Investment Fund- InFu

Investment Fund- InFu In-Fu (Investment Fund) is basically a financial organisation which works to initiate a safe and reliable investment system in Bangladesh.

09/12/2023

বাংলাদেশের বিনিয়োগ ব্যবস্থার বাস্তবতা এবং তৃতীয় পক্ষ।

লেখাটি একটু বড় হতে যাচ্ছে। সুতরাং যারা ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করেছেন, সামনে করবেন অথবা বিনিয়োগ নিবেন তাঁরা লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ ব্যবস্থা মোটেও সহজ এবং নির্ভরযোগ্য নয় আপাতত এখন পর্যন্ত। এটার পেছনে প্রধান কারণ আমাদের দেশের মানুষদের মেন্টালিটি। আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষ প্রচুর পরিমাণে একে-অপরের উপর বিশ্বাসহীনতায় থাকেন। ফলস্বরূপ কোন উদ্যোগ বা ব্যবসা শুরু কিংবা প্রসারের জন্য বিনিয়োগ কালেক্ট করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়৷ ট্রেডিশনাল বিজনেসে যেখানে ইনিশিয়াল রেভিনিউ এবং প্রফিট আসে সেখানেও মানুষ বিনিয়োগ করতে দ্বিধাগ্রস্ত থাকে, এই পরিস্থিতিতে নতুন কোন স্টার্টআপ যেটা আদৌও কাজ করবে কিনা সেখানে বিনিয়োগ এক্সপেক্ট করা খানিকটা বোকামির মত শোনায়। ফলে বেশীরভাগ স্টার্টআপ ফাউন্ডার শুরু থেকেই তাকিয়ে থাকেন ফরেন ফান্ডিং এর জন্য৷ কোন কালে বিদেশী কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যাংক দেবদূত হয়ে এসে বিনিয়োগ করবেন সে আশা করা ছাড়া তেমন কোন উপায় থাকেনা। তবে বিশ্বব্যাপী চলমান অস্থিরতা, যুদ্ধসহ নানান ইস্যুর কারণে ডলারের দাম যে হারে উঠানামা করছে তাতে করে ফরেন ফান্ড নিয়ে বিজনেস করে প্রফিট আসলেও খুব বেশী স্বস্তি পাওয়া যাইনা। কেননা কেউ যদি ১০০ টাকা হারে ১০০ ডলার ফান্ড রেইজ করেন তাহলে উনি বাংলাদেশী টাকায় ১০ হাজার টাকা রেইজ করলেন৷ এই টাকাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা প্রফিট করলেন। তাহলে মোট এসেটের পরিমাণ দাঁড়ালো ১৫ হাজার টাকা। ডলারের মূল্যের অস্থিরতার কারণে হঠাৎ করে ডলারের দাম একমাস পরে ১৩০ টাকা করে হয়ে গেলো। ঋণ পরিশোধের সময় তো বর্তমান মূল্য অনুযায়ী পরিশোধ করতে হবে৷ ফলে যেখানে খাতা কলমে মুনাফা ৫ হাজার টাকা হওয়ার কথা, সেখানে ডলারের দাম বেড়ে যাবার কারণে মুনাফা হলো মাত্র ২ হাজার টাকা। এখন ইনভেস্টরের সাথে প্রফিট শেয়ার করার পর দেখা যাবে কোম্পানি লসে আছে।

আবার কোন যেকেউ চাইলেই কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ফরেনফান্ড কালেক্ট করতে পারবেন না৷ অবশ্যই সেটিকে ফান্ড কালেক্টের জন্য এলিজেবল হতে হবে। এলিজেবল হওয়ার জন্য নিজের বিজনেসের হিস্ট্রি, মার্কেট এনালাইসিস, প্রপার প্রজেকশন, কনজিউমার ডাটা, বিজনেস ভিজিবিলিটি (বেশীরভাগ ক্ষেত্রে) প্রয়োজন। সেটা এসিভমেন্টের জন্য অবশ্যই কোম্পানির একটা প্রাইমারি প্রিয়ড নিজে নিজেই সার্ভাইব করতে হয়৷ এই সময়টাই একজন উদ্যোক্তার জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়।

একটি উদ্যোগের শুরুতে ব্যবসায়িক অপারেশন রান করানোর জন্য উদ্যোক্তা প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত ফান্ডিং ব্যবহার করতে হয়। অনেকসময় এই ফান্ডিং আসে নিজের পকেট, পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয়স্বজন থেকে। শুরুতেই বলছিলাম বাংলাদেশে বিনিয়োগ ব্যবস্থা এতটাও সহজ নেই যে কেউ চাইলো আর বিনিয়োগ পেয়ে গেলো। শুরু এই সময়টাতে বেশীরভাগ বিজনেস কোলাপস করে। কেননা বেশীরভাগ আইডিয়া শুধুমাত্র আইডিয়ার স্তরেই বেশ সুন্দর আর প্রপার দেখায় বাট এক্সিকিউশনে সেটা ফেইল করে। আবার কোন আইডিয়া কাজ করা স্টার্ট করলেও প্রায় শুরুর দিকেই বিনিয়োগকারীরা (বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয়স্বজন) বিনিয়োগ উঠিয়ে নিতে চাই। ফলে একটি বিজনেস শুরুর দিকেই মুখ থুবরে পরে।

এবার আসি এর পরের ধাপে। একটি বিজনেস এই প্রাইমারি ধাক্কাটা কোন রকমে পার করলেও পরবর্তী ধাপে একপানশনের ক্ষেত্রে সমস্যা ফেইস করে। দরকার হয় বড় এমাউন্টের বিনিয়োগ। তখনই শুরু হয় আসল খেলা। শুরুতেই বলছিলাম আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীরা কি ব্যবসায়, কোন ব্যবসায় টাকা ঢালছেন এটা নিয়ে মোটেও ইন্টারেস্টেড না। তাদের মেইন ইন্টারেস্ট থাকে ইন্টারেস্ট বা মুনাফার উপর। আমি এত টাকা দিবো, আমাকে কত টাকা মাসে মুনাফা দিবেন এই কথায় বিশ্বাসী তারা। ব্যবসা কিংবা উদ্যোক্তা বাঁচলো কি মরলো সেটা দেখার দায়িক্ত তাদের একেবারেই নেই, তাদের মাথা ব্যাথা শুধু প্রফিট নিয়ে। মুনাফাকে রীতিমতো সুদের স্টেইজে নিতে পারলেই উনাদের শান্তি। ইনারা ব্যাংকে টাকা রাখবেন না কেননা সেটা সুদ হয়, কিন্তু কোন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করার জন্য ব্যাংকের মত সুবিধা যেমন: মাসের টাকা মাসেই, একটা ফিক্সড প্রফিট আর ব্যাংকের মত যখন ইচ্ছা তখন বিনিয়োগ উঠানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে নতুবা তারা বিনিয়োগ ইন্টারেস্টেড না।

এখন এটা খুবই কমনসেন্স যে একটা ব্যবসা কখনোই তাঁদের ইনভেস্টরদের ব্যাংকের মত সার্পোট দিতে পারবেনা। ব্যাংক একজনের থেকে বছরে ৮-১০% সুদ হারে টাকা নিয়ে আরেকজনকে ১০-১৫% হারে ঋণ দিচ্ছে। যারা ঋণ নিচ্ছে তাদের থেকে জোর-জবরদস্তি করে সুদ আদায় করে ব্যাংকে টাকা রাখা মানুষকে সুদ দিচ্ছে তাই সমস্যা হবার কথাও না। কিন্তু একটা বিজনেস খুবই আনস্টেবল। রেভিনিউ/প্রফিট ভেরি করবে, কখনো বিজনেস ভালো চলবে-কখনো খারাপ চলবে এটাই স্বাভাবিক সুতরাং কোন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে ব্যাংকের মত ফ্যাসিলিটিস আশা করা নিছক বোকামি৷ ব্যাংকের প্রফিট রেশিওর তুলনায় ব্যবসায়ের প্রফিট রেশিও বেশ বেশী। ব্যাংকের কাছে টাকা লিকুইড হিসেবে থাকে কিন্তু ব্যবসায়ে এক্সিকিউশনের জন্য টাকা ব্যয় হয় ফলে ব্যাংক থেকে নিজের টাকা উঠানো বেশ সহজ, যেকোনো সময় ব্যাংক একজনের টাকা ফেরত দিতে পারে অপরদিকে কোন ব্যবসা থেকে হুট করে টাকা উঠনো সম্ভব নয় কেননা টাকা এক্সিকিউশনে ব্যয় হয় লিকুইড হিসেবে থাকেনা। ব্যবসা থেকে বিনিয়োগ উঠাতে হলে অবশ্যই ফাউন্ডার বা ব্যবসায়ীকে কোন একটা এসেস্ট বিক্রি করে টাকা ফেরত দিতে হবে যেটা ব্যবসায়ের জন্য ক্ষতির।
এখানে যদি কোন ব্যাংক থেকেও একই সাথে অনেকে টাকা উঠিয়ে নিতে চাই তাহলে ব্যাংকেরও কোলাপস করবার সম্ভাবনা থাকে।

এখানে এই অবস্থার সুযোগ নেয় তথাকথিত কিছু এসেস্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যক্তি/গ্রুপ/কোম্পানি। তাঁরা বিভিন্ন মানুষের থেকে বিনিয়োগ সংগ্রহ করে এবং সেটা কোন ব্যক্তি কিংবা ব্যবসায়ে ইনভেস্ট করে। সেখান থেকে যেই মুনাফা আসে সেটার একটা অংশ নিজে রেখে দেয় এবং একটা অংশ আসল বিনিয়োগকারিকে দেয়। আপাত দৃষ্টিতে বিষয়টা খুবই ইনভেস্টর এবং বিজনেস ফ্রেন্ডলি মনে হলেও আদতে কিন্তু তা নয়৷ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এরুপ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানি হয় স্বার্থলোভী। ধরুন একটা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ২-৫% হারে ইনভেস্টমেন্ট নিচ্ছে নিজের ব্যবসায় প্রসারের জন্য। আপনি সেখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন কেননা এত বেশী হারের মুনাফা অফার করা সত্ত্বেও আপনি ঐ ব্যবসায়ের উপর আস্থা পাচ্ছেন না। যদি তাঁরা আপনার টাকা নিয়ে ভেগে যাই তাহলে?
কিন্তু আপনি বিনিয়োগকারী আর তাই আপনি তো বিনিয়োগ করবেনই। তাই আপনি কোন একটা এসেস্ট ম্যানেজমেন্টের সাথে যুক্ত কোন ব্যক্তি, গ্রুপ অথবা কোম্পানির কাছে গিয়ে বললেন আপনার টাকা আছে আপনি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। সেই লোক, গ্রুপ অথবা কোম্পানি আপনাকে জানালো তাদের কাছে একটা অফার আছে। আপনি চাইলে মাসিক ১-১.৫% হারে তাঁদের কাছে হালাল বিজনেসে বিনিয়োগ করতে পারবেন। আপনিও এই প্রফিটে বেশ খুশি কেননা আপনার প্রিন্সিপাল তো সিকিউরড। তাই খুশি মনে আপনি ১০ লাখ টাকা সেখানে বিনিয়োগ করলেন। এবার সেই ব্যক্তি/গ্রুপ বা কোম্পানির তো নিজের কোন বিজনেস নাই আবার টাকা ছাপানোর যন্ত্রপাতি কিংবা গাছও নাই যে মাস শেষে আপনাকে সেখান থেকে মুনাফা দেবে। তাই তারা ঐরকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেটার কথা শুরুতে বলছিলাম যেটা ২-৫% প্রফিট দিচ্ছে তাঁদের সাথে কনট্রাক করবে। তাদের কাছে এসে বলবে দেখেন ভাই আমি আপনাকে টাকা দেবো, আমার ৫% প্রফিট কিংবা ভ্যারিয়েবল প্রফিটেরও দরকার নাই। আমার কাছে ১০ লাখ টাকা আছে যেটা আপনাকে দিচ্ছি আর আপনি আমাকে মাসিক ৪% ফিক্সড প্রফিট দিবেন। অগত্যা ব্যবসায়ি নিজের ব্যবসার প্রসারের জন্য সেটাতেই রাজি হলো কারণ তার অফারই ছিলো ৩-৫% সুতরাং ৪% প্রফিট তার রেঞ্জের মধ্যেই আছে। সেই সে ব্রকারের সাথে মাস শেষে প্রফিটও শেয়ার করছে ৪%। এবার সেই গ্রুপ আপনার ১০ লাখ টাকা দিয়ে উদ্যোক্তার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা মাসিক প্রফিট কালেক্ট করে আপনার সাথে ১০-১৫ হাজার টাকা শেয়ার করছে। আপনিও খুশি কেননা আপনার মুলধন নিরাপদে আছে আর আপনি ব্যাংকের থেকে ডাবল প্রফিটও পাচ্ছেন, ব্রকার বা দালাল (এসেস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি) ও খুশি কেননা সে কিছু না করেই মাসে আপনার থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা ইনকাম করছে আর ব্যবসায়ীও খুশি কেননা সে তাঁর টার্গেট অনুযায়ী তার রেঞ্জের মধ্যে প্রফিট শেয়ার করছে।

এখন ধরেন আপনার ভয়টা যদি আসলেই সত্যি হয়ে যায়! টাকা যেই বিনিয়োগ করুক ঐ ব্যবয়াসী যদি সত্যি সত্যি ভেগে যাই কিংবা ব্যবসায়ের কোন ক্ষতি হয় তাহলে? এসেস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির তো নিজের কোন এসেস্ট নেই তাহলে আপনার টাকা সে কিভাবে ফেরত দেবে? আপনি যদি সরাসরি ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতেন তাহলে ব্যবসায়ে ক্ষতি হলেও ব্যবসায়ি কিছু হলেও তো আপনাকে ফেরত দিতে পারতো কেননা তাঁর ব্যবসায়ের কিছু হলেও ভিজিবল এসেস্ট আছে সাথে আপনিও ভালো রেশিওর প্রফিটও সরাসরি এভেইল করতে পারতেন কিন্তু আপনার তো অনেক নিরাপত্তা লাগবে যার কারণে সেটা এসিওর করতে গিয়ে আপনি আম-ছালা দুটোই হারালেন। ঐ ব্যবসায়ী ভেগে গেলে কিংবা লস করলে এসেস্ট ম্যানেজারও ভাগবে৷ কারণ অন্যের কাছ থেকে টাকা এনে সে আপনার সাথে শেয়ার করছে কিন্তু ১০ লক্ষ টাকা নিজের পকেট থেকে আপনাকে দিবে এটা রেয়ার।

এখন পছন্দ আপনার। আপনি যখন বিনিয়োগকারী তখন অবশ্যই আপনাকে কয়েকটা বিষয় দেখেশুনে নিতে হবে আর নিজেই সরাসরি বিনিয়োগ করতে হবে৷ তবে আমার মনে হয় কয়েকটা বিষয় এনশিওর করতে পারলেই আপনার ৬০-৭০% ঝুঁকি গায়েব এটা নিশ্চিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে আপনি যেই বিজনেসে বিনিয়োগ করছেন সেটার বয়স কত? যদি ৩-৪ বছরও হয় তাহলে মনে করবেন আপনি ৩০% ঝুঁকিমুক্ত। এই বিজনেস ভাগলে বা কোলাপস করলে আগেই করতো। ৩-৪ বছর সার্ভাইব করছে মানে তারা ঠিকঠাকই এগোচ্ছে। তারপর আপনি যেই বিজনেসে বিনিয়োগ করছেন সেটার সাসটেইনেবলিটি কেমন? যদি আগামী ৫-১০ বছরও ঐ ব্যবসায়ের চাহিদা থাকে তাহলে আপনি বিনিয়োগ করতে পারেন কোন দ্বিধা ছাড়াই। আবার আপনি যেই ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করছেন সেটার উদ্যোক্তা কে বা তাঁর ব্যকগ্রাউন্ড কি? বিনিয়োগ চুক্তিপত্র কিভাবে সংগঠিত হচ্ছে? কেন তাঁরা বিনিয়োগ নিচ্ছে বা বিনিয়োগ ব্যবসায়ের কোন কাজে লাগাচ্ছে এই বিষয়ে সঠিক ধারণা আপনাকে রাখতেই হবে নতুবা আপনার বিনিয়োগ করার কোন দরকারই নাই। আপনার টাকা ব্যাংকে অথবা বালিশের নিচে, আলমারিতে বেশী ভালো থাকবে।

আরেকটা বিষয়; যখন কোনো ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করবেন তখন অবশ্যই একটু নরমাল আর উদার মেন্টালিটি নিয়ে আসবেন। অভার ফ্রাস্টেটেড হবেন না, অনেক বেশী এক্সপেকটেশনও রাখবেন না৷ ব্যবসা মানেই ঝুঁকি আর ব্যবসায়ীর মত আপনাকেও ঝুঁকি নিতে হবে। একজায়গায় নিজের সব অর্থ বিনিয়োগ করবেন না। ডাইভারসিফিকেশন করেন, সেভারেল প্লেসে ইনভেস্ট করেন। আর নিজের এবং পরিবারের ইমার্জেন্সী ফান্ড, অতি লাভের আশায় ঋণ করে, অন্যের থেকে ধার করে কোথাও বিনিয়োগ করবেন না।

ধন্যবাদ

What Is an Investment?An investment is an asset or item acquired with the goal of generating income or appreciation. App...
02/11/2023

What Is an Investment?
An investment is an asset or item acquired with the goal of generating income or appreciation. Appreciation refers to an increase in the value of an asset over time. When an individual purchases a good as an investment, the intent is not to consume the good but rather to use it in the future to create wealth.

An investment always concerns the outlay of some resource today—time, effort, money, or an asset—in hopes of a greater payoff in the future than what was originally put in. For example, an investor may purchase a monetary asset now with the idea that the asset will provide income in the future or will later be sold at a higher price for a profit.

09/06/2023

চলেন একটু বিনিয়োগ নিয়ে আলোকপাত করি।
বিনিয়োগ আর সঞ্চয়ের মধ্যে বিস্তর একটা ফারাক আছে জানেন তো? যদিও বেশীরভাগ মানুষ মনে করে ডেইলি কিংবা মাসে মাসে অল্প অল্প করে কিছু টাকা জমিয়ে সেগুলোকে বিছানার নিচে, আলমারির ড্রয়ারে, মাটির ব্যাংকে, সঞ্চয়পত্র কেনা, এফডিআর করা ইত্যাদি ইত্যাদিই বোধহয় ইনভেস্টমেন্ট বা বিনিয়োগ। আসলে এগুলোর কোনটিই ইনভেস্টমেন্ট না।

তাহলে ইনভেস্টমেন্ট কি? ইনভেস্ট হলো যেখানে টাকা রাখলে রির্টান আসার সুযোগের পাশাপাশি মোটামুটি লেভেল কিংবা হাই লেভেলের লোকসানের (আসল টাকা হারানোর) ঝুঁকি থাকে সেটা হলো ইনভেস্টমেন্ট। সেভিংস বা সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে আসল টাকা হারানোর ঝুঁকি একেবারে শূণ্য।

তাহলে মানুষ আসল টাকা হারানোর ঝুঁকি আছে যেখানে সেখানে না গিয়ে ঝুঁকি আছে যেখানে সেখানে যাবে কেন? কারণ সেভিংসের ক্ষেত্রে আসল টাকা হারানোর ঝুঁকি না থাকলেও একটা উইপোকা আছে যেটার নাম মুদ্রাস্ফীতি সেটা আপনার টাকা খাবেই; কোন মাফ নেই। কিভাবে? ধরেন আপনি কোন একটা ব্যাংকে একটা এফডিআর করলেন ১ লাখ টাকা, ব্যাংক আপনাকে ৮% সুদ দিবে বছরে। এক বছর পরে আপনি পাইলেন ১ লাখ ৮ হাজার টাকা। আপনার এক লাখ টাকা বাচ্চা ফুটিয়ে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা হয়ে গিয়েছে; আপনি তো বেজায় খুশি। তবে খুশি হবার কোন কারণ নেই, কেননা আপনি অলরেডি লসেই আছেন। ঐযে মুদ্রাস্ফীতি নামক যে উইপোকা ঐটা অলরেডি আপনার প্রায় ১২-১৫ হাজার টাকা খেয়ে ফেলেছে। কিভাবে? যখন আপনি এক লক্ষ টাকা রাখলেন তখন ঐ টাকা দিয়ে আপনি একটন রড কিংবা এক গাড়ি বালি কিনতে পারতেন। কিন্তু বছর শেষে আপনাকে এক টন রড কিংবা এক গাড়ি বালি কিনতে হলে ১ লাখ ২০-২২ হাজার টাকা লাগবে। (বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশের ইনফরমাল মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ২০-২২%)। তাহলে কি হলো? আপনি যদি এফডিআর না করে ঐ এক লাখ টাকা দিয়ে এক টন রড কিংবা এক গাড়ি বালি কিনতেন তাহলে বছর শেষে ১ লাখ ৮ হাজারের জায়গায় রড/বালি বিক্রি করে ১ লাখ ২০-২২ হাজার পাইতেন।

মূলত এটাই বিনিয়োগ আর সঞ্চয়ের মধ্যকার পার্থক্য। তবে রড-বালি কেনার ভেতর ঝুঁকিও আছে। কি কি ঝুঁকি? এটা আপনি SOWT এনালাইসিস করলেই বুঝতে পারবেন। প্রত্যেকটা বিনিয়োগের আলাদা সট এনালাইসিস রয়েছে, সেটা রিসার্চের মাধ্যমে বের করা খুবই সহজ। আলাদা আলাদা সেক্টরে অভিজ্ঞ মানুষের থেকে তথ্য নেয়া, বাজার বিশ্লেষণ করা, ভোক্তার সাইকোলজি ইত্যাদি ইত্যাদি বিশ্লেষণ করলে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরো কিছু সুবিধা হলো আপনার একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স তৈরী হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক অবস্থা আরও স্টেবল হবে, মানি সার্কুলারের ফলে দেশীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পরবে।

আর সেভিংসের অসুবিধা বলে শেষ করা যাবেনা। টাকার মান কমে যাওয়া, মুদ্রাস্ফীতির কবলে পরা, সুযোগ হারানো, দেশীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবসহ হাজারো রকমের নেগেটিভ দিক রয়েছে।

সুতরাং সেভিংসের থেকে কোন একটা সাইটে বিনিয়োগ করে নিজের এবং সামাজিক উন্নয়ন বহুলাংশে বেটার এটা অনস্বীকার্য।

(সামনে আমার ব্যক্তিগত বিনিয়োগের কিছু বাস্তব কেসস্টাডি নিয়ে আলাপ করবো ইনশাআল্লাহ)

25/05/2023

২০০৮ সালে এক ভোরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিলো ২৬ হাজার টাকার আশেপাশে। বর্তমানে সোনার মূল্য ২২ ক্যারেট লাখ টাকার আশেপাশে। মোটামুটি গত ১৫ বছরে সোনার মূল্য বেড়েছে ২০০৮ সালের তুলনায় প্রায় ৪ গুণ! গ্রামীন জমির দাম একই হারে বাড়লেও শহরের জমির দাম বেড়েছে প্রায় ১০ গুণের মত।

এবার মনে করুন ২০০৮ সালে আপনি আপনার ১ লক্ষ নগদ টাকা ব্যাংকে রাখলেন। বার্ষিক ৮% হারে ব্যাংক আপনাকে সুদ দিলে ২০২৩ সালে এসে আপনার ঐ এক লক্ষ টাকা সুদসহ হবে ২ লাখ ২০ হাজার টাকার মত। তাহলে এখানে আপনি কতটা লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত হলেন?

২০০৮ সালে আপনি আপনার এক লক্ষ টাকা দিয়ে প্রায় ৪ ভরি ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে পারতেন যেটার বর্তমান বাজারমূল্য হতো প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। তাহলে সোনার মূল্য ধরে আপনার ১ লক্ষ টাকায় ক্ষতি মোটামুটি ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মত। এখন প্রশ্ন আপনার এত বড় ক্ষতিটা করলো কে?

এটার উত্তর 'মুদ্রাস্ফিতী'। এই মুদ্রাস্ফীতিই আপনার নগদ টাকার মানকে কমাতে কমাতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা কমিয়ে নিয়ে আসছে। যেটার একটা ক্ষমতা হলো সময় গিয়ে এটা আপনার নগদ অর্থের মানকে একেবারে শূণ্যের কোঠায় নিয়ে আসতে পারে। এখন যারা ব্যাংকে টাকা রেখে নিশ্চিন্তে আছেন যে আপনার অর্থ ব্যাংকে অনেক নিরাপদে আছে তাদের এত নিশ্চিন্ত হবার কোন কারণই নেই কেননা মুদ্রাস্ফীতি নামক দানবাকৃতির শুয়ো পোকা অলরেডি আপনার টাকা কেটে খাওয়া শুরু করে দিয়েছে।

তাহলে এখন উপায়? সোনা কেনা? জমি কেনা? নাকি অন্যত্র বিনিয়োগ করা? এটা নিয়ে পরবর্তীতে কথা বলবো শীঘ্রই।

09/05/2023

পুঁজিবাদ এবং হর্তাকর্তা।
সৌরভ আনান অন্তর।

-পুঁজিবাদ বা ক্যাপিটালিজম শব্দের সঙ্গে প্রায় সকলেই পরিচিত। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির যুগে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা নিজের আসন পুরো পৃথিবীজুড়ে পাকাপোক্ত করে নিয়েছে, যার আবেদন আগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই বললেই চলে। বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মুক্তবাজার অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ক্যাপিটালিজম বা পুঁজিবাদের ধারণা।

"পুঁজি" বলতে কী বোঝায়? কোনো সমাজ বা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যখন উৎপাদন যন্ত্রগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন থাকে তখন সেসব উৎপাদন যন্ত্রকে বলা হয় পুঁজি। ধরুন আপনার এক লাখ টাকা সমমূল্যের জমি রয়েছে, যেখানে আপনি চাইলে ফসল উৎপাদন করতে পারেন, তখন সেই জমি বা উৎপাদন যন্ত্রকে বলা হবে আপনার পুঁজি, অর্থাৎ আপনার এক লাখ টাকার পুঁজি রয়েছে। সুতরাং সহজ ভাষায় বলতে গেলে যে সমাজ ব্যবস্থায় উৎপাদন যন্ত্রের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা বিদ্যমান, সেটিকে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা বলা যেতে পারে। যাদের হাতে পুঁজি থাকে তাদের বলা হয় বুর্জোয়া বা পুঁজিপতি। আর যাদের কোনো পুঁজি নেই, যারা দরিদ্র, তারা নিজেদের শরীর খাটিয়ে পরিশ্রম করে বুর্জোয়াদের জমি জমা, কল কারখানা, খনিতে। মাস শেষে সামান্য কিছু মাইনে নিয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এই শ্রমজীবী শ্রেণীকে বলা হয় সর্বহারা (proletariat)। শ্রম দেয়ার ক্ষমতা ছাড়া এদের অন্য কোন পুঁজি নেই। তাই এ শ্রেণীর মানুষ পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় সব সময়ই শোষিতের কাতারে থাকে।

উৎপাদন যন্ত্রের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা আজ পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র স্বীকৃত। এর ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বেশি লাভ করে কীভাবে নিজেদের পুঁজি বাড়ানো যায় এ চিন্তায় বিভোর হয়ে আছেন পুঁজিপতি ব্যবসায়ীরা। এর ফলে কম দামে কীভাবে ভালো পণ্য উৎপাদন করে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়া যায়, এ নিয়ে ছক কষা হচ্ছে বিস্তর। এতে বিক্রি বাড়বে, সেইসঙ্গে আসবে প্রচুর লাভ। আমার কাছে যে পণ্যটি ১০ টাকায় পাবেন, অন্য একজন যদি সেই একই ধরণের এবং একই গুণগতমান সম্পন্ন পণ্য ১২ টাকায় বিক্রি করে, আপনি নিশ্চয় আমার থেকেই পণ্যটি কিনবেন! এভাবেই চলে প্রতিযোগিতা। পুঁজিপতিরা পণ্য উৎপাদনের খরচ কমানো ও গুণগত মান বাড়ানোর তাগিদে বিজ্ঞানীদের ডেকে আনেন, তারা নতুন নতুন কৌশল বা উপায় বাতলে দেন। ভাবছেন, দারুণ তো! এতে করে তো সেবার মান প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে! কিন্তু এটাই পুঁজিবাদের শেষ কথা নয়, এর আড়ালে লুকিয়ে আছে এমন সব রূঢ় বাস্তবতা যা পুরো মানব জাতিকেই দিন দিন কঠিন সব প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে, মানবিকতাকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার আড়ালে যেসব ভয়ানক কুফল লুকিয়ে আছে সেসব সম্পর্কে!

প্রথমত, পুঁজিবাদের সুযোগ নিয়ে গুটি কয়েক পুঁজিপতি সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে, কিন্তু সমাজের বেশিরভাগ লোক দরিদ্র হয়ে যায়। এর পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কারণ। উৎপাদনের প্রতিযোগিতার ফলে যাদের পুঁজি অল্প তারা বাজারে টিকতে পারে না। ফলে তারা অচিরেই পুঁজি হারিয়ে সর্বহারাদের দলে মিশে যায়, হয়ে পরে দরিদ্র। এভাবে প্রতিনিয়ত ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার ফলস্বরূপ সমাজে দরিদ্রের সংখ্যা বেড়েই চলে, যাদের পুঁজি অনেক বেশি, তারাই টিকে থাকে সমাজের ধনিক শ্রেণী হয়ে।

দ্বিতীয়ত, পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় ব্যবসা সংকটের পুনরাবর্তন। পুঁজিপতিদের একমাত্র লক্ষ্য হলো তাদের উৎপাদিত পণ্য থেকে "লাভ" করা। মুনাফা ছাড়া তারা অন্য কোনো কিছুর কথা চিন্তা করতে পারে না। কিন্তু পুঁজিবাদের ক্রমবর্ধমান বিস্তারের ফলে সমাজে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমতে থাকে। এর ফলে পুঁজিপতিরা যেসব পণ্য উৎপাদন করে তা বিক্রি করতে পারে না। সহায় সম্পদহারা মানুষ একদিকে না খেতে পেয়ে মারা গেলেও তাদের কিছু যায় আসে না। খাদ্যের গুদামে খাদ্য নষ্ট হয়, বস্ত্রের গুদামে বস্ত্র পড়ে থাকে, অন্যদিকে অন্ন বস্ত্রের অভাবে দরিদ্র মানুষও মরতে থাকে। যতই মানবিক আবেদন তৈরি হোক, উপযুক্ত দাম না পেলে পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীরা পণ্য বিক্রি করে না। এমন পরিস্থিতিকে "ব্যবসা সংকট" নামে অভিহিত করা হয়, যা পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার একটি ভয়ানক কুপ্রভাব।

এবার আসি আমেরিকান পুঁজিবাদ কিভাবে বিশ্বকে শোষণ করছে সেই প্রসঙ্গে। বিশ্ব অর্থনীতির নীতিনির্ধারক বা স্টান্ডার্ড হলো ডলার। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যর সিস্টেমই হলো কেউ যদি কোন ডলার অর্জন করলে তাহলে অন্য একটা পক্ষ নিজেদের ডলার হারাবে; খানিকটা হারাতে বাধ্য। পৃথিবীর কোন দেশ যদি বৈদেশিক মুদ্রা মানে ডলার অর্জন করে সেটাকে বলা হয় সারপ্লাস। আবার কোন দেশ যদি বৈদেশিক মুদ্রা হারায় তাহলে সেই ঘটনাকে বলে ডেফিসিয়েট। পণ্য বা সেবা রপ্তানি, মানব সম্পদ রপ্তানি, পর্যটন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সারপ্লাস হয় ঠিক একইভাবে আমদানি রিলেটেড বিষয়ের কারণে একটি দেশে ডেফিসিয়েট হয়ে থাকে। যদি পৃথিবীর মধ্যে অর্ধেক দেশের কারেন্ট একাউন্ট সারপ্লাসে থাকে তাহলে বাকি অর্ধেক দেশের কারেন্ট একাউন্ট ডেফিসিটে থাকবে। এটা খানিকটা অর্থনীতির নিয়ম বলা যায়। ধনী-গরীব, ভালো অবস্থা-দূরাবস্থা দুইটা বিষয় না থাকলে ক্যাপিটালিজম ভেঙে পরবে। এখানে অর্ধেক-অর্ধেকের বিষয়টা স্টেবল না, বেশীরভাগ দেশই ডেফিসিটে থাকে।

মজা হয় তখন যখন যেই সমস্ত দেশের কারেন্ট একাউন্ট ডেফিসিটে থাকে, তারা ডলারের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কারণ গ্লোবাল বিজনেস ডলার ছাড়া অচল। যেকোনো প্রকার পণ্য বা সেবার জন্য ডলার বাধ্যতামূলক। একটি দেশের যাবতীয় বিষয়াদি আমদানির জন্য ডলার প্রয়োজন। আমেরিকা ঠিক এই সময়টাকেই নিজেদের কাজে লাগায় সেই সমস্ত দেশগুলোকে। তাদেরকে ঋণের জন্য প্রপোজ করে এবং সাথে থাকে কঠিন কঠিন শর্ত। উপায়ন্তর না পেয়ে অনেকটা দায়বদ্ধ হয়েই আমেরিকার কঠিন শর্ত মেনে তাঁরা ঋণ নিতে বাধ্য হয়। শর্তগুলোর মধ্যে থাকে বিরাট সুদ, রাজনৈতিক মিত্র হবার প্রস্তাব, খনিজসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদের উপর দখলদারি, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ, আমেরিকার পণ্য (অস্ত্র) কিনতে বাধ্য এমনকি সেই দেশে ন্যাটোর ঘাটি বসানো ইত্যাদি। এত এত শর্তগুলোও তখন দায়ে পরা রাষ্ট্র বাধ্য হয় মেনে নিতে কারণ কোন উপায় থাকেনা। কারণ ডলার না থাকলে একটি রাষ্ট্র আন্তজার্তিক অর্থনীতি-রাজনীতি সব জায়গা থেকেই ছিটকে যাবে। তাই নিজের স্বার্থ এবং অস্তিত্ব রক্ষার্থে সবাই আমেরিকার সাথে সমঝোতা রক্ষা করে চলতে বাধ্য হয়। অন্যথায় ঐ দেশ উত্তর কোরিয়া মত হয়ে যাবে। এর আরও কিছু উজ্জ্বল প্রমাণ হচ্ছে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, কিউবা, ভেনিজুয়েলা, আফগানিস্থান।

চলুন জেনে আসি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট মিসটেক সম্পর্কে-পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট মিসটেকটি ছিলো মোটামুটি ৫...
02/02/2023

চলুন জেনে আসি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট মিসটেক সম্পর্কে-
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট মিসটেকটি ছিলো মোটামুটি ৫৩ লক্ষ কোটি টাকার তাও মাত্র ৩০০ কোটি কোটি টাকার জন্য। ৩০০ কোটি টাকার জন্য বিনিয়োগকারীর প্রায় ৫৩ লক্ষ কোটি টাকা খোয়া যায়। এটি যে কত টাকা সেটি বোঝার জন্য একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এই সমপরিমাণ টাকা দিয়ে ১৭৬ টি স্বপ্নের পদ্মা সেতু বানানো যাবে খুব সহজেই।
আমরা সবাই আমাজন (Amazon) কোম্পানি সম্পর্কে জানি। এই কোম্পানির শুরুর দিকে জেফ বেজসের কিছু ইনভেস্ট দরকার ছিলো বিজনেস এক্সপান্ড করার জন্য।
মিঃ বেজস একজন ইনভেস্টরের কাছে গিয়ে ইনভেস্টমেন্ট প্রপোজাল দেন। বিনিয়োগকারী ১০০ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজী হোন কোম্পানি ৩০% শেয়ারের বিনিময়ে। মানে বিনিয়োগকারী কোম্পানির ভ্যালুয়েশন ধরেন ৩৩৩ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু মিঃ বেজসের হিসেব মতে তাঁর কোম্পানির ভ্যালুয়েশন ছিলো ৪৩০ মিলিয়ন ডলার এবং তিনি ইনভেস্টরকে ৩০% শেয়ার ১৩০ মিলিয়ন ডলারে নিতে প্রপোজ করেন। কিন্তু ইনভেস্টর মিঃ বেজসের এই প্রস্তাবে রাজী না হয়ে ডিল বাতিল করে দেন।

মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার বা ৩০০ কোটি টাকার জন্য বিনিয়োগকারীর বাতিল করা এই ডিলটি হলো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট মিস্টেক। বর্তমানে আমাজনের মোট ভ্যালুয়েশন ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং এই কোম্পানির ৩০% শেয়ারের দাম ৫২৭ বিলিয়ন ডলার বা ৫৩ লক্ষ কোটি টাকা।

যিনি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের এই ভুলটি করেছিলেন এবং সেটার মাশুল গুণছেন (মাশুল গুণছেন কারণ উনি এখনও একজন ওয়েল নোয়িং ইনভেস্টর ওয়ার্ল্ডের মধ্যে। উনি ইয়াহু, ওলা, আলিবাবা, উবারের মত বড় বড় প্রতিষ্ঠানসহ পৃথিবীর প্রায় ১৫০০ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছেন।) জাপানি নাগরিক মিঃ মাসাওশি সন, যিনি সফট ব্যাংকের সিইও। সফট ব্যাংক বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম বিকাশেরও ২০% শেয়ার হোল্ডার।

আমরা অনেকেই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে "ইউনিকর্ন" এর নাম শুনেছি।কিন্তু হয়তো অনেকেই জানি না ইউনিকর্ন স্টেপের পরেও আরেকটি স্টেপ...
01/02/2023

আমরা অনেকেই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে "ইউনিকর্ন" এর নাম শুনেছি।

কিন্তু হয়তো অনেকেই জানি না ইউনিকর্ন স্টেপের পরেও আরেকটি স্টেপ থাকে যেটাকে " ড্রাগন" বলা হয়।

ইউনিকর্ন- যে স্টার্টআপের ভ্যালুয়েশন ১বিলিয়ন $ ক্রস করে সেটি গ্লোবাল ইউনিকর্নের ক্লাবে প্রবেশ করে।

কিন্তু
- কোন স্টার্টআপের ভ্যালুয়েশন যদি ১২ বিলিয়ন কিংবা এর বেশি হয় তাহলে সেটি আর ইউনিকর্ন থাকে না তা ড্রাগন হিসেবে রুপ নেয়। অর্থাৎ এটি ড্রাগন ক্লাবে প্রবেশ করে।
ওয়ার্ল্ডের ড্রাগন ক্লাবে এখন Stripe, SpaceX সহ U.S তে সর্ব মোট ২৪ টি স্টার্টআপ আছে যারা ড্রাগন ক্লাবে রাজ করছে।

ড্রাগনের পরে কী হবে এখনো নীতি-নির্ধারক কনজুমার পাবলিক।

আগের তুলনায় সচারাচর মুভি খুবই কম দেখা হয়!🔔গতকাল ইন্ডিয়া একজন স্টার্টআপ ফাউন্ডারের সাথে আলাপ-আলোচনা সময় এ যখন জিগ্যেস করা...
01/02/2023

আগের তুলনায় সচারাচর মুভি খুবই কম দেখা হয়!🔔

গতকাল ইন্ডিয়া একজন স্টার্টআপ ফাউন্ডারের সাথে আলাপ-আলোচনা সময় এ যখন জিগ্যেস করা হয়।
"ইন্ডিয়া স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এ এমন কী হিডেন স্ট্রাটেজি এপ্লাই চলছে এতে ওয়ার্ল্ডের টপ স্টার্টআপ কান্ট্রি,ইকোসিস্টেম, সিটি সহ সব কিছুতে তারা স্থান করে নিয়েছে?"

উত্তর হিসেবে আমাকে দেওয়া হয়
সরকারি & প্রাইভেটলটি সব ধরনের ফাউন্ডার যে যার স্থান থেকে ইন্সপাইরিং করার পাশাপাশি রেগুলার ইউনিভার্সিটি, স্কুল,কলেজ সব কিছুতে চলমান ২০১০ থেকে এখন পর্যন্ত!

সব কিছু বাদ দিয়ে আমাকে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি (তেলুগু, তামিল) এ সবাই এখন ইন্ডিরেক্টলি, ডিরেক্টলি ইনফ্লুএন্স করার জন্য মুভির স্টোরি তে স্টার্টআপ, আইডিয়া, রিসার্চ, ফেইলার & প্রোগ্রেস,বিজনেস, corporate world সব কিছু এ কে কোন না কোন ভাবেই লিংকাপে রাখছে।

এইতো, এই বছরের জানুয়ারি তে রিলিজ পাওয়া "Varisu " তে স্টোরিতে স্টার্টআপ VS corporate world কে ২ ভাবেই দেখানো হয়েছে।
এমন বেশ কিছু মুভিতে প্রমানসাপেক্ষে দেওয়া হয়।

অবশ্যই বেশ কিছু ক্লিপ দেখে আমি নিজেও এই ধরনের উদ্যোগ দেখে ইম্প্রেস!

হিউম্যান বেহাভিউর এ যখন কোন আইডল,আইকন কিংবা যারা সুপার স্টার মনে করে অথবা বেশ কিছুদিন ফোলোয়ার & ফ্যান থাকে তাদেরকে এইসব রোল দেখে এদের মধ্যে থেকে এই বিশাল audience মারাত্মক ভাবে ইনফ্লুএন্স হয়ে ক্রমাগত স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এ ইনভলভ হচ্ছে!

এতেই ইন্ডিয়াতে শত শত ইউনিকর্ন, ফাউন্ডার্স!

আমাদের দেশে আশা রাখছি এই ধরনের প্রেক্টিস দেখা যাবে।

Lots of love creators!

01/02/2023
২০২২ সালে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের মধ্যে যে সমস্ত স্টার্টআপ কোম্পানি ফরেন ফান্ড রাইজ করেছেন সেগুলোর তালিকা।
01/02/2023

২০২২ সালে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের মধ্যে যে সমস্ত স্টার্টআপ কোম্পানি ফরেন ফান্ড রাইজ করেছেন সেগুলোর তালিকা।

01/02/2023

যাদের ভবিষ্যতে চাকরী কিংবা বিজনেস করার ইচ্ছা, তাদের কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সময়েই স্টার্টআপ বিজনেসে যাওয়া উচিত। এটা কোন বিষয়ই না তাঁরা সফল হলো কিনা।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ রেজাল্ট হবে যেটা, সেটা হলো তাঁরা ১০গুণ এগিয়ে থাকবেন তাদের তুলনায় যারা ভাবছে পড়াশুনা শেষ করেই চাকরীতে কিংবা বিজনেসে আসবেন।

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Telephone

+8801836384088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Investment Fund- InFu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Investment Fund- InFu:

Share