সেল-বাজার - চট্রগ্রাম

সেল-বাজার - চট্রগ্রাম ভাল ভাল পোস্ট পেতে ফেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন আর পোস্ট গুলু শেয়ার করুন..

আগে ভালো ছিলাম?  নাকি এখন ভালো আছি?কমেন্ট করেন
18/04/2025

আগে ভালো ছিলাম? নাকি এখন ভালো আছি?
কমেন্ট করেন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, বাংলাদেশের সম্পদসবাই কমেন্ট করে বলেন
18/04/2025

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, বাংলাদেশের সম্পদ
সবাই কমেন্ট করে বলেন

----ধর্ষিতার জবানবন্দি----মেয়েকে ধর্ষনের ৬ দিন পর বাবা কে হত্যা! বরগুনায় গিয়েছিলাম, নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুটির বয়স সব...
14/03/2025

----ধর্ষিতার জবানবন্দি----
মেয়েকে ধর্ষনের ৬ দিন পর বাবা কে হত্যা! বরগুনায় গিয়েছিলাম, নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুটির বয়স সব মিলে ১২ বছর হবে! হ্যাংলা পাতলা মেয়ে! গায়ে ওজন হতে পারে ৩০-৩২ কেজি!
তার ভাষ্য অনুযায়ী ধর্ষকের বাড়ির পেছনের এক ঝোপের মধ্যে হাত-পায়ে রশি বেঁধে তাকে আটকে রাখা হয়! এক রাতে ৩ বার ধর্ষন করা হয় শিশুটিকে! পরের দিক সকালে ধর্ষক নিজেই মেয়েটিকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়!

এই ঘটনায় মেয়েটির বাবা ধর্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে মামলার শুনানীর আগের রাতে তাকেও হত্যা করা হয়েছে!

ভুক্তভোগী মেয়েটি প্রশ্ন করেছিল- ভাইয়া বাবার হত্যার বিচার চাইবো? নাকি আমার উপর হওয়া অমানবিক নির্যাতনের সেটা এখানো বুঝে উঠতে পারছিনা! আমার মায়ের কোলে দেড় মাসের একটা ছোট শিশু! আমিও ক্লাস সেভেনে পরি! বড় কোন ভাই নেই! কিভাবে আমার সংসার চলবে এটা জানিনা! বিচার চাইবো নাকি খেয়ে পরে বেঁচে থাকবো সেই নিশ্চয়তাও পাচ্ছিনা!

আমি কোন উত্তর না দিয়ে ওর ইন্টারভিউ বন্ধ করে দিয়ে ওরে ঘরের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছি! কেননা ওর প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে ছিল না!

আপনাদের কাছে কি আছে ওর প্রশ্নের উত্তর??
শেয়ার করে বলেন..

 #বায়োফ্লক_ট্যাংক_তৈরির_পর_হার্ভেস্ট_পর্যন্ত_সব_ব্যাবস্থাপনা_সংক্ষেপে লেখার চেষ্ঠা করলাম,আশা করি নতুনদের কিছুটা উপকারে আ...
20/07/2020

#বায়োফ্লক_ট্যাংক_তৈরির_পর_হার্ভেস্ট_পর্যন্ত_সব_ব্যাবস্থাপনা_সংক্ষেপে লেখার চেষ্ঠা করলাম,আশা করি নতুনদের কিছুটা উপকারে আসবে,,,,

#বায়োফ্লকে_পানির_উৎস...

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য ট্যাংক তৈরির পর প্রথম কাজ হলো পানি ব্যবস্থাপনা ও পানিতে ফ্লক তৈরী করা,পানির জন্য গভীর নলকূপ, সমূদ্র, নদী,বড় জলাশয়,লেক,বৃষ্টি ইত্যাদির উৎসের পানি ব্যবহার করা যায়, তবে গভীর নলকুপের পানি ব্যাতীত অন্য উৎসের পানি ব্যবহারের পূর্বে জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।

#বায়োফ্লকের_জন্য_উপযোগী_পানি_তৈরী_করা...

প্রথমে ট্যাংক জীবাণুনাশক/ ব্লিচিং পাউডার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। পানিতে আয়রনের মাত্রা ০.১- ০.২ mg/L এর বেশি হলে পানি থেকে আয়রন দূর করার জন্য ১০ হাজার লিটার ট্যাংকে ৫০০ গ্রাম ফিটকারি দিয়ে ২৪ – ৩৬ ঘন্টা এয়ারেশন দিয়ে ৪ - ৫ ঘন্টা এয়ারেশন বন্ধ রাখলে আয়রনের ময়লা ট্যাংকির নিচে জমা হয়ে যায় এবং পুরো ট্যাংকির পানি স্বচ্ছ হয়ে যায়, ফলে সাইফুনিন পাইপ দিয়ে আয়রন/ ময়লাটা বাইরে সহজেই ফেলে দেওয়া যায়,,

#তারপর_পানিতে_চুন_প্রয়োগ...

ফিটকারি ব্যবহারের কারনে অবশ্য পানির পিএইচ কমে যায়, তখন আরও ১০ - ১২ ঘন্টা পানিতে অনবরত বাতাস সরবরাহ করতে হবে। ২৪ ঘন্টা পর পানিতে ৮০০ গ্রাম – ১ কেজি (১০ হাজার ট্যাংকির জন্য) চুন প্রয়োগ করে বাতাস সরবরাহ নিয়মিত করতে হবে, চুন প্রয়োগ মাত্রা পানির পিএইচ এর উপর নির্ভর করে কমতে বা বাড়তে পারে।

#তারপর_পানিতে_লবন_প্রয়োগ...

এবার পানির TDS কাংখিত পর্যায়ে আনতে লবন দিতে হবে,আমাদের দেশের স্বাধু পানির মাছ গুলোর জন্য TDS ৫০০-৮০০ রাখলেই চলে, তাই ছোট অবস্থায় TDS ৫০০-৬০০ রাখার জন্য ১০ হাজার লিটার ট্যাংকিতে ৫-৬ কেজি র- লবন (আয়োডিন ছাড়া) দিলেই চলে,পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে কিছুটা বাড়িয়ে নিতে পারবেন তখন মাছও বড় হবে এবং সহ্য করতে পারবে,বায়োফ্লকের জন্য ৫০০ - ১৮০০ ppm TDS থাকা ভাল সেটা কত মাত্রায় কোন প্রজাতির জন্য থাকবে সেটা যাচাই করে নিতে হবে।

#তারপর_পানিতে_ফ্লক_তৈরি...

প্রথম ডোজে প্রোবায়োটিক (হ্যটারোটপিক ব্যাক্টেরিয়া) ৫০ বা ৬০ গ্রাম প্রতি ১০ হাজার লিটার পানির ক্যাপাসিটি ট্যাংকির জন্য সাথে চিটাগুড় ৫০০ গ্রাম নিন, তারপর ১০ হাজার লিটার ট্যাংকির জন্য ১০ লিটার পানি একটি প্লাস্টিকের বালতিতে ভালভাবে মিশিয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করে ৮- ১০ ঘন্টা কালচার করে প্রয়োগ করতে হবে। ২য় দিন থেকে ৫০ গ্রাম চিটাগুড় প্রতি দিন পানিতে গুলিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।বায়োফ্লকে পানির পিএইচ ৭.৫- ৮.৫ এর মধ্যে থাকা বাঞ্চনীয়,,,,

#তারপর_বায়োফ্লকের_কার্যক্রম_পর্যবেক্ষণ...

পানিতে যথাযথ পরিমাণ ফ্লক তৈরি হলে-১. পানির রং সবুজ বা বাদামি দেখায়২. পানিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দেখা যায়৩. পরীক্ষা করলে পানি অ্যামোনিয়া মুক্ত দেখায়৪. প্রতি লিটার পানিতে ০.৩ গ্রাম ফ্লকের ঘনত্ব পাওয়া যাবে ৫. ক্ষুদিপানা দেওয়ার পর তাদের বংশ বিস্তার পরিলক্ষিত হয়।

#নিয়মিত_পানির_গুণাগুণ_পরীক্ষা...

বায়োফ্লক পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উপকারী ব্যাকটেরিয়া যা মাছচাষের ফলে উৎপাদিত বর্জ্য কে প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব খাবারে তৈরি করে। তাই সঠিক উৎস হতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করতে হবে।নিয়মিত ট্যাংকে সরবরাহকৃত পানির গুণাগুণ যেমন- অ্যামোনিয়া, নাইট্রেট, নাইট্রাইট, ফ্লকের ঘনত্ব ইত্যাদি পরিমাপ করতে হবে এবং এগুলো যদি সঠিক মাত্রায় না থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

#মাছ_ছাড়ার_পুর্বে অক্সিজেন, পিএই, অ্যামোনিয়া, TDS , তাপমাত্রা পরীক্ষা করে নিতে হবে,,,

বায়োফ্লকের জন্য #তাপমাত্রা একটা বড় ফ্যাক্টর। তাপমাত্রা ২০ এর নিচে নেমে গেলে বায়োফ্লক তৈরী হবে না। স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা হল ৩০ ডিগ্রী। তাই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

#অ্যামোনিয়া ০.৬-২.০ মিলিগ্রাম/লিটার হলে মাছের জন্য তা বিষাক্ত হয়ে থাকে। অ্যামোনিয়া ঘনত্বের সর্বোচ্চ মাত্রা হলো ০.১মিলিগ্রাম/লিটার। অ্যামোনিয়ার পরিমাণ ০.২ মিলিগ্রাম/লিটার এর কম থাকা ভালো। যদিও ০.৪ মিলিগ্রাম/লিটার গ্রহণযোগ্য।

মাছ চাষের পানিতে #পিএইচ এর মাত্রা ৭-৮.৫ এর মধ্যে থাকা বাঞ্চনীয়। পিএইচ মাত্রা যদি ৪.৫ এর নিচে হয় এবং ১০ এর উপরে হয় তবে সব মাছ মারা পড়বে। পিএইচ যদি ৬.৫-৮.৫ এর নিচে বা উপরে হয় তবে এক্ষেত্রে মাছ যেকোনভাবে আক্রান্ত হবে।

এছাড়া TDS 600-1200 মধ্যে রাখা ভালো,,

িছু_ঠিকঠাক_থাকলে_এবার_মাছ_চাষ_শুরু

আমাদের দেশে দশ হাজার লিটার একটা বায়োফ্লকে 450/500 কেজি উৎপাদন পাওয়া যাচ্ছে,আর আপনি কোন মাছ চাষ করবেন,আর কয়টায় কেজি করবেন তার উপর ভিত্তি করে পোনা ছাড়তে পারেন,আর পোনা গুলো যদি 1000 লাইনের হয় তবে সব চেয়ে ভালো হয়,

#এছাড়া_অন্যান্য_মাছের_পরিমানটা_এরকম_হবে_দশ_হাজার_লিটারের_জন্য...

তেলাপিয়া - 2500/3000
কই মাছ - 5000/5500
দেশি মাগুর - 5000/5500
দেশি শিং - 6000/6500
পাবদা - 6000/6500

#নোট - বায়োফ্লক পদ্ধতিতে ট্যাংকে অধিক পরিমাণে মাছ রাখা হয়। তাই ট্যাংকে সব সময় অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়, ট্যাংকে সব সময় অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ লাগবে। তা না হলে ট্যাংকের অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে সব মাছ এক সাথে মারা যেতে পারে। সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা ট্যাংকে অক্সিজেন সরবরাহ না করা হলে সব মাছ মারা যেতে পারে।

#মনে_রাখতে_হবে...

ফ্লক তৈরি ও ফ্লক এর কার্যকারীতা ধরে রাখাই হল বায়োফ্লক এর মুলবিষয়।সাধারণত পানিতে প্রবায়োটিক কার্যকর হলে রোগাক্রান্ত হবার কোন প্রশ্নই আসে না। এরপর যদি রোগাক্রান্ত দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার ফ্লক অপটিমাম লেভেলে নেই কিংবা ফ্লক কার্যকর হচ্ছে না।এজন্য #পানি_গন্ধ_হচ্ছে, মাছ মারা যাচ্ছে ইত্যাদি।

#মাছ_মারা_যাওয়া_শুরু_হলে_করণীয়_কি?

ফিড বন্ধ রাখুন। মৃত মাছ গুলো তুলে ফেলুন। ৫০% পানি পরিবর্তন করুন। প্রতিদিন FCO দিন। TDS পরিক্ষা করোন, Dissolved oxygen লেভেল ৪-৫ পিপিএম রাখার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন C:N ratio হিসেবে মোলাসেস দিন।কোন ভাবেই অভিজ্ঞ কারও সাথে পরামর্শ ছাড়া antibiotic ব্যবহার করবেন না। করলে বিপদে পড়তে হবে।

#মাছের_গ্রোথ_এবং_খাদ্য_ব্যাবস্থাপনা...

সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারলে যেমন মাছ বাঁচানো সম্ভব হয়না। তেমনিভাবে মাছের গ্রোথ ঠিকমত না হলেও বায়োফ্লকে লাভবান হওয়া যায় না। মাছের সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারলে মাছের রোগ -বালাই কম হওয়া সহ দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি সংগঠিত হবে।উদাহরন স্বরুপ বলতে চাই, ভিটামিন সি ও বি মাছের খাদ্য গ্রহনে অনীহা দুর করে ও ত্বকের বিভিন্ন রোগ দুর করে।মাছের খাবারের তালিকায় থাকতে হবে সুষম খাদ্য উপাদান। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল এবং অ্যামিনো এসিড সমূহ নির্ধারিত পরিমাণ ও মাত্রায় নিয়মিত সরবরাহ করতে হবে।

বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কোম্পানির গ্রোথ প্রমোটর মেডিসিন গুলো মূলত মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল এবং অ্যামিনো এসিড এর সমন্বয়। যা পরিমিত মাত্রায় নির্দিষ্ট সময় পরপর বায়োফ্লক ট্যাংকে খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োগ করলে ২ মাসের মধ্যেই মাছের পুর্নাঙ্গ দৈহিক বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হবে। কাজেই ৪ মাসের মধ্যেই মাছ সফলভাবে হার্ভেস্ট করা যাবে।

#সর্বশেষ_আয়_ব্যায়

একটি দশ হাজার লিটার ট্যাংকে আপনি যদি ভালো ভাবে পরিচর্যা করতে পারেন,তবে 400-500 কেজি পর্যন্ত উৎপাদন তুলতে পারবেন,কারো কারো 350-400 কেজিও হয়,আবার অনেকে 200-250 কেজি উৎপাদন করে হতাস ও হয়,পুরো ভিষয়টি নির্ভর করে আপনার অভিঙ্গতা, পরিশ্রম,আর সময় উপযোগি সিন্ধান্তে, তবে প্রথমে আশা কম করতে হবে,,

তারপর সব কিছু ঠিক থাকলে আর আল্লাহ সহায় থাকলে পোনা কিনা+খাবার খরচ+অন্যান্য মিলিয়ে প্রতি দশ হাজার লিটার ট্যাংকের উৎপাদন বাবধ প্রায় 20 থেকে 25 হাজার টাকা খরচ হবে,আর মাছ বিক্রি করে পাবেন 35-40 হাজার টাকা,,

#সর্বশেষ_একটা_কথা

না বুঝে করলে মাছ চাষ,লস খাবেন বারো মাস,কারো কথায় বা ট্রেইনারের মগজ দোলাই করা কথা শুনে কেউ বায়োফ্লকে আসবেন না,আগে নিজের মধ্যে শক্তি আনুন,নিজেকে নিজে প্রশ্ন করোন,আপনার দ্বারা এই কাজ সম্ভব কিনা,যদি উত্তর প্রজেটিব হয়,নিজের উপর নিজে বিশ্বাস রাখতে পারেন,তবেই আপনার জন্য বায়োফ্লক প্রজেক্ট,,,,

আপনি লস খাবেন এটা আপনার একান্ত ব্যাক্তিগত ব্যাপার,কিন্তু আপনার লস দেখে আরো দশ জন উদ্যোক্তা হতাশ হবে,তাই কাজ শুরু করার আগে দশবার ভেবে নিন,,,,

Address

Chittagong Fatikchari
Chittagong
4350

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সেল-বাজার - চট্রগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share