30/05/2024
👉🏻একটি হাদীসে বর্ণিত আছে যে, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায যথারীতি আদায় করবে, আল্লাহ তাকে পাঁচটি মর্যাদা দান করবেন।
১) তার দারিদ্র দূর করবেন,
২) তাকে কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেবেন,
৩) তার আমলনামা ডান হাতে দেবেন,
৪) বিদ্যুতবেগে তাকে পুলসিরাত পার করাবেন,
৫)তাকে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
আর যে ব্যক্তি নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য দেখাবে, আল্লাহ তাকে ১৪টি শাস্তি দেবেন। এর মধ্যে পাঁচটি দুনিয়ার জীবনে, ৩টি মৃত্যুর সময়ে, তিনটি কবরে, এবং তিনটি কবর থেকে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সময়ে।
★দুনিয়ার পাঁচটি হলো,১) তার জীবন থেকে বরকত উঠে যাবে, ২)তার মুখমন্ডল থেকে সৎ লোকসুলভ ঔজ্জল্য দূর হয়ে যাবে। ৩)তার কোন নেক আমলের প্রতিদান দেয়া হবেনা।' ৪)তার কোন দোয়া কবুল হবেনা এবং ৫)নেককার লোকদের দোয়া থেকে সে বঞ্চিত হবে।
★আর মৃত্যুর সময়ের তিনটি শাস্তি হলো, ১)সে অপমানিত হয়ে মারা যাবে,২)ক্ষুধার্ত অবস্থায় মারা যাবে, ৩)এত পিপাসিত অবস্থায় মারা যাবে যে, সারা দুনিয়ার সমুদ্রের পানি পান করলেও তার পিপাসা মিটবেনা।
★কবরে থাকাকালে যে তিনটি শাস্তি সে ভোগ করবে, তাহলো-১) তার কবর সংকুচিত হয়ে তাকে এত জোরে পিষ্ট করবে যে, এক পাশের পাঁজরের হাড় ভেংগে অপর পার্শ্বে চলে যাবে,২) তার কবর
এমনভাবে আগুন দিয়ে ভরে দেয়া হবে যে, রাত দিন তা জ্বলতে থাকবে, এবং ৩)তাকে কিয়ামত পর্যন্ত একটি বিষধর সাপ দংশন করতে থাকবে।
★আর কবর থেকে বেরুবার সময় যে তিনটি শাস্তি সে ভোগ করবে তা হলো, ১) তার হিসাব কঠিন হবে, ২)আল্লাহকে সে ক্রুদ্ধ দেখতে পাবে এবং ৩)সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
👉🏻 অন্য রেওয়ায়েতে আছে যে, কিয়ামতের দিন তার কপালে তিনটে কথা অংকিত থাকবে। একটি কথা হবে: "হে আল্লাহর হক বিনষ্টকারী", দ্বিতীয় কথাটি হবে: “হে আল্লাহর গযবের উপযুক্ত ব্যক্তি"। তৃতীয় কথাটি হবে: "তুমি পৃথিবীতে যেমন আল্লাহর অধিকার দাওনি, আজ তেমনি আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে।”
( #কবীরা গুনাহ বই থেকে।)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।সেই দিনের আগে সচেতন হই, যেদিন ভীষণভাবে আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী হব আমরা।
#মাসুমা_তাসনিম
২৪/০৫/২০২৪