Learn & Earn BD

Learn & Earn BD Learn & Earn - স্টক মার্কেট নিয়ে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম।

Learn & Earn - স্টক মার্কেট নিয়ে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম।

এখানে আমরা টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করি, যা আপনাকে স্টক মার্কেট ইনভেস্টিং সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেবে। আমাদের বিভিন্ন তথ্য এবং এনালাইসিস আপনাকে একজন সফল ইনভেস্টর হতে সাহায্য করবে।

শিখুন ও উপার্জন করুন -- এই লক্ষ্য নিয়ে পেজটি ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন!

A good read.......
28/04/2026

A good read.......

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে তীব্র সংকট দেখেছে। যখন শেয়ারের দাম মৌলিক ভিত্তির অনেক ওপরে উঠে যায় এবং .....

উন্নত দেশগুলোতে ইন্সুরেন্স সেক্টর যতদুর এগিয়ে গেছে সে তুলনায় বাংলাদেশে ইন্সুরেন্স সেক্টর এখনও প্রাচীনকালে পরে আছে বলা চল...
27/08/2025

উন্নত দেশগুলোতে ইন্সুরেন্স সেক্টর যতদুর এগিয়ে গেছে সে তুলনায় বাংলাদেশে ইন্সুরেন্স সেক্টর এখনও প্রাচীনকালে পরে আছে বলা চলে। প্রাতিষ্ঠানিক/রেগুলেটরি বাধ্যবাধকতা ছাড়া আমাদের দেশে বিমা সেরকম জনপ্রিয় না। সাস্থ্য বিমা, জীবন বিমা, শিক্ষা বীমা উন্নত দেশে যতটা পরিচিত আমাদের দেশে ততটাই অপরিচিত। সেই দৃষ্টিতে চিন্তা করলে এই সেক্টর অনেক দূর এগিয়ে যাবে এটা জোর দিয়েই বলা যায়।
---------------------------
তবে এই সেক্টর এগিয়ে যাবার চ্যালেঞ্জও কম নয়।

== মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ ধর্মীয় কারনে বিভিন্ন বীমা প্রডাক্টে আগ্রহী নয়।

== আমাদের প্রসাশনিক দুর্বলতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার অভাব।

==বীমা দাবী নিষ্পত্তিতে ভোগান্তি।

==জন সচেতনতা এবং প্রচারের যথাযথ প্লানের অভাব, ইত্যাদি।

কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত অস্বস্তির জায়গাটা একটু ভিন্ন। সেটা হচ্ছে স্টক মার্কেটে এই সেক্টরের উথান পতন। আমি এই সেক্টর থেকে বেশ কিছু বড় লাভ নিয়েছে কয়েকবার। এখন অবশ্য আমার বিনিয়োগ পোর্টফলিও ভিন্ন দর্শনে সাজানো। কিন্তু যতবার প্রফিট তুলেছি একটা বড় অস্বস্তি কাজ করেছে নিজের মাঝে।

এই সেক্টরে ভবিষ্যৎ ভালো। ঠিক আছে। তাই বলে পুরো সেক্টরের সবগুলো ইন্সুরেন্স কোম্পানির শেয়ার একসাথে জামাতের সাথে হল্টমুডে বাড়তে হবে?? পুরো পৃথিবীর স্টক মার্কেটের ইতিহাস ঘাটলে এমন নজির পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয় না। প্রতিটা সেক্টরে কিছু লিডিং, টপ পারফরমিং কোম্পানি থাকে। যেমন লিডিং ব্যাংক, লিডিং ফারমাসিউটিক্যাল, লিডিং ফুড কোম্পানি ইত্যাদি।

কোন সেক্টরের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখা দিলে সেই সেক্টরের লিডিং/টপ পারফরমিং কোম্পানিগুলো বেশি বাড়বে, বাকিরা কম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। বিশ্বজুড়ে তাই হয়। কিন্তু বাংলাদেশের স্টক মার্কেটে ইন্সুরেন্স কোম্পানির শেয়ার যখন বাড়ে তখন সবাই জামাতের সাথে একসাথে লাফিয়ে বাড়ে, কে সিংহ, কে ভেড়া, কে আব্দুল কাদের, কে ওবায়দুল কাদের তা বোঝা মুশকিল। আবার যখন দাম কমতে থাকে তখন সবার দাম একসাথে জামাতের সাথে কমতে থাকে। বাংলাদেশে স্টক মার্কেটে ইন্সুরেন্স সেক্টরে নিয়ে এমন ম্যাজিক হ্যালির ধুমকেতুর মত ৭৬ বছর পর পর নয় দুই চার বছর পর পরই দেখা যায়। যা আমার কাছে খুবই ইলজিক্যাল।

সেক্টরের সম্ভাবনা আছে বাড়ুক, ১০ গুন বাড়ুক। তবে সেই বাড়াটা স্বাভাবিক ভাবে বাড়ুক, ভালো কোম্পানি গুলো বেশি বারুক, খারাপ গুলো কম বাড়ুক।

যাহোক, আমার কথায় তো আর ইন্সুরেন্স সেক্টর চলবে না তবে আমার কথায় আশাকরি কেউ না কেউ একটু সচেতন হবে।
-----------------------------
ব্যক্তিগত অভিমতঃ
----------------------------
==আপনি যদি বিনিয়োগকারী হন তাহলে সময় নিয়ে ভালো ইন্সুরেন্স কোম্পানি গুলো এনালাইসিস করে ওয়াচলিস্টে রাখুন। যখন এই সেক্টর আবার ঘুমিয়ে যাবে, যখন সারাদিনে এই সেক্টর নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্টও আপনার চোখে পড়বে না তখন কিনে রাখুন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই সেক্টরে এখনও কিছুই হয় নি বলা চলে। সময় লাগলেও ভালো কোম্পানি গুলো সত্যিকার ট্রেন্ডে এগিয়ে যাবে বলা যায়।

==আপনি যদি ভালো টেকনিক্যাল এনালিস্ট হন এবং ট্রেডিং সেটাপে আপনি আপনার প্রফিট এবং স্টপলস নীতি কঠোর ভাবে মেনে চলেন তাহলে দেখে শুনে আপনি ইন্সুরেন্স সেক্টরের শেয়ার এন্ট্রি/এক্সিট নিয়ে সিধান্ত নিতে পারেন। ফিবনাক্কি দেখে নিতে পারেন। ব্রেকাউট অথবা পুলব্যাক।

== আপনি যদি এই দুই দলের কেউ না হন, তাহলে আপনি পুরো স্টক মার্কেট থেকেই দূরে থাকুন। অল্প পুঁজি দিয়ে বাস্তবে অভিজ্ঞতা নিন। জানুন, শিখুন তারপর বড় বিনিয়োগে নামুন।
----------------------------------
স্টক মার্কেট থেকে লাভকরা যতটা সহজ, তার চেয়ে বেশি সহজ লস করা। স্টক মার্কেটের আচরন আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন না। কিন্তু চেস্টা করলে অবশ্যই নিজের আচরন কন্ট্রোল করতে পারবেন। নিজের বিনিয়োগ সিধ্নান্তগুলো কন্ট্রোল করতে পারবেন। শুভকামনা ইন্স্যুরেন্স সহ সব সেক্টরের বিনিয়োগকারীদের জন্য।
---------------------------------
জেনে বুঝে সিধান্ত নিন।
জানুন, শিখুন, নিজের বিনিয়োগ সিধান্ত নিজেই নিন।
যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে। আমাদের গ্রুপ
https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

১। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস Vs টেকনিক্যাল এনালাইসিস।২। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস কিভাবে কাজে লাগিয়...
22/08/2025

১। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস Vs টেকনিক্যাল এনালাইসিস।
২। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস কিভাবে কাজে লাগিয়ে স্টক পছন্দ করতে পারি?
আমার কাছে ২ নম্বর প্রশ্নটা অনেক বেশি লজিক্যাল।
যাহোক শুরু করিঃ
ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস Vs টেকনিক্যাল এনালাইসিস। বিস্তারিত যুক্তিতর্ক করতে গেলে ঘুরে ফিরে আমাদের ২ নম্বর প্রশ্নেই ফিরতে হবে। চলুন দুটি প্রশ্নের উত্তর একসাথে খোঁজার চেষ্টা করি।
==== ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের সীমাবদ্ধতাঃ ====
o শর্ট টার্মে পুরো বাজারের (ইনডেক্স) সেন্টিমেন্ট বোঝা যায় না।
o শর্ট টার্মে স্টকের মুভমেন্ট প্রেডিক্ট করা যায় না।
==== ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের কার্যকারিতাঃ ====
o দীর্ঘমেয়াদে স্টকের ফিউচার প্রেডিক্ট করা যায়।
o একজন বিনিয়োগকারি টেকনিক্যাল এনালাইসিস না জেনেও খুব ভালোভাবে একজন সফল বিনিয়োগকারী হতে পারেন।
o ভালো ডিভিডেন্ড ইল্ড দেয়া স্টক খুঁজে পাওয়া সহজ।
o প্রতিদিন স্টকের মুল্য দেখা অর্থহীন। টার্গেট প্রাইস নোটিফিকেশন সেট করে রাখাই যথেষ্ট।
o অবমুল্যায়িত স্টক, অতিমুল্যায়িত স্টক, ফেয়ার ভ্যালু স্টক বের করতে সাহায্য করে।
o আপনি যদি সত্যিকার অর্থে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বিশদ ভাবে করতে জানেন এবং সেই একই সেক্টরের বাকি স্টক গুলোর সাথে আপানার পছন্দের স্টক কিভাবে এগিয়ে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে জানেন তাহলে আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিস জানা ছাড়াই অনেক ভালো একজন বিনিয়োগকারি হতে পারবেন।
o ফ্লাট/স্লো মার্কেটেও আপনার পোর্টফলিও আপনাকে সবসময় ট্যাক্স সুবিধাসহ ভালো রেটে প্রতিবছর ভালো ডিভিডেন্ড দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়।
o ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের কার্যকারিতা লিখে উপসংহার টানা দুরহ কাজ। গুটি কয়েক সীমাবদ্ধতা বাদে বিনিয়োগের প্রতিটি ধাপেই ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
==== টেকনিক্যাল এনালাইসিসের কার্যকারিতাঃ ====
o শর্ট টার্মে পুরো বাজারের (ইনডেক্স) সেন্টিমেন্ট বোঝা যায়।
o শর্ট টার্মে স্টকের মুভমেন্ট প্রেডিক্ট করা যায়।
o ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের সাথে টেকনিক্যাল এনালাইসি ব্যবহার করতে পারলে আপনার সফলতা বেশ খানিকটা বেড়ে যাবে। টেকনিক্যাল এনালাইসি বিশেষ করে শর্ট টার্ম মার্কেট সেন্টিমেন্ট বুঝে আনুমানিক একটি ভালো এন্ট্রি/এক্সিট পয়েন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
o ব্যক্তিগত ভাবে আমার স্টক সিলেকশন সম্পূর্ণ ফান্ডামেন্টাল সিধান্ত, তবে এন্ট্রি এক্সিটে টেকনিক্যাল এনালাইসিস সিধান্ত নিতে আমাকে অনেক সাহায্য করে।
==== টেকনিক্যাল এনালাইসিসের সীমাবদ্ধতাঃ ====
o বিনিয়োগ শব্দের সাথে টেকনিক্যাল এনালাইসিস সম্পূর্ণ বেমানান।
o টেকনিক্যাল এনালাইসিস দিয়ে কোম্পানির ডেভিডেন্ড পে আউট রেশিও, ডিভিডেন্ড ইল্ড কোনদিনও বের করা সম্ভব নয়।
o আপনি যদি একটি ছোট/বড় ব্যবসা/কোম্পানি পুরো কিনে নিতে চান তাহলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে তার মুল্য কোনভাবেই বের করতে পারবেন না। কোম্পানি হাতবদল হয় তার ভ্যালুয়েশনের উপর, টেকনিক্যাল এনালাইসিসের উপর নয়।
o শুধু টেকনিক্যাল এনালাইসিসের উপর ভিত্তি করে লং-টার্ম বিনিয়োগ সিধান্ত নেয়া—ফকিরাপুলের বাসে চড়ে লিভারপুলে পৌঁছানোর মত বোকামি।
o টেকনিক্যাল এনালাইসিস দিয়ে অবমুল্যায়িত স্টক, অতিমুল্যায়িত স্টক, ফেয়ার ভ্যালু স্টক খুঁজে বের করা অসম্ভব।
o অতিমুল্যায়িত স্টক কিনে পুঁজি হারানোর ঝুঁকি বেশি যদি আপনি কোঠর ভাবে স্টপলস নীতি মেনে না চলেন।
o সমপরিমাণ মূলধন নিয়ে শুরু করা দীর্ঘ মেয়াদে একজন বিনিয়োগকারীর রিটার্ন একজন টেকনিক্যাল ট্রেডারের চেয়ে অনেক বেশি হয়। লং-টার্মে একজন বিনিয়োগকারীকে কখনও বিট করা সম্ভব নয়, একজন বিনিয়োগকারীর সবচেয়ে বড় শক্তি কম্পাউন্ডিং ইফেক্ট যা টেকনিক্যাল এনালাইসিসে প্রয়োগ করা থিওরি কিংবা বাস্তবে সম্ভব নয়।
o ফ্লাট/স্লো মার্কেটে ভুলের পরিমান বেড়ে যায়।
o টেকনিক্যাল এনালাইসিস একটি ল্যাগিং টুল। আপনি যে চার্টে কিছু সাকসেসফুল প্যাটার্ন খুঁজে পেয়ে সেই প্যাটার্নের ভক্ত হয়ে যাবেন। আরেক চার্টে সেই প্যাটার্ন শতবার ব্যর্থ এটা আপনি নিজেই প্রমান করতে পারবেন।
==== ব্যক্তিগত অভিমতঃ ====
১। টেকনিক্যাল এনালাইসিস হচ্ছে জাস্ট মার্কেট/স্টকের প্রতি ক্রেতা, বিক্রেতার সেন্টিমেন্ট যা চার্টে প্রকাশ করা হয়। শর্ট টার্ম ট্রেডিং এর জন্য এটি অবশ্যই কার্যকরী একটি টুল। লং টার্ম বিনিয়োগে টেকনিক্যাল এনালাইসিস ব্যবহার করা বোকামির সর্বোচ্চ লেভেল বলতে পারেন। কেউ যদি আপনাকে শুধু টেকনিক্যাল এনালাইসিসের উপর ভিত্তি করে আপনাকে বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় তাহলে তার ছায়া থেকেও দূরে থাকুন। টেকনিক্যাল এনালাইসিসের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আপনি যে ধরনের চার্ট প্যাটারন/ইন্ডিকেটর ব্যবহার করেন, আপনি নিজেও জানেন যে আপনি নিজেই সেই চার্ট প্যাটার্ন/ইন্ডিকেটরের অকার্যকারিতা সেই একই অথবা ভিন্ন কোন স্টকের চার্টে অগণিতবার প্রমান করতে পারবেন। আপনি যদি মনে করেন আপনার ব্যবহার করা চার্ট প্যাটারন/ইন্ডিকেটর নির্ভুল তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, আপনার ওভার কনফিডেন্স ভাঙতে আমি সাহায্য করতে পারব। টেকনিক্যাল এনালাইসিসের সীমাবদ্ধতা গুলো মাথায় রেখে আপনি যদি প্রফিট এবং স্টপলসের নীতি কঠোরভাবে মানতে পারেন তাহলে আপনার সফল হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিসের সীমাবদ্ধতা গুলো মেনে নিয়ে যত বেশি এই সীমাবদ্ধতা গুলো মাথায় রেখে এগিয়ে যাবেন আপনি তত ভালো একজন টেকনিক্যাল এনালিস্ট হতে পারবেন। এনালাইসিসে আপনার ভুলের পরিমান অনেক কমে আসবে।
২। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস মানে কোন একক স্টকের (EPS, PE, NAV) এসব টুইংকেল টুইংকেল প্যারামিটার নিয়ে এনালাইসিসকে বোঝায় না। একটি কোম্পানির মোট মুল্য কিভাবে নির্ধারিত হয়?? এই প্রশ্নের উত্তর সবার আগে খুজুন। আপনি ক্রেতা হলে সেই কোম্পানি কি দামে কিনতে ইচ্ছুক? এবং কেন কিনতে ইচ্ছুক? এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর যদি আপনি না জানেন তাহলে আপনি যেটা করছেন সেটা ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস নয়। সেটিকে আকাশ ভরা তারার মাঝে টুইংকেল টুইংকেল লিটেল স্টার খোঁজা বলা যেতে পারে।
==== শেষকথাঃ ====
১. বিনিয়োগের জন্য ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস।
২. ট্রেডিং এর জন্য টেকনিক্যাল এনালাইসিস।
আরেকদিন—আলাদাভাবে শুধু ফান্ডামেন্টাল এবং শুধু টেকনিক্যাল এনালাইসিস নিয়ে বিশদ লিখব, ইন শা আল্লাহ্‌। বিশেষ করে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস। এটা নিয়ে আমাদের অনেকের ভুল ধারনা পাহার সমান। আমি ব্যক্তিগত ভাবে যে কয়জনকে চিনি তারা ফন্ডামেন্টাল এনালাইসিস বলতে যা বুঝেন তাকে প্রাক-প্রাথমিক লেভেলের জ্ঞান বলা যতে পারে। তাকে কোন ভাবেই এনালাইসিস বলা যেতে পারে না।

জেনে বুঝে সিধান্ত নিন।
জানুন, শিখুন, নিজের বিনিয়োগ সিধান্ত নিজেই নিন।

যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে। আমাদের গ্রুপঃ
https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

2024 সালে ভালো ডিভিডেন্ড ইল্ড দেয়া কিছু জুন ক্লোজিং স্টক। যদিও গ্রামীণফোন ইন্ট্রিম এবং ফাইনাল দুইবার ডিভিডেন্ড দেয়। তাছা...
20/08/2025

2024 সালে ভালো ডিভিডেন্ড ইল্ড দেয়া কিছু জুন ক্লোজিং স্টক। যদিও গ্রামীণফোন ইন্ট্রিম এবং ফাইনাল দুইবার ডিভিডেন্ড দেয়। তাছাড়া বাকি সবার সামনে ডিভিডেন্ড ডিক্লারেশন ডেট। একটু যাচাই করে, বর্তমান প্রাইজ রেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে সিধান্ত নিতে পারেন।
--

জেনে বুঝে সিধান্ত নিন।
জানুন, শিখুন, নিজের বিনিয়োগ সিধান্ত নিজেই নিন।
যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে। আমাদের গ্রুপঃ
https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

উইক্লি, ডেইলি উভয় চার্টেই ঘুরে দাঁড়ানোর একটা আভাষ পাওয়া যাচ্ছে। মার্কেট পলিটিক্যাল কোন ইন্সটাবেলিটি সেন্স না করলে ভালো ক...
18/08/2025

উইক্লি, ডেইলি উভয় চার্টেই ঘুরে দাঁড়ানোর একটা আভাষ পাওয়া যাচ্ছে। মার্কেট পলিটিক্যাল কোন ইন্সটাবেলিটি সেন্স না করলে ভালো কিছু আশা করা যায়। ডেইলি চার্টে ক্লাউড সাপোর্ট, ফিবোনাক্কি সেন্টিমেন্ট এবং পূর্বের আরেকটি সাপোর্ট লাইন আছে। সোজা কোথায় বেশ ভালো সাপোর্ট লেভেল আছে। যাই হোক, খারাপ কিছু হবার সম্ভাবনা টেকনিক্যাল চার্ট অনুযায়ী খুবই কম। সাইড ওয়ে/মন্থর হতে পারে তবে পলিটিক্যাল স্ট্যাবিলিটি থাকলে উপরে যাবার ইঙ্গিতই বেশি দিচ্ছে।

শুভ কামনা সবার জন্য।

যুক্ত থাকুন আমাদের সাথেঃ

https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

আমরা প্রায় সব কিছুর দাম জানি, কিন্তু ভ্যালু কত সেটা কি সবাই জানি? দাম হচ্ছে আপনি যত টাকা দিয়ে কিনেন। ভ্যালু হচ্ছে সেই পন...
18/08/2025

আমরা প্রায় সব কিছুর দাম জানি, কিন্তু ভ্যালু কত সেটা কি সবাই জানি? দাম হচ্ছে আপনি যত টাকা দিয়ে কিনেন। ভ্যালু হচ্ছে সেই পন্য আপনার কত টাকার কাজ/উপকার করার ক্ষমতা রাখে। চিন্তার এই টুইস্ট থেকেই বহুল পরিচিত ভ্যালু ইনভেস্টিং "Value Investing" এর জন্ম। একটি কোম্পানির দাম তার সব কিছুর আক্ষরিক মূল্যের উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে তার ভ্যালু জেনারেট করার ক্ষমতার উপর।
দেখবেন যখন বড় কোম্পানির মালিকানা হাতবদল হয় তখন তার মুল্য নির্ধারিত হয় ভ্যালুয়েশনের মাধ্যমে। যাকে আমরা সহজ ভাষায় কোম্পানির ভ্যালুয়েশন বলি। এই মুল্য ভালো কোম্পানির ক্ষেত্রে তার বাজার মুল্যের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে, আর খারাপ কোম্পানির ক্ষেত্রে কম হয়।
আরও সহজ ভাষায় আপনার ছোট দোকানের কাগুজে মুল্য ৫ লাখ, কিন্তু আপনার দোকানের পজিশন, বিক্রি, সুনাম যদি ভালো হয় তাহলে আপনি সে দোকানের মুল্য ৭ লাখ চাইতে পারেন, কেউ সেই মুল্যে কিনতেও পারে। আপনার দোকানের কাগুজে মুল্য ৫ লাখ কিন্তু সেই দোকান ৫ লাখ টাকায় কেউ কিনলে সহজেই ২ লাখ টাকার লাভ পাচ্ছে। অর্থাৎ আপনার ৫ লাখের ভ্যালু এখন ৭ লাখ।
ঠিক একই ভাবে যখন কোন স্টক কাগুজে মুল্য ১০ টাকা হিসেবে বিক্রি হয় কিন্তু সেই ১০ টাকায় আসলে আপনি ১৪ টাকার ভ্যালু পাচ্ছেন তখন সেই স্টককে অবমুল্যায়িত স্টক বলে। অর্থাৎ সঠিক এনালাইসিস করে এই স্টক কিনলে আপনি কেনার সময়ই ৪ টাকা লাভে কিনলেন। কিছু দিনের ব্যবধানে আপনি আপনার প্রকৃত মুল্য পেয়ে যাবেন।
সচরাচর আমরা ভ্যালু স্টক বলতে কম PE রেশিও স্টক বুঝি। যেটা এক সমুদ্র ভুলের মাঝে আরেকটা ভুলের সমতুল্য। ভ্যালুয়েশন নির্ণয় শুধু একটি কোম্পানির উপর সীমাবদ্ধ কোন এনালাইসিসকে বুঝায় না। সেই সেক্টরে আপনার নির্ধারিত কোম্পানির অবস্থাও বিবেচ্য। এটি একটি বিশদ এনালাইসিসের একটি সম্মিলিত ফল। ধরুন আপনি হিসেব করে দেখলেন ক্যাটরিনা ফারমাসিউটিকালের বাজার মুল্য তার ভ্যালুয়েশন থেকে কম তাই আপনি কিনে ফেললেন, কিন্তু আপনি কি জানেন ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে ক্যাটরিনা ফারমাসিউটিকালের ভ্যালু স্কয়ার, একমি, রেনেটার ভ্যালুর বিবেচনায় কম কিনা? ক্যাটরিনা ফারমাসিউটিকালের রেভিনিউ গ্রোথ কেমন? কম্পিটিটিভ সুবিধা তার আছে কিনা?

আশা করি একটু হলেও বুঝতে পেরেছেন যে ভ্যালু ইনভেস্টিং চার্ট এনালাইসিসের মত সহজ নয়। তাই ভ্যালু ইনভেস্টিং এর ফাঁদে পরার আগে নিজেকে তৈরি করুন। এটি অবশ্যই খুবই ভালো একটি বিনিয়োগ পন্থা। কিন্তু যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করতে না পারলে আপনি বার বার ভুল স্টক বেছে নেবেন। শেখার জন্য নিজের লক্ষ্য তৈরি করুন, শুরু করুন, দেখবেন একদিন আপনিও পারছেন।

শুভকামনা সবার জন্য।

যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে। আমাদের গ্রুপঃ
https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

Jamuna Oil ,Padma Oil ,MJLBD, Square Textile , Walton , BSRM Steel এই স্টকগুলো বিগত বছরে বেশ ভালো ডিভিডেন্ড ইল্ড ৬-৯% দি...
18/08/2025

Jamuna Oil ,Padma Oil ,MJLBD, Square Textile , Walton , BSRM Steel
এই স্টকগুলো বিগত বছরে বেশ ভালো ডিভিডেন্ড ইল্ড ৬-৯% দিয়েছে। সামনে এগুলোর ডিভিডেন্ড ডিক্লারেশন। সেই ধারা বজায় থাকলে এবারও আরও ভালো কিছু আশা করা যায়। পলিটিক্যাল সিনারিও স্ট্যাবল থাকলে এই স্টকগুলো বর্তমান পজিশন থেকে আরও ১০-১৫% বা তারও বেশি অল্প সময়ে বাড়তে পারে। খুব বেশি না বাড়লেও ৬-৯% ডিভিডেন্ড ইল্ড নিশ্চিত পাওয়া যাবে আশাকরি। শর্টটার্ম হলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস বিবেচনায় প্রফিট নিয়ে অন্য স্টকে সুইচ করতে পারেন। এগুলো আপনার পোর্টফলিওতে থাকলে ডিভিডেন্ড ডিক্লারেশন বা তার কিছুদিন আগ পর্যন্ত দেখে একটা ভালো প্রফিট নিয়ে সেল দিতে পারেন। ধরেও রাখতে পারেন লং টার্ম ভিশন থাকলে। বর্তমান ফিনানশিয়াল হেলথ বিবেচনায় এই সবগুলো স্টকই ভালো মানের।
Padma Oil এর ডে এবং মান্থলি চার্ট,
Jamuna Oil এর ডে চার্ট,
Walton এর ডে চার্ট
Square Textile এর উইক্লি চার্ট টেকনিক্যালি ভালো পজিশনে আছে।
জেনে বুঝে সিধান্ত নিন।
জানুন, শিখুন, নিজের বিনিয়োগ সিধান্ত নিজেই নিন।

যুক্ত থাকতে পারেন আমাদের গ্রুপেঃ

https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত সচরাচর প্রশ্ন ও উত্তর, ২০২৫.যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপেঃhttps://web.facebook.com/grou...
17/08/2025

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত সচরাচর প্রশ্ন ও উত্তর, ২০২৫.
যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপেঃ
https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

এখন থেকে খুব সহজেই অনলাইনে আয়কর দিয়ে আপনি আপনার ডিভিডেন্ড এর উপর কর্তিত উৎস কর ক্লেইম করতে পারবেন।
13/08/2025

এখন থেকে খুব সহজেই অনলাইনে আয়কর দিয়ে আপনি আপনার ডিভিডেন্ড এর উপর কর্তিত উৎস কর ক্লেইম করতে পারবেন।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ: আপনি কি প্রস্তুত?বুঝেশুনে বিনিয়োগ করতে পারলে শেয়ার বাজার থেকে প্রচলিত যে কোনো ফিনানশিয়াল ইন্সট্রুম...
07/08/2025

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ: আপনি কি প্রস্তুত?

বুঝেশুনে বিনিয়োগ করতে পারলে শেয়ার বাজার থেকে প্রচলিত যে কোনো ফিনানশিয়াল ইন্সট্রুমেন্ট থেকে অধিক প্রফিট অর্জন করা সম্ভব। তবে আমি মনে করি শেয়ার বাজার সবার জন্য নয়। আপনি অবশ্যই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করার অধিকার রাখেন। আপনাকে কেউ বাধা দেবে না। কিন্তু আসলে আপনি কি পাবেন এই শেয়ার বাজার থেকে সেটাই দিন শেষে মুখ্য বিষয়।

আমি মনে করি আপনার আর্থিক অবস্থা এবং আপনার মাইন্ডসেট কিছু শর্ত পুরুন করতে না পারলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। অন্যথায় আপনি আপনার নাগরিক অধিকার বলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন ঠিকই কিন্তু দিনশেষে নিজেকে ব্যর্থদের কাতারে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যাবে। ওয়ারেন বাফেটের একটি উক্তি আমার খুব প্রিয়— An idiot with a plan can beat a genius without plan. আরও সহজ ভাবে আমাদের বাংলা ভাষার প্রবাদে আছে— ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।

চলুন দেখি নেই আপনার আর্থিক অবস্থা এবং আপনার মাইন্ডসেট কি কি শর্ত পুরুন করতে পারলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা উচিত এবং কতটুকু করা উচিত।

১। আপনি আপনার যে পরিমাণ সঞ্চয় বিনিয়োগ করতে চান সেটি যদি শেয়ার বাজার পতনের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য (২-৫ বছর বা অধিক) আটকে যায় এবং তাতে যদি আপনার পারিবারিক খরচ মেটানোর বাজেটে কোন প্রভাব না ফেলে তাহলে আপনি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারেন।

২। আপনার একটি ইমারজেন্সি ফান্ড আছে যেটি আপনার শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ফান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়। অর্থাৎ কোন ইমারজেন্সি পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আপনাকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকৃত মূলধনের উপর নির্ভরশীল হতে হবে না।

৩। আপনার মাইন্ডসেট স্টকের প্রতিদিনের মূল্য উঠা নামার সাথে পরিবর্তিত হয় না। আপনার মাইন্ডসেট সোশাল মিডিয়ার তথ্য দূষণ, গুজব ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত না। আপনার মাইন্ডসেট নির্ভর করে আপনার লক্ষ্যের উপর। (সব সফল ইনভেস্টেরের মাজে এই গুন বিদ্যমান, আপনাকেও এই গুন/স্ট্র্যাটেজি অর্জন করতে হবে)। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের মনস্ত্বাতিক বিষয়গুলো নিয়ে একদিন বিশদ লিখব ইনশা আল্লাহ্।

৪। আপনি কতটুকু ঝুঁকি নিতে পারবেন তা নির্ভর করবে আপনার বর্তমান মাসিক/বার্ষিক উপার্জন ক্ষমতা এবং আপনার বয়সের উপর। ৪০ বছরের আগে ঝুঁকি নিয়ে পিছিয়ে পরে আবার এগিয়ে যাওয়া এবং ৬০ বছরের পরে ঝুঁকি নিয়ে পিছিয়ে পরে আবার এগিয়ে যাওয়ার গল্প সম্পূর্ণ আলাদা। আপনি যদি আপনার ঝুঁকি নেবার সক্ষমতা যাচাই করতে না পারেন তাহলে আপনার শেয়ার বাজার থেকে দূরে থাকা উচিত। আর আপনার এই ঝুঁকি নেবার সক্ষমতাই বলে দিবে আপনি আপনার মূলধনের কত % শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবেন, আর কত % বন্ড অথবা ব্যাংকিং ইন্সট্রুমেন্টের মত নিরাপদ খাতে বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ পোর্টফলিও কেমন হওয়া উচিত, ঝুঁকি এবং প্রফিট রেশিও বিবেচনায় কীভাবে সেক্টর ভিত্তিক বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কম রেখে ভালো প্রফিট রেশিও পাওয়া যেতে পারে সে বিষয় নিয়ে আরেকদিন বিশদ আলোচনা করব ইনশা আল্লাহ্‌।

পরিশেষে বলব, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার আর্থিক পরিকল্পনায় শৃঙ্খলা থাকা এবং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে বিনিয়োগ করা। বিনিয়োগের আগে ভালোভাবে গবেষণা করা এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরেই বিনিয়োগের ঝুঁকি নেওয়া উচিত। শুভকামনা সবার জন্য।

যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপে।

Financial Literacy: 01

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যে নতুন করে শুল্ক আরোপ করা হলেও প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে বাংলা...
07/08/2025

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যে নতুন করে শুল্ক আরোপ করা হলেও প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

সম্প্রতি কার্যকর হওয়া পাল্টা শুল্কের ফলে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলো যেমন - ভারত, চীন ও ভিয়েতনামকে এখন আগের চেয়েও বেশি শুল্ক দিতে হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এতদিন একটি সুতির টি-শার্ট রপ্তানিতে বাংলাদেশকে প্রায় ১৬.৫% শুল্ক দিতে হতো। এখন ২০% পাল্টা শুল্ক যোগ হলেও, অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। কারণ:

ভারত: ভারতের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের পর তা আরও ২৫% বাড়ানো হয়েছে। ফলে তাদের টি-শার্টের ওপর মোট শুল্ক প্রায় ১.২৫ ডলার।

ভিয়েতনাম: ভিয়েতনামকে প্রতি টি-শার্টে শুল্ক দিতে হবে ৯৮ সেন্ট।

চীন: বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে চীনের পণ্যে এমনিতেই বাড়তি শুল্ক ছিল। এখন পাল্টা শুল্কের হার ৩০% ধরলে তাদের প্রতি টি-শার্টে শুল্ক দাঁড়াবে ৮২ সেন্ট।

তুলনামূলকভাবে, বাংলাদেশের টি-শার্টের ওপর মোট শুল্ক হবে ৫৯ সেন্ট। এই শুল্ক শুধুমাত্র পাকিস্তানের চেয়ে কিছুটা বেশি (৭ সেন্ট), কিন্তু ভারত, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে, মার্কিন বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের শুল্কের হার বাড়লেও, প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে কোনো সমস্যা হবে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে আমরা আরও এগিয়ে থাকব।

Address

Dhaka
1216

Website

https://web.facebook.com/groups/sharemarketbd

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn & Earn BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share