DollarEx

DollarEx You can exchange foreign currencies like- Dollar, Euro, Pound, Riyal, Dinar, Dirham, Rupee, Rand, Ringgit, Yuan, Yen, Won, ETC. at the best rate.
(1)

https://www.facebook.com/share/1FJS5HFbfv/
28/08/2026

https://www.facebook.com/share/1FJS5HFbfv/

নিচের ৩০টি অ্যাপে লেনদেন করলে প্রতারিত হবেন। এসব অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
1. সাথী লোন
2. পপক্যাশ
3. ফিনক্যাশ
4. কুইক লোন
5. কুইক টাকা
6. ঢাকা ফিন
7. লোনভাইব
8. দোস্ত লোন
9. টাকা ক্যাশ লোন
10. কেওয়নজা লোন
11. এসএসএইচ মানি
12. লোনবাডি
13. সাথি লোন
14. ক্যাশহোরা
15. আলো ক্যাশ
16. ফাস্ট লোন
17. ইজি টাকা
18. ধৈর্য লোন
19. ফিন ডট ডু
20. বঙ্গক্যাশ
21. আশা লোন
22. সুবিধা লোন
23. স্মার্ট লোন বিডি
24. অনলাইন লোন বিডি
25. সিটি অনলাইন লোন
26. বিডি সহজ লোন
27. ক্যাশ লোন
28. সোনালী
29. লোনহাট
30. টাকানাও

https://www.facebook.com/share/p/1EmyJBgtNT/
27/08/2026

https://www.facebook.com/share/p/1EmyJBgtNT/

১৯৯২ সালে জাপানের ওসাকা শহরে ৬২ বছর বয়সী দাঁতের ডাক্তার হিরোশি ওয়ামা রাতে রাতের খাবার সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির সামনেই তাকে থামায় গোঁফওয়ালা অচেনা এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি। "আপনিই কি ওয়ামা সাহেব?" — প্রশ্ন শুনে তিনি "হ্যাঁ" বলার সঙ্গে সঙ্গেই লোকটা সরাসরি তার বুক লক্ষ্য করে গু*লি চালায়।

গু*লি করার পরপরই আততায়ী গাড়িতে উঠে পালিয়ে যায়, আর ওয়ামা নিজেও প্রথমে বুঝতে পারেননি ঠিক কী ঘটেছে। পুলিশ তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা — বুক পকেটে ভাঁজ করে রাখা তার মোটা মানিব্যাগে গুঁজে রাখা ছিল প্রায় ৪২টা নোট, আর গু*লিটা সেই পুরু নোটের স্তূপের ঠিক মাঝপথেই আটকে যায়, শরীর পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারেনি।

ওয়ামা নিজেও জানাননি তিনি ওই আততায়ীকে চেনেন কি না, বা কেন তাকে লক্ষ্য করে গু*লি চালানো হয়েছিল। তবে ঘটনাটা জাপান ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে, কারণ একটা সাধারণ, রোজকার অভ্যাস — টাকা গুনে গুনে না রেখে পুরো বান্ডিলটাই মানিব্যাগে গুঁজে রাখা — সেদিন আক্ষরিক অর্থেই তার প্রাণ বাঁচিয়ে দেয়।

টাকা জমিয়ে রাখার অভ্যাস যে সরাসরি জীবন বাঁচাতে পারে, এই ঘটনাটা জানার পর আপনার প্রতিক্রিয়া কী? কমেন্টে জানান।

21/08/2026

মূল্যস্ফীতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

🇭🇺 ১০ লাখে ১ মিলিয়ন, ১০০০ মিলিয়নে ১ বিলিয়ন, ১০০০ বিলিয়নে ১ ট্রিলিয়ন 🔥
১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরিতে মাসিক মূল্যস্ফীতি হয়েছিলো ৪১,৯০০ ট্রিলিয়ন% 🔥
এটা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির রেকর্ড।
সেখানে প্রতি ১৫ ঘন্টায় জিনিসপত্রের দাম দিগুণ হতো!

🇿🇼 মূল্যস্ফীতির ২য় রেকর্ডটি জিম্বাবুয়ের।
১৪ নভেম্বর ২০০৮ এ জিম্বাবুয়ের মাসিক মূল্যস্ফীতি উঠেছিল প্রায় ৭৯.৬ বিলিয়ন % এ 🔥
সে সময় জিম্বাবুয়ে প্রতি ২৪.৭ ঘন্টায় জিনিসপত্রের দাম দিগুণ হতো!

আর 🇧🇩 বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি মাত্র ১০%!

https://www.facebook.com/share/p/1M9CxVYHkK/
09/08/2026

https://www.facebook.com/share/p/1M9CxVYHkK/

রাজধানী ঢাকার বাজারে কোণা পোড়া ও আংশিক পোড়া ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা বাড়ছে।এসব ক্ষতিগ্রস্ত নোটের কারণে সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা লেনদেনের সময় নানা সমস্যায় পড়ছেন এবং খুচরা টাকার সংকটও দেখা দিচ্ছে।অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ই/য়াবা ও হে/রোইনের মতো মা/দক সেবনের সময় অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের নিচে নোট রেখে আগুন ব্যবহারের কারণে অনেক নোট পুড়ে যাচ্ছে। ফলে কোনো নোটের এক প্রান্ত, আবার কোনো নোটের মাঝের অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরে সেগুলো বাজারে চলে আসছে। চা বিক্রেতা ও স্থানীয় দোকানদাররা জানান, এসব পোড়া নোট হাতে এলে অনেক ক্রেতা, কোম্পানি কিংবা রিকশাচালক তা গ্রহণ করতে চান না।ব্যাংকে এসব নোট পরিবর্তন করতে গেলেও সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছেঁড়া, ফাটা বা পোড়া নোট ব্যাংকে জমা দিলে গ্রহণ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জানিয়েছে, মাদকসেবীরা সহজলভ্যতা ও উপযুক্ত পুরুত্বের কারণে কারেন্সি নোট ব্যবহার করছে এবং এ ধরনের অপব্যবহার বন্ধে অভিযান চলছে।বিশেষজ্ঞরা নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন, এতে নগদ টাকার অপব্যবহার কমানো সম্ভব হতে পারে।

#পোড়া_নোট #ছেঁড়া_নোট #বাংলাদেশি_টাকা #ঢাকার_বাজার #বাংলাদেশ_ব্যাংক

02/08/2026

East India Company মুদ্রার ইতিহাসঃ

সামান্য কালো গোলমরিচ নিয়ে ঝগড়া থেকে উৎপত্তি এই British East India কয়েনগুলোর জানতেন কি?!!

ইতিহাসটা কিন্তু সত্যিই দারুণ মজার!

১৫৯৯ সাল, বাণিজ্যের দুনিয়ায় মসলা ছিল সবচেয়ে মূল্যবান commodity-গুলোর একটি। আর সেই মসলাগুলোর মধ্যে কালো গোলমরিচ-কে বলা হতো "Black Diamond"। ইউরোপে এর চাহিদা এতটাই বেশি ছিল যে, অনেক সময় এটি স্বর্ণের মতোই মূল্যবান বলে বিবেচিত হতো।

সেই সময় মসলা বাণিজ্যের প্রায় পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল ডাচদের হাতে। তারাই ছিল এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় খেলোয়াড়। বাজারে নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য কাজে লাগিয়ে ১৫৯৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে তারা হঠাৎ করেই কালো গোলমরিচের দাম প্রতি পাউন্ডে ৫ শিলিং বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ, মনে করেন ব্রিটিশরা যে গোলমরিচ আগে ১০ শিলিং দিয়ে কিনত, সেটির কিনতে হবে ১৫ শিলিং এ।

এই মূল্যবৃদ্ধি ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের ক্ষুব্ধ করে তোলে। তারা বুঝতে পারে, ডাচদের ওপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয় এবার নিজেদের মসলা নিজেরাই সংগ্রহ করবে এবং নিজেরাই বাণিজ্য করবে।

১৫৯৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, লন্ডনের Leadenhall Street-এ ২৪ জন ধনী ব্যবসায়ী একত্রিত হন। তাঁদের উদ্যোগে ১২৫ জন শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে প্রায় £72,000 সংগ্রহ করে একটি নতুন কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। সেই কোম্পানির নাম ছিল—

"The Governor and Company of Merchants of London Trading into the East Indies."

সবকিছুই প্রস্তুত ছিল। এবার দরকার ছিল রানির অনুমোদন।

অবশেষে ৩১ ডিসেম্বর ১৫৯৯ সালে ইংল্যান্ডের রানি এলিজাবেথ প্রথম (Queen Elizabeth I) কোম্পানিটিকে একটি Royal Charter প্রদান করেন।

এই Royal Charter-কে অনেকটা আজকের দিনের একটি বিশেষ ট্রেডিং লাইসেন্স বলা যায়। তবে এটি ছিল সাধারণ লাইসেন্সের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন। এর মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পূর্বাঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে একচেটিয়াভাবে বাণিজ্য করার অধিকার পায়। শুধু তাই নয়, ধীরে ধীরে তারা নিজেদের প্রশাসনিক ও সামরিক ক্ষমতাও গড়ে তোলে। যেমন—

• নিজস্ব দুর্গ নির্মাণ,
• সৈন্য নিয়োগ,
• আদালত পরিচালনা,
• আইন প্রয়োগ ও শাস্তি প্রদান,
• নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিজস্ব মুদ্রা ইস্যুর অনুমতি।

সবকিছু ঠিকঠাক চলতে থাকল, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতবর্ষে আসে। এরপরের ইতিহাস মোটামুটি আমরা সবাই জানি। অনেকেই ইতিহাসের এই অধ্যায়টিকে "খাল কেটে কুমির আনা"-র সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ, মুঘলদের অনুমতি নিয়েই বাণিজ্য করতে এসে, একসময় সেই কোম্পানিই মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

ধীরে ধীরে নবাবদের পরাজিত করা, বিভিন্ন অঞ্চল দখল করা, সম্পদ লুটপাট—কিছুই আর বাকি থাকেনি। বিশেষ করে ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কার্যত বাংলার শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।

ভাবুন তো! মাত্র একটি প্রাইভেট কোম্পানি, যারা শুরুতে এসেছিল শুধুমাত্র মসলার ব্যবসা করতে, তারাই একসময় পুরো একটি দেশের শাসক হয়ে বসে!

এরপর আসে Coinage Act-এর অধ্যায়।

ভারতে বিভিন্ন অঞ্চল ও প্রেসিডেন্সিতে আগে নানা ধরনের মুদ্রা প্রচলিত ছিল। এতে বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায়ে জটিলতা তৈরি হতো। এই সমস্যার সমাধানে Coinage Act, 1835 প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে একটি একক ও মানসম্মত মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা হয়। একই ওজন, একই বিশুদ্ধতা এবং একই নকশার মুদ্রা সমগ্র ব্রিটিশ শাসিত ভারতে প্রচলন শুরু হয়। এই সময় থেকেই British East India Company-এর নামে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মূল্যমানের কয়েন ইস্যু করা হয়, যেগুলো আজ সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও মূল্যবান।

আর এভাবেই...

এক মুঠো কালো গোলমরিচের দামের ৫ শিলিং বৃদ্ধি থেকে শুরু হওয়া একটি বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত, শেষ পর্যন্ত জন্ম দেয় বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী কোম্পানির। আর সেই ইতিহাসেরই নীরব সাক্ষী আজকের এই British East India Company-এর কয়েনগুলো।

Address

Shyampur
Dhaka
1204

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801911727856

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DollarEx posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DollarEx:

Shortcuts

Share