SARC - Shariah Advisory and Research Council

Website

SARC - Shariah Advisory and Research Council Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SARC - Shariah Advisory and Research Council, Financial Consultant, 4th floor, House: 2, Road: 6, Block: F, Mirpur/1, Dhaka.

SARC Provides advisory, consultation, guidance, governance, audit, development of Shariah-compliant solutions, certification, research, training, and Fatawa issuance services to financial and non-financial institutions worldwide. Shariah Advisory and Research Council (SARC)
Provides services to financial and non-financial institutions worldwide, focusing on areas where adherence to Shariah is essential. Shariah advisory,
Shariah consultation,
Shariah guidance,
Shariah governance,
Shariah audit,
development of Shariah-compliant solutions,
Shariah certification,
Research,
Training,
Fatawa issuance, etc. Fallow links for SARC's update information:
https://www.sarcbd.com/about-us/
https://sarcbd.com
https://www.facebook.com/SARCBD24
https://whatsapp.com/channel/0029VbAotRDHFxP6zT9xCI03
https://www.linkedin.com/company/sarcbd
https://www.youtube.com/


Connect us:

[email protected]
+88 01749 27 71 51
+88 01926 32 54 43
+88 01778 72 88 05

  #এসএআরসি_সাপ্তাহিক_শরীয়াহ_কুইজ১টি প্রশ্ন • ৭ দিন • ১টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা“SARC Weekly Quiz — Knowledge for Shariah-Co...
20/09/2026


#এসএআরসি_সাপ্তাহিক_শরীয়াহ_কুইজ

১টি প্রশ্ন • ৭ দিন • ১টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

“SARC Weekly Quiz — Knowledge for Shariah-Compliant Life.”
“প্রতি সপ্তাহে একটি নতুন জ্ঞান—প্রতি জ্ঞানে একটি নতুন পরিবর্তন।”

উদ্দেশ্য

১. কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের জ্ঞানকে সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে ছড়িয়ে দেওয়া
২. তরুণ প্রজন্মের মধ্যে Shariah Literacy বৃদ্ধি করা
৩. Islamic Banking & Finance সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান তৈরি করা
৪. সমসাময়িক ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক বিষয়ে শরিয়াহ সচেতনতা বৃদ্ধি করা
৫. নিয়মিত পড়াশোনা ও গবেষণার অভ্যাস তৈরি করা
৬. মেধাবী ও জ্ঞানপিপাসু অংশগ্রহণকারীদের একটি SARC Knowledge Community-এর সঙ্গে যুক্ত করা।

নিয়ম:

* প্রতি সপ্তাহে ১টি প্রশ্ন
* ৪টি সম্ভাব্য উত্তর (MCQ)
* অংশগ্রহণের সময়সীমা: ৭ দিন
* সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে/নির্দিষ্ট নিয়মে বিজয়ী নির্বাচন
* পরবর্তী সপ্তাহে সঠিক উত্তর + সংক্ষিপ্ত Shariah Explanation + Reference প্রকাশ
* মাস শেষে SARC Weekly Quiz Champion স্বীকৃতি

এ সপ্তাহের প্রশ্ন

🟢 WEEK 01

প্রশ্ন:
জীবদ্দশায় কোনো ব্যক্তি বিনা বিনিময়ে নিজের সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে মালিক বানিয়ে দিলে তাকে কী বলা হয়?

A. ওয়াকফ
B. হিবা
C. অসিয়ত
D. ইজারা

📖 সঠিক উত্তর ও Shariah Explanation প্রকাশিত হবে আগামী সপ্তাহে।

📩 আপনার উত্তর নিচের ই-মেইলে পাঠান:
[email protected]

নিচের নিয়মে লিখে পাঠান ॥

Subject: SARC Weekly Quiz — WEEK 01

উত্তর লিখবেন:
WEEK 01 — A / B / C / D

এর সঙ্গে অবশ্যই উল্লেখ করবেন—

👤 নাম:
🏠 ঠিকানা:
📱 মোবাইল নম্বর:

📌 উদাহরণ:
নাম: মোঃ আব্দুল্লাহ
ঠিকানা: ঢাকা
মোবাইল: 01#########

⏳ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-মেইলে উত্তর পাঠাতে হবে।

🏆 সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে SARC-এর নির্ধারিত নিয়মে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

www.sarcbd.com

07/09/2026

#শরীয়াহ কনসালটেন্সির দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা

শরীয়াহ কনসালটেন্সির দায়িত্ব মূলত একজন Professional Consultant-এর দায়িত্বের অনুরূপ।
Shariah Consultant হলো Client-এর “Shariah Consultant”;
Client-এর Business Manager, CEO, Accountant বা Operator নয়।

যেমন, একজন #চিকিৎসক-কনসালটেন্ট রোগীর রোগ, চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার ভিত্তিতে পরামর্শ প্রদান করেন; কিন্তু রোগীর চিকিৎসা-পরবর্তী প্রতিটি সিদ্ধান্ত, জীবনযাপন, চিকিৎসকের পরামর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করা, ওষুধ সেবন, চিকিৎসা গ্রহণে ব্যর্থতা কিংবা চিকিৎসার ফলাফল ও পরিণতির প্রতিটি বিষয়ের ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন না—
তেমনি শরীয়াহ কনসালটেন্সিও ক্লায়েন্টের ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যক্রমের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করে না।

শরীয়াহ কনসালটেন্সি তার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে নির্ধারিত কার্যপরিধি (Scope of Engagement)-এর মধ্যে শরীয়াহ পরামর্শ, শরীয়াহ পর্যালোচনা, শরীয়াহ অডিট, সার্টিফিকেশন বা অন্যান্য সম্মত সেবা যথাযথ পেশাগত দক্ষতা, সততা, স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রদান করবে।
কনসালটেন্সির দায়িত্ব হবে তার ওপর অর্পিত নির্দিষ্ট শরীয়াহ বিষয় যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, মতামত বা প্রতিবেদন প্রদান করা।

#ক্লায়েন্টের ব্যবসা পরিচালনা, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ব্যবস্থাপনাগত কার্যক্রম, দৈনন্দিন পরিচালনা, কর্মচারী বা এজেন্টদের কার্যক্রম, লেনদেনের বাস্তবায়ন, হিসাবরক্ষণ, অর্থের ব্যবহার, অনুমোদিত শরীয়াহ কাঠামোর বাস্তব প্রয়োগ এবং ব্যবসায়িক ফলাফল মূলত ক্লায়েন্টের নিজস্ব দায়িত্ব। উক্ত বিষয়গুলোর জন্য কনসালটেন্সিকে দায়ী করা যাবে না।

একইভাবে, কনসালটেন্সি কর্তৃক প্রদত্ত শরীয়াহ পরামর্শ বা অনুমোদন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, অনুমোদিত কাঠামো অনুসরণ করা, প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা এবং পরামর্শের বাইরে কোনো পরিবর্তন বা বিচ্যুতি না ঘটানো #ক্লায়েন্টের দায়িত্ব।
#ক্লায়েন্ট যদি কনসালটেন্সির পরামর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ না করে, তথ্য গোপন করে, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য প্রদান করে, অনুমোদিত কাঠামো পরিবর্তন করে অথবা নিজস্ব সিদ্ধান্তে ভিন্নভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে তার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি বা দায়ের জন্য কনসালটেন্সি দায়ী হবে না।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, শরীয়াহ কনসালটেন্সি তার নিজস্ব পেশাগত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবে। কনসালটেন্সি তার নির্ধারিত কার্যপরিধির মধ্যে যথাযথ প্রয়োজনীয় গবেষণা, শরীয়াহ বিশ্লেষণ, তথ্য-পর্যালোচনা এবং দায়িত্বশীল পেশাগত আচরণ অবলম্বন করতে বাধ্য থাকবে।
তার নিজস্ব দায়িত্ব পালনে প্রমাণিত গুরুতর ব্যর্থতা, ইচ্ছাকৃত অসদাচরণ, প্রতারণা বা গুরুতর অবহেলার কারণে প্রত্যক্ষ ক্ষতি সৃষ্টি হলে, প্রযোজ্য আইন ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তার দায় নির্ধারিত হবে।

অতএব, শরীয়াহ কনসালটেন্সির দায়িত্ব হলো “Shariah Advice and Professional Oversight”; ক্লায়েন্টের সম্পূর্ণ ব্যবসার “Management and Operational Responsibility” গ্রহণ করা নয়।

সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায়,
“যেমন চিকিৎসক-কনসালটেন্ট রোগীকে চিকিৎসাবিষয়ক পেশাগত পরামর্শ দেন, কিন্তু রোগীর জীবনযাপন ও চিকিৎসা-পরবর্তী প্রতিটি সিদ্ধান্তের দায়িত্ব গ্রহণ করেন না;
তেমনি শরীয়াহ কনসালটেন্ট শরীয়াহ বিষয়ে পেশাগত পরামর্শ ও তদারকি প্রদান করেন, কিন্তু ক্লায়েন্টের সম্পূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা, বাস্তবায়ন ও ব্যবসায়িক ফলাফলের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন না।”

অফিসিয়াল ঘোষণাবিষয়: আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-এর সাথে শরীয়াহ কনসালটেন্সি ডিড বাতিল সংক্রান্ত ঘোষণাএতদ্বারা সংশ্...
06/09/2026

অফিসিয়াল ঘোষণা

বিষয়: আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-এর সাথে শরীয়াহ কনসালটেন্সি ডিড বাতিল সংক্রান্ত ঘোষণা

এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, Shariah Advisory & Research Council (SARC) এবং আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-এর মধ্যে সম্পাদিত শরীয়াহ কনসালটেন্সি সংক্রান্ত ডিড/চুক্তিটি পারস্পরিক সিদ্ধান্ত ও সম্মতির ভিত্তিতে গত ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ঈ. তারিখে অফিসিয়ালভাবে লিখিতভাবে সমাপ্ত করা হয়েছে।

অতএব, উক্ত ডিড/চুক্তির আওতায় SARC-এর পক্ষ থেকে আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-কে প্রদত্ত শরীয়াহ কনসালটেন্সি, শরীয়াহ সার্টিফিকেশন, শরীয়াহ রিভিউ, শরীয়াহ তদারকি বা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক কার্যক্রম এই ঘোষণার তারিখ থেকে আর কার্যকর থাকবে না।

এছাড়া, উক্ত চুক্তি বাতিলের পর আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-এর কোনো কার্যক্রম, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ কার্যক্রম, প্রচার-প্রচারণা, আর্থিক লেনদেন, প্রতিশ্রুতি, দায়-দায়িত্ব বা ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সঙ্গে SARC-এর কোনো বর্তমান শরীয়াহ অনুমোদন, প্রত্যয়ন, তদারকি বা প্রতিনিধিত্বের সম্পর্ক নেই—বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকলকে স্পষ্টভাবে অবহিত করা হলো।

SARC-এর নাম, লোগো, শরীয়াহ সার্টিফিকেশন, অনুমোদন, মতামত, পরিচিতি বা পূর্ববর্তী চুক্তির কোনো তথ্য ভবিষ্যতে এমনভাবে ব্যবহার করা যাবে না, যাতে SARC-এর সঙ্গে আমানাহ ফিনটেক (হালাল ইনভেস্টমেন্ট)-এর চলমান বা বর্তমান কোনো প্রাতিষ্ঠানিক/শরীয়াহ সম্পর্ক রয়েছে—এমন ধারণা সৃষ্টি হয়।

এই ঘোষণা চুক্তি বাতিল/সমাপ্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হলো।

সংশ্লিষ্ট সকলকে বিষয়টি যথাযথভাবে অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ন্যায়, আমানতদারি ও শরীয়াহসম্মত কার্যক্রম পরিচালনার তাওফিক দান করুন।

Shariah Advisory & Research Council (SARC)
[email protected]
www.sarcbd.com

03/09/2026
03/09/2026

শরীয়াহ হসপিটালের প্রকৃত স্বরূপ এবং ইয়াশফীন হসপিটালের কার্যক্রম নিয়ে শারীয়াহ অ্যাডভাইজরি এন্ড রিসার্চ কাউন্সিল এর সম্মানিত চেয়ারম্যান মুফতি মাসুম বিল্লাহ (Mufti Masum Billah) হাফিযাহুল্লহ-এর বিশেষ পর্যবেক্ষণ।

এই ভিডিওতে শায়েখ আলোচনা করেছি কীভাবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে ইসলামের সমন্বয় ঘটিয়ে রোগীদের সেবা প্রদান করা হবে!

ভিডিওর মূল বিষয়সমূহ:
শরীয়াহ ভিত্তিক হসপিটাল পরিচালনার মূল নীতিমালা।
ইয়াশফীন হসপিটালের সেবার মান ও শরীয়াহ পরিপালনের বাস্তবতা।
আধুনিক চিকিৎসা ও ইসলামের সমন্বিত রূপ।








www.sarcbd.com

 #সম্পত্তি_দানএ কথা মনে করা সঠিক নয় যে, যেভাবে পিতা বা মাতা জীবদ্দশায় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি কোনো একজন ছেলে বা মেয়ের নামে ...
03/09/2026

#সম্পত্তি_দান

এ কথা মনে করা সঠিক নয় যে, যেভাবে পিতা বা মাতা জীবদ্দশায় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি কোনো একজন ছেলে বা মেয়ের নামে দিতে পারেন না, একইভাবে বাবা-মাও তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি অন্য কোনো আত্মীয়ের নামে দিতে পারবেন না; বরং শরিয়তের বিধান এরূপ নয়।

শরিয়তের দৃষ্টিতে পিতা ও মাতা উভয়েই জীবদ্দশায় তাঁদের নিজস্ব সম্পত্তির পূর্ণ মালিক।
তাঁরা তাঁদের মালিকানাধীন সম্পত্তিতে শরিয়তসম্মতভাবে হস্তক্ষেপ ও লেনদেন করার অধিকার রাখেন।
সন্তানদের জন্য পিতা-মাতার জীবদ্দশায় তাঁদের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো নির্ধারিত অধিকার সৃষ্টি হয় না।

অতএব, কোনো নারী-পুরুষ যদি তাঁর পিতা-মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো সম্পত্তি লাভ করে থাকেন এবং শরিয়ত অনুযায়ী সেই সম্পত্তির মালিক হয়ে যান, তাহলে তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা হিবা (উপহার) করতে পারেন। তিনি চাইলে সন্তানদের দিতে পারেন, আবার চাইলে নিজের ভাই-বোন বা অন্য কোনো আত্মীয়কেও দিতে পারেন।

এ অবস্থায় সন্তানদের পক্ষ থেকে—এই সম্পত্তি আমাদের দেওয়া হলো না কেন?—এভাবে দাবি করা শরয়ি অর্থে উত্তরাধিকারের দাবি হিসেবে গণ্য হবে না।
কারণ, বাবা-মায়ের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তির মালিক তিনি নিজেই।

তবে যদি পিতা-মাতা সন্তানদের মধ্যে অন্যায় পক্ষপাত, অকারণ বঞ্চনা, পারিবারিক বিদ্বেষ সৃষ্টি বা ফিতনা-ফাসাদ তৈরির উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রদান করেন, তাহলে বিষয়টি ভিন্ন।
এমন অন্যায় উদ্দেশ্য ও আচরণ নিন্দনীয় এবং এর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হতে পারে।

সন্তানদের মধ্যে হিবা করার ক্ষেত্রে ন্যায়-ইনসাফ ও পারিবারিক কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

কিয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যক্তিকেই তাঁর সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে—সম্পদ কোথা থেকে অর্জন করেছে এবং কোথায় ব্যয় করেছে।

সুতরাং যদি সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির শরয়ি অধিকার নষ্ট করা হয়ে থাকে, অন্যায় করা হয়ে থাকে, অথবা কোনো হারাম পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়ে থাকে, তাহলে সে বিষয়ে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

সারকথা:

১. পিতা বা মাতার নিজস্ব সম্পত্তি জীবদ্দশায় তাঁরই মালিকানাধীন; সন্তানদের তাতে উত্তরাধিকারী হিসেবে কোনো অধিকার নেই।

২. একইভাবে মায়ের নিজস্ব সম্পত্তিও জীবদ্দশায় তাঁরই মালিকানাধীন; সন্তানদের তাতে উত্তরাধিকারী হিসেবে কোনো অধিকার নেই।

৩. মা-বাবা যদি তাদের পিতা-মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন, তাহলে জীবদ্দশায় তিনি শরিয়তসম্মতভাবে তা হিবা, বিক্রয় বা অন্য বৈধ উপায়ে হস্তান্তর করতে পারেন।

৪. তিনি চাইলে সন্তানদের দিতে পারেন, আবার চাইলে ভাই-বোন বা অন্য কাউকেও দিতে পারেন।

৫. তবে সন্তানদের মধ্যে অন্যায় পক্ষপাত, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা বা ফিতনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সম্পত্তি বণ্টন করা নিন্দনীয় এবং এর জন্য জবাবদিহি হতে পারে।

৬. মৃত্যুর সময় যে সম্পদ পিতা বা মাতার মালিকানায় অবশিষ্ট থাকবে, কেবল সেটিই তাঁদের মৃত্যুর পর মীরাস বা উত্তরাধিকারযোগ্য সম্পদে পরিণত হবে এবং শরিয়ত নির্ধারিত ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টিত হবে।




فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ﴾ [الأنبياء: 21:7]﴿

তিনটি জায়গা থেকে পণ্যের মূল্য জেনে নেওয়া কি সুন্নত ?সাধারণ মানুষের মধ্যে এ কথা প্রচলিত আছে যে, কোনো জিনিস কেনার ইচ্ছা হল...
03/09/2026

তিনটি জায়গা থেকে পণ্যের মূল্য জেনে নেওয়া কি সুন্নত ?

সাধারণ মানুষের মধ্যে এ কথা প্রচলিত আছে যে, কোনো জিনিস কেনার ইচ্ছা হলে তিনটি দোকান থেকে তার মূল্য জেনে নেওয়া সুন্নত। মনে রাখা দরকার, এ বিষয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য হাদিস বা শরিয়তসম্মত প্রমাণ পাওয়া যায় না।
সুতরাং এটিকে সুন্নত বা শরিয়তের বিধান হিসেবে গ্রহণ করা সঠিক নয়।

তবে কোনো পণ্যের উপযুক্ত মূল্য জানা এবং কেনাকাটায় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য একাধিক দোকান থেকে মূল্য জেনে নেওয়া জায়েয ও উত্তম পদ্ধতি হতে পারে।

সারকথা:
তিনটি দোকান থেকে মূল্য জেনে নেওয়াকে ‘সুন্নত’ বলা যাবে না; তবে বাজারদর যাচাই ও প্রতারণা/ক্ষতি থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে একাধিক জায়গা থেকে মূল্য জেনে নেওয়া সম্পূর্ণ জায়েয।










فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ﴾ [الأنبياء: 21:7]﴿

29/08/2026

গণ মানুষের মৌলিক নীতি—

(১)সরল জীবনযাপন করা(বিলাসিতা, সৌখিনতা আরম্বর এবং বাহুল্য বর্জন করা)।

(২) শ্রমকে মর্যাদা দান করা (কৃষি, শিল্প ইত্যাদি শ্রমের কাজ নিজ হাতে করিতে লজ্জাবোধ না করা; বরং কাজ না করাকে অন্যায় মনে করা। অনেকে কুসংস্কারবশত হালচাষ, কাপড় বোনা, পানি আনা, গরু রাখা, দুধ দোহা ইত্যাদিকে হীন কাজ বলিয়া মনে করে এবং নিত্য আবশ্যকীয় কাজ করিতে লজ্জা বা ঘৃণাবোধ করে। এই কুসংস্কার দূর করা এবং চাকুরির ঝোঁক পরিত্যাগ করা।

(৩) শ্রম করার পর সরল জীবন যাপন করা সত্ত্বেও কেহ বেশি, কেহ কম ধনী হইবে।
যাহারা কম ধনী হইবে তাহারা বেশি ধনীদের এবং ধনীরা পরস্পর অহিংসা ভাব ধারণ করিবে।কেহ কাহাকে হিংসা করিবে না।

(৪) আর যাহারা ধনী হইবে, তাহারা সদয় সহানুভূতিশীল দয়ালু ও দানশীল হইবে।
পুজি করিয়া ধন পুঁতিয়া রাখিবেনা। গরিবদের এবং সমাজের কাজে দান করিবে।

(৫) দুরাকাঙ্খা পরিত্যাগ করিবে। সন্তোষ লাভ করিবে।
অর্থাৎ, চেষ্টা শক্তি ও ধর্মের বিরুদ্ধে অনর্থক আকাঙ্ক্ষা করিয়া মনঃকষ্টে দগ্ধ হইবে না।বরং ধর্মের গণ্ডির ভিতর থাকিয়া শক্তি পরিমাণ চেষ্টা করিয়া যাহা পাওয়া যায় তাহাতেই তৃপ্ত ও সন্তুষ্ট থাকিবে।

- তেজারতের ফযীলত, আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরি রহ., পৃষ্ঠা:৩-৪

Address

4th Floor, House: 2, Road: 6, Block: F, Mirpur/1
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SARC - Shariah Advisory and Research Council posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share