South asian stock market ltd .

South asian stock market ltd . আমরা কিন্তূ জানি একটা কোম্পানীর শেয়া?

25/01/2018

বিনিয়োগ

25/10/2017

আমার মনে হচ্ছে বিচ হ্যাচারী ও কেপিসিএল ডিভিডেন্ট দিবেনা। আপনাদের কি মনে হয়।

25/10/2017

শেয়ারের লস রিকভার করার কার্যকরী উপায়।
কোন শেয়ার কেনার পর সেই শেয়ারটা যদি আপটেন্ড ছেড়ে ডাউনট্রেন্ডে গমন করে তখন তখন ঐ শেয়ারে স্টপলস প্রয়োগ করে লস এর পরিমান কমানো সম্ভব। কিন্ত যদি এমন হয় যে, স্টপ লস প্রয়োগ করা সম্ভব না হয় তখন দিন দিন লসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে খাকে। এ লসের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিসিয়োগকারীরা অনেক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। নিচে সহজে ব্যবহারকরা যায় ও কার্যকরী কিছু পদ্ধতি উপস্থাপন করা হলোঃ
১। শেয়ারটি যে ডাউন চ্যানেলে চলছে বলে মনে হবে সে চ্যানেলের নিচের প্রান্তে টাচ করলে বাই এবং উপরের প্রান্তে টাচ করলে সেল এভাবে এগিয়ে চলা।
২। ভীত না হয়ে স্টং সাপোর্টে এসে বাউন্স করলে অধিক পরিমাণ কিনে এভারেজ ক্রয় মূল্য স্ট্রং সাপোর্টের কাছাকাছি আনা।
৩। নেটিং (একই শেয়ারে) করতে করতে এভারেজ ক্রয় মূল্য কমিয়ে আনা।
৪। শেয়ারটি বিক্রি করে সেই টকায় অন্য এক বা একাধিক আপট্রেন্ডের শেয়ার কেনা। (অন্য শেয়ারে কনভার্ট করা।
মন্তব্যঃ উপরোক্ত ৪টি পদ্ধতির মধ্যে সকল শেয়ারে সব সময় একই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় না। এটি শেয়ারের মুভমেন্টের উর ভিত্তি করে নির্ধারণ করতে হয় কখন কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে লস রিকভার করব। আর পদ্ধতি সমূহ ভাল করে আয়োত্ব করতে না পারলে কাজের থেকে অকাজ বেশি হতে পারে। আর পদ্ধতিগুলো যখন ব্যবহার করা সম্ভব না হয় তখন একটি সাধারণ পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে-
“চেয়ে চেয়ে দেখা ও যে সকল ডেভিডেন্ট দেয় তা গ্রহণ করা এবং কোন অবস্থাতেই পেনিক হয়ে অধিক লসে শেয়ার বিক্রি না করা।”

20/09/2017

মার্কেট

১. বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক থেকে প্রতিটা মার্চেন্ট ব্যাঙ্ক এর কাছে পোর্টফোলিও চাওয়া হয়েছে এক্সপোজার ইস্যুর কারণে. কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাঙ্ক গুলো বেশ ভালো ভাবেই বিনিয়েগে নেমেছে. সে কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এর নিয়মিত মনিটরিং এর অংশ হিসেবেই পোর্টফোলিও তলব করা হয়েছে. পোর্টফোলিও গুলো জমা দেবার সময়সীমা আজ বৃহস্পতিবার. সে কারণে গতকাল এর এমন ভয়ঙ্কর সেল প্রেসার.

২. মার্চেন্ট ব্যাঙ্ক যদি সেল করে ৫ কোটি টাকার, সাধারণ বিনিয়োগকারী প্যানিক এ পরে সেল করে ১০ কোটি টাকার. সে কারণে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় সূচকের এমন অস্বাভাবিক পতন.

৩. মার্কেট এর স্বাভাবিক কারেকশন

৪. টেকনিকাল এনালাইসিস অনুযায়ী মার্কেট এর ইনডিকেটর সমূহ কে নিরাপদ অবস্থানে ফিরিয়ে আনা

৫. প্রফিট টেকিং

৬. ডে ট্রেডিং. আপনারা জানেন কিনা জানিনা, বড় বড় কর্পোরেট হাউস গুলোর প্রাত্যহিক টার্গেট এর কারণে ৪-৫ পয়সা আপ ডাউন এও লক্ষ্য লক্ষ্য শেয়ার কেনা বেচা করে থাকে.

৭. সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাত থেকে খুচরা শেয়ার গুলো জোর পূর্বক সাইকোলজিক্যাল প্রেসার দিয়ে হাতিয়ে নেয়া.

৮. কিছু সম্মানিত অ্যাডমিন কে দেখলাম মার্কেট নাকি ৩০০-৪০০ পয়েন্ট পড়বে বলে ভবিষ্যৎবাণী করছে! ব্যাঙ্ক সেক্টর এর মুভেমেনেন্ট শেষ বলেও অনেকে অনেক কিছু বলছে! কিন্তু আপনারা জানেন না, মার্কেট এ কি অকল্পনীয় পরিমান ফান্ড ঢুকেছে এবং ঢুকছে এবং সেটা শুধু মাত্র ব্যাঙ্ক ফিনান্স লিজিং কে কেন্দ্র করে. ৩o০০ কোটি টাকা! এবং যারা এই ফান্ড গুলো ঢুকাচ্ছে তারা অবধারিত ভাবে আপনার আমার থেকে অনেক বেশি বুদ্ধিমান. সুতরাং একটা কথা মনে রাখুন, ব্যাঙ্ক সেক্টর কারেকশন এ গেলেও সেটা বড়োজোর ১-২ দিন. মার্কেট ঘুরবে এবং সেটা এই ব্যাঙ্ক ফিনান্স কে কেন্দ্র করেই.

সুতরাং অযথা প্যানিক এ পড়বেন না. ভালো কোনো একটা শেয়ার, যেটার কোনো একটা ভালো ইনফরমেশন আছে, কিনে বসে থাকুন. ২ দিন এ প্রফিট না পেলেও ৫ দিন এর দিন ঠিক ই প্রফিট পাবেন. কিন্তু যদি প্যানিক এ পড়েন,
৫ দিনে কেন, ২৫ দিনেও কিছু পাবেন না. উল্টো আপনার পোর্টফোলিও থেকে দেখবেন অনেক কিছু হারিয়ে গেছে.

31/08/2017

বিচ হ্যাচারী কেমন হতে পারে।

10/08/2017

পুঁজিবাজার রিপোর্ট: জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো এরই মধ্যে তাদের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ শেষ করেছে। ১৫৫টি কোম্পানির প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের হিসেব অনুযায়ী ৭৩টি কোম্পানির ইপিএস ঠিক একই সময়ের আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ।আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ৪০টি কোম্পানির ইপিএস। বেশ কয়েকটি কোম্পানি তাদের লোকসান…

শেয়ার মার্কেট
25/07/2017

শেয়ার মার্কেট

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রে আরো একটি ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটি ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএস এফডিএ) কর্তৃক মেথোকার্বোমল ট্যাবলেট (৫০০ মি.গ্রা. এবং ৭৫০ মি.গ্রা.) বাজারজাত করন...

03/07/2017

বিনিয়োগের পর স্টপ লস কখন দিবেন, কেন দিবেন ?

আমি সাধারণত স্টপ লস দেই না কারণ আমি এমন সব শেয়ারে এন্ট্রি নেই যে গুলোতে স্টপ লস নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাই বলে একেবারেই প্রয়োজন নেই এটা বলা যাবে না। শেয়ার ব্যবসায় কখনো কখনো স্টপ লস ফরজ বা অবশ্যই করণীয় হয়ে দাঁড়ায়।
কখন আমরা এটি প্রয়োগ করব, তা নিয়ে আলোচনা করা অনেক কঠিন কাজ কারণ ব্যাপারটা পুরোপুরি মনস্তাত্ত্বিক ।
কয়েকটি প্রশ্ন করে বিষয়টি সহজ করা যাক।
০১. আপনার হাতে থাকা শেয়ারের কোম্পানি কি “নো ডিভিডেন্ড” ঘোষণা করেছে ?
০২. কোম্পানির উৎপাদন কি বন্ধ হয়ে গেছে ?
০৩. কোম্পানির কারখানায় কি আগুন লেগেছে ?
০৪. কোম্পানির প্রধান নির্বাহী পরিচালক/কর্মকর্তা অসৎ বা এমন কোন অবৈধ অনৈতিক কাজকর্মে লিপ্ত ?
০৫. কোম্পানির ইপিএস বা মুনাফা অস্বাভাবিক ভাবে কমে গেছে ?
০৬. কোম্পানি কি নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করছে না ?
০৭. কোন শেয়ারের আপনি হাই প্রাইজে এন্ট্রি নিলেন, এন্ট্রি নেওয়ার পরে আপনি বুঝতে পারলেন যে ভুল হয়ে গেছে ?
০৮. আপনার কি মনে হচ্ছে মার্কেট কোন কারণে বড়সড় কারেকশানে যাবে ?**
উপরোক্ত কারণগুলো ঘটলে আপনি কি সিদ্ধান্ত নিবেন ????
এই প্রশ্ন গুলোর উত্তরের মধ্যে আমাদের সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এখন আপনারা উত্তর খুঁজে বের করুন।
২য় অংশ :
প্রথম অংশে কতগুলো প্রশ্ন করেছিলাম।
ঐ ঘটনাগুলোর যে কোন একটি হলেই কোন রকম চিন্তা ভাবনা না করে , আমি ডাইরেক্ট সেল করব। এখানে আর চিন্তা ভাবনার কোন সুযোগ নেই।
কিন্তু আমি চিন্তা ভাবনা করে, অনেক এনালাইসিস করে, ভালো কোম্পানির শেয়ার, বটম প্রাইজের কাছাকাছি বা তার একটু উপরে এন্ট্রি নিলাম। হয়ত এনালেসিস ঠিক হয়নি, অথবা টাইমিং ঠিক হয়নি, এখন আমার বাই প্রাইজ থেকে ৫/১০% ডাউন হয়ে গেল, এখন আমি কি স্টপ লস দিব?
না, আমি স্টপ লস নিবো না।কারণ আমি অনেক CONFIDENTLY এই শেয়ারে এন্ট্রি নিয়েছি এবং এই শেয়ার অবশ্যই অতি দ্রুত এই লস রিকভার করবে । এখানে আমি প্রথমে এভারেজ করার চেষ্টা করব, তা যদি করতে নাও পারি অপেক্ষা করব।
♦আপনি যখন বিশৃঙ্খল ট্রেড করবেন, তখন আপনার মধ্যে ঐ শেয়ারের প্রতি CONFIDENT থাকবে না । এবং ৫/১০% ডাউন হলে আপনার মধ্যে অহেতুক ভয় এসে যাবে। তখন আপনি স্টপ লস দিতে উৎসাহী হবেন। অন্যের কথায়, আপটেনট শেয়ারে এনট্রি নিলে Stop loss ফরজ। তাই অন্যের কথায় অনেক বেড়ে গেছে এমন শেয়ারে এনট্রি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
** যদি মনে হয়, মার্কেট বড় কারেকশানে যাবে, তাহলে ৭৫% শেয়ার সেল করে সাইড লাইনে থাকা ভালো। এতে আপনার কোন ক্ষতি নেই বরং লাভ আছে। কারেকশনে যদি আপনার আইটেম কমে আপনি কমে কিনার সুযোগ পাবেন। আর না কমলেও অসুবিধা নেই। তখন আপনি আরো চিন্তা ভাবনা করে রি-বিনিয়োগ করতে পারেন।
অনেকে বলেন যে, ৫/১০% ডাউন হলে স্টপ লস নেওয়ার জন্য। কিন্তু এই ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। কারন আপনার এনট্রি পয়েন্ট যদি ঠিক হয় তাহলে Stop loss নেওয়ার প্রয়োজন দেখি না।
এটা সম্পূর্ণ আমার নিজের ভাবনা। কারো সাথে নাও মিলতে পারে। তাই বলে আমাকে বকাঝকা করবেন না। হয়ত আমি ভুল।

27/06/2017

বিনিয়োগের ৬ মন্ত্র

দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে অর্থ উপার্জন করা লাভজনক ব্যবসা হলেও অনেকে এটাকে একটু ভিন্ন চোখে দেখেন। আসলে এই বাজারে কীভাবে বিনিয়োগ করতে হবে, কেমন শেয়ার কিনতে হবে, কখন তা বিক্রি করতে হবে; তা সঠিকভাবে না জানার কারণে এমন ধারণার জন্ম হয়েছে। তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সঠিক সময়ে বিনিয়োগ করতে পারলে সেখান থেকে ভালো মুনাফা আনা সম্ভব।

পুঁজিবাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য জেনে নেওয়া যাক ছয়টি কৌশল

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ:

একটি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আপনি কত দিনের জন্য বিনিয়োগ করবেন। ৬ মাস, ৯ মাস, ৩ বছর, ৫ বছর কিংবা তার বেশি। আপনি হয়তো অবসরকালীন, জমি ক্রয়, বাড়ি তৈরি, ফ্লাট ক্রয়সহ নানা কাজে ব্যয়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চান। আপনার ওই কাজ সম্পন্ন করার জন্য মেয়দী লক্ষ্য জরুরি।

তাই বিনিয়োগের আগে আপনাকে ঠিক করতে হবে কত দিন বিনিয়োগ করতে চান এবং কী পরিমাণ মুনাফা পেতে চান। কারণ মুনাফার হার বেশি পেতে চাইলে ঝূঁকির পরিমানও বেড়ে যায়।

ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা অনুধাবন:

আপনি কী পরিমাণ মুনাফা পেতে চান তার ওপর নির্ভর করছে ঝুঁকি কতটা বেশি। মুনাফা যত বেশি হবে ঝুঁকির পরিমাণও তত বাড়বে। আসলে একেক জনের ঝূঁকি নেওয়ার ক্ষমতা একেক রকম। আপনাকে ঠিক করতে হবে ১০০ টাকায় ১০০ টাকা পেতে চান নাকি ১ হাজার টাকা। তবে সিকিউরিটিজ সম্পর্কে জ্ঞান ও বাছাই করে কেনার ক্ষমতা অনেক সময় ঝূঁকি কমাতে সাহায্য করে। তাই এমন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ উচিত নয় যে বিনিয়োগ আপনাকে রাতে ঘুমাতে দেবে না। তাই বিনিয়োগের অনিশ্চিত সময়ে ঠাণ্ডা মাথায় বিনিয়োগকারীকে ঝূঁকি কমিয়ে সামনে এগুনো উচিত।

আবেগ নিয়ন্ত্রণ:

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে লাভ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো আবেগ। পুঁজিবাজারে একটি কোম্পানির শেয়ার সম্পর্কে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর ইতিবাচক ধারণা থাকলে ওই কোম্পানির শেয়ার দর বাড়তে থাকে। এর বিপরীত হলে কমতে থাকে। বুল ও বেয়ার মার্কেটের এই দরের ওঠানামা যতটা না কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ও ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করে; তার চেয়ে বেশি নির্ভর করে গুজব, ধারণা, উচ্চাশা ও আবেগের ওপর। সুতরাং নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য আবেগের নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

বিনিয়োগের প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন:

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাজার সম্পর্ককে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে। আপনাকে জানতে হবে পিই রেশিও কি, ইপিএস কি, এনএভি কি, সিএজিআর কি? আ জানা দরকার এগুলো কীভাবে হিসাব করতে হয় তা।

আপনাকে জানতে হবে একটি শেয়ার কতভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। শেয়ার লেনদেন করার জন্য বিভিন্ন অর্ডার জানতে হবে। এছাড়া লেনদেনের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে।

বিনিয়োগে বৈচিত্রকরণ:

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে অবশ্যই বৈচিত্র থাকতে হবে। আপনার সব বিনিয়োগ একটি শেয়ারে রাখলে চলবে না। একজন বিচক্ষণ বিনিয়োগকারীর বৈশিষ্ট্য হলো বিনিয়োগটাকে একটি শেয়ারে আটকে না রেখে সঠিক পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করা।

ধরুন, আপনি ৫ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন। এর মধ্যে আপনাকে ২টি কোম্পানির শেয়ার ২০ শতাংশ মুনাফা দিলো। আর ২টি কোম্পানির শেয়ারে পেলেন ১০ শতাংশ মুনাফা। তবে ১ কোম্পানিতে আপনার ১৫ শতাংশ লোকসান হলো। সব মিলে পোর্টফোলিওতে লোকসান কিন্তু কমিয়ে আনা গেল।

বিনিয়োগে বৈচিত্রকরণ আপনাকে মোট লোকসান কমিয়ে আনবে সহায়তা করবে।

মার্জিন থেকে দূরে থাকা:

পুঁজিবাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের একটা বড় শর্ত হলো আপনাকে মার্জিন ঋণ নেওয়া থেকে যত সম্ভব দুরে থাকতে হবে। মার্জিন নিয়ে শেয়ার কেনার কারণে হয়তো আপনাকে বিনিয়োগের অন্যান্য পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারবেন না। তাতে বেশিরভাগ সময়ে লাভের চেয়ে লোকসান বেশি হবে।

18/06/2017

স্বল্প পুঁজির বিনিয়োগকারীরা নজরে রাখুন বিনিয়োগের ১৩ কৌশল :
♣ ব্যবসায়ী না হয়ে বিনিয়োগকারী হোন।
♣ কখনো সর্ট টার্মে বিনিয়োগ করবেন না। কমপক্ষে ৩০-৯০ কার্যদিবসের বিনিয়োগ করুন।
♣ আপটেনট শেয়ার পরিহার করুন। সব সময় বটম বা বটমের কাছাকাছি প্রাইজে এনট্রি নিন।
♣ আপটেন্ট শেয়ারে বিনিয়োগ করলে স্টপ লসের কথা মাথায় রাখুন।
♣ সলপ ও মাঝারি মুলধনের ফানডামেনটাল শেয়ারে বিনিয়োগ করুন। বড় হাতী জাতীয় শেয়ার পরিহার করুন।
♣ মাঝে মাঝে কিছু প্রফিট টেক করুন। তবে সব শেয়ার নিয়ে একদম টপ প্রাইজ পর্যন্ত যাওয়ার চেষ্টা করুন।এতে আপনার পোর্টফোলিও দ্রুত বাড়বে।
♣ বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন। এবং পাবলিক সেন্টিমেন্ট অবজার করার চেষ্টা করুন।
♣ এনট্রি নেওয়ার আগে ভালো ভাবে পর্যাবেক্ষন/ পর্যালোচনা করে নিন, কোথায় এনট্রি নিচ্ছেন? কেন এনট্রি নিচ্ছেন? কোথায় যাবেন?
♣ এনট্রি নেওয়ার পর ভয় পেয়ে, চিন্তা ভাবনা করে লাভ নেই। কনফিডেন্ট থাকুন।
♣ ধৈর্য ধারন করা অভ্যাশ করুন। শেয়ার বাজারে ধৈর্যের কোন বিকল্প নেই।
"এখানে অধৈর্যের টাকা, ধৈর্যদের পকেটে যায়"।
♣ বিশৃঙ্খল ট্রেড পরিহার করুন। খুব কম ট্রেড করুন। বেশি বেশি ট্রেড করলে ভুল হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
♣ নিউজ, রিউমার, উড়ো খবরের উপর নির্ভরশীল হবেন না। এগুলো শতকরা ৮০% ক্ষেত্রে আপনাকে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচনা দিবে।
♣ শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। একজন সফল বিনিয়োগকারী হতে হলে TA/FA শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। আপনি যদি সিজনাল চিন্তা করেন ভিন্ন কথা কিন্তু
দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে হলে আপনাকে শিখতেই হবে।

Address

Kha 14/1 Ka, Khilkhet , Dhaka
Dhaka
1229

Telephone

01711570041

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when South asian stock market ltd . posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share