MyLoan.com

MyLoan.com your trusted investment partner Myloan.com's mission is to provide our clients with great customer service and a fast and easy loan process!

MyLoan is your source for access to the most trusted and diverse network of small business lenders with superior business loan rates. We specialize in making the process easy and pain-free, so you can continue focusing on expanding and running your business.

**Myloan.com does not offer any Loan Products

কিভাবে ব্যাংক লোন পাওয়া যায় ? সহজে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় ২০২৪ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে হলে আপনাকে আগে জানতে হবে ব্যাংক ঋণ...
21/02/2024

কিভাবে ব্যাংক লোন পাওয়া যায় ?
সহজে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় ২০২৪

ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে হলে আপনাকে আগে জানতে হবে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় কি? যদি আপনি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার সময় ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত শর্তগুলো পূরণ করতে পারেন তাহলে আপনি সহজে লোন পেতে পারেন। সুতরাং ব্যাংকের শর্তগুলো আগে পূরণ করে তারপর ব্যাংক ঋণের জন্য আবেদন করা উচিত।

# ব্যাংক ঋণের ধরন ও প্রকারভেদ

ব্যাংক বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের লোন প্রদান করে থাকে। লোন অনেক ধরনের হতে পারে। যা আপনার উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে। আপনি কোন ধরনের লোন, কি উদ্দেশ্যে নিতে চান, সেটা আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে প্রথমে।

# ব্যাংক লোন কত প্রকার ও কি কি?

পার্সোনাল লোন: ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে লোন প্রদান করা হয় সেটাই পার্সোনাল লোন বা ব্যক্তিগত লোন এটি অনেক সময় স্যালারি লোন ও বলা হয়ে থাকে ।

বিজনেস লোন: ব্যবসায়ের প্রয়োজনে যে ঋণ নেয়া হয়ে থাকে সেটিকে ব্যবসায়িক লোন বা বিজনেস বলা হয়ে থাকে

হোম লোন: বাড়ি তৈরি বা ক্রয় করার জন্য যে ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে সেটি হোম লোন

অটো লোন: গাড়ি কেনার জন্য যে লোন নেয়া হয়ে থাকে সেটি অটো লোন বা কার লোন বলা হয়ে থাকে

এডুকেশন লোন বা স্টুডেন্ট লোন: পড়াশোনা করার জন্য লোন।
প্রবাসী লোন: দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য লোন।

কৃষি লোন: কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনের জন্য বা কৃষিকাজ সহায়তার জন্য যন্ত্রপাতি ক্রয় এর জন্য বা ফসল উৎপাদনের জন্য বীজ, সার, ঔষধ করার জন্য এ ধরনের লোন প্রদান করা হয়।

# ব্যাংক লোনের প্রকারভেদ:

দীর্ঘমেয়াদী লোন: দীর্ঘমেয়াদী লোন হলো, যেসব লোন এক বছরের বেশি সময়ের জন্য দেওয়া হয়। যেমন, পার্সোনাল লোন, এডুকেশন লোন, হোম লোন, বিজনেস লোন ইত্যাদি।

স্বল্প মেয়াদী লোন: স্বল্প মেয়াদী লোন হলো, যেসব লোন এক বছরের কম সময়ের জন্য দেওয়া হয়। যেমন, কৃষি লোন, প্রবাসী লোন ইত্যাদি।

# ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় খুবই সহজ বিষয় যদি আপনি জানতে পারেন ব্যাংক লোন পেতে হলে আপনাকে কি কি কাগজপত্র বা তথ্য প্রদান করতে হবে। আজকে আমরা পুরো বিষয় সম্পর্কে একটি কমপ্লিট ধারণা নেবো, সেজন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে ব্যাংক কিভাবে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়-

ব্যাংক লোন পাওয়ার শর্ত
1. ব্যবসায়িক কার্যক্ষমতা/টেকসইতা
2. ব্যবসা পরিস্থিতি
3. ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা
4. আপনার ক্রেডিট ইতিহাস
5. আপনার চরিত্র
6. আপনার জামানত
7. আপনার ব্যক্তিগত গ্যারান্টি
8. আপনার ক্রেডিট স্কোর
9. সরকারী ঋণ গ্যারান্টি

এছাড়া ব্যাংক ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আরও যে সকল বিষয় বিবেচনায় নেয় সেগুলো হলো-

1. স্টার্টআপ খরচ
2. রাজস্ব অনুমান (আয়)
3. অপারেটিং খরচ
4. ঋণ
5. ইক্যুইটি রিটার্ন
6. কোম্পানির মান

# ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এসএমই ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস/দলিলাদির চেকলিস্ট

এসএমই উদ্যোক্তাদের অনেকেরই ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন ও প্রয়োজনীয় পূর্ব প্রস্তুতি বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই। এসএমই উদ্যোক্তাদের সুবিধার্থে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ আবেদনকারীদের কাছ থেকে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থাকে তার একটি চেকলিষ্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বলা প্রয়োজন যে, ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতিমালার আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নেয়া হয়ে থাকে। এ চেকলিষ্ট ব্যাংক ঋণ গ্রহণে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের এ ক্ষেত্রে পূর্ব প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

ব্যাংক থেকে লোন নিতে কি কি লাগে?

*নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স।
ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে চলতি হিসাব।
জাতীয় পরিচয়পত্র।
ড্রাগ লাইসেন্স (ঔষধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য)।
বিএসটিআই সার্টিফিকেট (খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে )।
ডিসির অনুমোদন (ডিজেল ও এসিড ব্যবসার ক্ষেত্রে)।
পেট্রোবাংলার সার্টিফিকেট (ডিজেল ও অকটেন ব্যবসার ক্ষেত্রে)।
বিগত ১ থেকে ৩ বৎসরের ব্যাংক প্রতিবেদন (বিভিন্ন ব্যাংকের চাহিদা ভিন্ন)।
দোকান/ঘর ভাড়া চুক্তিনামা।
পজিশনের দলিল।
টিন সার্টিফিকেট।
ভ্যাট সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
বিদ্যুৎ বিল।
টেলিফোন বিল।
সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট।
কর্মচারীদের নাম, পদবী, এবং মাসিক বেতনের তালিকা।
IRC ও ও IRE সার্টিফিকেট (আমদানী ও রপ্তানী ব্যবসার ক্ষেত্রে)।
মজুদ মাল ও তার বর্তমান মূল্যের তালিকা।
স্থায়ী সম্পদের তালিকা ও মূল্য।
দেনাদারের তালিকা।
পাওনাদেরর তালিকা।
বর্তমানে অন্য কোথাও ঋন থাকলে তার বিবরণী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের CIB রিপোর্ট, এখানে উলেখ্য যে, এই রিপোর্টের ফরম সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানই উদ্যোক্তাকে সরবরাহ করে এবং উদ্যোক্তা উক্ত ফরম যথাযথভাবে পূরন করে দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।

ঋণের আবেদনকারী এবং গ্যারান্টার উভয়ের পাসপোর্ট সাইজ ছবি। এখানে উল্লেখ্য যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গ্যারান্টার নিতে পারেন। অনেক প্রতিষ্ঠানই মূল গ্যারান্টোরের অতিরিক্ত গ্যারান্টার হিসেবে পরিবাররের সদস্যকে গ্যারান্টার হিসেবে নিয়ে থাকে।
গ্যারান্টার ব্যবসায়ী হলে তার ট্রেড লাইসেন্স ও CIB রির্পোট ।

ব্যবসার বিগত ১ বৎসরের বিক্রয় ও লাভের হিসাবের বিবরনী।

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন এবং মেমোরেন্ডাম অব আর্টিক্যালস ।
প্রাইভেট লিমিটডে কোম্পানীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্তের রেজুলেশন।
লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে অডিটকৃত আর্থিক বিবরণী, ট্রেড একাউন্ট, লাভ-ক্ষতির হিসাব, ব্যালেন্স শীট এবং income ষ্টেটমেন্ট।
লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে কোম্পানীর বর্তমান গ্রাহকদের তালিকা।
পার্টনারশীপ ব্যবসার ক্ষেত্রে Joint Stock Company থেকে রেজিষ্টার্ড এবং নোটারী পাবলিক দ্বারা নোটারাইজড পার্টনারশীপ ডীড।
ঋণ গ্রহন/ হিসাব খোলার জন্য পার্টনারদের রেজুলেশন।
উল্লেখিত কাগজপত্র মোটামোটিভাবে সমস্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেই ঋণ গ্রহণের জন্য প্রয়োজন হয়। এছাড়াও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনবোধে ঋণ আবেদনকারীর কাছ থেকে অন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

উল্লেখিত কাগজপত্র মোটামোটিভাবে সমস্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেই ঋণ গ্রহণের জন্য প্রয়োজন হয়। এছাড়াও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনবোধে ঋণ আবেদনকারীর কাছ থেকে অন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

এখানে সুস্পষ্টভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় কি কি বা ব্যাংক ঋণ পাওয়ার উপায় বর্ণনা করা হলো এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সময়ে সময়ে কিছু নিয়মকানুন কাগজপত্র নতুন ভাবে চেয়ে থাকে, সেটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন সময়ে আপডেট করে থাকে সুতরাং আপনি যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে চাচ্ছেন সেই ব্যাংকের ওয়েবসাইট টি একবার ঘুরে আসতে পারেন।

21/02/2024

হঠাৎ টাকার প্রয়োজন পড়লে পার্সোনাল লোন এবং ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে কোনটি বেছে নেওয়া উচিত?

পার্সোনাল লোন আনসিকিওর্ড লোনের ক্যাটেগরিতে পড়ে। এর জন্য কোনও জামানত রাখার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, একটি ক্রেডিট কার্ডে প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লিমিট থাকে। ইচ্ছে অনুযায়ী ঋণ হিসেবে সেটি ব্যবহার করতে পারেন।

কিন্তু, পার্সোনাল লোন ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে কোনটা ভালো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আপনার কত দ্রুত টাকা প্রয়োজন, কত টাকার প্রয়োজন ও তা কত দিনের ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন, তার উপরে।

বিমানের টিকিট কাটা, মেডিকেল বিল বা রুম ভাড়া দেওয়ার মতো জরুরি কাজের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ভালো বিকল্প। কারণ এখানে সঙ্গে সঙ্গে টাকা মিটিয়ে দিতে হয়। ফলে পার্সোনাল লোন অ্যাপ্রুভালের জন্য অপেক্ষা করার মতো সময় কারও হাতে থাকে না।

এবার প্রশ্ন হল আপনার কত টাকা প্রয়োজন ও তা কত দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে পারবেন?

ধরা যাক আপনার 2-3 লক্ষ টাকার মতো বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। এবং একবারে সব টাকা শোধ করা আপনার ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে পার্সোনাল লোন নিতে পারেন। উল্টোদিকে, অল্প টাকার প্রয়োজন হলে এবং তা এক বা দুই মাসের মধ্যে শোধ করে দেওয়ার ক্ষমতা থাকলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

মনে রাখবেন, পার্সোনাল লোন এবং ক্রেডিট কার্ড উভয়ের জন্যই সুদ ও অন্যান্য চার্জ দিতে হবে। সাধারণত পার্সোনাল লোনের সুদের হার ক্রেডিট কার্ডের তুলনায় কম। বর্তমানে ব্যাঙ্কগুলি 11 থেকে 18 শতাংশ সুদে পার্সোনাল লোন দিয়ে থাকে। এটি নির্ভর করবে আপনার ক্রেডিট স্কোরের উপরে। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডগুলি বার্ষিক 35-40 শতাংশ হারে চার্জ নিয়ে তাকে, এবং অনেক ক্ষেত্রে তা আরও বেশি!

ক্রেডিট কার্ডের বড় সুবিধা হল 45 দিনের মধ্যে বিল মিটিয়ে দিলে কোনও সুদ দিতে হয় না। এর মধ্যে বকেয়া টাকা শোধ করতে না পারলে গ্রাহকের চিন্তার কারণ হতে পারে। কারণ, এমন ক্ষেত্রে প্রতি মাসে 3 থেকে 4 শতাংশ সুদ ধার্য করা হয়ে থাকে।

পার্সোনাল লোনের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা হল এর দীর্ঘ মেয়াদ। ঋণ মেটানোর জন্য আপনি 5 বছর পর্যন্ত সময় পেতে পারেন। শুধু তাই নয়, মাত্রাতিরিক্র ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে আপনি ঋণের ফাঁদে পড়তে পারেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ক্রেডিট কার্ড হোক বা পার্সোনাল লোন, খুব প্রয়োজন ছাড়া কখনই কোনও ঋণ নেবেন না।

একাধিক ক্রেডিট কার্ড সামলানোর উপায়ক্রেডিট কার্ড সময়ে-অসময়ে অনেক কাজেই লাগে। হাতে টাকা না থাকলেও যখন প্রয়োজন হয় তখন গ্র...
21/02/2024

একাধিক ক্রেডিট কার্ড সামলানোর উপায়

ক্রেডিট কার্ড সময়ে-অসময়ে অনেক কাজেই লাগে। হাতে টাকা না থাকলেও যখন প্রয়োজন হয় তখন গ্রাহকেরা এই কার্ডের মাধ্যমে কিছু কেনাকাটা করতে পারেন। পাশাপাশি, রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক-সহ একাধিক সুবিধাও পাওয়া যায় এই কার্ডে। বেশিরভাগ মানুষেরই একাধিক ক্রেডিট কার্ড থাকে বিভিন্নরকম সুবিধা নেওয়ার জন্য। কিন্তু একাধিক ক্রেডিট কার্ড আপনার দায়িত্বও অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। আপনার ঘাড়ে যাতে বিরাট ঋণের বোঝা না চাপে তার জন্য সতর্ক হয়ে আলাদা করে পরিকল্পনা করতে হবে।

তাই যদি আপনার তিন-চার কিংবা পাঁচটি ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে তার জন্য আলাদা করে পরিকল্পনা করতেই হবে। আপনার কাছে যত বেশি কার্ড থাকবে, আপনার কাজ ততই চ্যালেঞ্জিং। এই প্রতিবেদনে আমরা জানাব কী করে এই কাজ সুচারুভাবে করা যায়। প্রথমেই দেখে নিন প্রতিটি কার্ডের ডিউ ডেট কবে এবং কত টাকা বকেয়া রয়েছে। কারণ সব বকেয়াই আপনাকে সময়ের মধ্যে দিতে হবে অন্যথায় জরিমানার মুখে পড়তে হবে।

আপনি যদি ডিউ ডেট কোনওভাবে মিস করেন তাহলে বকেয়া টাকার উপর সুদ, লেট ফি চার্জ হয়। পাশাপাশি, ক্রেডিট স্কোরের ওপরে নেতিবাচক প্রভাবও পড়ে। তাই প্রতিটি কার্ডের ডিউ ডেটের মধ্যে পেমেন্ট করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

এর জন্য আপনি আপনার ফোনে অ্যালার্ট সেট করে রাখতে পারেন। পাশাপাশি, আপনি Auto Debit ম্যানডেটও দিতে পারেন। তাতে নিজে থেকেই নির্দিষ্ট দিনে সেই টাকা কেটে যাবে। কিন্তু তারপরেও আপনার খরচের উপর কড়া নজর রাখা প্রয়োজন। কারণ, একাধিক ক্রেডিট কার্ড যাতে আপনার খরচ না বাড়িয়ে দেয় তার দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

এই পরিকল্পনার জন্য প্রথমেই আপনাকে আপনার আয় নিয়ে স্পষ্ট ধারণা করতে হবে। তারপর আপনার যে ব্যয়গুলি আছে সেগুলি জানতে হবে। আপনি যে সেভিংস করে থাকেন সেই টাকাও আয় থেকে বাদ দিতে হবে। দেখতে হবে কোথায় কোথায় আপনি আপনার খরচ কমাতে পারেন। এরকম জায়গাগুলি ভাল করে বেছে তারপর খরচ কমানোর পথে এগোন।

এরপর আসছে চড়া সুদের হার। ক্রেডিট কার্ডের ডিউ ডেটের মধ্যে টাকা না দিলে আপনাকে চড়া সুদ গুনতে হবে। যদিও বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে এই সুদের হার ভিন্ন। তা সত্ত্বেও এই সুদ মাসিক 2%-4% পর্যন্ত হয়ে থাকে।

যে ক্রেডিট কার্ডে সুদের হার সবচেয়ে বেশি আগে সেই কার্ডের বকেয়া মিটিয়ে দিন। তারপর ধীরে ধীরে বাকি কার্ডগুলির বকেয়া মেটান। এভাবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দিতে পারছেন ততক্ষণ তা করে যেতে হবে। এভাবে আপনি আপনার বকেয়া সম্পূর্ণ মিটিয়ে দিতে পারেন। পাশাপাশি, সুদ বাবদ যে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে তাও আপনাকে দিতে হবে না। আরও একটি বিষয় মাথায় রাখবেন, আপনার ক্রেডিট কার্ডের স্টেটমেন্ট নিয়মিত চেক করা। তাহলে কোনওরকম সমস্যা হলে তা আপনার চোখে পড়বে।

যদি এমন কোনও লেনদেন আপনার চোখে পড়ে যা আপনি করেননি, তাহলে ব্যাঙ্ককে তৎক্ষণাৎ তা জানান। আপনি নিয়মিত স্টেটমেন্ট চেক করলে আপনার খরচের ধরণ বুঝতে পারবেন। তার ফলে আপনি আপনার আর্থিক লক্ষ্য পূরণ দ্রুত করতে পারবেন। আপনার ক্রেডিট কার্ডে যে সব সুবিধা পাওয়া যায় তা যাতে আপনি সম্পূর্ণরূপে নিতে পারেন সেদিকেও নজর রাখবেন। ক্যাশব্যাক, এয়ার মাইলস, রিওয়ার্ড পয়েন্টেসের মতো সুবিধাগুলি কোনওভাবেই ছাড়বেন না।

ক্রেডিট কার্ড এমনভাবে ব্যবহার করবেন যাতে আপনি এই সুবিধাগুলি সব পান। এর পাশাপাশি অযথা খরচ কিংবা ঋণের বোঝা যাতে আপনার ঘাড়ে না চাপে সেদিকেও নজর দিতে হবে। কারণ তাহলে আপনার আর্থিক লক্ষ্যগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাতে দীর্ঘমেয়াদে আপনারই ক্ষতি।

একাধিক ক্রেডিট কার্ড থাকলে তা আপনার ক্রেডিট স্কোরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সময়ে ক্রেডিট কার্ডের বিল দেওয়া ও নিয়মিত তা পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ। এগুলি নিয়মিত করলে আপনি একটি ভাল ক্রেডিট স্কোরে পৌঁছোতে পারবেন। এর ফলে আপনি কম সুদে ঋণ কিংবা দ্রুত ঋণ পাবেন। আশা করা যায় আপনি এখন বুঝেছেন যে একাধিক ক্রেডিট কার্ড কী করে আপনার ক্রেডিট স্কোর তথা আর্থিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত।

We have updated our WhatsApp and messaging tools. Contact us
21/02/2024

We have updated our WhatsApp and messaging tools. Contact us

21/02/2024

MyLoan.com

Now we are available at WhatsApp send us message directly.....
21/02/2024

Now we are available at WhatsApp send us message directly.....

21/02/2024

আমরা আপনার ব্যাবসার প্রয়োজন বুঝি! যেকোনো ধরনের SME লোন এর জন্য যোগাযোগ করুন!

18/02/2022

ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায়

প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে থাকেন অনেকেই। ব্যাংক এর প্রধান কার্যক্রমসমুহের মধ্যে লোন অন্যতম। ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায় অনেকের কাছেই কাঙ্ক্ষিত একটি ব্যাপার। ব্যাংক লোন এর মাধ্যমে লোন গ্রাহক ও ব্যাংক উভয়ই লাভবান হয়। ব্যাংক লোন নেওয়ার আগে লোন সম্পর্কে জরুরী ব্যাপারগুলো জেনে রাখা উচিত।

তবে আমাদের দেশের অনেক মানুষই ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায় বা নিয়ম জানেন না বলে লোন নিতে পারেন না। চলুন জেনে নেয়া যাক ব্যাংক লোন কি, ব্যাংক লোন এর প্রকারভেদ ও ব্যাংক লোন কিভাবে পাবেন।

ব্যাংক লোন কী?

লোন মানে ধার নেওয়া বা ঋণ নেওয়া, এটা আমাদের সকলের জানা। প্রয়োজনে আমরা পরিবার, বন্ধু বা আত্মীয়স্বজন থেকে টাকা বা অন্যান্য জিনিস ধার নিয়ে থাকি। এমনকি মোবাইলের ব্যালেন্স ও লোন নেয়া সম্ভব। এছাড়া মোবাইলে আপনি এমবি বা ইন্টারনেট ডাটাও লোন নিতে পারেন। পরে আবার একাউন্ট ব্যালেন্স থেকে এই লোন ফেরত দিতে হয়। ব্যাংকের ক্ষেত্রে লোনের ব্যাপারটা অনেকটা একই ধরনের।

একটি ব্যাংক যখন গ্রাহককে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থ ধার দেয়, তখন ওই অর্থ ব্যাংক লোন হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে শর্ত হচ্ছে উক্ত লোন পরিশোধের সাথে সাথে মাসিক বা বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ গ্রাহক কর্তৃক ব্যাংককে প্রদান করতে হয়।

ব্যাংক লোন এর প্রকারভেদ

মেয়াদের ভিত্তিতে ব্যাংক লোনকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ
স্বল্পমেয়াদী লোনঃ স্বল্পমেয়াদী লোন সাধারণত ১ থেকে ২ বছরের জন্য হয়ে থাকে। ব্যবসার প্রয়োজনে মূলত স্বল্পমেয়াদী লোন নেওয়া হয়। এসব লোনের ক্ষেত্রে অধিক সুদ প্রযোজ্য হয়। লোন এর সময় অতি সংক্ষিপ্ত হলে স্বাপ্তাহিক পরিশোধের সুবিধাও থাকতে পারে।

মধ্য-মেয়াদী লোনঃ মধ্যমেয়াদী লোন মূলত ২ থেকে ৫ বছরের জন্য হয়ে থাকে। এটিকে স্বলমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী লোনের মাঝামাঝি লোন বলা চলে।

দীর্ঘমেয়াদী লোনঃ দীর্ঘমেয়াদী লোন ৫ বছরের বেশি মেয়াদের হয়। বেশিরভাগ দীর্ঘমেয়াদি লোন সিকিউরড হয়ে থাকে।

ব্যাংক লোন কত ধরনের

উপরোক্ত প্রকারভেদ ছাড়াও ব্যাংক লোনকে আরো বিভিন্ন ধরনে ভাগ করা যায়। কারণ সাপেক্ষে ব্যাংক লোন ও বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে, যেমনঃ

পার্সোনাল লোনঃ ব্যক্তিগত কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার জন্য লোন
বিজনেস লোনঃ ব্যবসা করার বা ব্যবসায় কাজে লাগানোর জন্য লোন
হোম লোনঃ বাড়ি কেনার বা তৈরীর জন্য লোন
অটো লোনঃ গাড়ি কেনার জন্য লোন
এসএমই লোনঃ ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসার জন্য লোন
এডুকেশন/স্টুডেন্ট লোনঃ লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে লোন
প্রবাসী লোনঃ দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য লোন
কৃষি লোনঃ কৃষি সম্পর্কিত কাজের জন্য লোন
কুইক লোনঃ জরুরি প্রয়োজনে প্রদত্ত লোন

যেসব ব্যাংক লোন দেয়

আমরা আগেই জেনেছি যে লোন প্রদান ব্যাংকের অন্যতম প্রধান একটি কাজ। বাংলাদেশের অনেক ব্যাংকই উল্লেখিত প্রায় সকল ধরনের লোন প্রদান করে থাকে। তবে একেক ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট ও মাসিক ইন্সটলমেন্ট একেক ধরনের হয়ে থাকে। তাই লোন নেওয়ার আগে অবশ্যই যে ব্যাংক থেকে লোন নিচ্ছেন, সে ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট ও মাসিক ইন্সটলমেন্ট এর ব্যাপারে জেনে নিবেন।

লোন পাওয়ার শর্তসমুহ

লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কিছু শর্ত প্রদান করবে, এটাই স্বাভাবিক। আপনি যদি ব্যাংক প্রদত্ত শর্তসমূহ পূরণ করতে পারেন, তবেই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক জানতে চাইবেঃ

লোন কেনো নেওয়া হচ্ছে

ক্রেডিট হিস্ট্রি
ব্যাক্তিগত তথ্য
চাকরি বা ব্যবসার অভিজ্ঞতা
লোনের অর্থ ব্যবহারে গ্রাহকের পরিকল্পনা
ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট
ক্যাশ ফ্লো স্টেটমেন্ট
পূর্বের লোনের তথ্য (যদি থাকে)
ব্যাংক লোন পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বেশিরভাগ ব্যাংক লোন এর ক্ষেত্রেই একই ধরনের কাগজপত্রের দরকার হয়। ব্যাংক লোন পেতে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমুহ হলোঃ

স্বাক্ষরসহ যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম
সম্প্রতি তোলা ছবি
জাতীয় পরিচয়পত্র/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট এর ফটোকপি
অফিস আইডি ফটোকপি
স্যালারি সার্টিফিকেট
যেকোনো ইউটিলিটি বিল এর কপি
ট্রেড লাইসেন্স
ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন অনুলিপি
চেকবুক পেজ
ব্যাংক স্টেটমেন্ট

লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে লোন যিনি নিচ্ছেন, তার পক্ষ থেকে একজন গ্যারান্টার যুক্ত করতে হয়। গ্যারান্টার এর ছবি, এনআইডি, অফিস আইডি, ইত্যাদি কাগজপত্র চাওয়া হয়ে থাকে। লোন গ্রহীতা যদি লোন পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে ব্যাংকের কাছে গ্যারান্টারকে জবাবদিহি করতে হয়। এছাড়া উইটনেস বা স্বাক্ষী দরকার হবে।

উল্লেখ্য যে আপনি কোন লোন নিবেন, সেটার উপর ভিত্তি করে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তারতম্য দেখা যেতে পারে। সাধারণত লোন নিতে কি কি কাগজপত্র লাগবে সেটা ব্যাংক থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়।

ব্যাংক লোন এর জন্য আবেদন

কাগজপত্র ও প্রযোজ্য শর্তের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়ে গেলে এবার ব্যাংক লোন এর জন্য আবেদন করতে হবে। লোন এর আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য, যেমনঃ লোন নেওয়ার কারণ, লোন এর পরিমাণ, ইত্যাদি প্রদান করে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এই আবেদন ফরম ব্যাংক থেকে দেওয়া হবে।

ফরম পূরণ করে আবেদন করা হলে ব্যাংক থেকে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকতে পারে, যেখানে মূলত লোন নেওয়ার তথ্য সম্পর্কে বিষদভাবে জানতে চাওয়া হয়। এরপর ভেরিফিকেশন করা হবে ব্যাংক থেকে। ভেরিফিকেশন করার পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার লোন এর টাকা ব্যাংক একাউন্টে পেয়ে যাবেন।

লোন নেওয়ার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত
প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে লোন নিতে কোনো বাধা নেই। তবে লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা একান্ত জরুরি। যেমনঃ

লোন পরিশোধের পরিমাণ ক্রেডিট স্কোর এর উপর নির্ধারণ করা হয়। তাই লোন নেওয়ার সময় ক্রেডিট স্কোর জেনে নেওয়া শ্রেয়

ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার আগে অবশ্যই যে ব্যাংক থেকে লোন নিচ্ছেন, সে ব্যাংকের সুদ এর হার, লোনের মেয়াদ, মাসিক ইন্সটলমেন্ট ইত্যাদি তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

লোন এর প্রক্রিয়ায় প্রযোজ্য প্রসেসিং চার্জ সম্পর্কে জেনে নিন
লোন পরিশোধে দেরি হলে সাধারণত 2 থেকে ১০ শতাংশ লেট পেমেন্ট চার্জ প্রযোজ্য হয়। তাই লোন নেওয়ার আগে লেট পেমেন্ট চার্জ সম্পর্কে জানতে ভুল করবেন না
লোন নেওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট অংক প্রি পেমেন্ট চার্জ হিসেবে গৃহীত হতে পারে, যা সম্পর্কে জানা একান্ত জরুরি

ব্যাংক লোন এর সুবিধা

ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা অনেক। যেমনঃ

লোন এর মেয়াদের উপর ভিত্তি করে সময়সাপেক্ষে লোনের অর্থ পরিশোধ করা যায়
সময়ের আগে কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে আর্থিক সাহায্য করতে পারে ব্যাংক লোন
ইন্টারেস্ট যেহেতু আগে থেকেই নির্দিষ্ট থাকে, তাই পরিশোধের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা করে রাখা সম্ভব
ক্রেডিট কার্ড বা মহাজন থেকে ধার করা টাকার ইন্টারেস্ট রেট এর চেয়ে ব্যাংক লোন এর ইন্টারেস্ট রেট অনেক কম হয়ে থাকে
অনেক ক্ষেত্রে আপনি নামমাত্র সুদে লোন পেতে পারেন, যদি আপনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন অথবা তাদের সাথে আপনার প্রতিষ্ঠানের কোনো চুক্তি থাকে
এছাড়া বর্তমানে ইসলামি ব্যাংক লোন (বিকল্প) রয়েছে যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো সুদবিহীন পদ্ধতিতে আর্থিক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেয়

ব্যাংক লোন এর অসুবিধা
সুবিধা যেহেতু আছে, অসুবিধা তো থাকবেই। ব্যাংক লোন এর কিছু উল্লেখযোগ্য অসুবিধা হলোঃ

ব্যাংক লোন অনুমোদনের প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোর বা স্ট্রিক্ট হয়ে থাকে, যার কারণে যেকেউ চাইলেই লোন নিতে পারেনা
শিক্ষা, চিকিৎসা বা বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে লোন নেওয়ার টাকা থেকে যেহেতু লাভ আসেনা, তাই ইন্টারেস্ট এর টাকা অনেক বেশি মনে হতে পারে
ঘর বা গাড়ি বন্ধক রেখে লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে ঠিক সময়ে লোন পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঘর বা গাড়ি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে
ব্যাংক লোন এর সাথে প্রযোজ্য বিভিন্ন অতিরিক্ত ফি লোনের বোঝা বড় করে তুলতে পারে
ব্যাংক লোন ও ক্রেডিট কার্ড
ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া ও ব্যাংক প্রদত্ত ক্রেডিট কার্ড – দুইটি একই ধরনের মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ক্রেডিট কার্ড এর ইন্টারেস্ট এর চেয়ে ব্যাংক লোন ইন্টারেস্ট কম হয়ে থাকে। তাই নির্দিষ্ট কোনো খরচের জন্য বাড়তি অর্থ প্রয়োজন হলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করে লোন নেওয়াই উত্তম।

23/12/2021

We are getting huge response from our clients and our success rate is unbelievable !! Contact us if you need any services

29/10/2021

Are you trying to get a loan....knock us...we will make it easier 👍

23/05/2021

MyLoan.com - One-stop destination for all financial services!
MyLoanCare is a Dhaka based marketplace that provides adviosy services and assistance of loans and related financial services to customers all over Bangladesh. We are a Bank neutral platform that offers transparent and authentic services for various products such as personal loans, business loans, home loans, credit cards, fixed deposits and others.

Since 2018, we have earned over 1244+ customers' trust and received an remarkable praise from our valuable customers. Also, we are partners with 7+ banks, NBFIs to help the customers compare lenders in a hassle-free manner within a few seconds.

22/05/2021

ব্যাংক থেকে ঋণ নিন জমি বিক্রি বাদ দিন

জমি বিক্রি নয় বা এনজিও থেকে উচ্চ সুদে ঋণও নয়। এমনকি আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও ঋণ নেওয়ার দরকার নেই। কাজের জন্য বিদেশে যেতে আপনাকে ঋণ দেওয়ার জন্য বসে আছে ব্যাংক। একটি-দুটি ব্যাংক নয়, সরকারি-বেসরকারি অন্তত সাতটি ব্যাংক বিদেশে যেতে আপনাকে ঋণ দিচ্ছে। মজার বিষয় হচ্ছে, ঋণের টাকার বিপরীতে ব্যাংকের কাছে কোনো জায়গা-জমিও বন্ধক রাখতে হবে না।

তবে বিদেশে যেতে ঋণ দেওয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক। ২০১১ সালে ব্যাংকটি গঠনই করা হয় এ উদ্দেশ্যে। এ ব্যাংকের পাশাপাশি যেসব ব্যাংক বিদেশে যেতে ঋণ দিচ্ছে, তাদের মধ্যে সোনালী, অগ্রণী, পূবালী ও এনআরবি ব্যাংক অন্যতম। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এবং এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকও সম্প্রতি বিদেশে যেতে ঋণ দেওয়া শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিদেশে ১ কোটি ২৫ লাখ বাংলাদেশি লোক রয়েছেন। প্রবাসী শ্রমিকদের ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা ও প্রভাব নিয়ে তৈরি ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁদের মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ দক্ষ, ৬২ শতাংশ অদক্ষ এবং ৩৬ শতাংশ আধা দক্ষ।

এক শ্রেণির আদম ব্যাপারী নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ নিয়ে বিদেশে শ্রমিক পাঠান। অনেক সময় ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে শ্রমিকদের পাঠানো হয়, যাঁরা বিদেশে গিয়ে পরে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হন। প্রতিবেদনে তাই ঋণ আবেদনের দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং ঋণ আদায়ে তদারকি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

কারা ঋণ পাবেন
ভিসা পাওয়ার পর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর আবেদন করতে হবে। বিদেশে কাজ করার জন্য যাঁরা ভিসা পেয়েছেন, তাঁরাই পাবেন এ ঋণ। অর্থাৎ ঋণ পেতে চাইলে বৈধ ভিসা থাকতে হবে। ব্যাংক কোনো ভিসা পাইয়ে দেবে না। ঋণও দেওয়া হবে ভিসার মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে।

ঋণ ও সুদ
সরকারি ব্যাংকগুলো ১ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ দিয়ে আসছে। আর ঋণের মেয়াদ সাধারণত ২ বছর। গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে আরও দুই মাস। সব মিলিয়ে ঋণ দেওয়া হচ্ছে ২৬ মাসের জন্য এবং সুদের হার ৯ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকগুলো অবশ্য ঋণ দিচ্ছে ১ থেকে ৩ বছর মেয়াদি। এ ব্যাংকগুলো সুদ নেয় 9 শতাংশ পর্যন্ত। তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলো বিদেশে গিয়ে পৌঁছানোর তিন মাস পর থেকে কিস্তি নেওয়া শুরু করে। অবশ্য সব ব্যাংকেরই ঋণের শর্ত ও অনুমোদনপ্রক্রিয়া প্রায় একই রকম। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরিশাস, ওমান, কাতার, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া—এসব দেশের ক্ষেত্রে দুই বছর, শুধু সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে এক বছর।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বৈধ ভিসার পাশাপাশি বিদেশগামী কর্মীকে যে কোম্পানি কাজ দেবে বা নিয়োগ করবে, সেই কোম্পানির নিয়োগপত্র লাগবে। লাগবে আবেদনকারীর সত্যায়িত তিন কপি ছবি, বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানাসংবলিত পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নেওয়া সনদ, পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি। আরও লাগবে স্থানীয় বা ঘনিষ্ঠ এক বা একাধিক ব্যক্তির ব্যক্তিগত জামিননামা। এই জামিননামা সম্পত্তি বন্ধকের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। আবেদনকারীর মতো জামিনদারদের ছবি, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নেওয়া সনদ, পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও জমা দিতে হয়। এ ছাড়া যে ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) আসবে, সেই ব্যাংকের সঙ্গে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হবে।

ঋণ পরিশোধ
সোনালী ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের মেয়াদ সর্বোচ্চ তিন বছর। বিদেশে যাওয়ার পরে দুই বছরে ২৪ কিস্তি বা তিন বছরে বা ৩৬ কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। প্রতি মাসে কিস্তি দিতে হবে একটি করে। এ ব্যাংক এক অঙ্কের সরল সুদ নেয়। অগ্রণী ব্যাংকও এক অঙ্ক সুদ নেয়, তবে ঋণ পরিশোধ করতে হয় দেড় বছরে। পূবালী ব্যাংক আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিলেও পরিশোধের মেয়াদ ২ বছর। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকসহ অন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলো ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে ১২, ২৪ ও ৩৬ মাসিক কিস্তিতে তা পরিশোধের ব্যবস্থা রেখেছে। বিদেশে যাওয়ার ৩ মাস পর থেকে ঋণের মাসিক কিস্তি শুরু হয় এ ব্যাংকের।

Address

Gulshan
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MyLoan.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MyLoan.com:

Share