08/02/2025
আপনার লেখাটিকে আরও স্পষ্ট, সংক্ষিপ্ত এবং প্রভাবশালী করার জন্য এটি একটু সংশোধন করা হলো:
সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ১৯৯৬ সালের জুন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের চেয়ে ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। তবে তার দলের এক নেতার ভাই কিশোরগঞ্জের ডিসি হওয়ায় সহজেই ফলাফল পাল্টে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। স্পিকার হিসেবে ছিলেন দলানুগত, আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে আচরণে মনে করিয়ে দিয়েছেন হবুচন্দ্র রাজ্যের গোপাল ভাঁড়কে।
তিনি সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করে নজির স্থাপন করেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল লক্ষ্মীপুরের “কসাই” খ্যাত আবু তাহেরের ছেলে বিপ্লব, যিনি বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলামকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন। এই বিপ্লব জেলখানায় বসে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিয়েও করে। এমন ভয়ংকর অপরাধীর দণ্ড মওকুফের জন্য অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত।
আরেকটি ভণ্ডামি ছিল চিকিৎসা নিয়ে। প্রতি বছর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে সিঙ্গাপুর ভ্রমণ—যেন দেশে কোনো যোগ্য চিকিৎসক নেই। অথচ খ্যাতনামা চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তাদেরই ঘনিষ্ঠ অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদও (সাবেক ডিজি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ছিলেন। বিদায়বেলায় চক্ষু চিকিৎসার নামে পরিবারের এক ঝাঁক সদস্য নিয়ে লন্ডনে বিলাসভ্রমণ! দেশপ্রেমের বুলি আওড়ানো এ ব্যক্তিটি শেষ মুহূর্তেও দেশের সম্পদ শুষে নিতে ছাড়েননি।
বাড়িঘর ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগ সমাধান নয়। বরং আদালতে সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।