Ahmed Trading Corporation (ATC)

Ahmed Trading Corporation (ATC) Welcome to the official page of আহমেদ ট্রেডিং কর্পোরেশন --

ATC Believe
in
Build Your Business Through Showing Your People How To Build Your Reputation.

একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জিও-ইকোনমিক সংঘর্ষ । চীন বনাম আমেরিকা। আপনারা জানেন রিসেন্টলি আমেরিকা চীনা পণ্যের উপর ১৩৫% পর্...
26/04/2025

একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জিও-ইকোনমিক সংঘর্ষ । চীন বনাম আমেরিকা।

আপনারা জানেন রিসেন্টলি আমেরিকা চীনা পণ্যের উপর ১৩৫% পর্যন্ত ট্যারিফ আরোপ করেছে। চীনও চুপ করে বসে থাকেনি। পাল্টা জবাবে তারা ১৪৫% পর্যন্ত রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাপিয়েছে আমেরিকান পণ্যে।

কিন্তু আসল খেলা শুরু হয়েছে লাক্সারি মার্কেটকে কেন্দ্র করে। কি রকম খেলা?

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি লাক্সারি ব্র্যান্ড প্রোডাকশন হয়ে থাকে চীনে। যেমন: Vuitton , , , , , , , , , Saint Laurent, এমনকি , , -এর যন্ত্রাংশ পর্যন্ত ম্যানুফ্যাকচার হয় চীনেই।

তাহলে চীন কী করছে?

শুধু ট্যারিফেই নয়, তারা একটা সাইকোলজিক্যাল ও মার্কেটিং বোমা ফাটিয়েছে। লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলোর রিয়েল প্রোডাকশন কস্ট এক্সপোজ করে দিয়েছে। টিকটক খুললেই দেখতে পারবেন কি পরিমাণ মার্কেটিং তারা চালাচ্ছে।

ধরেন:

যে Birkin Bag বিক্রি হয় $25,000 ডলারে, চীনে সেটার প্রোডাকশন কস্ট মাত্র $180।

Dior-এর একজোড়া হিল বিক্রি হয় $1200-এ, অথচ ফ্যাক্টরি কস্ট $40।

Gucci Belt যা বাজারে $700, চীনে প্রোডাকশন কস্ট $25 । -র একটা টি শার্ট বাজারে $400 কিন্তু চীনে প্রডাকশন কস্ট - $20

এমনকি আইফোনের মডিউলার পার্টস—প্রতি সেটের কস্ট মাত্র $100 । ক্যান ইউ ইম্যাজিন? শুধু সফটওয়্যার ইনস্টল দিয়ে ওরা আইফোনের প্রাইস বানাই দিচ্ছে $1000- $1500.

মজার বিষয় হচ্ছে চীন শুধু এটা এক্সপোজ করেই থেমে থাকেনি। তারা সরাসরি রিয়েল প্রাইস-এ ওই প্রোডাক্টগুলোর OEM (Original Equipment Manufacturer) ভার্সন বিক্রির জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস পর্যন্ত খুলতেছে।

এই সাইটগুলোতে এখন আপনি ১০,০০০ ডলারের স্যুট পাবেন ১০০ ডলারে। একই মেটেরিয়াল, একই ফিনিশিং, পার্থক্য শুধু লোগোতে। অর্থাৎ লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে আপনি উৎকৃষ্ট মানের প্রোডাক্ট কেনেন না আপনি কেনেন ব্রান্ডের লোগো।

চীনের এই কৌশল শুধু মার্কেট ডিসরাপ্ট করছে না, বরং আমেরিকার ব্র্যান্ড ইকুইটির উপর বড় ধরনের থ্রেট তৈরি করছে। এটা নিঃসন্দেহে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় Warfare - যেখানে চীন সরাসরি আমেরিকান কনজ্যুমার মার্কেটের পারসেপশন অফ ভ্যালু ভেঙে দিচ্ছে।

চীন বুঝিয়ে দিচ্ছে—Luxury is not quality. It’s branding manipulation. আমেরিকা ভুল জাতির সঙ্গে টেক্কা লাগিয়েছে। হ্যা আমেরিকাকে বিট করার মতো রাষ্ট্র পৃথিবীতে এখনো নাই। তবে নিয়ারেস্ট কনটেন্ডার কেউ থাকলে সেটা চীন ই। আর এই লড়াইয়ে আপাতত চীন এগিয়ে।
লেখক: নাজমুস সাকিব।

business is business!Ten Unknown Facts About  1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in ...
26/04/2025

business is business!



Ten Unknown Facts About

1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.

2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.

3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.

4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.

5. Global Presence: BMW is a global automotive Company

6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.

7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.

8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.

9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxury segments.

10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural icons, featured in fi

Ten Unknown Facts About  1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germa...
11/09/2024

Ten Unknown Facts About

1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.

2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.

3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.

4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.

5. Global Presence: BMW is a global automotive Company

6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.

7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.

8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.

9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxury segments.

10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural icons, featured in fi

29/07/2024

তিন চার বছর বয়সের একটা বাচ্চাকে ১০ টাকার একটা কচকচে নোট দিয়ে তার পুরোনো ৫০ টাকার নোটটা এক্সচেইন্জ করে নেয়া যায়। কারন, সে চাকচিক্য বোঝে, value বোঝে না।

এডাল্টদের মধ্যেও এই naiveness আছে - ডিফ্রেন্ট পেটার্নে। একটা খেলার মাঠ কিংবা পার্ক উজাড় করে দিয়ে একটা শপিং কমপ্লেক্স করা হলে এরা উন্নয়ন দেখে। Bigger picture টা এরা দেখে না।

সময় থাকলে 'Why Nations Fail' বইটা পড়ে দেখতে পারেন। অনেক ডট্স কানেক্ট করতে পারবেন।
প্রায় একই জাতিসত্তা থাকার পরও সাউদ আমেরিকার দেশগুলো কেন নর্থ আমেরিকা থেকে এতটা পিছিয়ে, খুব সুন্দর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। উনিশ এবং বিংশ শতাব্দী জুড়ে পৃথিবীতে যতো innovation হয়েছে, তার অধিকাংশই হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। ব্যাপারটা কাকতালীয় না। সবকিছুর মূল ওই এক জায়গাতেই। Democratic society & Rule of Law.

বলা হয়, এমন একটা সোসাইটি ইস্টাবলিশ্ড না হলে পৃথিবী হয়তো কখনো থমাস এডিসনের ইলেকট্রিক বাল্ব পেতো না। এট লিস্ট আরো পঞ্চাশ বছরেও না।
কোথায় গনতন্ত্র আর কোথায় বৈদ্যুতিক বাল্ব! হাসি পাচ্ছে না? শত শত মেধাবীর লা*শ পেরিয়ে মেট্রো রেইলের ভাঙা মনিটর দেখে কান্না পেলে, এই কথায় হাসি পাবে- খুব স্বাভাবিক।

Samsung, Hyundai, LG, Kia - এই বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো সাউদ কোরিয়ায় না হয়ে নর্থ কোরিয়ায় হতে পারতো না? কখনো প্রশ্ন জেগেছে মনে? তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, মেধা, ভৌগলিক অবস্থান- সবই তো এক! তবুও নর্থ কোরিয়া আজকে এতো পিছিয়ে কেন? মেট্রো রেইল আর ব্রীজ কি তারা করেনি? করেছে। তবুও সাউদ কোরিয়া হয়ে উঠতে পারলো না কেন? পারেনি কারন, তাদের দেশের কিছু মানুষ ভাবতো, "বিকল্প নেই"।

আমরা বুঝতে পেরেছি আমাদের 'সিঙ্গাপুর' হতে হবে। কিন্তু 'সিঙ্গাপুর' হওয়ার প্রসেসটা আমাদের পছন্দ না। ডেমক্রেসি বুঝি না। শুধু ডেভেলপমেন্ট বুঝি। আম্বানি হতে চেয়ে আমরা betting shop এর দিকে ছুটছি।

১৪ই ডিসেম্বরে শোক প্রকাশ করি। অন্যদিকে সহস্র মেধা হারিয়েও স্থাপনা নিয়ে আহাজারি করি।

আমাদের হাত থেকে হাজার টাকার নোট নিয়ে ছিড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলা হলো। আমরা তাকিয়ে আছি দশ টাকার কচকচে নোটের দিকে।

লেখক- Symoon Islam

29/07/2024

যুগে-যুগে যত সরকার, যত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বড়-বড় entity ডাউনফল করেছে; তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফল করেছে একটা জেনারেশনের পর আরেকটা জেনারেশনের ট্রানজিশনটা ধরতে না পারায়।

জেনারেশন জেড, কিংবা Gen-Z, এই জেনারেশনের ব্যাপারে আমার প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। কারণ মূলত ওরাই আমার ফরমায়েশি লেখা এবং প্রোডাক্ট— দুইটারই টার্গেট কনজিউমার।

ওরা সম্পূর্ণ আলাদা ধাঁচে বড় হয়েছে। ওরা সোশ্যাল মিডিয়া আর ইন্টারনেট দিয়ে ওদের জীবন চালায়। ওদের কোনো ব্যারিয়ার নাই। ওরা Global Citizen। দেশের সীমানা ওদেরকে আটকায় না।

আপনি টিভিতে যা-খুশি, দেখান। লাভ নাই। কেননা ওরা টিভি দেখেই না। এ-কারণে এরা স্বাধীন এবং স্বশিক্ষিত। ওদের learning source ওরা নিজেরাই। শেয়ারিং বেসিসে একজন আরেকজনের কাছ থেকে শেখে এবং পাশে থাকে।

এ-কারণেই Ten Minutes School-এর মতন প্রতিষ্ঠা এত জনপ্রিয়। ওরা ওদের মতোই কারো কাছ থেকে শিখতে চায় এবং খুব দ্রুত শিখতে চায়। দশ মিনিটেই শিখতে চায়।

এই যে দেশের IT সেক্টর নিয়ে আমরা এত বড়াই করি, এই সেক্টরের লাইফ লাইন কারা? এই Gen Z-ই তো। আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কি এগুলো শেখানো হয়?

না, হয় না! তা হলে এরা শিখল কীভাবে?

ওরা নিজে-নিজে শিখেছে। মাসে লাখ-লাখ টাকা কামাই করছে তাদের স্বশিক্ষা দিয়ে, যা আপনার-আমার মতন পুরোনো প্রজন্মের কাছে কল্পনাতীত। তাই আমরা এখনো প্রাগৈতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গৌরব নিয়ে বড়াই করি।

এই যে মীর মুগ্ধ ছেলেটা কপালে গুলি খেয়ে মারা গেল, তার ফাইভার প্রোফাইল দেখলাম। সে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেতন স্কেলের চেয়ে বেশি টাকা মাসে আয় করত।

সে কেন এসেছিল আন্দোলনে? সে দেখেছে তার বন্ধুরা স্ট্রাগল করছে। সে এসেছিল ভলান্টিয়ার হিসেবে। নিজের কামাই করা টাকায় পানি কিনে দিচ্ছিল। পানি খাওয়াতে এসে, কপালে গুলি খেল।

আইইউটি-এর একটা ছেলে মারা গেল। প্যারালাল ল্যান্ডিং করতে পারে— এমন ড্রোন বানিয়েছে সে, যার বাজারমূল্য প্রায় বারো লাখ টাকা। কে শিখিয়েছে তাকে এসব? সে নিজে-নিজে শিখেছে।

বাকি আন্দোলনকারীদের খোঁজ নিন। দেখবেন বেশিরভাগই এরকম। স্বশিক্ষিত ছেলেমেয়ে। যারা উল্টাপাল্টা সহ্য করতে পারে না।

এই যে স্বশিক্ষা এবং স্বনির্ভরতা এই দুইয়ের কারণে এদের আত্মমর্যাদা প্রচণ্ড রকমের। আপনি জাস্ট তাদেরকে অপমান করতে পারবেন না পূর্ববর্তী জেনারেশনেগুলোর মতন।

জেন-জির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি হলো ওরা খুব ডিরেক্ট। যা চায় সরাসরি বলবে, যা করতে চায় সরাসরি করবে।

ঘোরানো-প্যাঁচানো ডিপ্লোম্যাসিতে ওরা খুব বিরক্ত হয় এবং যেহেতু ওরা পৃথিবীর সবকিছুরই কম বেশি জ্ঞান রাখে (মিনিটে-মিনিটে Google করে) ওরা খুব ভালো করেই বোঝে কোনটা মুলা ঝোলানো আর কোনটা আন্তরিকতা।

এর আরেকটা উদাহরণ দিই, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতন বুদ্ধিজীবীকে মোটামুটি মুছে দিতে তাদের একদিনও সময় লাগেনি। এ-রকম ভয়ংকর বুদ্ধিবৃত্তিক পতন বাংলাদেশের ইতিহাসে আর একটাও ঘটেনি আমার জানামতে।

এর কারণ জাফর ইকবাল ডিরেক্ট না। তার ভুলকে ভুল, ঠিককে ঠিক বলার মতন সাহস কিংবা ইচ্ছে ছিল না। এর ফলে ওনার বুদ্ধিজীবী থেকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীতে রুপান্তরিত হতে একদিনও লাগেনি।

মিলেনিয়ালদের মধ্যে যদি আপনি খোঁজ নেন দেখবেন বিশজনে হয়তো একজন নিজের জীবনের বাইরে বর্তমান পৃথিবীর খবর রাখছে। কিন্তু জেন-জি প্রতি দশে পাঁচজনই এসব খবর কম-বেশি রাখে।

এই যে গত ছয়-সাত বছরে অনেকগুলো আন্দোলন হলো দেশে, দুই দফা কোটা, এক দফা সড়ক-আন্দোলন, ছোট একটা কোভিড-আন্দোলন। ওদের কথা একটাই ছিল— বদলান। পরিবর্তন আনেন। হয় করেন, না পারলে সরেন।

সরকার পরিবর্তন তো চায়নি ওরা। চেয়েছিল সরকারের মন-মানসিকতার পরিবর্তন। একটু চিন্তা করুন। যখন সরকার নিজেকে মডিফাই করতে অস্বীকার করল, তখন ওরা বলল— এবার তাহলে হোক সরকার পরিবর্তন।

জেন-জির সহজাত প্রবৃত্তি এটাই। রাষ্ট্র বোঝেইনি তাদের সাইকোলজি। কেননা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের কাছে এই জেনারেশনের উপর কোনো প্রপার রিসার্চ নাই। সেই প্রাগৈতিহাসিক divide and rule দিয়ে তাদেরকে দমন করতে গিয়ে উল্টো আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন।

এই যে পুলিশের সাথে ক্ল্যাশ হলো। পুলিশের কাজ ওদের ভালো লাগেনি। ওরা শ্লোগান দিল— 'পুলিশ চুদি না।'

আপনি-আমি এটাকে গালি হিসেবে নেব। কিন্তু ওরা বোঝাচ্ছে আমরা পুলিশকে কেয়ার করি না। । ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত ওরা দিনে কম করে হলেও বিশবার I don't give a f**k (I don't care) কথাটা শোনে। তারই স্রেফ বাংলা অনুবাদ এইটা।

এই যে গালি। এইটা ওদের রাগ-ক্রোধ প্রকাশের ভাষা। এই ভাষাকে অস্বীকৃতি দিতে পারেন কিন্তু অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

একইভাবে তাদের ওপর গুলি করার পর তারা 'বন্দুক চুদি না' বলে বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। আপনি আমি হয়তো অনেক লম্বা শব্দ চয়ন করতাম।

যেমন ধরুন 'যুগে যুগে বন্দুকের নল কিংবা বুলেট দিয়ে কোনদিন কোন রাষ্ট্র ছাত্র-আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পারেনি' অথবা 'আমরা বীর বাঙালি ছাত্রসমাজ এসব বন্দুকের গুলির পরোয়া করি না।' সাথে ৫২-৬৯-৭১ এ-রকম কতকিছুই!

কিন্তু ওরা এক লাইনে শেষ করে দিয়েছে— বন্দুক চুদি না।

ধরুন, রাষ্ট্র গালি খেয়ে গুলি করে দিল। এবার যেমন করেছে। তখন ওরা কি ভয় পায়? না! পায় না! কেননা রাষ্ট্র তাদের আত্মসম্মানে আঘাত করেছে। তারা জানে রাষ্ট্র ভুল এবং রাষ্ট্রকে তার ভুল সংশোধন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে অপমান করেছেন। তারা রাস্তায় আন্দোলনে চলে এসেছে। ছাত্রলীগ তাদেরকে পিটিয়েছে, ওরা আরও বেশি অপমানিত হয়েছে, আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। আর গুলি করাটা ছিল ভীমরুলের চাকে ঢিল মারার মতন।

ওরা তখন বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রেখে ডিরেক্ট জিজ্ঞেস করেছে, 'খানকির পোলা, গুলি করলি কেন?'

এই ডিরেক্টনেসের কারণে তারা প্রথাগত chain of command ভাঙতে একটুও দ্বিধাবোধ করে না।

একটা জিনিস লক্ষ করেছেন কি না, এই শিক্ষার্থীরা আগে নিজেরা আন্দোলনে নেমেছে। তারপর তাদের বাবা-মা'দেরকেও সেই আন্দোলনে নিয়ে এসেছে। এইটা যে কী ভীষণ রকমের একটা বিপ্লব, চিন্তা না করলে বোঝা যাবে না।

একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন ব্যাপারটা। যেখানে নিরাপত্তার জন্যে পরিবার আন্দোলনে যেতে বাধা দেয়, সেখানে তারা পরিবারকে উলটো নিয়ে এসেছে আন্দোলনে। এদের এই ডিরেক্টনেস এই অদ্ভুত লিডারশিপ অ্যাবিলিটি নিয়ে এসেছে।

কারণ এদের ডিসিশন মেকিং খুবই খুবই ফাস্ট। যেসব তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে একটা সিদ্ধান্তে যেতে হয়। তারা অলরেডি সেগুলো মাথায় নিয়ে ঘোরে। এ-কারণেই তাদের অপিনিয়ন পরিবারের কাছে এখন প্রায়োরিটি পায়।

এরকম একটা সিনারিও বলি, মনে করুন অফিসের বস তাকে পাত্তা দিচ্ছে না বা তার চাহিদা মেটাচ্ছে না। এই অবস্থায় ওরা ডিরেক্ট ওই বসের উপরের লেভেলের বসের কাছে তার দাবি নিয়ে চলে যাবে। কীভাবে? ইমেইল করবে কিংবা লিংকডইনে সরাসরি যোগাযোগ করবে।

এরপরেও না পোষালে সরাসরি চাকরি ছেড়ে দেবে। কিন্তু, যদি, অথবা এসব প্যাঁচানো বিশ্লেষণ দিয়ে তাদের বোঝানো যায় না। পারবেনও না। ওরা সোজাসাপ্টা মানুষ। প্যাঁচ কম।

এর কারণ হচ্ছে, ওরা জন্মের পর থেকেই মাল্টিপল অপশনের দুনিয়ায় বড় হয়েছে। মুভি দেখছে, পছন্দ হয়নি, ক্লোজ করে আরেকটায় চলে যাবে।

নেটফ্লিক্সের মতন প্লাটফর্মের কারণে তাদের কাছে লাখ-লাখ অপশন। একই ব্যাপার গান শোনা, বই পড়া, রাজনীতি, নেতা থেকে শুরু করে প্রেম-ভালোবাসা পর্যন্ত। না পোষালে আবেগের ভার নিয়ে এরা বসে থাকে না। They just quit and move on.

গতকাল জানলাম ওরা ইউটিউব, নেটফ্লিক্স কিংবা টুইটারে ভিডিও দেখে 1.5x গতিতে। মানে যে গতিতে ভিডিওটা করা হয়েছে তার দেড় গুণ গতিতে। কারণ স্লো কোনকিছুই এই জেনারেশন পছন্দ করে না।

মোটামুটি সব বড় গবেষণায়ই দেখা গেছে যে, অনলাইনে ৭ সেকেন্ড হচ্ছে তাদের অ্যাটেনশন টাইম। এই টাইমের মধ্যে তাদের এটেনশন ধরতে পারলে পেরেছেন, না পারলে they just move on to the next thing।

তো এই হচ্ছে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম। ওরা নেতা হিসেবে বুর্জোয়া Diplomat চায় না। ওরা চায় clean, fair and precise মানুষদেরকে নেতা হিসেবে যারা কথা কম বলে to the point কাজ করবে এবং প্রায়োরিটি বেসিসে অ্যাকশন নেবে। একইভাবে ওরা পলিসি মেকিংয়েও এসব মারফতি প্যাঁচঘোঁচ চায় না।

সামনের সময়টা খুব কঠিন আমাদের পূর্ববর্তী জেনারেশনের নেতাদের জন্যে। বিশেষ করে Boomers কিংবা Gen X-দের জন্যে। ২০০০-পূর্ববর্তী জেনারেশনগুলোর মতন বাজেভাবে এই জেনারেশনকে ট্রিট করলে আমও থাকবে না, ছালও থাকবে না।
Collected

24/04/2024
Remember: Charlie Chaplin died aged 88.He left us 4 statements:(1) Nothing is eternal in this world, not even our proble...
23/04/2024

Remember: Charlie Chaplin died aged 88.
He left us 4 statements:
(1) Nothing is eternal in this world, not even our problems.
(2) I like to walk in the rain, because no one can see my tears.
(3) The most wasted day in life is the day we don't laugh.
(4) The six best doctors in the world...
1. sunshine,
2. Rest,
3. Exercise,
4. diet,
5. Self-esteem
6. friends.
Keep them in all stages of your life and enjoy healthy life...
If you see the moon you will see the beauty of God.....
If you see the sun you will see the power of god..
If you look in the mirror, you will see God's best creation.
Believe it then.
We are all tourists, God is our travel agent who already made our itineraries, bookings and destinations...
Trust him and enjoy LIFE.
Life is just a journey!
Live today!!!!
Post borrowed

একেই বলে গণতন্ত্র (Democracy)কোন এক হোস্টেলে ১০০ জন ছাত্র ছিল। তাদের টিফিনে প্রতিদিন "সিঙ্গাড়া" দেওয়া হত। কিন্তু ১০০ জন...
18/04/2024

একেই বলে গণতন্ত্র (Democracy)

কোন এক হোস্টেলে ১০০ জন ছাত্র ছিল। তাদের টিফিনে প্রতিদিন "সিঙ্গাড়া" দেওয়া হত। কিন্তু ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জনই প্রতিদিন এই একই খাবার খেতে চাইতো না। তারা টিফিনে অন্য কিছু খাবারের জন্য হোস্টেল সুপারের কাছে আবেদন জানালো। কিন্তু বাকি ২০ জন প্রতিদিন সিঙ্গাড়াই খেতে চাইলো।

অবশেষে হোস্টেল সুপার ভোটের ব্যবস্থা করলেন এবং বললেন, যে খাবার সর্বাধিক ভোট পাবে সেই খাবারই প্রতিদিন টিফিনে দেওয়া হবে।

ভোটে দেখা গেলো, ওই ২০ জন ছাত্র প্রতিদিন সিঙ্গাড়ার পক্ষেই ভোট দিয়েছে।

বাকি ৮০ জন ভোট দিয়েছে ঠিক এভাবে -
ডালপুরি - ১৮ জন
পরোটা ও সবজি - ১৬ জন
রুটি ও ছোলার ডাল - ১৩ জন
মাখন পাউরুটি - ১১ জন
নুডুলস্ - ১০ জন
ভেজিটেবল রোল - ৭ জন
এগটোস্ট - ৫ জন

ফলাফলে সেই সিঙ্গাড়া সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় টিফিনে প্রতিদিন সিঙ্গাড়া দেওয়াই চলতে লাগলো..!

¤ মরাল অফ দ‍্য স্টোরী হ'ল -
যতদিন ৮০ শতাংশ মানুষ নিজেদের স্বার্থপরতা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত থাকবে, ততদিন ২০ শতাংশ মানুষই তাদের শাসন করবে।

শিক্ষায় ১৩৭ টা দেশের মধ্যে ১২৪ তমফুটবলে ২০৪ টা দেশের মধ্যে ১৯২ তমবিশ্বের অবাসযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকা ২য়দুর্নীতিতে ২০৪ ট...
14/04/2024

শিক্ষায় ১৩৭ টা দেশের মধ্যে ১২৪ তম
ফুটবলে ২০৪ টা দেশের মধ্যে ১৯২ তম
বিশ্বের অবাসযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকা ২য়
দুর্নীতিতে ২০৪ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৭ম
স্বাস্থ্যসেবায় ১৬৭ টা দেশের মধ্যে ১০৬ তম
সুখী দেশের তালিকায় ১৩৭ দেশের মধ্যে ১১৮ তম

আর বোকাচন্দ্ররা এসেছে আল্পনা এঁকে রেকর্ড গড়তে!
দেশ গোল্লায় যাক, তোরা চেতনা আর সংস্কৃতি চর্চা কর!

আমরা রেকর্ড চাইনা, দেশের উন্নতি চাই। আমি চাই আমার দেশ জিরো দুর্নীতিতে রেকর্ড করুক, অর্থনীতিতে ১ নম্বর হোক, সামরিক ক্ষেত্রে ১ নম্বর হোক! রেকর্ড পরিমাণ পেপারস পাবলিশ হোক আমার দেশ থেকে, রেকর্ড পরিমাণ পেটেণ্ট থাকুক আমাদের! আমি এমন একটা দেশের স্বপ্ন দেখি।

আর আগামী ২০০-৫০০ বছর পরে আমাদের উত্তরসূরীরা যাতে বলতে পারে “Excellence is our culture” এমন এক সমৃদ্ধ কালচার চাই!
collected

10/04/2024
বৃটেনের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন্স কোম্পানি  , যাদের লন্ডনের মার্কেট শেয়ার খুব ভালোভাবে দখলে আছে, কিন্তু তাদের নর্থ $আমেরি...
07/04/2024

বৃটেনের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন্স কোম্পানি , যাদের লন্ডনের মার্কেট শেয়ার খুব ভালোভাবে দখলে আছে, কিন্তু তাদের নর্থ $আমেরিকায় সেল নেই বললেই চলে। তাদের নর্থ আমেরিকার ব্যবসা খুব মন্দা যাচ্ছে। কি করবে?

তাঁরা চলে গেলেন Ogilvy-এর কাছে (Ogilvy একটি বিখ্যাত মার্কেটিং এজেন্সি) , গিয়ে বললেন আমাদের নর্থ আমেরিকার সেলস খুব খারাপ, আমাদের জন্য এমন কিছু করে দাও যাতে আমরা নর্থ আমেরিকায় আমাদের সেলস ১০% বাড়াতে পারি।

Ogilvy পুরো ব্যাপারটা বুঝতে কিছুদিন সময় নিল। Ogilvy নর্থ আমেরিকা থেকে উড়ে যাওয়া সব #ফ্লাইটের ডাটা নিয়ে স্টাডি করা শুরু করল। তাঁরা যেই যেই ব্যাপারগুলো পেল তা হলঃ

১। নর্থ আমেরিকা থেকে উড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৯০%-ই যাচ্ছে ভারতে।
২। আর শুধুমাত্র #ভারতেই ২ বিলিয়ন ডলারের ফ্লাইট যাচ্ছে।
৩। এখানেই তাঁরা মার খাচ্ছে কারণ এই ৯০% এর মধ্যে #ব্রিটিশ_এয়ারের শেয়ার হল ৩%।

ব্যস, ডাটা নেয়া শেষ হয়ে গেল। এবার আসলো সেই ডাটা নিয়ে খেলা করার সময়।

মার্কেটে যতগুলো প্রতিযোগী ছিল সবাই তাদের সেলস কনটেন্টগুলোতে হয় ভালো ভালো অফার প্রমোট করছে না হয় কোন #ভারতীয় মেয়েকে দিয়ে শাড়ি পরিয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো কিছু ছবি দিয়েই প্রচারনা চালাচ্ছে।
উল্টো রাস্তা দিয়েই তাদের কাজ শুরু করল। তাঁরা এমন একটা #ক্যাম্পেইন স্টার্ট করল যা নর্থ আমেরিকা থেকে উড়ে যাওয়া সবগুলো ভারতীয়কে যাতে নাড়া দেয় আর সেই সাথে একটা অফারও দিয়ে দিল।

কি সেই ক্যাম্পেইন? সেই ক্যাম্পেইনের নাম ছিল “A Ticket to Visit Mom” — পুরো ভিডিওটিতে কোন অভিনেতা বা অভিনেত্রী অভিনয় করেনি। সত্যিকারের একটা ঘটনাকেই দেখানো হয়েছে। কোন #মেকি কিছু ছিল না।
একজন মা, যার ছেলে ১৭ বছর বয়সে আমেরিকা চলে যায়, তাকে কে বলা হয় আপনি আপনার ছেলের প্রিয় #ডিশটি রান্না করুন, আমরা ব্রিটিশ এয়ার সেটা আপনার ছেলের কাছে নিয়ে যাব।

তো, ভদ্রমহিলা সেই ডিশটি রান্না করে তার ছেলের জন্য, রান্না করার সময় তার ছেলের অনেক #স্মৃতি তিনি বলতে থাকেন। আর একি সাথে অপেক্ষা করতে থাকেন ব্রিটিশ এয়ারের লোকের জন্য যে কিনা তার রান্না করা খাবার ছেলের জন্য নিয়ে যাবে।

কিন্তু সেই মা কে অবাক করে দিয়ে সেই দিন ব্রিটিশ এয়ারের কোন লোক আসে নি খাবার নিতে। এসেছিল সেই মহিলার #ছেলে নিজেই। ছেলে কে দেখে মা চিৎকার করে কেঁদে দেয়।

এই ভিডিওটি আজ পর্যন্ত নর্থ আমেরিকায় সবচেয়ে ভাইরাল হওয়া কোন #প্রোমোশন ছিল। আর পুরো দুনিয়ার #৪র্থ ভাইরাল হওয়া ভিডিও ছিল মনে হয়।

আর এই ভিডিও ভাইরাল হবার পরই শুরু হয় একটার পর একটা নতুন অফার #ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের। আর বাড়তে থাকে তাদের #সেলস। বলতে পারেন তাদের সেলস বেড়েছিল কত টুকু? বেশি না মাত্র ৬৫%, হ্যাঁ যেখানে তাদের সেলস ছিল না বললেই চলে সেখানে তাঁরা সেলস বাড়িয়েছিল ৬৫% আর তাঁরা মার্কেট শেয়ার নিয়ে নেয় ৩৮% যা পূর্বে ছিল ৫%।

কীভাবে করল এই কাজ Ogilvy? সিম্পলি, ডাটা এনালাইসিস। তাঁরা ডাটা কে প্রাধান্য দিয়েছিল ভারতীয় মার্কেট কে ফোকাস করে, #ইমোশন কে কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেছিল আর ভাইরাল করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কে ব্যবহার করেছিল। ব্যস, খেলা শেষ।
এভাবেই বড় #ব্র্যান্ডগুলো তাদের #মার্কেটিং প্ল্যানে ডাটা এনালাইসিস #কাজে লাগিয়ে তাদের ব্যবসাকে প্রসারিত করছে। একটা ক্যাম্পেইন করার আগে অনেকগুলো ব্যাপার নিয়ে ভাবতে হয়, ভাল ভাবে #ডাটা #এনালাইসিস করতে হয়। তারপর সেটা #লঞ্চ করতে হয় তবেই সেটা কাজ করে।
Collected Post

Address

Habiganj
3300

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

083163470

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahmed Trading Corporation (ATC) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share