দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত ভিত্তিক মুশারাকা ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত ভিত্তিক মুশারাকা ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত ভিত্তিক মুশারাকা ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প টেকসই দারিদ্র্য এবং বেকারত্ব দূরীকরণে যাকাত ভিত্তিক মুশারাকা ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।

28/03/2025



#ক্ষুধা_ও_দারিদ্র্যমুক্ত_বিশ্ব_গঠনে_ফরজ_ইবাদত।

পবিত্র কোরআনের সুরা-৬ আনআমের ১৪১ নং আয়াত “যখন তোমরা ফসল কাটবে সেদিনই ফসলের দায় (উশর বা যাকাত) প্রদান করবে কিন্তু অপচয় করবে না, আল্লাহ অপচয়কারী কে পছন্দ করেন না ”।
ওশর শুধু দান নয়, বরং এক ফরজ ইবাদত যা সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ওশর জেনে শুনে বুঝে, ভুলে কিংবা অবহেলায় যথাযথ আদায় না করে সারা বিশ্বকে চরম দারিদ্র্যতার অভিশাপে অভিশপ্ত করছি। সেই সাথে আল্লাহর ক্রোধ ও পাপের পাল্লা ভারী করছি।যা পরকালে জাহান্নাম আমাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছে।
ভূমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাতকে ‘ওশর’ বলে। যেসব জমি বা ভূমিতে শস্য উৎপাদনে সেচের প্রয়োজন হয় না প্রাকৃতিক পানি দ্বারা সম্ভব সেসব ক্ষেত্রে ফসলের ১০% ।
যদি ফসল উৎপাদনে সেচের প্রয়োজন হয় ওশরের হার ৫%। (সহিহ বুখারি ও তিরমিজি)
আংশিক সেচ ও আংশিক প্রাকৃতিক পানি দ্বারা উৎপাদিত শস্যের ওশরের হার ৭.৫%।
বাংলাদেশে বার্ষিক ধান, গম ও ভুট্টার উৎপাদন প্রায় ৪ কোটি ৫০ লক্ষ টন, সবজি তিন কোটি টন, ফল এক কোটি ৫০ লক্ষ টন। নূন্যতম ৫% হিসেবে যদি ওশর আদায় করে চরম দরিদ্র এক কোটি লোকর মধ্যে সমহারে বণ্টন করলে, বার্ষিক প্রতি জন পাবে ২২৫ কেজি (ধান গম ভুট্টা,) ১৫০কেজি সবজি ও ৭৫ কেজি ফল যার মাধ্যমে খাদ্যের মত প্রধান মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে সাচ্ছন্দ্যে।
আমাদের ঈমানের উজ্জলতা কম হেতু সংশয় হয় উচ্চ মূল্যের বাজারে ওশর আদায় করলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হব। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ সূরা রূম ৩৯ নং আয়াতে বলেছেন “আর তোমরা যে যাকাত দাও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তারাই (আসল) বহুগুণ লাভকারী।”
এভাবে যদি যাকাত যথাযথভাবে আদায় ও বন্টন হয় তাহলে এই এক কোটি লোকের বস্ত্র, বাসস্থান,শিক্ষা ও চিকিৎসার সুব্যবস্থা হবে। দেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, পরিবেশ হবে উন্নত। মানুষের মাঝে জাগ্রত হবে ভ্রাতৃত্ববোধে ও বন্ধুত্বের নিবিড় বন্ধন। উৎপাদন ও ব্যবহারে বাড়বে বরকত।এভাবে সারা বিশ্বের মুসলমানরা ওশর ও যাকাত পালন করে বিশ্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যতা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে পারবে ।
যেসব উৎপাদনের ওশর প্রদান করতে হয়— খাদ্যশস্য, ফল ফলাদি, শাক সবজি, অর্থকরী ফসল যেমন:ধান, গম, যব, ভুট্টা, খেজুর, আঙুর, আম, জাম, কাঁঠাল, তরমুজ, লাউ, কুমড়া, ঝিঙে, বেগুন, আলু, কচু পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, সয়াবিন,পাট, তুলা, রেশম, আখ, লবণ ইত্যাদি।
ওশরের নিসাবের ব্যাপারে দুটি মত আছে। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে,ফসলের পরিমাণ যা-ই হোক তা থেকেই ওশর আদায় করতে হবে।
তবে অন্য ইমামদের মতে উৎপাদিত ফসল ১৮ মন ৩০ কেজি থেকে ২৫ মন (বিভিন্ন ইমামদের মতামত) কম হলে উশর প্রদান করতে হবে না।

সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ওশরের বিধান প্রযোজ্য।
অনেকে মনে করেন সরকারকে খাজনা দেন এ কারণে ওশর দিতে হবে না। সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য যে নামমাত্র খাজনা নেয় তা ভূমি ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক ব্যয় হিসাবে । দরিদ্রদের জন্য ওশর বা সরকারি লিজ হিসাবে নয়।

যাকাত যে সকল খাতে ব্যয় করা যায় ‘ওশর’ সে সকল খাতে ব্যয় করা যায়।
বাংলাদেশের জমি উশরী কিনা এ ব্যাপারে একাধিক মত থাকলেও হানাফী মাযহাব ও অন্যান্য আলেম-ওলামার অধিকাংশই ওশরী হিসাবে মতামত প্রদান করেছেন।
আমাদের দেশের অপরিচিত ও অপ্রচলিত ওশর ফরজটি সৌদি আরব, সুদান ও ইরান ভালোভাবে প্রচলিত।

আসুন আমরা ওশর ও যাকাত প্রদান করি। অপচয় কে না বলি। বিশ্বকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত গড়ে তুলি। আল্লাহর রহমত ও জান্নাত কে স্বাগত জানাই।

সতর্কতা: অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। ওশর অপ্রচলিত ফরজ বিধায় কোন কোন আলেমগণের এই সম্পর্কে তথ্য উপাত্ত মুখস্ত নন।তাৎক্ষণিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে যথাযথ উত্তর পাওয়া কষ্টসাধ্য । বরং সময় নিয়ে গভীরভাবে স্টাডি করে উত্তর নিলে ভালো হয়।

মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার
তারিখ: ২৭ .০৩.২৫ ইংরেজি ২৬ রমজান ১৪৪৬ হিজরী।

22/03/2025
22/03/2025

জাকাত কোন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া উচিত না। কমপক্ষে সামাজিকভাবে জাকাত ব্যবস্থাপনা করা উচিত।

শরীয়তের হুকুমকে দুই ভাগে ভাগকরা হয়েছে। ১.امر(আমর)অর্থ-আদেশ।২.نهى(নাহয়ু)নিষেধ।আদেশ কাজগুলো চার প্রকার- ১. ফরজ ২. ওয়াজিব ৩...
02/03/2025

শরীয়তের হুকুমকে দুই ভাগে ভাগকরা হয়েছে।
১.امر(আমর)অর্থ-আদেশ।
২.نهى(নাহয়ু)নিষেধ।
আদেশ কাজগুলো চার প্রকার- ১. ফরজ ২. ওয়াজিব ৩. সুন্নত ৪. নফল

1️⃣.প্রঃ ফরজ কাকে বলে?
উঃ শরিয়তের যেসব বিধান অকাট্যভাবে অবশ্যই পালনীয় তাকে ফরজ বলে।

◼️ফরজ এর হুকুমঃ শরয়ি কোনো কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ। কারও যদি কোনো ফরজ আমল ছুটে যায় তাহলে সেটা কাজা করা জরুরি। কোনো ওজর ব্যতীত তা ত্যাগকারীকে ‘ফাসিক’ বলে গণ্য করা হয় এবং তার অস্বীকারকারী ‘কাফির’ বলে গণ্য হয়।
(রদ্দুল মুহতার : ১/৩৯৭,(উসুলে সারখসি : ১/১১০)

2️⃣.প্রঃ ফরজ কত প্রকার ও কি কি?
উঃ ফরজ দুই প্রকার-
১.ফরজে আইন।
২.ফরজে কেফায়া।
3️⃣.প্রঃফরজে আইন কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক বিবেকবান নারী-পুরুষ সবার ওপর সমভাবে ফরজ তাকে ফরজে আইন বলে। যেমন-নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, প্রয়োজন পরিমান জ্ঞান অর্জন করা ইত্যাদি।

4️⃣.প্রঃ ফরজে কিয়ায়া কাকে বলে?
উঃ শরিয়তের যেসব বিধান পালন করা সবার জন্য আবশ্যক নয়; বরং সমাজের কিছুসংখ্যক লোক আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায় তাকে ফরজে কিয়ায়া বলে। যেমন- জানাজার নামাজ, দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জন।

◼️ফরজে কিফায়ার হুকুমঃ ফরজে কিফায়া যদি কেউ আদায় না করে তা হলে সবার ফরজ তরক করার গুনাহ হবে। (জাওহিরাতুন নাইয়িরাহ : ১/৪)

5️⃣.ওয়াজিব কাকে বলে?
উঃ ইসলামি পরিভাষায় যে বিধান সুনির্ধারিত দলিল-প্রমাণের আলোকে প্রমাণিত নয়; বরং প্রবল ধারণাগত দলিলের ভিত্তিতে প্রমাণিত তাকে ওয়াজিব বলা হয়।
◼️ওয়াজিবের হুকুমঃ ওয়াজিব ফরজ বিধানের মতোই অবশ্য কর্তব্য। ওয়াজিব ত্যাগকারী কবিরা গুনাহগার হিসেবে গণ্য হবে। তবে এর অস্বীকারকারী কাফের সাব্যস্ত হবে না।ওয়াজিব অস্বিকারকারী গোমরা এবং ফাসিক হয়।
যেমন-বিতরের সালাত ও দুই ঈদের সালাত ইত্যাদি। (মুজামুল ফকিহ : ৩১৯)

6️⃣.প্রঃ সুন্নাত কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ করেছেন তাকে সুন্নত বলা হয়।
7️⃣.প্রঃ সুন্নাত কত প্রকার ও কি কি?
উঃ সুন্নাত দুই প্রকার।
১.সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।
২.সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদা বা সুন্নাতে যায়েদা।
8️⃣.প্রঃ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ সর্বদা পালন করতেন, অন্যদেরও পালনের তাগিদ দিতেন। যেমন-তারাবির নামাজ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মোট বারো রাকাত সুন্নাত ইত্যাদি।

◼️সুন্নতে মুআক্কাদার হুকুমঃ সুন্নতে মুআক্কাদা ওয়াজিবের মতই। অর্থাৎ ওয়াজিবের ব্যাপারে যেমন জবাবদিহী করতে হবে, তেমনি সুন্নতে মুআক্কাদার ক্ষেত্রে জবাবদিহী করতে হবে। তবে ওয়াজিব তরককারীর জন্য সুনিশ্চিত শাস্তি পেতে হবে, আর সুন্নতে মুআক্কাদা ছেড়ে দিলে কখনো মাফ পেয়েও যেতে পারে। তবে শাস্তিও পেতে পারে।(التعريفات للجرجانى-138)

ফরজ নামাযের আগে পরের সুন্নতে মুআক্কাদার অত্যধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত। এ কারণেই ফুক্বাহায়ে কেরাম লিখেন যে, যদি কেউ সুন্নতকে হক মনে না করে এটাকে ছেড়ে দেয়, তাহলে এ কর্ম তাকে কুফরী পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

رجل ترك سنن الصلاة ان لم ير السنن حقا فقد كفر، لأنه تركها استخفافا (رد المحتار-2/492، بدائع الصنائع- 1/644
তবে কেউ যদি সুন্নতকে সহীহতো মনে করে, কিন্তু অলসতা করে ছেড়ে দেয়। তাহলে সে গোনাহগার হবে।

وان رآها حقا فالصحيح أنه يأثم، لأنه جاء الوعيد بالترك، كذا فى محيط السرخسى، (الفتاوى الهندية-
ফরজ নামাযের
9️⃣.পঃ সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদা বা সুন্নাতে যায়েদা কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ মাঝেমধ্যে করতেন কিন্তু অন্যকে তা করতে তাগিদ দেননি সেগুলোকে সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা বা সুন্নতে জায়েদা বলে। যেমন-এশা ও আসরের ফরজ নামাজের আগে চার রাকাত সুন্নত, সালাতুত তাহাজ্জুদ, এশরাক ও আউয়বিনের নামাজ ইত্যাদি।

◼️সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদার হুকুমঃ সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা তরক করার দ্বারা কোনো গুনাহ হবে না, তবে আমল করলে সওয়াব পাওয়া যায়। (রদ্দুল মুহতার : ১/৭৭)
🔟.প্রঃ মুস্তাহাব কাকে বলে?
উঃ মুস্তাহাব : মুস্তাহাব এমন আমল যা পালন করলে সওয়াব রয়েছে কিন্তু ছেড়ে দিলে কোনো গুনাহ নেই। যেমন-জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পড়া, প্রতি আরবি মাসের তিন দিন রোজা রাখা, শাওয়াল মাসের ছয় রোজা ইত্যাদি।
◼️মুস্তাহাবের হুকুমঃ সুন্নাত ফরজের সহায়ক। আর মুস্তাহাব সুন্নাতের সহায়ক। তাই ফরজের পরিপূর্ণতার জন্য সুন্নত আর সুন্নতের পরিপূর্ণতার জন্য মুস্তাহাবের প্রতি গুরুত্ব প্রদান জরুরি।

1️⃣1️⃣. প্রঃ মাকরুহ কাকে বলে?
উঃ ইসলামি শরিয়তে যে সকল কাজ অপছন্দনীয় সাব্যস্ত হয়েছে এবং তা করতে নিষেধ করা হয়েছে তাকে মাকরুহ বলে।

1️⃣2️⃣.প্রঃ মাকরুহ কত প্রকার ও কি কি?
উঃ মাকরুহ দুই প্রকার।
১.মাকরুহ তাহরিমি।
২.মাকরুহ তানযিহি।
1️⃣3️⃣.প্রঃ মাকরুহে তাহরীমি কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ হারামের নিকটবর্তী তাকে মাকরুহ তাহরিমি । যেমন- সূর্যোদয়, দ্বিপ্রহর ও সূর্যাস্তের সময় নামাজ পড়া ইত্যাদি।
◼️মাকরুহ তাহরিমির হুকুমঃ মাকরুহ তাহরিমি হারাম বিধানের মতোই পরিত্যাজ্য। যদি কেউ বিনা কারণে মাকরুহে তাহরিমি কাজে অভ্যস্ত থাকে তবে সে ফাসেক হিসেবে সাব্যস্ত হবে (কামুসুল ফিকহ : ৩/২৪৭)।

1️⃣4️⃣. প্রঃ মাকরুহে তানযিহি কাকে বলে?
উঃ যে সকল কাজ হালালের নিকটবর্তী তাকে মাকরুহে তানযিহি বলে। যেমন-কোনো কিছু বাম হাতে গ্রহণ করা ও বাম হাতে প্রদান করা।
1️⃣5️⃣.প্রঃ মুবাহ কাকে বলে?
উঃ যে সকল কাজ সম্পাদন বা ত্যাগ করা কোনটাই ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ নয় তাকে মুবাহ বলে।
◼️মুবাহের হুকুমঃ মুবাহ’ শ্রেণির অনেক কাজকেই ইবাদতে রূপান্তরিত করে পুণ্য হাসিল করা সম্ভব যদি নিজের মনের নিয়তকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে ডাইভার্ট করা হয়। যেমন-ক্রয়-বিক্রয় করা, সাধ্যমতো দামি পোশাক পরিধান করা।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি শরীয়তের হুকুমসমূহ মেনে চলার তাওফিক দান করুন। এবং সবাই এগুলোর পরিচয় মুখস্থ করে নিবেন, যদি এগুলোর পরিচয় না জানেন কখনো বই পড়লে বা কোন উস্তাদ বললেও বুঝবেন না এজন্য এগুলোর পরিচয় মুখস্থ করতেই হবে।

وما علينا الا البلاغ
সংগৃহীত।

28/02/2025

- আল্লাহর অঙ্গীকার -

তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো [ সুরা বাকারা-১৫২ ]

আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব [ সুরা গাফির-৬০ ]

যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দিব [ সুরা ইবরাহীম-৭ ]

আল্লাহ কখনও তাদেরকে শাস্তি দেবেন না, যতক্ষণ তারা ক্ষমা চাইতে থাকবে [ সুরা আনফাল-৩৩ ]

27/02/2025

যাকাত দেয়ার নির্দিষ্ট কোনো মাস নাই। যদিও আমরা রমজান কেন্দ্রীক যাকাতের আলোচনা করি। যাইহোক,
যাকাতের কিছু অংশ অর্থকে শারিরীক সক্ষম দরিদ্রের মূলধন গঠনের সুযোগ করে দেয়া উচিত। এটা তখনই সম্ভব যখন আমরা অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় অংশীদারী ব্যবসা সাপোর্ট ফান্ড দিতে পারবো এবং এর ব্যবস্থাপনা করতে পারবো। আমাদের সংস্থার এরকম ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আছে আলহামদুলিল্লাহ।

যোগাযোগ:
ব্যবস্থাপক, সাদাকা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প,
ভ্রাতৃসমাজ উন্নয়ন সংস্থা
01763771476,01517313336; 01780145533

Address

2/Ka Hazi Dilgoni Market, Katashor Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত ভিত্তিক মুশারাকা ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share