21/05/2026
১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে জমি কিনলে রেজিস্ট্রেশন, মিউটেশন এবং রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance) বাবদ বেশ কিছু অতিরিক্ত খরচ হয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এই খরচের হার আলাদা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী আনুমানিক খরচের একটি হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
১. রেজিস্ট্রেশন খরচ (Registration Cost)জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করতে স্ট্যাম্প ডিউটি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
স্ট্যাম্প ডিউটি (Stamp Duty): পঞ্চায়েত এলাকায় জমির মূল্যের ৫% এবং পৌরসভা (Municipacy) এলাকায় ৬%।
রেজিস্ট্রেশন ফি: জমির মোট মূল্যের ১%।১৫ লক্ষ টাকার জন্য: পঞ্চায়েত এলাকায় মোট খরচ প্রায় ৯০,০০০ টাকা এবং পৌরসভা এলাকায় প্রায় ১,০৫,০০০ টাকা।
অন্যান্য খরচ: দলিল লেখকের (Deed Writer) ফি এবং কোর্ট ফি বাবদ আরও ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা লাগতে পারে।
২. মিউটেশন খরচ (Mutation Cost)সরকারি রেকর্ডে পূর্ববর্তী মালিকের নাম বাদ দিয়ে নিজের নাম তোলার প্রক্রিয়াকে মিউটেশন বা নামপত্তন বলে।
সরকারি ফি: পশ্চিমবঙ্গের নিয়ম অনুযায়ী, কৃষিজমি এবং পঞ্চায়েত এলাকার বাস্তু জমির মিউটেশন ফি বেশ কম (প্রতি শতকে সাধারণত ৪০ থেকে ১০০ টাকা)।
পৌরসভা বা কর্পোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক বা বড় বাস্তু জমির জন্য এই ফি কিছুটা বেশি হয়।
১৫ লক্ষ টাকার জমির জন্য: জমির আয়তন ও শ্রেণীভেদের ওপর ভিত্তি করে সরকারি ফি সাধারণত ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
(আইনজীবী বা এজেন্টের মাধ্যমে করালে অতিরিক্ত ২,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা খরচ হতে পারে)।
৩. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ (Maintenance Cost)জমি কেনার পর সেটি সুরক্ষিত রাখতে দীর্ঘমেয়াদি কিছু খরচ থাকে।
জমির খাজনা (Land Revenue): প্রতি বছর সরকারকে একটি নির্দিষ্ট হারে জমির ট্যাক্স বা খাজনা দিতে হয়। এটি সাধারণত খুব সামান্য (বছরে ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে) হয়।
সীমানা প্রাচীর বা ফেন্সিং: জমি বেদখল হওয়া আটকাতে সীমানা প্রাচীর (Boundary Wall) বা কাঁটাতারের বেড়া দিতে হয়। জমির পরিধির ওপর ভিত্তি করে এতে ৫০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে।
কেয়ারটেকার বা তদারকি: জমি দূরে হলে মাঝেমধ্যে গিয়ে দেখে আসা বা স্থানীয় কাউকে দেখভালের দায়িত্ব দিলে সেই বাবদ যাতায়াত বা পারিশ্রমিক খরচ থাকে।
কিন্তু সেই টাকা Digitally Plot Buy করলে, এইসব কোনো ঝামেলা থাকে না, উল্টে প্রতি বছর ১ লক্ষ টাকা করে নিশ্চিত পাওয়া যাবে কোনো ঝামেলা ছাড়া।