Chittagong Shares & Securities Ltd.

28/04/2014

পেনিনসুলার আইপিও লটারি পিছিয়ে ৩০ এপ্রিল নির্ধারণ

28/04/2014

খুলনা প্রিন্টিংয়ের আইপিও আবেদন ৪ মে থেকে

খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিটির আবেদন শুরু হবে আগামী ৪ মে, রোববার থেকে। বিশেষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ শুরু ৪ মে এবং শেষ হবে আগামী মাসের ৮ মে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১৭ মে পর্যন্ত। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে ৪ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

খুলনা প্রিন্টিং মাস্টার কার্টুন, স্টিকার এবং রাইডার জাতীয় পণ্য উৎপাদন করে। এটি শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান। পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির গত ৪ মার্চ নিয়মিত সভায় কোম্পানিটিকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৪০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের অনুমতি প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ২ টাকা ৮২ পয়সা এবং এনএভি ছিল ২৪ টাকা ২৬ পয়সা।

খুলনা প্রিন্টিংয়ের ২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ দশমিক ৮২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ হয়েছে ২৪ দশমিক ২৬ টাকা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

28/04/2014

এপ্রিলে পরীক্ষামূলক, জুনে চূড়ান্ত হবে আইপিও সহজীকরণ প্রক্রিয়া

আর দীর্ঘ লাইন ধরতে হবে না বিনিয়োগকারীদের। আগামী এপ্রিল মাস থেকেই ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার এই প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। তবে এপ্রিল মাসে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতি।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রোববার এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি বিএসইসির আগামি কমিশন বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আর সে বৈঠকেই এটি অনুমোদন পেতে পারে। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও চাঁদা সংগ্রহের পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে পারে। ইতিমধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নের পথে বলে আভাস পাওয়া গেছে। চলতি মার্চ মাসেই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামি এপ্রিল মাসে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের (ডিপি) মাধ্যমে আইপিও’র আবেদন ও টাকা জমা দিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

পাইলট প্রকল্প আকারে নতুন পদ্ধতি চালু হবে। পরীক্ষামূলক সময়ে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরা পড়লে তা সংশোধন করে জুনে সব আইপিও’র ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হবে।

নতুন পদ্ধতি চালু হলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে আবেদনপত্র ও টাকা জমা দিতে হবে না। একইভাবে অকৃতকার্য বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য (রিফান্ড) দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। বিনিয়োগকারীর টাকা তার হিসাবেই থেকে যাবে।

বিএসইসির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম। বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, তারা আইপিও’তে আবেদনের পদ্ধতি এবং আবেদন গ্রহণ করার জন্য ডিপিদের প্রাপ্য কমিশন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা এসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এগুলো এখন সুপারিশ আকারে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, তারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। সুপারিশ গ্রহণ করা হবে কি-না, আর হলে কবে থেকে বিষয়টি কার্যকর হবে তা কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।

তবে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামি এপ্রিল মাস থেকে নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর এ সিদ্ধান্তই সুপারিশ আকারে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

উল্লেখ, আইপিও পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়ে গত ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। তবে ডিপির কমিশন ইস্যুতে মতভেদ দেখা দেওয়ায় বিষয়টি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পায়নি। ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টদের (ডিপি কমিশন চূড়ান্ত করার পর প্রস্তাবটিকে ফের কমিশন বৈঠকে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে বৈঠক করে বিএসইসি।

প্রস্তাব অনুসারে, আইপিও’র শেয়ারের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী প্রত্যেক বিনিয়োগকারীকে সংশ্লিষ্ট ডিপিতে নিজ একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা জমা রাখতে হবে। এ টাকা ওই আইপিও’র জন্য ব্লক করে রাখা হবে। আইপিও’র লটারি না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা তুলতে তা ওই টাকায় অন্য কোনো শেয়ার কিনতে পারবেন না।

28/04/2014

‘বিলুপ্ত’ হচ্ছে লট প্রথা ..

লট প্রথা না থাকলে বিনিয়োগকারীরা ১ বা ২ টি করে তাদের ইচ্ছামত শেয়ার কিনতে পারবেন। এতে বিনিয়োগকারীরা অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। বিনিয়োগের প্রতি বাধ্যতামূলক কোনো আচরণ থাকবে না। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে মনে করছে ডিএসই।

যে কারণে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের দাবি লট প্রথা বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার থেকে। আর এ লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আইন করে পুঁজিবাজার থেকে লট প্রথা বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা করেছে। আইন সংশোধন করে লট প্রথা তুলে দিতে শিগগীরই ডিএসই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে প্রস্তাব দেবে। তারা অনুমোদন করলেই কেবল এটি কার্যকর হবে। সোমবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

নতুন পদ্ধতি চালু হলে যাতে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঝামেলা না হয় সে বিষয়টিও ভাবছে ডিএসই। আর এ কারণে এজিএমে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিত সংক্রান্ত একটি আইন করা হবে। আইন অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের এজিএমে উপস্থিত থাকার জন্য একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক শেয়ার থাকতে হবে। আর যেসব বিনিয়োগকারী এজিএমে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, তারা লিখিত মতামত এজিএমে পাঠাতে পারবেন।

তবে এই লট প্রথা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসা কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে থাকবে। কোম্পানিগুলো সেকেন্ডারি মার্কেটে আসলেই লট প্রথা ভেঙ্গে যাবে।

এ প্রসঙ্গে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা বলেন, পুঁজিবাজারে লট প্রথা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় ভোগান্তি। বিনিয়োগকারীরা তাদের ইচ্ছা মত শেয়ার কিনতে পারে না। কোম্পানির বেধে দেওয়া নির্দিষ্ট লটে তাদেরকে শেয়ার কিনতে হয়। কোম্পানিগুলো যখন বোনাস লভ্যাংশ দেয়, তখন এই ভোগান্তি আরো বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা যাতে স্বাচ্ছন্দে শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারে এ জন্য বাজার থেকে লট প্রথা বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএসইর। আর এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা করতে বিএসইসির কাছে আমরা একটা প্রস্তাব করব।

উল্লেখ্য, মূল বাজারে শেয়ার কেনা-বেচা হয় লট বা গুচ্ছ আকারে। নির্দিষ্ট সংখ্যক শেয়ার নিয়ে মার্কেট লট গঠিত। বর্তমানে বাজারে ১০, ১০০, ২০০,২৫০ ও ৫০০ শেয়ার নিয়ে গঠিত লট আছে। লট বা গুচ্ছে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম শেয়ার থাকলে সেটি অড লট হিসেবে বিবেচিত।

এতে কোন বিনিয়োগকারী চাইলে ১, ২, ৩, ৪, ৫ ইত্যাদি একক হিসাবে শেয়ার কিনতে পারে না। কোম্পানির বেধে দেওয়া লটে তাকে শেয়ার কিনতে হয়। আর এই লট থেকে তৈরী হয় অড লটের ভোগান্তি।

সাধারণত বোনাস লভ্যাংশ বা রাইট প্রস্তাব থেকে অড লট সৃষ্টি হয়। ধরা যাক, একজন ব্যাক্তির কাছে এবিসি কোম্পানির ৫০০ শেয়ার। প্রতি ১০০ শেয়ার নিয়ে এর মার্কেট লট। কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে লভ্যাংশ হিসেবে বিনিয়োগকারী ৭৫ টি শেয়ার পাবেন। এটি মার্কেট লটের চেয়ে কম। এটিকে মার্কেট লটে পরিণত করতে হলে আরও ২৫ টি শেয়ার কিনতে হবে।

বিধি অনুসারে, অড লট শেয়ার বিক্রিতে দৃশ্যত কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু কেনার ক্ষেত্রে শর্ত পরিপালন করতে হয়। বিধি অনুসারে একজন বিনিয়োগকারী লট পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শেয়ার কিনতে পারেন। কিন্তু তিনি এমন সংখ্যক শেয়ার কিনতে পারবেন না, যা লট পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শেয়ারের চেয়ে বেশি। ধরা যাক, বাজারে এবিসি কোম্পানির ২৫ টি শেয়ার বিক্রির কোনো প্রস্তাব নেই। কিন্তু ৫০ টি শেয়ারের বিক্রেতা আছে। ওই বিনিয়োগকারী চাইলেও এ ৫০ টি শেয়ার কিনে তার লট পূরণ করতে পারবেন না, কারণ তাতে ২৫ টি শেয়ার বেশি হয়ে যাবে। এমন কঠিন ও অযৌক্তিক শর্তের কারণে অনেক সময় বিনিয়োগকারীরা অড লট শেয়ার নিয়ে বসে থাকেন।

বিনিয়োগকারীদের মতে, পুঁজিবাজার থেকে লট প্রথা বিলুপ্ত করা একটি প্রসংশনীয় উদ্যেগ ডিএসইর। লট প্রথা ভেঙ্গে গেলে বিনিয়োগকারীরা অল্প পুঁজিতেও পুঁজিবাজারে লেনদেন করতে পারেবে। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়বে। আর অড লটের ভোগান্তি থেকে বিনিয়োগকারীরা মুক্তি পাবে।

এ প্রসঙ্গে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ আবু মুসা বলেন, পুঁজিবাজারে লট প্রথা না থাকলে অবশ্যই বাজারের জন্য ভালো হবে। কারণ বাইরের দেশে কোথাও এই পদ্ধতি চালু নেই। এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে শেয়ার বাই -সেল করা হয়। তাই এই পদ্ধতি চালু হলে বাজারের জন্য কোন সমস্যা হবে না।

তিনি আরো বলেন, লট প্রথা থেকে অড লটের ভোগান্তি বাড়ে। অড লটে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা-বেচা করতে হলে ক্রেতা কম থাকে। এতে কম দরে শেয়ার বেচে দিতে হয়।

28/04/2014

BSC
Normal trading of the shares of the Company will resume on 29.04.2014 after record date.

23/04/2014

লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের নিরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। শনিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।আগামি ১৮ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৩ এপ্রিল।

23/04/2014

পেনিনসুলায় ৮০০ কোটি টাকার আবেদন জমা

দি পেনিনসুলা চট্টগ্রাম লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ৮০০ কোটি টাকার ওপর আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, কোম্পানিটির আইপিওতে ১৬৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৮০০ কোটি ৭২ লাখ ৮৮ হাজার ১০ টাকার আবেদন জমা পড়েছে, যা নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৪.৮৫ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৭৯০ কোটি ৮২ লাখ ৮৮ হাজার ১০ টাকা এবং ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীদের কাছ থেকে ৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে।কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ ৩০ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হয়েছে ৩ এপ্রিল। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ রয়েছে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের আবেদন রাজধানীর ঢাকা জিলা ক্রীড়া সংস্থার হলরুমে, কোম্পানির সুপারভিশন এবং কন্ট্রোলে গ্রহণ করা হবে।পেনিনসুলা চট্টগ্রাম ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য শেয়ারবাজারে ৫ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ টাকা এবং ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট।আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা দিয়ে হোটেল সম্প্রসারণে ৭ কোটি, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কাছে আরেকটি নতুন হোটেল নির্মাণে ১৪১ কোটি ৫ লাখ ২৬ হাজার ৭৬৬ টাকা এবং ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আইপিও খাতে ব্যয় করা হবে।৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩৩.৭৩ টাকা (রিভ্যালুয়েশনসহ)।আইপিও প্রক্রিয়ায় কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

Address

923/A, Kashfia Plaza (G. Floor)SK. MUJIB ROAD, AGRABAD
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Shares & Securities Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chittagong Shares & Securities Ltd.:

Share