Sorbojoya

Sorbojoya SORBOJOYA (সর্বজয়া)
A Project of Watermark Livestock Management Company Limited, Work

"নারী মাঠকর্মী আবশ্যক"কর্মস্থলঃ ৬ নং ধাপেরহাট ইউনিয়নসাদুল্ল্যাপুর, গাইবান্ধাপ্রার্থীর যোগ্যতাঃ১. ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক/H...
08/06/2023

"নারী মাঠকর্মী আবশ্যক"

কর্মস্থলঃ
৬ নং ধাপেরহাট ইউনিয়ন
সাদুল্ল্যাপুর, গাইবান্ধা

প্রার্থীর যোগ্যতাঃ
১. ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক/HSC পাশ হতে হবে।
২. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও এক্সেলের কাজ জানতে হবে।
৩. নিজস্ব সাইকেল বা স্কুটি থাকতে হবে।
৪.যেকোনো পরিবেশে কাজ করার মনমানসিকতা।
৫. প্রকল্পের সকলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

বেতন ভাতাঃ মাসিক ৮,০০০-১০,০০০ টাকা, দুটি বোনাস, প্রতিমাসে পিরিওডকালীন ছুটি সহ অন্যান্য সুবিধা।

আবেদন করুনঃ [email protected]

আবেদনের তারিখঃ ০৮/০৬/২০২৩
আবেদনের শেষ তারিখঃ ১৫/০৬/২০২৩

14/06/2022

সর্বজয়া প্রকল্পের রংপুর, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট অঞ্চলের ৪০০+ নারী খামারীদের গরু এবং ছাগল টানা তৃতীয় বছরের মত বিক্রি করবে নিরাপদ খাদ্যের প্ল্যাটফর্ম Amar Foods ।

সর্বজয়া প্রকল্পের অধিকাংশ গরু দেশী ব্রিডের, তবে কিছু আছে শাহিওাল এবং দেশী মিক্সড। প্রতিটি গরুই সম্পুর্ন রূপে সুস্থ্য এবং ক্ষতিকর খাদ্য এবং ঔষধ থেকে মুক্ত।

সর্বজয়া প্রকল্পের গরু কুরবানিতে ক্রয় করতে ভিজিট করুনঃ
https://amarfoods.com/qurbani-hut/

অথবা কল করুনঃ
+880 1791680066 +880 1794390066

SORBOJOYA (সর্বজয়া)
A Project of Watermark Livestock Management Company Limited, Work

02/05/2022
08/03/2022

আপনারা প্রতি কোরবানির ঈদে সর্বজয়ার গরু-ছাগল কেনেন বলেই মাকসুদারা দিন বদলের স্বপ্ন দেখে। প্রতি বছরের মত এবারেও আমাদের গাই...
06/07/2021

আপনারা প্রতি কোরবানির ঈদে সর্বজয়ার গরু-ছাগল কেনেন বলেই মাকসুদারা দিন বদলের স্বপ্ন দেখে। প্রতি বছরের মত এবারেও আমাদের গাইবান্ধা এবং লালমিরহাটের খামারিদের গরু বিক্রয় করছে Amar Foods

আপনার কোরবানির পশুটি হোক আমাদের নারী খামারিদের লালিত, আপনার কোরবানীর পাশাপাশি তারাও এই বিক্রির টাকায় সাজিয়ে তুলুক নিজেদের সংসার।

অর্ডার করতেঃ https://amarfoods.com/qurbani-hut/

অথবা Amar Foods এর ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করুন, অথবা কল করুন 01791680066 , 01794390066 নাম্বারে (আমারফুড)

ধন্যবাদ Prothom Alo কে আমাদের উদ্যোগগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্যে।

বছরে চারবার গরু বিক্রি করেন। এভাবে তাঁর বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা

Our honorable Prime Minister says so... ❤️
22/05/2021

Our honorable Prime Minister says so... ❤️

দেশের যুব সমাজকে লেখাপড়া শিখে মাছের খামার করে সাবলম্বী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার .....

১২০ জন নারী খামারি, ১২০ টি পরিবার, ৮ টি গ্রাম, ৫০০০+ বেনিফিসিয়ারি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সর্বজয়া লালমনিরহাট প্রকল্প-২  গ...
20/12/2020

১২০ জন নারী খামারি, ১২০ টি পরিবার, ৮ টি গ্রাম, ৫০০০+ বেনিফিসিয়ারি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সর্বজয়া লালমনিরহাট প্রকল্প-২

গাইবান্ধার পর লালমনিরহাট দ্বিতীয় জেলা হিসেবে সর্বজয়ার প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হল।

সর্ব্জয়ার এই সামাজিক ব্যাবসায় অংশীদার হতে পারেন আপনিও। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.sorbojoya.org

A business initiative to empower Women's Financially and Socially, active with over 300 family of Bangladesh, impacted over 1 million people lives within 3 Years

পারুল বেগমের গল্পটা ভিন্ন। গ্রামের আর দশটা নারীর মতই ছিল জীবন। কিন্তু এক দূর্ঘটনায় তার ভ্যানচালক স্বামী পায়ে ভীষণ চোট লা...
16/10/2020

পারুল বেগমের গল্পটা ভিন্ন। গ্রামের আর দশটা নারীর মতই ছিল জীবন। কিন্তু এক দূর্ঘটনায় তার ভ্যানচালক স্বামী পায়ে ভীষণ চোট লাগায় টানা ছয়মাস কাজ করতে পারেন না। অগত্যা পারুল বেগমকেই নামতে হয় কাজে। কিন্তু কি করবেন সেসব ভেবে কোন কুল কিনারা যখন করতে পারছিলেন না ঠিক তখনই তার প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ‘সর্বজয়া প্রকল্প’। এর পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। আর এখন তো স্বাবলম্বী পারুল বেগম গ্রামের অন্য নারীদের কাছে অনুসরনীয়। সংসারযোদ্ধা এমন নারীর পথ চলাকে মসৃণ করে তুলতে তাদের পাশে আছে সর্বজয়া।

এবার আসি সর্বজয়া প্রকল্প কিভাবে কাজ করছে নারীকে স্বাবলম্বী করে তুলতে, কিভাবে গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য তারাও ভূমিকা রাখছে সে বিষয়ে। সর্বজয়া প্রকল্পের মূল উদ্যেশ্যই ছিল নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা। কোন এলাকায় নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি মানেই সেখানে ডিভোর্সের হার কমে যাবে, নারীর প্রতি সহিংস আচরণ, নির্যাতন কমে যাবে এমনকি পুরো পরিবার স্বচ্ছলতার মুখ দেখবে। তাই ‘টেকসই উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়ন’- এটিকে মূলনীতি বিবেচনা করেই সর্বজয়া প্রকল্পের শুরু। সর্বজয়া প্রকল্পের প্রতি খামারীকে আমরা বলে থাকি একেকজন সর্বজয়া।

শুরুটা হয়েছিল ২০১৭ সালে ছোট্ট একটা গ্রামের হাতে গোনা কয়েকজন নারী খামারিকে দিয়ে। আর এখন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘরে ঘরেই সর্বজয়াদের জয়জয়কার। গ্রামীণ এ নারীদের জীবনে যে আমোঘ পরিবর্তন এসেছে, তা ভাগ্যের জোরে বদলায়নি বরং নিজের চেষ্টা আর পরিশ্রমে স্বচ্ছলতা এসেছে তাদের ঘরে।

পাঁচজন নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা দিয়ে এ প্রকল্পের শুরুটা হলেও এখন পর্যন্ত ৫০ জন নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করেছে সর্বজয়া প্রকল্পটি। বলা চলে, গ্রাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার গ্রামগুলোতে প্রতিটা নারীকে স্বাবলম্বী করে তোলার পেছনে কাজ করছে সর্বজয়া প্রকল্প।

সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিচালিত সর্বজয়া প্রকল্পে উদ্যোক্তারা গরুর খামার করার জন্য অর্থ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, পশুর চিকিৎসা, খাবার সবকিছুই পেয়ে থাকেন। খামারীদের পরিশ্রম আর সরবজয়া প্রকল্পের সহযোগিতা এই দুই মিলে গৃহিণী নারীরাও বনে যান উদ্যোক্তা।

তাদের তত্ত্বাবধানে চলা এ গরুর খামারের অর্ধেক মালিকানা এখন তাদের হাতেই। যার লভ্যাংশ প্রতি বিক্রিতেই তারা বুঝে পান। সর্বজয়া প্রকল্পে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয় সবসময়ই। এ কাজে তারা সহায়তা পান সর্বজয়ার মাঠকর্মীদের কাছে। এমনকি দুইদিন অন্তর মাঠকর্মীদের সাথে গবাদি পশুর ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে যান পশুর স্বাস্থ্য। সবমিলিয়ে সর্বজয়ার খামারিরা পশুপালন সংক্রান্ত সব সুবিধাই পেয়ে থাকে এ প্রকল্প থেকে।

সর্বজয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সাদুল্যাপুরের নারীরা এখন স্বাবলম্বী। তারাও পরিবারের তথা গ্রামীণ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সাদুল্লাপুরই না বরং পুরো বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সর্বজয়া। আমাদের এ উদ্যোগে আপনিও হতে পারেন সহযাত্রী।

আজ আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস। এ দিনে প্রান্তিক অঞ্চলের সেসব নারীদের সর্বজয়ার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা। 😊

UN Women Bangladesh

18/04/2020

টেকসই উন্নয়নের জন্যে চাই নারীর ক্ষমতায়ন। এই মূলমন্ত্র সামনে রেখে দুই বছর আগে যাত্রা শুরু করে ছিল সর্বজয়া।

লক্ষ্য ছিল প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদেরকে স্বাবলম্বী করে তোলা, যার সুফল পাবে পুরো একটি পরিবার, গ্রাম এবং দেশ।

আমরা কোন দয়া কিংবা দাক্ষিণ্য করিনি এই নারীদেরকে, আমরা তাদেরকে উদ্যোক্তা করে গড়ে তুলেছি, বানিয়েছি আমাদের ব্যাবসায়িক অংশিদার, আমরা তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি "তারা কোন অংশেই তাঁর পরিবারের অন্য কোন সদস্য থেকে পিছিয়ে নেই"।
একই সঙ্গে পুরো পরিবারের সদস্যদেরকে বিশ্বাস করিয়েছি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর একসাথে চেষ্টা যেকোন পরিবারকে করে তুলতে পারে সুখি পরিবার।

মাত্র ৫ জন নারীকে নিয়ে শুরু করা সর্বজয়া এখন আটটি গ্রামের বিশাল পরিবার, শতাধিক প্রান্তিক দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষ হাত পাতা ভুলে অন্যদেরকেও উৎসাহিত করতে শিখেছে, পারিবারিক আয়, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, সামাজিক অবস্থান প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা অসাধ্য সাধন করেছে।

এইসব সর্বজয়াদের সাথে পথ চলতে পেরে আমরা গর্বিত। এই গর্বিত পথ চলার সঙ্গী হতে পারেন আপনিও।

না, আমরা কোন দান চাইবোনা আপনার কাছে, আপনার সামান্য মুলধন হয়ত এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে এমন অসংখ্য নারীকে। পাশাপাশি আপনি নিজেও প্রতিষ্ঠিত হবেন ব্যাবসায়ী হিসেবে।

আমাদেরকে মেসেজ করুন, অথবা ফোন করুন বিস্তারিত জানতে।

সাফল্য :গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার অনেক নারীর জীবনে যে আমোঘ পরিবর্তন এসেছে, তা ভাগ্যের জোরে বদলায়নি, বরং নিজের চেষ্ট...
25/09/2019

সাফল্য :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার অনেক নারীর জীবনে যে আমোঘ পরিবর্তন এসেছে, তা ভাগ্যের জোরে বদলায়নি, বরং নিজের চেষ্টা আর পরিশ্রমে সচ্ছলতা এসেছে তাদের ঘরে। প্রায় ৫০ জন নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করছে সর্বজয়া প্রকল্প। বলা চলে ছোটো একটা গ্রামের প্রায় প্রতিটা নারীকে স্বাবলম্বী করে তোলার পেছনে কাজ করছে তারা।

সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিচালিত একটি প্রকল্প সর্বজয়ার এক একজন উদ্যোক্তা প্রায় ২০টি গরুর লালন-পালন তদারক করেন। এসব গরুর খাবার থেকে শুরু করে চিকিত্সা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়। এসব কাজে তারা সহায়তা পান সর্বজয়ার মাঠকর্মীদের কাছে। দুই দিন অন্তর মাঠকর্মীদের সঙ্গে গবাদিপশুর ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে যান গরুর স্বাস্থ্য, যা সর্বজয়া প্রকল্পের অংশ। এই নারীদের গরুর খামার করার জন্য অর্থ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ আর পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছে সর্বজয়া। নিজের পরিশ্রম আর সর্বজয়ার সাহায্য এই দুইয়ে মিলে গৃহিণী থেকে একেকজন উদ্যোক্তা বনে যান। তাদের তত্ত্বাবধানে চলা এ গরুর খামারের অর্ধেক মালিকানা এখন তাদের হাতেই। যার লভ্যাংশ প্রতি বিক্রিতেই তারা বুঝে পান।

সর্বজয়া প্রকল্পের পেছনের গল্প জানতে চাইলে এ প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া মোহাম্মদ পলাশ জানান— ‘এ গ্রামের প্রতিটি পরিবারের পুরুষ সদস্যটি যখন কৃষিকাজ কিংবা জীবিকা নির্বাহের জন্য অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত থাকে তখন সে বাড়ির কর্ত্রী কিন্তু সারাদিনের কাজ শেষে অলস সময়ই পার করছেন। অন্যদিকে পরিবারগুলো খুব যে সচ্ছল তাও কিন্তু না। সবমিলিয়ে নারী যদি অলস সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে খানিকটা বাড়তি আয় করতে সক্ষম হন তাহলে কিন্তু পুরো পরিবারে সচ্ছলতা নেমে আসবে। তথা পুরো গ্রামের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে।’ এ চিন্তা থেকেই সর্বজয়ার শুরু হয় ২০১৭ সালে। ‘টেকসই উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়ন’ এ বাক্যকে মূলনীতি বিবেচনা করে গড়ে উঠেছে সর্বজয়া। নারীর উদ্যোম, প্রবল ইচ্ছা আর কর্মস্পৃহাকে কাজে লাগিয়ে এত দূর আসা সম্ভব বলেই এটি সর্বজয়া নামকরণের কারণও। তারা চাইলেই পারে অসাধ্যকে জয় করতে সবমিলিয়ে এ প্রকল্পের অধীনে থাকা একেকজন খামারি কিন্তু সমাজ ও সংসারে একেকজন বিজয়িনী। এ প্রকল্পের শুরুতে মোট পাঁচজন নারীকে বেছে নিয়ে, তাদের প্রত্যেককে চারটি করে গরু কিনে দেওয়া হয়। তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। বেছে নেওয়া পাঁচজনকে উপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর একটি আদর্শ খামারের কাঠামো তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সে কাঠামো অনুযায়ী সর্বজয়ার তত্ত্বাবধানে তাদের নিজেদের বাড়িতে বিনা সুদে একটি খামার তৈরি করে দেওয়া হয়, গরু কিনে দেওয়া হয়। গরুর খাবার, চিকিত্সা, প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজাকরণ ইত্যাদি বিষয়গুলোতেও তদারকি করা হয়। এ প্রকল্পের অধীনে থাকা প্রতিটি নারী খামারি একেকজন সর্বজয়া। সবমিলিয়ে মাত্র পাঁচ জন সর্বজয়া আর ২০টি গরু নিয়ে শুরু হওয়া এ প্রকল্প বছর দুয়েক না গড়াতেই এখন ৫০ জন সর্বজয়ার অধীনে রয়েছে ২০০টি গরু।

গ্রামীণ নারীকে যোগ্য করে তোলা এবং তাদের যোগ্যতা দ্বারা অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনাই মূখ্য উদ্দেশ্য সর্বজয়া প্রকল্পের। এর পাশাপাশি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রক্রিয়ায় গরুর উত্পাদন বাড়ানো, বিক্রি, পুষ্টিমান সম্পন্ন গরুর মাংসের চাহিদা পূরণ ইত্যাদি সম্পৃক্ত পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে। সাদুল্লাপুরের সর্বজয়াদের হাত ধরে ঘরে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা।

Link: https://www.ittefaq.com.bd/print-edition/features/mohila-ongon/91229/সর্বজয়ার--যাত্রা?fbclid=IwAR3qwVrxPrVW54RgSPWW08CYRGjL44uu6jR5VEGPHOSKYTY5SfxyAiOrKSQ
Published date: 25th September 2019

সাফল্য   ইফফাত ই ফারিয়া   গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার অনেক নারীর জীবনে যে আমোঘ পরিবর্তন এসেছে, তা ভাগ্যের জোরে ...

Address

Watermark Centre, House: 6/2, Block: B, Lalmatia, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:30 - 18:00
Tuesday 09:30 - 18:00
Wednesday 09:30 - 18:00
Thursday 09:30 - 18:00
Saturday 09:30 - 18:00
Sunday 09:30 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sorbojoya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sorbojoya:

Share