Creative Team

Creative Team Creative Team provides high quality articles, contents writing , business writing and press release writing.

ফরেক্স কি? ফরেক্স ,স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অন্যান্য মার্কেটের পার্থক্যবর্তমানে বিশ্বের অর্থনৈতিক বাজারে ফরেক্স একটি উজ্জল নক্...
06/07/2021

ফরেক্স কি? ফরেক্স ,স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অন্যান্য মার্কেটের পার্থক্য
বর্তমানে বিশ্বের অর্থনৈতিক বাজারে ফরেক্স একটি উজ্জল নক্ষত্র হিসেবে পরিচিত। তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে ফরেক্স মার্কেট সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব-বাজারে। ফরেক্স এতো বড় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও আমাদের দেশের খুম কম সংখ্যক মানুষেরই এর সম্পর্কে ভাল ধারণা আছে। এদেশে যারা ফরেক্স ট্রেডিং এর সাথে যুক্ত আছেন তার মধ্যে অধিকাংশ মানুষই দেখা যায় সফলতার মুখ দেখতে পাচ্ছে না। এর জন্য অনেক কারণ থাকলেও প্রধান কারণ হিসেবে ধরা যায় অজ্ঞতাকেই। এজন্য আমাদের আগে জানতে হবে ফরেক্স কি এবং কিভাবে এটি পরিচালনা হয়।

ফরেক্সঃ ফরেক্স(Forex) শব্দটি এসেছে FOReign EXchange শব্দদ্বয় থেকে। যার অর্থ দাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়। আন্তর্জাতিক বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বাজারকেই মূলত ফরেক্স হিসেবে বিবেচিত করা হয়। একটি দেশের মুদ্রার বিনিময়ে অন্য দেশের মুদ্রার আদান-প্রদান করাই হচ্ছে ফরেক্স এর প্রধান কাজ। বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যের পরিবর্তন সাধিত হয় মূলত সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। এছাড়া এর পাশাপাশি কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও পণ্য এবং সেবা রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত মুদ্রা দেশিয় মুদ্রায় পরিবর্তন করে। যদিও এর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রাবাজার লেনদেনের মাত্র ৫%। বাকি ৯৫% লেনদেন হয় ফরেক্স ব্রোকারদের মাধ্যমে যারা বৈদেশিক মুদ্রা আদান-প্রদান করে কিছু মুনাফা আদায় করে। আপনি ফরেক্স এর মাধ্যমে খুব সহজেই একটি মুদ্রার বিনিময়ে অন্য মুদ্রা ক্রয় অথবা বিক্রয় করতে পারবেন। এই মুদ্রার বাজারে বিশ্বের সব উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক মুদ্রা সংযুক্ত আছে। এইসব মুদ্রার মূল্য প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হতে থাকে এবং এই মুদ্রার মান পরিবর্তনকেই কেন্দ্র করে মূলত ফরেক্স ট্রেডিং ব্যবসা চলছে। আপনি চাইলে খুব সহজেই এই পরিবর্তনশীল মুদ্রার মানকে ব্যবহার করে লাভবান হতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, আজকের দিনে মার্কিন ডলারের এর মান ধরে নিলাম ১০০ টাকা এবং ইউরোর মান ৮০ টাকা। আপনি আজকে ১০০ মার্কিন ডলার দিয়ে ৮০ ইউরো ক্রয় করলেন। পরবর্তীতে ইউরোর দাম বেড়ে গেলে আপনি ওই ৮০ ইউরো বিক্রয় করে ১২০ মার্কিন ডলার পেতে পারবেন। এভাবেই আপনি ফরেক্সে মুদ্রার পরিবর্তিত মান আদান প্রদান করে আয় করতে পারবেন অতি সহজে। ফরেক্স ব্যবসার অন্যতম প্রধান সুবিধা হল কোন মুদ্রা শক্তিশালী হোক অথবা দুর্বল হোক আমরা দুই ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার করে আয় করতে পারি, যা অন্য কোন ব্যবসায় করা সম্ভব না।

ফরেক্স বনাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অন্যান্যঃ

ফরেক্স অন্যান্য প্রথাগত অর্থনৈতিক মার্কেট এর তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে থাকে এবং এজন্যই বর্তমানে এর দৈনিক আর্থিক লেনদেন ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। যেখানে বর্তমান বাজার পরিপ্রেক্ষিতে ফরেক্স মার্কেটের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে আমেরিকান স্টক এক্সচেঞ্জ। এর মধ্যে প্রতিদিন প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লেনদেন হয় যা ফরেক্সের তুলনায় অনেক কম। তাহলে কি কারণে মানুষ এতো বেশি পরিমাণে ফরেক্সে নিজের অর্থ বিনিয়োগ করছে? নিন্মে কি কারণে ফরেক্স অন্যান্য মার্কেটের চেয়ে উন্নত এবং যুগোপযোগী তা দেখানো হলোঃ

১। সহজলভ্যতাঃ ফরেক্স অনেক সহজলভ্য। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের গ্রাহকের সাথে আর্থিক লেনদেন করা যায়। এছাড়াও ফরেক্স ব্রোকারদের মাধ্যমে খুব সহজেই এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত হওয়া যায়। ফরেক্স একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যাবসা মাধ্যম, এজন্য যেকোনো দেশের নাগরিক পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে ফরেক্স ব্যবসা করতে পারে এবং এর জন্য শুধু প্রয়োজন ইন্টারনেট সংযোগ, ভাল ব্রোকার এবং কপিউটার/ল্যাপটপ। আজকাল গ্রাহকদের সুবিধার জন্য মোবাইলের মাধমেও ফরেক্স ট্রেড করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।



২। স্বীদ্ধান্ত গ্রহনে সুবিধাঃ অবকাঠামোগত দিক দিয়ে ফরেক্স মার্কেট এবং স্টক মার্কেট অনেকটাই একে অপরের সদৃশ। কিন্তু আসল পার্থক্য দেখা যায় যখন একজন ট্রেডার তার পছন্দ নির্ধারণ করতে যায়। স্টক এক্সচেঞ্জে যেখানে হাজারেরও বেশি অপশন আছে ট্রেড করার যা আপনাকে অনেক সহজেই বিভ্রান্ত করতে পারে, সেখানে ফরেক্স সম্পূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রার পরিধিকে অনেক ছোট রুপে আমাদের সামনে উপস্থাপন করছে মুদ্রার জোরার (currency pair) মাধ্যমে। এতে আমাদের ট্রেডিং জটিলতা কমে যাচ্ছে এবং অনেক সহজেই আমরা আমাদের স্বীদ্ধান্ত নিতে পারি। যা আমরা অন্যান্য ব্যবসায় পারি না।



৩। ২৪ ঘন্টা মার্কেটঃ আমাদের অন্যান্য প্রথাগত মার্কেটের মতো ফরেক্সে কোনো নির্ধারিত সময় নেই ট্রেড করার। সপ্তাহের সোমবার থেকে শুক্রবার দিনরাত ২৪ ঘন্টা ফরেক্স মার্কেট খোলা থাকে। এজন্য ট্রেডার তার সুবিধামতো যেকোনো সময়েই ট্রেড করতে পারে।



৪। প্রবেশযোগ্যতাঃ ফরেক্স এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হলো আপনি অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণের মূলধন নিয়ে এই ব্যবসার সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন এবং ট্রেডিং করতে পারবেন। যেখানে স্টক মার্কেটে আপনার নূন্যতম বিনিয়োগ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, সেখানে আপনি মাত্র ১০০ মার্কিন ডলারের মাধ্যমে ফরেক্সে ট্রেড করতে পারবেন।



৫। লেভারেজঃ ট্রেডিং এর জগতে একটা কথা প্রচলিত আছে, আপনি যতো বড় মূলধনের মালিক, আপনি ততো বড় লটের (lot) এর সাথে ট্রেড করতে পারবেন। ফরেক্সে আপনি যাতে স্বল্প বিনিয়োগে অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হতে পারেন সেজন্য ট্রেডারদের উচ্চহারে লেভারেজ সুবিধা প্রদান করা হয়। অন্যান্য স্টক ব্রোকাররা যেখানে মাত্র ১:২ লেভারেজ প্রদান করে সেখানে ফরেক্সে লেভারেজ অফার শুরু হই ১:৫০ থেকে। কিছু কিছু ব্রোকার ১:৫০০ থেকে ১:২০০০ পর্যন্ত লেভারেজের সুবিধা দিয়ে থাকে।



৬। স্বল্প খরচে লেনেদেনের সুবিধাঃ ফরেক্সে অনেক সহজেই এবং স্বল্প মূল্যে লেনদেন করা সম্ভব। বেশিরভাগ ফরেক্স ব্রোকার তাদের গ্রাহকদের ট্রেডিং টুলস এবং মার্কেট সম্পৃক্ত তথ্য প্রদান করে থাকে বিনামূল্যে। এছাড়াও তারা তাদের সার্ভিস ফি স্প্রেড (spread) অথবা কমিশনের মাধ্যমে নিয়ে থাকে যা স্টক এক্সচেঞ্জ অথবা অন্যান্য ব্যবসায়ের তুলনায় অনেক কম। স্টক এক্সচেঞ্জে প্রতি লেনদেনে খরচ হই ৭.৯৫-২৯.৯৫ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ফরেক্সে লটের পরিমাণ এবং অন্যান্য বিষয় পর্যবেক্ষণ করে ক্ষেত্রবিশেষে প্রতি ট্রেডে খরচ হয় সর্বোচ্চ ১ মার্কিন ডলারেরও কম।



৭। ডেমো একাউন্ট সুবিধাঃ কথায় আছে অনুশীলনের মাধ্যমে একজন মানুষ নিখুঁত হতে পারে। এজন্য ফরেক্স মার্কেট অনুশীলনের একটি সুন্দর সুযোগ করে দিয়েছে ডেমো ট্রেডিং একাউন্ট এর মাধ্যমে। এই একাউন্টে বিনা খরচে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিং করা যায় এবং একজন ট্রেডার তার ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারে। একজন ট্রেডার এই আকাউন্টে যতোদিন খুশি ট্রেড করতে পারবে এবং এর মধ্যে কোনো সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য নেই। এই সুবিধাটি অন্য কোনো আর্থিক বাজারের মধ্যে পাওয়া যায় না।

06/07/2021

ফরেক্স কি?

যদি আপনি কখনো বিদেশ ভ্রমন করেন তাহলে এয়ারপোর্টে আপনি টাকার পরিবর্তে যে দেশে ভ্রমন করবেন সেই দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেন।

আপনি যদি কাউন্টারের স্ক্রিনে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে $১ এর জন্য ৳৭৫ এর সমমান টাকা দিতে হচ্ছে। আপনার মন তখন খারাপ হয়ে যাবে যে, এত টাকা নিয়া আসলাম এর এত অল্প এর বিনিময়ে তা এক্সচেঞ্জ করতে হল। পরে যখন দেকবেন যে ১টা পেপসির দাম কয়েক সেন্ট তখন আপনি আবার খুশী হয়ে গেলেন।

যখন আপনি এটা করছেন, তখন আপনি ফরেক্স মার্কেটে অংশগ্রহন করছেন। আপনি এক কারেন্সির বদলে আরেক কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।আপনি আমেরিকা ভ্রমণকালে টাকার বিনিময়ে ডলার এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।

আপনি দেশে আসার সময় যখন ডলার কে আবার টাকায় পরিবর্তন করবেন তখন দেখবেন যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে। এই যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে, এটা দিয়ে আপনি ফরেক্স মার্কেটে লাভ করতে পারবেন আর টাকা বানাতে পারবেন।

ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, যা সাধারনত “ফরেক্স” অথবা "FX" / “এফএক্স” নামে পরিচিত, সেটা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট। যদি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE) এর সাথে তুলনা করেন তাহলে দেকবেন যে NYSE তে দৈনিক $২২.৪ বিলিয়ন এর মত ট্রেড হয় আর ফরেক্স মার্কেটে আনুমানিক $৫ ট্রিলিয়ন দৈনিক ট্রেড হয়।

আপনি NYSE, CNBC, Bloomberg অথবা BBC তে বিভিন্ন সংবাদ শুনতে পান মার্কেট সম্পর্কে। তারা মুলত স্টক মার্কেট সম্পর্কে কথা বলে।তাই মার্কেটটাকে অনেক বড় ও কোলাহলপূর্ণ মনে হয়।

কিন্তু ফরেক্স মার্কেটের সাথে তুলনা করলে দেখবেন যে আসলে মার্কেটটা কি রকম বড়। নিম্নের গ্রাফটি আপনাকে ধারনা দিবে।

এভারেজ ট্রেডিং ভলিউম

ফরেক্স মার্কেট প্রায় ২০০ গুন বেশী বড় অন্যান্য স্টক মার্কেটের চেয়ে। কিন্তু এখানে আর একটা বাপার আছে। $৫ ট্রিলিয়ন বিশ্বব্যাপী ফরেক্স মার্কেটের সাইজ বুঝায়।

Retail traders মানে আমরা যারা ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করি, তা আনুমানিক $১.৪৯ ট্রিলিয়ন। তাহলে দেখেন যে ফরেক্স মার্কেট এমনেতেও স্টক মার্কেটের চেয়ে বড়।

এখন কি মার্কেট সম্পর্কে কৌতূহল জেগেছে? চলুন পরবর্তী অনুশীলনীতে যাই।

মুক্তপেশামুক্তপেশা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে মু্ক্তভাবে কাজ করাকে বোঝায়। যারা এধরনের কাজ করে...
19/06/2021

মুক্তপেশা
মুক্তপেশা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে মু্ক্তভাবে কাজ করাকে বোঝায়। যারা এধরনের কাজ করেন তাদের বলা হয় "মুক্তপেশাজীবী" বা ফ্রিলেন্সার।

আধুনিক যুগে বেশিরভাগ মুক্তপেশার কাজগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলে মুক্ত পেশাজীবীরা ঘরে বসেই তাদের কাজ করে উপার্জন করতে পারেন।[১] এ পেশার মাধ্যমে অনেকে প্রচলিত চাকরি থেকে বেশি আয় করে থাকেন, তবে তা আপেক্ষিক। ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ হওয়াতে এ পেশার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি হাজারো ক্লায়েন্টের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে।
ইতিহাস
মূলত অর্থের বিনিময়ে কাজ করা যোদ্ধাদের থেকে ফ্রিল্যান্সারদের উৎপত্তি। ১৮১৯ সালে প্রথম ফ্রিল্যান্সার শব্দ ছাপা হয় "Walter Scott" নামক এক লেখকের বইতে।
কাজের ধরণ
মুক্তপেশার কাজের পরিধি অনেক বেশি। বিশ্বব্যাপী এধরনের কর্মপদ্ধতির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা কয়েকটি কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

লেখালেখি ও অনুবাদ: নিবন্ধ , ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাষান্তরকরণ উল্লেখযোগ্য।
সাংবাদিকতা: যারা এবিষয়ে দক্ষ তারা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকায় লেখালেখির, চিত্রগ্রহণের পাশাপাশি ইন্টারনেটভিত্তিক জনসংযোগ করে থাকেন।
গ্রাফিক্স ডিজাইন: লোগো, ওয়েবসাইট ব্যানার, ছবি সম্পাদনা, অ্যানিমেশন ইত্যাদি।
ওয়েব ডেভলপমেন্ট: ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবভিত্তিক সফ্‌টওয়্যার তৈরি, হোস্টিং ইত্যাদি।
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং থেকে ওয়েব প্রোগ্রামিং সবই এর আওতায় পড়ে।
ইন্টারনেট বিপণন: ইন্টারনেটভিত্তিক বাজারজাতকরণ কার্যক্রম, যেমন ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বিপণন।
গ্রাহক সেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।
প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি* প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি।
ইন্টারনেটভিত্তিক মুক্তপেশার চর্চায় বিশ্বব্যপী বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের সেবা বিস্তৃত করেছে, এবং এসব মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের (মিডিয়া) মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী ক্রেতা এবং ভোক্তা উভয়েই। এসব ওয়েবসাইটে যে-কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেদের কাজের বিবরণ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, এবং অপরপক্ষে যে-কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে বিজ্ঞাপিত কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করলে আবেদন করেন। এদের উভয়ের মধ্যে লেনদেনকৃত পরিমাণ অর্থের একটা অনুপাত এসকল মধ্যস্থ ব্যবসায়ী ওয়েবসাইটগুলো গ্রহণ করে, এবং এটাই তাদের মুনাফা। অনলাইনভিত্তিক এরকম কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ফাইভার, গুরু ইত্যাদি।

অনলাইন ফ্রিলান্সিং করতে চান? কিভাবে শুরু করবেন? – পূর্নাঙ্গ গাইডলাইনঅনলাইন ফ্রিলান্সিং করতে চান? কিভাবে শুরু করবেন? – পূ...
18/06/2021

অনলাইন ফ্রিলান্সিং করতে চান? কিভাবে শুরু করবেন? – পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন
অনলাইন ফ্রিলান্সিং করতে চান? কিভাবে শুরু করবেন? – পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন
আপনি যদি উপরের গুলি শিখতে পছন্দ না করেন তবে আপনি অনলাইন মার্কের্টিং শিখতে পারেন। লেখালেখিতে আগ্রহ থাকলে ব্লগিং ও শিখতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও রয়েছে, যা বিলিয়ন ডলারের মার্কেট। আরো একটি ডিমান্ডের পেশা হচ্ছে থ্রিডি মডেলিং করা। যা সবাই করতে পারে না। অনেকে আবার টিস্প্রিং এ টিশার্ট সেল করেও নিজের ভাগ্যে পরিবর্তন ঘটিয়েছে।বর্তমানে অনেক মানুষ ইউটিউব এ ভিডিও আপলোড করেও ভালোই টাকা পয়সা কামাচ্ছে। তবে আমি যদিও শুধুমাত্র ইউটিউব এর উপর নির্ভরশীল হতে পরামর্শ দিবো না। যাইহোক, এই হলো কাজের ক্ষেত্র সমূহ যা থেকে আপনি আপনার পছন্দের কাজের ক্ষেত্রটি নির্ধারন করতে পারবেন।

আপনার কি কি লাগবেঃ
খুব বেশি কিছুই না। একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন। ব্যাস। আর সাড়া জীবন আপনার যেটা দরকার তা হলো আপনার ইচ্ছাশক্তি। কম্পিউটার ও যে খুব উচ্চ কনফিগারেশনের হতে হবে তা হয়। তবে আমি পরামর্শ দিবো যে, অন্তত কোর আই থ্রি প্রসেসর এর কম্পিউটার হলে আপনি নিশ্চিন্তে শুরু করতে পারেন যা দিয়ে আপনি মোটামুটি সব কাজই করতে পারবেন। মনে রাখবেন, ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া আপনি কিছুই করতে পারবেন না। তাই অবশ্যই একটি ভালো ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে।

তবে একটা গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হলো যে, আপনাকে মোটামুটিভাবে যোগাযোগ করার মতো ইংরেজী জানতে হবে। কারন ইংরেজী ছাড়া আপনি কখনো ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে এ কাজ করতে পারবেন না। তবে আশার ব্যাপার হলো যে, কাজ করতে করতে আপনি নিজেই ইংরেজীতে ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।

উপার্জন করতে কত সময় লাগবেঃ
আসলে এইটা সঠিকভাবে বলা মুশকিল। তবে স্থায়ী ভাবে অনলাইন থেকে উপার্জন করতে গেলে আপানাকে অবশ্যই ২ বছর সময় দিতে হবে। কারন যদি কাজ শুরু করার মাত্র ২ মাসেই আপনি কিছু কাজ পেয়ে যান, আর তাকেই আপনার সফলতা বলে মনে করেন তা কিন্তু ভুল হবে। অবশ্যই আপনাকে আপনার আয়টাকে স্থায়ী করতে তবে। তাই আপনি কাজ শিখতে শুরু করার ৬ মাসের মধ্যে আপনি কিছু আর্নিং আশা করতে পারেন। এবং ২ বছর কাজ করার পর আপনি স্থায়ীভাবে কাজের জন্য উপযুক্ত হয়ে যাবেন। তাতে আর কোন সন্দেহ থাকবে না। তাহলে এভারেজে আপনি ১ বছর পর সন্মানজনক একটা আয় আশা করতে পারবেন। যদি মনোযোগ দিয়ে শ্রম দিয়ে থাকেন।

অন্য কোন জব এ যুক্ত থাকলে কি আপনার কি করনীয়?
এইটা একটা কমন প্রশ্ন। অনেকে উচ্চাকাঙ্খায় পড়ে ফ্রিলান্সিং এর পরিকল্পনা করা মাত্রই বর্তমান জবটি ছেড়ে দেয়। এইটা চরম বোকামী ছাড়া আর কিছুই না। আমি ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ্ দিবো যে, আপনি জব এর সাথে সাথেই কাজ শিখতে থাকুন। ৬ মাসের জায়গায় দরকার হলে ১ বছরে শিখুন। আগ্রহ থাকলে শিখা কোন ব্যাপার নয়। তবে জব ছেড়ে দিয়ে আপনি চরমভাবে হতাশায় ভুগবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনি একটা ভালো আর্নিং এর জন্য পুরুপুরি উপযুক্ত তখন জব ছেড়ে দিতে পারেন। পুরু আত্ববিশ্বাস অর্জন না করে চাকরি ছাড়বেন না কোনভাবেই।

আপনি এখনো ইন্টার পাশ করেন নি, সেক্ষেত্রে কি করনীয়ঃ
বেশিরভাগ ছোটভাই ই ইন্টার পাশ না করেই অনলাইনে জড়িয়ে পড়ে। আমি তার পক্ষে নই। আমি মনে করে, একজন মানুষের মানসিক বিকাশের জন্য একটা বয়স দরকার যা ইন্টার পাশ করার সাথে সাথে পরিপূর্নতা পায়। তখনি জীবন সম্পর্কে সঠিক সিদ্ভান্ত নেওয়া সম্ভব। তাই যে সমস্ত ছোট ভাইয়ারা আমার এ ব্লগ পড়ছো তাদেরকে পরামর্শ দিবো যে, আগে ভালো করে ইন্টার পাশ করো। তার পর পুরুদমে শুরু করতে পারো। তবে যদি ইন্টারে থাকা অবস্থায় তোমার কাছে কম্টিউটার ও ইন্টারনেট থাকে তবে তুমি তোমার আগ্রহের সাথে মিল রেখে কিছু কিছু কাজ শিখতে পারো। তা পরবর্তীতে অনেক কাজে দিবে। তবে অবশ্যই মনে রাখবে, ইন্টার পাশ করার আগ পর্যন্ত খুব বেশি সময় দেওয়া যাবে না। সবার আগে পড়াশোনা তার পর অনলাইন। বিশেষ করে ইন্টার লেভেলে ইংরেজীর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিবে। তা পরবর্তীতে ফ্রিলান্সিং এ বেশ সহায়ক হবে।

মনে রাখবেন, অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে হলে সর্বোচ্চ লেভেলের ধৈয্যশক্তির পরীক্ষা দিতে হয়। মাঝে মাঝে হতাশা আসতে পারে তা দূর করতে হবে আপনার আগ্রহ দ্বারা। যেহেতু আপনি ঘরে বসেই টাকা ইনকাম করবেন, সেহেতু আপনাকে সবার থেকে আলাদা হতেই হবে। কারন আপনি সবার মতো ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত অফিস করবেন না। কারন আপনি স্মার্ট।

আজকের মতো এখানেই বিদায় নিবো। তবে হ্যা অবশ্যই এই ব্লগের বাকী লেখাগুলি খুব মনোযোগ সহকারে পড়বেন। কারন এই ব্লগে কোন উল্টাপাল্টা পোষ্ট হবার সম্ভাবনা নেই। আপনার অনলাইনে পথচলা শুভ হোক। সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ

18/06/2021
ফ্রিলান্সিং করুন, জীবনকে দেখুন সঠিক চশমায়..বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে একটা ভালো মানের গণজোয়ার উঠেছে। এর মাধ্যমে ঘরে...
18/06/2021

ফ্রিলান্সিং করুন, জীবনকে দেখুন সঠিক চশমায়..

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে একটা ভালো মানের গণজোয়ার উঠেছে। এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করা যায় জানলেও অনেকেই জানে না কিভাবে তা সম্ভব। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যাপক প্রচারণা হলেও এখনো অনেকের কাছে তা অধোরা রয়ে গেছে। কারণ অনেকের কাছে ইন্টারনেট মানে মেইল আদানপ্রদান করা আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বন্ধুত্ব করা। আপনি ঘরে বসে পৃথিবীর যেকোন জায়গার কাজ করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজন নেই কোন অফিস। একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই খুব সহজেই ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। আপনার কোন মামা-চাচার সুপারিশ প্রয়োজন হবে না।আপনার যোগ্যতাই সবচেয়ে বড় ব্যপার।আপনি যদি নিজের যোগ্যতা প্রমান করতে পারেন তবে আর কিছুর দরকার নেই ।কাজ পাবেন আপনার যোগ্যতার ভিত্তিতে কোন সুপারিশ বা ঘুষের বিনিময়ে নয়। ফ্রিল্যান্সিং এ কাজের কোন অভাব নেই । মার্কেট প্লেসে দেখবেন মিনিটে শত শত কাজ টিউন হচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর । এর কাজের পরিধিও বাড়ছে। ফ্রিল্যান্সিং এ নির্দিষ্ট কোন অফিস টাইম নাই । প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা অফিস করতে হবে এমন কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই।আপনার যখন খুশি যেমন করে খুশি কাজ করবেন। ভাবুনত এমন একটি পেশা, আপনি যেখানে খুশি যেমন খুশি তেমন ভাবে কাজ করছেন। অনেক অনেক টাকা ইনকাম করছেন। পরিবারের সাথে সময় দিতে পারছেন।যেখানে খুশি বেড়াতে যেতে পারছেন।যা খুশি করতে পারছেন। আর এইসব কারনেই ফ্রিল্যান্সিং এত জনপ্রিয় ।

চাকুরি মানেই সকাল ৯টা-৫টা পযন্ত অফিস করা। ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারনে নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরে অফিসে প্রবেশ করতে না পারা মানেই বসের ঝাড়ির অপেক্ষা, সেই সাথে মাসের বেতন থেকে নির্দিষ্ট একটা অংশ হিসেব করে কেটে নেওয়া হবে। অফিসে প্রবেশের এ দেরিটা যানজট কিংবা অন্য কোন কারনেও হতে পারে।

যেকোন চাকুরিজীবিদের জন্য এ ধরনের পরিস্থিতির মোকাবেলা করা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। একটা নির্দিষ্ট বয়স পযন্ত এ বিষয়টি মেনে নেওয়া গেলেও চাকুরি করার বয়সে এসে এধরনের অপমানগুলো সহ্য করা অনেক সময়ই মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়। কিন্তু অন্য কোন উপায় না থাকার কারনে বাধ্য হয়ে অনেক সময় সবই মেনে নিতে হচ্ছে, শুধুমাত্র সুযোগের অপেক্ষা।

প্রতিদিন সকাল ৯-৫টা পযন্ত অফিস করার কারনে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নিজের ব্যক্তিগত কিংবা পরিবারের বিভিন্ন কাজের চাপ এসে পড়ে। সেজন্য ভ্রমণ পিপাসুদের ভ্রমনের নেশাকে ভুলে যেতে হয়। মুক্ত পাখির মত বিশ্বব্যাপী ছুটে বেড়ানোর স্বপ্ন বাদ দিয়ে চাকুরির যান্ত্রিক জীবনটাকেই বেছে নিতে হয়।

কোন জায়গাতে বসে বায়ারের কাজ করছেন এবং জমা দিচ্ছেন, সেটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নয়। আর এটাই হচ্ছেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের আসল মজা। ভ্রমনে বের হয়ে সমুদ্রের পাশে বসে কিংবা পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে বসেও বায়ারের কাজ সম্পন্ন করা যায়। ঘুরাঘুরি এবং কাজ দুটি সমান তালে করার সুযোগ রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের।

এদেশের প্রচুর ফ্রিল্যান্সার রয়েছে যারা স্টুডেন্ট অবস্থাতেই মাসে লাখ টাকার উপরে অনলাইন হতে আয় করছে। বাংলাদেশের একজন গ্রাজুয়েটের যেখানে চাকুরিতে মাসিক বেতন হয় ৮০০০টাকা -২০,০০০টাকা। অন্যদিকে অনেক ফ্রিল্যান্সার দেখা যায়, যাদের এটা মাত্র ১ সপ্তাহের আয়, অথচ সে ফ্রিল্যান্সার হয়ত এখন গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেনি।

সারাদিন অফিসের ব্যস্ততার জন্য অনেককেই দেখা যায়, পরিবারের লোকদেরকে সময় দিতে পারেননা। সন্তান, বউ কিংবা স্নেহের ছোট ভাইবোনরা আদর হতে বঞ্চিত হয়। সকাল ৯টা হতে অফিস শুরু করে যদি বাসাতে পৌছে রাত ১০টার পর, তাহলে কিভাবে পরিবারের লোকজন পাশে পাবে।

পরিবারের সবারই স্বপ্ন থাকে প্রতিবেলাতে সবাইকে সাথে নিয়ে এক টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার। চাকুরিজীবিরা পরিবারের মানুষদের এ দাবিটা মিটাতে না পারলেও ফ্রিল্যান্সারদের পক্ষে সম্ভব। কারণ ফ্রিল্যান্সারদের কোন অফিসে গিয়ে কাজ করার প্রয়োজন হয় না, কোন নির্দিষ্ট ছকের মধ্যে বন্দি থাকতে হয়না। চাইলে যখন ইচ্ছা পরিবারের সবাইকে মিলে সিনেমা দেখে আসতে পারে কিংবা বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতেও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বাধা নাই।

17/06/2021

ফ্রিলান্সিং কি? কিভাবে শুরু করবেন?
বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ প্রফেশনাল ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। ইন্টারনেটের কল্যানে এখন আপনি খুব সহজেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।

ফ্রিলান্সিং সেক্টরে একদিকে যেরকম রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে বিভিন্নধরনের কাজ বাছাই করার স্বাধীনতা। আয়ের দিক থেকেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে অভাবনীয় সম্ভাবনা। এখানে প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ আসছে। প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এসইও, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবসাইট, গেম, 3D এনিমেশন, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফ্টওয়্যার বাগ টেস্টিং, ডাটা এন্ট্রি – এর যেকোন এক বা একাধিক ক্ষেত্রে আপনি সফলভাবে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করে নিতে পারেন। একজন প্রফেশনাল ফ্রিলান্সার হতে গেলে আপনাকে ধৈর্যশীল এবং কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তাই এই দুটো বিষয়ে আপনাকে ছাড় দিয়ে সামনে আগাতে হবে।

মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিং নিদির্ষ্ট কোন কোর্স নয়। আপনি যে কোন একটি বিষয়ের উপরে সঠিক শিক্ষা (ট্রেনিং) নিয়ে ফ্রিলান্সিং করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ভাল লাগার বিষয়টি পছন্দ করতে হবে। কারন, যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ নেই সে বিষয়ে আপনি কখনই সফল হতে পারবেন না।

অনলাইনে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় freelancer বা Service Provider. একটি কাজের জন্য অসংখ্য ফ্রিল্যান্সরা Bid বা আবেদন করে এবং ওই কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সরের মন্তব্য ফ্রিল্যান্সার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফ্রিল্যান্সার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে জমা করে দেয়। এর মাধ্যমে কাজ শেষ হবার পর সাথে সাথে টাকা পাবার নিশ্চয়তা থাকে।

দক্ষ ফ্রিলান্সার তৈরীতে তথা বেকারত্বে দূরীকরনে Digital Scholar প্রতিনিয়ন কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা বেশকিছু সফল ফ্রিলান্সার তৈরী করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দক্ষ মেন্টর টিম এবং স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এগিয়ে চলছে অবিরাম গতিতে।

ফ্রিলান্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ফ্রি ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং পেতে আমাদের পেজে একটিভ থাকুন। কমেন্ট বক্সে প্রস্ন করুন। ইনবক্সে কোন রিপ্লে দেয়া হবেনা।

Brochure DesignBy Creative Team
24/11/2020

Brochure Design
By Creative Team

Graphic Design Job: ডিজাইনার দরকার ।যারা Graphic Design এর কাজ পারেন তাদের জন্য নিউ জব। আমাদের কিছু ডিজাইনার দরকার যারা ...
05/01/2020

Graphic Design Job: ডিজাইনার দরকার ।

যারা Graphic Design এর কাজ পারেন তাদের জন্য নিউ জব। আমাদের কিছু ডিজাইনার দরকার যারা আমাদের সাথে থেকে রেগুলার কাজ করবেন।
যারা এরকম কাজ গুলো পারেন তাদের কাজের কিছু সেম্পল আমাকে মেইল করুন। .JPG ফরমেট এ ।

ইমেইল- [email protected]
*** সেম্পল দেবার সময় অবশ্যই
নাম -
বর্তমান ঠিকানা-
ফোন নাম্বার -
এড করে দিবেন, আমরা কল দিব।
Reference- https://www.facebook.com/groups/555246678343445/

*** ইনবক্সে নক দেবার দরকার নাই। যাদের সেম্পল ভাল লাগবে তাকে কল করা হবে।

ধন্যবাদ

02/09/2019

প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সাররা কেন আপনার করা প্রশ্নের উত্তর দিতে চাইনা?

ব্যক্তি বিশেষে প্রশ্ন বা উত্তর ভিন্ন হতে পারে। তাই পড়ে দেখেন আপনার সাথে কতটুকু মিলে যায়?

- প্রশ্নের শুরুতেই কিন্তু উত্তরটা লুকানো আছে। একটা ছোট ব্যাখ্যায় যাওয়া যাক তাহলে। যেহেতু তারা প্রফেশনাল সেহেতু তারা নিজেদের প্রফেশনের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে বেশিরভাগ সময়। আর প্রশ্নকারীর প্রশ্নের ধরণও এক্ষেত্রে উত্তর না পাওয়ার জন্য দায়ী। চলুন আরো কিছু প্রশ্নের ধরণ দেখে নেইঃ
- কমন প্রশ্নঃ

প্রথমেই সালাম অথবা ভাইয়া কেমন আছেন?

কি করেন?

সকাল/দুপুর/রাতে খেয়েছেন?

যদি কোনভাবে উপোরোক্ত ধরণের কোন প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যায় তাহলেই বিধি বাম হওয়া শুরু হয়।

- অনুসন্ধানী প্রশ্নঃ

ভাইয়া আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং করেন?

আপনার মাসে কেমন ইনকাম হয়?

আমিও ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই। আমাকে কি ফ্রিল্যান্সিং শেখাবেন আপনি?

কতদিনে আমি শিখতে পারবো?

আমার খুব ইচ্ছা অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করা। আমি কোন কাজ শিখলে সহজে ইনকাম করেত পারবো?

আমি মাসে কত টাকা কামায়তে পারবো?

প্রশ্নকর্তার এ ধরনের প্রশ্নের পরেই মূলত উত্তর পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে কিছু মহানুভব আর পাহাড়সম ধৈর্য্য সম্পন্ন উদার মনের মানুষ তাদের মনের এ আকুতি দূর করার একটা প্রচেষ্টা হিসেবে কিছু দিক নির্দেশনামূলক উত্তর দিয়ে থাকেন। কিন্তু সে উত্তর দিয়ে আর যায় হোক মহান দেবতা (প্রশ্নকর্তা) কে আর খুশি করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। বরঞ্চ আরো নতুন কিছু প্রশ্ন তার মনে উকি মেরে ওঠে।

- সব পারি এর কমান্ডো প্রশ্নঃ

ভাই আমি (অ, আ, এবং ক, খ) ইত্যাদি জানি, এইটা দিয়ে কিভাবে ইনকাম করবো?

আমার বায়ার রিকুয়ারমেন্টেস কি চেয়েছে বুঝতে পারছিনা। একটু বুঝিয়ে দেবেন?

ভাইয়া বায়ার এইটা করতে বলেছে কিভাবে করবো একটু আইডিয়া দেবেন?

আমি কাজ জানি কিন্তু কোন অর্ডার পাচ্ছিনা কেন?

- সহকারীর উত্তম প্রস্তাবঃ

আমাকে কি আপনার সহকারী হিসেবে নেয়া যায়?

আপনি যে প্রজেক্ট এর কাজ করেন তার থেকে আমাকে দিতে পারেন আমি করে দেব।

এখানে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু তুলে ধরলাম। আপনাদের হয়তো আরো সুন্দর অভিজ্ঞতা আছে। সেগুলো শেয়ার করতে পারেন।
পরবর্তী পর্বে মুক্তির কিছু উপায় নিয়ে লেখার চেষ্টা থাকবে ইনশা আল্লাহ্‌ ।

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creative Team posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Creative Team:

Share