29/07/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমাদের দেশ বাংলাদেশ। এই দেশ একটি ছোট্ট ভূখণ্ডের মাধ্যমে বর্তমান লোকসংখ্যা প্রায় ২২ কোটি বসবাস করিতেছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই অবস্থান করিতেছে প্রায় চার থেকে পাঁচ কোটি লোক। কাজেই ঢাকার এরিয়া অনুযায়ী প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৫০ হাজার লোক বসবাস করিতেছে। ফলে ঘনবসতি হওয়ার কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়িতেছে । ঘনবসতি হওয়ার কারণে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে না থাকার কারণে বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং খুচরা বিক্রেতা যে যেভাবে পারিতেছে অধিক মূল্য ইচ্ছাকৃতভাবে নিচ্ছে। ফলে আমাদের দেশের চার শ্রেণীর লোকের মধ্যে যারা নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকদের জন্য মানবতার জীবন যাপন করে চলতে হচ্ছে । বাংলাদেশে বিভিন্ন বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাহারা ঠিক মত সরকারকে ট্যাক্স দেয় না কিন্তু জনগণের কাছ থেকে তারা ঠিকই ভ্যাট ট্যাক্স নিচ্ছে। বড় বড় শপিং মল গুলাতে তারা আমাদের কাছ থেকে ভ্যাট ট্যাক্স ঠিকই নিচ্ছে কিন্তু এটা সরকারের ঘরের সঠিকভাবে যাচ্ছে কিনা কে দেখবে?? আবার দেশের বেকারত্বই পরিমাণ বেড়ে গেছে ফলে দেশের ভিতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন দল গঠন করে যে দলগুলোর নেই কোন নিবন্ধন নেই কোন সরকার অনুমোদন।অথচ তারা ১০ জন ছেলে রাস্তায় নেমে বিশৃঙ্খলা করিতেছে। বড় বড় দলগুলো কর্মীরা রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে মারামারি রক্ত খায়ি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার যদি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি কন্ট্রোল না করে তাহলে এটা ভয়ংকর আকার ধারণ করবে বলে আমি মনে করি। এক ছাত্র রাজনীতি আরেক ছাত্র রাজনীতির হিংসা প্রতি হিংসা বন্ধ না করে তাহলে ভবিষ্যৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কোন আদর্শিক মানুষ গড়ে উঠবে না। আদর্শিক মানুষ গড়ে তুলতে হলে নৈতিক শিক্ষা, চারিত্রিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতো হবে। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে ,শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে, পিতা মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বয়োজ্যেষ্ঠ সিনিয়রদের সম্মান করতে হবে। প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে আদর্শগত নৈতিক শিক্ষায় তৈরি করতে হবে। ছাত্রদের মধ্যে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের হাদিস শরীফ চর্চা করতে হবে।শিক্ষকদের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। দেশের বেকারত্ব দূর করতে হলে সরকারকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই কর্মসংস্থান তৈরির পথ শিল্প ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে হবে। যেখানে হাজার হাজার লাখ লাখ লোক কর্মসংস্থান থাকবে। কারিগরি শিক্ষার প্রতি সরকারকে বেশি নজর দিতে হবে।অহেতুক কোন লোক চায়ের দোকানে বসে আড্ডা মারতে পারবেন। চা খাওয়া শেষ হবে পাঁচ মিনিটের মধ্যে এখান থেকে ত্যাগ করতে হবে। আমি একটি পরিসংখানে দেখেছি এবংঅবজার করেছি যত ধরনের অপকর্ম হইতেছে বিভিন্ন বস্তি এবং মহল্লা ভিতরে চায়ের দোকান, রিক্সার গ্যারেজ এবং বড় বড় রেস্টুরেন্ট গুলাতে হচ্ছে। কাজেই সরকারকে প্রতিটা ঘরে ঘরে যাওয়া সম্ভব নয়। মহল্লায় মহল্লায় নীতিবান ও আদর্শ শিক ভাল লোক দ্বারা কমিটি গঠন করে এগুলো পরিচালনা করতে হবে। তাহলে সমাজের ভেতরে মারামারি হিংসা-বিদ্বেষ দূর হবে। বিভিন্ন বেসরকারি কেজি স্কুল গূলাতে যে হার ছাত্রের গার্ডিয়ানের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় সেই হারে শিক্ষা দেওয়া হয় না। এই প্রতিষ্ঠানগুলো কে সরকারের ট্যাক্সের আওতায় আনা উচিত বলে আমি মনে করি। স্কুলগুলোকে মনিটরিং করা উচিত বলে আমি মনে করি। ঐ সমস্ত স্কুলে মনিটরিং কমিটি নাই তারা নিজেরা যাচ্ছে তাই করে। পরীক্ষার ফি তাদের ইচ্ছামত নিচ্ছে, ক্লাস পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা নেবে সেই পরীক্ষারও ফি নিচ্ছে। বছরে ছয়টা পরীক্ষা। প্রত্যেকটা পরীক্ষার ফি ৬ ০০ এবং ১৭০০। তাই আসন বিশৃঙ্খলা নয় ,শান্তি, ঐক্য ,সহযোগিতা ও সহমর্মিতা ইত্যাদি দিয়ে আমরা এই দেশটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলি এবং যখন যে সরকার আসবে সেই সরকারকে সহযোগিতা করি। যাহাতে পরবর্তী প্রজন্ম তারা দেশটাকে সুন্দরভাবে চালায়। একটা জাতি তিন জায়গা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে। এক হলো তার পরিবার থেকে, দুই হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তিন হল কর্মসংস্থান থেকে। কিন্তু আমাদের দেশে এটা কিছুই হচ্ছে না। ধন্যবাদ ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।