AmarBima

AmarBima Your trusted partner with a commitment to building trust, we provide hassle-free insurance services. Your trusted insurance partner in Bangladesh.

We are dedicated to building trust and providing hassle-free insurance services that secure your future and offer peace of mind. With a wide range of comprehensive coverage options and personalized solutions, we cater to your evolving needs. As a leading insurance company, customer satisfaction, integrity, and innovation are at the forefront of our values. Discover the reliability and convenience

of AmrBima as we protect what matters most to you, today and tomorrow. Our team of experienced professionals is committed to delivering exceptional service and tailored insurance solutions that meet your unique requirements. Whether it's safeguarding your home, business, or personal assets, we offer reliable protection against risks and uncertainties. At AmrBima, we understand the importance of trust and transparency in the insurance industry. That's why we strive to establish long-lasting relationships with our customers, ensuring open communication and responsive support at every step. Our user-friendly processes and simplified claims procedures make it easy for you to access the coverage you need when you need it most. We continuously innovate to stay ahead of evolving market trends, introducing new products and services that address emerging risks and provide enhanced coverage. AmrBima is proud to be a part of your journey, offering peace of mind and financial security. Trust AmrBima to be your reliable insurance partner, safeguarding your interests and helping you achieve your goals. Experience the difference with AmrBima and enjoy the confidence of knowing you are protected by a trusted name in the insurance industry. Join our growing family of satisfied customers and embark on a worry-free future with AmrBima by your side.

ভবিষৎ-এ বাংলাদেশে ইন্স্যুরটেক কোম্পানির ভূমিকা:ইন্স্যুরটেক (Insurtech) কোম্পানিগুলো নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্স্যুরে...
01/12/2024

ভবিষৎ-এ বাংলাদেশে ইন্স্যুরটেক কোম্পানির ভূমিকা:

ইন্স্যুরটেক (Insurtech) কোম্পানিগুলো নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রিকে আরও সহজলভ্য, দ্রুত এবং গ্রাহকবান্ধব করে তুলতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে তাদের ভূমিকা হতে পারে:

- ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম:
ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলো অনলাইন পলিসি ক্রয়-বিক্রয়ের সুবিধা এনে দিচ্ছে, যা সময় ও খরচ কমায়। এটি গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলে ইন্স্যুরেন্স পৌঁছানো সহজ করে।

- ডাটা অ্যানালিটিক্স:
উন্নত ডাটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পলিসি নির্ধারণে সহায়তা করে। এতে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম আরও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়।

- কাস্টমাইজড সল্যুশন:
গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী পলিসি ডিজাইন করা যায়, যা তাদের প্রয়োজন ও সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

- ক্লেইম প্রসেসিং সহজ করা:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্লেইম প্রসেসিং আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত করা সম্ভব।

- ইন্স্যুরেন্স পেনিট্রেশন বাড়ানোর উপায়
বাংলাদেশে ইন্স্যুরেন্সের গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলক কম। ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলো এই সমস্যা সমাধানে নিম্নোক্ত উদ্যোগ নিতে পারে:

- সচেতনতা বৃদ্ধি:
গ্রাহকদের মধ্যে ইন্স্যুরেন্সের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালানো।

- স্বল্পমূল্যের পলিসি:
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ক্ষুদ্র প্রিমিয়ামের পলিসি চালু করা। যেমন, মাইক্রোইন্স্যুরেন্স।

- সুবিধাজনক প্ল্যাটফর্ম:
মোবাইল অ্যাপ বা ইউএসএসডি কোডের মাধ্যমে সহজে পলিসি কেনা ও ব্যবস্থাপনা করা।

- ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম:
বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে ইন্স্যুরেন্স পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন।

- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP):
সরকার ও বেসরকারি কোম্পানিগুলোর যৌথ উদ্যোগে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে ইন্স্যুরেন্স পৌঁছানো।

- ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
বাংলাদেশে ইন্স্যুরটেকের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। কারণ:

- সরকারি সহায়তা:
IDRA-এর ২০২৩ সালের গাইডলাইন এবং লাইসেন্স প্রদানের উদ্যোগ ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলোর জন্য পথ সুগম করেছে।

- প্রযুক্তির অগ্রগতি:
দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের সহজলভ্যতা ইন্স্যুরটেকের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে।

- বিশাল বাজার:
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থার বাইরে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলোর সম্ভাব্য গ্রাহক।

- আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ:
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে ইন্স্যুরটেক খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হতে পারে, কারণ এটি একটি উদীয়মান সেক্টর।

- প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের চাহিদা:
ব্লকচেইন, IoT, এবং AI-এর মতো উন্নত প্রযুক্তি ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে পারবে।

- চ্যালেঞ্জ ও সমাধান
তবে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, যেমন:

গ্রাহকদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা বাড়ানো। পর্যাপ্ত ডাটা সিকিউরিটি নিশ্চিত করা। নিয়মনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর উন্নয়ন। ইন্স্যুরটেক কোম্পানিগুলো এই চ্যালেঞ্জগুলো সামলে উঠতে পারলে, বাংলাদেশে তাদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

বাংলাদেশে মানুষের যে ১০ কারণে  #স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা প্রয়োজনীয় তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে: ১. বাড়তি স্বাস্থ্যসেবা...
12/09/2024

বাংলাদেশে মানুষের যে ১০ কারণে #স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা প্রয়োজনীয় তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে:

১. বাড়তি স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খরচ দিন দিন বাড়ছে, বিশেষ করে উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে। স্বাস্থ্য বীমা এই খরচগুলো বহন করতে সহায়তা করে এবং ব্যক্তি ও পরিবারের আর্থিক চাপ কমায়।

২. মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার সীমিত প্রাপ্তি
অনেক মানুষ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে অক্ষম, যা সাধারণত সরকারি সেবার তুলনায় উন্নত। স্বাস্থ্য বীমা মানুষকে বেসরকারি হাসপাতাল এবং উন্নত চিকিৎসার সুবিধা নিতে সহায়তা করে।

৩. সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রায়ই অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে সীমিত ও সেবার মানের ঘাটতি থাকে। স্বাস্থ্য বীমা থাকলে মানুষ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করে দ্রুত সেবা পেতে পারে।

৪. গুরুতর স্বাস্থ্য খরচ থেকে সুরক্ষা
ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি এবং ব্যয়বহুল হতে পারে। স্বাস্থ্য বীমা ছাড়া অনেক পরিবার এই খরচের কারণে আর্থিকভাবে ভেঙে পড়তে পারে। বীমা এই বিপুল খরচ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৫. বাড়তি জীবন প্রত্যাশা এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন
বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনও বাড়ছে। স্বাস্থ্য বীমা এই ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা খরচকে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে।

৬. প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে উৎসাহিত করা
স্বাস্থ্য বীমা প্রায়ই নিয়মিত চেকআপ, টিকাদান এবং স্ক্রিনিংয়ের মতো প্রতিরোধমূলক সেবা কভার করে। এতে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায় এবং সমগ্র জনসংখ্যায় স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।

৭. পরিবারের আর্থিক চাপ কমানো
বাংলাদেশে অনেক পরিবার একমাত্র উপার্জনকারীর ওপর নির্ভরশীল। যদি সেই ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন, চিকিৎসা খরচ দ্রুতই সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য বীমা এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

৮. স্বাস্থ্যকর কর্মশক্তি তৈরি
কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ করে দেয়, যা কর্মশক্তিকে সুস্থ রাখে, কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিতি কমায় এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।

৯. স্বাস্থ্য সেবার সমতা নিশ্চিত করা
স্বাস্থ্য বীমা বিভিন্ন আয় স্তরের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবধান কমিয়ে আনে, যাতে সবাই আর্থিক অবস্থার ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেতে পারে।

১০. স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোর উন্নতি
স্বাস্থ্য বীমার প্রচলন বাড়লে, স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মান উন্নত করবে।

স্বাস্থ্য বীমার মাধ্যমে বাংলাদেশে সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব, যা জনসংখ্যার সামগ্রিক মঙ্গল বৃদ্ধি করবে।
............................................................................................................................
The 10 reasons why people need in Bangladesh are discussed below:

1. Additional healthcare costs
costs in Bangladesh are increasing day by day, especially due to advanced medical technology and new treatment methods. Health insurance helps cover these costs and reduces the financial burden on individuals and families.

2. Limited access to quality healthcare
Many people are unable to access private healthcare, which is generally superior to government services. Health insurance helps people avail private hospitals and advanced treatments.

3. Challenges of the public health care system
Public health care in Bangladesh is often limited and service quality deficient due to excessive patient pressure. If people have health insurance, they can get private health care services quickly.

4. Protection from serious health costs
Treatment of serious diseases such as cancer, heart disease, and diabetes can be long-term and expensive. Many families without health insurance could be financially devastated by these costs. Insurance protects against these huge costs.

5. Increased life expectancy and the needs of an aging population
As the average life expectancy of people in Bangladesh is increasing, the need for health care for the elderly is also increasing. Health insurance helps offset these rising medical costs.

6. Promoting preventive health care
Health insurance often covers preventive services like regular checkups, vaccinations, and screenings. This allows early detection of disease and reduction of health risks in the entire population.

7. Reduce family financial stress
Many families in Bangladesh are dependent on the sole breadwinner. If that person becomes ill, medical expenses can quickly become a problem. Health insurance ensures financial stability in such situations.

8. Creating a healthy workforce
Health insurance for employees enables them to get the treatment they need, which keeps the workforce healthy, reduces absenteeism, and increases productivity.

9. Ensuring equity in healthcare health insurance reduces the gap in healthcare between people of different income levels so that everyone can get the necessary medical care regardless of financial status.

10. Improvement of healthcare infrastructure
As the prevalence of health insurance increases, investment in the healthcare sector will increase, which will improve the quality of the country's healthcare system as a whole.

Health insurance can ensure affordable and quality medical care for all in Bangladesh, which will increase the overall well-being of the population.

"ইন্স্যুরেন্স নিয়ে গ্রাহকের অসন্তুষ্টির জায়গা এবং ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতি" 😓আমাদের সম্মানিত গ্রাহকরা ইন্স্যুরেন্...
21/10/2023

"ইন্স্যুরেন্স নিয়ে গ্রাহকের অসন্তুষ্টির জায়গা এবং ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতি" 😓

আমাদের সম্মানিত গ্রাহকরা ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় একটা ক্ষতি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। 😥

অনুরোধ করবো পুরো লিখাটি পড়ে মন্তব্য করবেন।🙏

গ্রাহক হচ্ছে প্রতিটা কোম্পানির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। জানি আমি যা লিখবো এইটা অনেকেই পছন্দ করবে না, কিন্তু আমার নৈতিক দিক থেকে এই বিষয়টি তুলে ধরা উচিত বলে আমি মনে করি। 😊

ইন্স্যুরেন্স এর সাথে দীর্ঘ্যদিন কাজ করার সুবাদে এই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে খুব সামান্য কিছু বিষয় জানার সৈভাগ্য হয়েছে। আমি বেশিরভাগ সময় মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স নিয়ে কাজ করেছি, যেখানে আমরা গ্রাহকদের শুধুমাত্র হেল্থ ইন্স্যুরেন্স দিয়ে থাকি। 👍

>>একটা উদাহরণ দেয় বুঝার জন্য, যেমন ধরুন একজন গ্রাহক এক বছর এর জন্য একটা খুবই ছোট অংকের টাকা দিয়ে হেল্থ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বীমা গ্রহণ করতে পারবে। যেখানে সব ধরণের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি অথবা আউটডোরে চিকিৎসার কাভারেজ পাবে।

এই ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ গুলোর প্রধান উদ্দেশ্য হলো- আমাদের এই অনিশ্চিত জীবনে হঠাৎ করেই যদি কোন অসুস্থ্যতা চলে আসে তখন আমাদের একটা মোটা অংকের টাকা খরচ হয়ে যায়, যেটা আমাদের প্রিনিয়ত খরচের হিসাবে থাকে না। এবং অনেক সময় দেখা যায় আমাদের কিছু টাকা জমানো থাকলে সেখান থেকে খরচ করে চিকিৎসা নিতে হয়। যা আমাদের উপর একটা বাড়তি আর্থিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যদি কারোর এই ছোট স্বাস্থ্য বীমা বা মাইক্রো হেল্থ ইস্যুরেন্স করা থাকে তখন এই ইন্সুরেন্স থেকে কিছু টাকা পাওয়া যায়, এই আর্থিক সহজোগিতা আমাদের সর্বমোট খরচ কিছুটা হলেও কম করে। এবং আমাদের যেই আর্থিক চাপটা হতো সেটা থেকে কিছুটা হলেও সস্থি পাওয়া যায়। ✌️

এই কাভারেজ গুলো যেহেতু খুব অল্প টাকার বিনিময়ে গ্রাহকরা গ্রহণ করতে পারে তাই এখানে কিছু ব্যাতিক্রমী বিষয় থাকে। যেমন: যদি কোন গ্রাহক প্ল্যান করে কিনতে চায় তাহলে তার জন্য কাভারেজ পাবে না। প্ল্যান করে কেনা বলতে আমি বুঝতে চাচ্ছি- কেউ যদি আগে থেকেই একটা রোগের জন্য চিকিৎসা নিয়ে আসতেছে এবং এই চিকিৎসা চলমান তখন এই রোগের জন্য ইন্স্যুরেন্স কিনে ক্লেইম করলে সেই ক্লেইমটির জন্য ইন্স্যুরেন্স কোম্পনি কাভারেজ দিয়ে থাকে না। যদি কেউ বেআইনি কিছু করে আহত হয় এবং চিকিৎসা নেয় তখন সেটার জন্য ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ পাওয়া যায় না। অথবা মাদক গ্রহণের ফলে অসুস্থ্য হলেও যেহেতু আমাদের দেশের আইনে মাদক বেআইনি। এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো: প্রত্যেকটা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (যারা হেলথ ইন্স্যুরেন্স দিয়ে থাকে) তাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসি এর ডিটেইলসে এইগুলো খুব হাইলাইট করে উপস্থাপন করে যেন প্রত্যেকটা গ্রাহক এই বিষয় গুলো লক্ষ করে। পলিসি কেনার পরে যেনো ভুল বুঝাবুঝি না হয়। কিন্তু,,, গ্রহকরা এইখানেই ভুলটা করে এবং কিছু অসৎ উপায় অবলম্বন করে।

👉গ্রাহকের অসন্তুষ্টির কারণ: কিছু বিধিসম্মত বিষয় গ্রাহক অধিকাংশ সময়ই মানতে রাজি হয় না। যেমন, একটি হেল্থ ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম করতে কিছু নির্দিষ্ট এবং প্রয়োজনই ডকুমেন্টস অবশ্যই দরকার হয়ে থাকে যা ছাড়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি কোন ক্লেইম প্রসেস করতে পারে না যদি প্রসেস করে তখন কোম্পনী অডিট থেকে নোটিশ পায় যার কারণে তারা গ্রহাকরে কাছ থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত সঠিক লিখাসহ ডকুমেন্টস গুলো সংগ্রহ করতে চায়। কিন্তু সমস্যাবাধে এইখানে, কিছু কিছু গ্রাহক এমন ভাবে কথা বলে এবং বুঝায় যে, তারা টাকা দিয়ে একটা হেলথ ইন্স্যুরেন্স কিনে নিয়েছে মানে সে জিকিৎসা নিয়ে যেকোন ডকুমেন্টস দিয়ে ক্লেইম করলেই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি তাদের কাভারেজ এর টাকা দিতে বাধ্য। আর যখনি প্রয়োজনীয় আর আনুসাঙ্গিক ডকুমেন্টস চাওয়া হয় তখনি গ্রাহক অসন্তুষ্ট হয় এবং ইন্স্যুরেন্স নিয়ে না বুঝেই নানান নেগেটিভ কথা ছড়ায় যা এই ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতির একটি বড় কারণ।

👉অসৎ উপায় অবলম্বন: ইন্স্যুরটেক নিয়ে কাজ করার সুবাদে আমি দেখেছি প্রতিটা কোম্পনি যারা ডিজিটাল টেকনোলজি দিয়ে ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রিতে একটা বড় পরিবর্তন আনতে চেয়েছে এবং গ্রহককে তার প্রাপ্য টাকা খুব সহজে এবং কাগজপত্রের কম ঝামেলায় গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দিতে চেয়েছে। কিন্তু আমরা, কিছু অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই এত বড় সুযোগটার অপব্যাবহার করা শুরু করে দিয়েছি। যেহেতু টেকনোলজি দিয়ে গুটিকয়েক কোম্পানি চেয়েছে হেলথ ইন্স্যুরেন্স এর সুবিধা যেন দেশের প্রতিটা মানুষ উপভোগ করতে পারে সেহেতু তারা ডকুমেন্টস ভেরিফাই করেই টাকা গ্রাহককে দিয়ে দিতো। এইরকম সহজে টাকা দিয়ে দেওয়া দেখে আমরা কিছু অসাধু লোক মিলে অসৎভাবে মেডিকেল ডকুমেন্টস বানিয়ে সাবমিট করে টাকা হাতিয়ে নেয়া শুরু করে দিয়েছি। যখন এই বিষয়টি কোম্পনি গুলোর চোখে পরে তখন কোম্পনি গুলো স্বশরীরে গ্রাহকের চিকিৎসাধীন হাসপাতালে গিয়ে ইনভেস্টিগেশন করে এবং এইটা জানতে পারে যে গ্রাহক আসলে চিকিৎসা না নিয়ে অথবা ১ দিন ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে ৫ দিন ভর্তি হয়ে চিকিৎসার ডকুমেন্টস তৈরী করে নিয়ে আসে। এবং আরো জানতে পারে, গ্রাহকের ভর্তি হবার প্রয়োজন নাই কিন্তু সে কর্ত্যরত হাসপাতালের চিকিৎসককে অনুরোধ করে হাসপাতালে ২/৩দিন রাখার জন্য যেন সে ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম করতে পারে। এইভাবে এই প্রবল সম্ভবনাময় একটি সুযোগকে আমরা নষ্ঠ করে দিচ্ছি।

আসুন আমরা আমাদের প্রয়োজনে সহজোগিতা করা এবং আমাদের আর্থিক নিশ্চয়তা দেওয়া এই ইন্ডাস্ট্রিকে ক্ষতি হয়ে যেতে না দেই। সকলে মিলে এই ইন্ডাস্ট্রিকে অনেকদূর নিয়ে যাই। আমাদের আশেপাশে কেউ যদি বলে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা দেয় না তাহলে তার সত্যতা যাচাই করুন। সঠিক অভিজোগ হলে আইনত ব্যাবস্থা গ্রহণ করে খুব সহজেই এবং খুব কম সময়ে প্রাপ্য টাকা তুলে নেওয়া যায়। আগের মত সেই ধারণা এখন আর নেই যে টাকা তুলতে অনেক কষ্ট। আসুন সবাই এক হই এবং ইন্স্যুরেন্স ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাই।🙏💟

"বীমা গ্রাহককে কী কী বিষয় যাচাই করতে হয় একটি নতুন বীমা পলিসি করার পুর্বে?"উত্তর: বীমা গ্রাহককে সাধারনতঃ নিম্নলিখিত বিষয় ...
23/09/2023

"বীমা গ্রাহককে কী কী বিষয় যাচাই করতে হয় একটি নতুন বীমা পলিসি করার পুর্বে?"

উত্তর: বীমা গ্রাহককে সাধারনতঃ নিম্নলিখিত বিষয় গুলো যাচাই করতে হয়ঃ-

১. প্রস্তাবপত্রের সকল তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা।
২. বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বা সামর্থ যথেষ্ট কিনা।
৩. বীমা দলিলে সকল তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা।
৪. বীমা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধির যথাযথ নিয়োগ পত্র রয়েছে কিনা।

উপরিউক্ত বিষয় গুলো সঠিকভাবে যাচাই করে বীমা সেবা গ্রহন করা উচিত। বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা আর সামর্থ না থাকলে সেখানে বীমা পলিসি করা থেকে বিরত থাকুন।

চলেন সবাই মিলে বীমা শিল্পকে সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌছে দেই।

#বীমা

*বীমা কেন প্রয়োজন/ আমাদের জীবনে বীমার গুরুত্ব কতটা ?*আমাদের জীবন এবং জীবিকার চেয়ে গুরত্বপূর্ন জিনিষ আর কি আছে বলুন! কিন্...
16/09/2023

*বীমা কেন প্রয়োজন/ আমাদের জীবনে বীমার গুরুত্ব কতটা ?*

আমাদের জীবন এবং জীবিকার চেয়ে গুরত্বপূর্ন জিনিষ আর কি আছে বলুন! কিন্তু আমরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিষ নিয়ে কতটুকুই ভাবি? আমার অবর্তমানে আমার পরিবার পরিজনদের জন্য কতটুকু আর্থিক নিশ্চয়তা করে রেখেছি ? ভবিষৎ তো আর আমরা আন্দাজ করে রাখতে পারি না, আজকে সুস্থ্য আছি কিন্তু কালকে কি হবে কে জানে ? হঠ্যৎ করেই যদি অসুস্থ্য হয়ে যাই তখন তো আমার সেভিংস করা টাকাটি তুলে চিকিৎসা নিতে হবে আর যদি কোন কারণে আমার জমানো টাকা না থাকে তখন কি হবে ? 😰

*আসুন আগে জানি বীমা কি?
সহজ করে বললে বীমা এমন হলো একটি সংস্থার সাথে চুক্তি যেখানে আমি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান টাকা জমাবো এবং আমাদের অসুস্থতায় বা অকাল মৃত্যুতে আমার পরিবার কে সেই টাকার পুরোটা প্রদান করবে অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে আমাকে আমার জমানো টাকা এবং বোনাস প্রদান করবে।

*বীমা কেন গুরত্বপূর্ন?
কোন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অপ্রত্যাশিত মৃত্যু হলে যে আর্থিক ক্ষতি সাধন হয় তা একটি বীমা পরিকল্পনার দ্বারা অনেকাংশে পূরণ করা যায়। পরিবারের বাকি সদস্যরা বীমার এই অর্থ দিয়ে তাদের হোম লোন বা অন্যান্য ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন অথবা সন্তানের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে পারবেন। কিছু বীমা পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদী মূলধন সংরক্ষণেও সহায়তা করে থাকে যা আপনার অবসরকালীন সময়ের চাহিদাগুলো পূরণে নিয়মিত আয়ের সুবিধা প্রদান করবে। অর্থাৎ, যে সকল বাংলাদেশীরা তাদের ভবিষ্যতের আর্থিক অবস্থা সুরক্ষিত রাখতে চান, বীমা তাদের জন্যে অনেক চমকপ্রদ সুবিধা প্রদান করতে পারে।

*কি কি ধরণের বীমা সেবা রয়েছে আমাদের দেশে?
১. সঞ্চয়ী বীমা: এই জীবনবীমা পলিসিতে আপনার প্রিমিয়াম এর কিছু টাকা জীবনবীমার ফান্ডের জন্য জমা হবে এবং বাকি টাকা ভিবিন্ন ক্ষাতে বিনিয়োগ করা হবে। আকস্মিক মৃত্যু কিংবা অকাল মৃত্যুতে এই বীমার ফান্ড থেকে পুরো টাকাটা পরিবার কে দেয়া হয়। অথবা মেয়াদ শেষে পুরো জমানো টাকা বিনিয়োগ এর বোনাসসহ পাওয়া যায়।
২. তাকাফুল জীবন বীমা: তাকফুল বীমা হলো ইসলামী শরিয়াহ এবং পারস্পরিক সহায়তা ভিত্তিক একটি প্রকল্প যা নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে অংশগ্রহণকারীদের আর্থিক সহায়তা এবং সহযোগিতা প্রদান করে। এজন্য, অংশগ্রহনকারীরা নিজেদের সম্মতিতে এই সাধারণ তহবিলে অনুদান প্রদান করেন। এই ধরনের বীমার ক্ষেত্রে, বীমা কোম্পানি শুধুমাত্র শরিয়াহসম্মত মাধ্যমেই অবদানসমূহ বিনিয়োগ করে থাকে।
৩. স্বাস্থ্য বীমা: স্বাস্থ্য বীমা সাধারণত নিজের এবং নিজের পরিবারের চিকিৎসা সময়ে আর্থিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে। এই বীমা পলিসি নেওয়া থাকলে আকস্মিক অসুস্থতায় নিজে এবং নিজের পরিবারের চিকিৎসার খরচ বীমা সংস্থা আপনার হয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে দেয় অথবা চিকিৎসা নেয়ার পর আপানাকে ক্যাশব্যাক হিসাবে প্রদান করে।
৪. শিক্ষা বীমা:শিক্ষা বীমা হলো আগে থেকেই সন্তানের শিক্ষার জন্য একটি ব্যয়-পরিকল্পনা করে রেখে, তাদের ভবিষ্যত আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করে রাখা। শিক্ষা বীমা পলিসি তাদের উচ্চশিক্ষার ব্যয় নিরসনে একটি এককালীন অর্থ প্রদান করে। আপনার সন্তান চাইলে, মেয়াদপূর্তির পর এই অর্থ শিক্ষা ব্যতীত অন্যান্য খাতেও ব্যবহার করতে পারবে। এই পলিসির আরেকটি মূল সুবিধা হল, পলিসির মেয়াদকালীন সময়ে প্রিমিয়াম প্রদানকারীর মৃত্যু হলে, তার সন্তান পলিসি থেকে একটি মাসিক অর্থ গ্রহণ করতে পারবে এবং ভবিষ্যতের সমস্ত প্রিমিয়াম প্রদান মওকুফ করে দেয়া হবে।
৫. গ্রূপ বীমা: এই বীমা সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান তার কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের অসুস্থ্যায় আর্থিকভাবে বিপর্যয় এড়ানোর জন্য নিয়ে থাকে। এবং যদি কোম্পানির কোন কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীর অকাল মৃত্যু হয় তখন কোম্পানি বীমা সংস্থার সহযোগিতায় ওই কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীর পরিবার কে এককালীন অর্থ প্রদান করে।

সবশেষে বলতে চাই, জীবন এতটাই অনিশ্চিত যে ভবিষ্যতে হতে পারে এমন কিছু আগে থেকেই আন্দাজ করে রাখা প্রায় অসম্ভব। বীমা এমন একটি পদ্ধতি যা আপনাকে আস্থার সাথে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে সহায়তা করে। যত কম বয়সে আপনি পলিসি ক্রয় করবেন, আপনাকে তত কম প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে। একটি ছোট পলিসিও কঠিন সময়ে আপনার প্রিয়জনদেরকে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। এমনকি ঋণ পরিশোধ করা, চলমান জীবনমানের ব্যয় বহন করা এবং আপনার সন্তানের জন্য উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনে সঞ্চয় করাও সম্ভব হয়ে উঠে। সঠিক বীমা নিরাপত্তাটি করা থাকলে কঠিন সময়গুলোতে আপনার আর্থিক অনিশ্চয়তা নিয়ে চিন্তিত হতে হয় না। ফলে আপনি তখন দরকারী বিষয়গুলোতে ঠিকমতো মনোনিবেশ করতে পারবেন। 😊

#বীমা

সমাজ: আপনি কোথায় কাজ করেন ? 🤨কর্মী: বীমা কোম্পানীতে কাজ করি. 🙂সমাজ তখনি বীমা কর্মীদের দিকে বাঁকা চোখে তাকায় 😒কেন বাঁকা চ...
14/09/2023

সমাজ: আপনি কোথায় কাজ করেন ? 🤨
কর্মী: বীমা কোম্পানীতে কাজ করি. 🙂
সমাজ তখনি বীমা কর্মীদের দিকে বাঁকা চোখে তাকায় 😒

কেন বাঁকা চোখে তাকায় ? এর পিছনে কারণ কি?

আজকে আলোচনা করবো এই বিষয় নিয়ে। এবং কিভাবে আমরা সমাজের এই দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করতে পারি সেই বিষয়েও আলোকপাত করার চেষ্টা করবো।

প্রথমত, আমরা জানবো কেন আজকের এই সমাজে বীমা কোম্পানী গুলো সম্পর্কে মানুষের ধারণা খারাপ এবং তারপর জানবো বীমা কর্মীদের কেনো সমাজের সকল স্তরের মানুষ অপছন্দ করে।

চলুন শুরু করা যাক,

বীমা কোম্পানীর ব্যার্থতা: আমাদের দেশে বীমা শিল্প মানুষের আয়ের অন্যতম একটি মাধ্যম ছিল, যেখানে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে কাজ করতে চেয়েছেন এবং অন্য সকলকে উৎসাহী করেছেন। যুগের সাথে সাথে এই শিল্পের অনেক উন্নতি হতে থাকে এবং মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি সময়ে যখন শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছে যখন কিছু অসাধু ব্যাক্তি টাকার মোহে পরে যায় এবং এই শিল্পকে তারা টাকা লুট এবং পাচার করার একটি উপায় হিসাবে গ্রহণ করে। 😰যথাযথ কর্তৃপক্ষের অভাবে অনেক কোম্পানি বীমার প্রিমিয়াম গ্রহণ করে কিন্তু যথাযত সেবা প্রদান করতে ব্যার্থ্য হয়। বীমা দাবি নিষ্পত্তি করতে অজুহাত দেখায়। যে সকল বীমা কোম্পানী মানুষের সেবা প্রদান করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলো সেই সকল কোম্পানীগুলোও তখন কোন প্রতিক্রিয়া করেনি, তারা একত্রিত হয়ে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ বার্থ হয়। এইসকল কারণে গ্রাহক সেবার মান ধীরে ধীরে খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসও ধীরে ধীরে চলে গেছে। 😓এছাড়াও বীমা কোম্পানিগুলোর রয়েছে অনেক গাফিলতি। কোম্পানী গুলোও তখন তাদের কর্মীদের সঠিন প্রশিক্ষণ প্রদান করতো না, কিন্তু প্রতিমাসে তাদের অনেক নতুন পলিসি খোলার টার্গেট দিয়ে দিতো। যার ফলে, বীমা কর্মীরা সমাজের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য না দিয়ে পলিসি খুলতো। প্রতিমাসে গ্রাহক থেকে প্রিমিয়াম এর টাকা গ্রহণ করতো কিন্তু প্রতিমাসে বীমা কর্মীরা কোম্পানিকে সেই টাকা জমা দিতো ব্যার্থ্য হতো, এবং বীমা কোম্পানীগুলো এই বিষয়টি সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারতো না। যার কারণে, গ্রাহক ক্লেইম করলে বা বীমা দাবি করতে চাইলে বীমা কোম্পানী সেই বীমা দাবি সঠিকভাবে নিঃস্পত্তি করতে পারতো না, সঠিক কোন পদক্ষেপ নিতে পারতো না। গ্রহককে নির্ধারিত কোন সময়সীমা দিতে পারতো না সমস্যা সোয়াদের জন্য। এই বিষয়টি বীমা শিল্পকে অনেক অংশে ক্ষতি করেছে এবং এখানে বীমা কোম্পানী গুলোর ব্যার্থতাই মুখ্য। 😑

বীমা কোম্পানী গুলোর প্রতি ভুল ধারণা: সমাজে বীমা সম্পর্কে সঠিক সচেতনা না থাকায় অনেক অসাধু ব্যাক্তি বীমার ন্যায় ভিবিন্ন মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (MLM) ব্যাবসা চালু করে এবং মানুষের থেকে টাকা নিয়ে তাদের একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই টাকার দুইগুণ অথবা তিনগুন টাকা দিবে বলে কথা দেয় কিন্তু কিছুসময় পর তারা সেই সব কোম্পানী বন্ধ করে চলে যায়। এবং মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে যায়। পক্ষান্তরে, বীমা কোম্পানি গুলো তাদের সঠিক প্রচার-প্রচারণা না করার কারণে মানুষ বীমা সম্পর্কে ভুল ধারণা পায়। সমাজের মানুষ ভাবে বীমা কোম্পনী গুলোও টাকা দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে কোম্পানী বন্ধ করে দিয়ে চলে যাবে। যদিও, বীমা কোম্পানির সার্ভিস তার আগে থেকেই খারাপ হওয়া ছিলো তাই সহজেই মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরী হয়ে গেছে। যা মুছে সঠিক ধারণা দেয়া অনেকটাই দূরহ হয়ে গিয়েছে। 😨

"এইসব কারণে বীমা কোম্পানী এবং বীমা কর্মীদের সমাজের মানুষ ভালো চোখে দেখে না, সবাই ভাবে কোম্পানী এবং কর্মী উভয়ই তাদের টাকা নেয়ার সময় অনেক কথা বলে নিবে কিন্তু টাকা দেয়ার সময় তাদের পাওয়া যাবে না"

আসুন, একটু আলোকপাত করি কিভাবে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা যাবে: বীমা শিল্পের জৌলুস ফিরিয়ে আনার জন্য সকল বীমা কোম্পানীকে একযুগে কাজ করতে হবে। বর্তমান টেকনোলজির সুবিধাকে সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যকে বীমা কর্মীকে সঠিক প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। গ্রাহকের কাছে যেন কোন ভুল তথ্য না যায় সেই বিষয়ে প্রখর দৃষ্টি রাখতে হবে। ট্রান্সপারেন্ট হতে হবে প্রতিটা বীমা কোম্পানীকে, যেনো গ্রাহক তার প্রতি প্রিমিয়াম প্রদান করার পরে চেক করতে পারে। বীমা কর্মীদের নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক বীমা কর্মীকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে এবং ভালো মানুষ হতে হবে। বীমা নিয়ে সঠিক তথ্য সমাজের কাছে পৌঁছে দিতে হবে তবেই সমাজে বীমা কর্মীরা সঠিক মর্যাদা এবং সম্মান পাবে এবং বীমা কোম্পানীর উপর আস্থা ফিরে আসবে। 👏🤝

পরিশেষে এইটুকু বলতে পারি: আমাদের দেশে বর্তমানে যে কয়টি বীমা কোম্পানী রয়েছে তারমধ্যে বেশ কয়েকটি বীমা কোম্পানী খুব ভালো সার্ভিস প্রদান করছে এবং সব গুলো বীমা কোম্পানীর কার্যক্রম পর্বেক্ষন এবং নীতি নির্ধারণ করার জন্য ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরি এন্ড ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (IDRA)। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি 'বীমা' একটা সময় আমাদের দৈনন্দিন চাহিদা হয়ে উঠবে এবং সকল বীমা কোম্পানী তাদের প্রতিজ্ঞা গ্রাকরে কাছে রাখবে কোন রকম হয়রানি করবেনা।

#বীমা

সাধারণ জ্ঞ্যান প্রশ্ন ঃ বাংলাদেশের সর্বশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত জীবন বীমা এবং সাধারণ বীমা কোম্পানির নাম কি?  তারা কত সালে তা...
08/09/2023

সাধারণ জ্ঞ্যান প্রশ্ন ঃ

বাংলাদেশের সর্বশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত জীবন বীমা এবং সাধারণ বীমা কোম্পানির নাম কি? তারা কত সালে তারা লাইসেন্স পায়?

সঠিক উত্তরদাতাকে কোন পুরষ্কার দেওয়া হবে না 🤐 আপনারা যারা বীমা পেশায় আছেন আপনাদের জন্য ছোট্ট একটা পরিক্ষা।

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard!Khandakar Jane Alam, Rodela Shikha, Bibhu Chakraborty, Nur...
19/07/2023

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard!

Khandakar Jane Alam, Rodela Shikha, Bibhu Chakraborty, Nurnabi Chowdhury Dgm, Tamzidul Islam, অভিমানী রাজকন্যা, গাজি তৌফিক

*"ইন্স্যুরেন্স/বীমা করার পর বীমার টাকা উঠানো যায় না"*আমি যখন আমার বীমা কর্মীদের সাথে কথা বলি তখন সবার থেকে একটা কমন ফিডব...
15/07/2023

*"ইন্স্যুরেন্স/বীমা করার পর বীমার টাকা উঠানো যায় না"*

আমি যখন আমার বীমা কর্মীদের সাথে কথা বলি তখন সবার থেকে একটা কমন ফিডব্যাক পাই যা হলো, নতুন বীমা করাইতে গেলে ক্লাইন্টরা বলেন বীমা করানোর সময় আমরা অনেক কথা বলি কিন্তু সময়মত টাকা উঠাইতে চাইলে টাকা উঠাইতে পারে না। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা দেয় না ঠিকমত। আমাদের সমাজে এবং দেশে এই ধারণাটি অনেক প্রচিলত যা আংশিক সত্য আংশিক মিথ্যা।

আজকে এই পুরো বিষয়টির উপর আলোকপাত করবো। >>কেন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা দেয় না? আসলেই কি টাকা দেয় না? টাকা না দিতে চাওয়ার পেছনে কারণ কি? এবং জানাবো কি করলে টাকা দিতে বীমা কোম্পানি গুলো বাধ্য থাকবে।

১. কেনো যেকোন সময় চাইলেই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা উঠতে দেয় না: ইন্স্যুরেন্স একটি লংটাইম সেভিংস পলিসি, অল্প সময়ে মেয়াদপূর্তির আগে এই পলিসিতে খুব একটা লাভ হয় না। কেননা ইন্স্যুরেন্স কোম্পনি একজন মানুষের লাইফ রিস্ক নিয়ে থাকে, হেল্থ কভারেজ এর রিস্ক নিয়ে থাকে এবং প্রিমিয়াম এর একটা বড় অংশ সেখানে ব্যায় হয় কিন্তু অনেক সময় ক্লাইন্ট ব্যাংক এর সাথে তুলনা করে বলে যে, ব্যাংকে জমা রাখলে তো যেকোনো সময় টাকা উঠানো যায় ইন্স্যুরেন্স থেকে কেন যায় না? ঐযে রিস্ক গুলোর কথা বললাম এই রিস্ক গুলো ব্যাংক সাধারণত নেয় না তাই তারা সেকোন সময় গ্রাহকের জমানো টাকার সমান টাকা দিতে পারে। পক্ষান্তেরে, ইন্স্যুরেন্স যেকোন সময় দিতে পারে না কারণ যেকোন সময় টাকা উঠালে ক্লাইন্ট এর মূল টাকার সমান টাকা উঠতে পারে না। তাই নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গ্রাহককে নিরুৎসাহিত করে ইন্স্যুরেন্স ভেঙে টাকা তুলার জন্য। যার জন্য মানুষ না বুঝেই এই ভুলটা বুঝে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি নিয়ে।

২. আসলেই কি টাকা দেয় না: জ্বি,ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গ্রাহকের টাকা দেয়। না দেয়ার কোন কারণ নেই। প্রত্যেক গ্রাহকের টাকা দিতে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গুলো বাধ্য।

৩. টাকা না দিতে চাওয়ার পেছনে কারণ কি: আসলে টাকা না দিতে চাওয়ার কোনো কারণ নাই। টাকা দিতেই হবে গ্রাহককে যদি গ্রাহক চায়। তবে, টাকা দেওয়ার জন্য কোম্পানি গুলো কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলে যা সাধারণ মানুষের কাছে ঝামেলার মনে হয়। কিন্তু ঝামেলার মনে করা উচিত না। এখানে একদমই ঝামেলার কিছু নেই, মেয়াদপূর্তিতে শুধু মাত্র বীমার দলিল আর ব্যাংক এর ডিটেইলস দিলেই ঝামেলা শেষ। এবং মেয়াদপূর্তির আগে তুলতে গেলে এই একই তথ্য দিতে হয় টাকা উঠানোর জন্য। আর মেয়াদপূর্তির আগে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গুলো গ্রাহককে ইন্স্যুরেন্স পলিসিটি ভাঙার ব্যাপারে উৎসাহিত করে না। কেননা, কোম্পনি গুলো জানে মেয়াদপূর্তির আগে টাকা তুলে ফেললে কাঙ্ক্ষিত বোনাসসহ টাকা পাওয়া যায় না, যার কারণে গ্রাহক অখুশি হয় এবং গ্রাহকের লস হয়। একটা নিৰ্দিষ্ট সময় পরে ভাঙতে চাইলে গ্রাহকের মূল টাকার সাথে অল্প কিছু বোনাস যুক্ত হয় আর নির্দিষ্ট সময় এর আগে ভাঙতে চাইলে মূল টাকা থেকেই টাকা কর্তন করা হয় লাইফ কভারেজ এবং হেল্থ কভারেজ বাবদ। যা অনেক গ্রাহক বুঝতে পারেন না বা কোম্পানির প্রতিনিধিরা বুঝিয়ে বলতে পারেন না। এই কারণে বীমা কোম্পানি গুলো যেকোন সময় বীমা ভেঙে টাকা উঠিয়ে ফেলার ব্যাপারে নিষেধ করেন যার কারণে মানুষ এইরকম ভুল বুঝেন।

৪. কি করলে টাকা দিতে বীমা কোম্পানি গুলো বাধ্য: সঠিক ডকুমেন্টস এবং তথ্য দিলেই বীমা কোম্পানি গুলো বীমার টাকা দিতে শতভাগ বাধ্য থাকবে। আমি আমার আগের পোষ্টে এই বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেছি এখানেও আবার বলছি-
>>মেয়াদপূর্তিতে ক্লেইম করতে হলে ইন্স্যুরেন্স এর দলিল জমা দিতে হয় সিগনেচার করে এবং ব্যাংক ডিটেইলস দিতে হয় তাহলেই হয়।
>>হেল্থ ইন্স্যুরেন্স এর ক্লেইম করতে হলে দরকার হয় মেডিকেল ডকুমেন্টস। যেমন: আউটডোর চিকিৎসা নিলে লাগবে ১। ডক্টর প্রেস্ক্রিপশন ২। টেস্ট বিল এবং রিপোর্ট ৩। মেডিসিন বিল। এবং ইনডোর ট্রিটমেন্ট নিলে বা ভর্তি ট্রিটমেন্ট নিলে লাগবে, ১। ডক্টর প্রেস্ক্রিপশন ২। টেস্ট বিল এবং রিপোর্ট ৩। মেডিসিন বিল ৪। ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ৫। ট্রিটমেন্টশিট ৬। ভর্তি থাকাকালীন সময়ের সকল বিল এর কপি।
>>লাইফ কভারেজ বা মৃত্যু জনিত কারণে ক্লেইম করতে দরকার হয়ঃ ইন্স্যুরেন্স এর দলিল, সরকারি ডেথ সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ড এবং ব্যাংক ডিটেইলস।

এইসকল ডকুমেন্টস দিয়ে ক্লেইম করলে সব ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ক্লেইম দিতে বাধ্য।

কিছু কথা সকলের উদ্দেশ্যে, আমাদের দেশে সৎমানুষের বড় অভাব। যারা বীমা কর্মী হিসাবে কাজ করে তারা তাদের বিক্রি বাড়ানোর জন্য অনেক সময় অসৎ পোত্ অবলম্বন করে থাকে, সঠিক তথ্য গোপন করে। এইগুলো একদমই উচিত না। সব তথ্য গ্রাহকের জানার অধিকার আমরা তথ্য গোপন করে আমাদের স্বার্থ উদ্ধার করি কিন্তু এর আড়ালে আমরা একটা মহান পেশাকে ছোট করে দিচ্ছি। পাশাপাশি, আমরা যারা ইন্সুরেন্স এর গ্রাহক, বীমা পলিসি নিয়েছি আমরা সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে ক্লেইম উত্থাপন না করেই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বা এই সেবাকে ছোট করে দেখি, মানুষের কাছে খারাপভাবে উপস্থাপন করি, যা একদম ই ঠিক না। আমাদের উচি সার্ভিসটি একটু বুঝা, ক্লেইম করা বা টাকা দাবি করার সঠিক নিয়ম জানা।

যদি আমরা একে-অপরকে সম্মান করি এবং বীমা সেবাটি সঠিকভাবে বুঝি তাহলে আমাদের ভবিষৎকে বীমা সেবার আওতায় এনে সুরক্ষিত রাখতে পারবো এবং ক্ষাতকে আরো সমৃদ্ধশালী করতে পারবো।

পুরো লিখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️

"ইন্স্যুরেন্স থেকে কি শুধু মারা গেলেই টাকা পাওয়া যায় ?"আমাদের অনেকেরই ধারণা ইন্স্যুরেন্স করলে শুধু মারা যাওয়ার পরেই টাকা...
14/07/2023

"ইন্স্যুরেন্স থেকে কি শুধু মারা গেলেই টাকা পাওয়া যায় ?"

আমাদের অনেকেরই ধারণা ইন্স্যুরেন্স করলে শুধু মারা যাওয়ার পরেই টাকা পাওয়া যায়। যা একদম ভুল একটি ধারণা। ইন্স্যুরেন্স থেকে আমরা নানানভাবে উপকৃত হতে পারি এবং জীবিত অবস্থায়ও ইন্স্যুরেন্স থেকে ব্যাপক সুবিধা আমরা গ্রহণ করতে পারি।

আসুন আমরা আজকে ইন্স্যুরেন্স এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানি। *কি কি সুবিধা-অসুবিধা ইন্স্যুরেন্সে রয়েছে সে বিষয়ে জানি? *ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম করে টাকা উৎত্তোলন করার সঠিক নিয়ম কি তা জানি এবং কোন কোন ডকুমেন্টস অতীব জরুরি ইন্স্যুরেন্স এর টাকা উত্তোলনের জন্য সে সম্পর্কে ধারণা নেই। *কত দিনের মধ্যে ইন্স্যুরেন্স এর টাকা পাওয়া যায় তা জানি। এবং শেষে থাকবে পরামর্শ যারা ইন্স্যুরেন্স করতে চান তাদের জন্য।

১. ইন্স্যুরেন্স এর সুবিধাঃ সাধারণত ইন্স্যুরেন্স দুইধরনের হয়। ১. জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ২. লাইফ ইন্স্যুরেন্স। আমরা এখানে লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর সুবিধা গুলো জানবো- লাইফ ইন্স্যুরেন্স হলো টাকা সেভিংস করার একটি অন্যতম মাধ্যম। লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর মাধ্যমে লং টাইমের জন্য সেভিংস করলে মেয়াদপূর্তিতে অনেক ভালো ইন্টারেস্ট রেটে বোনাসসহ জমানো টাকা উত্তোলন করা যায়।
সেক্ষেত্রে, মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা মানিয়ে নিতে পারি। পাশাপাশি যত বছর বছর এর জন্য ইন্স্যুরেন্স করা হয় তত বছর হেল্থ ইন্স্যুরেন্স এর সুবিধা নেয়া যায়। লাইফ রিস্ক এর কভারেজটা ইন্স্যুরেন্স এর একটা অতিরিক্ত সুবিধা এবং খুবই প্রয়জনীয় একটি সুবিধা। যা সবার ক্ষেত্রে দরকার হয় না, সচরাচর সব ইন্স্যুরেন্স হোল্ডাররাই মেয়াদপূর্তিতে বোনাসসহ টাকা উপত্তলন করতে পারে।

২. ইন্স্যুরেন্স এর অসুবিধাঃ ইন্স্যুরেন্স একটি বড় অসুবিধা হলো, মেয়াদপূর্তির আগে যেকোন সময় চাইলেই ইন্স্যুরেন্স এর টাকা পূর্ন বোনাসসহ উত্তলোন করা যায় না। একটি নির্দিষ্ট সময় আগে তুলতে চাইলে নিজের জমানো টাকা থেকেই সার্ভিস চার্জ কেটে রাখা হয় সেক্ষেত্রে লস এর সম্মুখীন হয়।

৩. ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম করার সঠিক নিয়মঃ ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম মেয়াদপূর্তিতে হতে পারে, মেয়াদপূর্ণ হওয়ার আগে হেল্থ কভারেজ পাওয়ার জন্য হতে পারে অথবা লাইফ কভারেজ বা মৃত্যু জনিত কারণে ক্লেইম করতে হতে পারে।
>>মেয়াদপূর্তিতে ক্লেইম করতে হলে ইন্স্যুরেন্স এর দলিল জমা দিতে হয় সিগনেচার করে এবং ব্যাংক ডিটেইলস দিতে হয় তাহলেই হয়।
>>হেল্থ ইন্স্যুরেন্স এর ক্লেইম করতে হলে দরকার হয় মেডিকেল ডকুমেন্টস। যেমন: আউটডোর চিকিৎসা নিলে লাগবে ১। ডক্টর প্রেস্ক্রিপশন ২। টেস্ট বিল এবং রিপোর্ট ৩। মেডিসিন বিল। এবং ইনডোর ট্রিটমেন্ট নিলে বা ভর্তি ট্রিটমেন্ট নিলে লাগবে, ১। ডক্টর প্রেস্ক্রিপশন ২। টেস্ট বিল এবং রিপোর্ট ৩। মেডিসিন বিল ৪। ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ৫। ট্রিটমেন্টশিট ৬। ভর্তি থাকাকালীন সময়ের সকল বিল এর কপি।
>>লাইফ কভারেজ বা মৃত্যু জনিত কারণে ক্লেইম করতে দরকার হয়ঃ ইন্স্যুরেন্স এর দলিল, সরকারি ডেথ সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ড এবং ব্যাংক ডিটেইলস।

নোটঃ এইসকল ডকুমেন্টস দিয়ে ক্লেইম করলে সব ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ক্লেইম দিতে বাধ্য।

৪. কত দিনের মধ্যে ইন্স্যুরেন্স এর টাকা পাওয়া যায়ঃ কোম্পানি ভেদে ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম সেটেল্ড বিভিন্ন টাইমলাইনে হয়ে থাকে যেমন- মেয়াদপুর্তিতে ক্লেইম করলে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগে। হেল্থ কভারেজ এর ক্লেইম করলে ২ থেকে ১৫দিন সময় এর মধ্যে ক্লেইম সেটেল্ড হয়ে যায়। এবং লাইফ কভারেজ বা মৃত্যু জনিত ক্লেইম করলে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগে ক্লেইম সেটেল্ড হতে।

পরামর্শঃ ইন্স্যুরেন্স আমাদের জন্য খুবি প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। তবে, আমাদের দেশে কিছু অসাধু মানুষের জন্য ইন্স্যুরেন্স এর নাম খারাপ হয়েছে। তাই আমরা এখন ইন্স্যুরেন্স করতে গেলে নানান ধরনের নেগেটিভ চিন্তা করে থাকি। তবুও আমাদের উচিত আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে প্রত্যেকের একটি করে ইন্স্যুরেন্স করে রাখা। তবে ইন্স্যুরেন্স করার আগে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ভালমত খোঁজ নিতে হবে এবং তাদের ক্লেইম সেটেল্ড করার প্রসেস জেনে তারপর ওই কোম্পানি থেকে ইন্স্যুরেন্স করবো।

ইন্স্যুরেন্স এর ব্যাপারে কোন প্রশ্ন থাকলে বা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে আমাদের কাছে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AmarBima posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share