Razia Group of Companies

Razia Group of Companies আমরা সুনামের সাথে ২০১২ সাল থেকে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সাথে জড়িত।

ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এ নিয়ম গুলো মেনে চলতে পারেন। ১। আগে সালাম দিন।২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে র...
14/04/2023

ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এ নিয়ম গুলো মেনে চলতে পারেন।

১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।
৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।
১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সিজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।

ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
(ভালো লাগলে সংগ্রহে রাখুন)

03/11/2022
আল্লাহর কাছে তিনটা জিনিস চাইঃ১. ঋণমুক্ত জীবন,২. সুস্বাস্থ্য,৩. ঈমানের সাথে মৃত্যু। হে আল্লাহ, এই রোজার মাসে তুমি আমার এই...
03/04/2022

আল্লাহর কাছে তিনটা জিনিস চাইঃ
১. ঋণমুক্ত জীবন,
২. সুস্বাস্থ্য,
৩. ঈমানের সাথে মৃত্যু।

হে আল্লাহ, এই রোজার মাসে তুমি আমার এই দোয়াটা কবুল করো।

তিনটা (C) 'সি' জীবনে গুরুত্বপূর্ণঃ======================                 ১। Choise (চয়েজ)                 ২। Chance (চান...
31/03/2022

তিনটা (C) 'সি' জীবনে গুরুত্বপূর্ণঃ
======================
১। Choise (চয়েজ)
২। Chance (চান্স)
৩। Change (চেইঞ্জ)

👉মনে রাখবেন,
ভাগ্য আপনার হাতে নেই কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে। আজকে নেয়া আপনার একটা পজেটিভ সিদ্ধান্ত, কাল আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটি হল (Choice) চয়েস।

👉শুনে রাখুন,
আপনি যা করছেন তা করতে থাকলে, যা পাচ্ছেন তা পেতেই থাকবেন। যদি এর চেয়ে ভালো কিছু পেতে চান তবে ভালোকিছু খুঁজুন ও শুরু করে দিন। এটি হল (Chance) চান্স / সুযোগ।

👉এবং,,
" অতীতকে আপনি বদলাতে পারবেন না,কিন্তু আপনি চাইলেই বর্তমানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতকে বদলাতে পারেন" আর এটাই হল পরিবর্তন (Change)।
👌বড় স্বপ্ন দেখুন,
👌নিজেকে বিশ্বাস করুন।
👌লক্ষ্য নির্ধারণ করুন,
👌পরিকল্পনা গ্রহণ করুন,
👌সেই অনুযায়ী কাজ করুন।

👉👉সামনের দিকে এগিয়ে যান....
👉👉ধৈর্য্য সহকারে লেগে থাকুন, সাফল্য আসবেই....

স্বাধীনতা আমার✍❤🙏💕স্বাধীনতা আমার কাছে এক পরম চাওয়া হারিয়ে যাওয়া সোনার নোলক খুঁজে পাওয়া স্বাধীনতা আমার হৃদয় নিংড়ানো ভালোব...
25/03/2022

স্বাধীনতা আমার✍❤🙏💕
স্বাধীনতা আমার কাছে এক পরম চাওয়া
হারিয়ে যাওয়া সোনার নোলক খুঁজে পাওয়া
স্বাধীনতা আমার হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা
ঘনকালো চোখে প্রেয়সীর গভীরতর প্রত্যাশা ll

স্বাধীনতা মানে বঞ্চিত মানুষের সঞ্চিত শক্তি
মসজিদের আজান,গির্জার ঘন্টা- সনাতনী ভক্তি, আমি এক নীরব কবি,সোনার বাংলায় ছবি আঁকি যেমন ইচ্ছা আমার লিখে মুক্তমনে লিখে যাচ্ছি নবপ্রজন্মের অধিকারের আদায়ে কবিতার পংক্তি ll🇧🇩

🎉🎉পবিত্র ঈদ- উল আযহা উপলক্ষে, সকল সম্মানিত গ্রাহক ও শুভাকাঙ্খী দের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 💐ঈদ মোবারক।💐
20/07/2021

🎉🎉পবিত্র ঈদ- উল আযহা উপলক্ষে, সকল সম্মানিত গ্রাহক ও শুভাকাঙ্খী দের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
💐ঈদ মোবারক।💐

সুখের পজিটিভ ও নেগেটিভ দিকগুলোঃপূর্বপুরুষদের চেয়ে আমাদের দৌড়ঝাঁপ বহুগুণে বেড়েছে। কিন্তু আমাদের জীবন কি সত্যিই তাদের চেয়ে...
13/07/2021

সুখের পজিটিভ ও নেগেটিভ দিকগুলোঃ

পূর্বপুরুষদের চেয়ে আমাদের দৌড়ঝাঁপ বহুগুণে বেড়েছে। কিন্তু আমাদের জীবন কি সত্যিই তাদের চেয়ে অনেক বেশি সুখময় হয়েছে? যদি তা না হয়, তবে ঠিক কী অর্জনের জন্য আমাদের নিরন্তর এই ছুটে চলা, এত বেশি চাপ নেয়া?

নগরজীবনে যারা সিক্স ডিজিট স্যালারি পায়, তাদের গ্রামে বাস করা আত্মীয়স্বজন এটা বুঝে উঠতেই পারে না যে প্রতি মাসে তারা এত টাকা দিয়ে কী করে? অথচ বাস্তবে দেখা যায়, শহরে বাস করা উচ্চ আয়ের সেই ব্যক্তির প্রতি মাসে ঋণ-দেনার পরিমাণ বাড়ছে! কেন এমনটা হয়? আসলে আজকাল আমরা অসংখ্য বস্তুকে সুখের ইন্ডিকেটর হিসেবে গ্রহণ করেছি। মনে মনে ভাবি, ওই বস্তুটার মালিক হলেই জীবন অতিশয় সুখের হবে। অথচ বিস্ময়করভাবে সেই (ফ্ল্যাট, গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণ প্রভৃতি) বস্তুগুলো অর্জনের খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ‘ভালো লাগা’র অনুভূতিগুলো কোথায় যেন উবে যায়!ফলে ড্রাগের প্রভাব যেমন একটা সময় অন্তর শেষ হয়, নতুন ডোজ না নিলে অস্থির লাগে; ঠিক তেমনিভাবে নতুন সম্পদ অর্জনের টার্গেট নির্ধারিত হয়। সেটা অর্জনের জন্য শুরু হয় নতুন দৌড়। কিন্তু প্রত্যাশিত সুখ পাখিটা স্থায়ীভাবে ধরা দেয় না। কখন, কীভাবে যেন বারবার হাত ফসকে বেরিয়ে যায়!

এমনটা হওয়ার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে? গুণীজন বলেন, আমরা ভেতরের জিনিস বাইরে খুঁজি বলেই তেমনটা হয়। কিসে আমার অন্তর সত্যিই প্রশান্ত হবে, তার খোঁজ না করে...বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শেখানো ‘সুখের উপকরণ’ লাভের মাধ্যমে আমরা সুখী হতে চেষ্টা করি। ফলে ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর’-এর চক্র থেকে কোনোভাবেই বেরোতে পারি না।

প্রকৃতপক্ষে বাহ্যিক সম্পদ দিয়ে সুখ অর্জন সম্ভব নয়। তাছাড়া সুখী হতে নির্দিষ্ট কিছু জিনিসের অধিকারী হওয়া জরুরি নয়। তবুও আমরা বস্তুগত নানা উপাদান লাভের মাধ্যমে সুখী হতে চেষ্টা করি। অথচ দীর্ঘদিন অসুস্থ ব্যক্তি যদি এক বেলা তীব্র ব্যথা অনুভব না করেন কিংবা রাতে ভালো ঘুমাতে পারেন...নিজেকে অনেক সুখী মনে করেন! আবার বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদে মারাত্মক অসুখী হন। ফলে সুখানুভূতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা প্রায় অসম্ভব এক ব্যাপার।

আমরা জীবনের সিংহভাগ সময় সুখের অনুসন্ধানে ব্যয় করি। কারো ভাগ্যে মাঝেমধ্যে জোটে, অধিকাংশ সময়ই থাকে বঞ্চিত। তবুও সুখের লাগিয়া ছুটে চলাই বুঝি জীবন। তবে হ্যাঁ, যারা অসংখ্য চাওয়ায় লাগাম দিতে শেখেন তাদের সুখী হওয়ার প্রবণতা বেশি।

অন্যদিকে এক সপ্তাহের শাটডাউনের ঘোষণা শুনে তিন মাসের খাবার মজুদ করা লোকের সংখ্যা চারপাশে নেহাত কম নয়। দৃষ্টিভঙ্গির এত পার্থক্য হওয়ার কারণ কী? পৃথিবীর অন্য কোনো জন্তুর খাবার মজুদ থাকে না, ব্যাংক ব্যালান্স নেই, চলাচলের গাড়ি লাগে না। তার পরও তাদের জীবনে কি ছন্দপতন ঘটে? পাখির গান শুনে বা সিংহের দিবানিদ্রা দেখে কি মনে হয় তার লাঞ্চ বা ডিনারের জন্য নিশ্চিত কোনো বন্দোবস্ত নেই? মজার ব্যাপার হলো, বেপরোয়া হওয়ার কথা ছিল যাদের পেটে ভাত নেই, পরনে কাপড় নেই...এমন মানুষগুলোর। কিন্তু তারা তুলনামূলকভাবে নিরীহ। তাছাড়া সুখকেন্দ্রিক তাদের কোনো হাপিত্যেশ নেই। বরং তাদের ভাবনাজুড়ে থাকে একবেলা, বড়জোর একদিন।

কিন্তু তথাকথিত শিক্ষিত-সচেতন-সামর্থ্যবান মানুষগুলো শুধু মাস ও বছর নয়; বরং পরবর্তী জেনারেশন নিয়েও মারাত্মক উদ্বিগ্ন থাকে! ফলে গরিবদের সংকট শারীরিক আর ধনীদের মানসিক। পেটের ক্ষুধা কোনো না কোনোভাবে পূরণ করা যায় কিন্তু মানসিক ক্ষুধা শত বা হাজার কোটিতেও কি পূরণ করা সম্ভব?

ফলে ধন-সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে সুখী হওয়ার যে অন্তহীন দৌড়ে আমরা নাম লিখিয়েছি, সেখানে পরাজয় অনিবার্য। অনেকটা হাইজাম্প প্রতিযোগিতার মতো। যতক্ষণ ব্যর্থ না হচ্ছেন, বারের উচ্চতা বাড়তেই থাকবে। তাই সারা জীবন সর্বোচ্চ গতিতে দৌড়ালেও আমাদের অসুখী হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না! কারণ এর কোনো ফিনিশ লাইন নেই। একটা অর্জন হতে না হতেই আরেকটা এসে হাজির হয়। আবার শুরু হয় নতুন দৌড়!

অনেকে বলেন, সুখ হলো প্রজাপতির মতো। যতই ধরতে যাবেন, সে নাগালের বাইরে চলে যাবে। কিন্তু আপনি তার পেছনে ছোটা বন্ধ করুন, সে নিজেই আপনার কাঁধে এসে বসবে। খুব সম্ভবত সুখ হলো আমাদের ছায়ার মতো। আপনি যতই ধরতে যাবেন, সে দূরে সরে যাবে। কিন্তু আপনি তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিজ গন্তব্যে চলতে থাকুন, সে আপনাকে অনুসরণ করবে। এতদিন জানতাম, অনেক কিছু থাকলে সুখী হওয়া যায়। কিন্তু করোনাকালে অনুভব করছি থাকার সুখ খুবই সাময়িক।

তাই সুখের পজিটিভ নাকি নেগেটিভ দিকগুলো গ্রহণ, চর্চা ও সংরক্ষণ করব, তার সুইচ অনেকটাই আমাদের হাতে। এক্ষেত্রে আব্রাহাম লিংকনের উক্তিটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন, People are just as happy as they make up their minds to be.

উদ্যোক্তা বনাম ব্যবসায়ীঃআপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনি একজন উদ্যোক্তা নাকি একজন ব্যবসায়ী ? আমরা যদি এ দুটি শব্দের সঠিক ম...
07/07/2021

উদ্যোক্তা বনাম ব্যবসায়ীঃ
আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনি একজন উদ্যোক্তা নাকি একজন ব্যবসায়ী ? আমরা যদি এ দুটি শব্দের সঠিক মানে না জানি তাহলে আমাদের তরুন সমাজ যতোই নিজেদেরকে উদ্যোক্তা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করুক না কেন আমরা তথা আমাদের সমাজের কাঙ্খিত পরিবতন কিন্তু কখনই সাধিত হবে না ।

উদ্যোক্তা শব্দের ইংরেজী হলো- “entrepreneur” এবং

ব্যবসায়ী শব্দের ইংরেজী হলো- “businessman”

Oxford dictionary’তে Entrepreneurs প্রসঙ্গে বলা হয়েছে “A person who sets up a business or businesses, taking on financial risks in the hope of profit”.

Oxford dictionary’তে Businessman প্রসঙ্গে বলা হয়েছে “A man who works in commerce, especially at executive level”.

“Businessman” সম্পকিত কাজগুলোকে যদি সহজভবে বলা যেতে পারে যে, “একজন ব্যাক্তি, যিনি মালিক/চাকুরীজীবি হিসাবে একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত, যেই প্রতিষ্ঠানটি আথিক লেন দেনের সাথে জড়িত”

উদাহরন:

একজন পান বিক্রেতা (রহিম) দৈনিক বড় বাজার থেকে পান কিনে এনে, পাড়ায়, পাড়ায় ঘুরে বিক্রি করে বড় দোকানের টাকা পরিশোধ করেন । আপনি উনাকে কি বলবেন একজন উদ্যোক্তা নাকি একজন ব্যবসায়ী ?

“Entrepreneur” এর আলোচনা থেকে মোটামোটি একটি পরিস্কার একটা ধারনা পাওয়া গেছে যে, একজন উদ্যোক্তা তার পণ্যের মাধ্যমে, একটি প্রতিষ্ঠান তৈরীর মাধ্যমে ঝুকিঁ নিয়ে আথিক লাভের জন্য কাজ করে থাকেন ।

এখানে পান বিক্রেতা পান বিক্রি করে আথিকভাবে লাভবান হলেও, বাকি অন্য বিষয়গুলো কিন্তু অনুপস্থিত, যেমন: নিজস্ব পণ্য এবং ঝুকি । যেহেতু তিনি নিজে পণ্য উৎপাদন এর সাথে জড়িত নেই তিনি অন্যের উৎপাদিত পান বিক্রি করেন এবং যেহেতু তিনি দৈনিক এর পান, দৈনিক বড় বাজার থেকে এনে পাড়ায়, পাড়ায় বিক্রি করেন তাই এ কাজেও তার তেমন কোন ঝুকি নিতে হয় না ।

অন্যদিকে “businessman” এর আলোচনা থেকে মোটামোটি একটি পরিস্কার ধারনা পাওয়া গেছে যে, একজন ব্যবসায়ী তার নিজের অথবা অন্যের প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে আথিক লাভের জন্য কাজ করে থাকেন ।

এখানে পান বিক্রেতা ঠিক এই কাজটিই করছেন সফলতার সাথে । দৈনিক বড় বাজার থেকে লাভের আসায় পাড়ায়, পাড়ায় বিক্রি করে আথিকভাবে লাভবান হচ্ছেন । তাহলে আলোচনার প্রেক্ষিতে সহজেই বলতে পারি যে, পান বিক্রেতা (রহিম) একজন ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা নন ।

এবার ধরা যাক আরেকজন পান বিক্রেতাই (করিম) নিজের জমিতে পান উৎপাদন করে, বিভিন্ন হাটে, ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পান বিক্রি করে থাকেন ।

এখন তাকে আমরা কি বলবো উদ্যোক্তা নাকি ব্যবসায়ী ?

পান বিক্রেতা (রহিম) এর মধ্যে যে দুটি জিনিস/কাজ অনুপস্থিত থাকার কারনে আমরা তাকে উদ্যোক্তা বলতে পারি নাই । পান বিক্রেতা ( করিম) এর মধ্যে কিন্তু সেই দুটি জিনিস/কাজ বিদ্যামান রয়েছে ।

যেমন: পান বিক্রেতা (করিম) যেহেতু নিজের জমিতে পান উৎপাদন করেন তাই তিনি সরাসরি পণ্য উৎপাদন এর সাথে জড়িত এবং
যেহেতু পান নিজের জমিতে উৎপাদন করেন তাই, জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে পান বিক্রি পযন্ত দীঘসময় এই উৎপাদন এর সাথে জড়িত থাকতে হয় । যে কোন সময়, পানে পোকা লেগে, পানের বাজার দড় কমে গিয়ে, পান পরিবহন এর খরচ বৃদ্ধি পেয়ে সে আথিকভাবে লোকসানের মধ্যে পড়ে যেতে পারেন তার মানে তাকে যথেষ্ট ঝুকিঁ নিয়েই তাকে এই পান উৎপাদন এর সাথে জড়িত থাকতে হচ্ছে। ফলে পান বিক্রেতা (করিম) কে আমরা ব্যবসায়ী না বলে একজন উদ্যোক্তা বলতে পারি।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বোধহয় এ কথা বলতে পারি যে, সকল উদ্যোক্তাই ব্যবসায়ী তবে সকল ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা নন ।

Engr. Ziaur Rahman
Managing Director,
Razia IT Solutions Ltd.
7-8, Rampura Banasree, Dhaka-1219.
📲 01711-110945,
www.servicedhaka.com

🙋🙋 পরামর্শ /তথ্যের জন্য, কথা কথা বলতে পারেনঃ 01711-110945 (ইঞ্জিনিয়ার জিয়া)

💯💯💯 বিস্তারিত জানতে চাইলে, আমাদের Website ভিজিট করতে পারেনঃ
🌍 www.servicedhaka.com

জীবনে সফল হওয়ার ১০ উপায়:কোনো কিছু নিয়ে উল্টাপাল্টা ভাবনা থেকে শুরু করে অহেতুক দুশ্চিন্তা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহঙ্কারের পাশা...
28/06/2021

জীবনে সফল হওয়ার ১০ উপায়:

কোনো কিছু নিয়ে উল্টাপাল্টা ভাবনা থেকে শুরু করে অহেতুক দুশ্চিন্তা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহঙ্কারের পাশাপাশি স্মৃতি রোমন্থন না করলে সহজেই সাফল্য ধরা দেবে। কয়েকটি বিষয় এড়িয়ে চলুন দুশ্চিন্তা নয়, সমাধানের চিন্তা । জীবনে সফল মানুষরা কখনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে না। তাই জেনে নিন সফল হওয়ার ১০টি উপায়

১। ঘুম থেকে ওঠা- এক ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠুন- আমরা দেরি করে উঠি। তারপর সময় না পাওয়ার বাহানা খুঁজি সারা দিন। এ দিকে যে কোনও সফল মানুষকে আপনি দেখবেন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে। আপনিও আদ থেকে এক ঘণ্টা এগিয়ে আনুন ঘুম থেকে ওঠার সময়। দেখবেন দিনটা অনেক বড় হয়ে যাবে। প্রথম দিকে একটু অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।

২। ভিশুয়ালাইজ- নিজে জীবনে কী করতে চান সেই বিষয়ে যদি আপনার স্বচ্ছ ধারনা থাকে তবেই আপনি জীবনে সফল হতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের পুরো দিনটা মনে মনে ছকে ফেলুন। সারা দিনে কী করতে চান, কোন কাজটা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে তা মনে মনে ভেবে নিন। নিজেকে সফল ভাবতে শিখুন।

৩। ব্রেকফাস্ট- সারা দিন আপনার মুড ভাল রাখতে, আপনার এনার্জি বাড়াতে কিন্তু সকালে ঠিক করে খাওয়া প্রয়োজন। এ দিকে রোজ সকালে দেরিতে ওঠার জন্য আপনি ব্রেকফাস্টের সময়ই পান না। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। সফল মানুষরা কিন্তু কখনই ব্রেকফাস্ট বাদ দেন না। তাই রোজ উপভোগ করে ব্রেকফাস্ট করুন।

৪। চেক লিস্টে- গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রাখবেন না। আমরা কাজ ফেলে রাখি যত ক্ষণ না সেটা আবশ্যিক হয়ে পড়ে। রোজ কী কী করবেন চেক-লিস্ট বানিয়ে ফেলুন। শুনতে জ্ঞানগর্ভ লাগলেও এটা অত্যন্ত ভাল অভ্যাস।

৫। নিজেক মোটিভেট করুন- আলস্য পেয়ে বসতে দেবেন না। সব সময় নিজের লক্ষ্য সামনে রাখুন। হাসির ছবি দেখুন, মন ভাল করে এমন কাজ করুন। রিল্যাক্স করুন। যাতে চাপ কমে এমন কাজ করুন। এই ভাবে নিজেকে মোটিভেট করুন। স্ট্রেস ধারে কাছে ঘেঁষতে দেবেন না।

৬। সক্রিয় থাকুন- ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরু করতে সমস্যা হয়। বাড়ি ফিরেও ক্লান্ত লাগে। হালকা শরীরচর্চা তাই আপনাকে সক্রিয় রাখতে জরুরি। রোজ ঘুম থেকে হালকা ব্যয়ামের রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে পেশির শিথিলতা বাড়বে, রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়ে আপনার কর্মক্ষমতা বাড়বে।

৭। বাড়ির খাবার খান- অফিসে খাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে লাঞ্চ, স্ন্যাকস নিয়ে যান। সফল হতে গেলে সুস্থ থাকতে হবে। তাই বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির রান্না স্বাস্থকর খাবার খান। এতে সময়ও বাঁচবে। কাজের ফাঁকেই খেয়ে নিতে পারবেন ফলে খাওয়ার সময়ই ঠিকঠাক থাকবে।

৮। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন- আপনার ঘর কি অগোছালো? অফিসের ডেস্কে প্রচুর ফালতু কাগজ? অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দিন। বাজে কাগজ বেশি থাকলে কাজের জিনিস খুঁজে পাবেন না। অন্য দিকে ঘর অগাছালো থাকলে আপনার কাজের এনার্জিও কমবে।

৯। রাত জাগবেন না- তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যান। সুস্থ, সবল থাকতে রাতের ঘুম প্রয়োজনীয়। অকারণে তাই রাত জাগবেন না। ল্যাপটপ বা মোবাইলে গল্প করে সময় নষ্ট করবেন না রাতে। প্ল্যান করে কাজ করলে রাত জেগে আপনাকে ফেলে রাখা কাজও করতে হবে না।

১০। কথা কম বলুন- কথা কম কাজ বেশি। ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন এটা। আক্ষরিক অর্থেই সত্যি। সফল মানুষরা কথা কম বলেন। চুপচাপ থাকলে মনসংযোগ বাড়ে, নিজের সঙ্গে কথা বলুন। আপনার কাজের মান বাড়বে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Razia Group of Companies posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share