AAA Finance & Investment Ltd.

AAA Finance & Investment Ltd. AAA Finance & Investment Ltd. is recognized as a long-term player in the field of Capital Market.

AAA is committed to continue building its strength and to become a substantial force in the capital market for industrial growth in the country.

Important News | June 18, 2026The Economic Affairs Cabinet Committee has approved a proposal to establish Bangladesh’s f...
19/06/2026

Important News | June 18, 2026

The Economic Affairs Cabinet Committee has approved a proposal to establish Bangladesh’s first Free Trade Zones (FTZs) in Anwara, Chattogram.The decision was taken in a meeting chaired by the Finance Minister. According to BEZA, the FTZ will be developed following international standards to strengthen the country’s trade and export competitiveness. A high-level committee involving multiple ministries reviewed global FTZ models and recommended Anwara based on its strategic location along the Karnaphuli River. Officials expect the project to enhance foreign investment, diversify exports, and position Bangladesh as a regional logistics hub. Preparatory work, including policy and legal reforms, is already underway.

https://www.thedailystar.net/business/economy/news/govt-clears-path-first-free-trade-zones-4201561

Bangladesh’s banking sector is facing a critical challenge.📊 Distressed loans have reached Tk 10.87 lakh crore, represen...
19/06/2026

Bangladesh’s banking sector is facing a critical challenge.

📊 Distressed loans have reached Tk 10.87 lakh crore, representing 59% of total outstanding loans, while profitability and capital adequacy continue to deteriorate.

Understanding these trends is essential for investors, businesses, and policymakers as they shape the future of the financial sector.

Read the key highlights and insights from AAA Finance & Investment Ltd.

Today's DSE Market Overview -18 June 2026
18/06/2026

Today's DSE Market Overview -18 June 2026

18/06/2026

তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার উদ্দেশ্য শত্রুতা বন্ধ করা এবং বৃহত্তর আলোচনার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করা।
এখন মূল প্রশ্ন হলো, কে জিতল বা হারল তা নয়; বরং উভয় পক্ষ বাস্তবে কী অর্জন করল।
ইরানের জন্য:
• এই চুক্তির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, কিছু জব্দকৃত অর্থে প্রবেশাধিকার মিলতে পারে এবং তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু হওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। তবে এসব সুবিধার অনেকটাই ভবিষ্যৎ আলোচনা ও বাস্তবায়নের ওপর নির্ভরশীল।
• ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রয়েছে। কোনো শাসন পরিবর্তন হয়নি এবং দেশটির নেতৃত্ব কাঠামো, যার মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) অন্তর্ভুক্ত, বহাল রয়েছে।
• প্রাথমিক চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বাতিল করা হয়নি।
• আপাতত ইরান তার সমৃদ্ধ (Enriched) ইউরেনিয়াম মজুদ ধরে রেখেছে। যদিও ভবিষ্যৎ আলোচনায় সমৃদ্ধকরণের মাত্রা, আন্তর্জাতিক তদারকি এবং পারমাণবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়গুলো আলোচিত হওয়ার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য:
• এই চুক্তির ফলে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে নৌ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
• ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করবে না বলে পুনরায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষ পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।
• এই চুক্তি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি কমিয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছে।
• উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
যা এই চুক্তি করতে পারেনি:
• এটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির স্থায়ী সমাধান দেয়নি।
• এটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বিলুপ্ত করেনি।
• এটি ইরানের আঞ্চলিক মিত্র ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেয়নি।
• এটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তির নিশ্চয়তা দেয় না, কারণ বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
এই সংঘাত থেকে পাওয়া অন্যতম বড় শিক্ষা হলো, শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে সবসময় রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করা যায় না। সংঘাত চলাকালে বিপুল সামরিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত শক্তি ব্যবহৃত হলেও কোনো পক্ষই তাদের ঘোষিত সব লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি।
ইরানের সমর্থকদের মতে, দেশটি তীব্র চাপের মধ্যেও স্থিতিশীলতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে এবং তার প্রধান কৌশলগত সক্ষমতাগুলো অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থকদের মতে, ওয়াশিংটন বৃহত্তর সংঘাত প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটগুলো পুনরায় চালু করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে সফল হয়েছে।
সবশেষে, এই চুক্তিকে বিজয়, সমঝোতা নাকি সাময়িক বিরতি হিসেবে দেখা হবে, তা নির্ভর করবে পরবর্তী আলোচনার অগ্রগতি এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপ নেয় কি না তার ওপর।

Today's DSE Market Overview -17 June 2026
17/06/2026

Today's DSE Market Overview -17 June 2026

17/06/2026

🔴 Stock Market | Rajesh Exports নিয়ে SEBI-এর বড় অভিযোগ

অনেকেই মনে করেন স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ মানেই Scam, Fraud আর টাকা হারানোর ঝুঁকি। বিশেষ করে আমাদের দেশে অনেকের ধারণা, অনিয়ম যেন শুধু বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেই হয়।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের ঝুঁকি পৃথিবীর সব বাজারেই আছে।

সম্প্রতি ভারতের পুঁজিবাজারে Rajesh Exports Ltd. নিয়ে SEBI একটি বড় interim order দিয়েছে। SEBI-এর অভিযোগ, FY21 থেকে FY25 সময়কালে কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে প্রায় ₹15.15 লাখ কোটি রুপির revenue misrepresentation/overstatement থাকতে পারে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি এখনো চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত scam নয়। এটি SEBI-এর তদন্তাধীন একটি অভিযোগ। কোম্পানির পক্ষ থেকেও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে।

Rajesh Exports ভারতের স্বর্ণ ও জুয়েলারি খাতের পরিচিত listed company। March 2026 অনুযায়ী LIC-এর মতো বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরও কোম্পানিটিতে প্রায় 10.8% শেয়ার ছিল।

এ ঘটনা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়: বড় কোম্পানি, বড় বাজার বা বড় institutional investor থাকলেই কোনো শেয়ার ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যায় না।

পৃথিবীর কোনো পুঁজিবাজারই শতভাগ নিরাপদ নয়। আমেরিকা, ভারত, জাপানসহ বড় বাজারগুলোতেও অতীতে bubble, fraud, accounting manipulation এবং corporate governance failure দেখা গেছে।

তাই বলে বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে পালিয়ে যায় না। বরং তারা শেখে:

• কোম্পানির financial statement বুঝতে
• debt, cash flow ও auditor report দেখতে
• এক কোম্পানিতে সব টাকা না রাখতে
• diversification করতে
• risk management করতে
• hype বা গুজব নয়, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে

📍 রাস্তায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আছে বলে সারাজীবন ঘরে বসে থাকলে চলবে না। বরং নিয়ম মেনে, সতর্ক হয়ে চললে ঝুঁকি কমানো যায়।

পুঁজিবাজারও ঠিক তেমন।
মার্কেট খারাপ নয়। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, না বুঝে, লোভে পড়ে, শুধু অন্যের কথায় বিনিয়োগ করা।


ট্রেডিং এর নতুন সময়সূচিঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জলেনদেনের সময়সূচি : সকাল ১০ টা - দুপুর ২.০০পোস্ট ক্লোজিং সেশনদুপুর ...
16/06/2026

ট্রেডিং এর নতুন সময়সূচি
ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ
লেনদেনের সময়সূচি : সকাল ১০ টা - দুপুর ২.০০

পোস্ট ক্লোজিং সেশন
দুপুর ২.০০ -২.১০
(সিএসই : ২.০০-২.১৫)

অফিস সময়সুচি: সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪.০০ টা
#১৭ জুন ২০২৬ থেকে পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর।

Today's DSE Market Overview -16 June 2026
16/06/2026

Today's DSE Market Overview -16 June 2026

16/06/2026

ব্যাংকে টাকা নেই? তাহলে টাকা গেল কোথায়?

কিছুদিন ধরে অনেকেই বলছেন, “ব্যাংকে গেলে নগদ টাকা পাওয়া যাচ্ছে না”, “এটিএম বুথে টাকা নেই” কিংবা “ব্যাংকের টাকা কি শেষ হয়ে গেল?”

আসলে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। এর পেছনে রয়েছে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য, যার নাম Fractional Reserve Banking।

ব্যাংক কি আপনার টাকা লকারে রেখে দেয়?

ধরুন, আপনি ব্যাংকে ১,০০০ টাকা জমা রাখলেন।

সাধারণ ধারণা হলো, ব্যাংক সেই ১,০০০ টাকা ভল্টে রেখে দেবে। কিন্তু বাস্তবে ব্যাংকিং ব্যবস্থা এভাবে কাজ করে না। ব্যাংক জমাকৃত অর্থের একটি অংশ নগদ রিজার্ভ হিসেবে রাখে এবং বাকি অংশ ঋণ হিসেবে অর্থনীতিতে সরবরাহ করে।

ফলে আপনার অ্যাকাউন্টে এখনও ১,০০০ টাকা দেখা যায়, আবার সেই টাকার একটি অংশ অন্য কারও ব্যবসা, বাড়ি নির্মাণ বা শিল্প বিনিয়োগে ব্যবহৃত হয়।

অর্থ সৃষ্টির প্রক্রিয়া (Money Creation)

যখন ব্যাংক ঋণ দেয়, তখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা সরাসরি নগদ টাকা হাতে দেয় না। বরং ঋণগ্রহীতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একটি নতুন ডিপোজিট সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ:

* আপনি জমা দিলেন: ১,০০০ টাকা
* ব্যাংক ঋণ দিল: ৯০০ টাকা

এখন:

* আপনার অ্যাকাউন্টে: ১,০০০ টাকা
* ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টে: ৯০০ টাকা

অর্থনীতিতে ব্যাংক ডিপোজিটের মোট পরিমাণ দাঁড়াল ১,৯০০ টাকা।

এ কারণেই আধুনিক অর্থনীতিতে ব্যাংকগুলোকে “Credit Creators” বলা হয়।

আসলে কত টাকা কাগজের নোট?

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মোট অর্থ সরবরাহ (Broad Money বা M2)-এর একটি ছোট অংশই নগদ নোট ও কয়েন হিসেবে বিদ্যমান। অধিকাংশ অর্থ ব্যাংক হিসাবের ডিজিটাল এন্ট্রি আকারে থাকে।

একই চিত্র দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানসহ বিশ্বের প্রায় সব আধুনিক অর্থনীতিতে।

M0, M1 ও M2 কী?

M0 (Monetary Base)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত কাগজের নোট ও কয়েন, এবং ব্যাংকগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখা রিজার্ভ।

M1 (Narrow Money)
M0-এর সাথে জনগণের চাহিবামাত্র উত্তোলনযোগ্য ব্যাংক আমানত (Current & Demand Deposits) যোগ করলে M1 হয়।

M2 (Broad Money)
M1-এর সাথে সঞ্চয়ী হিসাব, ডিপিএস, এফডিআর এবং অন্যান্য মেয়াদি আমানত যোগ করলে M2 হয়।

অর্থনীতিবিদরা সাধারণত দেশের মোট অর্থ সরবরাহ বোঝাতে M2 ব্যবহার করেন।

তাহলে ব্যাংক রান (Bank Run) কী?

যদি হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক মানুষ একই সময়ে ব্যাংকে গিয়ে তাদের সমস্ত আমানত নগদে তুলতে চান, তখন ব্যাংকগুলো সমস্যায় পড়ে।

কারণ:

* সব আমানতের সমপরিমাণ নগদ টাকা ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকে না।
* ব্যাংকের একটি বড় অংশের সম্পদ ঋণ, বন্ড ও অন্যান্য বিনিয়োগে আটকে থাকে।

ইতিহাসে বহুবার এমন ঘটনা ঘটেছে।

উদাহরণ:

* 1930-এর দশকের মহামন্দা (Great Depression)
* 2007 সালের Northern Rock সংকট (UK)
* 2023 সালের Silicon Valley Bank (USA) ধস

এই কারণেই প্রায় সব দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক “Lender of Last Resort” হিসেবে কাজ করে এবং অনেক দেশে Deposit Insurance ব্যবস্থা রয়েছে।

বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ড পেমেন্টে কী ঘটে?

আপনি যখন ২,০০০ টাকা বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাঠান, তখন সাধারণত কোনো কাগজের নোট এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায় না।

পরিবর্তন হয় কেবল হিসাবের খাতায়:

* আপনার ব্যালেন্স থেকে ২,০০০ টাকা কমে
* প্রাপকের ব্যালেন্সে ২,০০০ টাকা যোগ হয়

এই প্রক্রিয়াকে অর্থনীতিতে Digital Settlement বলা হয়।

টাকা আসলে কী?

সাবেক মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান Ben Bernanke বলেছিলেন:

Money is a social institution based largely on trust.

অর্থাৎ টাকা মূলত বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সামাজিক ব্যবস্থা।

আজকের অর্থনীতিতে টাকা মানে শুধু কাগজের নোট নয়, বরং:

* ব্যাংক ডিপোজিট
* ইলেকট্রনিক ব্যালেন্স
* মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস
* কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ
* আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক দাবী ও দায়

সব মিলিয়ে একটি বিশাল আর্থিক নেটওয়ার্ক।

গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা

“ব্যাংক বাতাস থেকে টাকা বানায়” কথাটি আংশিক সত্য।

কারণ ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে নতুন ডিপোজিট সৃষ্টি করে, কিন্তু তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন নয়।

ব্যাংকগুলোকে মানতে হয়:

* বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা
* Capital Adequacy Requirement
* Liquidity Requirement
* Cash Reserve Requirement (CRR)
* Statutory Liquidity Ratio (SLR)
* Basel III Framework

অর্থাৎ ব্যাংক ইচ্ছামতো অসীম টাকা তৈরি করতে পারে না।

সূত্র ও রেফারেন্স

1. Bangladesh Bank – Monetary Policy Statement
2. Bangladesh Bank – Monthly Economic Trends
3. Bank of England (2014), Money Creation in the Modern Economy
4. International Monetary Fund (IMF) – Money and Banking
5. Federal Reserve System – Modern Money Mechanics
6. European Central Bank – How Money is Created
7. Mishkin, F. S. – The Economics of Money, Banking and Financial Markets
8. Bernanke, B. – Principles of Economics and Monetary Policy

সংক্ষেপে বলা যায়, আমরা যে “টাকা” দেখি তার অধিকাংশই আসলে কাগজের নোট নয়, বরং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি ডিজিটাল হিসাব। আর সেই ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো মানুষের আস্থা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস।


Address

Green Trade Point (11th Floor) 7, Mohakhali, Bir Uttam AK Khandokar Road Dhaka/1212
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:30
Tuesday 09:00 - 17:30
Wednesday 09:00 - 17:30
Thursday 09:00 - 17:30
Sunday 09:00 - 17:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AAA Finance & Investment Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share