01/10/2026
ভালো বীজ, যত্ন আর পরিশ্রম—এই তিনের সমন্বয়ে ১০ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ছোট গজনি গ্রামের কৃষাণী ক্রিস্টিনা মানখিন।
উন্নত জাতের লাউয়ের বীজে পেয়েছেন আশাব্যঞ্জক ফলন। প্রতিটি লাউ বিক্রি করছেন ৩০-৪০ টাকা পাইকারি দরে। প্রথম চালানেই তিনি ৭০টি লাউ বিক্রি করেছেন। কীটনাশকমুক্ত হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও ভালো। যার ফলে তিনি পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও কিছুটা স্বাবলম্বী হতে পারছেন।
শুধু লাউ নয়, করলা, বরবটি, বেগুন ও ধুন্দলের বীজও পেয়ে তিনি সবজি উৎপাদনে অধিক মনোযোগী হয়ে উঠেছেন।
মানসম্মত বীজ কৃষকের হাতে পৌঁছে গেলে সীমিত জমিতেও বৈচিত্র্যময় সবজি চাষের সুযোগ তৈরি হয়, বাড়ে উৎপাদনের সম্ভাবনা।
নিজের অভিজ্ঞতায় তিনি দেখছেন, ভালো বীজ কৃষকের জন্য শুধু ফসল নয়—যেন সম্পদ। ক্রিস্টিনা মানখিনের এই কাজে উন্নতমানের বীজ এবং সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে পাশে আছে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি।