Uzzal

Uzzal This a personal Biography of Mr. Mazharul Islam Uzzal.

জীবনের অসম যুদ্ধজীবনটা আসলে একটা ম্যারাথন, কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সবাই একই জায়গা থেকে দৌড় শুরু করে না। কেউ জন্মেই কয়েক...
22/03/2025

জীবনের অসম যুদ্ধ

জীবনটা আসলে একটা ম্যারাথন, কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সবাই একই জায়গা থেকে দৌড় শুরু করে না। কেউ জন্মেই কয়েকশো মিটার এগিয়ে থাকে, আর কেউ দৌড় শুরু করার আগেই হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। আপনি যত বড় হবেন, ততই বুঝতে পারবেন—এই যুদ্ধ কখনোই ফেয়ার ছিল না, আর কখনো হবেও না।

কেউ জন্মেই মেধাবী, পরীক্ষার আগের রাতে কয়েক ঘণ্টা বই উল্টে পাশ করে যায়। আর আপনি রাতের পর রাত জেগে পড়ে, তবুও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আনতে পারেন না। কেউ বাবার দেওয়া গাড়িতে চড়ে ইউনিভার্সিটিতে আসে, আর আপনি টিউশন ফি দেওয়ার জন্য হন্যে হয়ে টিউশন খুঁজছেন। জীবন এখানে থেমে থাকে না, আরও কঠিন হয়ে যায়।

আপনার পাশের মানুষটা হয়তো প্রথম চাকরিতেই লাখ টাকা বেতন পায়, আর আপনি ২০তম ইন্টারভিউ দিয়ে হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে আসেন। কেউ স্টার্টআপ শুরু করেই সফল হয়, আর কেউ একটার পর একটা ব্যর্থ উদ্যোগের বোঝা টেনে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

এই দৌড়ে যদি আপনি শুধু তুলনাতে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে ক্লান্তি ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। কারণ এখানে প্রতিটা মানুষের রাস্তাই আলাদা, লড়াই ভিন্ন।

একজন যার মাথার উপর ছাদ নেই, সে একটা ঘরের স্বপ্ন দেখে। যার ছোট্ট একটা ফ্ল্যাট আছে, সে বড় অ্যাপার্টমেন্টের দিকে তাকিয়ে থাকে। যার গাড়ি নেই, সে বাইক চায়। যার বাইক আছে, সে গাড়ির স্বপ্ন দেখে। গাড়ির মালিক বিলাসবহুল গাড়ি চায়, আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগত জেট কেনার পরিকল্পনা করে।

জীবনের এই প্রতিযোগিতার কোনো শেষ নেই। এখানে কোনো ফিনিশিং লাইন নেই। প্রতিদিনই শুধু সামনে ছুটে চলা, কখনো থামতে পারবে না।

তাই তুলনার বদলে নিজের গতিতে, নিজের রাস্তায় এগিয়ে যান। কারণ, সত্যিকারের জয়ী সে-ই, যে থেমে যায় না—যে লড়াই চালিয়ে যায়, নিজের মতো করে।

ষাটোর্ধ একজন CEO অবসর নেয়ার আগে তার স্বনামধন্য কোম্পানীর উত্তোরাধিকার হিসেবে একজন সৎ ও যোগ্য CEO নির্বাচন করতে চাইলেন। ত...
28/04/2024

ষাটোর্ধ একজন CEO অবসর নেয়ার আগে তার স্বনামধন্য কোম্পানীর উত্তোরাধিকার হিসেবে একজন সৎ ও যোগ্য CEO নির্বাচন করতে চাইলেন। তবে চিরায়ত নিয়মে তিনি তার পরিচালক পর্ষদ বা ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে কাউকে উত্তরাধিকার না করে ভিন্নধর্মী কিছু করার চিন্তা করলেন। তাই একদিন সকল এক্সিকিউটিভদের বললেন “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাদের মধ্য থেকে একজন পরবর্তী CEO নিয়োগ করবো।

” শুনে তো সবাই হতবাক! তবে আবার খুশীও হল। CEO হওয়ার স্বপ্নে তাদের মন উৎফল্লিত হলো। তিনি বলে চললেন “আমি আপনাদের প্রত্যেককে একটি করে ‘বীজ’ দেব। এই বীজ আপনারা টবে রোপণ করবেন, পানি দিবেন, যত্ন করবেন আর ঠিক এক বছর পর তা আমার নিকট নিয়ে আসবেন। আমি তখন সেই বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ দেখে বিচার করবো কে হবে পরবর্তী CEO ।”

সেইখানে অলিভার নামে একজন ছিল যে আর সবার মতই বীজ নিয়ে বাসায় ফিরলো। তার স্ত্রী একটি টব, মাটি ও সার জোগাড় করলো এবং সেই টবে অলিভার বীজটি রোপণ করলো। প্রতিদিন সে বীজটির খুব যত্ন করতে লাগল। নিয়মিত পানি দিল। সপ্তাহ তিনেক পর তার সহকর্মীরা এক অন্যের সাথে তাদের বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ সম্পর্কে বলাবলি করতে লাগল।
কিন্তু হায় অলিভারের বীজ থেকে তো কিছুই জন্মাচ্ছে না। এভাবে তিন সপ্তাহ, চার সপ্তাহ করে পাঁচ সপ্তাহ পার হয়ে গেল। সে নিজেকে ব্যর্থ ভাবতে শুরু করলো। নিজের মনেই বলল “আমি বোধ হয় রোপণের সময় বীজটি নষ্টই করে ফেলেছি।” সে তার সহকর্মীদের সাথে লজ্জায় এ বিষয়ে কোন কথাও বললো না।
অবশেষে একটি বছর পার হলো। কোম্পানীর সব এক্সিকিউটিগণ তাদের বড় হয়ে যাওয়া চারা গাছটি তাদের CEO এর নিকট নিয়ে এলো।
এই খালি টব নিয়ে অলিভারের পক্ষে অফিস যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু স্ত্রী তাকে যা ঘটেছে সে বিষয়ে সৎ থাকার পরামর্শ দিল এবং বললো যা সত্য তাই তোমার CEO কে বলবে। সে আজ খুবই বিব্রত হবে – এই দুশ্চিন্তায় অলিভার অসুস্থ বোধ করতে থাকলো। কিন্তু সে এও জানে তার স্ত্রী ঠিক কথাই বলেছে।
সে তার খালি টব নিয়ে বোর্ডরুমে ঢুকে দেখলো সকলের টবে কী সুন্দর সুন্দর গাছ! অলিভার তার টবটি রুমের মেঝেতে রাখল। অনেকেই হাসাহাসি করল, কেউ কেউ আবার দুঃখ প্রকাশও করলো।
CEO রুমে এসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুরো রুম পরিদর্শন করলেন। “ও মাই গড, আপনারা কী সুন্দর চারাগাছ ও ফুল জন্মিয়েছেন!” হঠাৎ তার চোখ গিয়ে পড়লো অলিভারের দিকে। অলিভার লজ্জায় পেছনে কোথাও লুকানোর চেষ্টা করলো। CEO তাকে সামনে আসতে বললেন।
অলিভার খুব ভীত হয়ে পড়লো। নির্ঘাৎ সে আজ তার চাকুরী হারাবে। CEO জিজ্ঞেস করলেন “কি ব্যাপার অলিভার, আপনার বীজের কী হয়েছে?” অলিভার তাকে সব খুলে বললেন। CEO সবাইকে বসতে বললেন, শুধু অলিভারকে বললেন দাড়িয়ে থাকতে। তিনি অলিভারের দিকে তাকিয়ে বললেন সবাই আমাদের নতুন CEO কে ভালো করে দেখুন, তার নাম অলিভার!
অলিভার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলো না! সে তো কোন চারাগাছের জন্মই দিতে পারে নি!
সবাই বলাবলি করলো “সে কিভাবে CEO হলো?”
CEO বললেন “এক বছর আগে আমি প্রত্যেককে যে বীজ দিয়েছিলাম তা সবই ছিল মৃত। কারণ সেগুলো ছিল সিদ্ধ করা। তাই কোন চারা অঙ্কুরিত না হতে দেখে হতাশ হয়ে আপনারা আমার দেয়া বীজটি ফেলে দিয়ে নতুন বীজ লাগিয়েছেন, শুধুমাত্র অলিভার সাহস ও সততার সাথে খালি টব নিয়ে এসেছে যে টবে আমার দেয়া বীজটিই রয়েছে। সবাই করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করুন।”
“যদি সততা রোপণ করেন, তবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করবেন”
“যদি সৎগুণ রোপণ করেন, তবে ভালো বন্ধুত্ব অর্জন করবেন”
“যদি কঠোর শ্রম রোপণ করেন, তবে সাফল্য অর্জন করবেন”
“যদি সুবিবেচনা রোপণ করেন, তবে আপনি যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করবেন”
তাই কী রোপণ করছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন, তা নির্ধারণ করে দিবে ভবিষ্যতে আপনি কী অর্জন করবেন।
জীবনকে আপনি যা দিবেন, জীবন আপনাকে তাই ফেরত দিবে।

❝মস্তিষ্ক যখন হৃদয়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তৈরী হয় স্বার্থপরতা,হৃদয় যখন মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে, তৈরী হয় ভালোবাসা।❞✍🏻বিশ্ব কবি...
25/03/2024

❝মস্তিষ্ক যখন হৃদয়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তৈরী হয় স্বার্থপরতা,
হৃদয় যখন মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে, তৈরী হয় ভালোবাসা।❞

✍🏻বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৯১১ সালে থমাস থিয়রের নির্মিত ব্রোঞ্জের এই ভাসকার্যটির নাম ❝ Weight of thought❞ অর্থাৎ চিন্তার ভারে ভারাক্রান্ত মানবজাতি।

মানুষের সৌন্দর্য দেখার পূর্বে রুচি দেখুন। রুচির দুর্ভিক্ষ থাকলে সৌন্দর্যকে উলঙ্গ দেখায়...🤭
19/01/2024

মানুষের সৌন্দর্য দেখার পূর্বে রুচি দেখুন। রুচির দুর্ভিক্ষ থাকলে সৌন্দর্যকে উলঙ্গ দেখায়...🤭

"বাঙালিকে বেশি প্রশংসা করতে নেই। প্রশংসা করলেই বাঙালি এক লাফে আকাশে উঠে যায়। আকাশে উঠে গেলেও ক্ষ'তি ছিল না, আকাশ থেকে থু...
22/12/2023

"বাঙালিকে বেশি প্রশংসা করতে নেই। প্রশংসা করলেই বাঙালি এক লাফে আকাশে উঠে যায়। আকাশে উঠে গেলেও ক্ষ'তি ছিল না, আকাশ থেকে থুথু ফেলা শুরু করে।"

বই: কুটু মিয়া ✍️লেখক: হুমায়ূন আহমেদ।

28/11/2023

প্রেম একটু ব্যাকডেটেড হওয়াই ভালো, আধুনিকতায় শুধুই বিচ্ছেদ 🖤

'Kodak' কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্...
22/11/2023

'Kodak' কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে, Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।😪😪
ঐ একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন- HMT (ঘড়ি), BAJAJ (স্কুটার), DYANORA (TV), MURPHY (radio), NOKIA (Mobile), RAJDOOT (bike), AMBASSADOR (গাড়ি).

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি। এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।🤭🤭

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

UBER কেবলমাত্র একটি software-এর নাম।🫤🫤 না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল UBER.

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

সামনের 20 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

©️ Shah Shakib Bha.

আজকাল চারপাশে এত্ত বিচ্ছেদ, সেপারেশন, ডিভোর্সের কেন ছড়াছড়ি বলুন তো? বিচ্ছেদ হবে না কেনো?🤔 মানুষের কাছে এখন ভালবাসার কদর ...
21/11/2023

আজকাল চারপাশে এত্ত বিচ্ছেদ, সেপারেশন, ডিভোর্সের কেন ছড়াছড়ি বলুন তো? বিচ্ছেদ হবে না কেনো?🤔
মানুষের কাছে এখন ভালবাসার কদর নাই, সময়ের কদর নাই, ইমোশনের কদর নাই। কদর শুধু আছে রাগের, ইগোর, স্বার্থের, বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের, মোহের,টাকার।

মানুষ ধরে রাখার চেয়ে ছাড়তে বেশি পছন্দ করে, নিজে বদলাবার আগে অন্যের বদলাবার এক্সপেকটেশান রাখে, রাগ আর জেদে প্রতিযোগীতা পছন্দ করে! নিজেদের সম্পর্ক সুন্দর করার চেয়ে আরো বেটার একটা খুঁজে নেওয়া বেটার মনে হয় তাদের।

সম্পর্ক টিকবে কেনো? একজনে সম্পর্ক কখনোই টিকে না। একজনের পক্ষে কিছুই সম্ভব না। একজন চাইলে অন্যজন না চাইলে কোনো ভাবেই দূরত্ব কমতে পারেনা। সম্পর্ক, বিয়ে জিনিস টা একজনকে দিয়েই হলে তো ২ জন লাগতো না। তাই আজকাল সবার সম্পর্কই ঝুলে থাকে, একটু এদিক সেদিক হলেই The end!!🙂

©Shawon Chandra

৮০'র দশকের বিবাহ পরবর্তী খাওয়া পরিবেশনের  চিত্রI যেখানে নতুন দুলা সহ আগত বরযাত্রীদের এইভাবেই খাওয়া পরিবেশন করা হতো। এই ধ...
19/08/2023

৮০'র দশকের বিবাহ পরবর্তী খাওয়া পরিবেশনের চিত্রI যেখানে নতুন দুলা সহ আগত বরযাত্রীদের এইভাবেই খাওয়া পরিবেশন করা হতো। এই ধরনের চিত্র যা আমাদের দেশে আজকাল নাই বললেই চলে। এখন তো সম্পূর্ণ ডেকোরেশনের সাথে ডাইনিং টেবিলের চাকচিক্য দেখে যায়।

বিয়েতে ও বৌভাতে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই ভাবে মাটির উপর পাটির বিছানায় চাদর বিছিয়ে এমন আয়োজনে খাবার খাওয়ানো হতো। যেখানে শুরুতে দেশীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন জাতের পিঠা পরিবেশন করা হতো , তারপর ভাত মাংস, মিষ্টান্ন। অবশেষে থাকতো পান।

বিরিয়ানির তো দূরের কথা এতো রকমের খাবারের নাম গন্ধও ছিলনা তখন। পিঠা জাতের মধ্যে দুই এক আইটেম কম পড়লে বর পক্ষের লোকদের রাগ গরিমা ছিল দেখার মতো। যা কনে পক্ষের জন্য ছিলো একপ্রকার আতঙ্কের।

(ছবি সংগৃহীত)

ছবির ভদ্রলোক ইনিই, সেই "অঞ্জন দত্ত" যিনি বেলাকে নিয়ে গান করেছিলেন; " চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো"!! উনার একটি সাক্...
17/08/2023

ছবির ভদ্রলোক ইনিই, সেই "অঞ্জন দত্ত" যিনি বেলাকে নিয়ে
গান করেছিলেন; " চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো"!!

উনার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বেলা বোস চরিত্রটি ছিলো একটি কাল্পনিক চরিত্র, যার বাস্তবে কোন অস্তিত্ব ছিলো না ।

(ছবিতে অঞ্জন দত্ত ও উনার স্ত্রী ছন্দা)

ইউরোপের একটি দেশ, যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর ব...
28/07/2023

ইউরোপের একটি দেশ, যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।

একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।

তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো। তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হলো।

এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।

অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়। প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার, প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।

মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও।

দুনিয়াতে এমন অনেক মানুষের সাথে আপনার দেখা হবে, যাদের সাথে জীবনে আর দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হবে না ।  সুতরাং, চেষ্টা করবেন প্র...
12/06/2023

দুনিয়াতে এমন অনেক মানুষের সাথে আপনার দেখা হবে, যাদের সাথে জীবনে আর দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হবে না ।

সুতরাং, চেষ্টা করবেন প্রতিটা সাক্ষাতে মুগ্ধতা রেখে আসার।

✍️ আরিফ আজাদ

Address

Gulshan Avenue
Dhaka
1212

Telephone

+8801712135290

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uzzal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Uzzal:

Share