Exam Plus

Exam Plus Platform for BCS & other exams

31/07/2026

যারা প্রি-অর্ডার করেছিলেন সাপ্লিমেন্ট(Pdf) সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

গ্রন্থ-সমালোচনা বরাবর আমরা ছোট-সাবলীল করে থাকি।এবার বেছে বেছে ১৫টি গ্রন্থের-সমালোচনা রাখা হয়েছে।
24/07/2026

গ্রন্থ-সমালোচনা বরাবর আমরা ছোট-সাবলীল করে থাকি।এবার বেছে বেছে ১৫টি গ্রন্থের-সমালোচনা রাখা হয়েছে।

প্রচুর প্রচুর মেসেজ আসছে প্রি-অর্ডারের জন্য।আমরা আপাতত এখন আর প্রি-অর্ডার নিচ্ছি না।বের হলে তখন নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।২...
20/07/2026

প্রচুর প্রচুর মেসেজ আসছে প্রি-অর্ডারের জন্য।আমরা আপাতত এখন আর প্রি-অর্ডার নিচ্ছি না।বের হলে তখন নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
২৮১ কপিতেই প্রি-অর্ডার শেষ করেছি।

সালটা ১৯৩৬।১১জুলাই প্রবল বর্ষণের এক রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মীর আব্দুস শ...
14/07/2026

সালটা ১৯৩৬।১১জুলাই প্রবল বর্ষণের এক রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মীর আব্দুস শাকুর আল মাহমুদ।সময়ের সাথে তিনি হয়ে উঠলেন আধুনিক বাংলার অন্যতম কবি।পরিচয়ে যুক্ত হল- "সোনালি কাবিনের" কবি আল মাহমুদ।

আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ সোনালি কাবিন ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যের প্রথম নাম ছিল অবগাহনের শব্দ। পরে তিনি ‘সোনালি কাবিন' নামকরণ করেন । গ্রামীণ আবহে ৪৪টি কবিতা নিয়ে সোনালি কাবিন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে একটি কবিতা ‘সোনালি কাবিন' শিরোনামে গ্রন্থটির নামকরণ করা হয়। প্রকাশের পর গ্রন্থটি যত না আলোচনায় আসে তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচনায় স্থান দখল করে নেয় সোনালি কাবিন কবিতাটি।

তাঁর প্রিয়তমা নারীর উদ্দেশ্যে লেখা ১৪টি সনেটের ভিতর তিনি প্রেম, কামনার বিষয়কে এনেছেন । আস্থা ছিল সমাজতান্ত্রিক সাম্যব্যবস্থার প্রতি, স্বাজাত্যবোধও ছিল। এটাও যুক্ত হয়েছে কবিতাটিতে। তবে আল মাহমুদ জানিয়েছেন তার এই স্বাজাত্যবোধ লাগাম ছাড়া কোন
জাতীয়তাবাদ নয়।

সোনালি কাবিনে নরনারীর চিরায়ত সম্পর্কের মাধ্যমেই বলা হয়েছে অনেক কথা ।সনেটগুচ্ছে আবহমান বাংলার চিত্র উঠে এসেছে। সনেটে ঐতিহ্য, সংগ্রাম, বিপ্লবের প্রতিলিপি আছে। সোনালি কাবিনের আকর্ষণ
হচ্ছে প্রেমময় কাব্যকলায় সমর্পণের
ভাষা। নদীর জোয়ারের মতো এ ভাষার টান। এই টান স্বাভাবিকভাবে উপেক্ষার নয়। যে-কোনো কাব্যপ্রেমিকের কাছে এর আকর্ষণ শক্তি প্রবল। তারুণ্যের হৃদয়কে টানে আরও প্রবলভাবে। এই টান যে-কোনো প্রেমিক-প্রেমিকার কাছেই আকর্ষণীয় হওয়ারই কথা। কে উপেক্ষা করতে পারে সোনালি কাবিনের এই ভাষা:

'সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিণী
যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দুটি'

তাঁর ভাষার গভীরতা ছিল মাটি এবং মাতৃকাকেন্দ্রিক। ফুটে ওঠে চিরায়ত জীবনের রূপ।বংশধারা আকাঙ্ক্ষার তীব্রতা, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার নয়। বধূবরণের ক্ষেত্রে যে কবুল একান্ত জরুরি তা কীভাবে উপেক্ষিত হতে পারে নারীকুলের সম্মানার্থে কবিতায়:"বধূবরণের নামে দাঁড়িয়েছে মহামাতৃকুল
গাঙের ঢেউয়ের মতো বলো কন্যা কবুল, কবুল। "

সনেটগুচ্ছ ছাড়াও ‘সোনালি কাবিন' কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো: বাতাসের ফেনা, প্রত্যাবর্তনের লজ্জা, অন্তর্ভেদী অবলোকন, দায়ভাগ, কবিতা এমন, অবগাহনের শব্দ, ভাগ্যরেখা, পলাতক, এক নদী, নতুন অব্দে, খড়ের গম্বুজ, পালক ভাঙার প্রতিবাদে, ক্যামোফ্লাজ, জাতিস্মর। সনেট কবিতাগুলো লেখার সময় কবি চট্টগ্রামের গোর্খা ডাক্তার লেনের একটি বাড়ির চারতলায় বাস করতেন।

প্রেম ছাড়াও সোনালি কাবিন কাব্যে বঞ্চিতের ক্ষোভ, শ্রমজীবী ও কৃষকের কথা ফুটে উঠেছে গ্রামীণ আবহে।এই সোনালি কাবিন বাংলা ও বাংলাদেশের সাহিত্যের এক অনন্য অলংকার।

হাসান আজিজুল হকের বয়স যখন মাত্র ১৮ বছর তখন ‘মানিক স্মৃতি উপন্যাস প্রতিযোগিতার' জন্য লেখেন ‘শামুক' নামের একটি উপন্যাস। প...
08/07/2026

হাসান আজিজুল হকের বয়স যখন মাত্র ১৮ বছর তখন ‘মানিক স্মৃতি উপন্যাস প্রতিযোগিতার' জন্য লেখেন ‘শামুক' নামের একটি উপন্যাস। প্রতিযোগিতায় কোনো পুরষ্কারও না পেলেও, ৩০০ উপন্যাসের মধ্যে সেরা ৭-এ স্থান ছিল ‘শামুক’ উপন্যাসটির।

উপন্যাসের শুরুটা হয়েছে এক নিগূঢ় তত্ত্বকথার মাধ্যমে; ‘তেলাপোকা পাখি নয়', আবার একটু পরেই ‘ডানা থাকলেই পাখি হয় না, উড়তে পারলেও না'।এই গূঢ় তত্ত্বের মাধ্যমে নায়ক মুনীরের একজন সামান্য কেরানির চাকরি করেও পাখির মতো ওড়ার বাসনা এবং জীবনের কোনো অংশেই তা না পারার অক্ষমতা বোঝানো হয়েছে।

'শামুক' উপন্যাসের আংশিক প্রকাশিত হয়েছিল রাজশাহী থেকে জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী ও মুস্তাফা নূরউল ইসলাম সম্পাদিত 'পূর্বমেঘ' ত্রৈমাসিক পত্রিকায়। ছয় যুগ পর ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে এ উপন্যাসিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।

হ-য-ব-র-ল পোস্ট....
07/07/2026

হ-য-ব-র-ল পোস্ট....

শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক': এক মহাকাব্যিক উপন্যাসের মহাকাব্যিক পাঠ'সংশপ্তক' শব্দটির উৎস মহাভারত। এর অর্থ—যে যোদ্ধারা...
07/07/2026

শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক': এক মহাকাব্যিক উপন্যাসের মহাকাব্যিক পাঠ

'সংশপ্তক' শব্দটির উৎস মহাভারত। এর অর্থ—যে যোদ্ধারা জীবন-মরণ পণ করে যুদ্ধ করে এবং কোনো অবস্থাতেই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটে না। এই শব্দের মধ্যেই নিহিত রয়েছে অদম্য সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অটল প্রতিজ্ঞার চেতনা। সেই অর্থেই শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মহাকাব্যিক উপন্যাস, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও ইতিহাস এক মহাপ্রবাহে মিলিত হয়েছে।

উপন্যাসটি শুধু একটি পরিবারের বা কয়েকজন মানুষের গল্প নয়; এটি একটি যুগের দলিল। এখানে যুগচেতনা, জীবনচেতনা ও শিল্পচেতনার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। প্রতিটি চরিত্রই যেমন নিজস্ব ব্যক্তিসত্তায় উজ্জ্বল, তেমনি তারা তাদের শ্রেণিসত্তারও প্রতিনিধিত্ব করে।

এই উপন্যাসে সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষের উপস্থিতি রয়েছে—নির্যাতিত কৃষক, প্রান্তিক নারী, শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত, রাজনৈতিক কর্মী, সমাজসেবী, বিবাগী দরবেশ, গ্রামীণ শঠ ও গুন্ডা—সবাই মিলে নির্মাণ করেছে এক বিস্তৃত জীবনচিত্র। উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে রাবেয়া খাতুন (রাবু), জাহেদ, সেকেন্দার মাস্টার, মালু (আবদুল মালেক), হুরমতী, লেকু মিয়া, রমজান প্রমুখ।

উপন্যাসের পটভূমি

উপন্যাসের মূল পটভূমি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কাল্পনিক গ্রাম বাকুলিয়া এবং পাশের হিন্দুপ্রধান গ্রাম তালতলি। এই গ্রামদ্বয়কে কেন্দ্র করে কাহিনি ধীরে ধীরে ঢাকা ও কলকাতার বিস্তৃত নগরজীবনে প্রবেশ করে।

উপন্যাসের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র আবদুল মালেক, ডাকনাম মালু। তার চোখ দিয়েই পাঠক বৃহত্তর সমাজ, ইতিহাস ও জীবনের রূপ প্রত্যক্ষ করে। তবে এটি কেবল মালুর গল্প নয়; এটি রাবু, জাহেদ, হুরমতী, সেকেন্দার মাস্টার, রমজান, লেকু মিয়াসহ অসংখ্য মানুষের জীবনসংগ্রামের কাহিনি।

সময়টি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী বাংলা। তখন হিন্দু-মুসলমানের সহাবস্থান ছিল তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ। কৃষক, বর্গাচাষি ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম, গ্রামীণ দ্বন্দ্ব, জমিজমা নিয়ে বিরোধ, সামাজিক বৈষম্য—সবকিছুই জীবন্ত হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

মিয়া বাড়ি ও সৈয়দ বাড়ির দীর্ঘদিনের বিরোধ, ফেলু মিয়ার হারানো জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা, রমজানের কূটচাল, প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই—সবকিছু মিলিয়ে বাকুলিয়ার জীবনচিত্র ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে সৈয়দ বাড়ির মুনশির ছেলে মালু, রাবু ও আরিফার স্নেহে বড় হতে থাকে। জাহেদের আদর্শবাদী মনোভাব তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগ একসময়ের শান্ত বাকুলিয়াকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ানো মালুর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পাঠক প্রত্যক্ষ করে একটি ভাঙতে থাকা সমাজ, বদলে যাওয়া ইতিহাস এবং নতুন ভবিষ্যতের স্বপ্ন। ধ্বংসের মাঝেও রাবেয়া, জাহেদ, সেকেন্দার মাস্টার ও মালুরা আশা হারায় না; তারা নতুন সমাজ ও নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখে। এখানেই 'সংশপ্তক'-এর মহাকাব্যিক শক্তি।

'সংশপ্তক' নাটক

শহীদুল্লাহ কায়সারের এই কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-তে নির্মিত হয় জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক 'সংশপ্তক'। নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা করেন ইমদাদুল হক মিলন।

ধারাবাহিকটির নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭১ সালে। কিন্তু চারটি পর্ব প্রচারের পরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় এর নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৮৮ সালে আবার নির্মাণকাজ শুরু হলেও ওই বছরের ভয়াবহ বন্যার কারণে পুনরায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে বন্যা শেষে নাটকটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়।

প্রথম দিকের পর্বগুলোর পরিচালক ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন ও আল মনসুর। শেষের দিকের পর্বগুলো পরিচালনা করেন মোহাম্মদ আবু তাহের।

নাটকটির অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন হুমায়ূন ফরীদি। তাঁর অভিনীত 'কানকাটা রমজান' চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে এই নামেই তিনি দর্শকদের কাছে দীর্ঘদিন পরিচিত ছিলেন। এছাড়া ফেরদৌসী মজুমদার, সুবর্ণা মুস্তাফা, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মুজিবুর রহমান দিলু, মামুনুর রশীদসহ অসংখ্য গুণী শিল্পীর অভিনয় নাটকটিকে বাংলা টেলিভিশনের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

'সংশপ্তক' বাংলার গ্রামীণ সমাজ, রাজনৈতিক পরিবর্তন, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, শ্রেণিসংগ্রাম এবং মানুষের অবিনাশী স্বপ্নের এক মহাকাব্যিক দলিল। সময়ের পরিবর্তন সত্ত্বেও এই উপন্যাস আজও সমান প্রাসঙ্গিক এবং বাংলাদেশের ১৯৪৭ পরবর্তী সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।

আবুল মনসুর আহমদের আয়না গল্পগ্রন্থটি হাস্যরসাত্মক গল্পের সমাহার। গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। আয়নার ফ্রেম...
06/07/2026

আবুল মনসুর আহমদের আয়না গল্পগ্রন্থটি হাস্যরসাত্মক গল্পের সমাহার। গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। আয়নার ফ্রেম নামক ভূমিকায় কাজী নজরুল ইসলাম স্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন—
“এমন আয়নায় শুধু মানুষের বাইরের প্রতিচ্ছবিই দেখা যায়। কিন্তু আমার বন্ধু শিল্পী আবুল মনসুর যে আয়না তৈরি করেছেন, তাতে মানুষের অন্তরের রূপ ধরা পড়েছে। যে-সমস্ত মানুষ হরেক রকমের মুখোশ পরে আমাদের সমাজে অবাধে বিচরণ করছে, আবুল মনসুরের আয়নার ভেতরে তাদের স্বরূপ-মূর্তি বন্য ভীষণতা নিয়ে ফুটে উঠেছে।”

এতে মোট সাতটি ব্যঙ্গ-রসাত্মক গল্প রয়েছে। গল্পগুলো হলো: হুযুর কেবলা, গো-দেওতা-কা দেশ, নায়েরে-নরী, লীডারে-কওম, মুজাহেদীন, বিদেশী সংঘ, ধর্ম-রাজ্য।

প্রথম গল্প ‘হুযুর কেবলা’-এ এমদাদ নামের এক কলেজ ছাত্র কথিত হুজুরের খপ্পরে পড়ে। সে পীর সাহেবের সান্নিধ্যে গিয়ে কীভাবে নিজের অস্তিত্ব হারায় অর্থাৎ হুজুর তার এক মুরিদ রজবের স্ত্রী কলিমনকে তালাকের মাধ্যমে বিবাহ করে এবং তার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে পীরের মুরিদদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়, সেই বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। ‘হুযুর কেবলা’ ধর্ম-ব্যবসায়ীদের লোভ ও লালসা চরিতার্থ করার বাস্তব ঘটনা, যা অশিক্ষা ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন দরিদ্র বাঙালি মুসলমান সমাজের বাস্তব দলিল।

নীলক্ষেত কঠিন জায়গা...🫢
06/07/2026

নীলক্ষেত কঠিন জায়গা...🫢

দেবযান নামটি সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে, যা আক্ষরিকভাবে ঈশ্বরের পথ হিসাবে অনুবাদ করা হয়েছে। এই পথ কোন ফেরার পথ নয়, যেহেতু...
05/07/2026

দেবযান নামটি সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে, যা আক্ষরিকভাবে ঈশ্বরের পথ হিসাবে অনুবাদ করা হয়েছে। এই পথ কোন ফেরার পথ নয়, যেহেতু প্রাচীন ভারতীয় ধর্মগ্রন্থের ভিত্তিতে এই পথটি অতিক্রম করে একটি আত্মা মুক্তি পাবে। এই পথের বর্ণনা উপনিষদ এবং গীতাতেও রয়েছে।

সেই পরলোকবাসের এক রহস্যময় কাহিনি বিভূতিভূষণের দেবযান উপন্যাসের উপজীব্য। পরলোক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে উপন্যাসটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।দেবযান উপন্যাসটি মৃত্যু ও জীবন উপলব্ধি নিয়ে রচিত।

উপন্যাসে গ্রামে বসবাসরত যতিন একজন ব্রাহ্মণ। তিনি অত্যন্ত শিক্ষিত হলেও বেকার এবং দরিদ্র। তার স্ত্রী আশালতা তাকে ছেড়ে চলে গেছে এবং তাদের সন্তানদের সাথে তাদের মায়ের বাড়িতে বসবাস করে। জ্বরের কারণে যতিন মারা যায়।

তার মৃত্যুর পর যতিন তার খুব ঘনিষ্ঠ শৈশবের বন্ধু পুষ্পাকে আবিষ্কার করেন, যে কিনা তার মৃত্যুর তেরো বছর আগেই মারা গেছে। যতিন দেখে পুষ্পা তার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। পুষ্পা যতিনকে বলে যে, সে তার সাথে যতীনকে নিয়ে যেতে এসেছে। এখান থেকে প্রধান গল্প শুরু। যতিন শিখেছে মৃত্যু সবকিছুর শেষ নয়, তবে এটি একটি নতুন জীবনের শুরু মাত্র।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Exam Plus posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Exam Plus:

Shortcuts

Share

Category