Pubali Bank Limited, Joypurhat Branch.

Pubali Bank Limited, Joypurhat Branch. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pubali Bank Limited, Joypurhat Branch., Commercial bank, Ansar Ali Complex, Sadar Road, Near at Bata Mor, Joypurhat.

26/11/2025
01/05/2025

আমরা ইতোমধ্যে শিখে গেছি, ক্রেতার অনুরোধে বিক্রেতার বরাবরে ব্যাংক যে পেমেন্ট আন্ডারটেকিং দেয় তাকে এলসি বলে।
আমরা আরও শিখেছি যে, ব্যাংক ক্রেতার পক্ষ থেকে পেমেন্ট দেবে- এই নিশ্চয়তা দেবার আগেই ক্রেতা কখন, কীভাবে ব্যাংককে টাকা দেবে সেটা ঠিক করে রাখে।
তাহলে, এলসির ভূমিকা হলো বাণিজ্যে মধ্যস্থতা করা। বাণিজ্য বলতে মূলতঃ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ই। তবে, আভ্যন্তরীণ বাণিজ্যেও এলসির ব্যবহার দেখা যায়। এমনকি ইপিজেড থেকে দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রেও এলসির ব্যবহার হয়।
এবার একটু পেছন দিকে যাই। বাণিজ্য ব্যাপারটা শুরু হয় কোথা থেকে?
একজন ব্যবসায়ী যখন তার ব্যবসার জন্য পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তখন হয় বাণিজ্যের গোড়াপত্তন।
এরপর সেই ব্যবসায়ী সাপ্লায়ার খোঁজেন। উপযুক্ত সাপ্লায়ার পাওয়ার পর, তার সাথে ডিল করেন। এই যে কেনাবেচা, এর নানা খুঁটিনাটি আছে। এই কেনাবেচার প্রধান দুইটা আসপেক্ট হলো দাম আর পেমেন্ট মেথড।
পণ্যের ইউনিট অব মেজারমেন্ট আর ইউনিট প্রাইস ঠিক হয় ক্রেতা-বিক্রেতার মিউচুয়াল বার্গেইনিং এর মাধ্যমে। দুইজনই উইন খোঁজেন। শেষমেশ একটা রফা হয়। এরপরে নির্ধারিত হয় সুবিধাজনক পেমেন্ট মেথড (ওপেন একাউন্ট, এডভান্স পেমেন্ট, ডকুমেন্টারি কালেকশন, এলসি)। ক্রেতা-বিক্রেতার বার্গেইনিং পাওয়ার এটা নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
অন্য খুঁটিনাটিগুলো শুনবেন? শোনেন তাহলে...।
পণ্যের বিস্তারিত: পণ্যের বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন খুব জরুরী। একজন ব্যবসায়ীর এটা জানা খুব প্রয়োজন। তিনি কী পণ্য কিনছেন, সেই পণ্য তার টার্গেটেড গোল পূরণ করবে কি না, সেটা না জানলে তার আর ব্যবসা করে খেতে হবে না।
পণ্যের স্পেসিফিকেশন ঠিক করে দেয়ার জন্য পৃথিবীব্যাপী চালু আছে এইচ এস কোড। এইচ এস এর পূর্ণরুপ হলো- হারমোনাইজড সিস্টেম কোড। সংখ্যা দিয়ে প্রকাশিত এইচ এস কোড দ্বারা পণ্যের বৈশিষ্ট্য, গুণাগুন এবং এর ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট-ট্যাক্স-ডিউটি নির্দিষ্ট করা হয়।
কান্ট্রি অব অরিজিন: পণ্যটা কোন দেশে উৎপাদন হয়েছে, এটা জানা দরকার।
পণ্যটা কিসে পাঠানো হবে? কুরিয়ারে/ট্রাকে/জাহাজে/উড়োজাহাজে/অন্য কোনো উপায়ে? এটাকে কেতাবে বলা আছে 'মোড অব ট্রান্সপোর্ট'। মোড অব ট্রান্সপোর্ট শুধু যে একটা হবে, তা কিন্তু নয়। একাধিক মোডও হতে পারে।
পণ্যটা কবে পাঠানো হবে? এটাকে কেতাবি ভাষায় বলে 'ডেট অব শিপমেন্ট' অথবা 'লাস্ট ডেট অব শিপমেন্ট'। বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের পর পণ্য শিপমেন্ট করলে সেটা ডেলিভারি নিতে অস্বীকার করার কিংবা ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার ক্রেতার আছে। ব্যাংকেরও পেমেন্ট দেবার বাধ্যবাধকতা থাকেনা এরকম ক্ষেত্রে।
আরো যেসব বিষয়ে ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন, সেগুলো হলো-
১. পণ্যটা কীভাবে প্যাকিং হবে? কে প্যাকিং করবে?
২. বিক্রেতার ফ্যাক্টরি থেকে মালামাল লোড করার চার্জ কে দেবে?
৩. বিক্রেতার ফ্যাক্টরি থেকে পোর্ট পর্যন্ত ভাড়া এবং পোর্টে আনলোডিং চার্জ কে দেব?
৪. বিক্রেতার দেশের পোর্টের ডিউটি, ট্যাক্স এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স চার্জ কে দেবে?
৫. বিক্রেতার দেশের টার্মিনালের চার্জ কে দেবে?
৬. বিক্রেতার দেশে ট্রাক/জাহাজ/উড়োজাহাজ/অন্য বাহনে লোডিং চার্জ কে দেবে?
৭. ট্রাক/জাহাজ/উড়োজাহাজ/অন্য বাহনের ভাড়া কে দেবে? (এটাকে বলে ফ্রেইট)
৮. ইন্স্যুরেন্সের চার্জ কে দেবে?
৯. ক্রেতার দেশের টার্মিনালের চার্জ কে দেবে?
১০. ক্রেতার ফ্যাক্টরি পর্যন্ত মালামাল পৌঁছানোর খরচ কে দেবে?
১১. ক্রেতার ফ্যাক্টরিতে আনলোডিং এর চার্জ কে দেবে?
১২. ক্রেতার দেশের পোর্টের ডিউটি, ট্যাক্স এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স চার্জ কে দেবে?
এই ১২ টার সাথে আরো দুইটা ব্যাপার আছে- ফ্রেইট কী প্রিপেইড হবে, না পোস্টপেইড?
সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট হলো, এই যে পণ্য পরিববহনের ঝুঁকি, এইটা কতোক্ষণ পর্যন্ত বিক্রেতার ঘাড়ে থাকবে, কখন ক্রেতার ঘাড়ে ট্রান্সফার হবে?
এই ১৪টি বিষয় সুরাহা করার জন্য আন্তর্জাতিক কিছু নিয়মকানুন আছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই নিয়মগুলোকে বলা হয় 'ইনকোটার্মস'। পূর্ণরুপ হলো ইন্টারন্যাশনাল কমার্শিয়াল টার্মস। একেকটা তিন ক্যাপিটাল লেটারের ( EXW, FCA, FAS, FOB, CFR, CIF, CPT, CIP, DAP, DPU, DDP) ইনকোটার্ম দিয়ে এই ১৪টা ইস্যু মিটমাট করে ফেলা যায়।
আপনারা কখনো শুনেছেন কোনো ইনকোটার্ম? শুনেছেন বোধহয়😃। এফওবি শোনেননি? সিএফআর? আচ্ছা, না শুনলে নাই। তবে, ১১টা ইনকোটার্ম এর মধ্যে যেকোনো একটাতে ঐক্যমতে পৌঁছে ক্রেতা আর বিক্রেতা- এইটুকু জেনে রাখুন। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিতে কোন ইনকোটার্ম ব্যবহার হবে, কোনটা হবেনা- সে ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনা আছে।
এই সবগুলো ব্যাপারে ফয়সালা হবার পর বিক্রেতা ক্রেতাকে একটা প্রাথমিক লিখিত অফার দেন। এটা ক্রেতা 'একসেপ্ট' করলে তখন 'অফার-একসেপ্টেন্স' মিলে হয়ে যায় একটা চুক্তি বা কন্ট্রাক্ট। এই কনট্রাক্ট এর একটা সুন্দর নাম আছে- 'প্রোফর্মা ইনভয়েস'।

01/05/2025

আমরা জেনেছি যে, ব্যাংকের পক্ষ হতে বিক্রেতাকে (এখন থেকে আমরা বেনিফিশিয়ারি বলবো) নির্দিষ্ট কাগজপত্রাদি উপস্থাপন সাপেক্ষে পেমেন্ট দেবার নিশ্চয়তাই হলো এলসি।
এখন ব্যাংক পেমেন্টটা দেবে কোথা থেকে?
কাস্টমার দিয়ে দিবে? দিতে পারে।
যদি না দেয়?
কাস্টমার টাকাপয়সা না দিয়ে পালিয়ে যেতে পারে, ব্যাংক তো পারবেনা। ব্যাংক তো এলসির বেনিফিশিয়ারিকে অপ্রত্যাহারযোগ্য পেমেন্ট আন্ডারটেকিং দিয়েছে। বেনিফিশিয়ারি যদি ঠিকঠাক কাগজপত্র (এখন থেকে ডকুমেন্টস বলবো) দাখিল করে, ব্যাংক পেমেন্ট দিতে বাধ্য।
নিজেদের রক্ষা করতে ব্যাংকার কাস্টমারকে বলতে পারে, ভাই, যতো ডলারের এলসি খুলতে চাও, সমপরিমাণ টাকা একাউন্টে জমা করো, এলসি খুলে দিচ্ছি।
এলসি খোলার জন্য কাস্টমারের কাছ থেকে ব্যাংক যদি কোনো টাকাপয়সা জমা রাখে, সেটাকে বলা হয় এলসির মার্জিন।
কয়দিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এক আদেশ জারি করেছিলো, বেশিরভাগ পণ্য আমদানির জন্য আমদানিকারককে শতভাগ মার্জিন রাখতে হবে।
শতভাগ মার্জিন রাখার মতো সলভেন্ট কাস্টমার আছে, খুব বেশি নাই।
তাহলে উপায়?
উপায় একটা আছে- ব্যাংক কাস্টমারকে ক্রেডিট লাইন দেয়। অর্থাৎ পেমেন্ট আন্ডারটেকিং এর আদলে কাস্টমারকে লোন দেয়।
মজা না? টাকা না দিয়েও লোন দিচ্ছে ব্যাংক😁।
হ্যাঁ, টাকা না দিয়েও লোন দিতে পারে ব্যাংক। ব্যাংক টাকা দিয়ে গ্রাহককে যে লোন দেয়, তাকে বলে 'ফান্ডেড লোন'। ব্যাংক টাকা ছাড়া গ্রাহককে যে লোন দেয় তাকে বলে 'নন-ফান্ডেড লোন'।
এলসি বাদে নন-ফান্ডেড লোনের উদাহরণ হলো বিভিন্ন প্রকার গ্যারান্টি (বিড বন্ড গ্যারান্টি, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি, পেমেন্ট গ্যারান্টি, এডভান্স পেমেন্ট গ্যারান্টি, রিটেনশন মানি গ্যারান্টি, কাউন্টার গ্যারান্টি ইত্যাদি)।
এখন, ব্যাংক যদি কোনো কাস্টমারকে এলসি ঋণসীমা দিতে চায়, সেক্ষেত্রে ব্যাংককে কাস্টমারের প্রপার ক্রেডিট এপ্রাইজাল করতে হবে। কাস্টমারকে ব্যাংকের সাথে ক্রেডিট এরেঞ্জমেন্ট এ যেতে হবে। ক্রেডিট লিমিট এর জন্য কাস্টমারকে ব্যাংকের বরাবরে কোল্যাটারালও দিতে হবে।
এই প্যারাটা একটু কঠিন হয়ে গেলো? আরে ভাই, ব্যাংকে ফান্ডেড লোন পাবার যে প্রক্রিয়া, নন-ফান্ডেড লোন পাবারও একই প্রক্রিয়া। আবেদন করোরে, কাগজপত্র দাওরে, এফডিআর লিয়েন রাখোরে, ফ্ল্যাট-জমি বন্ধক রাখোরে... ইত্যাদি ইত্যাদি।
ব্যাংক যখন এলসি খোলে, এলসির মোট মূল্যমানের একটা অংশ মার্জিন রাখে। সেটা হতে পারে ১০%, হতে পারে ৫০%, হতে পারে ৫০%। বাকি টাকা মাল ছাড়ানোর আগে কাস্টমার ব্যাংকে জমা দেয়।
ব্যাপারটা এরকম হতে পারে, ব্যাংক কাস্টমারকে কিছুদিনের জন্য টাকাটা ঋণ দিলো। কাস্টমার মাল বেচে ব্যাংকে টাকা জমা দিলো। পুরো ব্যাপারটা নির্ভর করে ব্যাংকার-কাস্টমার সম্পর্ক আর এরেঞ্জমেন্ট এর উপরে।
তাহলে, আজকে আমরা শিখলাম, আমদানিকারক (ব্যাংকের গ্রাহক) এর অনুরোধে ব্যাংক এলসি খোলে। এলসির পেমেন্ট কীভাবে দেওয়া হবে, সেটার এরেঞ্জমেন্ট এলসি খোলার আগেই নির্ধারিত হয়।

01/05/2025

LC' র এল মানে 'লেটার', সি মানে 'ক্রেডিট'। দুইয়ের মধ্যে একটা ফাউ 'অফ' বসিয়ে এলসি এর মানে করা হয়েছে 'লেটার অফ ক্রেডিট'।
এটাকে ডিসি কিংবা 'ডকুমেন্টারি ক্রেডিট'ও বলা হয়।
আবার শুধুমাত্র 'ক্রেডিট' ও বলেন অনেকে।
এলসির বাংলা পরিশব্দ হলো 'ঋণপত্র'।
এলসির সবচেয়ে সহজ সংজ্ঞা হলো, এলসি একজন বিক্রেতার বরাবরে একটি ইস্যুয়িং ব্যাংকের 'ইররেভোকেবল পেমেন্ট আন্ডারটেকিং'।
কঠিন হয়ে গেলো?
আরো সহজ করে ভাবলে, এলসি হলো একজন ক্রেতার পক্ষে বিক্রেতার নিকট একটি ব্যাংকের 'ফার্ম পারচেজ অর্ডার'।
এলসির মাধ্যমে একটি ব্যাংক একজন বিক্রেতাকে এই মর্মে নিশ্চয়তা দেয় যে, বিক্রেতা যদি উল্লেখিত ক্রেতার বরাবরে পণ্য প্রেরণ করে এবং পণ্য সম্পর্কিত চাহিতব্য কাগজপত্র ব্যাংকের নিকট দাখিল করে, ব্যাংক বিক্রেতাকে পেমেন্ট দিয়ে দেবে।
তাহলে আমরা এখন বলতে পারি, এলসি হলো একটা পেমেন্ট মেকানিজম, যেখানে ক্রেতার পক্ষ হতে নির্দিষ্ট শর্তাবলী সাপেক্ষে বিক্রেতাকে অপ্রত্যাহারযোগ্য পেমেন্ট আন্ডারটেকিং দেয় একটি ব্যাংক।
এখন আসি একটা রিয়েল লাইফ এক্সাম্পল এ। ধরি, বাংলাদেশের একজন আমদানিকারক অস্ট্রেলিয়া থেকে ৫০০০ টন মসুর ডাল আমদানি করতে চান। অস্ট্রেলিয়ার একজন বিক্রেতার সঙ্গে বাংলাদেশের এবিসি কোম্পানি যোগাযোগ করলো। অস্ট্রেলিয়ার এক্সওয়াইজেড কোম্পানি মসুর ডাল রপ্তানি করতে রাজি হলো।
এখন, ধরেন এক টন মসুর ডালের দাম ১,৫০০ ইউএস ডলার। ৫,০০০ টন মসুর ডালের দাম ৭,৫০০,০০০ ইউএস ডলার।
অস্ট্রেলিয়ার এক্সওয়াইজেড কোম্পানি নাহয় মসুর ডাল জাহাজে করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে পারবে। বাংলাদেশের এবিসি কোম্পানি কী করে সাড়ে সাত মিলিয়ন ইউএস ডলার অস্ট্রেলিয়ায় পাঠাবে?
আবার ধরেন, এক্সওয়াইজেড কোম্পানি আর এবিসি কোম্পানি তো একে অন্যকে চেনেও না। একজন যে অন্যজনকে ঠকাবে না, তার নিশ্চয়তা কী?
এক্সওয়াইজেড কোম্পানি বিশ্বাস করে এবিসি কোম্পানির বরাবরে ডাল পাঠাইয়া দিলো, ডাল পাইয়া এবিসি কোম্পানি চোখ উল্টাইয়া দিলো, পেমেন্ট দেবার কথা বেমালুম ভুলে গেলো... কেমন হবে?
উল্টোটাও তো হতে পারে, এবিসি কোম্পানি একজন লোক দিয়া সাড়ে সাত মিলিয়ন ডলার বস্তায় ভরে পাঠাইয়া দিলো এক্সওয়াইজেড কোম্পানির কাছে। ডলার পাইয়া ডাল পাঠানোর কথা বেমালুম ভুলে গেলো এক্সওয়াইজেড কোম্পানি। হতে পারেনা?
এই যে জটিলতা কিংবা অনিশ্চয়তা- এইটা দূর করতে থার্ড পার্টি হিসেবে আবির্ভূত হয় ব্যাংক। বাংলাদেশের বাংলা ব্যাংক এবিসি কোম্পানির হয়ে এক্সওয়াইজেড কোম্পানিকে নিশ্চয়তা দেয় যে, এক্সওয়াইজেড কোম্পানি যদি মসুর ডাল জাহাজীকরণ করে জাহাজীকরণ দলিল এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাগজপত্র বাংলা ব্যাংকের কাছে পাঠায় এবং বাংলা ব্যাংক যদি কাগজপত্র ঠিকঠাক পায়, বাংলা ব্যাংক এক্সওয়াইজেড কোম্পানিকে পেমেন্ট দিবে। মুশকিল আসান!
এই যে ব্যাংকের পক্ষ হতে পেমেন্ট দেবার নিশ্চয়তা- এইটাই হলো এলসি।

(প্রথম আলো, ১৯/০১/২০২৫),  আপনার স্বপ্ন পূরনে আছে পূবালী স্বপ্নপূরণ।
19/01/2025

(প্রথম আলো, ১৯/০১/২০২৫), আপনার স্বপ্ন পূরনে আছে পূবালী স্বপ্নপূরণ।

Address

Ansar Ali Complex, Sadar Road, Near At Bata Mor
Joypurhat

Telephone

+8801711437468

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pubali Bank Limited, Joypurhat Branch. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share