Value Investing Guideline

Value Investing Guideline Stock Investing is a game of mindset and discipline. Follow us to learn the game.

28/06/2025



প্রশ্ন: আমি তো কোম্পানির মালিকপক্ষের কাউকে চিনি না। তাহলে কিভাবে বুঝব কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট সৎ এবং দক্ষ?

উত্তর: ধরুন আপনি আপনার বাসার নিচের মুদির দোকানদারকে ব্যবসা বাড়ানোর জন্য টাকা দিলেন। আপনি তার থেকে মূলত কি প্রত্যাশা করবেন? আপনি মূলত ৩টি প্রত্যাশা করবেন:

১। আপনার টাকা সে সঠিকভাবে বিনিয়োগ করুক।

২। টাকা পাবার পর সে আপনাকে এড়িয়ে না যাক বরং ব্যবসার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করুক।

৩। আপনাকে নিয়মিত প্রফিট শেয়ার করুক।

সে এই ৩টা কাজ করলেই আপনার চলবে। সে শিক্ষিত নাকি অশিক্ষিত, ধার্মিক নাকি অধার্মিক কিছুই জানার দরকার নাই।

ঠিক একইভাবে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট ভাল কিনা জানবেন একইরকম ৩টি উপায়ে:

১। ক্যাপিটেল এলোকেশন: ম্যানেজমেন্ট কিভাবে শেয়ারহোল্ডারদের টাকা বিনিয়োগ করেছে এতদিন? তাদের আগের বিনিয়োগগুলো কি সফল? সেই বিনিয়োগ থেকে রিটার্ন কেমন আসছে? সবকিছুই আপনি ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট স্টাডি করলেই পেয়ে যাবেন। ROIC এবং ROIC এর Trend ক্যাপিটেল এলোকেশনের ভালমন্দ বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেশিও। এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট অপ্রাসংগিক ক্যাপেক্স করছে কিনা, ক্যাপেক্স করতে গিয়ে প্রচুর লোন নিয়ে ব্যালেন্স শিট দুর্বল করে ফেলছে কিনা ইত্যাদি সবকিছুই ক্যাপিটেল এলোকেশন বোঝার জন্য জরুরি। অপ্রাসংগিক ক্যাপেক্স হতে পারে সম্পূর্ণ আনরিলেটেড বিজনেস শুরু করে ডাইভার্সিফাই করা, যে বিজনেসে তাদের কোন এক্সপার্টিজ নেই। পিটার লিঞ্চ এটাকে বলেছেন "Diworsification", কারন এটা কোম্পানির অবস্থা "Worse" করার সম্ভাবনাই বেশি।

২। এনুয়াল রিপোর্টে কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং ডিরেক্টরদের চিঠি থাকে। ঐগুলা পড়ে আপনি বুঝতে পারবেন তারা কি দায়সারা কথাবার্তা বলছে নাকি আসলেই আপনাকে শেয়ারহোল্ডার হিসাবে সম্মান করে কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি শেয়ার করছে। ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট স্টাডি করেও আপনি বুঝতে পারবেন তারা কতটুকু লুকাতে চায়, কতটুকু মিথ্যা বলে আর কতটুকু সত্যি বলে। বিলিয়নিয়ার ইনভেস্টর রামদেও আগ্রাওয়াল বলেন, "শুধুমাত্র রেশিও এনালাইসিস যদি কেউ খুব গভীরভাবে করে, ম্যানেজমেন্টের এমন কোন জারিজুরি নেই যা বের হবে না"। সেই সাথে একাউন্টিং শার্প প্র‍্যাক্টিস বা ফ্রড বুঝার মত দক্ষতা থাকতে হবে। সেজন্য সত্যম কম্পিউটার, এনরন, ওয়ার্ল্ডকম ইত্যাদি কেইস স্টাডিগুলো বোঝা জরুরি।

৩। কোম্পানির ম্যানেজমেন্টের কাজ একটাই- শেয়ারহোল্ডারের ভ্যালু বাড়ানো। তারা আপনার টাকা দিয়ে ব্যবসা করে প্রফিট করে আপনাকে প্রফিটের একটা অংশ শেয়ার করবে। বাকি টাকা ব্যবসায় আবার বিনিয়োগ করে ব্যবসার ভ্যালু বাড়াবে। এতে করে আপনি ডিভিডেন্ড এবং ক্যাপিটেল গেইন দুইভাবে মুনাফা করবেন। যদি ডিভিডেন্ড না দেয়, তাহলে পুরো প্রফিট কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে আরও বেশি করে ভ্যালু বাড়াবে। অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডারকে যে করেই হোক টাকা বানিয়ে দিবে। এ কাজটা কি তারা এতদিন করেছে কিনা দেখতে হবে। যদি ডিভিডেন্ড না দেয় তাহলে অধিক পরিমাণ রিটেইনড আর্নিং দিয়ে তারা কী করছে, সেই কাজের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডার উপকার পাচ্ছে কিনা দেখতে হবে।

বুঝতেই পারছেন, কথায় নয়, কাজে পরিচয়। কোম্পানির মালিকের সাথে পরিচয় না থেকেও শুধু তার আচরণ এবং কাজ দেখেই আপনি প্রায় নিশ্চিত ধারণা করতে পারবেন ম্যানেজমেন্ট ভাল নাকি খারাপ। সেই সাথে গুগলে অল্পবিস্তর সার্চ দিয়ে এদের নামে কোন ভায়োলেশন/মামলা/রেগুলেটরের কোন জরিমানা আছে কিনা সেগুলোও দেখে নিতে পারবেন। আশা করি উত্তরটি বুঝতে পেরেছেন।

05/06/2025



শেয়ারবাজারে অধিকাংশ মানুষ কোন শেয়ারটি ভাল হবে বা কোন শেয়ারটি এখন কিনতে হবে সেটা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন সবসময়। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, ভাল শেয়ার সিলেকশন পুরো ইনভেস্টিং গেইমের মাত্র ৫ ভাগের ১ ভাগ। রহস্যময় এই শেয়ার বাজারের পাজলের এলিমেন্ট আসলে ৫টা:

১। Knowledge to select a good stock: কোন শেয়ারটি কত দামে কিনলে সেটা সঠিক ইনভেস্টমেন্ট হবে সেটা বের করার উপযুক্ত শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা।

২। Conviction to buy: অনেকেই আছেন নিজে এনালাইসিস করে একটা ভাল শেয়ার বের করেন ঠিকই, কিন্তু আশেপাশের কেউ শেয়ারটা নিয়ে খারাপ কিছু বললে আত্মবিশ্বাসের অভাবে শেয়ারটি আর কিনতে পারেন না। সেই আত্মবিশ্বাসই হল Conviction। ইনভেস্টরের এনালাইসিস যত স্ট্রং হবে, Conviction তত স্ট্রং হবে।

৩। Courage to bet big: অনেকেই আছেন যারা ভাল শেয়ার চিনতেও পারেন, আত্মবিশ্বাসের সাথে কিনতেও পারেন। কিন্তু পোর্টফোলিওর একটা বড় অংশ বিনিয়োগ করতে ভয় পান। এমনিতেই দেশের শেয়ারবাজার ছোট, বছরে ৩-৪ টার বেশি ভাল সুযোগ পাওয়া যায় না। সেই সুযোগগুলো বুঝতে পেরেও কেউ যদি পোর্টফোলিওর ৪-৫% এর বেশি কিনতে ভয় পায়, তাহলে কখনোই পোর্টফোলিও আগাবে না। Good investor আর Great investor এর পার্থক্যই হচ্ছে Great investor যখন কোন একটা শেয়ারের ব্যাপারে Conviction অর্জন করেন, তখন তিনি Big Bet নেন।

৪। Patience to hold: এই ব্যাপারটা Conviction এর সাথে সম্পর্কিত। সেই সাথে কিছুটা Spiritual। আপনি শেয়ার কেনার পর কাংখিত দামে যাবার আগে প্রচুর উঠানামা করবে। ২০-৩০% কমেও যেতে পারে। তখন যার Conviction যত ভাল আর যার Patience যত বেশি, সেই Hold করতে পারবে। Hold করতে না পারলে শেয়ারবাজারে থেকে কোন লাভ নেই।

৫। Art of selling: কখন সেল করতে হবে সেটা জানা হচ্ছে পাজলের শেষ এলিমেন্ট। স্টপলস হচ্ছে সবচেয়ে দুর্বল সেলিং এর আর্ট। প্রাইস ডাউনে স্টপলস নেয়া মানে হল ঐ শেয়ারটি নিয়ে আপনার কোন ধারণাই নেই। ভাল ইনভেস্টর সেল করেন ৩ সময়ে:
- যখন বিজনেস নিয়ে তার Conviction নষ্ট হয়ে যায়।
- যখন শেয়ারটি Severely Overvalued হয়ে যায়।
- যখন তিনি আরও ভাল Opportunity পান।

পোর্টফোলিওর ওভারঅল গ্রোথ নির্ভর করে এই ৫টা বিষয়ে কার কত দখল তার উপর। বিনিয়োগকারির সারাজীবনের সাধনা হল এই ৫টা এলিমেন্টে নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলা।

11/01/2024

Stock market gives two options:
1. Gamble
2. Not gamble
Now it's your choice!

01/01/2024

#কুইজ

নিচের কোন কথাটি সঠিক?

১। কোন শেয়ারের টার্গেট প্রাইস কেনা দামের ২০% বেশি আর স্টপলস ১০% কম হলে রিওয়ার্ড টু রিস্ক রেশিও ২ঃ১।

২। যে বিজনেসের দাম শেয়ার মার্কেটে বেশি উঠানামা করে সেই বিজনেসে ইনভেস্টমেন্ট বেশি রিস্কি।

৩। কেউ যদি প্রতি বছর টোটাল পোর্টফোলিওর ১৫% করে প্রফিট করে এবং প্রফিটের টাকা বের করে নেয় তাহলে ৫ বছর পর তার CAGR ১৫%।

৪। স্টিল ম্যানুফেকচারিং কোম্পানির বিজনেস রিস্ক, সফট ড্রিংক্স ম্যানুফেকচারিং কোম্পানির রিস্কের চেয়ে বেশি।

৫। High Inflation Time এ সবচেয়ে কম রিস্কি বিজনেস হল Accounting Goodwill সম্পন্ন বিজনেস।

সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে প্রথম তিনজন পুরষ্কার পাবেন "শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টিং মাইন্ডসেট" বইটি।

17/12/2023



শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কি শর্ট টার্ম? নাকি লং টার্ম? ট্রেডিং কি শর্ট টার্ম নাকি লং টার্ম? আপনার যদি মনে হয় ট্রেডিং শর্ট টার্ম, আর ইনভেস্টিং হল লং টার্ম তাহলে নিচের সিচুয়েশনটা দেখুনঃ

প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে আপট্রেন্ডে থাকা একটা Z ক্যাটাগরি শেয়ার সবেমাত্র রেসিস্ট্যান্স ব্রেক করেছে। মেজর সব ইন্ডিকেটর পজিটিভ এবং মার্কেটে এটার ব্যাপারে পজিটিভ নিউজের অভাব নেই। ইপিএসও বেশ ভাল এসেছে। একজন ট্রেডার টেকনিকাল এনালাইসিস করে এন্ট্রি নিল। তার এন্ট্রি নেবার পরপরই সেল প্রেশার আসল এবং ঐদিন আর তার পরের দুই দিনে মোট ২০% কমে গেল। শেয়ার ম্যাচিওর না হওয়ায় ট্রেডার স্টপলসে সেল করতে পারল না। পরের দিন সকালে সেল করতে গিয়ে দেখল শেয়ারটি বায়ারলেস। দিন শেষে দেখল গত ৪ দিনে সব মিলিয়ে ৩০% লস। এত লসে একটা শেয়ার বিক্রি করার ইচ্ছা বা সাহস তার নেই। এদিকে সে যার থেকে সাজেশন নিয়েছিল সে তাকে আশ্বস্ত করেছে দাম বাড়বে তাই ধরে রাখেন। লোকটা ধরে বসে আছে। বছরখানেক হয়ে গিয়েছে, এখনো কেনা দামের ধারে কাছে যায়নি। মার্কেটে এমনও ট্রেডার আছে ৫ বছর ধরে বসে আছে একটা শেয়ার নিয়ে, পুঁজি অর্ধেক শেষ, তাও কেনা দামের ধারে কাছেও যায়নি। তাহলে এটা কি লং টার্ম হল না? কিন্তু সে কি ইনভেস্টিং করেছিল নাকি ট্রেডিং? আবার ভ্যালু ইনভেস্ট করে ৩ মাসে ২০% প্রফিট কি হয়না কখনো? অবশ্যই হয়। তাহলে এটা কি লং টার্ম হল? এদিকে আবার ওয়ারেন বাফেট বলেছেন, "Our holding time is forever"। গেইমটা জটিল হয়ে গেলনা?

তাহলে ইনভেস্টিং কি শর্ট টার্মে করতে হবে নাকি লং টার্মে? আপনাদের কার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান। এছাড়াও "শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টিং মাইন্ডসেট" বইতে এটার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে।

12/12/2023



ডিস্কাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো (DCF) মেথডে ভ্যালুয়েশন করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ডিস্কাউন্ট রেট নির্ণয়। এটা অনেকেই সূত্রে বসায় ঠিকই, কিন্তু বুঝতে পারেনা কি করছে আসলে। আজকে সেটাই আলোচনা করব।

ভ্যালুয়েশন হচ্ছে সকল ভবিষ্যত ক্যাশ ফ্লোর বর্তমান মূল্য। তারমানে ভবিষ্যতে আপনি বছর বছর যে ক্যাশ ফ্লো পাবেন বলে আশা করছেন, সেগুলোকে আজকের মূল্যে প্রকাশ করতে হবে। সেজন্য লাগবে ডিস্কাউন্ট রেট।

ধরুন, আপনি এই বছর ১০০ টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে পরের বছর সম্পূর্ণ রিস্ক ফ্রি ১০% ইন্টারেস্ট পাবেন এবং মূল টাকাও ফেরত পাবেন। অর্থাৎ, পরের বছর আপনার ক্যাশ ফ্লো হবে ১১০ টাকা। তাহলে পরের বছরের ১১০ টাকার বর্তমান মূল্য কত? ১১০÷(১+১০%) = ১১০÷১.১ = ১০০ টাকা, এটাই তো আপনি বর্তমানে বিনিয়োগ করছেন এই বছর, নাকি? অর্থাৎ আপনার সঞ্চয়পত্রের বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা। এখানে এই ১০% হল ডিস্কাউন্ট রেট। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে যে রেটে আপনি প্রফিট বা ইন্টারেস্ট আশা করছেন সেই এক্সপেক্টেড ইন্টারেস্ট রেটই হচ্ছে ডিস্কাউন্ট রেট। এই রেটের সাহায্যে আপনি পরের বছরের ক্যাশ ফ্লো থেকে ডিস্কাউন্ট করে এই বছরের বিনিয়োগের মূল্য পেয়ে গেলেন। এই হল একদম প্রাথমিক ধারণা।

এখানে আপনার বিনিয়োগ ১০০% রিস্ক ফ্রি ছিল অর্থাৎ, কত টাকা ফেরত পাবেন সেটা ছিল গ্যারান্টেড। কিন্তু ব্যবসা গ্যারান্টেড কিছু নয়। এখানে রিস্ক আছে। অনেকেই হয়তো জানেন না, ডিস্কাউন্ট রেট মূলত বিজনেস রিস্কের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

ধরুন, আপনার বন্ধু আপনাকে তার কোম্পানির শেয়ার কিনতে বলল। শেয়ারপ্রতি মূল্য দাবি করল ১ লক্ষ টাকা। বন্ধুটি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিল তার বিজনেস বেশ স্টেবল এবং প্রতি বছর শেয়ারপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকার মত প্রফিট হবে (যদিও শেয়ারপ্রতি প্রফিট বা ইপিএসের চেয়েও ভ্যালুয়েশনের অধিকতর সঠিক মাপকাঠি হচ্ছে ফ্রি ক্যাশ ফ্লো, এখানে সহজভাবে বোঝানোর জন্য ইপিএস ধরে নিলাম) এবং প্রফিটের পুরোটাই আপনাকে দিবে সারাজীবন। তারমানে প্রায় ১০ বছরে আপনার পুঁজি উঠে আসবে এবং এরপর থেকে আপনি যা পাবেন তাই লাভ। আপনার বন্ধুর অফার অনুযায়ী, কোম্পানিটির ইপিএস প্রায় ১০ হাজার টাকার মত হবে প্রতিবছর এবং যেহেতু আপনি ১ লক্ষ টাকায় প্রায় ১০ হাজার টাকা পাচ্ছেন প্রতি বছর, তাই আপনার এক্সপেক্টেড ইন্টারেস্ট রেট ১০%।

এখন তার ব্যবসাটি ভালভাবে বুঝে আপনি যদি আশ্বস্ত হন যে আপনার বন্ধুটি বিশ্বস্ত এবং দক্ষ, প্রতি বছর ব্যবসা করে সে আপনাকে প্রায় ১০ হাজার টাকা করে দিতে পারবে এবং ব্যবসাটি অন্তত ১০ বছর টিকে থেকে অন্তত আপনার পুঁজি ফেরত দিবে, তাহলে আপনি তার অফার গ্রহণ করতে পারেন।

কিন্তু আপনার যদি মনে হয় ব্যবসাটি এতটাই রিস্কি যে এটার ১০ বছর টিকে থাকতেই কষ্ট হবে তখন আপনি কি করবেন? আপনি তখন চেষ্টা করবেন আপনার পুঁজি আরও দ্রুত উঠিয়ে ফেলতে। এটা শুধু তখনই সম্ভব যখন আপনি এক্সপেক্টেড ইন্টারেস্ট রেট বাড়িয়ে দিবেন। অর্থাৎ, ব্যবসাটি থেকে ইয়ারলি বেশি প্রফিট আশা করবেন যেন দ্রুত পুঁজি উঠে যায়। কত দ্রুত উঠাবেন, সেটা নির্ভর করে ব্যবসাতে কত বেশি রিস্ক আছে তার উপর। যদি মনে হয় ৫ বছরের পর কোম্পানি টিকবে কিনা গ্যারান্টি নেই, তখন আপনি চাইবেন ৫ বছরে যেন পুঁজি উঠে আসে। অর্থাৎ, বছরে যেন আপনি ২০% করে প্রফিট পান এটাই হবে আপনার কাউন্টার অফার। কিন্তু বছরে আপনাকে ২০% প্রফিট দিতে হলে তো ইপিএস হতে হবে ২০ হাজার টাকা। কিন্তু আপনার বন্ধু তো বলেই দিয়েছে মোটামুটি ১০ হাজার টাকা ইপিএস জেনারেট করতে পারে তার কোম্পানি। হঠাৎ করে তো আর কোন কোম্পানির ইপিএস ২ গুণ হবে না। তাহলে শেয়ারপ্রতি ২০ হাজার টাকা কোথা থেকে আসবে? তাই, এই অফারটি আপনার বন্ধুর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে উপায়? উপায় হল ১০ হাজার টাকা ইপিএস থেকেই ২০% প্রফিট দিতে হবে। এটা শুধু তখনই সম্ভব যখন শেয়ারের দাম ১ লক্ষ টাকা না হয়ে ৫০ হাজার টাকা হবে। ১০ হাজার ÷ ৫০ হাজার = ২০%। তাই আপনি তখন বন্ধুকে শেয়ারপ্রতি ৫০ হাজার টাকা অফার করবেন। এভাবে আপনি ডিস্কাউন্ট রেটকে ১০% থেকে ২০% করে শেয়ারের ভ্যালুয়েশন কমিয়ে আনলেন এবং সঠিক দামে শেয়ারটি কিনলেন। মনে রাখতে হবে, এখানে সরলীকরণ করার জন্য ডিস্কাউন্ট রেটকে সরল সুদ আকারে দেখানো হয়েছে। বাস্তবে এটা কম্পাউন্ড ইন্টারেস্ট।

তাহলে দেখা যাচ্ছে রিস্কের সাথে ডিস্কাউন্ট রেটের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। রিস্ক বেশি হলে এক্সপেক্টেড রিটার্ন বেশি হবে, তারমানে ডিসকাউন্ট রেট বেশি হবে এবং বিজনেসের ভ্যালুয়েশন কমে যাবে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের এরকম অসংখ্য কনসেপ্ট রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সকল কনসেপ্ট একসাথে পাবেন "শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টিং মাইন্ডসেট" বইটিতে।

  বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কি পুরোপুরি ম্যানিপুলেটরদের দখলে? টেকনিকাল এনালাইসিস কি আদৌ কাজ করে? ইনভেস্টিং মানেই কি শুধু লং ...
08/12/2023




বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কি পুরোপুরি ম্যানিপুলেটরদের দখলে? টেকনিকাল এনালাইসিস কি আদৌ কাজ করে? ইনভেস্টিং মানেই কি শুধু লং টার্ম? শেয়ার মার্কেটে ইকোনোমির প্রভাব কেমন? বন্ড মার্কেটের সাথে শেয়ার মার্কেটের সম্পর্ক কি? ফাইন্যান্সিয়াল এনালাইসিস এবং ভ্যালুয়েশন শিখে কিভাবে দক্ষ ইনভেস্টর হবেন? ইন্সটিটিউট কিভাবে শেয়ার ব্যবসা করে? সবকিছুর উত্তর থাকছে "শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টিং মাইন্ডসেট" বইটিতে।

শেয়ারবাজারের ৮০% গেইম হল মাইন্ডসেট। এই বইতে প্রচলিত ভুল মাইন্ডসেটগুলো Expose করা হয়েছে। সেই সাথে সঠিক মাইন্ডসেট এবং স্ট্র‍্যাটেজিগুলো শিখানো হয়েছে বিস্তারিত!

28/11/2023



দেশের শেয়ার বাজারের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো সবসময় ভাল ডিভিডেন্ড দেয়। লোকাল কোম্পানি যদি অনেক ভাল প্রফিট করে, এবং প্রফিটের টাকা যদি ভালভাবে ইনভেস্ট করতে নাও পারে, তাও দেখবেন তারা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখবে, তবুও ভাল ডিভিডেন্ড দিবে না। এর কারন কি?

কারন হচ্ছে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো কোন একক মালিকের অধীনে থাকে না। এবং মালিকপক্ষ কোম্পানি চালায় না। উদাহরণস্বরূপ লাফার্জ হোলসিমের মালিক (মেজর শেয়ারহোল্ডার) হচ্ছে সুরমা হোল্ডিং বি. ভি. নামক একটি নেদারল্যান্ডস বেইজড হোল্ডিং কোম্পানি। তারা কয়েকজন নমিনেটেড ডিরেক্টর নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশের লাফার্জ চালানোর জন্য। কোম্পানিটির ডিরেক্টর শেয়ার ৬৪%। কিন্তু বলা আছে "Nominee Directors of Surma Holding B.V. Do not hold any share in person." তারমানে হচ্ছে ডিরেক্টররা এখানে জাস্ট বেতনভুক্ত কর্মচারী। শেয়ার তাদের হাতে নেই, আছে সেই হোল্ডিং কোম্পানির হাতে। শুধুমাত্র বাংলাদেশের ইসলাম সিমেন্ট এবং সিনহা ফ্যাশনস ৫.২৮% শেয়ার হোল্ড করে। বাদবাকি ডিরেক্টর শেয়ার আসলে নেদারল্যান্ডের ঐ হোল্ডিং কোম্পানির। তাহলে এবার আপনি বলুন, এই কোম্পানির আসল মালিকপক্ষ, অর্থাৎ সুরমা হোল্ডিং বি.ভি. এর কর্ণধারগণ যদি বাংলাদেশের লাফার্জ থেকে প্রফিটের টাকা পেতে চান, তাহলে কি করতে হবে? সহজ উত্তর হল ডিভিডেন্ড ডিক্লেয়ার করতে হবে। নইলে টাকা বিদেশে পাঠানো বৈধভাবে সম্ভব হবে না। আপনি আমি যেমন এটার সাইলেন্ট ইনভেস্টর হিসাবে ডিভিডেন্ড পাই, এটার মালিকপক্ষও এমনই, ডিভিডেন্ড থেকে ইনকাম করে। কাজ করে বেতন নেয় না। সেজন্যই ওরা গত বছর ইপিএসের ১২৫% ডিভিডেন্ড দিয়েছে, অর্থাৎ কিছু ডিভিডেন্ড রিটেইন্ড আর্নিং থেকে দিয়েছে। কারন ওরা বুঝতে পেরেছে প্রফিটের টাকা দিয়ে খুব বেশি ইনভেস্ট করার তাদের আর সুযোগ নেই। তাই এখন তারা শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। ওয়ারেন বাফেটের থাম্ব রুল হল যদি ১ টাকা রিটেইন্ড আর্নিংকে ব্যবসায় রিইনভেস্ট করে কমপক্ষে ১ টাকা ভ্যালু জেনারেট করা না যায়, তাহলে আর্নিংকে রিটেইন না করে ডিভিডেন্ড দিয়ে দেয়া উচিত। এটাই গুড প্র‍্যাক্টিস। এই গুড প্র‍্যাক্টিস শুধু ঐসব কোম্পানিই ফলো করবে যাদের কন্ট্রোলিং অথরিটি ডিভিডেন্ডের উপর নির্ভরশীল। অন্য কোন উপায়ে টাকা পাবার সুযোগ নেই (শেয়ার বিক্রি করে দেয়া ছাড়া)।

এবার আসি লোকাল কোম্পানিগুলোতে। এগুলো বেশিরভাগই হচ্ছে ফ্যামিলি বিজনেস। মেজর শেয়ারহোল্ডাররা ম্যাক্সিমামই ফ্যামিলি মেম্বারস নাহয় আত্মীয়স্বজন। সেই সাথে দুই চারজন পেইড ডিরেক্টর এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর। চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড ডিরেক্টরদের প্রায় সবাই মোটা অংকের মাসিক বেতন গ্রহণ করে। যেহেতু ডিরেক্টরদের সবাই ফ্যামিলি মেম্বার, তাই ফ্যামিলির বিদেশ ভ্রমণের খরচ কোম্পানির আদার্স এক্সপেন্সে ঢুকিয়ে দিলেও দেখার কেউ নেই। কোম্পানির সব ফেসিলিটি তাদের জন্য উন্মুক্ত এবং সেই সাথে আছে মোটা অংকের মাসিক বেতন। ডিভিডেন্ড ১ টাকা না পেলেও এদের কিন্তু কোন সমস্যা নেই। তাই হাজার কোটি টাকা রিটেইন্ড আর্নিং সেভিংস একাউন্টে ফেলে রাখবে, ৫০-৬০ কোটি টাকার বেশি রিইনভেস্ট কোনকালেই করবে না, কিন্তু ডিভিডেন্ড কখনোই ভালভাবে দিবে না। অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। তাই ইনভেস্ট করার সময় অবশ্যই ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার ভালভাবে বুঝে নিতে হবে।

27/11/2023



প্রায় সময় সাধারণ বিনিয়োগকারিদের একটা অভিযোগ থাকে যে তার শেয়ারটির ইপিএস ভাল এসেছে কিন্তু দাম খুব বেশি বাড়ে নি। এর পিছনে মূল কারন দুইটিঃ

১। প্রথম কারন হতে পারে ভ্যালুয়েশন আগেই জাস্টিফাই হয়ে যাওয়া। ধরুণ ২০২২ সালের ৩য় কোয়ার্টারে কোন একটি শেয়ার তার হিস্টোরিকাল হাইয়েস্ট ইপিএস ১.৮০ টাকা দেখাল, যেটা বিগত বছরের ৩য় কোয়ার্টারের প্রায় ২ গুণ এবং এই বছরের ২য় কোয়ার্টার থেকেও অনেক বেশি। দেখা গেল দামও বেড়ে প্রায় ২ গুণ হয়ে অল টাইম হাই হয়েছে। এরপর কিছুদিন ১০-১৫% কারেকশন হল। ততদিনে ২০২৩ এর প্রথম কোয়ার্টার চলে আসল এবং ইপিএস হল ১.৬০ টাকা, যেটাও আগের বছরের প্রথম কোয়ার্টারেরও প্রায় ২ গুণ। কিন্তু এবার দেখা যাবে দাম আর সেভাবে বাড়ছে না। কারন মার্কেট সবেমাত্র ১.৮০ টাকা কোয়ার্টারলি ইপিএস এর ভ্যালুয়েশনকে জাস্টিফাই করে সামান্য কারেকশনে গিয়েছে। ১.৬০ টাকার ভ্যালুয়েশন তার তুলনায় বেশি হবার কথা নয়। তাই অল টাইম হাই এর যে রেজিস্ট্যান্স ১.৮০ টাকা ইপিএস এর নিউজে তৈরি হয়েছে, ১.৬০ টাকা ইপিএস দিয়ে এটা ভাংগার সম্ভাবনা কম।

২। দ্বিতীয় কারন হল ক্যাশ ফ্লো প্রব্লেম। অনেক কোম্পানিই আছে যাদের সেলস আর প্রফিট গ্রোথ বেশ ভাল, কিন্তু ক্যাশ ফ্লো দুর্বল। এর অনেক কারন থাকতে পারে। ম্যানেজমেন্টের ক্যাশ ফ্লো ম্যানেজে ভুল থাকতে পারে। অথবা ব্যবসাটির ধরণ এমন হতে পারে যে অনেক বেশি ওয়ার্কিং ক্যাপিটেল লাগে, তাতে করে প্রফিট হয় ঠিকই, কিন্তু পরের বছরের ইনভেন্টরি কিনে রাখতে গিয়ে ক্যাশ আউট হয়ে যায়। আবার অনেক কোম্পানি আছে যারা সাপ্লায়ার থেকে কাঁচামাল কিনে নগদে কিন্তু কাস্টমারকে প্রোডাক্ট সেল করে বাকিতে। তখন অটোমেটিক ক্যাশ নিয়ে ক্রাইসিস শুরু হয়। আবার অনেকের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ক্যাপেক্স এক্সপেন্স অনেক বেশি করতে হয়, যেটা ফ্রী ক্যাশ কমিয়ে দেয়। যেহেতু ভ্যালুয়েশন মানেই হল শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্যাশ জেনারেট করার ক্যাপাবিলিটি। তাই প্রফিট ভাল হলেও ক্যাশ ফ্লোর দুর্বলতার কারনে অনেক শেয়ার ভাল দাম পায় না।

28/10/2023



সহজ বাংলায় এটার মানে হল "রিস্ক যত কম নেওয়া যায়"।

ধরুন, আপনার পছন্দের ABC কোম্পানির বিগত ৩ বছরের অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো গ্রোথ হয়েছে ১০%, ৮% এবং ৬%। ভ্যালুয়েশন করার সময় যদি আপনি পরের বছরের গ্রোথ ১০% বা তার বেশি ধরেন, তাহলে একটা রিস্ক থেকেই যায়। ২০১৯ সালে দাঁড়িয়ে কেউ কি ভেবেছিল পরের বছরগুলোতে লাগাতার করোনা, যুদ্ধ, ইনফ্লেশন আর রিজার্ভ ক্রাইসিস হতে থাকবে? সেজন্যই একজন কনজার্ভেটিভ ইনভেস্টর পরবর্তী ৫ বছরের এভারেজ গ্রোথ ধরবেন বড়জোড় ৬-৭%। মানে সবচেয়ে খারাপটার কাছাকাছি।

ওয়ারেন বাফেট যখন ১৯৮৮ সালে কোকাকোলা কিনেছিলেন, তখন তার আগের ৭ বছরের এভারেজ ক্যাশ ফ্লো গ্রোথ ছিল ১৭%। অথচ বাফেট যে দামে কিনেছেন, ক্যাশ ফ্লো গ্রোথ পরের ৫ বছরে ১০% করে ধরলেও সেটার চেয়ে বেশি ভ্যালু আসে। বোঝাই যায়, কতটা কনজার্ভেটিভ ইনভেস্টমেন্ট তিনি করেছেন। কোম্পানির তখনকার সিইও সকল লস মেকিং সাবসিডিয়ারি বিজনেস বন্ধ করে রিটেইন্ড আর্নিংকে কোম্পানির কোর বিজনেসে (কোক) ইনভেস্ট করে গ্লোবাল বিজনেসে পরিণত করার কাজ করছিলেন। তাই আরও অনেক বেশি দামে কিনলেও এখান থেকে লস হত না। কিন্তু ভ্যালুয়েশন এপ্রোচে এরপরেও তিনি ছিলেন অনেক কনজার্ভেটিভ।

এরকম এপ্রোচে আপনি সবচেয়ে ভাল ফলাফল পাবেন খারাপ মার্কেটে। দেখবেন যে মার্কেট যতই খারাপ হোক, আপনার কেনা দামের চেয়ে খুব বেশি কমে যাচ্ছেনা।

বুলিশ মার্কেটে এভাবে ভ্যালুয়েশন করলে আন্ডারভ্যালুড কোম্পানি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সেজন্য খারাপ মার্কেটে অনেক কম দামে যেসব শেয়ার কিনবেন, তার কিছু অংশ অবশ্যই রেখে দিবেন ২০১০ বা ২০২১ এর মত মার্কেটে চড়া দামে বিক্রির জন্য। ঐরকম মার্কেটে অনেকেই পিক প্রাইসে শেয়ার কিনে সর্বস্ব হারায়। এই এপ্রোচ আপনাকে ঐরকম পরিস্থিতি থেকে সবসময় রক্ষা করবে।

26/10/2023

বর্তমান প্রেক্ষাপটে করণীয়ঃ

১। ভাল দামে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ার যেগুলো ভাল ডিভিডেন্ড দেয় সেগুলোতে বিনিয়োগ করা।

২। অনেকের কাছে ইতোমধ্যে এরকম শেয়ার আছে। কিন্তু মার্কেট স্লো হওয়ায় বিক্রি করার মত ভাল দাম উঠছে না। নিরাশ না হয়ে হোল্ড করতে হবে। নির্বাচনের আগে মার্কেট খুব বেশি ভাল হবার সম্ভাবনা কম। এটা মেনে নিতে হবে এবং স্টাডি চালিয়ে যেতে হবে। যাদের বিজনেস এমনিতে ভাল কিন্তু অর্থনীতির কারনে কিছুটা খারাপ সময় যাচ্ছে এরকম কোম্পানি খুঁজে বের করে অবজার্ভ এবং অল্প অল্প করে বিনিয়োগ করতে হবে।

৩। ভাল শেয়ার লস দিয়ে সেল করবেন না। হোল্ড করুন আর ডিভিডেন্ড উপভোগ করুন। ক্যাপিটেল গেইন হবেই।

৪। স্টপলস বেসিসে সুইং ট্রেড পরিহার করতে হবে।

৫। গুজব, নিউজ, আইটেম ব্যবসায়ীদের কথায় ইমোশনাল হয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

৬। ট্রেজারি বিল/ বন্ডে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এখন ইল্ড বেশ ভাল। তবে ইসলামে এগুলো হালাল নয়।

৭। অর্থনীতি নিয়ে জানাশোনা বৃদ্ধি করা এখন খুব দরকার। পলিসি রেট, স্মার্ট রেট, এক্সচেঞ্জ রেট, ট্রেজারি বিল-বন্ড ইল্ড, ব্যালেন্স অব পেমেন্ট, রিজার্ভ, ইনফ্লেশন, রেমিট্যান্স ইত্যাদি সবকিছুই একে অপরের সাথে রিলেটেড। এগুলো নিয়ে অবশ্যই জানা উচিত।

৮। ওভারট্রেডিং করা যাবেনা। এরকম মার্কেটে আসল কাজ হল কোন কিছু না করে বসে থাকা।

৯। মার্জিন লোন নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

১০। অলস টাকা থাকলে শুধুমাত্র সেটা দিয়েই শেয়ার কিনতে হবে। আর্জেন্ট বেসিসে এখান থেকে কোন ইনকাম হবে না।

26/10/2023



ইউজিন ফ্রামা নামের একজন ফাইন্যান্সের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এই থিওরির জনক। তার মতে, "যে কোন ইনফরম্যাশন যখন এভেইলেবল হয়, অনেক বেশি মানুষ দ্রুত সেই ইনফরম্যাশনকে ব্যবহার করে শেয়ার কেনাবেচা করে ফেলেন। সেই কারনে শেয়ারের প্রাইস সাথে সাথে এডজাস্ট হয়ে যায় এবং কেউই প্রফিট করতে পারেনা।"

যাই হোক, এই থিওরিটি একটি সম্পূর্ণ ভুল থিওরি। কেউ আপনাকে এই থিওরি দেখিয়ে যদি ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট পড়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে, তার কথায় কান দেবার দরকার নেই।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Value Investing Guideline posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Value Investing Guideline:

Share