22/06/2026
লুকানো করদাতা ও কর ফাঁকি উদঘাটনে এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সংস্থার ডেটাবেজ যুক্ত করে ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট (সিআইসি) ও গঠিত টাস্কফোর্স সম্পদের তথ্য যাচাই এবং জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে করের আওতা বৃদ্ধি করতে পারে।
এনবিআর যেসকল কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে:
📍 তথ্যভান্ডার ও ডেটা ইন্টিগ্রেশন: বিআরটিএ (BRTA),সাব-রেজিস্ট্রি অফিস,রাজউক, এবং পাসপোর্ট অফিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে গাড়ি,জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের বিস্তারিত তথ্য বের করা এবং তাঁদের আয়ের উৎসের সাথে মেলানো।
📍 সরাসরি ব্যাংক তথ্য যাচাই: অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময় করদাতার ব্যাংক হিসাবের জের ও লেনদেনের তথ্য সরাসরি পর্যালোচনা করে গোপন সম্পদের খোঁজ নেওয়া।
📍 গোয়েন্দা নজরদারি ও অডিট: কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (CIC) মাধ্যমে সন্দেহজনক ব্যাংক হিসাব জব্দ করা ও আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করা।
📍 সরেজমিন পরিদর্শন: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় সরেজমিন তদন্ত ও বাড়ি বাড়ি জরিপ পরিচালনা করা।
📍 স্মার্ট এজেন্ট নিয়োগ: নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য সংগ্রহ করতে বা নতুন করদাতা খুঁজতে এজেন্ট বা জরিপকারী নিয়োগ দেওয়া।