Bankers' Forum of Bangladesh

Bankers' Forum of Bangladesh Bankers' Unity

Collected from  Akondআমার দীর্ঘ ২০ বছরের মাল্টিন্যাশনাল, গ্লোবাল ও ন্যাশনাল কোম্পানির জবের অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরার চেষ্ট...
27/08/2026

Collected from Akond
আমার দীর্ঘ ২০ বছরের মাল্টিন্যাশনাল, গ্লোবাল ও ন্যাশনাল কোম্পানির জবের অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বাংলাদেশের কর্পোরেট কালচারে প্রতিদিনই হাজারো ট্যালেন্টেড কর্মী হতাশ হয়ে চাকরি ছেড়ে দেন। মজার ব্যাপার হলো—বসরা প্রায়ই মনে করেন “ভালো সুযোগ পেয়েছে বলে গেছে”, অথচ আসল কারণগুলো বসের সামনেই থাকে, কিন্তু তারা তা বোঝেন না বা বুঝতে চান না। নিচে সেই আসল কারণগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—

১. সঠিক ট্রিটমেন্ট না করা:
অফিসে যদি প্রিয়পাত্রদের জন্য আলাদা সুবিধা থাকে, আবার অন্যদের জন্য কড়া নিয়ম—তাহলে সেটাকে ফেয়ার কালচার বলা যায় না। অন্যায় আচরণ দেখলেই কর্মীরা বুঝে যান—“এখানে থাকলে আমি কখনোই ন্যায্য মূল্য পাবো না।”

২. সামর্থ্য অনুয়ায়ী বেতন না দেওয়া:
বাংলাদেশে অনেক কর্পোরেট কোম্পানিতেই বেতন বৃদ্ধি বাজার বা কর্মীর যোগ্যতার সাথে তাল মেলাতে পারে না। ট্যালেন্ট ধরে রাখার সবচেয়ে বড় উপায় হলো সঠিক বেতন। কিন্তু সেটা না পেলে ভালো সুযোগের সন্ধানে কর্মীরা দ্রুত অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান।

৩. অসহনীয় কাজের চাপ:
ওভারলোডেড কাজ, অযৌক্তিক ডেডলাইন, এবং সবসময় চাপের মধ্যে রাখা—এসবের কারণে কর্মীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কাজের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও অসহনীয় চাপ শেষমেশ রেজিগনেশনের পথে ঠেলে দেয়।

৪.বাজে ওয়ার্ক কালচার:
অফিসে যদি সহকর্মীদের মধ্যে সহযোগিতা না থাকে, বস যদি সবসময় গালাগালি করেন বা অপমান করেন, আর টিমওয়ার্ক যদি শুধু কথার কথা হয়—তাহলে সেটাকে বলে টক্সিক কালচার। আর এই ধরনের কালচারে ট্যালেন্ট টিকে থাকতে চায় না।

৫. উন্নতির সুযোগ না থাকা:
বছরের পর বছর কাজ করেও যদি পদোন্নতির সুযোগ না আসে, তাহলে এমপ্লয়িরা হতাশ হয়ে পড়েন। ক্যারিয়ার গ্রোথ না থাকলে মেধাবীরা বুঝে যান—“এখানে থাকলে আমি পিছিয়ে যাবো।” তাই তারা নতুন সুযোগ খোঁজেন।

৬. মাইক্রোম্যানেজিং বস:
যে বস প্রতিটা কাজ খুঁটিনাটি চেক করতে থাকেন, বিশ্বাস দেখাতে পারেন না, স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেন না—সে বসের অধীনে কাজ করতে অনেকেই রাজি থাকেন না। মাইক্রোম্যানেজমেন্ট ট্যালেন্ট ধ্বংস করে দেয়।

৭. ভালো কাজ করেও প্রশংসা হয় না:
ভালো কাজ করলেও যদি প্রশংসা না হয়, রেজাল্ট দেখিয়েও যদি কেউ ‘অদৃশ্য কর্মী’ হয়ে থাকেন—তাহলে একসময় সেই এমপ্লয়ি বুঝে যান, “আমার কষ্ট কেউ দেখছে না।” আর এই অদেখা কষ্টই তাকে চাকরি ছাড়ার পথে নিয়ে যায়।

৮. কর্পোরেট নোংরা পলিটিক্স:
অফিসে যারা কাজের চেয়ে রাজনীতি বেশি করে, তারা আস্তে আস্তে ট্যালেন্টেড এমপ্লয়িদের দূরে সরিয়ে দেয়। যোগ্য কর্মী রাজনীতিতে জড়াতে চান না, বরং তারা চান কাজের স্বীকৃতি। কিন্তু পলিটিক্স যদি নীতির চেয়ে বড় হয়, তখন মেধাবীরা বিদায় বলতেই বাধ্য হন।

৯. লার্নিং ও ডেভেলপমেন্টের সুযোগ না থাকা:
আজকের যুগে কর্মীরা শুধু স্যালারি নয়, বরং নতুন কিছু শেখার সুযোগ চান। ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম না থাকলে তারা মনে করেন—“আমি এখানে থেমে গেছি।” ফলে ক্যারিয়ার উন্নয়নের জন্য তারা নতুন প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

১০. ওয়ার্ক–লাইফ ব্যালান্সের অভাব:
বাংলাদেশে অনেক কোম্পানিতেই কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। প্রতিদিন রাত অবধি অফিসে থাকা, ছুটিতে কাজের কল ধরা—এসবের কারণে পরিবার ও নিজের জন্য সময় থাকে না। ট্যালেন্টেড কর্মীরা দীর্ঘদিন এই অসম ব্যালান্স মেনে নিতে পারেন না, তাই শেষমেশ চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।

কর্মীরা শুধু টাকার জন্য চাকরি ছাড়েন না। তারা ছাড়েন অন্যায়, টক্সিক কালচার, অবমূল্যায়ন, এবং অন্যায্য সিস্টেমের কারণে।একজন ভালো বস যদি সত্যিই ট্যালেন্ট ধরে রাখতে চান, তাহলে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি।

📕 নিজাম আকন্দের বেস্ট সেলিং বইয়ের লিংক :

🏆 ব্র্যান্ড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিঃ
🔶 লিংক:https://www.rokomari.com/book/224034/brand-marketing-stretegy


14/08/2026

💸 চেক নয়, স্ক্যানেই ক্যাশ—সেলফিনে। 📱💚

06/08/2026

Post from Finlit Masud
🔥 ধরুন, আজ আপনি ১০ লাখ টাকা বাসায় রেখে দিলেন।

কোনো বিনিয়োগ করলেন না। সুতরাং কোনো লাভও পেলেন না।

এর মাঝে শুধু একটি বিষয় ঘটল— দেশে মূল্যস্ফীতি বছরে গড়ে ৮%

তাহলে আপনার ১০ লাখ টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা প্রতি বছর এভাবে কমতে থাকবে—
📅 ১ম বছর: ৯,২৫,৯২৬ টাকা
📅 ২য় বছর: ৮,৫৭,৩৩৯ টাকা
📅 ৩য় বছর: ৭,৯৩,৮৩২ টাকা
📅 ৪র্থ বছর: ৭,৩৫,০৩০ টাকা
📅 ৫ম বছর: ৬,৮০,৫৮৩ টাকা
📅 ৬ষ্ঠ বছর: ৬,৩০,১৬৯ টাকা
📅 ৭ম বছর: ৫,৮৩,৪৯০ টাকা
📅 ৮ম বছর: ৫,৪০,২৬৯ টাকা
📅 ৯ম বছর: ৫,০০,২৪৯ টাকা
📅 ১০ম বছর: ৪,৬৩,১৯৩ টাকা

অর্থাৎ—বাসায় ১০ বছর পরও ১০ লাখ টাকাই থাকবে।

কিন্তু সেই টাকার ক্রয়ক্ষমতা নেমে আসবে মাত্র ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকায়।

অন্যভাবে বললে—আজ যে জিনিস কিনতে ১০ লাখ টাকা লাগে,

১০ বছর পরে একই জিনিস কিনতে লাগবে প্রায় ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা (যদি মূল্যস্ফীতি গড়ে ৮% থাকে)।

এ কারণেই বলা হয়—
সবচেয়ে নীরব চোরের নাম মূল্যস্ফীতি।

সে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করে না, সে আপনার টাকার শক্তি চুরি করে।

তাই শুধু টাকা জমিয়ে রাখলেই হবে না।

টাকাকে এমন জায়গায় কাজে লাগাতে হবে, যেখানে দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতির চেয়ে বেশি হারে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 🤷‍♂️

28/07/2026

Congratulations to Everyone,
Who have been Promoted to Next Higher Grade in United Commercial Bank PLC (UCB)

13/07/2026
Update- কিছুদিন ধরেই এই পোস্টটা ফেবুতে ঘুরছে। ২০১৮ সালের একটা রিপোর্ট।  ২০২৬ সালে এসে এখন সবকিছুই আমূল পরিবর্তন হয়েছে।এত...
13/07/2026

Update- কিছুদিন ধরেই এই পোস্টটা ফেবুতে ঘুরছে। ২০১৮ সালের একটা রিপোর্ট। ২০২৬ সালে এসে এখন সবকিছুই আমূল পরিবর্তন হয়েছে।এতো পুরানা একটা রিপোর্ট হঠাৎ করে ভাইরাল হবার কারন কি? নিশ্চয়ই কারন রয়েছে। ব্যাংকগুলো দেশের বেকারত্ব নির্মূলে বিরাট অবদান রাখছিল। দূর্নীতিবাজ নেতাদের খপ্পড়ে পরে ব্যাংকিং সেক্টর অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লক্ষ লক্ষ ব্যাংকার বেকার হয়েছেন। এই সেক্টরের stability ঠিক করে দেশের সম্পূর্ণ বাজার ব্যবস্থা, জনগনের ক্রয় ক্ষমতা, স্বচ্ছলতা। ব্যাংকাররা যে শ্রম দেয় তার বদলে মালিক পক্ষ সব জায়গায় কি ইনসাফ করে? কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা, বেতন-বোনাস, পরিবহন, প্রমোশন, কর্মঘণ্টা, টার্গেট এসব নিয়ে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা প্রয়োজন। আমরা কি বলির পাঠা হচ্ছি?
|
|
|
collected পোস্টটি>>>>>>
একজন ব্যাংক কর্মীর পেছনে বছরে কত টাকা ব্যয় হয়? আর তিনি ব্যাংকের জন্য কত টাকা পরিচালন মুনাফা (Operating Profit) অর্জন করেন?

The Business Standard কর্তৃক ২০১৮ সালের ব্যাংকগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই তথ্যচিত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের কর্মীপ্রতি বার্ষিক Salary & Allowances এবং Operating Profit তুলে ধরা হয়েছে।

🔎 তথ্য বিশ্লেষণে যা দেখা যাচ্ছে

🟢 ১. কর্মীপ্রতি সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা ব্যয়
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (UCB) একজন কর্মীর পেছনে বছরে গড়ে ১৩,০৩,০১২ টাকা ব্যয় করেছে, যা তালিকায় সর্বোচ্চ।
এরপর রয়েছে—
১. প্রিমিয়ার ব্যাংক – ১২,৯৯,৮৭৩ টাকা
২. প্রাইম ব্যাংক – ১২,৯৪,৭০৬ টাকা
৩. ব্যাংক এশিয়া – ১২,৭৭,৫৬৬ টাকা
৪. সিটি ব্যাংক – ১২,৫৩,৪০৮ টাকা
এ থেকে বোঝা যায়, এসব ব্যাংক দক্ষ জনবল ধরে রাখতে তুলনামূলক বেশি বিনিয়োগ করেছে।

🔵 ২. কর্মীপ্রতি পরিচালন মুনাফায় শীর্ষ ব্যাংক
পরিচালন মুনাফার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া, যেখানে একজন কর্মী গড়ে ৩৫,৭২,৬৯৫ টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জনে অবদান রেখেছেন।
এরপর রয়েছে—
২. প্রিমিয়ার ব্যাংক – ৩৫,৩৩,০৭৫ টাকা
৩. সাউথইস্ট ব্যাংক – ৩৪,৮০,৫১৫ টাকা
৪. ঢাকা ব্যাংক – ৩৪,২৪,১০০ টাকা
৫. এনসিসি ব্যাংক – ২৮,৯৯,১৭৪ টাকা
৬. মার্কেন্টাইল ব্যাংক – ২৭,৫৩,১৪৫ টাকা

📌 গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
এই তথ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—
বেশি বেতন দিলেই যে বেশি মুনাফা হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

উদাহরণস্বরূপ—
🔹 UCB কর্মীদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিলেও পরিচালন মুনাফায় শীর্ষে নেই।
🔹 অন্যদিকে ব্যাংক এশিয়া তুলনামূলক কম বেতন ব্যয় করেও কর্মীপ্রতি সর্বোচ্চ পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে।

অর্থাৎ, একটি ব্যাংকের সফলতা শুধু বেতনের ওপর নির্ভর করে না; বরং নির্ভর করে—
✔️ দক্ষ ব্যবস্থাপনা
✔️ প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার
✔️ কর্মীদের উৎপাদনশীলতা
✔️ সঠিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা
✔️ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা
✔️ সেবা প্রদানের মান

💡 এই তথ্য ব্যাংকারদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে শুধু পরিশ্রম নয়, Smart Banking-এর গুরুত্বও বাড়ছে।

⚠️ একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি
এই তথ্য ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন ভিত্তিক। গত কয়েক বছরে ব্যাংকিং খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। অনেক ব্যাংকের মুনাফা, কর্মীসংখ্যা, বেতন কাঠামো ও ব্যবসার পরিধি পরিবর্তিত হয়েছে। তাই এটি বর্তমান র‌্যাংকিং নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ।

💬 আপনার মতে, একজন ব্যাংকারের প্রকৃত মূল্যায়ন কীসের ভিত্তিতে হওয়া উচিত—বেতন, ব্যবসা অর্জন, নাকি কর্মদক্ষতা? বিষয়টি নিয়ে আপনার মতামত জানতে আগ্রহী।

যারা আমাদের পেইজে sponsored ad দিতে চান, ব্যাংকারদের ডিসকাউন্ট দিতে চান অথবা আপনার ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড/product এর প্র...
13/07/2026

যারা আমাদের পেইজে sponsored ad দিতে চান, ব্যাংকারদের ডিসকাউন্ট দিতে চান অথবা আপনার ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড/product এর প্রচারনা করতে চান-INBOX

Address

Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bankers' Forum of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share