জি এম আল জুবেরী

জি এম আল জুবেরী নাগরিক সেবা প্রদান কারী আপনার মূলধন কি বৃদ্ধি করতে চান ? তবে, আজই জমি ক্রয় করুণ

কথা আর কাজের, মিল! খুঁজে পাচ্ছেন কি?
24/07/2026

কথা আর কাজের, মিল! খুঁজে পাচ্ছেন কি?

27/05/2026

বাবা-মা বেঁচে আছেন…
তবুও আমি যেন তাদের দোয়া আর মমতা থেকে বহু দূরের একজন মানুষ।
এই কষ্টটা কাউকে বোঝানো যায় না।
কারণ মানুষ শুধু এতটুকুই দেখে—
“তোমার মা-বাবা তো বেঁচে আছেন…”
কিন্তু তারা দেখে না,
একটা সন্তান প্রতিদিন কতটা অভাব নিয়ে বাঁচে।
কখনো কখনো মনে হয়,
অনাথ হওয়া হয়তো এত কষ্টের না,
যতটা কষ্টের হলো—
মা-বাবা বেঁচে থেকেও
তাদের ভালোবাসাহীন জীবন কাটানো।
বুকের ভেতর একটা না বলা শূন্যতা নিয়ে বাঁচি।
অভিমান জমে থাকে,
কিন্তু প্রকাশ করার অধিকারও পাই না।
কারণ বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলেও
হৃদয় কেঁপে ওঠে।
শুধু একটু মায়া চেয়েছিলাম,
একটু আপন করে ডাক,
একটু মাথায় হাত রেখে বলুক—
“তুই কষ্ট পাস না, আমি আছি।”
কিন্তু হয়তো আমার ভাগ্যে
সেই শান্তিটুকুও লেখা ছিল না।
তাই আজ মানুষের ভিড়ে থেকেও
নিজেকে খুব একা লাগে।
হাসির আড়ালে লুকিয়ে রাখি
একটা ভাঙা হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস।
কারণ যে মানুষ
নিজের মা-বাবার মমতা থেকে বঞ্চিত,
তার ভেতরের কান্না
পৃথিবীর কোনো ভাষায় পুরোপুরি প্রকাশ করা যায় না।
#বাবা_মায়ের_দোয়া
#মা_বাবার_মমতা
#অবহেলিত_সন্তান
#নিঃশব্দ_কষ্ট
#ভাঙা_হৃদয়
#অভিমান
#একাকীত্ব
#কষ্টের_জীবন
#মনের_কথা
#হারিয়ে_যাওয়া_মায়া
#বুকভরা_কষ্ট
#নিঃসঙ্গতা
#অপূর্ণ_ভালোবাসা
#জীবনের_শূন্যতা
#অশ্রুসিক্ত_অনুভূতি

25/03/2026

দেশপ্রেম শুধু পতাকা ভালোবাসার নাম নয়—এটি মানুষের প্রতি দায়িত্ব, সততা এবং ন্যায়বোধের প্রতিফলন।
আমরা প্রায়ই দেশপ্রেমের কথা বলি, কিন্তু সত্যিকারের দেশপ্রেম তখনই প্রকাশ পায়, যখন আমরা দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্মান করি—ধর্ম, বর্ণ, মতভেদ ভুলে।
ধর্মনিরপেক্ষতা কোনো ধর্মহীনতা নয়, বরং এটি সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের শিক্ষা দেয়। রাষ্ট্র যদি সবার হয়, তাহলে রাজনীতিও হতে হবে সবার জন্য।
একটি শক্তিশালী, উন্নত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের প্রয়োজন— ✔️ সচেতন দেশপ্রেম
✔️ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি
✔️ ধর্মনিরপেক্ষ ন্যায়বিচার
দেশকে ভালোবাসুন, মানুষের জন্য কাজ করুন—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
#বাংলাদেশ

অনেকেই বিএনপির ইতিহাস জানেন না। কিন্তু, তারা বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে, চাঁদাবাজি ধান্দাবাজি করে বেড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য...
14/03/2026

অনেকেই বিএনপির ইতিহাস জানেন না। কিন্তু, তারা বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে, চাঁদাবাজি ধান্দাবাজি করে বেড়ানোই তাদের উদ্দেশ্যে। তারা কেউ বিএনপির সমন্ধে সঠিকভাবে অবগত নয় তাদের উদ্দেশ্যে এই লেখাঃ-

জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহণ কোনো একক ঘটনার ফল ছিল না, বরং এটি ছিল ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ১৯৭৭ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করলেও তার ক্ষমতার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল আরও আগে।
​নিচে প্রধান ধাপগুলো আলোচনা করছি-

​🇧🇩 ৭ই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব
​১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর দেশে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ৩রা নভেম্বর খালেদ মোশাররফ একটি অভ্যুত্থান ঘটান এবং জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করেন। এর প্রতিবাদে ৭ই নভেম্বর সাধারণ সৈনিকরা পাল্টা অভ্যুত্থান (সিপাহী-জনতা বিপ্লব) ঘটায়। তারা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন এবং তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।

​🇧🇩 প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (CMLA) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ
​৭ই নভেম্বরের পর বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হন। তবে প্রকৃত ক্ষমতা ছিল তিন বাহিনীর প্রধানদের হাতে। ১৯৭৬ সালের ২৯শে নভেম্বর জিয়াউর রহমান বিচারপতি সায়েমের কাছ থেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের (CMLA) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

​🇧🇩 ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়া
​১৯৭৭ সালের ২১শে এপ্রিল রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম "স্বাস্থ্যের অবনতি"র কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর বাংলাদেশের সংবিধানের তৎকালীন বিধান অনুযায়ী প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

​🇧🇩 গণভোট (হ্যাঁ/না ভোট)
​ক্ষমতা গ্রহণের পর নিজের বৈধতা যাচাই করার জন্য তিনি ১৯৭৭ সালের ৩০শে মে একটি গণভোটের আয়োজন করেন। এই ভোটে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন ছিল তারা জিয়ার নীতি ও কর্মসূচির প্রতি আস্থা রাখেন কি না। সরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন এবং তার ক্ষমতাকে সুসংহত করেন।
​
মুলকথাঃ- জিয়াউর রহমান মূলত ১৯৭৫ সালের নভেম্বরেই ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিলেন, কিন্তু ১৯৭৭ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ এবং পূর্ণ রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।

ক্ষমতা গ্রহনের পর-
১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনেন। তার এই উদ্যোগকে অনেক ইতিহাসবিদ "বেসামরিকীকরণ" (Civilianization) প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেন।

​এর প্রধান কারন গুলো আলোচনা করাহলো:-

​🇧🇩 বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনাপ্রবর্তন
​১৯৭৫ সালে 'বাকশাল' গঠনের মাধ্যমে দেশে যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, জিয়াউর রহমান তা বাতিল করেন। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন এবং বহুদলীয় রাজনীতি চর্চার সুযোগ করে দেন। এর ফলে আওয়ামী লীগ, মুসলিম লীগ এবং বামপন্থী দলগুলো পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায়।

​🇧🇩 রাজনৈতিক দল বিধি (RPO) ও দল গঠন
​জিয়াউর রহমান প্রথমে বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষকে নিয়ে 'জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল' (জাগদল) গঠন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক শাসন থেকে বেরিয়ে এসে একটি শক্তিশালী বেসামরিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

​🇧🇩 ১৯-দফা কর্মসূচি
​উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিকে জনপ্রিয় করতে তিনি তার বিখ্যাত '১৯-দফা কর্মসূচি' ঘোষণা করেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল:
🌾​স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা।
🌾​খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি।
🌾​পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ।
🌾​দুর্নীতি দমন।

​🇧🇩 সংবিধানে "বিসমিল্লাহ" ও আদর্শিক পরিবর্তন
​১৯৭৭ সালে এক সামরিক ফরমানের মাধ্যমে সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির-রাহমানির-রাহিম" সংযোজন করা হয়। এছাড়া সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি 'ধর্মনিরপেক্ষতা'র পরিবর্তে "সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস" প্রতিস্থাপন করা হয়। একে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের সূচনা হিসেবে দেখা হয়।

​🇧🇩 ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালের নির্বাচন
​নিজের শাসনব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক বৈধতা দিতে তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করেন:
🌾​১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সরাসরি ভোটে,
তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
🌾​১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচন: এই নির্বাচনের
মাধ্যমে দেশে পুনরায় সংসদীয় কার্যক্রম শুরু হয়
এবং বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ
করে।

​একটি বড় বিতর্ক ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স:-
🇧🇩​জিয়াউর রহমানের আমলের একটি বিতর্কিত দিক ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের খুনিদের বিচার বন্ধে জারি করা 'ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স'-কে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বৈধতা দেওয়া। এর ফলে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল।

চলমান-----

Address

Shirin Mansion, Masterpara Biharpur
Rājshāhi
5940

Telephone

+8801853747158

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জি এম আল জুবেরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জি এম আল জুবেরী:

Shortcuts

Share