জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ Make sure your future today

আজই আপনার ভবিষ্যত নিশ্চিত ? Caring : Listens with respect and values differences – Acts with compassion.

Permanently closed.

Our Values
A’dal and Ehsan : We are here to establish A’dal and Ehsan by ensuring Riba free Islamic economic system. Credibility : Demonstrates knowledge and creates trust in others. Collaborative : Works together to achieve results. Excellence : Pursues highest quality

28/09/2022
14/08/2017
10/04/2016

লাইফ বীমায় নতুন ব্যবসা বেড়েছে ৪.২৮ শতাংশ: শীর্ষে ফারইষ্ট
বিদায়ী বছরে দেশের সরকারি-বেসরকারি লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বেসরকারি বীমা কোম্পানি ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রাইম ইসলামী লাইফ। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে দাখিল করা কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৫ সালে দেশের সরকারি-বেসরকারি ৩১টি বীমা কোম্পানি নতুন পলিসি বিক্রি থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২ হাজার ৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের বছরে তা ছিল ১ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮৭ লাখ। আগের বছরের তুলনায় নতুন পলিসি বিক্রি থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ বৃদ্ধি পায় ৮৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে।

নতুন বা প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফের পরে শীর্ষ দশে থাকা কোম্পানীগুলো হলো- প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৫৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ৭২ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৯৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা ২০১৪ তে ছিল ৫৮৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ তে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮৪৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা এর আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৫৫ লাখ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ৮১ কোটি ১ লাখ টাকা।

ব্যবসা সংগ্রহের শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯২ কোটি টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। এ হিসাবে বিদায়ী বছরে প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ২৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা ২০১৪ সালে ছিল ১৬৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৬০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর আগের বছরে যা ছিল ২২৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে গ্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১২১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৯৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায় বছরে বেড়েছে ২৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৬৭ কোটি ৭৯ লাখ। বেড়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর আগের বছরে ছিল ১৬৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্র্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

প্রিমিয়াম সংগ্রহের শীর্ষ তালিকায় চতুর্থ অস্থানে রয়েছে রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। বেড়েছে ২০ কোটি ১১ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১১০ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১১৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। আর ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৭৫ কোটি ২৬ লাখ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৭০ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংগ্রহ বেড়েছে ৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫০০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৫০১ কোটি। বেড়েছে ৩০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৬৬২ কোটি ৫৪ লাখ লাখ টাকা। বেড়েছে ৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

ষষ্ঠ অস্থানে রয়েছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৪৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৪১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৪০৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৫৪৪ কোটি ৪৩ লাখ। বেড়েছে ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

শীর্ষদের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮৪ কোটি ৪৮ লাখ। বেড়েছে ৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর আগের বছরে সংগ্রহ করে ১৪৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

অষ্টম অস্থানে রয়েছে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এই সংগ্রহ ছিল ৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ২০ লাখ টাকা। বছর ব্যবধানে বেড়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের বছরে সংগ্রহ করে ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

ব্যবসা সংগ্রহের শীর্ষ তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এর আগের বছরে ছিল ১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা বছর ব্যবধানে বেড়েছে ৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

দশম স্থানে রয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে বেড়েছে ৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩০ লাখ টাকা।

গার্ডিয়ান লাইফের পরের অবস্থানেই রয়েছে ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর ২০১৫ সালে কোম্পানিটি সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৩ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯১ লাখ টাকা।

ট্রাস্ট ইসলামি লাইফের পরের অবস্থানে রয়েছে বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা। সংগ্রহ বেড়েছে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ১৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৫ লাখ টাকা। যা ২০১৪তে ছিল ৫০ লাখ টাকা। বেড়েছে ৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেড়েছে ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

মার্কেন্টাইলের পরের অবস্থানে রয়েছে প্রোগ্রেসিপ লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যে সংগ্রহ ছিল ২২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে সংগ্রহ ছিল ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮৮ কোটি ৫ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৮০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। বেড়েছে ৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮১ লাখ টাকা।

আলফা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ সংগ্রহ বেড়েছে ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে নতুন এই বীমা কোম্পানি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭০ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে স্বদেশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ৯২ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৮৪ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩০ লাখ টাকা।

হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৭২ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১০৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ১০৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বেড়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৩৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৩৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। বেড়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২০৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ২০৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম কমেছে ৬১ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৭৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা।২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫৫৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৮১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৭৬৪ কোটি ৫ লাখ টাকা।অর্থাৎ বেড়েছে ১৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

লাইফ বীমায় নতুন ব্যবসা বেড়েছে ৪.২৮ শতাংশ: শীর্ষে ফারইষ্টবিদায়ী বছরে দেশের সরকারি-বেসরকারি লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর নতুন প...
10/04/2016

লাইফ বীমায় নতুন ব্যবসা বেড়েছে ৪.২৮ শতাংশ: শীর্ষে ফারইষ্ট
বিদায়ী বছরে দেশের সরকারি-বেসরকারি লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বেসরকারি বীমা কোম্পানি ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রাইম ইসলামী লাইফ। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে দাখিল করা কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৫ সালে দেশের সরকারি-বেসরকারি ৩১টি বীমা কোম্পানি নতুন পলিসি বিক্রি থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২ হাজার ৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের বছরে তা ছিল ১ হাজার ৯৬৮ কোটি ৮৭ লাখ। আগের বছরের তুলনায় নতুন পলিসি বিক্রি থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ বৃদ্ধি পায় ৮৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে।

নতুন বা প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফের পরে শীর্ষ দশে থাকা কোম্পানীগুলো হলো- প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৫৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ৭২ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৯৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা ২০১৪ তে ছিল ৫৮৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ তে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮৪৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা এর আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৫৫ লাখ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ৮১ কোটি ১ লাখ টাকা।

ব্যবসা সংগ্রহের শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯২ কোটি টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। এ হিসাবে বিদায়ী বছরে প্রিমিয়াম সংগ্রহ বাড়ে ২৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা ২০১৪ সালে ছিল ১৬৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৬০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর আগের বছরে যা ছিল ২২৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে গ্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১২১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৯৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায় বছরে বেড়েছে ২৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৬৭ কোটি ৭৯ লাখ। বেড়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর আগের বছরে ছিল ১৬৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্র্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

প্রিমিয়াম সংগ্রহের শীর্ষ তালিকায় চতুর্থ অস্থানে রয়েছে রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। বেড়েছে ২০ কোটি ১১ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১১০ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১১৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। আর ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৭৫ কোটি ২৬ লাখ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৭০ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংগ্রহ বেড়েছে ৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫০০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৫০১ কোটি। বেড়েছে ৩০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৬৬২ কোটি ৫৪ লাখ লাখ টাকা। বেড়েছে ৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

ষষ্ঠ অস্থানে রয়েছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৪৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৪১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৪০৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৫৪৪ কোটি ৪৩ লাখ। বেড়েছে ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

শীর্ষদের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮৪ কোটি ৪৮ লাখ। বেড়েছে ৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর আগের বছরে সংগ্রহ করে ১৪৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

অষ্টম অস্থানে রয়েছে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে এই সংগ্রহ ছিল ৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ২০ লাখ টাকা। বছর ব্যবধানে বেড়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের বছরে সংগ্রহ করে ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

ব্যবসা সংগ্রহের শীর্ষ তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এর আগের বছরে ছিল ১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা বছর ব্যবধানে বেড়েছে ৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

দশম স্থানে রয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে বেড়েছে ৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩০ লাখ টাকা।

গার্ডিয়ান লাইফের পরের অবস্থানেই রয়েছে ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর ২০১৫ সালে কোম্পানিটি সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৩ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৯১ লাখ টাকা।

ট্রাস্ট ইসলামি লাইফের পরের অবস্থানে রয়েছে বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা। সংগ্রহ বেড়েছে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ তে ছিল ১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ১৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৫ লাখ টাকা। যা ২০১৪তে ছিল ৫০ লাখ টাকা। বেড়েছে ৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেড়েছে ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

মার্কেন্টাইলের পরের অবস্থানে রয়েছে প্রোগ্রেসিপ লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যে সংগ্রহ ছিল ২২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৬৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে সংগ্রহ ছিল ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮৮ কোটি ৫ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৮০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। বেড়েছে ৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেড়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৮১ লাখ টাকা।

আলফা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ সংগ্রহ বেড়েছে ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে নতুন এই বীমা কোম্পানি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭০ লাখ টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে স্বদেশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর ২০১৪ সালে সংগ্রহ করে ৯২ লাখ টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে সংগ্রহ বেড়েছে ৮৪ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩০ লাখ টাকা।

হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে ছিল ৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে ৭২ লাখ টাকা। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১০৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ১০৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বেড়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ১৩৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৩৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। বেড়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ২০৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে যা ছিল ২০৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম কমেছে ৬১ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৫৭৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা।২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫৫৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বেড়েছে ১৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আর কোম্পানিটি ২০১৫ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে ৭৮১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আগের বছরে যা ছিল ৭৬৪ কোটি ৫ লাখ টাকা।অর্থাৎ বেড়েছে ১৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

05/04/2016

সরকারি ভর্তুকি পেলে ক্ষুদ্রবীমা এগিয়ে যাবে: আমজাদ হোসাইন
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রবীমার সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে বিশেষ আয়োজনে আমজাদ হোসাইন খান চৌধুরি।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডেরে মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আমজাদ হোসাইন খান চৌধুরি বলেন, ইন্ড্রাস্ট্রি ইন্স্যুরেন্স বা শিল্পবীমা নামে বিশ্বে পরিচিত ক্ষুদ্রবীমার অনুকরণ করেই বাংলাদেশে ক্ষুদ্রবীমার কার্যক্রম চলছে। যার জনক ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ক্ষুদ্রবীমার প্রথম দিকে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স এ খাতে ভর্তুকি দিত, যা এখন বন্ধ রয়েছে।

এ কারণে বর্তমানে ক্ষুদ্রবীমার গ্রাহক সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে দেশব্যাপী এর জনপ্রিয়তার একটু কমতি নেই। ক্ষুদ্রবীমার প্রিমিয়াম সংগ্রহে সময় ও পরিশ্রম বেশি হওয়ায় কোম্পানিগুলোরও আগ্রহ কম। এই খাতের প্রিমিয়াম প্রতি মাসে আদায় করতে হয়। আদায়ের এই প্রক্রিয়া খুবই জটিল ও ব্যয়বহুল। এটাও ক্ষুদ্রবীমার গ্রাহক কমার অন্যতম কারণ।

ক্ষুদ্রবীমার প্রিমিয়াম সম্পর্কে তিনি বলেন, আগে ক্ষুদ্রবীমা পলিসির মাসিক প্রিমিয়ার ছিল ২৭ টাকা থেকে ৮৭০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে তা বেড়ে ৩০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হারে নেয়া হচ্ছে। প্রিমিয়াম আদায়ের এই প্রক্রিয়া ও সময়সীমা পরিবর্তন করলে ক্ষুদ্রবীমা আরো বেশি জনপ্রিয়তা পাবে।

ক্ষুদ্রবীমার আওতায় কারা আসতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে জেনিথ ইসলামী লাইফের এই মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সমাজের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে চাকরিজীবী পর্যন্ত সবাই এই বীমা করতে পারে। ক্ষুদ্রবীমা করার ক্ষেত্রে কোন বাধা-ধরা নিয়ম নেই।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ক্ষুদ্রবীমার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। কারণ, দেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামীণ সমাজের জনগোষ্ঠি। তাছাড়া এখন সব শ্রেণীর মানুষের কাছে টাকা-পয়সা আছে। ইচ্ছা করলে সবাই ক্ষুদ্রবীমার আওতায় আসতে পারে।

এজেন্টদের প্রসঙ্গে কর্মকর্তা আমজাদ হোসাইন বলেন, বেশিরভাগ বীমা প্রতিনিধিদের কোন প্রশিক্ষণ বা এ বিষয়ে সম্পর্কে তেমন কোন অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান নেই। এতে বীমা খাতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। আগে মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকায় বীমা খাতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। তবে আস্তে আস্তে তা কাটিয়ে উঠছে।

বর্তমানে এজেন্টদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্ষুদ্রবীমার কোম্পানি তাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বীমা খাতকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, কোম্পানির জন্য ক্ষুদ্রবীমা লাভজনক প্রকল্প নয়। তারপরেও কোম্পানিগুলো ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং কাজ করতে চায়। কিন্তু এক্ষেত্রে বাধা অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়। প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্রবীমার উন্নতি চাইলে এখাতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্রবীমায় যদি সরকার মাত্র ৫ শতাংশ ভর্তুকি দেয় তাহলে দেশের ক্ষুদ্রবীমা অনেক এগিয়ে যাবে। একইসঙ্গে ব্যাপক জনগোষ্ঠিকে ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্পের আওতায় আনা যাবে। এমনকি মোট বীমার ২৫ শতাংশ ক্ষুদ্রবীমার আওতায় আনা সম্ভব। যা বর্তমানে হাজারে ৪ জন বিদ্যমান আছে। তিনি আরো বলেন, ক্ষুদ্রবীমার পরিসরে সরকারের সহায়তার কোন বিকল্প নেই।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানিতে ক্ষুদ্রবীমার কোন প্রকল্প নেই। কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প করার অনুমতি দেয়নি। তাই নতুন কোম্পানি বলে ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে আমাদের আপাতত কোন পরিকল্পনা নেই।

ক্ষুদ্রবীমায় ব্যবস্থাপনা ব্যয়, সময় ও শ্রম বেশি হওয়ায় কোম্পানি এই প্রকল্পে যেতে যাচ্ছে না। তবে সরকার যদি আমাদেরকে অনুমতি দেয় তাহলে ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে কাজ করতে আমাদের কোন অনিচ্ছা বা অনিহা থাকবে না। আমরা প্রাণপ্রণ চেষ্টা করব ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে।

তিনি আরো বলেন, আমি জেনিথ লাইফে নতুন জয়েন্ট করেছি। এর আগে ডেল্টা লাইফে কাজ করেছি। সেখানে কর্মরত অবস্থায় শুধুমাত্র ময়মনসিংহ এলাকা থেকেই প্রতি মাসে ৩ কোটি টাকা মাসিক প্রিমিয়াম সংগ্রহ করতাম।

ক্ষুদ্রবীমার ওপর আন্তর্জাতিক কোন সেমিনারে অংশ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জেনিথ লাইফের সিইও আমজাদ হোসাইন বলেন, ক্ষুদ্রবীমা সম্পর্কে বাস্তবিক অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক কোন সেমিনারে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ হয়নি।

শুধুমাত্র দেশের ভেতরে অনুষ্ঠিত কয়েকটি সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেছি। এরমধ্যে ড. মোসলেহ উদ্দিন আহাম্মেদের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকসহ আরো কয়েকটি সেমিনারে অংশ নেয়ার সুযোগ হয়েছে।

সরকারি ভর্তুকি পেলে ক্ষুদ্রবীমা এগিয়ে যাবে: আমজাদ হোসাইন বাংলাদেশের ক্ষুদ্রবীমার সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে বিশেষ আয়োজনে আম...
05/04/2016

সরকারি ভর্তুকি পেলে ক্ষুদ্রবীমা এগিয়ে যাবে: আমজাদ হোসাইন
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রবীমার সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে বিশেষ আয়োজনে আমজাদ হোসাইন খান চৌধুরি।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডেরে মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আমজাদ হোসাইন খান চৌধুরি বলেন, ইন্ড্রাস্ট্রি ইন্স্যুরেন্স বা শিল্পবীমা নামে বিশ্বে পরিচিত ক্ষুদ্রবীমার অনুকরণ করেই বাংলাদেশে ক্ষুদ্রবীমার কার্যক্রম চলছে। যার জনক ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ক্ষুদ্রবীমার প্রথম দিকে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স এ খাতে ভর্তুকি দিত, যা এখন বন্ধ রয়েছে।

এ কারণে বর্তমানে ক্ষুদ্রবীমার গ্রাহক সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে দেশব্যাপী এর জনপ্রিয়তার একটু কমতি নেই। ক্ষুদ্রবীমার প্রিমিয়াম সংগ্রহে সময় ও পরিশ্রম বেশি হওয়ায় কোম্পানিগুলোরও আগ্রহ কম। এই খাতের প্রিমিয়াম প্রতি মাসে আদায় করতে হয়। আদায়ের এই প্রক্রিয়া খুবই জটিল ও ব্যয়বহুল। এটাও ক্ষুদ্রবীমার গ্রাহক কমার অন্যতম কারণ।

ক্ষুদ্রবীমার প্রিমিয়াম সম্পর্কে তিনি বলেন, আগে ক্ষুদ্রবীমা পলিসির মাসিক প্রিমিয়ার ছিল ২৭ টাকা থেকে ৮৭০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে তা বেড়ে ৩০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হারে নেয়া হচ্ছে। প্রিমিয়াম আদায়ের এই প্রক্রিয়া ও সময়সীমা পরিবর্তন করলে ক্ষুদ্রবীমা আরো বেশি জনপ্রিয়তা পাবে।

ক্ষুদ্রবীমার আওতায় কারা আসতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে জেনিথ ইসলামী লাইফের এই মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সমাজের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে চাকরিজীবী পর্যন্ত সবাই এই বীমা করতে পারে। ক্ষুদ্রবীমা করার ক্ষেত্রে কোন বাধা-ধরা নিয়ম নেই।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ক্ষুদ্রবীমার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। কারণ, দেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামীণ সমাজের জনগোষ্ঠি। তাছাড়া এখন সব শ্রেণীর মানুষের কাছে টাকা-পয়সা আছে। ইচ্ছা করলে সবাই ক্ষুদ্রবীমার আওতায় আসতে পারে।

এজেন্টদের প্রসঙ্গে কর্মকর্তা আমজাদ হোসাইন বলেন, বেশিরভাগ বীমা প্রতিনিধিদের কোন প্রশিক্ষণ বা এ বিষয়ে সম্পর্কে তেমন কোন অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান নেই। এতে বীমা খাতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। আগে মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকায় বীমা খাতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। তবে আস্তে আস্তে তা কাটিয়ে উঠছে।

বর্তমানে এজেন্টদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্ষুদ্রবীমার কোম্পানি তাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বীমা খাতকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, কোম্পানির জন্য ক্ষুদ্রবীমা লাভজনক প্রকল্প নয়। তারপরেও কোম্পানিগুলো ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং কাজ করতে চায়। কিন্তু এক্ষেত্রে বাধা অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়। প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্রবীমার উন্নতি চাইলে এখাতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্রবীমায় যদি সরকার মাত্র ৫ শতাংশ ভর্তুকি দেয় তাহলে দেশের ক্ষুদ্রবীমা অনেক এগিয়ে যাবে। একইসঙ্গে ব্যাপক জনগোষ্ঠিকে ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্পের আওতায় আনা যাবে। এমনকি মোট বীমার ২৫ শতাংশ ক্ষুদ্রবীমার আওতায় আনা সম্ভব। যা বর্তমানে হাজারে ৪ জন বিদ্যমান আছে। তিনি আরো বলেন, ক্ষুদ্রবীমার পরিসরে সরকারের সহায়তার কোন বিকল্প নেই।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানিতে ক্ষুদ্রবীমার কোন প্রকল্প নেই। কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প করার অনুমতি দেয়নি। তাই নতুন কোম্পানি বলে ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে আমাদের আপাতত কোন পরিকল্পনা নেই।

ক্ষুদ্রবীমায় ব্যবস্থাপনা ব্যয়, সময় ও শ্রম বেশি হওয়ায় কোম্পানি এই প্রকল্পে যেতে যাচ্ছে না। তবে সরকার যদি আমাদেরকে অনুমতি দেয় তাহলে ক্ষুদ্রবীমা নিয়ে কাজ করতে আমাদের কোন অনিচ্ছা বা অনিহা থাকবে না। আমরা প্রাণপ্রণ চেষ্টা করব ক্ষুদ্রবীমা প্রকল্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে।

তিনি আরো বলেন, আমি জেনিথ লাইফে নতুন জয়েন্ট করেছি। এর আগে ডেল্টা লাইফে কাজ করেছি। সেখানে কর্মরত অবস্থায় শুধুমাত্র ময়মনসিংহ এলাকা থেকেই প্রতি মাসে ৩ কোটি টাকা মাসিক প্রিমিয়াম সংগ্রহ করতাম।

ক্ষুদ্রবীমার ওপর আন্তর্জাতিক কোন সেমিনারে অংশ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জেনিথ লাইফের সিইও আমজাদ হোসাইন বলেন, ক্ষুদ্রবীমা সম্পর্কে বাস্তবিক অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক কোন সেমিনারে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ হয়নি।

শুধুমাত্র দেশের ভেতরে অনুষ্ঠিত কয়েকটি সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেছি। এরমধ্যে ড. মোসলেহ উদ্দিন আহাম্মেদের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকসহ আরো কয়েকটি সেমিনারে অংশ নেয়ার সুযোগ হয়েছে।

05/04/2016

জীবন বীমা করার আগে ৪টি বিষয় ভাবুন
এক. জীবন বীমা দরকার হয় কেন? সত্য কথা হচ্ছে, জীবনে আর্থিক নিশ্চয়তার জন্য সবারই জীবন বীমা করার কোনো দরকার নেই। কারণ, জীবন বীমার উদ্দেশ্য আসলে আপনার নিজের আর্থিক সুবিধার জন্য নয়। বরং আপনার ওপর যারা নির্ভরশীল, তাদের আর্থিক সমর্থন যোগাতে আপনি যখন কাছেপিঠে নেই, তখন সেই নির্ভরশীলদের জন্য সমর্থন যোগানোই জীবন বীমার মূল লক্ষ্য। কাজেই আপনার ওপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল যদি কেউ না থাকে, তবে আপনার বোধহয় জীবন বীমার পেছনে অর্থ খরচের দরকার নেই। জীবনে যদি আপনি কারো আর্থিক ভালোমন্দ দেখার দায়িত্ব খুব গুরুত্বের সাথে নেন, তখনই এ প্রশ্ন আসে যে, আপনি যখন আর দেখাশোনা করতে পারবেন না, তখনকার আর্থিক নিশ্চয়তার কি হবে? এছাড়া জীবন বীমার খুব একটা কাজ নেই।

দুই. কোন ধরনের জীবন বীমাপত্র কিনবেন সাধারণত জীবন বীমা মোটাদাগে দুই ধরণের হয়, মেয়াদী বীমা ও আজীবন বীমা। নির্দিষ্ট মেয়াদের জীবন বীমাপত্রে খরচ কম, কারণ সাধারণ বেনিফিট কাজে লাগানোর আগেই এর মেয়াদ শেষ হয়। আর বীমাপত্র কেনার দিন থেকে শুরু করে আপনার মৃত্যুর দিন যাবত আজীবন বীমাপত্রের মেয়াদ। এর দাম বেশি। কারণ মেয়াদ শেষের পর কয়েক বছর থেকে শুরু করে এমনকি কয়েক দশক যাবত এর বেনিফিট দিতে হতে পারে কোম্পানিকে। কাজেই আজীবন বীমাপত্র আপনি বেশি দামে কিনতে পারেন, অন্যদিকে মেয়াদী বীমাপত্রের দামের বিষয়ে কড়া থাকুন।

তিন. মেয়াদ পছন্দ করবেন কিভাবে যদি মনে করেন, আপনার পোষ্যরা চিরকালের জন্য আপনার ওপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল থাকবে না, তবে মেয়াদী জীবন বীমা করাই আপনার জন্য ভালো হবে। যেমন ধরুন, আপনার সন্তানরা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হবার আগে তক আপনি মেয়াদী জীবন বীমা করতে পারেন। তারা যদি স্বনির্ভর হয়েই ওঠে তবে তো আর বীমাপত্রের পেছনে অবিরাম টাকা খরচ করে যাবার মানে হয় না। অন্যদিকে যদি এমন কোনো পোষ্য থাকে আপনার, যার পক্ষে যে কারণেই হোক আর্থিক স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব নয় বলে আপনি মনে করেন, তবে আজীবন বীমার কথা ভাবতে হবে।

চার. কি পরিমাণ মূল্যের বীমাপত্র কিনবেন এ প্রশ্নের জবার তালাশের আগে অন্য একটি প্রশ্ন করুন নিজেকে। আপনার কাঙ্খিত উপকারভোগীদের দরকার কি পরিমাণ? এ দরকার যদি অনুমান করতে পারেন, তবে কি পরিমাণ মূল্যের বীমাপত্র দরকার, তা বের হয়ে আসবে। কোম্পানির কাগজপত্রে থাকা লাভালাভের চমক লাগানো হিসাব ধরে এ সিদ্ধান্ত কখনোই নিতে যাবেন না। আপনার দরকার হিসাব করুন। নিজের এ অঙ্কের অনুসারেই সিদ্ধান্ত নিন। ভাবুন; আপনার পোষ্যদের প্রতি বছর কি পরিমাণ টাকার দরকার হবে, কত বছর ধরে এ দরকার থাকবে? আপনার পোষ্যরা হয়তো নানা বয়সের, তাদের দরকারের সময় কমবেশি হবে। এসব সূত্র ধরে হিসাব শেষ করুন।

05/04/2016

বিয়ের আগে বীমা করুন, খরচ বাঁচান
জীবন বীমা এমন একটি চুক্তি যেখানে এককালীন অর্থ বা নির্দিষ্ট সময়ান্তে কিস্তি পরিশোধের প্রতিদানে বীমাগ্রহীতার মৃত্যুতে অথবা নির্ধারিত বছরসমূহ শেষে বীমাকারী বৃত্তি অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জীবন বীমা আসলে নিজের আর্থিক সুবিধার জন্য নয়। বরং বীমা গ্রহীতার অবর্তমানে তার ওপর নির্ভরশীলদের জন্য আর্থিক সমর্থন যোগানোই জীবন বীমার মূল লক্ষ্য।

জীবন বীমা পলিসির ধরণে যেমন রয়েছে ভিন্নতা তেমনি তার খরচেও রয়েছে ভিন্নতা। তবে বীমা পলিসি কেনার ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে কৌশল অবলম্বন করে এবং উপযুক্ত সময়ে পলিসি কেনার মাধ্যমে প্রিমিয়াম খরচ আরও কমিয়ে আনা যায়। ইন্সুরেন্সনিউজবিডি’র পাঠকদের জন্য বিশেষ করে যারা বীমা করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য এমনই কিছু টিপস তুলে ধরা হলো-

মূলত জীবন বীমা পলিসি কেনার খরচ বা প্রিমিয়ামের পরিমাণ নির্ভর করে বেশ কিছু বিষয়ের ওপর। যেমন- আপনার বয়স, শারীরিক অবস্থা, কাজের প্রকৃতি, নির্বাচিত পলিসির প্রকার, বীমাকৃত রাশি বা অংক, পলিসি মেয়াদ, প্রিমিয়াম প্রদানের মেয়াদ, রাইডার্স বা অতিরিক্ত সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর।

এক্ষেত্রে বীমা বিশ্লেষকদের মত হচ্ছে, একটি পলিসির খরচ কম হতে পারে যদি আপনি তরুণ বা প্রারম্ভিক বয়সে বীমা ক্রয় করেন, যখন ঝুঁকি কম থাকে। অর্থাৎ আপনি আপনার আয়ের উপর নির্ভরশীল হলে নিজেকে বীমা করা উচিত। ছোট বয়স, আপনার প্রিমিয়াম কম হবে। বিয়ের পরে নয়, বিয়ের আগেই বীমা করুন। এতে করে বীমার প্রিমিয়াম খরচ কম হবে।

মনে রাখা দরকার, একটি বীমা পলিসি ক্রয় করতে যেন খুব একটা দেরী না হয়। কারণ, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রিমিয়াম হারও বাড়তে থাকে। যদি আপনি ৪৫ বছর বয়সী হন আর বীমা না করে থাকেন, তাহলে আপনি বীমা পণ্যগুলি পচ্ছন্দ করতে পারেন যেটা আপনার পরিবারকে সুবিধা প্রদান করবে এবং আপনার অবসরের সময়কালে আয় প্রদান করবে।

মাসিক নয়, বরং বার্ষিক ভিত্তিতে প্রিমিয়াম প্রদানের প্রস্তাব করুন। তাহলে আপনি ভালো ছাড় পেতে পারেন। অবশ্য আমাদের অধিকাংশের জন্য এর অর্থ হলো পুরো বছরজুড়ে জমা করা। আপনি বীমা কোম্পানির কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন যে, আপনি এভাবে প্রিমিয়াম প্রদান করলে বছরে কত টাকা সঞ্চয় করতে পারবেন।

দীর্ঘ সময়ের জন্য নিজেকে বীমা করুন।কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতা বা ঝুঁকির পরিমাণও বাড়তে শুরু করে। এতে করে বীমার খরচও বেড়ে যায়। অর্থাৎ তরুণ বয়সে যত অল্প খরচে বীমা করা যাবে বয়সকালে তা সম্ভব হবে না। তাই অল্প সময়ের জন্য বারবার বীমা করার চেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী একটি বীমা করা ভালো। এতে খরচ কম হয়।

সস্তায় জীবন বীমা পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ধুমপান বন্ধ করার চেষ্টা করা। ধুমপানকারিরা প্রায়ই অধুমপায়িদের চেয়ে দ্বিগুণ প্রিমিয়াম দিয়ে থাকে। আর এটা দিতে হয় প্রধানত সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণে । তাই বীমার প্রিমিয়াম খরচ কমাতে চাইলে আজই ধুমপান বন্ধ করুন। স্বাস্থ্যবান জীবন যাপন করুন।

একটি বৃহৎ বীমাকৃত রাশির জন্য নিজেকে বীমা করুন। সর্বনিম্ন দামে সহজলভ্য বীমা পলিসি নির্বাচিত করুন। যেটি পূর্ণতার ওপর ভালো আয়ের প্রস্তাব দেয়। এজন্য ভালোভাবে বাজার যাচাই করে পলিসি কিনুন। রাইডার্স বা অতিরিক্ত সুবিধা ক্রয় করবেন না। এতে করে আপনার প্রিমিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যাবে। তবে প্রয়োজনীয় ঝুঁকি কাভার করা থেকে বিরত থাকবেন না।

Address

Amin Tower, 4rth Floor
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ:

Share