14/10/2025
কদম রসুল সেতু
শীতলক্ষা নদীর এপারে বন্দর থানা - ওইপাড়ে সদর থানা
এই সেতুটা না থাকায় ভুক্তভোগী আমরা বন্দর থানার মানুষেরা
আমাদের বহু পরিবারের মানুষ ট্রলারডুবিতে নদীতে মৃত্যুবরন করেছেন, নিখোজ হয়েছেন, রাতে অসুস্থ রোগী নিয়ে দৌড়ানোর সময় ট্রলার পায়নাই, রোগী মারা গেছে, এ পাড়ে ভালো কোন হসপিটাল নাই -
প্রসব বেদনায় মুমূর্ষু মায়েদের আর্তনাদে কেপে উঠেছে শীতলক্ষা বারবার
বিএনপি'র ২০০১ এর সরকারের শেষ সময় খালেদা জিয়ার ভুল রাজনীতির স্বীকার হয়েছিলাম আমরা, তিনি যাবার আগে সেতুটি উদ্ভোধন করে দিয়ে যান, তত্বাবধায়ক সরকার যাওয়ার পর হাসিনা সরকার এসে যখনই দেখলো সেতুর উদ্ভোদন করেছে খালেদা জিয়া - ব্যাস ওমনিই পরে রইলো সেতুর ফলক চিহ্ন
আমি খারাপ কে খারাপ ভালো কে ভালো বলি
আইভি নারায়ণগঞ্জ এর মেয়র হবার পর, হাসিনার সাথে নেগোশিয়েট করে এই সেতুর কাজ করতে এগিয়ে যায়, আবার মনে আশার সঞ্চার হয় এ পাড়ের মানুষদের, আইভির কল্যানে এ পাড়ের মানুষজনের ভাঙা সড়ক মেরামত করে ১০০/১০০ ফিট সড়ক তৈরী হয় সেতুর জন্য
সেতুর সব কাজ এগুনো হলো, বাগড়া বাধলো ওসমান পরিবার আর নিষ্ক্রিয় কিছু বাম সংগঠনের নেতারা, দুই মেয়াদে আইভি ক্ষমতা পেয়েও কাজ শুরুই করতে পারলেন না সেতুর
৫ আগস্টের পর, এসেছে আমাদের নিজেদের অন্তবর্তিকালীন সরকার, আইভির রেখে যাওয়া এই প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা ভেবে তারা কাজটিতে হাত দিলেন
ব্যাস - শুরু হয়ে গেলো সেসব মানুষদের অন্তর্জ্বালা
সেতুর মুখ পরিবর্তনের জন্য সোচ্চার হয়ে গেলেন ডান বাম সহ সাড়ে চৌদ্দ গুষ্ঠি, যাদের কে এই পাড়ের কাজে এতকাল হারিকেন দিয়ে খুজে পাওয়া যেতোনা তারা এ পাড়ের মানুষদের জন্য তৈরী হওয়া সেতু নিয়ে শুরু করে দিলেন রাজনৈতিক নোংরামী
সেতুর নামার রাস্তায় জ্যাম বাধবে - এই হবে সেই হবে বয়ানে
জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ কে উসকাতে থাকলো, অথচ তাদের মুখ থেকে একবার ও বের হলোনা যে নামার রাস্তায় যেসব অবৈধ হকার আছে তাদের উচ্ছেদ করার ডাক, যেটা প্রচন্ড লজিক্যাল এবং সেটা হলেই আর কোন পক্ষের কোন ঝামেলা থাকলো না
আলহামদুলিল্লাহ, হাজারো ষড়যন্ত্রর পরেও সেতুর কাজ এখনো চলমান
সেতুর কাজ চলতে হবে, সেতুর কাজ চলবে, আপনাদের এলাকার সমস্যা সমাধানে আপনারা হকার উচ্ছেদ করুন, নাহলে আগেও বলেছি এখনো বলেছি..
সেতুর কাজ কোন কারনে বন্ধ হলে
ভোট চাওয়া তো দূরের কথা
আপনারা এই পাড় আসতে পারবেন না.
থ্রেট ভাবলে, থ্রেট ই সই..