট্ট অভাবী সংসার, কোন ভাবে তার দিনকাল ক.....

স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা হয়তো শেষ সম্বল পুড়েছে সবেই। বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা যেন শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন।
06/04/2023

স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা হয়তো শেষ সম্বল পুড়েছে সবেই। বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা যেন শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন।

06/04/2023
ভূমির ই-নামজারি করার জন্য ব্যবহার নির্দেশিকাআবেদনের পূর্বে আবেদনকারিকে নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট লিংক ভালো করে পড়ে নেবার অন...
05/04/2023

ভূমির ই-নামজারি করার জন্য ব্যবহার নির্দেশিকা
আবেদনের পূর্বে আবেদনকারিকে নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট লিংক ভালো করে পড়ে নেবার অনুরোধ করা হলো।

সরকার রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনসহ এতদসংক্রান্ত অন্যান্য আইনের বিধানবলে দীর্ঘকাল পর পর ভূমি জরিপের মাধ্যমে ভূমির মালিকানা স্বত্বলিপি ( মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান) প্রস্তুত করে। জরিপ-পরবর্তী সময়ে খতিয়ানে রেকর্ডীয় ভূমি মালিকের মৃত্যুতে উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা রেকর্ডীয় মালিক বা তার উররাধিকারীগণ হতে ক্রয়-বিক্রয় বা বিভিন্নভাবে হস্তান্তর সূত্রে মালিকানা পরিবর্তনের ফলে উক্ত ভূমিস্বত্ব হালনাগাদ করার জন্য সহকারি কমিশনার(ভূমি)র নিকট নামজারি আবেদন করতে হয়। ভূমির মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে সহজে ও দ্রুত নামজারি করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে নামজারি ফি পরিশোধের ব্যবস্থাসহ ই-নামজারি সিস্টেম চালু করেছে।

নির্ভুলভাবে ফরম পূরণ এবং সঠিক তথ্য প্রদানের ফলে নামজারি আবেদন নিস্পত্তি সহজতর হয়। বিভিন্ন ভুল বা তথ্যের গরমিলের কারণে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হয়ে থাকে। অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানপূর্বক নামজারি আবেদন ফরম পূরণ ও দাখিল, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংযুক্তি, ফি পরিশোধ প্রভৃতি কাজ নির্ভুল ভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত আবেদনকারীকে এই নির্দেশিকা ভালভাবে পাঠ করে ও বুঝে সঠিকভাবে পূর্ব-প্রস্স্তুতি গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো ।

১। আপনি অন-লাইন নামজারি সিস্টেমে ঢুকে পাশাপাশি “অনলাইনে আবেদন করুন” এবং “আবেদন ট্র্যাকিং” নামে দুটি অংশ দেখতে পাবেন। বাম পাশে “অনলাইনে আবেদন করুন”অংশের নীচে “নামজারি আবেদনের জন্য ক্লিক করুন” লেখায় ক্লিক করে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। তার আগে আপনাকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।

২। আবেদন দাখিলের সময় আপনাকে আবেদন ফি ২০/- ও নোটিশ জারি ফি ৫০/- মোট ৭০/ টাকা শুধুমাত্র অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। এজন্য আপনি নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায়,ভিসা কার্ড, মাস্টার্ড কার্ড সহ অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্টস ব্যবহার করতে পারবেন, বিধায় আবেদন করার সময় সুবিধাজনক একটি মাধ্যমে ৭০/-টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা হাতের কাছে রাখুন।

৩। আবেদন ফরমের প্রথমেই নামজারির জন্য আবেদিত জমিটি আপনি ক্রয়, ওয়ারিশ, হেবা, ডিক্রি, নিলাম, বন্দোবস্ত, অন্যান্য কী সূত্রে পেয়েছেন তা চিহ্নিত করতে হবে। এখনে উল্লেখ্য যে ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে অন লাইনে ক্রয়সূত্রে নামজারি আবেদন ফরমটি আরও তথ্য সমৃদ্ধ করেছে, তাই ক্রয়সূত্রে সিলেক্ট করলে আপনার সামনে নতুন একটি ফর্ম আসবে, এতে আপনাকে কিছু বর্ধিত তথ্য দিতে হবে, ক্রমান্বয়ে অন্যান্য সকল সূত্রে আবেদনের জন্য পৃথক পৃথক ফরম ডেভেলপ করা হবে। ক্রয়সূত্রে ছাড়া অন্যান্য সূত্রের ক্ষেত্রে পূর্বতন ফরমটিই চলমান আছে।

৪। আবেদিত জমির তথ্য অংশে আপনি ক্রমান্র্বয়ে বিভাগ, জেলা, উপজেলা সিলেক্ট করার পর মৌজা সিলেক্ট করবেন। মৌজার দীর্ঘ তালিকা থেকে আপনার মৌজাটি খুঁজে পেতে মৌজার নাম ও জেএল নম্বর স্মরণ রাখবেন। উল্লেখ্য যে একটি নামজারি আবেদন শুধুমাত্র একটি মৌজার জমি্র মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অর্জিত জমি একাধিক মৌজায় হলে প্রতিটি মৌজার জমি নামজারির জন্য পৃথক পৃথক আবেদন করতে হবে।

৫। নামজারির আবেদন সর্বশেষ জরিপ রেকর্ডের ভিত্তিতেইহবে, সেমতে আপনাকে আপনার এলাকার জন্য এসএ/এমআরএস, আরএস/বিএস, মহানগর, দিয়ারা, সিএস যা প্রযোজ্য জরিপটি সিলেক্ট করতে হবে, এজন্য আপনি এ বিষয়ে আগেই নিশ্চিত হয়ে সিলেক্ট করবেন।

৬। আপনাকে জমির খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, আবেদিত জমির পরিমাণ , খতিয়ানে উক্ত দাগে জমির পরিমাণ টাইপ করে দিতে হবে। অনুরূপ ভাবে একই খতিয়ান থেকে বা একই মৌজাভুক্ত একাধিক খতিয়ান থেকে আরও দাগে আরো জমি এই নামজারির সাথে যুক্ত করতে হলে সেক্ষেত্রে “আরও খতিয়ান সংযুক্ত করুন” ও “আরও দাগ সংযুক্ত করুন” চেপে আরও খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, আবেদিত জমির পরিমাণ , খতিয়ানে উক্ত দাগে জমির পরিমাণ ইত্যাদি টাইপ করে দিতে হবে। নির্ভুল তথ্যভুক্তির স্বার্থে আপনি আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ কম্পিউটারে আপনার নামে একটি ফোল্ডার করে তাতে একটি ওয়ার্ড ফাইলে জমির খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, আবেদিত জমির পরিমাণ, খতিয়ানে উক্ত দাগে জমির পরিমাণ , মোট আবেদিত জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য অভ্র নিকশ ফন্টে টাইপ করে রাখতে পারেন। জমির পরিমাণ একরে প্রদান করবেন। আবেদনের সময় আপনি তথ্যগুলো কপি-পেস্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন।

৭। আবেদন ফরমটি পূরণের সময় আপনাকে নিম্নোক্ত তথ্যসমূহ টাইপ করে দিতে হবে-

দলিলসূত্রে জমির মালিক হলে দলিল নম্বর, দলিলের তারিখ ( সন মাস দিন সিলেক্টের মাধ্যমে) ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম।
খতিয়ানে রেকর্ডীয় মালিকের বা মালিকগণের নাম, পিতা/স্বামীর নাম ও পূর্ণ ঠিকানা।
আবেদনকারী বা আবেদনকারীগণের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা, সক্রিয় বাংলাদেশী মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ( তদাভাবে পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র নম্বর) ও ইমেইল এড্রেস।
আবেদনকারী যদি যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর(RJSC)’এর নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানের নাম, প্রতিনিধির নাম, প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, পদবি, প্রতিষ্ঠানের RJSC রেজিট্রেশন নং, নিবন্ধন তারিখ, জেলা, উপজেলা, ঠিকানা।
আবেদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা হলে প্রতিষ্ঠানের নাম, প্রতিনিধির নাম, প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, পদবি।
আবেদনকারী RJSC নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, প্রতিনিধির নাম, প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, পদবি।
যাদের নাম হতে কর্তন করে নামজারি দেয়া হবে তাদের এবং যাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে নোটিশ দিতে হবে তাদের সকলের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর।
আবেদনকারী নিজে না হয়ে প্রতিনিধি মারফতে আবেদন করলে উক্ত প্রতিনিধির নাম ও পূর্ণ ঠিকানা, সক্রিয় বাংলাদেশী মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (তদাভাবে পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র নম্বর )ও ইমেইল এড্রেস, বয়স ও আবেদনকারীর সাথে সম্পর্ক। এবং আবেদিত জমি দাতা বা দাতা মৃত হলে তার ওয়ারিশের এবং দাতা কোন প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিনিধির নাম ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ ও মোবাইল নম্বর, পদবি, RJSC নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রেজিষ্ট্রেশন নম্বর , তারিখ, জেলা, উপজেলা, ঠিকানা।

লক্ষ্য করুন, এইসব তথ্য ফরমে সরাসরি লিখতে গেলে ভুল হয়ে যেতে পারে, তাই এগুলো আগে থেকেই আপনি আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ কম্পিউটারে আপনার নামে খোলা ফোল্ডারটিতে একটি ওয়ার্ড ফাইলে অভ্র নিকশ ফন্টে টাইপ করে রাখতে পারেন, যা যথাসময়ে কপি-পেস্ট করে আবেদন ফর্ম পূরণ করা সহজ হবে।

৮। আবেদন ফর্ম পূরণের সময় আপনাকে আবেদনকারী/অবেদনকারীগণের প্রত্যেকের এবং আবেদনকারী নিজে না হয়ে প্রতিনিধি হলে প্রতিনিধির অর্থাৎ আবেদনকারী পক্ষের প্রত্যেকের এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি,নিজ নিজ স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয় পত্র/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধ সনদ(যাহা প্রযোজ্য), আবেদনকারী RJSC নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হলে নিবন্ধন সনদ, উওরাধিকার সূত্রে নামজারি হলে উত্তরাধিকার সনদ পত্র, সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা প্রভৃতি প্রমাণকের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে, এইসব স্বাক্ষর ছবি ও কাগজ আলাদা আলাদাভাবে jpg বা png ফরমেটে স্ক্যান করে আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ কম্পিউটারে আপনার নামে খোলা ফোল্ডারটিতে রাখতে পারেন, যা ফরম পূরণের সময় যথাসময়ে Chose file ক্লিকের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে পারবেন।

৯। আবেদিত জমির খতিয়ানের কপি, ক্রয়সূত্রে হলে দলিলের কপি, আদালতের রায়-ডিক্রি সূত্রে হলে রায় ডিক্রির কপি, অন্য সূত্রে হলে সংশ্লিষ্ট কাগজাদির কপি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্তির ক্ষেত্রে স্ক্যান ফাইলটি অবশ্যই pdf ফরমেটে হতে হবে। অন্য কোন ফরম্যাটে ফাইলটি আপলোড করা যাবে না। এক্ষেত্রেও আপনি এইসব ডকুমেন্ট আলাদা আলাদাভাবে pdf করে আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ কম্পিউটারে আপনার নামে খোলা ফোল্ডারটিতে রাখতে পারেন, যা ফর্ম পূরণের সময় যথাসময়ে Chose file ক্লিকের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে পারবেন। প্রতিটি স্ক্যান ফাইল আপলোড করার পর তা কি ধরণের ফাইল ( দলিল /খতিয়ান/ওয়ারিশ সনদ ) তা ড্রপ ডাউন হতে সিলেক্ট করে নিতে হবে।

১০। প্রতিটি pdf ফাইলের সাইজ অবশ্যই সর্বোচ্চ 1.25 MB এর মধ্যে হতে হবে এবং সবগুলো সংযুক্তি ফাইল মিলিয়ে অবশ্যই 25 MB এর মধ্যে হতে হবে। সামগ্রিক ফাইল 25MBএর বেশি হলে https://www.pdf2go.com/resize-pdf অথবা https://www.sejda.com/compress-pdf অথবা এ ধরণের যেকোন অনলাইন টুল ব্যবহার করে pdf ফাইলের সাইজ কমানো যায় এবং Microsoft Office – Edit Pictures-Compress Pictures ব্যবহার করে ক jpg বা png ফাইলের সাইন কমিয়ে আনা যায়।

১১। কারিগরি সমস্যার কারণে ডকুমেন্ট ছাড়া আবেদন সাবমিট করতে চাইলে নিম্নোক্ত যেকোনো একটি অপশন নির্বাচন করে যাবে -
“আমি আবেদন সাবমিট করার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে সকল ডকুমেন্ট (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র) এসিল্যান্ড অফিসে এসে জমা দিবো / আমি শুনানির দিন সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিবো।”

১২। আরও জ্ঞাতব্য: ক্রয়সূত্রে ফরমে আবেদনের সময় মৌজা নির্ধারণ করে আবেদনকারিকে একটি ঘোষণা প্রদান করতে হবে। অসত্য তথ্য প্রদানে আবেদন বাতিল হবার পাশাপাশি আইনগত শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে বিধায় আবেদনকারিকে অবশ্যই সঠিক ঘোষণা প্রদান করতে হবে। যে সকল বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে –

ক) সর্বশেষ রেকর্ড অথবা সর্বশেষ নামজারি হতে জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা আছে কি না অর্থাৎ মধ্যবর্তী হস্তান্তরের প্রমাণপত্র/বায়া দলিলসমূহ আছে কিনা?
খ) আবেদনকারীর দলিলমূলে মালিকানা দাবী ও হিস্যা সঠিক আছে কি না?
গ) আবেদিত জমি দখলে আছে কি না? যদি আবেদিত জমি দখলে না থাকে, তাহলে একটি ব্যাখ্যা আবেদনের সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
ঘ) আংশিক খাস/ অর্পিত/ অধিগ্রহণকৃত আছে কি না? আবেদিত জমি আংশিক খাস/ অর্পিত/ অধিগ্রহণকৃত হলে নিষ্কণ্টক অংশ আলাদাভাবে চিহ্নিত করার প্রমাণক সহ ব্যাখা দিতে হবে।
ঙ) আবেদিত জমিতে কোন দেওয়ানী মামলা আছে কিনা ? মামলা থাকলে হস্তান্তরে কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি না? নিষেধাজ্ঞা নাই মর্মে আদালতের ইনফরমেশন স্লিপ সংযুক্ত করতে হবে।
চ) জমিতে সরকারি স্বার্থ আছে কি না? থাকলে কোন ধরণের স্বার্থ আছে, তা নির্বাচন করতে হবে। দাগে সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অংশ (খাস / অর্পিত / পরিত্যক্ত / ওয়াকফ / বিনিময় / দেবোত্তর / অধিগ্রহণকৃত / খাসমহাল / কোর্ট অফ ওয়ার্ডস / সরকারি সংস্থা / অন্যান্য) চিহ্নিত করে আবেদিত জমি এর বাইরে হলে কোন অংশে তা চিহ্নিত করতে এবং ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।
ছ) সর্বশেষ অর্থ বছর পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা আছে কি না? ভূমি উন্নয়ন কর হাল নাগাদ না থাকলে আবেদনকারী তা হারাহারি ভাবে বকেয়াসহ হালনাগাদ পরিশোধ করবেন মর্মে ঘোষণা দিতে হবে।
জ) আবেদনে বর্ণিত তফসিল জমি এপার্টমেন্ট বা ফ্লোর স্পেস কি না? যদি তা হয় তবে এপার্টমেন্ট নম্বর প্রদান করতে হবে, শুধু জমির জন্য এপার্টমেন্ট/ফ্লোর নম্বর প্রদান করতে হবে না।
ঝ) আবেদনকারী/আবেদনকারীগণের এই মৌজায় বর্তমানে কোনো খতিয়ান আছে কিনা? যদি তাদের আবেদিত জমির মৌজায় এক বা একাধিক খতিয়ান থাকে, তাহলে হ্যাঁ নির্ধারণ করে খতিয়ান নম্বর/ নম্বরসমূহ এন্ট্রি করুন। দুটি খতিয়ান নম্বরের মাঝে কমা (,) অথবা সেমিকোলন (।) ব্যবহার করবেন। ঘোষণা প্রদানের পর, জমির তফসিল সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।
১৩। ফরম পূরণের সকল কাজ সম্পন্ন হলে আপনি দাখিল বাটনে ক্লিক করে আবেদনের একটি প্রিভিউ দেখতে পাবেন। প্রিভিউটি ভালোভাবে দেখে নির্ভুলতা যাচাই করে নিন। যদি কোনো তথ্য সংশোধন করতে হয়, তাহলে আবেদন জমা (দাখিল) বাটন নিশ্চিত করার আগেই প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিতে পারবেন। একবার আবেদন জমা হয়ে গেলে আপনি আর সংশোধন করতে পারবেন না। আবেদন প্রিভিউ এর কপি সেভ ও প্রিন্ট করে রাখুন। (দাখিল) বাটন নিশ্চিত করার পর আবেদন নম্বরসহ একটি পেজ আসবে, যা সেভ ও প্রিন্ট করে রাখুন। আবেদন নম্বরটি ট্র্যাকিং নম্বর হিসেবে ব্যবহার করে পরবর্তীতে আপনার এই নামজারির সকল তথ্য অনুসন্ধান করতে পারবেন।

১৪। আবেদন জমা হয়ে গেলে আবেদন নম্বর সহ যে পেজ আসবে সেই পেজে আবেদন ও নোটিশ ফি একত্রে ৭০/-টাকা অন-লাইনে জমা করার জন্য মোবাইল ওয়ালেট কিংবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং থেকে সুবিধাজনক একটি অপশনে ক্লিক করে অগ্রসর বাটন চেপে নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনি নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায়,ভিসা কার্ড, মাস্টার্ড কার্ড সহ অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্টস ব্যবহার করে পেমেন্ট করার সুযোগ পাবেন। পেমেট হবার পর আবেদন নম্বর সহ পেমেন্ট কনফার্মেশনের একটি মেসেজ আসবে। এই মেসেজের নীচে থাকা পেমেন্ট রিসিপ্ট বাটন চেপে টাকা জমার রিসিপ্ট পাবেন ও প্রিন্ট করে নিতে পারবেন, তাছাড়া মেসেজের নীজে থাকা আবেদন প্রিন্ট বাটন চেপে আবেদনটি প্রিন্ট করতে বা পিডিএফ কপি সংরক্ষণ করে নিতে পারবেন।

১৫। আপনি অনলাইনে শুনানি করতে চাইলে পেমেন্ট করার পর্যায়ে এই প্রশ্নে হ্যাঁ নির্বাচন করবেন অথবা http://oh.lams.gov.bd লিংকে অনুরোধ প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন এবং অনলাইন শুনানির জন্য একটি লিংক আবেদনে প্রদত্ত মোবাইলে পাঠাবেন। শুনানির পূর্বে খসড়া খতিয়ানটি নাগরিক কর্নার হতে দেখা যাবে। খসড়া খতিয়ানে কোন তথ্য ভুল থাকলে শুনানির সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে অবগত করবেন।

১৬। সাধারণত একটি ভূমি নামজারি প্রক্রিয়া ২৮ দিনে নিস্পত্তি হয়ে থাকে। সহকারী কমিশনার ভূমি এই আবেদনের চূড়ান্ত অনুমোদনের আদেশ করা পর অফিস সহকারী অনলাইনে খতিয়ান প্রস্তুত করবেন। খতিয়ান প্রস্তুত হলে ডিসিআর (DCR) ফী প্রদানের জন্য সিস্টেমে প্রদত্ত মোবাইলে SMS পাঠানো হবে। এ পর্যায়ে land.gov.bd তে গিয়ে ই-নামজারি পেজে আবেদন ট্র্যাকিং অপশনে বিভাগ সিলেক্ট করে আবেদন নম্বর জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর দিয়ে ট্রাকিং করে আবেদন মঞ্জুর হয়েছে কিনা যাচাই করতে পারবেন এবং পেজে দেয়া মোবাইল ওয়ালেট কিংবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং থেকে সুবিধাজনক একটি অপশনে ক্লিক করে অগ্রসর বাটন চেপে নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনি নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায়,ভিসা কার্ড, মাস্টার্ড কার্ড সহ অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্টস ব্যবহার করে অনলাইনে ডিসিআর (DCR) ফী ১,১০০ টাকা পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। অনলাইনে ডিসিআর (DCR) ফী ১,১০০ টাকা পরিশোধ করলে অনলাইনেই চালান প্রক্রিয়া শুরু হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালান পরিশোধিত হলে https://mutation.land.gov.bd/ এই লিঙ্ক এ গিয়ে আবেদন ট্র্যাকিং করে খতিয়ান প্রিন্ট এবং ডিসিআর প্রিন্ট কপিটি পাবেন।

১৭। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ০২ নভেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দের স্মারক নং ৩১.০০.০০০০.০৪২.৮.০১১.২০-৫৫৯ নির্দেশনা মোতাবেক কিউআর কোডযুক্ত (Quick Response Code) অনলাইন ডিসিআর (Duplicate Carbon Receipt) ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদত্ত ডিসিআর-এর সমতুল্য এবং আইনগতভাবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগ্য হবে। তাই আপনাকে ভূমি অফিসে গিয়ে কোন ম্যানুয়াল ডিসিআর সংগ্রহ করতে হবে না।

১৮। নামজারি খতিয়ান আবেদন বিষয়ক তথ্যের জন্য কলসেন্টারের 16122 নম্বরে অথবা ভূমিসেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানানোর জন্য https://hotline.land.gov.bd লিংক ব্যবহার করুন

অনলাইন শুনানী ব্যবস্থাপনা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্ম বন্টন তালিকা।
02/04/2023

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্ম বন্টন তালিকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ পুনঃ তফসিলীকরণ সম্পর্কিত সার্কুলার।
02/04/2023

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ পুনঃ তফসিলীকরণ সম্পর্কিত সার্কুলার।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর কর্তব্য তালিকা।
02/04/2023

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর কর্তব্য তালিকা।

02/04/2023

Address

Hobigonj Road
Maulvi Bazar
3210

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801734784098

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ms Md Shamsul Alam Shahi Trading posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ms Md Shamsul Alam Shahi Trading:

Share