Afsanagroup Investment Side & Sectors For Devolope Bangladesh

Afsanagroup Investment Side & Sectors For Devolope Bangladesh We are working for international investment for all legal side and sectors in world wide

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম এশিয়া বেঙ্গল স্টেট বাংলাদেশ সরকার লাখেরাজ নবাব স্যার মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল বাহাদুর এর আফসানা ...
01/12/2025

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম এশিয়া বেঙ্গল স্টেট বাংলাদেশ সরকার লাখেরাজ নবাব স্যার মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল বাহাদুর এর আফসানা গ্রুপ অফ কোম্পানিজ সমগ্র পৃথিবীর সমস্ত উন্নয়নমূলক ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোগ্রাম তারা সমাপ্ত করেছেন এবং তারা সমগ্র পৃথিবীর কাজ করতেছেন এবং সমগ্র বাংলাদেশ এশিয়া বেঙ্গল বেঙ্গলের ১৯ টি প্রদেশেে রাজউক অনুমোদিত ‌ ডেল্টা টাউন প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করেছেন এবং সমগ্র বাংলাদেশ ে ৬৪ জেলায় স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণ করিতেছে এবং আরো অনেক উন্নয়নমূলক কাজ তাদের নিজস্ব ইনভেস্টমেন্ট দ্বারা সমাপ্ত করেছেন সেই সাথে বাংলাদেশের রাজউক অনুমোদিত পূর্বাচল শহর থেকে আরম্ভ করে পূর্বাচল সিটি নির্বাচন হাউজিং প্রকল্প এবং সরকারি সমস্ত প্রকল্পের কাজ তাদের ইনভেস্টমেন্ট দ্বারা এবং তাদের পরিকল্পনায় তাদের নিজস্ব জমির উপর তাদের ম্যানেজমেন্টে সম্পূর্ণ হচ্ছে ইনশাল্লাহ আপনারা যারা বাংলাদেশে আছেন অথবা বাংলাদেশের বাইরে আছেন আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে উন্নত মানের ডুপ্লেক্স হাউস ,আধুনিক ফ্লাট, হাউজিং প্রকল্প প্লট, এবং নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ আবাসনের জন্য উন্নত মানের ডুপ্লেক্স হোম ফ্ল্যাট এবং সরকারি হাউজিংয়ের প্রকল্প থেকে নিজের পরিবারের জন্য পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পিত নিরাপদ প্লট ফ্লাট ডুপ্লেক্স হোম অফিসের স্পেস দোকানের স্পেস প্রয়োজন হলে আপনারা সরাসরি আপনার আফসানা গ্রুপের সাথে যোগাযোগ করে তাদের থেকে আপনাদের প্রয়োজনীয় ডুপ্লেক্স হোম অথবা আধুনিক ফ্লাট নিরাপদ আবাসন প্রকল্পের থেকে নেওয়া পরিকল্পিত ভবিষ্যতগামী প্লট অফিস স্পেস দোকান স্পেস নিজেদের পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য ক্রয় করুন যোগাযোগ করুন বিস্তারিত আরো ভালোভাবে জানার জন্য আমাদের মেসেজ অপশনে আপনাদের প্রয়োজনীয় সমগ্র বাংলাদেশ আপনাদের জেলা উপজেলা বিভাগ গ্রাম ইউনিয়ন টেলিফোন নাম্বার উল্লেখ করে মেসেজ করুন ইনশাআল্লাহ

বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন
13/01/2022

বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন

Afsana group Investment Side & sector for Devolope Bangladesh say day by day we already completed our all development pr...
08/01/2022

Afsana group Investment Side & sector for Devolope Bangladesh say day by day we already completed our all development project for Bangladesh & world wide but for the management for prepared foundation of development program of every country we make some listed development program project for at last ,& for Bangladesh The bullet train project is our last listed project for Bangladesh, but our investment sector always ensure the Investment for all Devolopement project & program for all over the world always Inshaallah ,, Afsana group
চীনের হাই স্পিড রেলের $২ ট্রিলিয়ন ঋন এবং বাংলাদেশের স্বপ্নের বুলেট ট্রেনের সুবিধা অসুবিধা।

ভাল স্বপ্ন সত্যি করতে আমরা কত প্রচেষ্টাই করি। কিন্তু যখন সেটার প্রেক্ষিত ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র হয় তখন চাইলেই সব কিছু করা উচিত নয়। দরকার সার্বিক সামর্থ্য, অর্থনৈতিক লাভ সহ অনেক বিষয় নিয়েই ভাবতে হয়। পরিকল্পনা করতে হয়।

বাংলাদেশের ঢাকা চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। এ রেলপথটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করতে খরচ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। সমীক্ষায় হাইস্পিড রেলপথটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৪০ কোটি ($১১.৪০ বিলিয়ন) ডলার (শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম অংশ)। বর্তমান বিনিময় হারে (প্রতি ডলারে ৮৬ টাকা ০৫ পয়সা) এর পরিমাণ ৯৮ হাজার ৯৭ কোটি টাকা। সমীক্ষা অনুযায়ী, হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করা হবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা-ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে। রুটটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৭ কিলোমিটার। এর ৯৬ শতাংশ হবে এলিভেটেড। রেলপথটি হবে শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য। ডিজাইন স্পিড ধরা হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। স্ট্যান্ডার্ড গেজের দুটি লাইন নির্মাণ করা হবে, যেগুলোর এক্সেল লোড হবে ১৭ টন ধারণক্ষমতার। বিদ্যুৎচালিত রেলপথটি হবে পাথরবিহীন। ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক ‘অটোমেটিক ব্লক’ সিগন্যাল ব্যবস্থা। রেলপথটিতে একটি ট্রেন বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে সময় নেবে ৫৫ মিনিট। আর বিরতি দিয়ে চললে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে সময় লাগবে ৭৩ মিনিট।

এখন প্রেক্ষিত পরিবর্তন করে একটু চিনের দিকে যাওয়া যাক। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বুলেট ট্রেনের উপযোগীতা নিয়ে শেষ অংশে আলোচনা করব।

বিশ্বের মোট হাই স্পিড রেল নেটওয়ার্ক এর দুই তৃতীয়াংশ চীনের। প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটারের বিশাল হাই স্পিড রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে দেশটির। কিভাবে চিন এটা সম্ভব করল? আর এর পরিনতিই বা কি?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে যখন রেসিশন তখন এর থেকে উত্তরনের জন্য চিন একটু ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। তারা সারাদেশে হাই স্পিড রেলের মহা কর্মযজ্ঞ শুরু করে। এতে লাভ কি? সিমেন্ট, স্টিল খাত সহ নির্মানজজ্ঞের সাথে যুক্ত কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এতে মন্দা দ্রুত কেটে যায়। স্টিমুলাস হিসাবে অবকাঠামোয় এই বিশাল কর্মজজ্ঞে রেসিশন থেকে যেমন মুক্তি মিলেছে তেমনি চিনে গড়ে উঠে বিশ্বের সর্ববৃহৎ হাই স্পিড রেল অবকাঠামো।

সমস্যা এখানেই শুরু। ইকোনমিক রিটার্ন বিবেচনা না করে এত বেশি অর্থ চিন এই প্রকল্পে ব্যয় করে যে, এই প্রকল্পের সংরক্ষন ও চালু রাখতে প্রতি বছর বিপুল অর্থ ব্যয় হতে থাকে। কিন্তু কয়েকটি রুট বাদে দেশের অধিকাংশ রুটেই পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যায়নি। ফলে এই প্রকল্প থেকে আয়, প্রকল্পের ব্যয় মেটাতে যথেষ্ট ছিলনা। আর শুধুমাত্র এই কারনে চাইনিজ রেলের মোট ঋন অবিশ্বাস্যরকম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ডলারের হিসাবে চিনা রেলের দেনা এখন $২ ট্রিলিয়ন ডলার ($২০০০ বিলিয়ন) ছাড়িয়েছে যা কিনা প্রায় ভারতের মোট জিডিপির কাছাকাছি!!!

আসুন এবার বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বুলেট ট্রেনকে বিবেচনায় আনি। প্রায় ৳১ ট্রিলিয়ন টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মাত্র ৭৩ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া যাবে। কিন্তু প্রকল্পের খরচ এতটায় বেশি যে আমাদের বিবেচনা করতে হবে, আমাদের দেশের জন্য অতি প্রয়োজনীয় অনেক প্রকল্প আগে বাস্তবায়ন না করে বুলেট ট্রেন কতটা ফলপ্রসু হবে।

বাংলাদেশ কিন্তু চিন বা ভারতের মত এত বড় দেশ নয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের সল্প দুরত্বে প্রচলিত দ্রুত গতির ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ করলে যদি ট্রেন ১৩০ কিমি/প্রতি ঘন্টা বেগে চালানো সম্ভব হয় তবে চট্টগ্রাম যেতে সময় লাগবে ২ ঘন্টা বা আড়াই ঘন্টা। প্রচলিত রেলে শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, বরং পণ্য পরিবহন করা যাবে যেটা এই রুটের সব থেকে গুরুত্ববহ ইস্যু।

যেহেতু বুলেট ট্রেনের উদ্দেশ্য যাত্রী পরিবহন তাই এক লক্ষ কোটি টাকার এই প্রকল্পে পণ্য পরিবহনের সুযোগ থাকছে না। এত অর্থের বিনিময়ে নির্মিত প্রকল্পে প্রচলিত রেলের ২.৫ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ কম সময় লাগবে ৪৫-৪৭ মিনিট মাত্র। কিন্তু বুলেট ট্রেনের ভাড়া অবশ্যই অনেক বেশি হবে যেটা এদেশের অধিকাংশ যাত্রী মাত্র ৪৫ মিনিট বাচাতে যেয়ে ব্যয় করবে না।

সেই সাথে বুলেট ট্রেনকে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পুষিয়ে লাভে আনতেও প্রতিদিন ২০ টার বেশি আপ ও ডাউন ট্রিপ লাগবে। এত বেশি যাত্রী বেশি ভাড়ায় এই রেলের গ্রাহক হবেন বলে মনে করিনা যেখানে প্রচলিত এবং বাস্তবায়নাধীন ডাবল লাইন প্রকল্পেই মাত্র ২.৫ ঘন্টায় তারা যেতে পারবে।

বাংলাদেশ যদি আকারে অনেক বড় হত তবে হয়ত এর উপযোগীতা থাকত। কিন্তু সল্প দুরত্বে ১ লক্ষ কোটি টাকা ঋনের বোঝা নিয়ে যাত্রার সময় মাত্র ৪৫ বা ৫০ মিনিট কমানো সাভাবিক ভাবেই লাভজনক হবে না বোঝায় যায়।

১ লক্ষ কোটি টাকার সুদ যদি ৩% ও হয় তবে সেটি প্রতি বছরে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা। এত টাকা উঠে আসবে কিভাবে সেটা কি ভাববার বিষয় না?

লাওস খুব বেশি ধনী দেশ নয়। তবে চীনের সাথে বুলেট ট্রেনের প্রকল্পে লাওসের ঘাড়ে $৭ বিলিয়ন ডলারের ঋনের বোঝা যুক্ত হয়েছে।

১১০ কোটি টাকার বিস্তারিত নকশা ও সমীক্ষায় ব্যয় হওয়া তথ্যে আমরা বুলেট ট্রেনের যে খরচ $১১.৪০ বিলিয়ন হবে এটা জানতে পেরেছি। এখন আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা এই প্রকল্পে যাব নাকি যাব না?

এটা আবেগের বিষয় নয়। বরং ১ লক্ষ কোটি টাকা এখানে ব্যয় না করে অন্যান্য প্রেসিং প্রকল্পে ব্যয় বেশি যুক্তিযুক্ত। যদি যুক্তির খাতিরে কেউ প্রশ্ন করে যে, বুলেট ট্রেনে ফ্রেইট ট্রান্সপোর্ট ও থাকবে। তাহলে কি এটা লাভজনক হবেনা?

এর উত্তরেও একি প্রশ্নই করতে চাই। পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে ১ ঘন্টা সময় বাচানোর জন্য আপনি নিজে ব্যাবসায়ী হিসাবে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় করতে কি রাজি হবেন?

যাহোক, ঋনের সুযোগ থাকলেই ঋন নেয়া উচিত নয়। বরং যেই প্রকল্পে ঋন নেয়া হচ্ছে সেটার ROI বিবেচনা করা উচিত সেই সাথে পাবলিক বেনিফিটস। আমরা ঋন নিব কিন্তু ঋন আর ঋনের ফাঁদ দুটির মধ্যে আমাদের বিবেচনা করা উচিত। এমন খাতে নেয়া উচিত হবেনা যেটা আমাদের জন্য বোঝা হয়ে যায়।

ধন্যবাদ।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের অসংখ্য প্রকল্পের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েকে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ থেকে ১০ হা...
28/08/2021

পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের অসংখ্য প্রকল্পের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েকে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ থেকে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৩০০ ফুট রানওয়ে নির্মাণ করা হবে সমুদ্রের ওপর। বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি ছুঁয়ে বিমান নামবে কক্সবাজারে। দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এই প্রকল্পটি আগামীকাল ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে পর্যটন নগরীর বিমানবন্দরটির সক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে।

Afsanagroup side & sector for devolope Bangladesh ready to invest for all past , present , future Devolopment program by...
28/06/2021

Afsanagroup side & sector for devolope Bangladesh ready to invest for all past , present , future Devolopment program by their own investment for Bangladesh we hope our next pri Minister khaldea Zia will follow our foreign , Personal , country investment police for always inshallah & we are ready with unlimited investment for her all Devolopment program for Bangladesh inshaallah

Bangladesh celebrates 50 years of independence. In the five-decade long journey, the country has transformed from impove...
25/03/2021

Bangladesh celebrates 50 years of independence. In the five-decade long journey, the country has transformed from impoverished, war-torn to a developing nation. The challenges and setbacks faced by the country, were equally big as its accomplishments. Defying all odds, Bangladesh emerged as one of the fastest growing economies in the world and made spectacular progress in human development fronts. Entering the 21st century, Bangladesh started playing a leading advocacy role in promoting peace, cooperation and sustainable development. Bangladeshis have shown resilience in overcoming hurdles posed by natural disasters and many socio-economic drawbacks. In this auspicious moment, Afsanagroup investment side & sectors remember their investment Amount of Bangladesh’,

 #চলে এলো আমাদের স্বপ্নের মেট্রোরেলচট্টগ্রাম পোর্টে ক্লিয়ার হচ্ছে আমাদের মেট্রোরেলের বগি ,,
06/03/2021

#চলে এলো আমাদের স্বপ্নের মেট্রোরেল
চট্টগ্রাম পোর্টে ক্লিয়ার হচ্ছে আমাদের মেট্রোরেলের
বগি ,,

যানজট নিরসনে স্বপ্নের প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেস নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এগিয়ে চলছে যানজট নিরসনে সবচেয়ে আশার প্রকল্প ঢা...
30/01/2021

যানজট নিরসনে স্বপ্নের প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেস

নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এগিয়ে চলছে যানজট নিরসনে সবচেয়ে আশার প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানী শহরের উত্তর-দক্ষিণ অংশের সংযোগ ও ট্রাফিক ধারণক্ষমতা বাড়াতেই এ প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয়। তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে পুরো প্রকল্প। তবে একসঙ্গে পুরো কাজ শেষ হচ্ছে না। ভাগে ভাগে খুলে দেয়া হবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এর প্রথম অংশ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলে দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সবটুকু শেষ হবে ২০২৩ সালের জুন মাসে।

গত বছর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ১৯ ভাগের বেশি। প্রথম ধাপের অগ্রগতি ৫৬ ভাগ। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী যেতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ আধাঘণ্টা। তবে টোল দিয়ে ব্যবহার করতে হবে দেশের প্রথম এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করা হয়। সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো নির্মাণ গতি প্রকল্পের প্রথমাংশেই। অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে বনানী অংশে। দ্বিতীয় অংশে মাত্র ১০টি পাইল স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। আর তৃতীয় অংশে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।

এখন প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগের কাজ চলছে বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলা থেকে তেজগাঁও রেলগেট পর্যন্ত। তৃতীয় ভাগে কাজ হবে তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত। প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম অংশটি ৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দ্বিতীয় অংশ ৫ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার ও তৃতীয় অংশ ছয় কিলোমিটারের কিছু বেশি। সব মিলিয়ে মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ওড়াল সড়কে ওঠানামার জন্য র‌্যাম থাকবে ৩১টি। সব মিলিয়ে প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপের (পিপিপি) ভিত্তিতে এই প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। অর্থায়ন করছে ইতাল থাই এবং চাইনিজ কোম্পানি সিনোহাইড্রো ও চায়না সেনডং। এর মধ্যে ইতাল থাইয়ের মালিকানা ৫১ শতাংশ। বাকি ৪৯ শতাংশের মধ্যে সিনোহাইড্রো ১৪ শতাংশ এবং চায়না সেনডংয়ের মালিকানা ৩৫ শতাংশ। ইতোমধ্যে তিন কোম্পানি মিলে চায়না এক্সিম ব্যাংক ও আইসিবিসি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ৮৬১ মিলিয়ন ডলার। টাকার অঙ্কে ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের প্রায় ১১ কিলোমিটার অংশের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এর পরপরই এই অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। ২২ সালের মাঝামাঝি পুরো কাজ শেষ করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। শেষ না হলে ২০২২ সালের মাঝামাঝি অর্ধেক অংশ খুলে দেয়া হতে পারে।

নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ হলে নগরীর বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলা থেকে একেবারে কুতুবখালী পর্যন্ত খুব স্বল্প সময়ে পৌঁছা যাবে। ২০২৩ সালে শেষ হবে পুরো প্রকল্পের কাজ।

27/01/2021
A portion of Dhaka Mawa Expressway.
26/01/2021

A portion of Dhaka Mawa Expressway.

Address

Mohakali Sahujial Mouga, Near Mohakali Dohs, Near Mainul Islam Road
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801727701925

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afsanagroup Investment Side & Sectors For Devolope Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Afsanagroup Investment Side & Sectors For Devolope Bangladesh:

Share