15/09/2026
আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে একজন করদাতার যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা জরুরি
১) নিট সম্পদের সামঞ্জস্য
পূর্ববর্তী বছরের নিট সম্পদের সমাপনী জেরের সঙ্গে চলতি বছরের প্রারম্ভিক নিট সম্পদের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
২) সহায়ক কাগজপত্র সংরক্ষণ
আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ ও সম্পদের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় সহায়ক কাগজপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩) জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঠিক তথ্য
পারিবারিক ব্যয়, ব্যক্তিগত ব্যয় এবং জীবনযাত্রা-সংক্রান্ত অন্যান্য ব্যয়ের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
৪) উৎসে কর কর্তনের প্রমাণ
বেতন বা অন্য কোনো আয় থেকে উৎসে কর কর্তন করা হলে তার প্রমাণপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রিটার্নে উপস্থাপন করতে হবে। যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন না করলে উৎসে করের ক্রেডিট পাওয়া নাও যেতে পারে।
৫) DPS ও জীবন বিমার বিনিয়োগ
DPS/জীবন বিমার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুঞ্জিভূত বিনিয়োগের পরিমাণও সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
৬) করমুক্ত আয়
করমুক্ত কোনো আয় থাকলে রিটার্ন দাখিলের সময় তা যথাযথভাবে উল্লেখ করতে হবে।
৭) ক্রেডিট কার্ডের তথ্য
এক বা একাধিক ক্রেডিট কার্ড থাকলে প্রতিটি ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।
৮) সম্পদ ও তহবিলের সামঞ্জস্য
রিটার্নের সম্পদ ও দায়-দেনা এবং তহবিলের উৎসের হিসাবের মধ্যে যথাযথ সামঞ্জস্য থাকতে হবে। অর্জিত তহবিল ও সম্পদের মোট পরিবৃদ্ধির মধ্যে অমিল থাকা উচিত নয়।
৯) আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়
ব্যাংক আমানতের সুদ, সঞ্চয়পত্রের সুদ এবং GPF-এর সুদসহ আর্থিক পরিসম্পদ থেকে অর্জিত আয় সংশ্লিষ্ট খাতে সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন।
ধন্যবাদান্তে,
Simplifying your taxes