AccuTax Financial Partners

AccuTax Financial Partners TAX | VAT | Certification | Cloud Accounting | BIDA | Audit Assistance

AccuTax Financial Partners is the financial partner you and your business deserve.

26/08/2026
ঐতিহাসিক টেস্ট বিজয় অভিনন্দন প্রানের প্রিয় বাংলাদেশ 🇧🇩
16/08/2026

ঐতিহাসিক টেস্ট বিজয়
অভিনন্দন প্রানের প্রিয় বাংলাদেশ 🇧🇩

🚨 নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন না দিলে এবার বাড়বে করের বোঝা!আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৪-এ বড় পরিবর্তন — বিলম্ব রিটার্নে দিতে হব...
13/08/2026

🚨 নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন না দিলে এবার বাড়বে করের বোঝা!
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৪-এ বড় পরিবর্তন — বিলম্ব রিটার্নে দিতে হবে অতিরিক্ত কর। অনেক করদাতা মনে করেন—

> “সময়মতো রিটার্ন দিতে পারিনি, পরে দিলেই তো হবে!”

কিন্তু আয়কর আইন, ২০২৩-এর বর্তমান বিধান বলছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে পরবর্তীতে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আর্থিক দায় তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে ধারা ১৭৪-এর নতুন বিধান করদাতাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔴 ধারা ১৭৪ — বিলম্ব রিটার্ন কী?

ধারা ১৬৬ অনুযায়ী যাদের রিটার্ন দাখিল করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক, তারা নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করে পরে স্বপ্রণোদিতভাবে রিটার্ন দাখিল করলে সেটি “বিলম্ব রিটার্ন” (Late Return) হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া করবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার পর ধারা ২১২-এর অধীন নোটিশের প্রেক্ষিতে দাখিল করা রিটার্নও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিলম্ব রিটার্ন হিসেবে বিবেচিত হবে।

⚠️ ১. নির্ধারিত তারিখের পরে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত ১০%!

ধারা ১৭৪-এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখ পার হওয়ার পর করদাতা স্বপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব রিটার্ন দাখিল করলে—

✅ ধারা ১৭৩ অনুযায়ী প্রযোজ্য কর পরিশোধ করতে হবে এবং

✅ অতিরিক্ত কর হিসেবে পরিশোধযোগ্য করের ১০% অথবা ৫,০০০ টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ** দিতে হবে।

অর্থাৎ, শুধু মূল কর দিলেই দায় শেষ হবে না।

#উদাহরণ:

ধরা যাক, সময়মতো রিটার্ন দাখিল করলে আপনার পরিশোধযোগ্য কর হতো— ৫০,০০০ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের পরে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর:

৫০,০০০ × ১০% = ৫,০০০ টাকা

সুতরাং বিলম্বের কারণে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দিতে হবে।

আবার কারও ক্ষেত্রে ১০% হিসাব ৫,০০০ টাকার কম হলেও ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা প্রযোজ্য হবে।

🚨 ২. করবর্ষ পার হওয়ার পর নোটিশ পেলে পরিস্থিতি আরও কঠিন-

এখানেই করদাতাদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক হতে হবে। করবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার পর ধারা ২১২-এর অধীন নোটিশের প্রেক্ষিতে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৭৪-এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী—

🔴 পরিশোধযোগ্য করের ১৫% অথবা ১০,০০০ টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে।

অর্থাৎ, করদাতা যদি সময়মতো রিটার্ন না দিয়ে বিষয়টি আরও দীর্ঘায়িত করেন এবং পরবর্তীতে নোটিশের পর্যায়ে চলে যান, তাহলে আর্থিক দায় আরও বেড়ে যেতে পারে।

🔥 ৩. শুধু অতিরিক্ত টাকা নয়—কর অব্যাহতির বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-

ধারা ১৭৪-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কর অব্যাহতি/Tax Exemption। নির্দিষ্ট কিছু কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত আয় এবং চাকরি হতে আয়ের ক্ষেত্রে যে কর অব্যাহতি বা সুবিধা পাওয়া যায়, বিলম্ব রিটার্নের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা সবসময় আগের মতো পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ—

সময়মতো রিটার্ন = আইন অনুযায়ী প্রাপ্য কর অব্যাহতি/সুবিধা কিন্তু

বিলম্ব রিটার্ন = নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অব্যাহতি না দিয়ে কর পুনঃপরিগণনা করার বিধান।

ফলে শুধু “Late Fee” ভেবে বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।

📌 একটি সহজ উদাহরণ

ধরা যাক একজন চাকরিজীবীর মোট আয় এমন যে, নিয়মিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে বিভিন্ন প্রযোজ্য কর অব্যাহতি/সুবিধা বিবেচনার পর তার করদায় দাঁড়াত ৩০,০০০ টাকা।

কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলেন না।

পরবর্তীতে বিলম্ব রিটার্ন দাখিলের সময় আইন অনুযায়ী যদি কোনো নির্দিষ্ট কর অব্যাহতি প্রযোজ্য না হয়, তাহলে তার করযোগ্য আয় ও করদায় পুনরায় হিসাব করতে হবে।

ফলে করদায় শুধু ৩০,০০০ টাকায় সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।

এর সঙ্গে ধারা ১৭৪ অনুযায়ী অতিরিক্ত করও যুক্ত হতে পারে। অর্থাৎ—

❌ “দেরিতে রিটার্ন দেব, শুধু সামান্য জরিমানা দেব”—এই ধারণা এখন বিপজ্জনক।

🟢 তাহলে করদাতার করণীয় কী?

#⃣ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিটার্ন দাখিল করুন:

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ব্যক্তি করদাতার স্বাভাবিক করদিবস ৩০ নভেম্বর। করদিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে ধারা ১৭৩ অনুযায়ী কর পরিশোধ করে রিটার্ন দাখিল করা যায় এবং বিলম্বজনিত অতিরিক্ত অর্থের প্রশ্ন আসে না।

#⃣ শুধু আয় নয়, সম্পদ-দায়ও সঠিকভাবে দেখান:

রিটার্নে আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায়, বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাবসহ প্রাসঙ্গিক তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

#⃣ পুরোনো রিটার্ন দেখে হুবহু নতুন রিটার্ন তৈরি করবেন না:

প্রতি করবর্ষে আয়, সম্পদ, দায় ও বিনিয়োগের প্রকৃত পরিবর্তন বিবেচনা করে রিটার্ন প্রস্তুত করা উচিত।

⃣ সময় চলে গেলে বিষয়টি ফেলে রাখবেন না:

নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব আইন অনুযায়ী করদায় নির্ধারণ করে রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা করা উচিত। কারণ সময় যত গড়াবে, পরিস্থিতি তত জটিল হতে পারে।

⚠️ করদাতাদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা:

অনেকেই এখনো ভাবেন— “TIN আছে, রিটার্ন পরে দিলেও সমস্যা নেই।” আবার কেউ বলেন— “কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে ২০০/৫০০ টাকায় রিটার্ন করে নেব।” কিন্তু আয়কর রিটার্ন শুধু একটি অনলাইন ফরম পূরণ নয়।

একটি ভুল আয়, ভুল ব্যয়, ভুল সম্পদ, ভুল দায় কিংবা ভুল কর অব্যাহতি ভবিষ্যতে করদাতার জন্য বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বিশেষ করে বিলম্ব রিটার্নের ক্ষেত্রে করদায়, অতিরিক্ত কর এবং প্রাপ্য কর সুবিধা—সবকিছুই আইন অনুযায়ী যাচাই করে রিটার্ন প্রস্তুত করা প্রয়োজন।

🔴 মনে রাখবেন- সময়মতো রিটার্ন দাখিল করুন। কারণ—

> “রিটার্ন দাখিল না করার চেয়ে দেরিতে রিটার্ন দাখিল ভালো—কিন্তু সময়মতো সঠিক রিটার্ন দাখিল করাই সবচেয়ে নিরাপদ।”

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৪ এখন করদাতাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

📌 রিটার্ন দাখিলের আগে আপনার আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায়, বিনিয়োগ ও করদায় সঠিকভাবে যাচাই করুন।

সঠিক রিটার্ন, সঠিক কর—নিরাপদ করদাতা।

📢 Finance Act 2026-এর মাধ্যমে Income Tax Act 2023-এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন নিয়ে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনে...
10/08/2026

📢 Finance Act 2026-এর মাধ্যমে Income Tax Act 2023-এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন নিয়ে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাব।
প্রধান সুপারিশসমূহ:
- ১% Turnover Tax-এর পূর্বের বিধান পুনর্বহাল;
- সঞ্চয়পত্রের মুনাফা পুনরায় Final Tax করার প্রস্তাব;
- Firm-কে Individual Taxpayer-এর মতো কর সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব;
- Housing Developer-এর Flat/Space হস্তান্তরের কর সংক্রান্ত পূর্বের বিধান পুনর্বহালের দাবি;

আপনার মতে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে করব্যবস্থা আরও করদাতাবান্ধব হবে কিনা?

যারা এতোদিন রিটার্ন দেননি? যারা মনগড়া রিটার্ন দিয়েছেন? যারা মনে করেছেন আপনি আয়কর আইনের সবকিছু জানেন? যারা এতোদিন আইনের ব...
10/08/2026

যারা এতোদিন রিটার্ন দেননি? যারা মনগড়া রিটার্ন দিয়েছেন? যারা মনে করেছেন আপনি আয়কর আইনের সবকিছু জানেন? যারা এতোদিন আইনের বিভিন্ন ফাক-ফকরকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন? যারা টিন সাটিফিকেট করে আবার স্থগিত বা বন্ধ করলেই সবকিছু শেষ মনে করেছেন? আপনাদের সব ভুল ভাঙতে যাচ্ছে, সামনের দিনগুলো হবে আরো কঠিন!!
🚨 সেপ্টেম্বর থেকেই আয়কর রিটার্নে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে পারে ব্যাংক হিসাবের তথ্য!
💳 ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য আর গোপন থাকবে না—রিটার্নে তথ্য মিলিয়ে দেখবে সিস্টেম। আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকেই করদাতার আয়কর রিটার্নের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত করার কার্যক্রম চালু হতে পারে।

এটি কার্যকর হলে করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্নে সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য প্রদান করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে।

🔹 ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে যেসব তথ্য যুক্ত হতে পারে-
✅ আয়বর্ষের শেষ দিনে অর্থাৎ ৩০ জুন ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থের পরিমাণ
✅ ব্যাংক হিসাব থেকে অর্জিত সুদ/মুনাফার তথ্য
✅ ব্যাংক কর্তৃক কর্তন করা উৎসে করের পরিমাণ
✅ ব্যাংক কর্তৃক কর্তন করা সার্ভিস চার্জের তথ্যএ ধরনের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

🚗 শুধু ব্যাংক নয়, সম্পদের তথ্যও যুক্ত হবে!
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্পত্তির মালিকানা ও গাড়ির মালিকানার তথ্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়কর রিটার্নে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ ভবিষ্যতে একজন করদাতার—
🏦 ব্যাংক হিসাব
🏠 জমি/ফ্ল্যাট/সম্পত্তি
🚘 গাড়ি

💰 বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ
এসব তথ্যের সঙ্গে আয়কর রিটার্নের তথ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা আরও সহজ হবে।

⚠️ তাহলে করদাতাদের কী করতে হবে?
এখন থেকে শুধু কম কর দেখানোর জন্য বা সহজে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য ভুল, অসম্পূর্ণ বা মনগড়া তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আপনার ব্যাংকে যদি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা থাকে, কিন্তু রিটার্নে সম্পদ বা ব্যাংক ব্যালেন্সের তথ্য তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়—তাহলে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে।
একইভাবে ব্যাংক থেকে সুদ আয় হয়েছে কিন্তু রিটার্নে তা সঠিকভাবে দেখানো হয়নি, উৎসে কর কর্তনের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি, কিংবা জমি-গাড়ির মালিকানা রিটার্নে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি—এসব বিষয়ও যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে।

💡 করদাতাদের জন্য পরামর্শ:
এখন থেকেই—
✔️ ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাই করুন
✔️ ব্যাংক ব্যালেন্স ও রিটার্নের সম্পদের হিসাব মিলিয়ে নিন
✔️ ব্যাংক সুদ ও উৎসে করের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন
✔️ জমি, ফ্ল্যাট ও গাড়ির তথ্য সঠিকভাবে রিটার্নে উপস্থাপন করুন
✔️ আয়-ব্যয় ও সম্পদের মধ্যে যৌক্তিক সামঞ্জস্য রাখুন
✔️ পূর্বের রিটার্নে কোনো ভুল থাকলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিন
✔️ শুধু কম খরচে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য কম্পিউটার অপারেটরের ওপর নির্ভর না করে যোগ্য কর আইনজীবী/কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

🔴 মনে রাখবেন—ডিজিটাল যুগে তথ্য গোপন করার চেয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
আজ যে তথ্য আপনার রিটার্নে নেই, আগামী দিনে সেটিই হয়তো বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ডাটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে।
সঠিক রিটার্ন শুধু কর কমানোর বিষয় নয়; এটি আপনার আয়, সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের একটি আইনসম্মত দলিল।

আগের পোস্টে এটাও দেখিয়েছি যে, ২০২৬ সাল থেকে একটু দেরি হলেও আপনার কাছে যেকোনো বিষয়ে আয়কর আইনের নোটিশ আসলেই শুরুতেই ১০,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
যারা এতোদিন রিটার্ন দেননি? যারা মনগড়া রিটার্ন দিয়েছেন? যারা মনে করেছেন আপনি আয়কর আইনের সবকিছু জানেন? যারা এতোদিন আইনের বিভিন্ন ফাক-ফকরকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন? যারা টিন সাটিফিকেট করে আবার স্থগিত বা বন্ধ করলেই সবকিছু শেষ মনে করেছেন? আপনাদের সব ভুল ভাঙতে যাচ্ছে, সামনের দিনগুলো হবে আরো কঠিন!!

কাস্টমস ADR: কোন বিরোধ ADR-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়?ধরা যাক, রশিদ ইঞ্জিনিয়ারিং একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা...
08/08/2026

কাস্টমস ADR: কোন বিরোধ ADR-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়?
ধরা যাক, রশিদ ইঞ্জিনিয়ারিং একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ইতালি থেকে ২০,০০০ কেজি গ্যাস টিউব আমদানি করল।
পণ্যের ঘোষিত মূল্য ছিল—
প্রতি কেজি = ২ মার্কিন ডলার
কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মূল্যায়নের সময়—
প্রতি কেজি = ৩ মার্কিন ডলার
হিসাবে কাস্টমস মূল্য নির্ধারণ করে শুল্কায়ন করল।
ফলে আমদানিকারকের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক-কর আরোপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ADR (Alternative Dispute Resolution)-এর মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী হলো।
❓ প্রশ্ন: এই বিরোধ কি ADR-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই বিরোধ ADR-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য হতে পারে।
কারণ, এখানে মূল বিরোধটি কাস্টমস মূল্যায়ন (Customs Valuation)-সংক্রান্ত।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১১৭(১) অনুযায়ী, আমদানিকৃত পণ্যের কাস্টমস মূল্যায়ন-সংক্রান্ত বিরোধ ADR-এর আওতায় আসতে পারে, যদি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, কমিশনার অব কাস্টমস (আপিল), আপিল ট্রাইব্যুনাল বা আদালতে নিষ্পত্তাধীন থাকে।
তবে ADR-এর জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত শর্ত ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
🚫 কোন কোন ক্ষেত্রে ADR করা যায় না?
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১১৭(২) অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট বিরোধ ADR-এর আওতাবহির্ভূত। যেমন—
১. প্রতারণা বা জালিয়াতি (Fraud) সংক্রান্ত মামলা;
২. নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রিত বা চোরাচালানকৃত পণ্য আটক ও বাজেয়াপ্তি সংক্রান্ত বিরোধ;
৩. মানিলন্ডারিং (Money Laundering) অভিযোগ সংক্রান্ত বিরোধ;
৪. আমদানিকৃত পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস (Classification) সংক্রান্ত বিরোধ;
৫. পণ্যের বর্ণনা, পরিমাণ ও HS Code-এর অসত্য ঘোষণা, দলিলপত্র জালিয়াতি, আমদানি-রপ্তানি নীতি লঙ্ঘন অথবা বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স/বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের মাধ্যমে শুল্ক ও কর ফাঁকির অভিযোগ সংক্রান্ত বিরোধ।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
শুধু কোনো পণ্যের কাস্টমস মূল্য নিয়ে বিরোধ থাকলেই সেটিকে প্রতারণা, জালিয়াতি বা মানিলন্ডারিং-সংক্রান্ত বিরোধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
উপরের উদাহরণে রশিদ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতি কেজি ২ ডলার মূল্য ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রতি কেজি ৩ ডলার ধরে মূল্যায়ন করেছে।
এখানে যদি প্রতারণা, জালিয়াতি, চোরাচালান, শুল্ক ফাঁকি বা মানিলন্ডারিংয়ের কোনো অভিযোগ না থাকে, তাহলে বিরোধটির মূল বিষয় হলো কাস্টমস মূল্যায়ন।
সুতরাং, আইন ও বিধিমালার নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে এই ধরনের বিরোধ ADR-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।
📝 পরীক্ষার জন্য সহজে মনে রাখুন
Customs Valuation Dispute → ADR-যোগ্য হতে পারে
অন্যদিকে—
Fraud / Forgery / Smuggling / Money Laundering / Classification / False Declaration & Duty Evasion → ADR-এর আওতাবহির্ভূত
🎯 মূল কথা
ADR-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বিরোধটির প্রকৃতি কী?
কাস্টমস মূল্যায়ন নিয়ে সাধারণ বিরোধ এবং প্রতারণা, জালিয়াতি, চোরাচালান বা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ—এই দুটিকে একভাবে দেখা যাবে না।

২০২৬-২০২৭ হইতে ২০৩০-২০৩১ করবর্ষের (৫ বৎসরের) জন্য করহার।অনুচ্ছেদ ক২০২৬-২০২৭ হইতে ২০২৭-২০২৮ করবর্ষের জন্য করহার।
05/08/2026

২০২৬-২০২৭ হইতে ২০৩০-২০৩১ করবর্ষের (৫ বৎসরের) জন্য করহার।
অনুচ্ছেদ ক
২০২৬-২০২৭ হইতে ২০২৭-২০২৮ করবর্ষের জন্য করহার।

Address

House No 156, Sher Shah Shuri Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AccuTax Financial Partners posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share