11/10/2026
নোবেল সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬: সাহিত্যকে অ্যান কার্সন যেভাবে দেখেন
গত ৮ অক্টোবর সুইডিশ অ্যাকাডেমি ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের নাম ঘোষণা করে—অ্যান কার্সন। কানাডার এই কবি-প্রাবন্ধিক বছরের পর বছর সম্ভাব্য তালিকায় ছিলেন, তবু অনেক পাঠকের কাছে নামটা একটু অচেনা। কারণ তার লেখা সহজ কোনো ছকে ফেলা যায় না। কবিতা, প্রবন্ধ, অনুবাদ, নাটকের সংলাপ সব একসঙ্গে মিশে যায় এক বইয়ের ভেতর।
অ্যাকাডেমি বলেছে, প্রাচীন সাহিত্যের সঙ্গে খেলাচ্ছলে কথা বলতে বলতে কার্সন সমকালীন সাহিত্যের নতুন রূপ তৈরি করেছেন।
এই "নতুন রূপ" জিনিসটা আসলে কী? সাহিত্য বলতে তিনি ঠিক কী বোঝেন? এটুকু বুঝতে হলে কার্সনের একদম শুরুর দিককার একটা ভাবনায় ফিরতে হয়।
চাওয়ার ভেতরেই একটা ফাঁক
৭৬ বছর বয়সী কার্সন জন্মসূত্রে টরন্টোর মানুষ, পেশায় সারা জীবন প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের শিক্ষক। এখানেই তার আসল পরিচয় লুকিয়ে। একদিকে কড়া পণ্ডিত, শব্দের শিকড় আর পুরোনো ব্যাকরণ নিয়ে যার কারবার; অন্যদিকে সেই মানুষটাই লেখেন প্রেম, বিরহ আর শোক নিয়ে। বিদ্যা আর আবেগ—এই দুইয়ের মাঝখানেই কার্সনের গোটা দুনিয়া।
তার প্রথম বই ‘Eros the Bittersweet’ (১৯৮৬) আসলে ছিল গ্রিক কবি সাফোকে নিয়ে তার গবেষণাপত্রের নতুন চেহারা। শুকনা অ্যাকাডেমিক একটা কাজ, যা শেষমেশ হয়ে দাঁড়াল আকাঙ্ক্ষার ব্যথা নিয়ে লেখা একটা বই। বইটার মূল কথা একটাই: মানুষ সেটাই চায়, যা তার কাছে নেই।
সাফো একবার ভালবাসাকে বলেছিলেন "তেতো-মিষ্টি"। কার্সন এই শব্দটা ধরেই আগান। প্রেম মানে পাওয়া নয়, প্রেম মানে হাত বাড়ানো—যা নাগালের বাইরে, তার দিকে। যে মুহূর্তে জিনিসটা হাতে এসে যায়, চাওয়াটাও বদলে যায়। তাই চাওয়ার জন্য সবসময় একটা দূরত্ব লাগে, একটা ফাঁক লাগে। সেই ফাঁকটাই প্রেমের আসল জায়গা।
এখানেই কার্সনের আসল চমক। তিনি বলেন, এই একই ফাঁক লুকিয়ে আছে ভাষার ভেতরেও। আমরা যা বলতে চাই আর যা আসলে বলি, দুটি কখনও পুরোপুরি মেলে না। পড়ার সময়ও তাই—লেখকের মনের কথা আর পাতায় ছাপা কথা, এর মাঝখানে একটা দূরত্ব থেকেই যায়।
অর্থাৎ ভালবাসা আর পড়া, দুটিরই গড়ন এক। দুটিই একটা ফাঁকের ওপর দিয়ে হাত বাড়ানো। কার্সনের কাছে সাহিত্য এই হাত বাড়ানোর কাজটাই।
খোপ ভাঙা
এই জায়গা থেকেই বোঝা যায়, কেন তিনি কবিতা-প্রবন্ধ-গল্পের দেয়াল মানেন না। সাহিত্য যদি পাকা ছকে বাঁধা কোনো জিনিস না হয়ে একটা গতি হয়, পৌঁছাতে চাওয়ার একটা চেষ্টা হয়, তাহলে খোপের বেড়া সেখানে অর্থহীন।
তার ‘Autobiography of Red’ বইটার কথা ধরা যাক। গ্রিক পুরাণে গেরিয়ন নামের এক লাল রঙের দানব ছিল, হারকিউলিসের হাতে যার মৃত্যু হয়। কার্সন সেই দানবকে তুলে আনেন আজকের দিনে। এক লাজুক, ডানাওয়ালা কিশোর হিসাবে, যে প্রেমে পড়ে, ক্যামেরা হাতে ঘুরে বেড়ায়। পুরা বইটা পদ্যে লেখা এক উপন্যাস।
আবার ‘Nox’ বইটা তার মৃত ভাইকে নিয়ে। এটা সাধারণ কোনো বই নয়—একটা বাক্সের ভেতরে ভাঁজ করা লম্বা একটা কাগজ, অনেকটা স্ক্র্যাপবুকের মত, যেখানে পুরোনো ছবি, চিঠির টুকরা আর ল্যাটিন শব্দের অনুবাদ পাশাপাশি বসানো।
এগুলিকে ঠিক কী বলা হবে: কবিতা, নাকি উপন্যাস, নাকি শোকগাথা? কার্সন এই প্রশ্নটাকেই পাত্তা দেন না। তার কাছে জরুরি প্রশ্নটা অন্য, লেখাটা পাঠককে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে।
অনুবাদ মানে পুরোনো গলা আবার শোনা
কার্সনের কাজের একটা বড় অংশ অনুবাদ। বিশেষ করে সাফো, সফোক্লিস, ইউরিপিদিস। কিন্তু অনুবাদ নিয়ে তার ভাবনাটাও আলাদা। এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় কথাগুলি অবিকল তুলে দেওয়া তার লক্ষ্য নয়। তিনি চান, হাজার বছর আগের একটা স্বর যেন আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে।
সাফোর কবিতা আজ প্রায় পুরাটাই টিকে আছে টুকরা অবস্থায়। ছেঁড়া প্যাপিরাস, মুছে যাওয়া শব্দ, মাঝে মাঝে ফাঁকা। অনেক অনুবাদক সেই ফাঁক ভরাট করে দেন, যাতে পড়তে সুবিধা হয়। কার্সন উল্টা পথে হাঁটেন। তিনি ফাঁকগুলি রেখে দেন, বন্ধনী দিয়ে দেখিয়ে দেন কোথায় শব্দ হারিয়ে গেছে। কারণ তার চোখে ওই হারানো অংশটুকুই কবিতার প্রাণ। যা নেই, তার দিকে পাঠক যেন নিজেই হাত বাড়ায়—আর সেখানেই তো সাহিত্যের শুরু।
তার কাছে প্রাচীন গ্রিস জাদুঘরে সাজানো মসৃণ কোনো মূর্তি নয়। সেটা ভাঙা, অসম্পূর্ণ, শরীরী, আকাঙ্ক্ষায় ভরা এক জগৎ—যার প্রশ্নগুলি আজও আমাদের প্রশ্ন।
এই নোবেল আসলে কী বলছে
নোবেল পুরস্কার সাধারণত যায় মোটা উপন্যাস বা জাতির মহাকাব্য লেখা মানুষদের কাছে। সেই জায়গায় কার্সনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া একটা স্পষ্ট বার্তা। সাহিত্য ছোট হতে পারে, টুকরা হতে পারে, অদ্ভুত হতে পারে—তবু চাওয়া, হারানো আর হাত বাড়ানোর একদম কেন্দ্রে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।
কার্সনের লেখা অনেকের কাছে কঠিন ঠেকে, এটা সত্যি। কিন্তু সেই কঠিনত্ব ভড়ং নয়। ভাষা আর আকাঙ্ক্ষা জিনিসটা আসলে যতটা এলোমেলো, যতটা অসম্পূর্ণ, তিনি ঠিক ততটাই সৎভাবে লেখেন। সহজ করে মিথ্যে বলার চেয়ে কঠিন করে সত্যি বলা—কার্সন বরাবর দ্বিতীয়টাই বেছে নিয়েছেন। নোবেল কমিটিও এবার সেটাকে স্বীকৃতি দিল।
তাহলে মানুষটা কেমন?
এতক্ষণের কথা কার্সনের লেখা আর ভাবনা নিয়ে—সবটাই বাইরে থেকে দেখা। কিন্তু মানুষটা নিজের মুখে বললে একই ভাবনাগুলি অন্যভাবে প্রকাশ পায়, অনেকটাই হালকা চালে।
লেখার শুরু নিয়ে তার একটাই পরামর্শ আছে—"মাঝখান থেকে শুরু করুন।" সাজানো শুরু-মধ্য-শেষের ছক তিনি মানেন না; যে জায়গাটা তাকে বেশি টানে, লেখা শুরু হয় সেখান থেকেই।
নিজের লেখার ধরনকে বলেন "অনিচ্ছাকৃত", কারণ আসলে অন্য কিছু করতে গিয়েই লেখা হয়ে যায়। আর প্রাচীন গল্প আজ প্রাসঙ্গিক কি না জিজ্ঞেস করলে প্রশ্নটাই উল্টে দেন—ওরা আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক কি না, সেটা বড় কথা নয়; বড় কথা, আমরা ওদের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারি কি না।
প্রবন্ধে যে ভাবনাগুলি গুছিয়ে বলা, নিচের সাক্ষাৎকারে সেগুলিই ছড়িয়ে আছে আটপৌরে ঢঙে। দুটি একসঙ্গে পড়লে কার্সনকে আরও সম্পূর্ণ করে চেনা যায়।
অ্যান কার্সন: তার ভাষায়
নোবেল ঘোষণার পরপরই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জেনি রিডেন টেলিফোনে কথা বলেন কার্সনের সঙ্গে। আলাপে কার্সন ঠিক যেমন, তার লেখাও অনেকটা তেমন—নির্লিপ্ত, কৌতুকপ্রবণ, আর চট করে ধরা না-দেওয়া। জীবনের সবচেয়ে বড় সাহিত্য-পুরস্কারের খবরটাকে তিনি নামিয়ে আনেন বিস্কুট-চা আর মেঝে ঝাড়ু দেওয়ার স্তরে, প্রশ্নকর্তাকে উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আর লেখালেখি নিয়ে গোটা পরামর্শ সেরে ফেলেন একটা বাক্যে। ছোট্ট এই কথোপকথনেই তার মেজাজটা পুরোপুরি ধরা পড়ে।
জেনি রিডেন: হ্যালো, আমি নোবেল পুরস্কার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জেনি রিডেন বলছি।
অ্যান কার্সন: ওহ, ভালো। ঠিক আছে, লাইনে পেয়ে গেছি। বলুন।
জেনি রিডেন: ঠিক আছে, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রথমেই আপনাকে অনেক অভিনন্দন!
অ্যান কার্সন: ধন্যবাদ। ব্যাপারটা বেশ পাগলাটে।
জেনি রিডেন: এই মুহূর্তে আপনার কেমন লাগছে? আর খবরটা কীভাবে পেলেন? ঘটনাটা একটু আমাদের বর্ণনা করবেন?
অ্যান কার্সন: আমি এখন বিস্কুট খাচ্ছি আর এক কাপ চা পান করছি। এখনো তেমন নাটকীয় কিছু ঘটেনি। এখনো সকাল। তাই রান্নাঘরে বসে চা পান করছি আর লন্ডন রিভিউ অব বুকস পড়ছি। খেয়াল করলাম, মেঝেটা ঝাড়ু দেওয়া দরকার। তাই লাফ দিয়ে উঠে সেটা করতে গেলাম। তারপর একের পর এক ফোন আসতে শুরু করল। আমি ফোনগুলো বারবার বন্ধ করে দিচ্ছিলাম, কারণ ফোন বাজলেই আমি সাধারণত সেটি বন্ধ করে দিই।
রবার্ট কারি: আমি ওর স্বামী। আপনারা আমার কাছে ঋণী, কারণ আমিই ওকে আপনাদের নম্বরে আবার ফোন করতে বাধ্য করেছি।
অ্যান কার্সন: হ্যাঁ, ও-ই ফোন ধরে। আমি সাধারণত ফোন বন্ধ করে দিই। ও ফোন ধরে, তারপর আমাকে আবার ফোন করতে বলে। ব্যাপারটা একটু পাগলামির মতো মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, আপনারা সবাই পাগল হয়ে গেছেন।
জেনি রিডেন: ব্যাপারটাকে আপনার কাছে পাগলাটে আর পাগলামির মতো মনে হচ্ছে কেন? আপনি কি এটা আশা করেননি?
অ্যান কার্সন: আরে, ঈশ্বরের দোহাই, কে-ই বা এমন কিছু আশা করবে?
জেনি রিডেন: আপনি বললেন, আপনি বাড়িতে ছিলেন। বাড়িটা কোথায়?
অ্যান কার্সন: রেইকিয়াভিকে, সমুদ্রের ধারে। সেখান থেকে উত্তর মেরু অঞ্চলের দিকে তাকানো যায়। দুঃখিত, আপনাদের জন্য আমি ঘটনাটাকে খুব নাটকীয় করে তুলতে পারছি না। এখানে দিনটা আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই কাটছে।
জেনি রিডেন: এই নোবেল পুরস্কার আপনার কাছে কী অর্থ বহন করে, তা নিয়ে কি কিছু ভেবেছেন?
অ্যান কার্সন: না, ভাবিনি। আমরা শুধু কীভাবে পুরস্কারের টাকাটা অন্যদের দিয়ে দেওয়া যায়, সেই উপায় খুঁজছি। আমাদের এক বন্ধু আছে, তার একটা বাড়ি দরকার। আর আমরা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স সংস্থাকে সব সময়ই বেশ কিছু অর্থ দান করি। হ্যাঁ, এ রকমই কিছু কাজে টাকা দেব।
জেনি রিডেন: এই অপ্রত্যাশিত খবর কীভাবে উদযাপন করবেন?
অ্যান কার্সন: সত্যি বলতে, আমরা বনে হাঁটতে বের হব, যাতে ফোনের উত্তর দিতে না হয়। তারপর আমরা নীরবতা শুনব।
জেনি রিডেন: চমৎকার। এবার লেখক হিসেবে আপনি এবং আপনার কাজ সম্পর্কে কথা বলি। যারা আপনাকে খুব ভালোভাবে চেনেন না, তাদের কাছে নিজের লেখালেখির ধরন কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
অ্যান কার্সন: আমি বলব, এটা অনিচ্ছাকৃত। আমি সব সময় অন্য কিছু করার চেষ্টা করি।
জেনি রিডেন: যারা আপনাকে খুব ভালোভাবে চেনেন না, কিন্তু আপনার বই ও কাজ সম্পর্কে আরও জানতে চান, তাদের কোথা থেকে শুরু করার পরামর্শ দেবেন?
অ্যান কার্সন: জানি না। যেকোনো জায়গা থেকেই শুরু করা যায়। বেশির ভাগ মানুষ অটোবায়োগ্রাফি অব রেড পড়েন। আমি নিজেও সেটা পড়েছি। আমার মনে হয়েছে, বইটা সহজে পড়া যায়। তবে আমি জানি না। আমি সব সময় বলি, মাঝখান থেকে শুরু করুন।
জেনি রিডেন: শুরু করার প্রসঙ্গ যখন এলই, তখন জানতে চাই — আপনি যখন নতুন কোনো বইয়ের কাজ শুরু করেন, তখন কীভাবে শুরু করেন? আপনার লেখার প্রক্রিয়াটা কেমন?
অ্যান কার্সন: মাঝখান থেকে শুরু করুন। এটাই আমার একমাত্র নিয়ম।
জেনি রিডেন: সেটা আবার কী রকম?
অ্যান কার্সন: কথাটার যে অর্থই আপনি করুন না কেন, মাঝখানটা খুঁজে বের করুন, সেখান থেকেই শুরু করুন।
জেনি রিডেন: অনুপ্রেরণার জন্য কি নির্দিষ্ট কোনো উৎসের কাছে ফিরে যান?
অ্যান কার্সন: হোমার।
জেনি রিডেন: আপনি ধ্রুপদি সাহিত্য পড়ান। প্রাচীন সাহিত্যের অনেক গল্পকে আধুনিক প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করেছেন। আপনার মনে হয়, আজকের মানুষের কাছে এসব গল্প প্রাসঙ্গিক কেন?
অ্যান কার্সন: এগুলো প্রাসঙ্গিক নয়। প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আমি আগ্রহী বলে মনে হয় না। বরং আমি আগ্রহী, আমরা যেন তাদের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠি।
জেনি রিডেন: আমি পড়েছি, আপনি বলেছেন, আপনার কাছে একঘেয়েমি এড়িয়ে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনটা কেন?
অ্যান কার্সন: আচ্ছা, কেউই তো একঘেয়ে বোধ করতে পছন্দ করেন না, তাই না? আপনি কি একঘেয়েমি এড়িয়ে চলেন না?
জেনি রিডেন: আপনার কাছে ব্যাপারটা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন বলে মনে হয়?
অ্যান কার্সন: ব্যাপারটা অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দিনের পরের কাজটা কী করব, তা ঠিক করার একটা মাপকাঠি মাত্র। যেমন, মেঝেতে ঝাড়ু দেব, নাকি হোমার পড়ব। দিনের অনেকটা সময়ই একঘেয়েমি এড়িয়ে চলার ব্যাপার। জীবন একঘেয়ে।
জেনি রিডেন: আপনার সত্যিই তা-ই মনে হয়?
অ্যান কার্সন: এর মধ্যে কিছু একটা করুন।
জেনি রিডেন: বেশ ভালো পরামর্শ। আর যারা লেখক হতে চান, তাদের জন্য আপনার কোনো বার্তা আছে?
অ্যান কার্সন: না, সেই একই কথা। মাঝখান থেকে শুরু করুন।
জেনি রিডেন: পেছনে আপনার ফোনগুলো বাজতে শুনতে পাচ্ছি। আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আবারও অভিনন্দন।
অ্যান কার্সন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
#নোবেল #সাহিত্য #অ্যানকার্সন