Nur Student Banking

Nur Student Banking A newly Micro-Finance system in Bangladesh. Only student can open account here and bank provide them micro load for education purpose.

ব্যাংকে টাকা রাখলে কমে যাওয়ার শঙ্কা!সরকারি, বেসরকারি, বিদেশি মিলিয়ে বাংলাদেশে ৫৮ টি ব্যাংক রয়েছে৷ তাদের প্রত্যেকের ভিন্ন...
27/05/2021

ব্যাংকে টাকা রাখলে কমে যাওয়ার শঙ্কা!

সরকারি, বেসরকারি, বিদেশি মিলিয়ে বাংলাদেশে ৫৮ টি ব্যাংক রয়েছে৷ তাদের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন সুদ হারে আমানতের প্যাকেজ আছে৷ এর মধ্যে ১৬ টি ব্যাংকের গড় সুদ হার ৫ ভাগের নীচে৷ ৩১ টি ব্যাংকই সুদ দিচ্ছে ছয় ভাগের কম৷ সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী, জনতা, রূপালি ও সোনালী ব্যাংকের গড় সুদ হার চার থেকে সাড়ে চার ভাগের মতো৷

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে দেশে ব্যাংক খাতে আমানতের বিপরীতে গড় সুদ হার পাঁচ দশমিক সাত ভাগ৷ অন্যদিকে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হারও দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ ভাগের বেশি৷ এ কারণে ব্যাংকে টাকা রেখে সঞ্চয়কারীরা এখন আর প্রকৃত অর্থে লাভবান হতে পারছেন না৷ বরং তাদের জমা করা টাকার মূল্যমান বা আয় কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে৷

ধরুন ব্যাংকে কেউ ১০০ টাকা জমা রেখেছেন৷ সুদ হার ছয় ভাগ হলে বছর শেষে তিনি ১০৬ টাকা পাবেন৷ কিন্তু মূল্যস্ফীতির হারও যদি ছয় ভাগ হয় তাহলে ১০০ টাকায় এখন যেই পণ্য বা সেবা পাওয়া যায় বছর শেষে তার জন্য ১০৬ টাকা খরচ করতে হবে৷ সেক্ষেত্রে ব্যাংকে টাকা জমা রেখে সেই টাকা থেকে কোনো আয় হবে না আমানতকারীদের৷

এই অবস্থাকে সঞ্চয়ের জন্য মোটেও অনুকূল নয় বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা৷ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘এর অর্থ হলো মানুষের টাকা নাই হয়ে যাচ্ছে৷ দরিদ্র, মধ্যবিত্ত তাদের মূল সম্পদ হচ্ছে টাকা৷ তাদের সঞ্চয়ের অভ্যাস কমে যাবে৷ ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স যাকে বলছি, সেটা কমে যাবে৷''

A short video of Nur Student Banking.
06/04/2021

A short video of Nur Student Banking.

Nur Student Banking | A short Video নূর স্টুডেন্ট ব্যাংকিং

This is a WhatsApp Number of Nur Student Banking. Please stay with us.
04/04/2021

This is a WhatsApp Number of Nur Student Banking. Please stay with us.

আমাদের উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য: * শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে ধরণা দেয়া।* অর্থ সঞ্চয়, সংগ্রহ ও স...
11/11/2020

আমাদের উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য:
* শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে ধরণা দেয়া।
* অর্থ সঞ্চয়, সংগ্রহ ও সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের উদ্বুধ করা।
* ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা তৈরি করা।
* ব্যাংক হতে আমানত গ্রহন ও মুনাফা প্রদানে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করা।

কে উত্তর দিতে পারবেন?
11/11/2020

কে উত্তর দিতে পারবেন?

সারা দুনিয়ার ধনী এবং বিখ্যাত লোকজন তাদের টাকা রাখার জন্য সুইস ব্যাংক কেন এত পছন্দ করেন?এর প্রধান কারণ, গ্রাহকের গোপনীয়...
08/11/2020

সারা দুনিয়ার ধনী এবং বিখ্যাত লোকজন তাদের টাকা রাখার জন্য সুইস ব্যাংক কেন এত পছন্দ করেন?

এর প্রধান কারণ, গ্রাহকের গোপনীয়তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকগুলোর সুনাম। কোন সুইস ব্যাংকে কে কত অর্থ জমা রেখেছে, সেই তথ্য সুইস ব্যাংক পারতপক্ষে ফাঁস করবে না।

এসোসিয়েশন অব সুইস প্রাইভেট ব্যাংকার্স এর প্রধান মিশেল ডি রবার্ট বলেন, একজন ডাক্তার বা আইনজীবী যেভাবে তার রোগী বা মক্কেলের গোপনীয়তা বজায় রাখেন, এখানেও ব্যাপারটা তাই। একজন সুইস ব্যাংকার তার গ্রাহকের কোন তথ্য কাউকে দিতে বাধ্য নন, এটা রীতিমত নীতি এবং আইন বিরুদ্ধ।

১৯৩০ এর দশকে জার্মানিতে যখন ইহুদীরা নাৎসীদের শুদ্ধি অভিযানের মুখে পড়ে, তখন তাদের অর্থ গোপন ব্যাংক একাউন্টে রাখার মাধ্যমে সুইস ব্যাংকগুলোর এই ব্যবসার শুরু।

কিভাবে সঞ্চয় বাড়াবেন, ৪টি উপায়অর্থ সঞ্চয়ের সবচেয়ে কঠিন বিষয় কি জানেন? সঞ্চয় করার সিদ্ধান্ত নেয়া বা সঞ্চয় শুরু ক...
29/10/2020

কিভাবে সঞ্চয় বাড়াবেন, ৪টি উপায়

অর্থ সঞ্চয়ের সবচেয়ে কঠিন বিষয় কি জানেন? সঞ্চয় করার সিদ্ধান্ত নেয়া বা সঞ্চয় শুরু করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন। কিভাবে সঞ্চয় করবেন বা আপনার সঞ্চয়কে কিভাবে আর্থিক লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করবেন - তা আপনার কাছে অনেক সময় জটিল মনে হতে পারে। আর তাই আজ জানিয়ে দেব অর্থ সঞ্চয়ের সহজ কিছু উপায়।

১। খরচের হিসাব রাখুন : অর্থ সঞ্চয়ের প্রথম ধাপে আপনাকে নিজের খরচের পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে। এক মাসের জন্য, আপনার সমস্ত ব্যয়ের হিসাব লিখে রাখুন।কফি, নিউজপেপার কিংবা স্ন্যাকস অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনের ছোট বড় সব খরচ তালিকাভুক্ত করতে হবে। চাইলে আপনি খরচগুলোকে বিভিন্ন ভাগে সাজিয়ে নিতে পারেন যেমন-গ্যাস-কারেন্ট বা অন্যান্য বিল, মুদিখানার খরচ বা ভাড়া। এতে কোন ক্ষেত্রে কত খরচ হচ্ছে তা জানা সহজ হবে।

২। বাজেট তৈরী করুন : নিজের মাসিক খরচ সম্পর্কে যখন ভালো ধারণা পেয়ে যাবেন, তখন অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা করার জন্য বাজেট তৈরী করে নেয়াটা উত্তম। প্রতিদিনের নির্ধারিত বাজেট থেকে অল্প টাকা বাঁচিয়ে নিতে চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত খরচ সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং জরুরি আর্থিক প্রয়োজনের জন্য সেভিংস ফান্ডে আলাদা অর্থ জমা রাখতে পারেন। তাছাড়া যে খরচগুলো নিয়মিত হয় (তবে প্রতি মাসে নয়) তার জন্য কিছু টাকা আলাদা করে রাখতে ভুলবেন না। যেমন ধরুন গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন হয়।

৩। সঠিক পরিকল্পনা তৈরী করুন : সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া কোনকিছুই সফলভাবে করা সম্ভব নয়- সেটা অর্থ সঞ্চয় বা অন্য কিছু হোক। সঞ্চয় করতে হলে আপনাকে কিছু হিসেব কষে এগোতে হবে। আপনি নিজের মাসিক আয়-ব্যয় বিবেচনা করে, আপনার বাজেটের মধ্যে একটি সেভিংস ক্যাটাগরি তৈরী করে নিতে পারেন। খরচের পরিমাণের কারণে যদি আপনার জন্য সঞ্চয় করা সম্ভব না হয়, তবে একটু কাটছাঁট শুরু করতে পারেন। না,আপনাকে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিতে বলছি না। তবে অত্যাবশ্যক নয় এমন ক্ষেত্রে খরচ ভেবেচিন্তে করুন। যেমন ধরুন, বাড়ী বা গাড়ি ক্রয়ের জন্য সঞ্চয় করতে চাইলে আপনি বিনোদন বা বাইরে খেতে যাওয়ার মত অনাবশ্যক বিষয়গুলোতে খরচ কমিয়ে দিতে পারেন। ইন্টারনেট বা টেলিফোন ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন। এসব ক্ষেত্রে সচেতন থাকলে কিছুটা সেভ করা সম্ভব হয়।

৪। সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ণয় করুন : কোন উদ্দেশে সঞ্চয় করবেন সেটা আগে স্থির করুন। এতে সঞ্চয় শুরু করাটা সহজ হবে। নির্ধারিত আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার কতটুকু সময় লাগবে সেটাও জানা জরুরি। কিছু স্বল্প মেয়াদি (১-৩বছর) লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে : •চাকরিচ্যুত হলে বা কোন আর্থিক প্রয়োজনে, ৬ মাস থেকে ১ বছর আপনার ব্যয় নির্বাহ করতে পারবেন এইরূপ একটি জরুরি ফান্ড গঠন। • অবকাশ যাপনের জন্য সঞ্চয়। • নতুন গাড়ি ক্রয়ের জন্য সঞ্চয়। • কর পরিশোধের জন্য সঞ্চয়।

দীর্ঘ মেয়াদি সঞ্চয়ের লক্ষ্য অনেক বছর, এমনকি তা দশক পর্যন্ত চলে এবং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে : • অবসরের জন্য সঞ্চয় করা। • সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্য সঞ্চয়। • বাড়ির পুনর্গঠনের জন্য সঞ্চয় ইত্যাদি।

খেয়াল রাখবেন আপনার আয় থেকে ব্যয়ের পরিমাণ যেন বেশি না হয়। বেশি হোক বা কম হোক প্রতি মাসে টাকা বাঁচানো নিশ্চিত করুন। তাতে খুব সহজে আপনার আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন।

সাধারণ ব্যাংক বনাম ইসলামী ব্যাংককোনটি বেশি ভালো? বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইসলামী ব্যাংকিং। এর সফলতায় মুগ্ধ হয়ে ইস...
19/10/2020

সাধারণ ব্যাংক বনাম ইসলামী ব্যাংক
কোনটি বেশি ভালো?

বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইসলামী ব্যাংকিং। এর সফলতায় মুগ্ধ হয়ে ইসলামিক উইন্ডো চালু করতে শুরু করেছে নানা নামিদামি আন্তর্জাতিক ব্যাংকও। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের এই অগ্রযাত্রাকে অকপটে স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের ভাষ্য মতে, বিশ্বজুড়েই ইসলামী ব্যাংক ব্যাপক জনপ্রিয় হচ্ছে এবং এ ধারার ব্যাংকিংয়ের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।

আইএমএফ ইসলামী ব্যাংকিং সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ খাতে (ইসলামী ব্যাংকিং) মুনাফা ও লোকসান দুটিই সমানভাবে গ্রহণ করা হয়। এতে কাউকেই খুব বেশি ঝুঁকিতে পড়তে হয় না। ঝুঁকি একেবারেই কম থাকায় গণমানুষ এ ব্যাংকিংয়ে ঝুঁকছে। ব্যাপকভাবে প্রসারিত হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকিং। আস্থা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে এ খাতে বিশ্বে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে তাতে এটি অনেক সম্ভাবনাময়। (সূত্র : যায়যায়দিন)

অনেকের ধারণা ব্যাংক তো ব্যাংকই। ইসলামী আর অনৈসলামিক শুধু লেবেলমাত্র। উভয়ই ঋণ দেয়, সুদ নেয়। পার্থক্য হলো, একজন সরাসরি আর অন্যজন ঘুরিয়ে। বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়। প্রকৃতপক্ষে ইসলামী ব্যাংক ও সুদি ব্যাংকের মধ্যে অনেক দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। বাহ্যত ইসলামী ব্যাংক ও সুদি ব্যাংকের লেনদেন, বিনিয়োগ ও অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত না হলেও দুটি ব্যবস্থারই কার্যক্রমের নীতিমালা, পদ্ধতি ও অন্যান্য মৌলিক বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বহু পার্থক্য।

নিচে এর কয়েকটি মৌলিক পার্থক্য সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো— ইসলামী ব্যাংকের বৈশিষ্ট্য: ইসলামী ব্যাংক এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা তার মৌলিক বিধান ও কর্মপদ্ধতির সব স্তরেই ইসলামী শরিয়ার নীতিমালাকে মেনে চলতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু সুদভিত্তিক ব্যাংক এমনটা নয়।

ইসলামী ব্যাংক অর্থের ব্যবসা করে না, বরং পণ্যের ব্যবসা করে। ইসলামী ব্যাংকে নগদ অর্থ পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না, বরং নগদ অর্থকে পণ্য বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সুদি ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে সুদি অর্থের ব্যবসা করে, অর্থাৎ অর্থকে ব্যবসার পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে।

ইসলামী ব্যাংক সব ক্ষেত্রে ইসলামী শরিয়তের নির্দেশনাবলি মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এতদুদ্দেশ্যে ইসলামী ব্যাংকে একটি তদারককারী শরিয়া বোর্ড থাকে। পক্ষান্তরে সুদি ব্যাংকের অস্তিত্ব যেহেতু সুদের ওপর নির্ভরশীল, সুতরাং সেখানে শরিয়া বোর্ড থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না।

ইসলামী ব্যাংকের মুখ্য উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা অর্জন করা নয়। ইসলামী ব্যাংককে সমাজের কল্যাণ-অকল্যাণের প্রতি দৃষ্টি রাখতে হয়। তাই লাভজনক হলেও সমাজের জন্য ক্ষতিকর কোনো খাতে ইসলামী ব্যাংক অর্থ বিনিয়োগ করতে পারে না। পক্ষান্তরে সমাজের কল্যাণ-অকল্যাণের প্রতি দৃষ্টি দিতে সুদি ব্যাংকগুলো বাধ্য নয়। এ ব্যাপারে তারা নিরপেক্ষ। সুদসহ মূলধন ফেরত আসবে কি না, এটাই তাদের দেখার বিষয়। সেখানে হালাল-হারামের প্রশ্ন অবান্তর।

ইসলামী ব্যাংক আসলের অতিরিক্ত কোনো অর্থ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কাউকে কোনো নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে প্রদান করে না। কারণ ঋণের ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশ হচ্ছে ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে শুধু আসল ফেরত নেবে, চুক্তির ভিত্তিতে আসলের অতিরিক্ত কিছু নিলে সুদ হবে। অতিরিক্ত নিতে চাইলে বিনিয়োগ করতে হবে।

অর্থাৎ অর্থের সাহায্যে পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় করতে হবে। সুদি ব্যাংক আসলের অতিরিক্ত কিছু উপার্জনের উদ্দেশ্যে ঋণগ্রহীতাকে নির্দিষ্ট হারে সুদে নগদ অর্থ লোন বা ঋণ প্রদান করে থাকে। ঋণগ্রহীতার ক্ষতি হলেও সুদি ব্যাংকের কিছু যায় আসে না। তারা তাদের বিনিয়োগ করা অর্থ সুদে আসলে ফেরত পেলেই হলো।

ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অংশীদারি কারবারে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয়েরই যৌথ দায়িত্ব থাকে এবং পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুসারে ব্যবসার লাভ-লোকসানে অংশ নেয়। ইসলামী ব্যাংক ব্যবসার সব দায়-দায়িত্ব ও লোকসানের বোঝা বিনিয়োগ গ্রহীতার ওপর ছেড়ে দেয় না; বরং ইসলামের বিধান অনুযায়ী লোকসানেরও বোঝা বহন করে।

অন্যদিকে সুদি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ব্যাংক সুদসহ আসল পূর্ণভাবে আদায় করে নেয়। ব্যবসার সব দায়-দায়িত্ব ও লোকসানের বোঝা ঋণগ্রহীতাকে একাই বহন করতে হয়। ঋণগ্রহীতার লোকসানের দিকে সুদি ব্যাংক আদৌ কোনো নজর দেয় না।

ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বিনিয়োগকৃত মূলধনের নিরাপত্তা এবং সুনির্দিষ্ট আয়ের কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবে ব্যবসায়ে লাভের জন্য এবং লোকসানের হাত থেকে বাঁচার জন্য ব্যাংক বিশেষজ্ঞরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে থাকেন। আর সুদি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মূলধন পূর্ণ নিরাপদ এবং সুদের মাধ্যমে আয়ের বৃদ্ধিও সুনির্ধারিত ও সুনিশ্চিত।

ইসলামী ব্যাংক অর্থ জমাদানকারীদের কোনো নির্দিষ্ট লাভ প্রদানের অগ্রিম আশার বাণী শোনায় না। ব্যাংক জমাদানকারীদের অর্থ ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে যে মুনাফা অর্জন করে থাকে, তার থেকে একটি অংশ বা হার (পূর্ব শর্তানুযায়ী) জমাদানকারীদের প্রদান করে থাকে। আর সুদি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুদের হার পূর্বনির্ধারিত থাকে। ব্যাংক ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে বেশি হারে সুদ নেয় এবং তার থেকে কম হারে আমানতকারীদের সুদ প্রদান করে।

ইসলামী ব্যাংকগুলো সুদের বিনিময়ে টাকা খাটায় না। বরং ব্যাংক নিজে কিংবা উদ্যোক্তার মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে। এই ইসলামী পদ্ধতিতে ব্যবসার মূলধন সংগ্রহ ও বিনিয়োগ করে থাকে। কিন্তু সুদি ব্যাংকগুলোর আসল ও প্রধান কাজ হলো সুদের বিনিময়ে টাকা খাটানো।

ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহর নির্দেশিত পথে সমাজ থেকে শোষণের অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধন করা। আর সুদি ব্যাংক সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে বাধ্য নয়। অর্থের ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের মুষ্টিমেয় শ্রেণির ভাগ্যোন্নয়নেই এর কার্যক্রম প্রধানত সীমাবদ্ধ।

ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের সম্পর্ক হলো পণ্য বিক্রেতা ও ক্রেতার এবং ব্যবসার লাভ-লোকসানের অংশীদারত্বের; সুদি ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের সম্পর্ক থাকে মহাজন-খাতকের এবং সুদগ্রহীতা ও সুদদাতার। ইসলামী ব্যাংক নিজেকে সমাজ সংগঠনের একটি অংশ মনে করে। ব্যাংকের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করা।

ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলো পণ্য কেনা-বেচার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখানে বিনিয়োগ গ্রাহককে নগদ অর্থ প্রদান করা হয় না। কিন্তু সুদি ব্যাংকগুলো পণ্য কেনা-বেচা করতে বাধ্য নয়, এখানে গ্রাহক বা ঋণগ্রহীতার হাতে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

ইসলামী ব্যাংক বিনিয়োগ তথা পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একবার মুনাফা ধার্য করার পর তা মেয়াদোত্তীর্ণ (ড়াবত্ফঁব) হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য ব্যাংক দ্বিতীয়বার কোনো মুনাফা ধার্য করতে পারে না। কারণ ইসলামী শরিয়তে ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের পর পণ্যের মূল্য ক্রেতার কাছে ঋণ হিসেবে গণ্য হয়।

আর ঋণের ওপর সময়ের ব্যবধানে অতিরিক্ত কিছু আদায় করার অর্থই হচ্ছে সুদ আদায় করা। কিন্তু সুদি ব্যাংক তাদের কোনো হিসাব মেয়াদোত্তীর্ণ হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য তারা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আদায় করে থাকে। লেখক: মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা তথ্যসূত্র: কালেরকন্ঠ।

নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র বা প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ঋণ দিতে আগ্রহ দেখাচ...
06/10/2020

নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র বা প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ঋণ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না অনেক ব্যাংক।
তাহলে কী করছে #বাংলাদেশ_ব্যাংক?

প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র বা প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত ৩ হাজার কোটি টাক...

 #ব্যাংকের প্রধান ও মৌলিক দু’টি কাজের প্রথমটি হলো আমানত সংগ্রহ করা আর দ্বিতীয়টি আমানতের টাকা ঋণ/বিনিয়োগ রূপে উপযুক্ত ব্য...
23/09/2020

#ব্যাংকের প্রধান ও মৌলিক দু’টি কাজের প্রথমটি হলো আমানত সংগ্রহ করা আর দ্বিতীয়টি আমানতের টাকা ঋণ/বিনিয়োগ রূপে উপযুক্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা।

১৯৭২ সালে পাকিস্তান আমলের ১২টি ব্যাংককে ছয়টিতে একীভূত (Merge) করে সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা, পূবালী এবং উত্তরা নামে রাষ্ট্রীয় অধ্যাদেশে জাতীয়করণ করা হয়।

আশির দশকের সূচনাতে বাংলাদেশে প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রমের সূত্রপাত ঘটে। ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব পূবালী এবং উত্তরা ব্যাংক দু’টিকে বেসরকারী খাতে ছেড়ে দেয়া হলে ব্যক্তি মালিকানায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার দ্বার উন্মোচিত হয়। পরে ধাপে ধাপে ব্যাংক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৫১টি দেশী এবং ৯টি বিদেশী ব্যাংক নিয়ে গড়ে উঠেছে ৬০ ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকিং পরিবার।

তবে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংক্ষেপে এস.এম.ই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র বিমোচন, বেকারত্ব দূরীকরণ, আঞ্চলিক বৈষম্য কমানো, নারী পুরুষের সমতা বিধান ও নারীক্ষমতায়ন বাস্তবায়নে এস.এম.ই খাত এক অসীম ভূমিকা রেখে চলেছে।

আমাদের দেশের বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী ক্ষমতা অপরিসীম। দুর্বার পরিশ্রম আর প্রবল আত্মবিশ্বাস এ খাতকে প্রভাবিত করে দেশের আর্থ-সামাজিক আবস্থাকে আরও গতিশীল করে তুলতে পারে। কেননা দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০% ই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প।

#বিশ্বব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আর এই অসামান্য অর্জনের পেছনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অপরিসীম অবদান রয়েছে। সাম্প্রতিক কালে এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মাননীয় গভর্নর ডঃ আতিউর রহমান দাবি করেছেন, বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি সফল অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সেই ধারাবাহিকতায়, #নুর_স্টুডেন্ট_ব্যাংকিং চালু হয়েছে, শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং কার্যক্রম শেখাতে, অর্থ সঞ্চয় ও উদ্যোক্তা তৈরি করতে।

 #নুর_স্টুডেন্ট_ব্যাংকিংঢাকায় প্রথম ব্যাংকিং ব্যবস্থা: ‘ঢাকা ব্যাংক’সোনা, রুপা, হীরা, জহরত প্রভৃতি মূল্যবান বস্তু গচ্ছিত...
20/09/2020

#নুর_স্টুডেন্ট_ব্যাংকিং
ঢাকায় প্রথম ব্যাংকিং ব্যবস্থা: ‘ঢাকা ব্যাংক’

সোনা, রুপা, হীরা, জহরত প্রভৃতি মূল্যবান বস্তু গচ্ছিত রেখে টাকা ধার দেওয়া কিংবা এসব জিনিসপত্র সামান্য লাভে গচ্ছিত রাখার বিধান প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশে চলে আসছিল । সাধারণত সুবর্ণ বণিক, বণিক, কুণ্ডু ও পোদ্দার পদবিধারী মহাজন শ্রেণীর লোকেরা শহর-বন্দর, গঞ্জ-বাজারে গদিঘর প্রতিষ্ঠা করে মাল গচ্ছিত রাখা এবং টাকা ঋণ দেওয়ার কারবার করতেন যা জনসাধারণ্যে ‘পোদ্দারি ব্যবসা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় ।
কর্ম ও পেশাভিত্তিক বাঙালি হিন্দু সমাজে সুবর্ণ বণিকরা সোনার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন । স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের পোদ্দারি ব্যবসা ঘিরেই বাংলায় ব্যাংক ব্যবসার গোড়াপত্তন হয় । ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় প্রথম হিন্দুস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রায় ৭৫ বছর পর ১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকায় আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয় । ‘ঢাকা ব্যাংক’ নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি ৫ লাখ টাকা প্রস্তাবিত মূলধন, বিনিয়োগকৃত মূলধন ৩ লাখ এবং প্রতিটি শেয়ারের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পধচলা শুরু করে ।
ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদের মতে, ১০ বছর মেয়াদি অংশীদারি চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করা হয় । ৫০০ টাকা মূল্যের ১ হাজার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহ করার অনুমতি দেওয়া হয় । শেয়ারগুলো মূলত নীলকর, জমিদার, ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও ইংরেজ আমলারা কেনেন । ঢাকা ব্যাংকের উদ্যোক্তা ছিলেন সার্জন জর্জ ল্যাম্ব, জেপি ওয়াইজ, ড. টি এ ওয়াইজ, খাজা আলিমুল্লাহ প্রমুখ । ঢাকার কমিশনার জন ডানবার, সিভিল ডা. ওয়াইজ এবং খাজা আবদুল গনি ছিলেন ব্যাংকের ওসি । সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আলেকজান্ডার ফোর্বস । ১০ বছর পর ১৮৫৬ সালে ঢাকার বাইরে বসবাসরত শেয়ারহোল্ডাররা তাদের অংশ বিক্রি করতে চাইলে ব্যাংটি বন্ধ হয়ে যায় (ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদের মতে) ।
তারপর ঢাকায় বসবাসরত শেয়ারহোল্ডাররা বাইরের মালিকদের শেয়ার কিনে নতুন করে ঢাকা ব্যাংক চালু করেন । ১৮৬২ সালে ‘ব্যাংক অব বেঙ্গল’ ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার মালিকদের ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৯৯ টাকার সমান শেয়ার প্রদান করে ‘ঢাকা ব্যাংক’ কিনে নেয় । এ বছর থেকেই ব্যাংকটি সরকারের পক্ষে সব ট্রেজারি ও ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান শুরু করলে এটা সমগ্র পূর্ব বাংলার একমাত্র সরকারি কোষাগারে পরিণত হয় । মূলত ব্যাংক অব বেঙ্গল তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সনাতনী পোদ্দারি ব্যবসার মূলে কুঠারাঘাত করে । সূত্র : প্রথম আলো

 #ব্যাংক_ব্যবস্থার_ইতিহাসসনাতন পদ্ধতির ব্যাংকিং বিলুপ্ত হতে শুরু করে ৪০০ থেকে ১৪০০ সালের মধ্যকার সময়ে। হাজার বছরের এই সম...
09/09/2020

#ব্যাংক_ব্যবস্থার_ইতিহাস

সনাতন পদ্ধতির ব্যাংকিং বিলুপ্ত হতে শুরু করে ৪০০ থেকে ১৪০০ সালের মধ্যকার সময়ে। হাজার বছরের এই সময়টিকে ব্যাংক ব্যবস্থার মধ্যযুগ বলা হয়। এ সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা উন্নত হতে থাকে। ইউরোপের দেশগুলোতে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটায় ব্যাংকিং ব্যবস্থারও উন্নয়ন ঘটে। সপ্তম শতাব্দীতে রোম শহরে ইহুদি ব্যবসায়ী ও ধনকুবেরদের যৌথ উদ্যোগে ব্যাংক ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়। ১১৫৭ সালে প্রথম ব্যাংকের দেখা মিলে। ভেনিস সরকারের প্রচেষ্টায় ‘ব্যাংক অব ভেনিস’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যেটি পৃথিবীর প্রথম ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।

ব্যাংকের আধুনিক যুগের সূচনা হয় ১৪০০ সালে। ১৪০১ সালে ‘ব্যাংক অব বার্সিলোনা’ প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে এর কার্যাবলী বিস্তৃত হতে থাকে। এই ব্যাংককে বিশ্বের প্রথম আধুনিক ব্যাংকের মর্যাদা দেয়া হয়।
সূত্র: অনলাইন।

Address

Cha-110/4, North Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nur Student Banking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category