Emu's Vibe

Emu's Vibe চলছে

ধরুন, আপনি দেশের একজন খুব বড় কেউ। সকালে চা খেতে খেতে পত্রিকা খুললেন এবং দেখলেন—হেডলাইনে আপনার নামে বিশাল এক দুর্নীতির খব...
08/02/2026

ধরুন, আপনি দেশের একজন খুব বড় কেউ। সকালে চা খেতে খেতে পত্রিকা খুললেন এবং দেখলেন—হেডলাইনে আপনার নামে বিশাল এক দুর্নীতির খবর! পাবলিক সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার কুশপুত্তলিকা দাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

​এখন আপনি কী করবেন? প্রেস কনফারেন্স করে ক্ষমা চাইবেন? উঁহু, ওসব তো কাঁচা খেলোয়াড়দের কাজ। আপনি খেলবেন 'ডেড ক্যাট' চাল!

​আপনি দ্রুত আপনার পিএস-কে ডেকে বললেন, "শোনো, এখনই একটা ঘোষণা দিয়ে দাও যে—আগামীকাল থেকে দেশের সব রাস্তায় রিকশা চলবে উল্টো পথে, এবং রিকশাচালকদের মাথায় বাধ্যতামূলকভাবে লাল টুপি থাকতে হবে!"

​ব্যস! খেলা শুরু।
​পরদিন সকালে দেখবেন:
❌ কেউ আর আপনার দুর্নীতি নিয়ে কথা বলছে না।
❌ ডলারের দাম কেন ১১০ থেকে ১৮০ হলো, সেই হিসাব কেউ চাইছে না।
​বদল কী হচ্ছে?
✅ ফেসবুকের সব 'অ্যানালিস্ট' এখন দুই ভাগে বিভক্ত। একদল বলছে, "লাল টুপিই বিপ্লব!" আরেকদল বলছে, "উল্টো পথে রিকশা চালানোই হলো আধুনিকতা!"
✅ টকশোতে বিশেষজ্ঞরা ম্যাপ নিয়ে বসে গেছেন—উল্টো পথে চললে জ্যাম কত শতাংশ কমবে।
✅ পাড়ার মোড়ের চা দোকানে তুমুল ঝগড়া—"ভাই, টুপির রং লাল কেন, ম্যাজেন্টা কেন নয়?"
​এদিকে আপনি ড্রয়িংরুমে বসে আরামসে আপেল খাচ্ছেন আর ভাবছেন— "আহা! টেবিলের ওপর মরা বিড়ালটা ছুড়ে দিয়ে কী শান্তিতেই না আছি!" 🍎☕

​মূল কথা হলো: যখনই দেখবেন চারপাশে কোনো মাথামুণ্ডুহীন বিতর্ক শুরু হয়েছে, তখন বুঝবেন আপনার মনোযোগের পকেটমারি হচ্ছে। কোনো এক মহাপুরুষ টেবিলের ওপর একটা 'মরা বিড়াল' ছুড়ে দিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে আসল মালপত্র সরিয়ে ফেলছে।
​আমরাও পাবলিক হিসেবে খাসা! আসল সমস্যা ফেলে আমরা এখন বিড়ালের লেজ গুনতে ব্যস্ত। 🐈‍⬛ মরা বিড়াল জিন্দাবাদ!
​ #বিহাইন্ডদ্যসিন #স্যাটায়ার

02/02/2026

এত কিছু জেনে বুঝেও আমি যদি ব্যক্তিগত আক্রোশের উর্ধ্বে উঠতে না পারি, তবে মূর্খ আর অজ্ঞানীদের দোষ দিয়ে লাভ কি?

🇧🇩 বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক আপনার মৌলিক অধিকার সম্পর্কে কি আপনি সচেতন?  #সংবিধান (পর্ব-১) #জানি_জানাই​আমরা কি জানি, বা...
26/01/2026

🇧🇩 বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক আপনার মৌলিক অধিকার সম্পর্কে কি আপনি সচেতন?

#সংবিধান (পর্ব-১)
#জানি_জানাই

​আমরা কি জানি, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র আমাদের কী কী মৌলিক অধিকারের গ্যারান্টি দিয়েছে? বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) এই অধিকারগুলো স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে।
​আইনগতভাবে এই অধিকারগুলো আদায়যোগ্য। অর্থাৎ, আপনার এই অধিকারগুলো ক্ষুণ্ণ হলে আপনি উচ্চ আদালতের মাধ্যমে তা ফিরে পেতে পারেন। এক নজরে দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু অনুচ্ছেদ:

​⚖️ আইনের দৃষ্টিতে সমতা (অনুচ্ছেদ ২৭): সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

​🚫 বৈষম্যহীনতা (অনুচ্ছেদ ২৮): ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করবে না।

​🛡️ জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩২): আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হতে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

​🗣️ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৯): প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বাক-স্বাধীনতার অধিকারও এখানে সুরক্ষিত।

​🕌 ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৪১): প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।

​🏠 সম্পত্তির অধিকার (অনুচ্ছেদ ৪২): আইনের বিধান সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ ও হস্তান্তরের অধিকার রয়েছে।

​⚖️ মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ (অনুচ্ছেদ ৪৪): যদি আপনার কোনো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, তবে তা বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকার সংবিধান আপনাকে দিয়েছে।

সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের অধিকারগুলো জানা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। কারণ, অধিকার জানা থাকলে কেউ আপনাকে শোষণ করতে পারবে না।

অথচ বিভিন্ন নামে বিভিন্ন ঢং এ আমাদের শোষণ করা হয় নিয়মিত। আমরা কিছুই বলতে পারি না। কেন পারি না? কি মনে হয়?

​ #মৌলিকঅধিকার #সংবিধান

26/01/2026

নিজেকে কষ্ট দেবেন না। কারন আপনাকে কষ্ট দেবার জন্য পুরো পৃথিবী প্রস্তুত হয়ে আছে। নিজের খেয়াল রাখুন। নিজের যত্ন নিন। 🙂

14/01/2026

এক রাজা ছিলেন। একদিন সকালে তার দরবারে অচেনা একটি লোক এসে মাথা নোয়াল, “মহারাজ, আমি আপনার সেবায় নিয়োজিত হতে চাই!”

রাজা মুচকি হেসে বললেন, “তোমার যোগ্যতা কি?”

লোকটি শান্ত গলায় বলল, “আমি প্রাণীদের স্বভাব দেখে তার গোপন কথা বুঝতে পারি।”

রাজা কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকালেন। যদিও কিছু না বলে রাজপ্রাসাদের সবচেয়ে প্রিয় ঘোড়ার আস্তাবলের দায়িত্ব তাকে দিলেন।

কিছুদিন পরে রাজা তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমার সবচেয়ে দামি ঘোড়াটিকে কেমন দেখছ?”

লোকটি উত্তর দিল, “মহারাজ, ঘোড়াটি বাহ্যিকভাবে খুব সুন্দর, কিন্তু এটি জাত ঘোড়া নয়।”

রাজার মুখে বিস্ময়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের অভিজ্ঞ ঘোড়সওয়ারকে ডেকে পাঠালেন। ঘোড়সওয়ার মাথা নিচু করে বলল, “ঘোড়াটি খাঁটি জাতের, তবে জন্মের পরপরই তার মা মারা যায়। ছোটবেলায় সে গরুর দুধ খেয়ে বড় হয়েছে।”

রাজা তখন লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কীভাবে এটা বুঝলে?”

লোকটি বিনম্রভাবে বলল, “মহারাজ, ঘোড়াটি যখন ঘাস খায়, তখন গরুর মতো মাথা নিচু করে খায়। কিন্তু জাত ঘোড়া মুখে ঘাস নেওয়ার পর মাথা উঁচু করে রাখে।”

রাজা তার প্রখর বুদ্ধিতে মুগ্ধ হয়ে প্রচুর পুরস্কার দিলেন। গরু, ছাগল, শস্য, ঘি সব পাঠিয়ে দিলেন তার ঘরে।

একদিন রাজা তাকে ডেকে বললেন, “তুমি এখন থেকে রাণীর প্রাসাদে কাজ করবে।”

কয়েকদিন পরে রাজা জানতে চাইলেন, “আমার রাণী সম্পর্কে তোমার মত কি?”

লোকটি শান্তভাবে বলল, “রাণী খুবই মার্জিত, তার আচরণও রাজকীয়, কিন্তু তিনি জন্মসূত্রে রাণী নন।”

রাজা হতভম্ব হয়ে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার শাশুড়িকে ডেকে আনলেন।

শাশুড়ি কিছুটা ধরা গলায় বললেন, “এটা সত্যি, জন্মের সময় আমি আমার আমাদের মেয়েকে হারিয়েছিলাম। তাই সম্পর্ক বাঁচাতে স্বামীর অজান্তে আমি অন্যের কন্যাকে নিজের মেয়ে হিসেবে বড় করেছি।”

রাজা লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি এটা কীভাবে বুঝতে পারলে?”

লোকটি বলল, “মহারাজ, আসল রাজকন্যারা তাদের ভৃত্যদের সঙ্গে সৌজন্য সহকারে কথা বলে। কিন্তু আপনার রাণী ভৃত্যদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন, যেন ওরা কেবল তার আদেশ পালনের জন্য।”

রাজা আবারও মুগ্ধ হলেন। তিনি তাকে আবারও প্রচুর পুরস্কার দিলেন: গরু, ছাগল, শস্য, ঘি ইত্যাদি এবং এবার তাকে নিজের দরবারে স্থায়ী চাকরিতে নিযুক্ত করলেন।

কয়েক মাস পর, রাজা একদিন মুচকি হেসে বললেন, “তুমি তো সবাইকে চিনে ফেলছ, এবার বলো, আমার সম্পর্কে কি ভাবো?”

লোকটি চুপ করে রইল। তারপর বলল, “মহারাজ, আপনি যদি প্রতিশ্রুতি দেন যে আমার প্রাণ নেবেন না, তবে আমি বলি।”

রাজা রাজকীয় গম্ভীরতায় বললেন, “প্রতিশ্রুতি দিলাম।”

লোকটি মাটির দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনি রাজার সন্তান নন, আর আপনার আচরণেও রাজরক্তের ছাপ নেই।”

রাজার চোখ রাগে লাল হয়ে গেল, কিন্তু প্রতিশ্রুতির কথা মনে পড়ল। তিনি সরাসরি নিজের মায়ের প্রাসাদে গেলেন।

রানীমা গভীর নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, “হ্যাঁ, এটা সত্যি। আমরা সন্তানহীন ছিলাম, তাই এক রাখালের শিশুকে দত্তক নিয়েছিলাম, সেটাই তুমি।”

রাজা শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন, যেন পৃথিবীটা এক লহমায় পৃথিবী বদলে গেল।

কিছুটা ধাতস্থ হয়ে তিনি আবার লোকটিকে ডেকে বললেন, “তুমি কীভাবে টের পেলে?”

লোকটি মৃদু হেসে বলল, “মহারাজ, রাজারা যখন পুরস্কার দেন, তখন তারা হীরা জহরত, মণি মাণিক্য বা সোনাদানা দেন। কিন্তু আপনি দেন ঘি, গরু, ছাগল, শস্য — সেটা রাখালের স্বভাব।”

তারপর কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলল, “মহারাজ, একজন মানুষের আসল পরিচয় তার মুখে নয়, তার আচরণে লুকিয়ে থাকে। পদ-মর্যাদা বা ধনসম্পদ যতই হোক না কেন, মানুষকে মানুষ করে তোলে তার ব্যবহার। আপনি একজন ভালো মানুষ আর এটাই সবচেয়ে বড় কথা।”

রাজা খুশি হয়ে তার কর্মচারীকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।

12/01/2026

অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশী মাতামাতি করবেন না। সেটা সে সেলিব্রিটি ই হোক কিংবা আপনার আশেপাশের কেউ।কারন অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশী ঘাটাঘাটি করা ব্যক্তিত্বহীনতার লক্ষন। অবশ্য ব্যক্তিত্বহীন মানুষ এটা বুঝতে পারবে না। এটাই বাস্তব।

সকাল বেলা কাচা বাজারে গিয়েছিলাম। জিনিসপত্রের যে দাম। পড়ে খালি ছবি তুলে এককাপ চা খেয়ে চলে আসছি। 😀     Device: Nothing 3a
08/01/2026

সকাল বেলা কাচা বাজারে গিয়েছিলাম। জিনিসপত্রের যে দাম। পড়ে খালি ছবি তুলে এককাপ চা খেয়ে চলে আসছি। 😀





Device: Nothing 3a

08/01/2026

এখন থেকে মেনে চলার চেষ্টা করবো।
I will try my best.

06/01/2026

এখনকার গানগুলো বড় অদ্ভুত। বাসার পাশে লাউড স্পিকারে বাজছে, হায়রে বারো মাস, প্রেমের সর্বনাশ।

মানে কি?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emu's Vibe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Emu's Vibe:

Share