09/09/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও ঝুঁকি-ভিত্তিক (Risk-Based) অডিট নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে বাঁচার বা সুরক্ষার একমাত্র কার্যকর উপায় হলো সঠিক,নির্ভুল ও আইনসম্মতভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা। যেহেতু এই প্রক্রিয়ায় কোনো ম্যানুয়াল বা মানুষের হস্তক্ষেপ থাকে না,তাই তদবির বা অনৈতিক উপায়ে নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
করদাতারা নিজেদের সুরক্ষায় নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:
■ সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য প্রদান :
● আয়ের সাথে ব্যয়ের মিল: জীবনযাত্রার ব্যয়, সম্পদ এবং প্রদর্শিত আয়ের মধ্যে যেন বাস্তবসম্মত সামঞ্জস্য থাকে।
● সঠিক উৎস প্রদর্শন: বেতন, ব্যাংক সুদ, রেন্টাল ইনকাম বা অন্যান্য খাতের আয়ের ঘোষণা নির্ভুলভাবে দেওয়া।
■ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ :
● নিয়মিত ফাইল প্রস্তুত রাখা: আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ ও সম্পদের সপক্ষে সব ধরনের প্রমাণাদি (যেমন- ব্যাংক স্টেটমেন্ট,স্যালারি সার্টিফিকেট, দলিলের কপি ও ইউটিলিটি বিল)আলাদা ফাইলে গুছিয়ে রাখা।
● টিডিএস (TDS) সনদ: উৎসে কর কাটা হলে তার চালান বা সার্টিফিকেট নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
■ প্রতারক থেকে সতর্ক থাকা :
● ফোন বা ফাঁদে পা না দেওয়া: অডিটের নামে কোনো প্রতারক চক্র ফোন করে টাকা দাবি করলে তা এড়িয়ে চলুন। এনবিআরের তালিকা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল থেকে নিজ দায়িত্বে যাচাই করুন।
■ অডিটে নাম এলে করণীয় :
সময়মতো জবাব দেওয়া: অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে আতঙ্কিত না হয়ে নোটিশের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও কাগজপত্র জমা দিন। প্রয়োজনে সংশোধিত রিটার্ন(Revised Return) দাখিলের সুযোগ নিতে পারেন।
゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚ #আয়করআইন #আয়কর #আয়কর আয়কর রিটার্ন জমা ও দাখিল