সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬

সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬ সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের কর্মচারীবৃন? আমরা সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে ২০১৬ সাল থেকে স্থায়ী কর্মচারী। আমরা দীর্ঘ দিন অত্র প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী কর্মচারী ছিলাম।

যাদের ACR এখনো পাঠানো সম্ভব হয়নি তারা যত দ্রুত সম্ভব ACR গুলো সংগ্রহ করে অত্র বিভাগে প্রেরন করুন...
20/02/2020

যাদের ACR এখনো পাঠানো সম্ভব হয়নি তারা যত দ্রুত সম্ভব ACR গুলো সংগ্রহ করে অত্র বিভাগে প্রেরন করুন...

27/01/2020

সাবীক কর্মচারী ২০১৬ ব্যাচের সকল এল.ডি.কাম-টাইপিস্ট ভাই বোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

যত দ্রুত সম্ভব ২০১৯ ইং সনের এসিআর ফরম সঠিকভাবে পুরণ করে নিজ নিজ কর্মস্থলে জমা দিন। কেননা পদোন্নতির জন্য বিগত ৩ বছরের এসিআর ফরম প্রয়োজন হবে। তাই নিজ উদ্যোগে অফিস থেকে এসিআর ফরম সংগ্রহ করুন এবং অতি দ্রুত জমা দিন।

সহকারী ব্যবস্থাপক, জুনিয়র অফিসার ও উচ্চমান সহকারী নিয়োগের জন্য প্রাথমিক নির্বাচিত ও অবেক্ষামান তালিকা প্রকাশ।
01/01/2020

সহকারী ব্যবস্থাপক, জুনিয়র অফিসার ও উচ্চমান সহকারী নিয়োগের জন্য প্রাথমিক নির্বাচিত ও অবেক্ষামান তালিকা প্রকাশ।

09/11/2019

#বাংলাদেশে_সরকারি_কর্মচারীদের_ছুটির_নিয়মাবলীঃ-
(১) কোন কর্মচারী নিম্নবর্ণিত যে কোন ধরণের ছুটি পাবেন, যথাঃ
(ক) পূর্ণ বেতনে ছুটি;
(খ) অর্ধ বেতনে ছুটি;
(গ) বিনা বেতনে অস্বাভাবিক ছুটি
(ঘ) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি
(ঙ) সংগরোধ ছুটি (Quarantine Leave);
(চ) প্রসূতি ছুটি (Maternity Leave);
(ছ) অধ্যয়ন ছুটি (Study Leave); এবং
(জ) নৈমিত্তিক ছুটি (Casual Leave) ।
(২) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোন কর্মচারীকে বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি ও অধ্যয়ন ছুটি ব্যতীত অন্যবিধ ছুটি মঞ্জুর করতে পারেন এবং ইহা বন্ধের দিনের সাথে সংযুক্ত করেও প্রদান করা যেতে পারে।

★পূর্ণ বেতনে ছুটি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারী তৎকর্তৃক দায়িত্ব পালনে অতিবাহিত কার্যদিবসের ১/১১ হারে পূর্ণ বেতনে ছুটি অর্জন করবেন এবং পূর্ণ বেতনে প্রাপ্য এককালীন ছুটির পরিমাণ চার মাসের অধিক হবে না। (৩) এর পূর্ব অনুমোদন নিয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি ও অধ্যয়ন ছুটি মঞ্জুর করতে পারেন।

(২) অর্জিত ছুটির পরিমাণ চার মাসের অধিক হলে, তাহা ছুটির হিসাবের অন্য খাতে জমা দেখানো হবে, ইহা হতে ডাক্তারী সার্টিফিকেট উপস্থাপন সাপেক্ষে অথবা বাংলাদেশের বাইরে ধর্মীয় সফর, অধ্যয়ন বা অবকাশ ও চিত্তবিনোদনের জন্য পূর্ণ বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে।

★অর্ধ বেতনে ছুটি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারী তৎকর্তৃক দায়িত্ব পালনে অতিবাহিত কার্য দিবসের ১/১১ হারে অর্ধ বেতনে অর্জন করিবেন এবং এইরূপ ছুটি জমা হওয়ার কোন সীমা থাকিবে না।

(২) অর্ধ-বেতনে দুই দিনের ছুটির পরিবর্তে, ডাক্তারী সার্টিফিকেট দাখিল সাপেক্ষে, এক দিনের পূর্ণ বেতনে ছুটির হারে গড় বেতনে ছুটিতে সর্বোচ্চ বার মাস পর্যন্ত পূর্ণ বেতনে ছুটিতে রূপান্তরিত করা যাইতে পারে।

★প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি:
১) ডাক্তারী সার্টিফিকেট দ্বারা সমর্থিত হইলে, কোন কর্মচারীকে তাহার সমগ্র চাকুরী জীবনে সর্বোচ্চ বার মাস পর্যন্ত এবং অন্য কোন কারণে হইলে, তিন মাস পর্যন্ত অর্ধ বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে।

(২) যখন কোন কর্মচারী তাহার ছুটি পাওনা হওয়ার পূর্বেই প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি ভোগ করিয়া ফিরিয়া আসেন তখন তিনি পূর্বেই যে ছুটি ভোগ করিয়াছেন সেই ছুটি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত নূতনভাবে গড় অর্ধ বেতনে কোন ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন না।

★অসাধারণ ছুটি:
(১) যখন কোন কর্মচারীর অন্য কোন ছুটি পাওনা না থাকে বা অন্য প্রকার কোন ছুটি পাওনা থাকে অথচ সংশিলষ্ট কর্মচারী লিখিতভাবে অস্বাভাবিক ছুটির জন্য আবেদন করেন তখন তাহাকে অসাধারণ ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে।

(২) অসাধারণ ছুটির মেয়াদ একবারে তিন মাসের অধিক হইবে না, তবে নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্রে উক্ত ছুটির মেয়াদ বর্ধিত করা যাইতে পারে,
(ক) যে ক্ষেত্রে সংশিলষ্ট কর্মচারী এই শর্তে বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতি প্রাপ্ত হন যে, উক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরে পাঁচ বৎসরের জন্য তিনি এ চাকুরী করিবেন, অথবা
(খ) যে ক্ষেত্রে সংশিলষ্ট কর্মচারী চিকিৎসাধীন থাকেন; অথবা
(গ) যে ক্ষেত্রে এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কর্মচারী তাহার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে কর্তব্যে যোগদান করিতে অসমর্থ।

(৩) ছুটি মঞ্জুর করার ক্ষমতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ কোন কর্মচারীর বিনা ছুটিতে অনুপস্থিতির সময়কে ভূতাপেক্ষ কার্যকরতাসহ অসাধারণ ছুটিতে রূপান্তরিত করিতে পারেন।

★বিশেষ অক্ষতাজনিত ছুটি:
(১) কোন কর্মচারী তাঁহার যথাযথ কর্তব্য পালনকালে বা উহা পালনের পরিণতিতে অথবা তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবার কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হইয়া অক্ষম হইলে, তাঁহাকে বিশেষ অক্ষমতা ছুটি মঞ্জুর করিতে পারে।

(২) যে অক্ষমতার কারণে অক্ষমতাজনিত ছুটি চাওয়া হয় সেই অক্ষমতা তিন মাসের মধ্যে প্রকাশ না পাইলে এবং যে ব্যক্তি অক্ষম হন, সেই ব্যক্তি অনুরূপ অক্ষমতার কারণে অবিলম্বে …………. কে অবহিত না করিলে, বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না।

(৩) যে মেয়াদের জন্য বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি প্রয়োজনীয় বলিয়া চিকিৎসা পরিষদ প্রত্যায়ন করিবে সেই মেয়াদের জন্য বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা হইবে, এবং চিকিৎসা পরিষদের প্রত্যায়ন ব্যতিরেকে তাহা বর্ধিত করা হইবে না; এবং উক্ত ছুটি কোন ক্রমেই ২৪ মাসের অধিক হইবে না।

(৪) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি অন্য যে কোন ছুটির সংগে সংযুক্ত করা যাইতে পারে।

(৫) যদি একই ধরণের অবস্থায় পরবর্তীকালে কোন সময় অক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বা উহার পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহা হইলে একাধিকবার বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা যাইবে, তবে অনুরূপ ছুটির পরিমাণ ২৪ মাসের অধিক হইবে না এবং তাহা যে কোন একটি অক্ষমতার কারণে মঞ্জুর করা যাইবে।

(৬) শুধুমাত্র আনুতোষিকের এবং যে ক্ষেত্রে অবসর ভাতা প্রাপ্য হয় সেক্ষেত্রে অবসর ভাতার ব্যাপারে চাকুরী হিসাব করিবার সময় বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি কর্তব্য পালনের সময় হিসাবে গণনা করা হইবে এবং ইহা ছুটির হিসাব হইতে বিয়োজন করা হইবে না।

(৭) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটিকালীন বেতন হইবে নিম্নরূপ যথাঃ¾
(ক) উপরিউক্ত উপ-প্রবিধান (৫) এর অধীনে মঞ্জুরকৃত ছুটির মেয়াদসহ যে কোন মেয়াদের ছুটির প্রথম চার মাসের জন্য পূর্ণ বেতন; এবং
(খ) এইরূপ কোন ছুটির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য অর্ধ বেতন।

(৮) এই প্রবিধানের অন্যান্য বিধানসমূহের প্রযোজ্যতা এমন কর্মচারীর ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত করা যাইতে পারে যিনি তাহার যথাযথ কর্তব্য পালনকালে বা উহা পালনের পরিণতিতে অথবা তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবার কারণে, দুর্ঘটনাবশতঃ আঘাতপ্রাপ্ত হইয়াছেন অথবা যিনি নির্দিষ্ট কোন কর্তব্য পালনকালে তাঁহার পদের স্বাভাবিক ঝুকি বহির্ভূত অসুস্থতা বা জখম বাড়াইয়া তোলার সম্ভাবনা থাকে এইরূপ অসুস্থতার দরচণ অক্ষম হইয়াছেন।

★সঙ্গরোধ ছুটি:
(১) কোন কর্মচারীর পরিবারে বা গৃহে সংক্রামক ব্যধি থাকার কারণে যদি আদেশ দ্বারা তাহাকে অফিসে উপস্থিত না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় তবে যে সময়ের জন্য উক্তরূপ নির্দেশ কার্যকর থাকে সেই সময়কাল হইবে সঙ্গরোধ ছুটি।

(২) অফিস প্রধান কোন চিকিৎসক কর্মকর্তা বা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে অনুর্ধ ২১ দিন অথবা অস্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ দিনের জন্য সঙ্গরোধ ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন।

(৩) সংগরোধের জন্য প্রয়োজনীয় উপ-প্রবিধান (২) এ উলেলখিত মেয়াদের অতিরিক্ত ছুটি প্রয়োজন হইলে উহা সাধারণ ছুটি হিসাবে গণ্য হইবে।

(৪) এই প্রবিধানমালা অনুযায়ী প্রাপ্য সর্বাধিক ছুটি সাপেক্ষে, প্রয়োজন হইলে অন্যবিধ ছুটির সহিত সংগরোধ ছুটিও মঞ্জুর করা যাইতে পারে।

(৫) সংগরোধ ছুটিতে থাকাকালে কোন কর্মচারীকে তাহার দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত বলিয়া গণ্য করা হইবে না এবং যখন কোন কর্মচারী নিজেই সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন, তখন তাহাকে এইরূপ কোন ছুটি দেওয়া যাইবে না।

★প্রসূতি ছুটি:
(১) কোন কর্মচারীকে পূর্ণ বেতনে সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত প্রসূতি ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে এবং উহা তাহার পাওনা ছুটির হিসাব হইতে বাদ দেওয়া যাইবে না।

(২) প্রসূতি ছুটি মঞ্জুরীর অনুরোধ কোন নিবন্ধিত চিকিৎসক কর্তৃক সমর্থিত হইলে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনা মতে কর্মচারীর প্রাপ্য অন্য যে কোন ছুটির সহিত একত্রে বা সম্প্রসারিত করিয়া মঞ্জুর করা যাইতে পারে।
(৩) এ চাকুরী জীবনে কোন কর্মচারীকে দুইবারের অধিক প্রসূতি ছুটি মঞ্জুর করা যাইবে না।

★অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্ত্ততিমূলক ছুটি:
(১) কোন কর্মচারী ছয় মাস পর্যন্ত পূর্ণ বেতনে এবং আরও ছয় মাস অর্ধ বেতনে অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্ত্ততিমূলক ছুটি পাইবেন এবং এইরূপ ছুটির মেয়াদ তাহার অবসর গ্রহণের তারিখ অতিক্রম করার পরেও সম্প্রসারিত করা যাইতে পারে, কিন্তু আটান্ন বৎসরের বয়স-সীমা অতিক্রমের পর উহা সম্প্রসারণ করা যাইবে না।

(২) কোন কর্মচারী তাহার অবসর গ্রহণের তারিখের কমপক্ষে একমাস পূর্বে অবসর গ্রহণের প্রস্ত্ততিমূলক ছুটির জন্য আবেদন না করিলে তাহার পাওনা ছুটি অবসর গ্রহণের তারিখের পর তামাদি হইয়া যাইবে।

(৩) কোন কর্মচারী তাহার অবসর গ্রহণের তারিখের কমপক্ষে একদিন পূর্বে অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্ত্ততিমূলক ছুটিতে যাইবেন।

★অধ্যয়ন ছুটি:
(১) এ তাহার চাকুরীর জন্য সহায়ক এইরূপ বৈজ্ঞানিক, কারিগরি বা অনুরূপ সমস্যাদি অধ্যয়ন অথবা বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ গ্রহণের জন্য কোন কর্মচারীকে অর্ধ বেতনে অনধিক বার মাস অধ্যয়নের জন্য ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন, যাহা তাহার ছুটির হিসাব হইতে বাদ দেওয়া হইবে না।

(২) যে ক্ষেত্রে কোন কর্মচারীকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোন অধ্যয়ন ছুটি মঞ্জুর করা হয় এবং তিনি পরবর্তীকালে দেখিতে পান যে, মঞ্জুরীকৃত ছুটির মেয়াদ তাহার শিক্ষা কোর্স ও পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মেয়াদ অপেক্ষা কম, সে ক্ষেত্রে সময়ের স্বল্পতা পূরণকল্পে তাহাকে অনধিক এক বৎসরের জন্য উক্ত অধ্যয়ন ছুটির মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারেন।

(৩) পূর্ণ বেতনে বা অর্ধ বেতনে ছুটি বা বিনা বেতনে অসাধারণ ছুটির সহিত একত্রে অধ্যয়ন ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে, তবে এইরূপ মঞ্জুরকৃত ছুটি কোনক্রমেই একত্রে মোট দুই বৎসরের অধিক হইবে না।

★নৈমিত্তিক ছুটি:
সরকার সময়ে সময়ে উহার কর্মচারীদের জন্য প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে মোট যতদিন নৈমিত্তিক ছুটি নির্ধারণ করিবেন কর্মচারীগণ মোট ততদিন নৈমিত্তিক ছুটি পাইবেন।

★ছুটির পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারীর ছুটির হিসাব…………………কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ করা হইবে।

(২) ছুটির জন্য সকল আবেদন ………………..কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে হইতে হইবে।

(৩) আবেদনকারী কর্মচারী যে কর্মকর্তার অধীনে কর্মরত আছেন তাহার সুপারিশক্রমে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন।

(৪) বিশেষ পরিস্থিতিতে, কোন কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহার অধীনে কর্মরত কোন কর্মচারীর ছুটি পাওনা রহিয়াছে, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক মঞ্জুরী আদেশ সাপেক্ষে, তাহাকে অনুর্ধ ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে যাইবার অনুমতি দিতে পারেন।

★ছুটিকালীন বেতন:
(১) কোন কর্মচারী পূর্ণ বেতনে ছুটিতে থাকাকালে উক্ত ছুটি আরম্ভের পূর্বে তিনি সর্বশেষ যে বেতন পাইয়াছেন সেই বেতনের সমান হারে ছুটিকালীন বেতন পাইবার অধিকারী হইবেন।

(২) কোন কর্মচারী অর্ধ বেতনে ছুটিতে থাকাকালে উক্ত ছুটি আরম্ভের পূর্বে তিনি সর্বশেষ যে বেতন পাইয়াছেন সেই বেতনের অর্ধ হারে ছুটিকালীন বেতন পাইবার অধিকারী হইবেন।

★ছুটি হইতে প্রত্যাবর্তন করানো:
ছুটি ভোগরত কোন কর্মচারীকে ছুটির মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে দায়িত্ব পালনের জন্য তলব করা যাইতে পারে এবং তাহাকে অনুরূপভাবে তলব করা হইলে, তিনি যে কর্মস্থলে ফিরিয়া আসিবার জন্য নির্দেশিত হইয়াছেন, উহার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার তারিখ হইতে তাহাকে কর্মরত বলিয়া গণ্য করা হইবে এবং এই এতদুদ্দেশ্যে ভ্রমণের জন্য তিনি ভ্রমণ ভাতা পাইবার অধিকারী হইবেন।

★ছুটির নগদায়ন:
(১) যে কর্মচারী অবসর ভাতা বা ভবিষ্য তহবিলের সুবিধা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন নাই, তিনি তাঁহার সম্পূর্ণ চাকুরীকালের জন্য সর্বাধিক বার মাস পর্যন্ত, প্রতি বৎসরে প্রত্যাখাত ছুটির ৫০% ভাগ নগদ টাকায় রূপান্তরিত করার জন্য অনুমতি পাইতে পারেন।

(২) সর্বশেষ মূল বেতনের ভিত্তিতে উপ-প্রবিধান (১) এ উলেলখিত ছুটি নগদ টাকায় রূপান্তরিত করা যাইবে।

The Prescribed Leave Rules 1959, Fundamental Rules, Bangladesh Service Rules এবং সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারিকৃত আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উক্ত বিধিমালা ও বিভিন্ন আদেশের আওতায় নিম্নোক্ত প্রকার ছুটির বিধান রয়েছে।

“শুভ জন্ম দিন”সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬ #সংগ্রামী_বিজয়
02/11/2019

“শুভ জন্ম দিন”
সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬
#সংগ্রামী_বিজয়

নিরীক্ষা/অডিটঃনিরীক্ষা (অডিটিং)  আর্থিক কাজকর্ম ও ঘটনাবলী সম্পর্কে নিয়মানুগ পন্থায় নিরপেক্ষ মূল্যায়ন- যার লক্ষ্য হচ্ছ...
22/10/2019

নিরীক্ষা/অডিটঃ

নিরীক্ষা (অডিটিং) আর্থিক কাজকর্ম ও ঘটনাবলী সম্পর্কে নিয়মানুগ পন্থায় নিরপেক্ষ মূল্যায়ন- যার লক্ষ্য হচ্ছে বিদ্যমান নীতিমালা ও সম্পাদিত কাজকর্মের মধ্যে কতটুকু সঙ্গতি রয়েছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া। নিরীক্ষা কোন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণী ও সে সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যের পরীক্ষা মাত্র এবং এ পরীক্ষার ফলাফল বিশেষ মতামত হিসেবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের নিকট প্রদান করা হয়। বাংলাদেশে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত কোম্পানির হিসাব নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক। ২১৩ (৩) ধারা অনুযায়ী নিরীক্ষককে বার্ষিক সাধারণ সভায় পরীক্ষিত হিসাব-সম্পর্কিত মতামত প্রদান করতে হয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউট কর্তৃক আন্তর্জাতিক নিরীক্ষামান গ্রহণের পূর্বে নিরীক্ষার দুটি প্রধান উদ্দেশ্য ছিল: ১. হিসাবে ভুল-ভ্রান্তি ও দুর্নীতি নির্ধারণ ২. ভুল-ভ্রান্তি ও দুর্নীতি সংঘটন বন্ধকরণ। বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা মান অনুসরণ করা হয় এবং নিরীক্ষা পেশা কতকগুলি আইন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়, যেমন- ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন, ১৯৯১ সালের ব্যাংকিং কোম্পানি আইন, ১৯৩৮ সালের বীমা আইন, ১৯৯৩ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৮৭ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৭৮ সালের বৈদেশিক অনুদান নিয়ন্ত্রণ রুলস এবং ১৯৮৪ সালের কো-অপারেটিভ সোসাইটি অধ্যাদেশ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৮ ধারা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের হিসাব নিরীক্ষার দায়িত্ব সিঅ্যান্ডএজি-কে প্রদান করেছে। সিঅ্যান্ডএজি-কে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। প্রজাতন্ত্রের ও কোর্ট অব ল’-এর হিসাব, অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ও সরকারি অফিসারদের হিসাব সিঅ্যান্ডএজি-কে নিরীক্ষা করতে হয়। এই উদ্দেশ্যে তার অথবা তার অনুমোদিত অন্য কোন প্রতিনিধির সকল হিসাব বই, ভাউচার, দলিল, নগদান, স্ট্যাম্প, সিকিউরিটিজ, গুদাম ও অন্যান্য সরকারি সম্পত্তি দেখার অধিকার আছে। কাজ চালানোর ক্ষেত্রে সিঅ্যান্ডএজি কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ নন। সংবিধান কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং অধীনস্থ দশজন ডাইরেক্টর জেনারেলের সহায়তায় তিনি সরকারি সকল বিভাগ, এজেন্সি, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন এবং যে সকল পাবলিক কোম্পানিতে সরকারের ৫০% মালিকানা আছে তার নিরীক্ষা করে থাকেন।

সরকারি নিরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় সম্পদ ব্যবহারের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বের নিশ্চয়তা দান করা। এই উদ্দেশ্য সম্পাদনে নিরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত কাজগুলি হলো: হিসাব, আয়-ব্যয় বিবরণ সঠিকভাবে তৈরি করা হয়েছে কিনা তা যাচাই করা, নিরীক্ষিত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার যথার্থতা বিচার-বিবেচনা করা, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারে কার্যকারিতা, দক্ষতা ও মিতব্যয়িতার নিশ্চয়তা প্রদান, সরকারি মালিকানার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উদ্বর্তপত্র ক্রয়-বিক্রয় হিসাব, উৎপাদন হিসাব, লাভ-ক্ষতি হিসাব ও সহকারি হিসাব বই পরীক্ষা করা এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা জানার জন্য বিশেষ অনুসন্ধান কাজ সম্পাদন। সিঅ্যান্ডএজি-র অধীনে নিম্নলিখিত অডিট ডাইরেক্টরেট ও প্রশিক্ষণ একাডেমি ন্যস্ত করা হয়েছে:

বাণিজ্যিক নিরীক্ষা, পূর্ত নিরীক্ষা, বৈদেশিক সাহায্যাধীন প্রকল্প নিরীক্ষা, বেসামরিক নিরীক্ষা, রেলওয়ে নিরীক্ষা, ডাক, তার ও টেলিফোন নিরীক্ষা, প্রতিরক্ষা নিরীক্ষা, বৈদেশিক মিশন নিরীক্ষা, কৃতি নিরীক্ষা (performance audit) এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা একাডেমি ( Financial Management Academy)।

উপর্যুক্ত বিভাগগুলির প্রধানকে ডাইরেক্টর জেনারেল বলা হয়। প্রতিটি বিভাগের নিজস্ব কাজের কাঠামো রয়েছে।

বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণী নিরীক্ষার জন্য বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তরটি স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ব্যাংক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের রাষ্ট্রীয়করণের জন্য বাণিজ্যিক নিরীক্ষা বিভাগের কাজের পরিধি বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে এই অধিদপ্তর সকল স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ ৫০% সরকারি মালিকানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিরীক্ষা করে। এই অধিদপ্তর যে সকল দায়িত্ব পালন করে থাকে তা হলো: সকল সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রারম্ভিক ও চূড়ান্ত হিসাব নিরীক্ষা; স্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান ও নিরীক্ষা শাস্ত্রের নীতি অনুযায়ী উক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণীগুলি ঐ প্রতিষ্ঠানের শুদ্ধ ও সঠিক আর্থিক অবস্থা দেখাচ্ছে কি-না তা নির্ধারণ; বিধিবদ্ধ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত হিসাব সহকারে সাধারণ আর্থিক বিবরণী প্রস্ত্তত করা; উপর্যুক্ত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষণের অভ্যন্তরীণ ও বহিঃকাজের মূল্যায়ন করা; এবং সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডের কার্যকারিতা, দক্ষতা ও মিতাচারিতা পরিমাপ করা।

নিরীক্ষার প্রকার, পদ্ধতি ও কার্যপ্রণালী নিরীক্ষাকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: যেমন, বিধিগত (রেগুলারিটি) অডিট, আর্থিক বিবরণী (ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট) অডিট এবং কৃতি (পারফরমেন্স) অডিট। নিয়ম মাফিক নিরীক্ষা খুবই প্রথাগত। এর আওতায় প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক রীতিনীতি, আইন ও কার্যপ্রণালী মেনে চলেছে কিনা দেখার জন্য নিরীক্ষিত প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্তি ও ব্যয়, আর্থিক ব্যবস্থা ও লেনদেনের পরীক্ষা করা হয়। আর্থিক বিবরণীর নিরীক্ষা হলো আর্থিক বিবরণীগুলি নিরীক্ষিত প্রতিষ্ঠানের গঠিত আর্থিক অবস্থা প্রদর্শন করছে কি-না সে সম্পর্কে মতামত দেওয়ার জন্য আর্থিক বিবরণীর পরীক্ষা করা। এই নিরীক্ষা সরকারি এবং সরকারি মালিকানার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বণ্টন ও আর্থিক হিসাবের নিরীক্ষাকেও অন্তর্ভুক্ত করে। কৃতি নিরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো সম্পদ ব্যবহারে কার্যকর, দক্ষতা ও মিতব্যয় স্তর অর্জন করা হয়েছে কি-না তা দেখা। এ লক্ষ্যে কৃতি নিরীক্ষককে সংগঠনের কার্য পরিকল্পনা, কার্যকারিতা, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ও কার্যপ্রণালী পরীক্ষা করতে হয়। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে কৃতি নিরীক্ষা শুরু হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম সম্বলিত অনুচ্ছেদগুলি প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর ‘অ্যাডভান্স প্যারা’ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপকের নিকট প্রেরণ করা হয়। নিরীক্ষিত প্রতিষ্ঠানকে জবাব দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়। জবাব পাওয়া না গেলে বা জবাব অসম্পূর্ণ হলে আরও দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি স্মারক দেওয়া হয়। চার সপ্তাহের সময় দিয়ে উক্ত অনুচ্ছেদ-সম্বলিত একটি ডিও লেটার অথবা ব্যবস্থাপনা-পত্র মূখ্য হিসাব কর্মকর্তা (প্রিন্সিপাল একাউন্টিং অফিসার)-কে দেওয়া হয়। যদি কোন জবাব পাওয়া না যায় অথবা জবাব সন্তোষজনক না হয় তাহলে নববই দিনের মধ্যে রিপোর্ট সম্পূর্ণ করে অনুমোদন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্তির জন্য সিঅ্যান্ডএজি-এর নিকট প্রেরণ করা হয়।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগের অনুরোধে বিশেষ নিরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঅ্যান্ডএজি-কে মাঠ নিরীক্ষকের নিকট থেকে নিরীক্ষা অনুসন্ধান রিপোর্ট পাবার পর ৬০ দিনের মধ্যে নিরীক্ষা রিপোর্ট চূড়ান্ত করতে হয়। নিরীক্ষা আপত্তিসমূহ নিরীক্ষিত পক্ষের সাথে আলোচনা, কোন কোন সময় দুই পক্ষ বা তিন পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়। সময় নির্দিষ্ট থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে খুব নগণ্যসংখ্যক প্রতিষ্ঠানই এ সময়সীমা পালন করে। নিরীক্ষা বিভাগ এবং নিরীক্ষিত সংগঠনের মধ্যে চিঠিপত্র আদান-প্রদানের জন্য অনেক সময় অতিবাহিত হয়। স্বল্প অর্থ জড়িত রয়েছে এমন মামুলি আকারের নিরীক্ষা আপত্তিসমূহ অথবা নিয়মানুগের প্রয়োগ রয়েছে এমন বিষয়গুলো সাধারণ অনুচ্ছেদ হিসেবে বিবেচিত। ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তি করা হয়।

সিঅ্যান্ডএজি-র অনুমোদনের পর গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক অনিয়মসমূহ নিরীক্ষা মন্তব্য সহকারে বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীকালে এই নিরীক্ষা প্রতিবেদন সিঅ্যান্ডএজি কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির নিকট সংসদে প্রেরণের জন্য উপস্থাপন করা হয়। সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদন পাবলিক একাউন্টস (পিএসি) কমিটি কর্তৃক আলোচিত হয়। সংসদের একটি স্থায়ী কমিটি যা পাবলিক আন্ডারটেকিং কমিটি (পিইউসি) নামে পরিচিত সে কমিটি ‘সংসদ কার্যপ্রণালী বিধি’র বিধি ২৩৮ মোতাবেক সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও কার্যকরিতা সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা প্রতিবেদন পরীক্ষা করে দেখেন।

নিরীক্ষা (অডিটিং) আর্থিক কাজকর্ম ও ঘটনাবলী সম্পর্কে নিয়মানুগ পন্থায় নিরপেক্ষ মূল্যায়ন- যার লক্ষ্য হচ্ছে বিদ্....

13/10/2019

#জাতীয়_শ্রমিক_লীগ
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলার মেহনতি মানুষ এক হও

ছয় দফা, ১১ দফা ও পুর্ববাংলার স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরী করা এবং আন্দোলনের ভিতকে মজবুত করার জন্য লক্ষ্যে শ্রমিক অঞ্চলে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম ১৯৬৬ সাল থেকেই জোরদার হতে দেখা যায়। প্রতিষ্ঠিত শ্রমিক নেতারা দীর্ঘদিনের ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমের নেতৃত্বাধীন থাকলেও ৬৯ এর রাজনৈতিক আন্দোলনে তারা সরাসরি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে তাদের একটা সুসম্পর্ক গড়ে তুলেন। যদিও তাদের অনেকে এর আগে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তখন দেশের শ্রমিক আন্দোলন শুধু ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়ে আসছিল।

বহু রাজনৈতিক দলের কর্মী এই আন্দোলনের সহিত জড়িত হলেও তাদের পরিচিতি ছিল ট্রেড ইউনিয়ন ভিত্তিক। শ্রমিক এলাকায় তাদের পরিচিতি ছিল গৌন। যদিও শ্রমিকদের চাকুরী-মজুরী সহ বহু অধিকার দরকষাকষির মধ্য দিয়ে অর্জিত হত তথাপি শ্রমিদের রাজনৈতিক কোন পরিচয় ছিল না। এ সকল শ্রমিক আন্দোলন

মুলত পরিচালিত হত তখনকার দেশের পরিচিত বাম রাজনীতির সাথে জড়িত সংগঠনগুলোর তত্বাবধানে।

ট্রেড ইউনিয়নকে রাজনীতির সুতিকাগার হিসাবে আন্তর্জাতিক পরিচয়ের সুত্র ধরে বিভিন্ন শ্রমিক অঞ্চলের শ্রমিকেরা বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের পতাকাতলে সমবেত হত ফলে বামপন্থি দ্বারা পরিচালিত ট্রেড ইউনিয়ন থাকলেও সরকার গঠনের প্রশ্নে তারা ভোট দিত ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলকে। মধ্যবিত্ত শ্রমিকেরা এই সকল নেতাদের উপর সফল বিপ্লবের প্রশ্নে আস্তা রাখতে পারত না। তাই শ্রমিক রাজনীতির আনুগত্য আর ভোটের রাজনীতি এক জায়গায় থাকত না ।

এদিকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত হয়ে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ও ১১ দফার প্রতি তাঁর জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করে সে ধারানুযায়ী শাসনতন্ত্রের গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরেন।

এই সময়ের বিভিন্ন জনসভা শ্রমিক সভা ও কর্মীসভায় বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে সমাজতন্ত্রের পক্ষে তাঁর অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরায় ও ছাত্রলীগ সম্মেলনে সমাজতন্ত্রের পক্ষের জয়লাভ এবং তাদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর সমর্থন আওয়ামী রাজনীতির বলয়ে সমাজতন্ত্রকে সর্বত্র
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছিল। অথচ কিছুদিন পুর্বেও সে পরিবেশ ছিল না।

উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে রাজপথে মারমুখী উত্তাল জনতার মাঝে ছাত্র-যুবক ও শ্রমিকদের সংগঠিত উপস্থিতি আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে কৃষক শ্রমিকের পৃথক সংগঠন গড়ে তোলার দাবীকে স্পষ্ট করে তুলে । কৃষক শ্রমিকের পৃথক সংগঠন সময়ের দাবী থাকলেও আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক বলয়ে ভিতরে ভিতরে এর বিরোধিতা ছিল। অনেক ছাত্রনেতা প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করতে থাকেন। তখন আওয়ামীলীগের ভিতরে একটা কথা উঠল যে — এই সংগঠন গড়ে উঠলে আওয়ামীলীগ করার লোক থাকবে না ফলে মুল সংগঠন দূর্বল হয়ে পড়বে। তাদের এই বিরোধিতার কারণ আওয়ামীলীগের ঘোষনাপত্রে কৃষক শ্রমিকের কল্যাণের যে বক্তব্যই থাকুক না কেন প্রয়োজনে তা থেকে সরে আসা যেতে পারে। মুলত এসব তারাই করেছিলেন যারা মনের দিক থেকে ৬ দফা ও ১১ দফা মেনে নিতে পারছিলেন না ।

বঙ্গবন্ধুর মুক্তি আন্দোলনের প্রচন্ড চাপ থাকায় তারা তত সোচ্চার হতে পারে নাই। যাই হোক এ দাবীর প্রতি বঙ্গবন্ধুর সমর্থন ছিল বলে কার্যক্রম এগিয়ে যেতে থাকে। এখানে উল্লেখ করার মত বিষয় যে, স্বাধীনতার পক্ষে জনমত ও আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য সিরাজুল আলম খানের তত্বাবধানে একদল নিবেদিত কর্মী শ্রমিক আন্দোলনকে শক্তিশালী ও বেগবান করতে শ্রমিক অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা, রাজনৈতিক আলাপ আলোচনা ও কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। বাঙ্গালী জাগরনের তখন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত শ্রমিক নেতা যুক্ত হয়েছিলেন।

যেমন চটকলের আব্দুল মান্নান, মৌলানা সাইদূর রহমান তেজগাঁওয়ের রুহুল আমিন ভুঁইয়া, মোহাম্মদ শাহজাহান উল্লেখযোগ্য । তাদের অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে ঢাকাও আশেপাশের শ্রমিকজোনে ৬৯ এর আন্দোলনে শ্রমিকদের উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়, সেই সাথে ৬ ও ১১ দফার পক্ষে ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি সমর্থন সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয় । তাদের এ সমর্থন ও অংশগ্রহন আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক চেতনাকে কেবল শানিত করে তুলে নাই বরং শ্রমিক অঞ্চলে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রয়োজনে একটি শ্রমিক সংগঠন গঠন একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়ে ।

ফলে রাজনৈতিক আন্দোলনের আলোকে ট্রড ইউনিয়ন আন্দোলনের সূচনা করতে -“বাংলার মেহনতি মানুষ এক হও ” স্লোগান উর্ধে তুলে ধরে ১৯৬৯ এর ১১ই অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে ‘জাতীয় শ্রমিক লীগ ‘। আদমজির শ্রমিক নেতা মৌলানা সাইদর রহমানকে সভাপতি ও চটকল শ্রমিক ফেডারেশন নেতা আব্দুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে যাত্রা শুরু হয় ‘জাতীয় শ্রমিক লীগের’।

 #সিবিএ
12/10/2019

#সিবিএ

01/10/2019

হারিয়ে যাওয়া এক সংগঠনের নাম “সাধারণ বীমা কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) ১৩০৬”

২০১৬ সালে চাকুরী স্থায়ী করার পড়েও আজ অবধি অসম্পূর্ন রয়ে গেলো ফাইল ফিক্সিশন, বেতন নির্ধারন, গ্রেডশন, পদোন্নতি ও অনাদায়ী দাবীগুলো.....

কথা বলার কেউ নাই... ইউনিয়ন নাই, যোগ্য নেতা নাই...
ঘুমাও জাতির বিবেক....

22/09/2019

আমাদের ২০১৬ ব্যাচে খুলনা জোনের কে কে আছেন?? প্লিজ একটু সাড়া দিন।

 #বাংলাদেশে_বীমা_ব্যবসার_ইতিহাসবাংলাদেশে বীমা ব্যবস্থার একটি ইতিহাস আছে। প্রায় ১০০ বছরেরও আগে ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে কয...
21/09/2019

#বাংলাদেশে_বীমা_ব্যবসার_ইতিহাস
বাংলাদেশে বীমা ব্যবস্থার একটি ইতিহাস আছে। প্রায় ১০০ বছরেরও আগে ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে কয়েকটি বীমা কোম্পানি জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা উভয় ধরনের ব্যবসায় শুরু করেছিল।

১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল। এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত। এসব কোম্পানির উৎস ছড়ানো ছিল বিভিন্ন দেশে। এদের মধ্যে ব্রিটিশ, অস্ট্রেলীয়, ভারতীয়, পশ্চিম পাকিস্তানি ও পূর্ব পাকিস্তানি অন্যতম। ১০টি বীমা কোম্পানির সদর দপ্তর পূর্ব পাকিস্তানে, ২৭টির পশ্চিম পাকিস্তানে এবং বাকিগুলির সদর দপ্তর ছিল বিশ্বের নানাদেশে। কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগ কোম্পানিই ছিল সীমিত দায়ের (limited liability) এবং কাজ করত অবাধ প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক পরিবেশে। এগুলির মধ্যে কিছু ছিল বিশেষায়িত কোম্পানি যারা নির্দিষ্ট ধরনের ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল, আবার কিছু ছিল যৌথ কোম্পানি যেগুলি একাধিক ধরনের ব্যবসায় নিয়োজিত ছিল।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে। এই আদেশ বাংলাদেশ বীমা (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ হিসেবে বেশি পরিচিত। এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

জাতীয় বীমা কর্পোরেশন সরাসরি বীমা ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। একটি শীর্ষ সংস্থা হিসেবে এটি বীমা কাজে নিয়োজিত অন্যান্য ৪টি কর্পোরেশনের কাজকর্ম তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করত। তিস্তা ও কর্ণফুলি সাধারণ বীমা ব্যবসা করত, রূপসা ও সুরমা জীবন বীমার কাজ করত। সে সময়ে চালুকৃত ৪৯টি বীমা কোম্পানিকে এই ৪টি কর্পোরেশনের সাথে একীভূত করা হয়। পক্ষান্তরে বিশেষায়িত জীবন বীমা কোম্পানি বা মিশ্র (Composite) কোম্পানির জীবনবীমা অংশটুকু রূপসা ও সুরমার সাথে এবং বিশেষায়িত সাধারণ বীমা কোম্পানি বা মিশ্র কোম্পানির সাধারণ বীমা অংশটুকু তিস্তা ও কর্ণফুলির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা কোম্পানির প্রতিটিতে ২টি করে মোট ৪টি বীমাকারী কর্পোরেশন গঠনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়করণকৃত ব্যবস্থার অধীনেও প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করা। কিন্তু ৪২টি কর্পোরেশন এবং তাদের একটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যয় সীমিত প্রতিযোগিতার মধ্যে প্রাপ্ত সুবিধাকে গুরুত্বহীন করে ফেলে। ফলে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়। এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়, একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য #সাধারণ_বীমা_কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য #জীবন_বীমা_কর্পোরেশন।

সূত্র:
http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো (organizational structure/Organograme) পুনর্গঠনের জন্য অস্থায়ীভাবে রাজস্বখাতে ২০...
01/09/2019

সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো (organizational structure/Organograme) পুনর্গঠনের জন্য অস্থায়ীভাবে রাজস্বখাতে ২০৮টি পদ সৃজন, ৮৯৩টি পদ বিলুপ্তকরণ এবং যানবাহন ও অফিস সরঞ্জাম টিওএন্ডই’তে অন্তর্ভুক্তকরন করা হয়।

Address

33, Dilkusha, Motijheel C/A
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সাধারণ বীমা কর্মচারী ব্যাচ-২০১৬:

Share