BRAC Microfinance

Directions Website Contact the business

BRAC Microfinance BRAC is a pioneer of microfinance and also the world’s largest microfinance institution.

ভালো বীজ, যত্ন আর পরিশ্রম—এই তিনের সমন্বয়ে ১০ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ছোট গজনি গ্...
01/10/2026

ভালো বীজ, যত্ন আর পরিশ্রম—এই তিনের সমন্বয়ে ১০ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ছোট গজনি গ্রামের কৃষাণী ক্রিস্টিনা মানখিন।

উন্নত জাতের লাউয়ের বীজে পেয়েছেন আশাব্যঞ্জক ফলন। প্রতিটি লাউ বিক্রি করছেন ৩০-৪০ টাকা পাইকারি দরে। প্রথম চালানেই তিনি ৭০টি লাউ বিক্রি করেছেন। কীটনাশকমুক্ত হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও ভালো। যার ফলে তিনি পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও কিছুটা স্বাবলম্বী হতে পারছেন।

শুধু লাউ নয়, করলা, বরবটি, বেগুন ও ধুন্দলের বীজও পেয়ে তিনি সবজি উৎপাদনে অধিক মনোযোগী হয়ে উঠেছেন।

মানসম্মত বীজ কৃষকের হাতে পৌঁছে গেলে সীমিত জমিতেও বৈচিত্র্যময় সবজি চাষের সুযোগ তৈরি হয়, বাড়ে উৎপাদনের সম্ভাবনা।

নিজের অভিজ্ঞতায় তিনি দেখছেন, ভালো বীজ কৃষকের জন্য শুধু ফসল নয়—যেন সম্পদ। ক্রিস্টিনা মানখিনের এই কাজে উন্নতমানের বীজ এবং সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে পাশে আছে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি।

29/09/2026

প্রান্তিক নারীদের হাতের বুননে তৈরি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথা, তাদের জীবনে আসছে পরিবর্তন।

এমন লাখো নারীর পথ খুঁজে পাবার যাত্রায় আমরা পাশে আছি, পাশে আছেন আমাদের অদম্য কর্মীরা।

প্রান্তিক মানুষের কাছে ডিজিটাল আর্থিক সেবা সহজলভ্য করার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাজশাহীর চারঘা...
28/09/2026

প্রান্তিক মানুষের কাছে ডিজিটাল আর্থিক সেবা সহজলভ্য করার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

রাজশাহীর চারঘাটের সেলিনা খাতুন সেই পরিবর্তনের এক দৃষ্টান্ত। শৈশবে ব্র্যাক স্কুলে পড়ালেখা করে তিনি পরে সেখানেই শিক্ষকতা শুরু করেন। স্কুলটি কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে গেলেও কিছু করার তাগিদে তাই থেমে না গিয়ে ২০১৮ সালে শুরু করেন কসমেটিকসের ছোট দোকান।

ধীরে ধীরে হাতে তৈরি ঘোমটা, টোপর, বাসরঘরের কাপড়ের ফুল, বিশেষ গহনা ও ফুলের ওয়ালম্যাট তৈরির কাজ শেখেন।

২০২৫ সালের শুরুতে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ​সহায়তায় রকেট এজেন্টশিপ পান সেলিনা খাতুন। তার দোকান হয়ে ওঠে এলাকার মানুষের টাকা পাঠানো, ​উত্তোলন ও লেনদেনের সহজ ঠিকানা। আগে এসব সেবার জন্য দূরের বাজারে যেতে হতো অনেককে। এখন হাতের কাছেই মিলছে ডিজিটাল আর্থিক সেবা।

এ​তে তাদের জীবনে সময় ও যাতায়াতের ঝামেলা অনেকটাই কমেছে​ পাশাপাশি স্থানীয়​ভাবে ব্যবসার সুযোগ​ও তৈরি করছে। টাকা লেনদেন করতে আসা মানুষের সঙ্গে বাড়ছে দোকানের পণ্য বিক্রিও।

সঠিক সহায়তা একজন উদ্যোক্তার জীবন​ বদলে দিতে পারে। একসময় ​জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া সেলিনা খাতুন আজ নিজের ব্যবসা সামলাচ্ছেন, আয় বাড়াচ্ছেন এবং এলাকার মানুষের আর্থিক সেবার প্রয়োজন মেটাতে ভূমিকা রাখছেন।

তার পথচলা অন্য নারী উদ্যোক্তাদের জন্যেও সম্ভাবনাময় সুযোগ তৈরি করছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জুলেখা বেগমের নার্সারিতে এখন চারা তৈরি হয় একটু ভিন্নভাবে। তিনি গড়ে তুলেছেন আধুনিক পলিশেড নার্সার...
27/09/2026

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জুলেখা বেগমের নার্সারিতে এখন চারা তৈরি হয় একটু ভিন্নভাবে। তিনি গড়ে তুলেছেন আধুনিক পলিশেড নার্সারি। একসঙ্গে প্রায় ১২ হাজার চারা উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাবনার পথে।

এই নার্সারির অন্যতম উপকরণ কোকোপিট। নারকেলের ছোবড়া প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি এই প্রাকৃতিক মাধ্যম মাটি ছাড়াই চারা উৎপাদনে ব্যবহার করা যায়। এটি পানি ধরে রাখে, আবার অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়ার সুযোগও দেয়। ফলে চারার শিকড় সহজে বেড়ে ওঠে এবং স্বাস্থ্যকর চারা তৈরি হয়।

সনাতন পদ্ধতির তুলনায় কোকোপিটে উৎপাদিত চারায় রোগবালাই ও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম। মানও থাকে ভালো। তাই প্রতি মৌসুমে প্রায় ১০০–১৫০ জন কৃষকের কাছে সময়মতো মানসম্মত চারা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জুলেখা বেগমের উদ্যোগ শুধু একটি নার্সারি নয়, এটি চারা উৎপাদনে নিয়ে এসেছে টেকসই সম্ভাবনা। নিজের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে তার পাশে আছে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি। এই উদ্যোগ কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি, নতুন ভাবনা আর সাহসের সমন্বয় ঘটিয়েছে।

এমন পদ্ধতি ব্যবহারে যদি তরুণেরাও এগিয়ে আসেন তবে তাদের হাত ধরে তৈরি হতে পারে আগামী দিনের নতুন কর্মসংস্থান।

25/09/2026
24/09/2026

কৃষকের জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে সমন্বিত চাষাবাদ।
এতে ফলন বাড়বে, বিকশিত হবে সম্ভাবনা।

সমৃদ্ধ কৃষি গড়তে পারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

মাছ চাষের পাশাপাশি একই পুকুরে মুক্তা চাষ—শুনতে অভিনব হলেও এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাড়তি আয়ের একটি সম্ভাবনাময় পথ।জয়পুরহাটের ...
23/09/2026

মাছ চাষের পাশাপাশি একই পুকুরে মুক্তা চাষ—শুনতে অভিনব হলেও এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাড়তি আয়ের একটি সম্ভাবনাময় পথ।

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মাছ চাষিদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে শুরু হয়েছে ঝিনুকে মুক্তা চাষের উদ্যোগ। নির্বাচিত ২ জন মৎস্য চাষিকে দেওয়া হয়েছে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ। এরপর তাদের পুকুরে স্থাপন করা হয়েছে ১,০০০টি সার্জারিকৃত ঝিনুক।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ১২–১৩ মাস পর এসব ঝিনুক থেকে প্রায় ১,৪০০–১,৫০০টি মুক্তা সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতি মুক্তা ১০০–১৫০ টাকা দরে বিক্রি হলে সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১.৪–২.২৫ লাখ টাকা।

তবে এই উদ্যোগের গুরুত্ব শুধু একজন চাষির বাড়তি আয়ে সীমাবদ্ধ নয়। তরুণদের জন্য এটি হতে পারে কৃষি ও জলজ সম্পদভিত্তিক নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার একটি ক্ষেত্র। অল্প জায়গা ও বিদ্যমান পুকুরের পানিকে কাজে লাগিয়ে মাছের পাশাপাশি মুক্তা উৎপাদন, পরিচর্যা, সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণে তৈরি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ।

আজকের তরুণ যদি প্রচলিত চাষাবাদের পাশাপাশি এমন নতুন কৃষি-উদ্যোগে দক্ষতা অর্জন করে, তাহলে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি গড়ে তুলতে পারে একটি টেকসই আয়ের উৎস।

কুহেলী চাকমার শুরুটা হয়েছিল মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে। খাগড়াছড়িতে বসে অনলাইনে পোশাকের ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। পুঁজি কম ছি...
18/09/2026

কুহেলী চাকমার শুরুটা হয়েছিল মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে। খাগড়াছড়িতে বসে অনলাইনে পোশাকের ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। পুঁজি কম ছিল, পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগেরও নানা সমস্যা ছিল। তার ওপর নতুন ব্যবসা শুরু করলে বাজার তৈরি করাও সহজ নয়। কিন্তু এসব কোনো কিছুই কুহেলীকে থামাতে পারেনি।

নিজের পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি। তার ব্যবসার নাম ‘হাদি পিনন’। অনলাইনে ছোট পরিসরে শুরু করা সেই উদ্যোগ ধীরে ধীরে পরিচিতি পেতে থাকে। ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে পোশাকের ধরন ও মানে পরিবর্তন আনেন। একসময় অনলাইনের পাশাপাশি নিজের একটি শোরুমও চালু করেন।

ব্যবসা বড় হবার সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে থাকে কুহেলীর কাজের পরিধিও। এখন ‘হাদি পিনন’-এ মাসে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। এর মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার টাকা থাকে লাভ। তার সঙ্গে কাজ করছেন আরও দুজন কর্মী।

কুহেলীর অভিজ্ঞতা দেখায়, হাতে বেশি টাকা না থাকলেও শুরু করার সাহস থাকলে সামনে এগোনোর পথ তৈরি করা যায়।

পাহাড়ি এলাকার দূরত্ব, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা কিংবা ব্যবসার নানা ঝামেলা—সবকিছুর মধ্যেই নিজের মতো করে পথ খুঁজে নিয়েছেন কুহেলী। তার এই পথচলা এখন অন্য নারীদেরও নিজে কিছু করার স্বপ্ন দেখতে সাহস দিচ্ছে।

ব্র্যাকের উপ-নির্বাহী পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন অরিঞ্জয় ধর। এই দায়িত্বগ্রহণের মাধ্যমে তিনি মাইক্রোফাইন্যান্স, টেকনোলজি, শ...
17/09/2026

ব্র্যাকের উপ-নির্বাহী পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন অরিঞ্জয় ধর। এই দায়িত্বগ্রহণের মাধ্যমে তিনি মাইক্রোফাইন্যান্স, টেকনোলজি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, মাইগ্রেশন ও অপারেশনস কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের রূপান্তরে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন, যার ফলস্বরূপ দেশজুড়ে বিস্তৃত ৩,৩০০ শাখা অফিসের মাধ্যমে এই কর্মসূচি আর্থিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছে ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের মাঝে।

প্রান্তিক মানুষের জীবন পরিবর্তনে তার দিকনির্দেশনায় শস্যনিরাপত্তা বিমার আওতায় যুক্ত হয়েছেন ১৫ লক্ষ কৃষক, ঋণ নিরাপত্তা বিমার আওতায় এসেছেন ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি এবং সদস্যদের জন্য পরিচালিত ডিজিটাল অ্যাপের অন্তর্ভুক্ত হয়ে আর্থিক সেবা কার্যক্রমের অংশ হয়েছেন ১৭ লক্ষ মানুষ।

আর্থিক সেবাগ্রহণকারীদের মধ্যে ৮৯ শতাংশেরও বেশি আছেন নারীরাই, অন্যদিকে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির নিবেদিতপ্রাণ কর্মীবাহিনীর মধ্যে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে নারীনেতৃত্ব।

তার নতুন এই যাত্রায় ব্র্যাক পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।

মানুষের বিপদে সহযাগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে বদলে যেতে পারে তার জীবনের গল্প। হঠাৎ দুর্ঘটনায় আকলিমা বেগমের স্বামী জামাল উদ্দিন...
14/09/2026

মানুষের বিপদে সহযাগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে বদলে যেতে পারে তার জীবনের গল্প।

হঠাৎ দুর্ঘটনায় আকলিমা বেগমের স্বামী জামাল উদ্দিনের শারীরিক প্রতিবন্ধিতায় পুরো পরিবারের ভবিষ্যতে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর দিশেহারা পরিবারের এই কঠিন লড়াইয়ে নতুন শক্তির যোগান দেয় 'পঙ্খিরাজ'— সৌরশক্তি চালিত সেচ ব্যবস্থা।

চরাঞ্চলের তীব্র জ্বালানি সংকট ও সেচ সমস্যার ভিড়ে পঙ্খিরাজ শুধু একটি পাম্প নয়, হয়ে ওঠে ঘুরে দাঁড়ানোর অবলম্বন। অদম্য সাহসে জামাল উদ্দিন নিজের ৮০ শতাংশ জমিতে নিয়মিত সেচ দিয়ে ফসলের হাসি ফিরিয়ে এনেছেন। শুধু নিজের জমিতেই নয়, আশপাশের কৃষকদের জমিতেও সেচ সুবিধা দিয়ে তৈরি করেছেন আয়ের নতুন পথ। মাত্র ৪৫ দিন তিনি এই সেচপাম্পটি হাতে পেয়েছেন, এর মধ্যেই তিনি আয় করেছেন ২২০০০ টাকা।

হতাশা আর অনিশ্চয়তাকে পেছনে ফেলে তারা আজ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। তাদের এই অগ্রযাত্রায় সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পাশে আছে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি। সঠিক দিকনির্দেশনা, সামান্য সহযোগিতা আর মনের জোর থাকলে যে কোনো বাধা পেরিয়ে জয়ী হওয়া সম্ভব— আকলিমা ও জামাল উদ্দিনের গল্প যেন তারই জীবন্ত প্রমাণ।

Address

BRAC Centre, 75 Mohakhali
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BRAC Microfinance posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BRAC Microfinance:

Shortcuts

Share